দ্বিতীয় সংস্করণ ২০২৩
সুরঞ্জনা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সুরঞ্জনা |
| Author | আফসানা আশা |
| Publisher | অনুজ প্রকাশন |
| Edition | দ্বিতীয় সংস্করণ ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 208 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.39 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
15 Ratings and 7 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৭টি
Shampa Akter , Apr 14, 2024
"আমার বান্ধুবির কাছে আমি বইটা দেখি, বইটির কভার খুবই অসাধারণ লাগে, রোমান্টিক ভেবে আগ্রহ থেকে পড়া শুরু করি। এরপর আসে পারিবারিক, ভালোবাসা, সামাজিক কতো টানাপোড়েন তখন মনে হচ্ছিলো না বই টা আমার কল্পনার থেকেও সুন্দর, আর মাথায় ঘুরছিলো মেয়েটা এতো কিছু কিভাবে সামলাবে, এরপর ঘুরে দাঁড়ানো। ভুল করে তৈরি হওয়া ভুল সম্পর্ককে ঠিক করা কতো কি। অসাধারণ বই টা। অবশেষে মনে হচ্ছিলো আমার কালেকশনে না রাখলেই নয়। এরপর প্রগতি থেকে অর্ডার করে ফেলি এখন সুরঞ্জনাকে হাতে পাবার অপেক্ষা 🌸।৷"
Jolly , May 30, 2022
"গল্পটার অর্ধেকের মত আগে একটি সাহিত্য গ্রুপে পড়েছিলাম, ঐটুকু আমার খুব পছন্দের। পরের অংশ পড়া শুরু করার পর মনে হচ্ছিল যে এর তো কোন দরকার ছিল না। কিন্তু কিছুটা পড়েই বুঝলাম যে আসলেই এর প্রয়োজন ছিল। জীবনে অনেক অপ্রাপ্তি থাকে। কিন্তু তারপরও ভালোবাসার মানুষের নির্ভরতার হাতটা পেলে অল্প প্রাপ্তিতেও সুখী হওয়া সম্ভব। সবমিলিয়ে খুব ভালোলাগার একটি উপন্যাস।"
Rony , Apr 24, 2022
"কি আর বলবো পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সিরিয়াল।"
Meghla Islam , Apr 15, 2022
"Ami birokto ai boi pore😴"
Sakib , Nov 24, 2021
"#সুরঞ্জনা #রিভিউ ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ সুরঞ্জনা •লেখকঃ আফসানা আশা •ধরনঃ রোমান্টিক •প্রকাশনীঃ অনুজ প্রকাশন •প্রচ্ছদঃ মো. সাদিতউজজামান •মুদ্রিত মূল্যঃ ৪৫০ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২০৮ •প্রকাশকালঃ জুলাই ২০২১ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ আচ্ছা ভূমিকাতে যে উপন্যাস পড়ে পাঠ প্রতিক্রিয়া দিতে বসেছি সেই উপন্যাসের উৎসর্গ দেয়া যায়? কি জানি দেয়া যায় কিনা । তবে আমার যে এখানে সেই সম্পর্কেই লিখতে ইচ্ছে করলো । আমার উৎসর্গের প্রতিটি লাইনে মনে হলো এ যেনো আমাদের প্রতিটি বইপোকাদেরই কথা । পড়ার প্রতিটি মুহূর্তে তাই আমি আনমনে হয়ে হয়ে একটু পর পর ভেবেছি ভূমিকাতে আমি উৎসর্গ নিয়েই বলবো । তারপরও আমি চিন্তা করেছি আর কোনো পাঠ প্রতিক্রিয়াতে ভূমিকা দিবো না আমি । এই অপশনটি কেনো যেনো গোবরে পদ্মফুলের মতো লাগে । অথচ আমি তার আবেশ ছড়াতে পারছি না । ♦পারিপার্শ্বিক দিকঃ সুরঞ্জনা! পৃষ্ঠা সংখ্যা ২০৮ । আমি গত দুই রাত এভাবে হিসেব করেছি যে যদি রাত ১২টায় পড়তে শুরু করি, তাহলে পড়া শেষ হয়ে পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখতে লিখতে কতক্ষণ লাগতে পারে । তারপর দুইদিনেই মনে হয়েছে আমার আলসেমি আমাকে থাকতে দিচ্ছে না । আজকে তাই সন্ধ্যা থেকেই টেবিলে বসেছি । এবার আলসেমি আসবে না । তাও পড়তে পারছিলাম না । রাত ১১টা ২০ মিনিটে শুরু করেছিলাম তারপর পড়া । আর এখন পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখতে বসেছি ঠিক ৩টা ৪০ মিনিটের সময় । প্রতিটা মুহূর্তে আমি পড়তে ছিলাম । ♦নামকরণঃ এই নামকরণের ব্যাপারে বলতে গেলেই প্রথমে আসে কবি জীবনানন্দ দাশ এর কথা । তার ভাষায় সুরঞ্জনা কবিতার লাইনগুলো থেকে যে মর্মার্থ তা যেনো উপন্যাসের বেশ কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রকাশ পেয়েছে । বেশ কিছু কিছু জায়গায় সাধারণের মাঝেও অসাধারণত্ব লুকিয়ে থাকে তা বোঝানো হয়েছে সেটার জন্যেই আরো সুন্দরভাবে নামকরণটা যথার্থ মনে হয়েছে । ♦চরিত্র বিশ্লেষণঃ •জিনিয়াঃ জিনিয়া অল্পতেই সবকিছু বিশ্লেষণ করা একজন । কখনো সখনো ভেঙ্গে পড়ে । আস্তে আস্তে তার মধ্যে যে আত্মবিশ্বাস এবং আত্মসম্মানের ভিতটা গড়ে তোলা হয়েছে সেটাকে ভালো লেগেছে । শেষের দিকে এসে তাকে পরিস্থিতি খাপ খাওয়াতে সে যে কাজগুলো করেছে তাও যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছে । •তামিমঃ পৃথিবীতে নিজের মা বাবাকে প্রচণ্ড ভালোবাসে এরকম মানুষদেরকে দেখলে আমার মাথা নুইয়ে বলতে ইচ্ছে করে, প্লিজ আপনারা একটু আলাপচারিতা করেন আমি আমার চোখ দিয়ে ক্যাপচার করে নেই । মা'কে ভালোবাসা মানুষটিকে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে । মাঝে হয়তো ভেঙ্গে পড়েছিল মনে হয়েছিল কিন্তু তা শেষ পর্যন্ত মোকাবেলা করেছে । •তানিয়াঃ তানিয়ার জীবনটা দুইটি ধাপে দেখানো হয়েছে । প্রথম ধাপটিতে তার আচরণে আত্ম অহংকারী মনে হয়েছে । নিজে যা বলে তাই করলেও শেষের ধাপে নিজের একটা পরিচিতি সত্যিই দরকার তা বোঝাতে সাহায্য করার বিষয়টি ভালো লেগেছে । •তৌহিদাঃ আমি এতক্ষণ অপেক্ষায় ছিলাম কবে তার চরিত্র নিয়ে কিছু লিখবো বলে । তিনি অসাধারণ একজন মানুষ । তিনি প্রচণ্ড দায়িত্বশীল একজন নারী । মানুষ হিসেবে তার দৃষ্টিকোণের বিষয়টা আমার ভালো লেগেছে খুব । ♦প্রিয় চরিত্রঃ পৃথিবীতে একটা জিনিস খুব করে হয় । রোজ রোজকার খাবারের মধ্যে অতিরিক্ত যে ডেজার্ট থাকে সেটা বোধহয় খাবারের উপস্থিতিটাই বাড়িয়ে দেয় । ঠিক তেমনি উপস্থিতি বোধহয় কম তাও তৌহিদা’কেই আমার প্রিয় চরিত্র মনে হলো । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √সুরঞ্জনা! লেখক আফসানা আশা আপুর তখন আমি কোনো উপন্যাস পড়িনি । না ফেসবুকে, না বইয়ে । কিন্তু রোজ রোজ অপ্রেমের রাতগুলো দীর্ঘ হয় এর পাঠ প্রতিক্রিয়া এবং রিভিউ দুইটা দেখতে দেখতে আমি ভেঙ্গে পড়ছিলাম একটু একটু করে । মনে হচ্ছিল এই বইটা আমার নেই, কেনো যে নেই । অপরদিকে, আমি ফেসবুকে গল্প পড়ার ইচ্ছাও কমিয়ে দিয়েছি । আসলে পৃষ্ঠা উল্টানোর স্বাদ কি আর আঙ্গুল দিয়ে স্ক্রৌল করলেই হয়! আমার মনে আছে মার্চের ১৬ তারিখ তারপর কি যেন হলো, সুরঞ্জনা ফেসবুকে পড়ে ফেললাম । পড়ার পরে আরো আফসোস করতে ইচ্ছে করছিল কেনো এতদিন পড়তে পারিনি ভেবে । এই ছিল আমার ফেসবুকে সুরঞ্জনা পড়ার পিছনের কাহিনী । √এবার একে একে পাঠ প্রতিক্রিয়াতে আসি । প্রথমেই বলবো, যেহেতু এর শুরুটা ফেসবুক থেকে । আমার পাঠক হিসেবে মনে হয় এটা, হয়তো ঠিক নাও হতে পারে । যে বইগুলো প্রথমে ফেসবুকে গল্প হিসেবে এসে পরবর্তীতে উপন্যাস হিসেবে আসে সেখানে লেখকের লেখনীতে অতিরিক্ত প্রচেষ্টা দিতে হয় । কারণ হিসেবে আমার মনে হয় স্বভাবতই কিছু বর্ধিতাংশ থাকবে । তা ফেসবুকের গল্পের সাথে একই সুরে গাঁথতে হলে অবশ্যই অতিরিক্ত চেষ্টা করতেই হয় । যেটা আমার ভালো লেগেছে । আমি তার জন্যেই বর্ধিতাংশ থেকে আরো বেশি মনোযোগ দেয়ার চেষ্টা করেছি । আমি খেয়াল করেছি ঐ অতিরিক্ত অংশ আসার সাথে সাথে বইয়ে আমার হাত চেপে বসেছিল । √লেখকদের জীবনধারা সাজানোর পিছনে কোনো পরিকল্পনা থাকে কিনা আমার তা জানা নেই । কিন্তু পাঠক হিসেবে আমার তাদের এই অসাধারণ বিষয়টার খেয়াল হয়, আমি উপন্যাসে এটাই খেয়াল করি । প্রতিটি স্থানে ব্যাকগ্রাউন্ড আমার যথাযথ লেগেছে । কিছু কিছু জায়গায় নিরিবিলি পরিবেশ দরকার মনে হয়েছে হঠাৎ করে দেখেছি সত্যিই যেনো উপন্যাসের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় নিরিবিলির আবেশ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে । লেখকের এই বিষয়টা আমার ভালো লেগেছে । সবথেকে যেটি ভালো লেগেছে তা হলো বর্ণনা । পরিস্থিতি খাপ খাওয়াতে যে বর্ণনা করেছেন আমি সেটা মুগ্ধতা নিয়ে পড়েছি । লেখকের সংলাপ ধারণের থেকে এই উপন্যাসে আমার বর্ণনার বিষয়টিই ভালো লেগেছে যা ব্যাকগ্রাউন্ডে আরো সাহায্য করেছে । √উপন্যাসের চরিত্র উপস্থিতি আমার পুরো ঠিকঠাকই লেগেছে । তবে একটা অংশের পরে আমার মনে হয়েছে তানিয়ার কিছু সংলাপ আরো বাড়ানো যেতো যেনো । অথবা সে চরিত্রের হিসেবে আছে তাকে বোঝানো যেতো যেনো । এটা মনে হওয়ার একটা কারণ আছে । সে যেন হঠাৎ করেই একবারে অনেকখানি তার উপস্থিতি থেকে মুছে গিয়েছিল । এটা একটু আস্তে আস্তে হলে বোধহয় অন্যরকম হতে পারতো । তাছাড়া আমার অন্যান্য সব চরিত্রকে ঠিকভাবেই লেগেছে । আচ্ছা, সাধারণেই অসাধারণত্ব লুকিয়ে থাকে তাই না! আমার কেনো যেনো একটা সাধারণ মানুষের মধ্যেকার অসাধারণত্ব যা লুকিয়ে থাকে হয়তোবা কেউ কেউ টের পেয়ে মনে মনেই বলে, তুমি একজন অসাধারণ মানুষ । কিন্তু তার অসাধারণ হওয়াটা সবার সামনে প্রকাশ পায় না । এরকম মানুষগুলোকে আমার খুব করে ভালো লাগে । এই সাধারণেই অসাধারণ হওয়া চরিত্রটিকেও সুন্দর করে লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন । √এই উপন্যাসে আমার আরেকটি জিনিস ভালো লেগেছে । ভালো লেগেছে বলবো না, অত্যাধিক পছন্দ হয়েছে । সুরঞ্জনাতে যে কমিক টাইমিং দেখানো হয়েছে তা অসাধারণ ছিল । মানে পরিমিত পরিমাণে কমিক যে মুহূর্তগুলো দেখানো হয়েছে তা অনেক সুন্দর ভাবে ফোটানো হয়েছে । √সবার শেষে উপন্যাস সম্পর্কে যা বলবো তা হলো, ৪৩ পর্বটি । ২০৩ পৃষ্ঠাটি আমাকে অদ্ভুত এক অনুভূতির সামনে দাঁড় করিয়ে রেখেছিল । আমি অদ্ভুত ভাবে বিহ্বল হয়ে পড়েছিলাম । আমি জানি না কেনো এরকম হয় । এই পৃষ্ঠাতে হয়তো সেরকম কিছুই নেই । কিন্তু এই পৃষ্ঠাটিই আমার কাছে উপন্যাসের সেরা পৃষ্ঠা হয়ে রইলো । যে পৃষ্ঠাটি পড়ে আমার মনে হয়েছিল এই পৃষ্ঠাটি পড়া শেষ, এখন আমি বসে থাকবো । কিছুক্ষণ বসে বসে তাকিয়ে থাকবো । √আচ্ছা, এবার আসি উপন্যাসের বাইরের দিকটা নিয়ে । প্রথমেই বলবো এই প্রচ্ছদ সেরা । সাদিত ভাইকে নিয়ে বোধহয় আমি বারবার মনে মনে, বিভিন্ন পোস্ট এর কমেন্টে, বিভিন্ন মেসেজের ইনবক্সে বলেছি তার প্রচ্ছদ কেনো এত সেরা হয়! কেনো এত সুন্দর হয় । সুরঞ্জনা নামটি যেরকম ঠিক সেরকমই যেনো প্রচ্ছদটি তৈরি হয়েছে । আমি বোধহয় অগণিতবার এই উপন্যাসটি কেনার পরে প্রচ্ছদটা দেখে ফেলেছি । তাছাড়া অন্যান্য সমস্যা কোথাও নেই । পৃষ্ঠার বাইন্ডিং অসাধারণ হয়েছে । এশিয়া পাবলিকেশন্স এবং অনুজ প্রকাশন যেনো ইদানিং কালে বেশ সুন্দর সুন্দর কিছু উপন্যাস উপহার দিয়ে যাচ্ছে আমাদের । তাদেরকে জানাচ্ছি শুভকামনা । √লেখক সম্পর্কে বলতে গেলে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যেটা বলা যায় তা হলো লেখকের উপন্যাসে যে বর্ণনা করার জন্য যে ধরনটা জীবনধারার ওপরে ভিত্তি করে তৈরি করে তা সবথেকে তার ইউনিক স্টাইল । এবং এটাই বোধহয় তাকে অন্যান্য লেখকদের থেকে আলাদা করে দিবে । বর্ণনার সাথে সংলাপের যে খাপ খাওয়ানোর বিষয়টা সেটা এত সুন্দর করে করা হয়েছে আমার কাছে তা খুবই ভালো লেগেছে । লেখকের পরবর্তী উপন্যাসের জন্য শুভকামনা রইলো । আশা করি সেটা পাঠক হিসেবে আমাকে আরো মুগ্ধতা ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে । ♦উপসংহারঃ আমি যেদিন এই উপন্যাসটা মানে যেদিন এর প্যাকেটটা নিয়ে বাসায় ফিরে প্যাকেট থেকে বইটা বের করলাম ঠিক সেদিন থেকে আমি প্রচ্ছদটা দেখতে দেখতে রোজ মনে মনে বলেছি এই প্রচ্ছদটার বইটা একদিন আমি ঠিক পড়বো । আজকে পড়ার আগে যেরকম মনে হচ্ছে যে, আহারে এই বইটা এখনও পড়তে পারলাম না । সেদিন পড়ার শেষে সেই আফসোসটা থাকবে না । সেদিন হয়তো মনে হবে, উপন্যাস পড়া শেষ । কি মজা! কি আনন্দ! কিন্তু না । এর কিছুই ঘটলো না । সত্যিই কি তাই! আসলেই কিন্তু তা নয় । আমি এতক্ষণ পড়া শেষ করেই এখন লিখতে লিখতেও মনে হচ্ছে, হায় হায় উপন্যাসটা শেষ হয়ে গেল । এখন আমি কি নিয়ে ভাবতে বসে যাবো । দিনশেষে আসলে এই ভাবনাটারই দরকার । আমাদের ভাবতেই হয় । এই ভাবনা ভাবছি বলেই তো বলে দিতে পারছি যে, সুরঞ্জনা একটা মাস্টারপিস উপন্যাস । আর এই ভাবনাটাই শব্দের রাজত্ব ছড়িয়ে দিতে পারলো বলেই তো পাঠ প্রতিক্রিয়া হতে থাকলো, তাই না!"
Monsur Ahmed , Sep 13, 2021
"নান্দনিক একটি রোমান্টিক উপন্যাস।"
অনুজ প্রকাশন , Jul 10, 2021
"#বুক_রিভিউ 🍁 বই পরিচিতি: বইয়ের নাম:সুরঞ্জনা লেখক: আফসানা আশা ক্যাটাগরি: প্রেমের উপন্যাস প্রকাশনী: অনুজ প্রকাশন প্রচ্ছদ-সাদিতউজজামান মুদ্রিত মূল্য: ৪৫০টাকা পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০৮ 🍁লেখক পরিচিতি: ফেসবুকে লেখিকার প্রথম ধারাবাহিক গল্প 'টুইটুবানির ফুল' ভীষণ পাঠকপ্রিয়তা পায়। এরপর কয়েকটি ছোট-বড় গল্প লিখেন তিনি। সবগুলোই পাঠকসমাদৃত হয় আর এই রেস্পন্সের জের ধরেই প্রকাশিত হয় লেখিকার প্রথম উপন্যাস 'অপ্রেমের রাতগুলো দীর্ঘ হয়'। লেখকের দ্বিতীয় উপন্যাস 'সুরঞ্জনা'। 🍁 নামকরণ ও প্রচ্ছদ: জীবনানন্দ দাশের 'আকাশলীনা' কবিতা হতে সম্ভবত বইয়ের নাম 'সুরঞ্জনা'। কবিতাংশ কয়েকবার উল্লেখ হয়েছে উপন্যাসে। 'আকাশলীনা' কবিতাটি শ্বাশত প্রেমের চিরায়ত সঙ্গী বিরহবিষয়ক কবিতা। আমার এটাকে ত্রিভুজ প্রেমের কবিতা মনে হয়। কবিতাটি পড়েছি, ব্যাখ্যাও। তবুও সুরঞ্জনা শব্দটির অর্থ আমার কাছে খানিক দুর্বোধ্য। রঞ্জনা অর্থ আনন্দদায়ক। তাহলে সু উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ সুরঞ্জনার অর্থ কি দাঁড়ায় আনন্দিত, অতি আনন্দদায়ক? (গুগলে,আমার চিন্তায় এ..ই আসে) যাহোক, স্নিগ্ধ সুন্দর প্রচ্ছদটির দিকে তাকিয়ে ভাবি উপন্যাসে তো তামিমেরও যথেষ্ট ভূমিকা আছে তবে জিনিয়া একা কেন দাঁড়িয়ে? কারণ গল্পটি মূলত জিনিয়ার। তামিম অবশ্যই অতি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র কিন্তু জিনিয়ার জীবনের গল্পের প্রচ্ছদে শুধু জিনিয়া থাকাই তো স্বাভাবিক। তবে কি তামিম...(হিন্ট দিলাম ইট্টু😉🤐🥱...) প্রচ্ছদটি দেখে খানিক হাহাকার আবার খানিক স্নিগ্ধতায় ছেয়ে গিয়েছিল মন। একা জিনিয়াকে দেখে হাহাকার হয়েছিল যেন কিছু একটা খালি, কিছু একটা নেই, কোথায় যেন শূন্যতা। আবার চারিপাশটা এত স্নিগ্ধ যে ভালোলাগায় আচ্ছাদিত হয়ে যাই। কেমন যেন, একই সাথে স্নিগ্ধতা ও শূন্যতার অনুভব। 🍁 চরিত্র: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র জিনিয়া হলেও তৌহিদা তামিম,তানিয়াও বেশ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। এছাড়া রেবা,কলি, মুক্তা,রিক্তা,তুবা,তুরান, তাজ, সৌমিক, নিহাল, ফারাজ ইত্যাদি চরিত্রগুলো সুন্দর দায়িত্ব পালন করেছে। গল্পের তৌহিদা চরিত্রটা আমার সর্বাধিক প্রিয়। ব্যক্তিত্ব যেমন অসাধারণ তেমনি মিষ্টি স্বভাবের একজন মা। তামিমব্যাটা উল্লুক(একটা ধাক্কা কিন্তু এই বদ ব্যাটার কাছ থেকে পাঠক পাবেন। আগেভাগে সাবধান করে দিলাম)। জিনিয়া, খুব প্রিয় চরিত্র। কখনো ওর সুখে রোমাঞ্চিত হবে পাঠক তো কখনো ওর দুঃখে পুড়বে ভীষণ। তবে তারে একসময় একটা চটকানা দিতে মন চাইতে পারে কিন্তু! তানিয়াকেও কিন্তু আমার ভালো লেগেছে। 🍁ফ্ল্যাপ: একটা আদ্যোপান্ত প্রেমের গল্প! সিম্পল স্টোরিলাইন! বড়বোন তানিয়ার প্রেমিক তামিমের সাথে ছোটবোন জিনিয়ার বিয়ে! তারপর? এন এক্সিডেন্টাল ম্যারিজ টার্নস আউট টু বি আ হ্যাপি কনযুগ্যাল লাভ স্টোরি! আসলেই কি তাই? জীবনের গল্পে কাঁটানটে গাছটি কি কখনো মুড়োয়? 'অতঃপর সুখে-শান্তিতে বসবাস' করার স্বপ্নটা কি সত্যিসত্যিই সত্যি হয়? মায়ের কাছে তার খোঁড়া ছেলেটাই নাকি বেশি প্রিয় হয়। তবে, কী কারণ হতে পারে যে, সন্তানও অবাঞ্চিত হয় মায়ের কাছে? সমাজের ভয়ে মা আস্তাকুঁড়ে ফেলে দেয় নাড়িছেঁড়া ধনকে বা ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নেয়? 🍁 পাঠ প্রতিক্রিয়া: শুরুটা ফেসবুকে পড়েছিলাম তাই নতুন অংশেই সরাসরি হাত দিয়েছি। উপন্যাসটি আমার বেশ ভাল লেগেছে। অনেককেই দেখেছি বলতে, 'অপ্রেমের রাতগুলো দীর্ঘ হয়' নাকি রোলার-কোস্টার উপন্যাস। আমার আমার কাছে কিন্তু তা লাগেনি। হ্যাঁ,আনন্দিতা অনেক চড়াই-উতরাই পার করেছিল কিন্তু পাঠক হিসেবে আমার 'অপ্রেমের..' জার্নিটা ছিল ভীষণ স্মুথ। বরং সুরঞ্জনাকে বলা যায় রোলার-কোস্টার উপন্যাস। কিভাবে? দাঁড়ান,বলি। গল্পের প্যাটার্ন ছিল অনেকটা এরকম- ফেসবুকের অংশ→ ভালোলাগা→প্রেম→লটস অফ প্রেম→সুখ→হাসাহাসি→বিয়ে বাড়ির মজা→ভাই-বোনদের আনন্দ ফুর্তি→দুঃখ→ইশ! কি কষ্ট→ইকটু সুখের নিঃশ্বাস→একরাশ দুঃখ→আরো দুঃখ→অনেক কষ্ট→কি মিষ্টি , কি সুন্দর!→বড় ধাক্কা→হোঁচট→কি?→ছিঃ!→না,এমন হতে পারেনা→আহা.......→বৈষম্যহীন আলোর একটি সুন্দর স্বপ্ন। বিয়ে পরবর্তী প্রেমও যে ভীষণ মিষ্টি হতে পারে লেখক চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। আসলে এমন সম্পর্ক পাওয়া যায়!? হানিমুনের বর্ণনা, তামিম-জিনিয়ার খুনসুটি, সুখী দাম্পত্য, তামিমের সিলি (সামটাইমস এক্সট্রিমলি এনোয়িং) ইনসিকিউরিটি, জেলাসি ভীষণ ভালো লেগেছে (আমার অবশ্য একটু আবেগের বয়স, ভালোই আবেগে ভাসিয়েছে এই উপন্যাস)। ভাই-বোনের খুনসুটি, দুষ্টুমি, বন্ডিংটা খুবই উপভোগ্য ছিল। গল্পের ধাক্কাটাও সুন্দর ছিল, একটু সিনেম্যাটিক তবু সুন্দর। জিনিয়ারও কিছু ইনসিকিউরিটি ছিল। তার বোকা পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তে তাকে একবার সাত তলা থেকে ধাক্কা দিতে মন চেয়েছিল। আর সিদ্ধান্ত পরবর্তীকালে যখন সে দুঃখে ভাসছিল তখন তাকে সিনেমা স্টাইলে জিজ্ঞেস করতে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হয়েছিল, 'abhi kya hua, darling? Maja nehi aya?' গল্পের শেষে যে স্বপ্নটা দেখানো হয়েছে, তা অপূর্ব সুন্দর। উফ! এমন কিছু যদি আসলেই হতো। খুব কিন্তু অসম্ভব না। চাইলেই পারা যায়। খালি দৃঢ় মানসিক শক্তি প্রয়োজন। 🍁প্রিয় উক্তি: অনেক আছে। তবে সবচেয়ে প্রিয় 'ফেলনা কিছু যদি আমার সবচেয়ে দামি সম্পদে পরিণত হয়, তবে আমি সব ফেলনাকে বুকে জড়িয়ে নেব' "'সুরঞ্জনা' গল্পে আমি একটা স্বপ্ন দেখেছি; অতি সাধারণ, ফেল্টু, গৃহী জিনিয়ার চোখ দিয়ে; অনেকগুলো সুস্থ, বৈষম্যবিহীন আলোর স্বপ্ন' এই স্বপ্নটা সবচেয়ে সুন্দর অংশ, সবচেয়ে মধুর। রেটিং:৪.৫/৫ 🍁🍁🍁🍁এই যে আপাজান, একটু এদিকে আসেন। এই যে ইতো প্রেম দেখিয়েছেন এখন যদি বিয়ে করে 'ইতনা' প্রেম না পাই, তাইলে?? Priyonti Jahan Alo ফ্যানপোস্ট - গ্রুপ টুইটুবানির ফুল"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
3 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
Ei golpo tir ki e-book ache?
is ebook available?
বইটি এই মুহূর্তে স্টকে আছে???
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সুরঞ্জনা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: