১ম প্রকাশ, ২০২৪
প্রোজেক্ট টেট্রা-১: মহাজাগতিক
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
অক্টারিন ও অক্টারিন জগৎ: সবুজ
তানজীম রহমান
অক্টারিন
তানজীম রহমান
আর্কন
তানজীম রহমান
দ্য ড্রেসডেন ফাইল্স : স্টর্ম ফ্রন্ট
তানজীম রহমান
অক্টারিন জগৎ: সবুজ
তানজীম রহমান
আর আমি হবো ধ্বংসতারা
তানজীম রহমান
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | প্রোজেক্ট টেট্রা-১: মহাজাগতিক |
| Author | তানজীম রহমান |
| Publisher | ঋদ্ধ প্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 224 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.36 Kg |
| ISBN | 9789843561596 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
5 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টি
Md Rakib Hasan , Aug 31, 2025
"===== কাহিনী/বইয়ের সার-সংক্ষেপ ও পাঠ প্রতিক্রিয়া ===== #০১। আমাদের শেষটা স্বপ্নপুরী: কেমন হতো যদি মানুষ ঘুমন্ত অবস্থাতেও স্বপ্নের মধ্যেও কাজ করতো পারত! সেটাই করে দেখিয়েছে মহামান্য ম্যালথাসের একটি প্রকল্প, যার নাম ড্রিম ওয়ার্কপ্লেস বা সংক্ষেপে ডিডব্লিউ। এর আবিষ্কারের কারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এখন এতটাই বেশি যে মানুষের আর দৈনিক ০৮ ঘন্টা কাজের মজুরী দিয়ে জীবন স্বাভাবিকভাবে চালানো অত্যন্ত কঠিন। আর ড্রিম ওয়ার্কপ্লেসে একবার ঢুকলে নিরেট ঘুম বলে কিছু নেই। জাপানিজ নাগরিক হারুতো তাকাশি কিছুদিন হলো ডিডব্লিউতে কাজ শুরু করেছে। প্রথম কর্মস্থল তার বাংলাদেশ। সবকিছু স্বাভাবিকভাবে শুরু হলেও কয়েকদিন স্বপ্নে কাজ করার পর তার সহকর্মীর দেয়া একটি বার্তায় তার মনে সন্দেহ জাগতে শুরু করে। এটা কি আসলেই কোন ভার্চুয়াল কর্মক্ষেত্র নাকি এর এর পেছনে লুকিয়ে আছে বিশাল কোন ষড়যন্ত্র? কোনটি সিমুলেশন আর কোনটি বাস্তব এই নিয়েই সে পড়ে গেল এক মহা গোলকধাঁধায়! এই গল্পটির টাইমলাইন মূলত ভবিষ্যত পৃথিবীকেন্দ্রিক। যেখানে মানুষ সিমুলেশনের মাধ্যমে স্বপ্নেও কাজ করতে পারে। লেখক এখানে সিমুলেশনের দুনিয়া নিয়ে মোটামুটি চমৎকার কাজ করেছেন। তবে উপন্যাসের বদলে ছোট গল্প হওয়ায় পুরো একটি উপন্যাসের স্বাদ ঠিক পাওয়া যায়নি; যদিও তাতে সেসব উপাদান বিদ্যমান ছিলো। এখানে কোনটি আসল আর কোনটা নকল দুনিয়া এ নিয়েই দ্বিধাদ্বন্দ তৈরি হয়; যা পাঠককেও নিয়ে যায় এক ঘোরের মধ্যে। সর্বোপরি গল্পটি পড়ে ভালোই লেগেছে। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৭/১০। #০২। সিসিফাসের দুই হাত: যদি হঠাৎই আবিষ্কার হয় যে, পৃথিবীর অভ্যন্তরে যে মেটালিক কোর বিদ্যমান যা পৃথিবীর বায়ুমন্ডল রক্ষাকারী ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করে; সেটি কোন এক বিস্ময়কর কারণে উল্টা দিকে ঘোরা শুরু করেছে তাহলে কেমন হবে? অন্যদিকে হাজার আলোকবর্ষ দূরে ইগোর-টলেক্সির সীমার বাইরে থেকে হাজির হচ্ছে অচেনা এক গ্রহ। বাংলাদেশী বিজ্ঞানী প্রফেসর মাকসুদ খানের দাবি যদি সত্য হয় তাহলে পৃথিবীর সামনে ধেয়ে আসছে এক মহাবিপদ! তাই অত্যন্ত গোপনে এক দুঃসাহসিক মহাকাশ অভিযান শুরু হলো। কিন্তু তার পরিণতি কি সাফল্য বয়ে আনবে নাকি ধ্বংস? বইটি মূলত লেখক হার্ডকোর সাই-ফাই হিসেবে লিখেছেন বলেই মনে হয়েছে আমার। সিসিফাস, গ্রিক মিথ, অ্যাডভেঞ্চার ও পৃথিবীর কোরের সাথে হাজার আলোকবর্ষ দূরের এক অগন্তুক গ্রহ নিয়েই লেখক পুরো কাহিনিটি লিখেছেন। একেবারে পৃথিবী থেকে মহাকাশ ভ্রমণ অবধি লেখক পুরো গল্পের ওয়ার্ল্ড বিল্ড করেছেন; যা আমার কাছে মোটামুটি ভালো লেগেছে। তবে বইয়ের মূল কাহিনী আমার কাছে মোটামুটি মানের লেগেছে। কারণ এখানে এক গ্রীক মিথোলজিক্যাল গল্পের সত্যতা প্রমাণের জন্য সায়েন্স ফিকশন গল্পটির ভিত্তি জুড়ে দিয়েছেন; যা আমার কাছে উদ্ভট লেগেছে। যে রহস্য তৈরি করার চেষ্টা হয়েছে গল্পটিতে, সেটাও আমার কেমন যেন মনে হয়েছে জোর করে প্রমাণ করার মতো অর্থ্যাৎ ঠিক জমেনি আমার কাছে। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৫/১০। #০৩। ঘটনার ঘনঘটায়: প্রতিদিনকার মতোই দৈনন্দিক জীবন যেমন শুরু হয় ঠিক তেমনিভাবেই দিনটি শুরু হলেও একটি বাসায় কাজের বুয়াকে এক চড়েই তাকে মৃত্যুর দুয়ারে পাঠিয়ে দেওয়ার মতো জঘন্য এক কাজ করে বসে গল্পের মূল চরিত্র। তিনি একজন গৃহিণী মহিলা। সারাদিন সংসারের বিভিন্ন ঝামেলা মিটিয়ে ও সাংসারিক কাজ সেরে যেখানে ফুসরৎ পাওয়াও দায় সেখানে উলটো এমন এক কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলায় মহাবিপদে পড়ে যান। তারপর তিনি ছুটে যান দোতলার আরেক ভাবির কাছে। তিনিও একজন মহিলা। কিন্তু পেশায় আবার বিজ্ঞানী! যাকে পাড়া-পড়শিরা সবাই আবার ‘ঝামেলা ভাবি’ বলে চেনে। নিছক দুর্ঘটনা বা খুন যাই বলা হোক না কেন এরপর পদে পদে ঝঞ্ঝাট, আর তার সাথে সমান্তরাল মহাবিশ্বের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এলেন সেই ‘ঝামেলা ভাবি’। প্রান্ত ঘোষ দস্তিদারের কোন লেখা আমি আগে পড়ি নাই; এটাই প্রথম। আর লেখকের এই ছোট গল্পটি সায়েন্স ফিকশনের চেয়ে কিছুটা রম্য লেখাই বেশি মনে হয়েছে। বেশ অনেক জায়গাতেই লেখক হাস্যরসাত্মক পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন; যদিও তা ঠিক আমার মনঃপুত হয়নি। লেখক কি ‘ঝামেলা ভাবি’ চরিত্রটি সত্যজিৎ রায়ের শঙ্কু চরিত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লিখেছেন? তবে আমার কাছে চরিত্রটি ভালো লাগার বদলে বিরক্তিই তৈরি করেছে। যদিও লেখক সেকেন্ডারি ওয়ার্ল্ড, প্যালালাল ইউনিভার্স ইত্যাদি গল্পে তুলে ধরেছেন তবুও গল্পটি সায়েন্স ফিকশনের চেয়ে রম্য গল্প বেশি লেগেছে আমার কাছে। তাই গল্পটি পড়ে অনেকটাই হতাশ। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৪/১০। #০৪। এই কথাগুলো ভবিষ্যৎ থেকে এসেছে: মানবজাতির জন্য ভবিষ্যৎ থেকে পাঠানো হয়েছে বেশ কিছু বার্তা। তবে সেই বার্তায় আশা জাগানিয়ার বদলে রয়েছে এক ভয়ংকর স্বীকারোক্তি। মানবজাতি কি অচিরেই ধ্বংস হয়ে যাবে? নাকি মানবজাতি তার নিজের নিত্যনতুন প্রযুক্তির করাল গ্রাসে এই মহাবিশ্বে বিলীন হয়ে যাবে? কোন পথে মানবজাতি হাঁটবে তার সিদ্ধান্ত নিতে তাকেই। শেষ গল্পটি পূর্বের তিনটি গল্পের চেয়ে সবচেয়ে ছোটো কিন্তু আমার মতে তা ওজনে ছাড়িয়ে গিয়েছে পূর্বের তিনটিকেই। তবে গল্পটি পড়ে আমার কাছে মনে হয়েছে উক্ত গল্পখানা সব টাইপের পাঠকের জন্য নয়। বিশেষ করে যারা ভাবনায় ডুবে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ, মানবসমাজ ও দর্শন নিয়ে ভাবতে পছন্দ করেন না তাদের জন্য তো নয়-ই। কারণ গল্পের শুরু থেকেই জীবন, মানবসমাজ নিয়ে প্রচুর দার্শনিক কথাবার্তা রয়েছে। শুরুতে গল্পটি সায়েন্স ফিকশন না ভেবে কোন পাঠক দর্শনের ক্লাসের কোন লেকচার ভাবলেও আশ্চর্য হবো না। তাই যেসব পাঠক ধৈর্যহারা, দর্শনে আগ্রহ নেই... তাঁরা নির্দ্বিধায় বিরক্ত হবেন। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলেও কেউ কেউ অনেক বাক্যেই দ্বিমত পোষণ করতে পারেন। কারণ ধর্মীয় অনেক বিষয়কে সূক্ষ্ম ভাবে খোঁচা কিংবা পরিহাসও করেছেন লেখক। তাই পড়ার সময় বিষয়টি লক্ষ্য রাখার অনুরোধ থাকবে। তবে গল্পটিতে শেষ পর্যন্ত লেখক মানবজাতি ও বিজ্ঞানের অগ্রগতির বিষয়ে যে বার্তা/সতর্কাবাণী দিয়েছেন; তা আমার কাছে বেশ যৌক্তিক মনে হয়েছে। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৭/১০। সর্বোপরি মোটের উপর বললে বইটি সায়েন্স ফিকশন গল্প সংকলন হিসেবে যতটা আশা করেছিলাম ততটা পাইনি; আমি বইটি পড়ে অনেকটাই হতাশ (বিশেষ করে ২য় ও ৩য় গল্পটি)। গল্প নির্বাচনে প্রকাশকের আরোও যত্নবান হওয়া আবশ্যক ছিলো বলে মনে করি। প্রোডাকশনঃ বইয়ের প্রচ্ছদ মোটামুটি লেগেছে। বানান ভুলও তেমন একটা চোখে পড়েনি। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৬/১০।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"প্রোজেক্ট টেট্রা-১: মহাজাগতিক" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: