১ম প্রকাশ, ২০১১
দ্য আদার সাইড অভ মিডনাইট
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | দ্য আদার সাইড অভ মিডনাইট |
| Author | অনীশ দাস অপু |
| Publisher | অনিন্দ্য প্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 336 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.44 Kg |
| Editor | অনীশ দাস অপু |
| ISBN | 97898441404709 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
7 Ratings and 7 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৭টি
Rejoy , May 12, 2024
"ইচ্ছে ছিলো এক নিশ্বাসে পড়ে উঠবো, হলোনা, বেশ কয়েকদিন সময় লাগলো। বইটা পড়ার ইচ্ছে ছিলো অনেক আগে থেকেই তবে সময়ের অভাবে পেরে উঠছিলাম না। কারন, এসব বই দুদিন পড়ে তারপর একদিন গ্যাপ দিয়ে থেমে গেলে হয় না। যাইহোক, মুল কথাতে আসি, সিডনি শেলডনের বইগুলো এক আলাদা মাত্রা সৃষ্টি করে পাঠকদের কাছে। খুটিনাটি, ডিটেইল, চরিত্রগুলো নিখুঁতভাবে বর্ণনা করা পাঠকদের কাছে এবং পাশাপাশি গল্পের ব্যাকগ্রাউন্ডে নিয়ে যাওয়া দর্শকদের খুবই সুন্দর ভাবে করে থাকেন সিডনি শেলডন। গল্পটা দুটি মেয়ে "ক্যাথেরিন এবং নোয়েল" কে নিয়ে। যেখানে ওদের শিশুকাল থেকে ঘটনাগুলো তুলে ধরা হয়েছে। চড়াই-উতরাই, সংগ্রাম,কষ্ট, জীবনের একেকটা মোড়গুলো দেখানো হয়েছে। ক্যাথেরিন যে কিনা পুরষসঙ্গ চাইতো তার কুমারিত্ব ঘোচাতে আর নোয়েল যে না চাইতেও তার কুমারিত্ব হরণ করে এক শয়তান। না সবটা বলে দিলে ঠিক হবেনা তবে শুরুর দিকটা এমনই। তবে এরপর কি হয়?? কি মোড় আসে ওদের জীবনে? আসে অনেকগুলো মোড়, অনেকগুলো স্তর। পড়ে দেখুন খারাপ লাগবেনা প্রেম,বিশ্বাসঘাতকতা,প্রতিহিংসার এই বইটি। পাশাপাশি এটাও বলবো যৌনতা, ১৮+ কনসেপ্ট,কথাবার্তা সবই রয়েছে বইটি। তবে গল্পের খাতিরে যৌনতা থাকা মন্দ নয় এতে কোথাও বইটি শুধু যৌনতা উস্কে দেওয়ার বই মনে হবেনা। যে স্তরগুলো বললাম যে স্তর, সেই জীবনের একটা অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে যৌনতাকে। সবমিলিয়ে বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার কাছে।"
Monica Nondita , Aug 4, 2020
"অসাধারন"
Rezaul Karim Onik , Oct 14, 2019
"এক অপূর্ব সুন্দরী ফরাসি অভিনেত্রী ,যার আবেগ এবং প্রতিশোধ বাসনা তাকে প্যারিসের বস্তি থেকে তুলে নিয়ে যায় প্রভাবশালি এক কোটিপতির শয়নকক্ষে ...। এক ডেমিরিস যে ডায়নামিক গ্রিক টাইকুন , অর্থ- সম্পদ ,টাকা, বাড়্ গাড়ি আর সুন্দরী নারী যার নিত্যদিনের সঙ্গি । জীবনকে কে আগাগোড়া হিরে আর সম্পদের মাঝে মুড়িয়ে রেখেছেন । যিনি কখনই অপমানের কথা বিস্মৃত হন না । ক্ষমা করেন না তার বিপক্ষ শক্তিকে । এক সুন্দর পুরুষ যাকে দেখলেই প্রেমকাতর হয়ে উঠেন নারী । অপরদিকে নায-গান আর অভিনয় এ মাতিয়ে তোলা এক সুন্দরি,আবেদনময়ি নারী ‘’নোয়েল ‘’ !! যার শরীর থেকে বিদ্যুৎ চমকায় । গ্রিক টাইকুন এর সাথে নিষিদ্ধ আর রগরগে প্রেম জমে উঠে .........। এক মলাটে মোট ৩ টি পার্ট আর ২১ টি ছোটবড় অংশে উপন্যাস টি লিখা হয়েছে । যার প্রত্যেকটি পাতায় রয়েছে শাস্রুদ্ধকর ,গ্লামারাস্, স্মরণীয় , ফ্যান্টাসি আর রোমাঞ্চকর কাহিনি ! ।"
Bornali , Aug 29, 2019
"গল্প চলে চারজন চরিত্রকে ঘুরে -নোয়েল, ক্যাথরিন, ডগলাস এবং ডেমিরিস। বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতিহিংসা, প্রেম এবং আবেগ এর একটি গল্প। যদিও এই বইটিতে অনেক প্রাপ্তবয়স্কদের বিভাগ রয়েছে তবে আপনি মূল প্লটগুলি থেকে সরে যাবেন না। আমি ৫ এর মধ্যে ৫ দিতে পারছি না, কারণ এই আমার কাছে কাহিনির অনেকগুলি অংশ typical নাটক এর মতো লেগেছে। এটি আংশিক রহস্য বা থ্রিলার। আমি সিডনি শেলডনের "Naked face" পড়ে আমার বেশি ভাল লেগেছে এটি নিয়েও আশা করেছিলাম কিন্তু আমার কাছে এটি আশানুরূপ হয়নি। আমি বলছি না এটি অবশ্যই পড়তে হবে কিন্তু যদি আপনি এটি পড়তে চান তবে এটি আপনার আগ্রহের উপর বেশি প্রভাব ফেলবে না।"
Arif Akhter , May 16, 2019
"সিডনি সেলডন এর প্রত্যেকটি বই অসাধারণ। এটিও পরে অনেক ভালো লেগেছে।"
Rashel , Dec 27, 2016
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগীতা বই- দ্য আদার সাইড অব মিডনাইট। লেখক- সিডনী শেলডন। অনুবাদ- অনীশ দাস অপু। ধরন- রোমান্টিক, থ্রিলার। পৃষ্ঠা- ৩৩৬। প্রকাশনী- অনিন্দ্য। প্রধান চরিত্র- ক্যাথেরিন আলেকজান্ডার, নোয়েল পেজ, ল্যারি ডগলাস, কনষ্টানটিন ডেমিরিস, বিল ফ্রেজার, ড. ইসরায়েল, আরমান্দ গটিয়ের। প্রায় একই সময়ে পৃথিবীর দু্প্রান্তে দুজন নারীর দুরকম জীবনের শুরু। কিন্তু ভাগ্যের সূতো একটা পর্যায়ে এসে আর্শ্চায্যজনক ভাবে জোড়া দিয়ে দেয় এই দুই নারীকে যেখানে সূতো হিসেবে কাজ করে একজন পুরুষ। ক্যাথেরিন আলেকজান্ডারের জন্ম শিকাগোয়। মেধাবী ছাত্রী। কাজের খোজে তাকে পাড়ি জমাতে হয় ওয়াশিংটনে। সেখানে সে সেক্রেটারির কাজ পায়। তার বসের নাম বিল ফ্রেজার। সে ব্যবসায়ী এবং পাশাপাশি মার্কিন সরকারের কিছু প্রজেক্টেও কাজ করে। ক্যাথির দক্ষতায় মুগ্ধ হয় ফ্রেজার। দুজন নিঃসঙ্গ হওয়াতে তাদের মধ্যে ঘনিষ্টতা জন্ম নেয়। তারা একে অপরের প্রেমে পড়ে এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বিয়ের আগে হুট করে ক্যাথির কি যেনো হয়ে যায়। হলিউডে তাকে ডির্ষ্টাব করা এক বৈমানিককে একরাত প্রেম করেই তাকে বিয়ে করে ফেলে ক্যাথি। নোয়েলের পেজের জন্ম ফ্রান্সের মার্সেইতে। তার বাবা জেলে। কিন্তু জেলে পরিবারে সে রাজকুমারীর রুপ নিয়ে জন্মেছে। মেয়ে বড় হওয়ার পর তার বাবা আয়েশী জীবনের আশায় মেয়ের রুপকে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেন। ফলে তাকে যেতে হয় অগান্তি ল্যানচনের দোকানে সেলসগার্লের কাজে। সেখানেই ওই হোতকা ব্যাক্তিটির হাতে তাকে কুমারিত্ব বিসর্জন দিতে হয়। তখনই নোয়েল বুঝতে পারে কিভাবে পুরুষদের ব্যবহার করতে হবে। সে পালিয়ে প্যারিস আসে। আশ্রয়হীন অবস্থায় সে আশ্রয় পায় এক আমেরিকান বৈমানিকের কাছে। তার নাম ল্যারি ডগলাস। তারা বিয়ে করবে ঠিক করে। কিন্তু ব্রিটেন থেকে আর ফ্রান্সে ফিরে আসেনা ল্যারি। ক্ষুদ্ধ হয় নোয়েল। তার জীবনযুদ্ধ শুরু হয়। ইহুদি ডাক্তার ইসরায়েলের সহায়তা পায় সে। ইসরায়েল তাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসে কিন্তু নোয়েল সমস্ত ভালোবাসাকেই ঘৃণ্য নযরে দেখে। সে মডেলিং ও অভিনয়ে যোগ দেয়। দিত্বীয় বিশ্বযুদ্ধে বিদ্রোহী ইসরায়েলকে রক্ষা করে জার্মানদের হাত থেকে। কিন্তু ল্যারির কথা মাথায় থাকে তার। এক ত্যাদড় গোয়েন্দার মাধ্যমে সে ল্যারির সব খবরই নিয়মিত পেতে থাকে। অপেক্ষায় থাকে প্রতিশোধের। ল্যারি ডগলাস আমেরিকান বৈমানিক। যুদ্ধের জন্য তাকে ফ্রান্স ও ব্রিটেন দৌড়াতে হয়। যেখানেই যায় সেখানেই কোনো না কোনো সুন্দরী মেয়েকে পটায় সে। বিয়ের কথা পাকা করে এবং কিছুদিন পর মজা লুটে হাওয়া হয়ে যায়। আমেরিকায় সে দেখা পায় ক্যাথেরিন নামের এক মেয়ের। আঠার মতো তার পিছনে লেগে থাকে সে এবং তাকে বাগে আনতে সক্ষম হয়। তাদের বিয়ে হয়। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হলে বেকার হয়ে পড়ে ল্যারি। শুরু হয় ল্যারির বিষন্ন জীবন। গ্রীক টাইকুন কনষ্টানটিন ডেমিরিস পৃথিবীর তৃতিয় ধনী ব্যাক্তি। প্যারিসে নোয়েলের সাথে দেখা তার। এর দুদিন পর নোয়েল চলে আসে তার বাড়িতে, শয়নকক্ষে। ডেমিরিস অন্যধাচে গড়া মানুষ। প্রথম জীবনে সে ছিলো দরিদ্র। তখন যে তার সামান্যতম উপকার করেছে প্রতিদানে সে তাকে অনেককিছু দিয়েছে। আর যে তাকে কষ্ট দিয়েছে তাকে সে ধ্বংস করেছে। এই গ্রীক টাইকুনের ব্যাক্তিগত পাইলটের প্রয়োজন হয় এবং পাইলট হিসেবে ল্যারি ডগলাস নামের এক আমেরিকান বৈমানিক চাকরি পায়। ক্যাথিরা গ্রীসে সেটল হয়। শুরু হয় তাদের নতুন জীবন। ফ্রেজার কিন্তু তখনো ক্যাথির বন্ধু। আর নোয়েলের কথা মনেই নেই ল্যারির। তাদের দাম্পত্য জীবন সুখেই যাচ্ছে। কিন্তু কেউ একজন প্রতিশোধের খেলা শুরু করে। সেই খেলার রেশ গড়িয়ে যায় অনেকদুর। শুরু হয় ভালোবাসার মানুষকে হস্তগত করার প্রতিযোগীতা। কিন্তু কে খেলছে প্রতিশোধের খেলা? নোয়েল না ফ্রেজার? ক্যাথি কি তার প্রাণপ্রিয় স্বামীকে ধরে রাখতে পারবে? লাম্পট্য স্বভাবই কি ধ্বংস নিয়ে আসবে ল্যারির? ফ্রেজার কি এখনও ক্যাথির বন্ধু? নাকি এখনও ভালোবাসে তাকে? এসবের সাথে ডেমিরিসেরই বা সর্ম্পক কি? সে এই কাহিনীর কোন অংশে অবস্থান করছে? এটা সিডনী শেলডনের সবচেয়ে সাড়া জাগানো উপন্যাস। অদ্ভুত এক ভালোবাসার গল্প যা জন্ম দিয়েছে চমৎকার এক থ্রিল। ডেমিরিসের কিছু উক্তি আমি তুলে দিচ্ছি যা হয়তো আপনাদের জন্য উৎসাহীমূলক হিসেবে কাজ করবে। ‘সফল হতে বন্ধুদের দরকার তবে খুব বেশী সফল হতে দরকার শত্রুদের’। ‘ঘৃণার চেয়ে ভালোবাসার নামে অনেক বেশী অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে’। ‘খুব কম মানুষই নিজের কাজটা পছন্দ করে। শুধু সফল মানুষ ছাড়া’। সিডনী শেলডনের বইতে থ্রিলের চেয়েও আমাকে বেশী যেটা অভিভূত করে তিনি সামাজিক ও মানবিক ব্যাপারগুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেন। ফলে তার বই পড়ার মাধ্যমে পশ্চিমা সমাজ ও তাদের মনস্তত্বের ব্যাপারে অনেককিছু জানা যায়। তবে পশ্চিমা সমাজটাকে আমার পুরোই বাজে লেগেছে। ভালোবাসা যেনো সেখানে মূল্যহীন কিছু শব্দ। আজ এর সাথে শোয়া, কাল ওর সাথে শোয়া। মুর্হুতে ভালোবাসা বদলে যায়, সেইসাথে ভালোবাসার মানুষ। ভালোবাসি কথাটা একজনকে বলার সময় যে ওজনটা থাকে দশজনকে বলার পর সেই ওজনটা আর থাকেনা। তখন শব্দটারই অমর্যাদা হয়। তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস জানা গেলো। মেয়েরা সত্যিই তাদের প্রথম প্রেম ভুলতে পারেনা। আজীবন তা মনে রাখে। সেই মানুষটা ডাকলে সাড়া না দিয়ে পারেনা। আশা করি সবার পড়তে ভালো লাগবে। রেটিং- ৫.০০/৫.০০"
Jahan-E-Noor , Apr 7, 2013
"এক অপূর্ব সুন্দরী ফরাসী অভিনেত্রী, যার আবেগ এবং প্রতিশোধের বাসনা তাকে প্যারিসের বস্তি থেকে তুলে নিয়ে যায় প্রবাবশালী এক কোটিপতির শয়নকক্ষে। এক ডায়নামিক গ্রীক বিজনেস টাইকুন যিনি কখনই ক্ষমা করেন না তার শত্রুকে, শত্রুকে প্রতিশোধ নিতে কখনই দ্বিধা করেন না। এক সুদর্শন যুদ্ধ নায়ক যার প্রতি প্রতিশোধই সেই ফরাসী নারীর অন্যতম লক্ষ। এই প্রতিশোধের লক্ষে সেই গ্রীক টাইকুনের সাথে প্রেমের ছলনা করে, যে কিনা কখনই ক্ষমা করেন না তার শত্রুকে ! প্রেম , ষড়যন্ত্র, দূর্নীতি, সাসপেন্স আর প্রতিশোধের অপূর্ব এক মিশ্রন সিডনী শেলডনের দ্য আদার সাইড অফ মিডনাইট।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"দ্য আদার সাইড অভ মিডনাইট" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: