১ম প্রকাশ, ২০১৪
আফটার দ্য ডার্কনেস
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
দ্য নেকেড ফেস
অনীশ দাস অপু
টেল মি ইয়োর ড্রিমস
অনীশ দাস অপু
রেজ অভ অ্যাঞ্জেলস
অনীশ দাস অপু
দ্য বেষ্ট লেইড প্ল্যানস
অনীশ দাস অপু
মেমোরিজ অভ মিডনাইট
অনীশ দাস অপু
দ্য আদার সাইড অভ মিডনাইট
অনীশ দাস অপু
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | আফটার দ্য ডার্কনেস |
| Author | অনীশ দাস অপু |
| Publisher | অনিন্দ্য প্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 336 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | Mystery, Detective, Horror, Thriller and Adventure |
| Weight | 0.45 Kg |
| Translator | অনীশ দাস অপু |
| ISBN | 9789849066194 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
1 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টিRashel , Feb 11, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগীতা। বই- আফটার দ্য ডার্কনেস। লেখিকা- টিলি ব্যাগশে। অনুবাদ- অনীশ দাস অপু। ধরন- বিজনেস থ্রিলার। পৃষ্ঠা- ৩৩৬। প্রকাশনী- অনিন্দ্য। প্রধান চরিত্র- গ্রেস ব্রুকষ্টিন, লেনি ব্রুকষ্টিন, জন মেরভিল, ক্যারোলিন মেরভিল, মাইকেল গ্রে, কনি গ্রে, জ্যাক ওর্য়ানার, অনর ওর্য়ানার, অ্যান্ড্রু প্রেষ্টন, মারিয়া প্রেষ্টন, মিচ কনরস, গেভিন উইলিয়ামস। লেনি ও গ্রেস ব্রুকষ্টিন দম্পতি হলেও তাদের মধ্যে বয়সের প্রাথর্ক্য ত্রিশ বছরের মতো। তারপরও তারা একে অপরকে প্রচন্ড ভালোবাসে। সংগ্রাম করে আমেরিকার শীর্ষ ধনী হয়েছে লেনি। তার কোম্পানীর নাম কোরাম যারা শেয়ার মার্কেটের ব্যবসা করে। গ্রেসির বড় দুইবোন কনি ও অনর। কনির স্বামী মাইকেল ইনভেসমেন্ট ব্যাংকার ছিলো। কিন্তু আমেরিকায় হঠাৎ অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেওয়ায় তার কোম্পানীটি দেউলিয়া হয় ও সে চাকরি হারায়। অপরদিকে অনরের স্বামী জ্যাক একজন সিনেটর যে শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থে বিয়ে করেছে অনরকে। কোমল গ্রেসি জানেনা তার দুইবোন তাকে কি পরিমাণ হিংসা করে। জন মেরিভেল লেনির সবচেয়ে ঘনিষ্ট বন্ধু। সে অত্যন্ত সৎ ও নার্ভাস প্রকৃতির ভীতু লোক। এছাড়া আরেক কর্মচারী অ্যান্ড্রুও কোরামের র্শীষপদে কর্মরত। তার স্ত্রী মারিয়ার প্রচন্ড খরুচে স্বভাব তাকে একটি ভয়ানক বিপদে ফেলে দিয়েছে। অপরদিকে জনের স্ত্রী ক্যারোলিন মনে করে তার স্বামী কোরামের পার্টনার হওয়ার যোগ্য। তবে আইনত লেনির স্ত্রী গ্রেসিই কোরামের পার্টনার। তবে বাস্তবতা হলো লেনির ব্যবসা সম্মন্ধে ধারনাও নেই গ্রেসির। সে তার স্বামীকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসে এবং বিশ্বাস করে তার স্বামী খুব খুব ভালো একজন মানুষ। তবে ভালো মানুষেরও শত্রু থাকে। নানটুকেটে পার্টি ডাকে লেনি। সমস্ত পারিবারিক বন্ধুদের স্বপরিবারে দাওয়াত দেয় সে। আর সেখানেই তার মৃত্যু হয়। সমুদ্রে হারিয়ে যায় সে। প্রচন্ড আঘাত পায় গ্রেসি। তবে তারচেয়েও বিশাল বড় আঘাত তারজন্য অপেক্ষা করছিলো। লেনির মৃত্যুর পর কোম্পানীর বিনিয়োগকারীরা টাকা ফেরত চায় যাদের বেশীরভাগ লোক নিম্নমধ্যবৃত্ত। কিন্তু কাগজপত্র ঘেটে দেখা যায় একটা বিরাট অংকের টাকা গায়েব হয়ে আছে। পাঠক জানতে চান পরিমাণটা কতো হতে পারে? পচাত্তর বিলিয়ন ডলার, একটি রাষ্ট্রের রিজার্ভের পরিমাণ টাকা। কোম্পানীর পার্টনার হওয়ায় সব দোষ গ্রেসির ওপর পড়ে। টাকা মেরে দেওয়ার দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয় এবং জেলে পাঠানো হয়। যে লেনিকে একসময় মানুষ ফেরেশতার মতো জানতো সে হয়ে যায় আমেরিকার সবচেয়ে কলঙ্কিত ব্যাক্তি। আর জেলেই মৃত্যু ঘটে কোমল গ্রেসির। তার যায়গায় আসে প্রতিশোধ পরায়ণ গ্রেসি যে চায় তার স্বামী হত্যার প্রতিশোধ। রিভিউ পড়ে খুব ইন্টারেষ্টিং মনে হলেও এটা আসলে নকল একটা বই। মজাটা এখানেই। আপনারা হয়তো ভাবছেন কি দারুন একটা বই হবে এটা। কিন্তু না, বাজে বই। বইটি মূলত সিডনী শেলডনের অন্যতম সাড়াজাগানো বই ইফ টুমরো কামস থেকে নকল করা হয়েছে। একদম একইরকম প্লট। একটু শুধু এদিক সেদিক করে এই বেহায়া লেখিকা সিডনী শেলডনের নাম ব্যবহার করে ব্যবসার জন্য চালিয়ে দিয়েছেন। ইফ টুমরো কামসের ট্রেসির যায়গায় গ্রেসকে বসিয়ে দিয়েছেন। এই লেখিকা দাবী করেন সে সিডনী শেলডনের মহাভক্ত ছিলেন। সম্ভবত এই বইটা তাকে নাড়া দিয়েছিলো। তাই এটাই নকল করে ফেললেন। ইফ টুমরো কামসে ট্রেসি যেমন কোমল এক মেয়ে থাকে এখানেও গ্রেস তেমন। ওখানে ট্রেসিকে ফাসানো হয়, এখানে গ্রেসকে। ওখানে জেলে ভয়ঙ্কর এক অবস্থার মধ্যে পড়ে ট্রেসি। এখানে গ্রেস। ওখানে একজনের সাহায্যে ট্রেসি জেল থেকে বেরোয়। এখানে গ্রেস। তবে ট্রেসি ওখানে যে পদ্ধতিতে জেল পালাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছিলো বলা যায় এখানে গ্রেসকে ব্যর্থ হতে হয়নি। পাশাপাশি, ট্রেসি এরপর কন আর্টিষ্ট হয়ে প্রতিশোধ নিতে শুরু করে। এখানে গ্রেস। ওখানে ট্রেসি একজন প্রেমিক পায় যে তার হাত ধরে পথ চলতে চায়। এখানে গ্রেসেরও একই অবস্থা। তবে এন্ডিংটা আলাদা। আরেকটা ব্যাপার, প্রধান একটি চরিত্র বড় অংকের টাকা মেরে দিয়ে গ্রেসকে যে ফাসালো, সেই পরে দাবী করে ওই অ্যামাউন্টের আসলে কোন টাকাই নেই। তাহলে এতো মানুষ কিসের টাকার জন্য কোরামের সামনে আন্দোলন করছিলো। আসলে এই মহিলা কি লিখতে যেয়ে যে কি লিখে তা সে নিজেও জানেনা। এর বই পড়তে গেলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। সিডনী শেলডনের নাম ব্যবহার করে এই মহিলা স্রেফ ধোকাবাজির ধান্দা ছাড়া আর কিছুই করছেনা। লিখতে গিয়ে কেনো আরেকজনের নাম ব্যবহার? সে মৃত বলে? টাকা দিয়ে কিনে এই বই পড়া অর্থহীন। তারপরও কেউ যদি টাকা পানিতে ফেলতে চান তাকে ধরে রাখা যাবে না। সর্বোপরী কেউ যদি টিলি ব্যাগশে নাম দেখে বই কিনেন তাহলে নিশ্চিত ঠকবেন। সিডনী শেলডনের নামটা এখানে ধাপ্পাবাজী। বইয়ের ভিতর সিডনী শেলডনের কিছুই নেই। রেটিং- ০.০০/৫.০০"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"আফটার দ্য ডার্কনেস" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: