১ম প্রকাশ, ২০২২
প্রেমের অসুখ সারে না
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | প্রেমের অসুখ সারে না |
| Author | আফসানা আশা |
| Publisher | ছাপাখানা প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 168 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.32 Kg |
| ISBN | 9789843528704 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Jolly , Dec 4, 2024
"খুব সুন্দর একটি প্রাসঙ্গিক গল্প। শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের কঠিন সময়ে বাবা-মায়ের ভুল আচরণ এবং ভুল সঙ্গ কিশোর-কিশোরীদের কিভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে, তা লেখাটিতে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ঘুড্ডি যেমন ভাইয়ের পাশে ছিল, তেমন কেউ যদি ওর পাশে থাকত, অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো যেত। বাবা আর রূপসাকে খুব ভালো লেগেছে, আর দেরি হলেও মায়ের পরিবর্তনটা ছিল প্রশংসনীয়। লেখিকার জন্য রইল অনেক শুভকামনা।"
Sakib , Jul 6, 2023
"#প্রেমের_অসুখ_সারে_না #পাঠ_অনুভূতি ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ প্রেমের অসুখ সারে না •লেখকঃ আফসানা আশা •ধরনঃ সামাজিক, রোমান্টিক •প্রকাশনীঃ ছাপাখানা প্রকাশনী •প্রচ্ছদঃ ফাইজা ইসলাম •মুদ্রিত মূল্যঃ ৩৯০ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৬৭ •প্রকাশকালঃ আগস্ট ২০২২ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ মাঝে মাঝে কিছু উপন্যাস পড়ার পরে আমার জগত ছাপিয়ে কাঁদতে ইচ্ছে করে । কিন্তু কান্না একেবারেই আসতে না চাওয়া আমার চোখে তা কখনোই ভর করে না । কখনোই অনুভব করায় না, যে কান্না! আমিও আছি, তোমার পাশে । তাই কান্না শব্দটা যখন বই পড়ার মুহূর্তে হয়, তখন যেন আঙুলে আঙুল তুলে অদৃশ্য ভাবে আমার সাথে আড়ি দিয়ে রাখে । যে উপন্যাসগুলো পড়ে মাঝে মাঝে অনুভূতিতে ভেসে আমার দু’চোখ ছাপিয়ে কাঁদতে ইচ্ছে করে, দেখা যায় তার বেশিরভাগই অন্যরকম করে অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য । একটা বিশেষ বই আছে আমার পাঠক জীবনে, যেখানে বাবা মেয়ের কথোপকথন আমি প্রায় প্রায় পড়লেই আমার কাঁদতে ইচ্ছে করে । মনে হয় বাবা-মেয়ের সম্পর্কে এত অনুভূতি জড়ানো, এত কষ্ট, এত রাজকন্যাকে রাজার কথা যত্ন করতে করতে বড় করার চেষ্টা করা! আমি যত পড়েছি ওই অংশটুকু, ততবারই মন চেয়েছে আমার, কিন্তু হয়নি । তাই এই আড়ি করা বিষয়টিকে আমার অনুভূতির সর্বোচ্চ পাওয়া বলে যায় । হয়তো কোনো একটা উপন্যাস কোনো একদিন আসবে, যা পড়ার শেষে জগত ছাপিয়ে আমি আকুল নয়নে কাঁদতে কাঁদতে মনে হবে, এই বইটি এত নিষ্ঠুর কেনো! কাঁদতেও দেয় না ঠিকভাবে! ♦পারিপার্শ্বিক দিকঃ বইটা হাতে পাওয়ার পরে সেভাবে আমার তাকানো হয়নি বইটির দিকে । হয়তো দুয়েকবার ধরে দেখা হয়েছে । সেই বইটিই আজকে পড়বো যখন ঠিক করেছিলাম তখন রাত ১১টা ১৫ মিনিট । কিন্তু আমার বই পড়া জগতটা যখন নিজের রাজ্যে গুছিয়ে ফেলে নীরবতা এনে দেয় তখন দেখা যায় ঘড়ির কাঁটা একটু সময় খরচ করেই । বইটি পড়তে শুরু করেছিলাম যখন, তখন সময়টা ১১টা ৩০ মিনিট । আর যখন পড়া শেষ হয়ে গেল, তখন সময়টা রাত ২টা ৩০ মিনিট । ♦নামকরণঃ পৃথিবীতে প্রেমে মানুষ হঠাৎ করে যেন পাখির ডানা ঝাপটে পড়ার মতো করে পড়ে । দুনিয়াকে ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়া অনুভূতি মানুষকে এলোমেলো করে দেয় । সবকিছুকে ভালো লাগার পাশাপাশি কিছু কিছু সময়ে খারাপ লাগাটাও বাড়তে থাকে । কিন্তু প্রেমে পড়ার এই মুহূর্তগুলো আসলে অসাধারণ ভাবে সুন্দর এবং মায়াকাড়া অনুভূতি তখনই দিতে পারবে যখন তা যথাযথ সময়ে এসে বয়স এবং সময়ের অদ্ভুত সুন্দর এক মেলবন্ধন ঘটায় । প্রেমে তাই একটা সময়ের আগে পড়লেও তা নিয়ে কিছু ভুল হঠাৎ করে করে ফেললে তা যেন সারাজীবন ধরে মনের সাথে সাথে বয়ে নিয়ে চলতে হয় । তবুও মনে পড়ে, প্রেমে পড়ার অসুখ যদিও আসে মনের ছিটেফোঁটায় কিন্তু তা না সারলেও অনুভব করে বুদ্ধি বিবেচনা করার দিকটা আসলেই আছে । ♦ফ্ল্যাপে লেখাঃ প্রেমের অসুখটা হয়েই গেল চৌদ্দ বছর বয়সের মেয়ে ঘুড্ডির! অসুখের তীব্রতায় ওর বুক ঢিপঢিপ করছে, অকারণে হাসি পাচ্ছে । খুব আনন্দ হচ্ছে আবার ভয়ভয়ও লাগছে । ঘুড্ডির তিন বছরের বড়ো ঘুঘুর যখন প্রথম প্রেম হয়, তখন ও বলেছিল এমনই নাকি হয় ৷ ঘুড্ডি তখন ক্লাস সিক্সে আর ঘুঘু পরপর দুই বছর ফেল করে ক্লাস এইটে । তখন ঘুঘু, ওদের পাশের ফ্ল্যাটের রঞ্জুর প্রেমে মশগুল । ওর হাত কাঁপত, পা কাঁপত, বুক কাঁপত, ক্ষণে ক্ষণে মাথা ঘুরে উঠত– এসবের একমাত্র সাক্ষী তো ঘুড্ডিই! বুকে হাত দিলো ঘুড্ডি । ঠিক, কাঁপুনিটা একটু বেশিই অন্যসব সময়ের চাইতে । সত্যিই প্রেমের অসুখে পড়েছে ও... বীমা কলোনিতে ঘুড্ডিদের বিল্ডিংয়ের ঠিক উল্টোদিকের বিল্ডিংয়ে, ওর জানালা বরাবর যে জানালাটা, সেই জানালায় যে ছেলেটাকে দেখা যায়, সোহাগ নাম তার । সোহাগের প্রেমে পড়ে ও বাজে মেয়ে হয়ে গিয়েছে । যারা প্রেমে পড়ে, তারা খুব বাজে...! ♦প্রচ্ছদঃ রংবেরঙের ধাঁচে ঘেরা প্রচ্ছদটা হঠাৎ করে দেখলে বেশ মায়াই লাগে । বারবার চেয়ে থাকতে ইচ্ছে করে কেনো যেন । উপন্যাসের পটভূমিকে রূপক অর্থে বোঝাতে চাওয়া প্রচ্ছদটা তাই বারবার দেখলে মুগ্ধ হয়ে যেতে হয় । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √এই উপন্যাসের পটভূমি আমার বেশ প্রিয় । সম্পর্কগুলো আসলে দেয়া নেয়ার হাতের স্পর্শ করে ছাড়িয়ে নেয়ার মতো । যতটা একজন দিবে, ঠিক ততটাই যেন ফেরত পাবে । পৃথিবীতে প্রেম অসময়ে এসে পড়ে যতটা কাছাকাছি হয়ে মনের রাজ্যে এসে পড়ে, ঠিক তখনই যেন কিছু একটা অবশ করে মনকে অসহায় করে দিয়ে ফেলে । বোধবুদ্ধি না থাকার এক মুহূর্ত যেন অনেককিছুই করিয়ে নেয় । এই প্রেম ভীষণ ভুল সময়ে আসা অন্ধকারের মতো । না জানি কি করতে বাধ্য করে ফেলে । মুদ্রার এপিঠ ওপিঠের মতো করে পৃথিবীর সুন্দরতম অনুভূতি প্রেম, ভালোবাসা এর মিষ্টি সৌন্দর্য এর মায়াটাকে তখন ভীষণ ভুল এবং অপরাধের মতো মনে হয় যেন । সামাজিক আবহে রাখা কিছু শিক্ষামূলক দৃষ্টিভঙ্গি উপন্যাসকে বেশ জড়িয়ে ধরে ভারসাম্য ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে । উপন্যাসের এই পটভূমিটা তাই বেশ পছন্দ হয়েছে আমার । এমনকি উপন্যাসের আবহটাও বেশ সুন্দর ভাবে এসেছে । তবে উপন্যাসের কিছুটা মুহূর্তে উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহ এবং জলছাপকে মনে হচ্ছিল যেন শুধু পড়ে যাওয়া হচ্ছে, খানিকটা গভীরতা হঠাৎ করেই নেই । এই অনুভূতি আমাকে কিছুক্ষণ ধরে রেখেছিল । তাছাড়া এই সামাজিক শিক্ষার মোড়কে থাকা উপন্যাসটিতে প্রেমের ব্যাখ্যা বিষয়টা বেশ ভালো ছিল । √মানুষের জীবনে কিশোর-কিশোরী এবং তরুণ-তরুণী বয়সটার মিশেলের সময়টা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হয় । তখন এই বন্ধুত্বপূর্ণ সময়ের মাঝে নরম কোমল ভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে সব বুঝিয়ে রাখা মুহূর্তগুলোতে ঘুড্ডিকে ভীষণ কাছের মনে হয় । পরিস্থিতি হিসেব করে ধারণা থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতির সাথে জড়িয়ে যায় মেয়েটি । হয়তো তারপর ফিরে আসে নিজস্ব অনুভূতির ধারণায় । এই চরিত্রটি তাই বেশ লাগে । এছাড়াও উপন্যাসে আছে রূপসা নামক একটি চরিত্র । যার অভিজ্ঞতা নিয়ে থাকা মুহূর্তগুলোকে বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবে যেভাবে প্রকাশ করেছিল তা বেশ ভালো লাগায় । উপন্যাসে আছে দুষ্টু মিষ্টি স্বভাবের ভাই, ফড়িং । বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাবের হাসিখুশি ফড়িং জীবনে এভাবেই এগিয়ে যায় । একটা সময়ে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য কিছু মুহূর্তকে এড়িয়ে যেতে হয়, সেজন্য টিটু চরিত্রটিকেও বেশ লাগে । উপন্যাসে আছে স্বার্থান্বেষী স্বভাবের সোহাগ । যে বর্তমান সমাজের একটি শিক্ষাকে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে । ♦প্রিয় অংশঃ এই উপন্যাসের সবথেকে যা প্রিয় বিষয় তা হলো, প্রতিটি সম্পর্ক যেন মুদ্রার এপিঠ ওপিঠের মতো । যত্ন, ভালোবাসা এবং নরম কোমল হাতে এবং ভাষায় বলে বলে বোঝানো । এই উপন্যাসে বয়ঃসন্ধি বয়সের ভীষণ এক ধাক্কার বন্ধুর পথে বাবা-মায়ের যে আসলে কিভাবে পাশে দাঁড়াতে হয়, না দাঁড়িয়ে খারাপ ব্যবহার করলে কি হয় তার দুটো দিকই তুলে ধরা হয়েছে তা বেশ ভালো ছিল । সন্তানের ভালো চাওয়ার জন্য চাইতে গিয়েও সন্তানকে অজান্তেই কষ্ট দিয়ে, দুঃখ দিয়ে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাওয়ার মুহূর্তগুলো উপন্যাসে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । এই ব্যাখ্যাগুলো কিংবা এর জন্য আবহ সৃষ্টি করার মাধ্যমে আবেগ বেশ ভালো ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । উপন্যাসের আরেকটা ভালো লেগেছে যা, তা হলো কোনো বিষয়ের দুই দিকেরই ধাপের ধাঁচ দৃশ্যপটে এনে তা ফুটিয়ে তোলা । যে প্রেম একটা সময়ে ভুল হয়, সেই প্রেমই যেন একটা সময়ে জীবনের সবথেকে বড় সত্যি । জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এক চেষ্টা । উপন্যাসের শেষের দিকে ঘটনাপ্রবাহ এবং দৃশ্যপট বেশ লেগেছে আমার । শেষের মুহূর্তগুলোই উপন্যাসের সবথেকে বেশি প্রিয় অংশ আমার জন্য । ♦অন্যান্য বিষয়ঃ √প্রকাশনীঃ ছাপাখানা প্রকাশনী এর বই বাঁধাই সবসময়ই অসাধারণ ভাবে হয় । যে কারণে বই হাতে নিয়ে দেখতে এবং তা পড়তে সেভাবে সমস্যা হয় না । তাছাড়া বইটির প্রচ্ছদও বেশ সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । দেখতে বেশ লাগে । বইতে কিছু টাইপিং মিস্টেক আছে । যদিও পড়তে সেভাবে সমস্যা হয় না । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ ‘প্রেমের অসুখ সারে না’ লেখক আফসানা আশা এর পঞ্চম বই । তার বর্তমান বই সংখ্যা ৬টি, আমার পড়া হিসেবেও এটি তার ৬ষ্ঠ বই । রোমান্টিক ঘরানার সাথে সামাজিক টানাপোড়েন, কিংবা শিক্ষার ব্যাপার আসলে তখন উপন্যাসকে সাজানোর ব্যাপারটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ । যা লেখক বেশ সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলেছেন । তার লিখনশৈলী বেশ সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । ‘চাতকের তৃষ্ণা তুমুল বর্ষা’ হোক কিংবা ‘বৃষ্টি, তোমাকে দিলাম’ হোক এই বই দুইটির প্রতি আমার ভালোলাগা যেন আজন্ম বাড়ে । এই উপন্যাসেও বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কিভাবে পড়লে কিভাবে জীবনে এগিয়ে যেতে হয়, তা বেশ সুন্দর ভাবে দেখানো হয়েছে । উপন্যাসের শেষের দিকে ঘটনাপ্রবাহ বেশ ভালো ভাবে সাজানো হয়েছে । লেখকের পরবর্তী লেখার জন্য শুভকামনা রইলো । ♦রেটিংঃ ৪.৩/৫ ♦উপসংহারঃ মানুষের জীবনে আসলে বিভিন্ন ধাপ আছে । কিছু ধাপে তারা কিভাবে এগিয়ে যাবে জীবনে তার একটা প্রচ্ছন্ন ধারণা থাকে । পরিবার একজন মানুষের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ধৈর্য নিয়ে তারা পাশের মানুষটির পাশে সবসময়ই আছে কিনা, মতামত দিয়ে থাকছে কিনা এটা বুঝানোও একটা বিষয় । খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"প্রেমের অসুখ সারে না" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: