১ম প্রকাশ, ২০২৫
সাভানার ৭
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ঘুম The Sleep
নাঈম হোসেন ফারুকী
মহিষমতি সমীকরণ
নাঈম হোসেন ফারুকী
চা কফি আর কোয়ান্টাম মেকানিক্স
নাঈম হোসেন ফারুকী
চা কফি আর জেনারেল রিলেটিভিটি - প্রথম খণ্ড
নাঈম হোসেন ফারুকী
এই বইটা সাইফাই এর
নাঈম হোসেন ফারুকী
Big-জ্ঞানে, অগ-Gun
নাঈম হোসেন ফারুকী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সাভানার ৭ |
| Author | নাঈম হোসেন ফারুকী |
| Publisher | প্রান্ত প্রকাশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 140 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ভ্রমণ ও প্রবাস |
| Weight | 0.45 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
5 Ratings and 5 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৫টিIshraque , Apr 23, 2026
"বইয়ে লেখক তার কেনিয়া ভ্রমণের কাহিনী খুব চমৎকার লিখন শৈলী এবং ক্যামেরার দক্ষ হাতের ছবিগুলো দিয়ে সাজিয়েছেন। বইটা ব্যাঙের ছাতার বিজ্ঞান গ্রুপ থেকে গিফট পাওয়া। এর আগেও বিসিবির কয়েকটা বই পড়া আছে, ভূত এক্সপোজড - বিজ্ঞানের চোখে ভূত , Big-জ্ঞানে, অগ-Gun, মহিষমতি সমীকরণ সবগুলোই বইমেলা থেকে কেনা এবং পছন্দের বই। এবার পড়লাম সাভানার ৭। বইটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নিঃসন্দেহে এর প্রোডাকশন কোয়ালিটি। পুরো বইতে যে উন্নতমানের গ্লসি আর্ট পেপার ব্যবহার করা হয়েছে, তা পড়ার অভিজ্ঞতাকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। আর সেই ঝকঝকে পাতায় ফারুকী ভাইয়ের তোলা কেনিয়ার ওয়াইল্ডলাইফের ছবিগুলো যেন জীবন্ত হয়ে চোখের সামনে ভেসে উঠেছে! ঘাসবনের ভেতর থেকে উঁকি দেওয়া চিতা বাঘের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, অ্যাম্বোসেলিতে হাতির পালের আভিজাত্য, নাকুরু লেকে ফ্লেমিঙ্গো আর পেলিকানের ঝাঁক, কিংবা ভোরবেলায় মাসাই মারার আকাশে বিশাল হট এয়ার বেলুনের ছবিগুলো, প্রতিটা ফ্রেমই এত নিখুঁত যে মনে হয় কোনো প্রফেশনাল ওয়াইল্ডলাইফ ম্যাগাজিনের পাতা উল্টাচ্ছি। ভ্রমণকাহিনীটি শুধুমাত্র গৎবাঁধা কোনো তথ্যবহুল ট্রাভেলগ নয়। লেখকের দারুণ রসবোধ আর সাবলীল বর্ণনা শুরু থেকেই পাঠককে আটকে রাখে। বিশেষ করে ট্যুর প্ল্যানিংয়ের শুরুতে সঙ্গী খোঁজার সেই অংশটা উল্লেখ না করলেই না: "পাশের দেশ ইন্ডিয়া যাওয়ারই সঙ্গী পাওয়া যায় না- আর আফ্রিকা তো পুরো আলাদা মহাদেশ। চেষ্টা কম করলাম না। পরিচিত সম্ভাব্যদের নক দিয়ে গুঁতানো শুরু হলো। ভাই চলো, আফ্রিকা যাই। জোশ হবে। না ভাই, ঘরে বৌ বাচ্চা আছে, তুমিই যাও।" ... "দিন গেল, ঈদের ছুটি এগিয়ে এলো, কেউ আর কনফার্ম করল না। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম, একাই যাব।" ঢাকা থেকে ইয়েলো ফিভারের টিকা নেওয়ার সংগ্রাম, মুম্বাই এয়ারপোর্টের ট্রানজিট পেরিয়ে নাইরোবি পৌঁছানো, ই-ভিসার টেনশন, সবকিছুর বর্ণনাই খুব বাস্তব আর প্রাণবন্ত। এর মাঝে মাসাইদের গ্রামে গিয়ে তাদের জীবনযাত্রা দেখা, রাতের অন্ধকারে নাইট সাফারিতে বের হওয়া, হেলস গেইট ন্যাশনাল পার্কের সতর্কতা, আর সবশেষে সাড়ে চারশো ডলার খরচ করে সেই স্বপ্নের হট এয়ার বেলুন রাইড, সব মিলিয়ে এক অসাধারণ অ্যাডভেঞ্চার। বেলুন রাইডের আগে লেখকের সেই কনফিউশন আর সাহস করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার উপলব্ধিটা ছিল দারুণ, "টাকার মায়া না করে জীবনে একবার এসব করাই যায় ভেবে বুক দিয়ে দিলাম।" লেখক শুধু পশু-পাখি দেখাননি, তিনি কেনিয়ার প্রকৃতি, আকাশ, মাটি আর স্থানীয় মানুষদের কালচার খুব সুন্দর করে তুলে এনেছেন। লেক নাইভাশার শান্ত সকালের বিচিত্র ব্রেকফাস্ট, পথে দেখা আফ্রিকান ফলমূল, ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি মাউন্ট লঙ্গনটের ধোঁয়, বইটা পড়ার সময় মনে হচ্ছিল আমি নিজেই যেন ল্যান্ড ক্রুজারে বসে লেখকের সাথে সাভানার বুক চিরে ঘুরে বেড়াচ্ছি। শেষ করার পর মনে হলো নাঈম্ভাই আর কয়দিন কেনো কেনিয়ায় থাকলেন না? কেনো আর কয়েকটা পাতা পেলাম না। মনে হলো তার মত আমিও যেনো কেনিয়ার প্রকৃতির সৌন্দর্য আর পশুপাখি-গাছপালা মিস করছি।"
Rhik , Feb 25, 2026
"বই পড়ার অভ্যাস খুব একটা নেই, সময়ের অভাব নাকি স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে বই এর পাতায় নেয়ার মত কঠিন কাজের শক্তির দৈন্যতা তা বিধাতা জানে। টেস্ট পরীক্ষার জন্য জোর জবরদস্তি পড়তে বসে যখন নিজের বর্তমান আর ভবিষ্যতের কথা ভেবে মাথার চুল ছিড়ছিলাম তখন অগোছালো শেল্ফে রাখা একটা ছোট বইয়ের উপর চোখ এক মূহুর্তের জন্য আটকে যায়। গত ৪ ৫ মাস ধরে শুভলগ্ন দেখে, দিন-ক্ষণ ঠিক করেও শেষ পর্যন্ত বইটা আর পড়া হয়ে উঠেনি। একঘেয়েমি থেকে একটুখানি নিজেকে সরিয়ে নিতে গিয়ে শেষ বইটা আমার হাতে উঠার সৌভাগ্য পেল আজ। আর এই এক সুযোগেই নিজেকে প্রমাণ করতে একটুও কার্পণ্য করেনি সে। বইটা হাতে নিলেই যে জিনিসে দুই সেকেন্ড তাকাতে আপনি বাধ্য তা হচ্ছে বইয়ের কভার, এক বিস্তৃত মাঠে একা দাঁড়িয়ে এক হট এয়ার বেলুন, হ্যা এইটুকুই। আর সিংহের আদলে বড় বড় করে লেখা সাভানার সাত। নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে প্রথমেই যে বিষয়টি মাথায় এলো তা হলো এই সাভানা কি জিনিস সেটাই আমি জানি না। ভাবলাম আফ্রিকার কোন জায়গার নামই হবে হয়তো। এভাবে জিওগ্রাফির পেটে লাথি মেরে বইটা পড়া শুরু করলেও বই শেষ হতে হতে আমি পৌছে গিয়েছিলাম সেই সাভানায়, প্রত্যেকটা পশু পাখি যেন আমার পাশেই বসেছিল, লাফ দিচ্ছিল আমার মাথার উপর দিয়ে, লেখকের বাস্তবে সেই অভিজ্ঞতা না হলেও আমার হয়ে গিয়েছিল। হাজার মাইল দূরে বসে মনে হচ্ছিল আমিও তো সেখানে ছিলাম। হাত দিয়ে স্পর্শ নিচ্ছিলাম প্রতিটা গাছের পাতার, প্রতিটা ঘাসের, প্রতিটা ধুলিকণার। আমার মাথার উপরই বিস্তৃত সেই মেঘমালা, ফুসফুস চিড়ে ঢুকছে নির্মল এক বাতাস টেনে নিয়ে আসছে আমার সব জড়তাকে আর উড়িয়ে দিচ্ছে প্রকৃতিতে। সেই বাতাসের ঝাপটায় দেখতে পাচ্ছি আরও পরিষ্কার ভাবে, শোষে নিচ্ছে আমার সব ক্লান্তি সব দুশ্চিন্তা সব ইহজাগতিক মোহ আর কানে কানে এসে বলছে আর কি দরকার জীবনে.... বইয়ের প্রতিটা পাতায়ই লেখক তার চোখে দেখা প্রাণি এবং গাছপালা নিয়ে বেশ ভালো তথ্য দিয়েছেন যা পশুপাখি আর গাছপালা-প্রেমীদের অনেক ভালো লাগার কথা। পুরো কেনিয়া ট্যুরের খরচপাতি, খাবারদাবার থেকে শুরু করে প্রতিটা অভিজ্ঞতাই বইয়ের পাতায় বন্দি করেছেন। তথ্যবহুল আলাপ বেশি হয়ে গেলে বোরিং লাগতে শুরু করার পরমুহূর্তেই শুরু করে দিয়েছেন আরেকটা এডভেঞ্চার। বই ছেড়ে উঠতে দেন নি। বইয়ের সবচেয়ে বেস্ট বিষয় যেটা যে কেউ স্বীকার করতে বাধ্য তা হলো পুরো বই জুড়ে তার এই ভ্রমণে লেখকের তোলা অসংখ্য রঙিন ছবি, কখনো নানা জাতের গাছপালা, কখনো বিস্তৃত দিগন্ত বা কখনো আফ্রিকার সেই বিগ ফাইব। এই ছবি গুলোর দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছিল বই হাতে নিয়ে ভ্রমণের স্মৃতিচারণটা আমিই করছি। কিছু জায়গায় বানান ভুল আর বাক্যের বিচ্ছিন্নতা কে বাদ দিলে বইটি পড়ে আপনি মোটেই রিগ্রেট ফিল করবেন না। তবে আপনি যদি পশুপাখি-গাছপালাপ্রেমী বা ভ্রমণপিয়াসু বা বনজঙ্গলের বাসিন্দা না হন তাহলে হয়তো বইটা আপনার কাছে কিছু জায়গায় বোরিং লাগতে পারে। হ্যাপি রিডিং।"
Sowrav Bhattacharya , Feb 25, 2026
"সময়টা ২০১১ সাল, বিদ্যুৎ গেলে মোমবাতি জ্বলত, আর থাকলে সাদাকালো টিভির পর্দায় ঝিরঝির করত পুরো পৃথিবী। লম্বা বাঁশের মাথায় অ্যান্টেনা লাগিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নেটওয়ার্ক ঠিক করতাম। অমন দিনে ডিশ লাইন কল্পনা করা যেত না। কিন্তু মামার বাড়িতে সেটা ছিলো। বেড়াতে গেলে বাবাকে নিয়ে বসে বসে Animal Planet এবং Discovery দেখতাম। পশুপাখি দেখার সে কী আনন্দ! বাঘ হরিণকে তাড়া করছে এমন অপার্থিব দৃশ্য দেখে উত্তেজিত হতাম, মন থেকে চাইতাম হরিণটা যেন বেঁচে যায়। যদিও আমরা কেউ ইংরেজি বুঝতাম না, তবুও ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থেকেছি। শুধু টিভি নয়, সৃজিত মূখার্জীর পরিচালিত ‘কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ সিনেমায় মাসাইমারার সেই বিস্তীর্ণ সোনালি মাঠ আমাকে টেনে ধরেছিল। ‘সাভানার সাত’ ভ্রমণকাহিনীর বইটিও কিনেছিলাম আফ্রিকার প্রতি আগ্রহ থেকে। লেখক শুরু করেছেন একেবারে ট্যুর প্ল্যান থেকে, পাতা উল্টাতে উল্টাতে মনে হচ্ছিল, আমি নিজেই হয়তো ব্যাগ গুছাচ্ছি। । ভেতরে ভেতরে হাইপ হচ্ছিলো আফ্রিকা যাওয়ার। বইটি কেনিয়া ভ্রমণকে ঘিরে যেখানে মাসাইমারা, লেক নাইভাশা, লেক নাকরু, অ্যাম্বোসেলি, হেলস গেইটের মতো চমৎকার জায়গা ঘুরেছেন। বইটি রঙিন কাগজে ছাপা, পাতা পিচ্ছিল, আর ছবিতে ভরা। ভ্রমণের প্রতিটি মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করেছিলেন। বিশেষ করে পশুপাখির ছবিগুলো কল্পনার দরজা খুলে দেয়। অনেক ছবি এমন ছিলো যেটা খুলে বসে ছিলাম বহুক্ষণ, ছোটবেলার Animal Planet কল্পনা করে নস্টালজিক হয়েছি। “হেলস গেইটে থাকা বিশাল জিরাফ, নাইভাশা লেকে স্নান করা হিপো, হেলেদুলে হাঁটতে থাকা জেব্রা কিংবা মাসাইমারায় অ্যাকেশিয়া গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্যাস্তের দৃশ্য। এগুলো ছবি নয়, যেন কেউ কাগজের ভেতরে আফ্রিকা ভাঁজ করে রেখেছে” লেখকের শব্দচয়ন বেশ ভালো, বোর হওয়ার ফুরসত নেই। কেউ আফ্রিকা ভ্রমণ করতে চাইলে বইটি উপযুক্ত, ভ্রমণটি কল্পনাতেও হতে পারে কিংবা বাস্তবে। দুটোর জন্যই যথেষ্ট রসদ আছে এখানে । তবে একটু অতৃপ্তিও রয়ে গেল। প্রথমত এটি ছোট বই। ১৪০ পৃষ্ঠার মত, বইটি আরও ডিটেইল হলে ভালো হত। গল্পে ডুব দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যায় না। তার আগেই পরের দৃশ্যে চলে যায়। স্টোরিলাইন লাফিয়ে লাফিয়ে এগোয়, নিজেকে গল্পের ভেতরে মিশিয়ে নেওয়া যায়নি। এটা আমার নিতান্তই ব্যক্তিগত অনুভূতি। আমার স্লো স্টোরি পছন্দ। আমি ডুবে যেতে পছন্দ করি। লেখকের ভবিষ্যৎ ভ্রমণের জন্য শুভকামনা, ভবিষ্যৎ ভ্রমণকাহিনীর জন্য শুভকামনা। আফ্রিকাকে যারা মনে মনে ভালোবাসেন, তাদের বইয়ের শেল্ফে 'সাভানার সাত' থাকা চাই। ভ্রমণটা ছোট হলেও স্বপ্নটা বড়। যে বই পড়তে পড়তে মন চলে যায় মাসাইমারার ঘাসে, সে বই ছোট হলেও ছোট নয়।"
Shahriar Nafiz , May 18, 2025
"সাভানার সাত - নাঈম হোসেন ফারুকী প্রকাশনী- প্রান্ত ভ্রমণ কাহিনী। যারা লাইট রিডিং পছন্দ করেন, অথবা আমার মতো সারাদিন বুদ্ধিসীমার বাইরের জিনিসপত্র নিয়ে ঘাটাঘাটির পর ব্রেইন কে একটু আরাম দিতে চান তাদের জন্য দারুণ একটা বই। আমি আগে কখনো ভ্রমণ কাহিনীর বই পড়িনি। তাই আলোচনা তুলনামূলক হবে না। বই পড়তে পড়তে যা মনে হয়েছে সরাসরি সেটাই বলছি। ভালো দিক- বইয়ের প্রোডাকশন সুন্দর। প্রিন্টিং, বাইন্ডিং, কাগজের কোয়ালিটি সবই যথেষ্ট ভালো। লেখার ভঙ্গি খুবই সাবলীল। হাই স্কুলের ছেলে মেয়েরাও পড়তে পারবে। লেখকের অন্যান্য বই অনেকের কাছেই জটিল মনে হয়, এটা তেমন কিছু নয়, শ্রেফ গল্পের বই ভেবে পড়তে পারবেন। বইতে প্রচুর প্রাণীর বর্ণনা আছে। সেটা নিশ্চয়ই আজমল স্যারের বইয়ের মতো না। সহজে নাম, কী খায়, কোথায় থাকে, কীভাবে থাকে এগুলো বলা হয়েছে। বহু নতুন প্রাণী চিনেছি আমি। কিছু উদ্ভিদেরও বর্ণনা আছে। প্রাকৃতিক অন্যান্য বস্তু যেমন পথ-ঘাট, পাহাড়, লেক, আকাশ, সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত নিয়েও কথা আছে যথেষ্ট। তাদের সৌন্দর্য বর্ণনা খুব ভালো লেগেছে। সুন্দর হোটেলগুলো ও খাবারেরও বর্ণনা করেছেন। স্থানীয় মানুষদের জীবন-যাত্রাও লেখাতে ফুটে উঠেছে। যেগুলো ফ্যাসিনেটিং ছিলো। লেখাতে প্রচুর জোকস পাবেন। মুজতবা আলী টাইপ জোকস না ঠিক, কিন্তু হাসি আসতে বাধ্য। পড়তে পড়তে এজন্য বেশ ফ্রেশ ফিল হয়। বই পড়তে পড়তে আগ্রহ হারিয়ে ফেলার কোনো কারণ নেই। যদিও সাসপেন্স থ্রিলার নয়, শেষ পর্যন্ত কী কী হলো তা জানার জন্য আগ্রহ বোধ করবেন। লেখক আপনাকে অন্যান্য কিছু সাহিত্যকর্মের সাথে রিলেট করিয়ে সাভানা ঘোরাবেন। কখনো কাকাবাবু, কখনো তিন গোয়েন্দা! লেখক চেষ্টা করেছেন লেখার মধ্যে একটা ট্যুর গাইডেন্স রাখতে। যারা ভবিষ্যতে সাভানা যাওয়ার প্ল্যানিং করছেন তারা এই বই থেকে তথ্য নিয়ে উপকৃত হতে পারেন। আবার যারা এমন প্ল্যানিং করেননি, বই পড়া শেষে তারাও যেতে চাইবেন! বইয়ের প্রচ্ছদ সুন্দর। ছবিতে ভরপুর আর পুরো বই রঙিন হওয়ায় পড়ে আলাদা এক আনন্দ আসে। সবচেয়ে বড় ব্যাপারটা হলো, বই পড়তে পড়তে আপনার মনে হবে আপনি নিজেই সাভানা হারিয়ে গিয়েছেন। ঘুরে বেড়াচ্ছেন লেখকের সাথেই। সত্যি বলতে কি, এটা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটার চেয়েও অনেক বেশি কিছু। কিছু সমস্যার কথা বলা যাক- অল্প কিছু টাইপো আছে। যা প্রান্তের বই হিসেবে কমই বলা যায়। অবশ্য একটা টাইপো এমন যে সেটাতে হাসি পেয়েছিলো। তবে টাইপোর জন্য পড়ার মজা মাটি হবে, এমনটা ভাবার কোনো কারন নেই। না ভাই, আর খুঁজে পাচ্ছি না কিছু। সর্বপরি, সুন্দর একটা বই। কিনে পড়ার পর অবশ্যই ইচ্ছা করবে আমাকে একটা থ্যাংকস দিতে।"
Shadhin , Feb 26, 2025
"সাভানার ৭ নাঈম হোসেন ফারুকী এই বছর বইমেলায় "সাভানার ৭" বইটা আমি সম্পাদনা করেছি, তবে সম্পাদকীয়তে কিছু লিখিনি। কারণ বইটিতে মেজর কোনো কারেকশন বা এডিটিং করার প্রয়োজন পড়েনি। সেজন্য আমার ভূমিকা নেই বললেই চলে। "Out of Africa"-এর নাম শুনেছেন না? ক্যারেন ব্লিকসেনের বিখ্যাত মেমোয়ার, পরবর্তীতে বিখ্যাত চলচ্চিত্র হয়ে সাতটা অস্কার জিতেছিল। নানান জায়গায় আফ্রিকার বন্যপ্রাণীদের স্বভাব চরিত্র জানাতে এখনো এই বইয়ের নাম স্মরণ করে। কথায় কথায় অনেকেই আউট অফ আফ্রিকা টানে। যদি এসব শুনে, পড়ে একবারও মনে হয় আমারও আফ্রিকায় যাওয়া উচিত, কিংবা এই দৃশ্যগুলো পড়তে পড়তে কল্পনায় আনা দরকার, তাহলে গ্লোসি প্রিন্টের "সাভানার ৭" চমৎকার বইটা আপনার জন্য। এতে লেখক তার বাংলাদেশ থেকে আফ্রিকার বন্য জঙ্গল ঘুরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছ। ভিসা প্রসেস, ক্রাইটেরিয়া থেকে শুরু করে আফ্রিকার বিস্তীর্ণ সাভানায় ফ্লেমিঙ্গোদের গলা উঁচিয়ে দাঁড়ানোর দৃশ্য পর্যন্ত সবকিছু সচিত্রভাবে উপস্থাপন করেছে। তাহলে? অনন্য এক ভ্রমণগল্পের স্বাদ নিতে "সাভানার ৭" আজই সংগ্রহ করে নেন। স্বাদ না পেতে চাইলে স্বাদ নেওয়ার আগ্রহ আনতে সংগ্রহ করেন। ভ্রমণ আগ্রহী না হলেও নেন, আগ্রহ আসবে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সাভানার ৭" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: