৫ম
ওয়ারিশ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ওয়ারিশ |
| Author | শওকত আলী |
| Publisher | বিদ্যাপ্রকাশ |
| Edition | ৫ম |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 204 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.41 Kg |
| ISBN | 9844220033 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
8 Ratings and 4 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৪টি
Minhaj Mehtaj. , Sep 5, 2022
"১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে যাওয়ার কারণে অসংখ্য নিঃস্বার্থ ভালবাসার সম্পর্কগুলোও ভাগ হয়ে যায়। এই ভাগ পরবর্তী প্রজন্মকে প্রচুর নাড়া দেয়। সেইরকমই উপন্যাসের নায়ক তার পূর্বপুরুষের স্মৃতি খুঁজতে যায় এবং রোমাঞ্চকর প্রেমের সন্ধান পায়"
Zihad Saim , Jul 10, 2021
"বইঃওয়ারিশ লেখকঃশওকত আলী ভবিষ্যৎ বর্তমান হয়,বর্তমান অতীত-এ যেমন সত্য, তেমনি এও সত্য যে,অতীত থেকে বর্তমান হয়ে ভবিষ্যতের দিকে যেতে হয়।মানুষের জীবনে এই দ্বিতীয় প্রক্রিয়াটিই অধিকতর ক্রিয়াশীল।এরই নাম ইতিহাস, ক্রমবিকাশও একেই বলে।সমাজ,রাজনীতি ও জীবনধারায় ভাংচুর ও পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে জীবন এই প্রক্রিয়াতেই অগ্রসর হয় এবং এই ধারাতেই ব্যক্তি,সমাজ এবং জাতি নিজেকে আবিস্কার করে।এই উপন্যাসে চারটি প্রজম্মের চিন্তাভাবনা ও জীবন যাপনের ঘটনাবলীর মধ্য দিয়ে একটি আত্ম আবিস্কারের কাহিনী গভীর বিশ্বস্ততার সঙ্গে নির্মিত হয়েছে।এই উপন্যাসের যে চার প্রজম্মের কাহিনী লেখক লিখেছেন তারা হলো জওহর আলী প্রধান,মুর্শেদ আলী প্রধান,রায়হান,রনজু।১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের পটভূমিতেই ওয়ারিশ উপন্যাস রচিত।(সৌমিত্র শেখর এই উপন্যাসটি কে মাহাকাব্যিক ব্যাপ্তি আছে বলে মন্তব্য করেছেন।)"
Dr. Md. Mahabub Hossain , Apr 29, 2021
"প্রদোষে প্রাকৃতজন উপন্যাস পড়ার পর শওকত আলী'র উপন্যাসের প্রতি আগ্রহ জন্মে। একজন ঔপন্যাসিক উপন্যাসের আলোচ্য সময়ে না থেকেও কিভাবে কি আসাধারণ সুন্দরভাবে সেই অতীত ঐতিহাসিক সময়রের অবস্থা ও ঘটনা চক্রে পাঠককে নিয়ে যেতে পারে শওকত আলী'র উপন্যাস না পড়লে বোঝা যেত না। ওয়ারিশ- পূর্বপুরুষদের ভিটেমাটি আর জন্মভূমির সাথে জড়িত থাকা স্মৃতি আবেগ, দেশভাগের দরুন জন্মভূমি ছেড়ে আসতে বাধ্য হওয়া ও এর সাথে জড়িত আবেগ ভালোবাসা কষ্ট নিয়ে রচিত চমৎকার উপন্যাস। এই উপন্যাসে উঠে এসেছে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁ অঞ্চলের কিছু আঞ্চলিকভাষা শব্দ।"
Aam somik , Aug 11, 2016
"শওকত আলী ষাট দশকে আগমন করেন সাহিত্যাঙ্গনে, তার লেখার ভাব ও পরিণতি বোঝাতে অনেক ইঙ্গিতধর্মী বাক্য ও উপমার আশ্রয় নিয়েছেন, প্রচলিত অনেক শব্দ-বাক্য নিজের মতো করে ব্যবহার করেছেন, যা হয়তো আমাদের প্রতিদিনেরই বাক্যালাপ, তারপর লেখকের শৈল্পিক গুণের কারণে উতরে গেছে এবং তা আরো বেশি উপভোগ্য হয়েছে বলার অপেক্ষা রাখে না।তার লেখা উপন্যাসগুলো হয়ে উঠেছে বাংলার ইতিহাসে অন্যতম সেরা উপন্যাস।তিনি তার লেখনীর মধ্যে তুলে ধরেছেন আবহমান বাংলার ইতিহাস,মানুষের জীবনধার। 'ওয়ারিশ' সেই ধরনেরই একটি নক্ষত্রখচিত আবহমানকালের ইতিহাস, যার মধ্যে সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, পুরাতত্ত্ব ঔপনিবেশিক সামন্তবাদ এবং আবহমানকালের দলিল হয়ে জীবনধারায় গতিশীল। ভাংচুর ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে জীবনের তাবৎ সঞ্চয় এই প্রক্রিয়াতেই অগ্রসর হয়। তারপর সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতির উন্মেষ ঘটে অথবা নিজেকে স্বমহিমায় আবিষ্কার করে। বাংলাসাহিত্যে 'ওয়ারিশ' অনিবার্য একটা অধ্যায়। জওহর আলী থেকে শুরু করে মুর্শেদ তারপর রায়হান এবং রঞ্জু, এই চার প্রজন্মের চিন্তা-চেতনা, ইতিহাস, স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা মেধা-মননের বিকাশে বেড়ে ওঠা আশা, দ্বন্দ্ব ও সংঘাত হারানো প্রাপ্তি প্রেম-বিরহ সর্বোপরি যাবতীয় খুঁটিনাটি বিষয়াদির মেলবন্ধন ঘটিয়ে একটা আত্মজিজ্ঞাসার রূপায়ণ করেছেন। যা গভীর বিশ্বস্ততার সঙ্গে উপন্যাসের প্রতি পরতে পরতে চিত্রায়ন করে অন্য এক মাত্রায় যোগ দিয়েছেন। উপন্যাসের প্রথমে লক্ষ্য করা যায়, চতুর্থ প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে তৃতীয় প্রজন্মের শিকড়ের সন্ধান। 'তিরিশ বছর আগের উকিলপাড়া এই জায়গাটা' স্মৃতিমন্থন মানে শৈশব-বাল্য-কৈশোর জীবনের নানান ছবি দৃশ্যপটে চলে আসে এক এক করে সেলুলয়েডের ফিতের মতো। ১৯৪৭ সালের পর থেকেই একটা পরিবারকে সমূলে উৎখাত হয়ে চলে যেতে হয়, বাস্তব ও কঠিন ঘটনার সূচনা ঠিক এখান থেকেই, প্রথম প্রজন্ম যদি ধরে নেয়া যায়, জওহর আলী প্রধানকে তবে তিনিই তো গুছিয়েছেন এই বিশাল সংসারসীমান্ত, অর্থাৎ তার সাম্রাজ্যের তিনিই একমাত্র অধিকর্তা। আবার এটাও পরিষ্কার যে তার হাত ধরেই এ সাম্রাজ্যের ভাঙন ত্বরান্বিত হয়, আর্থিক সমস্যার সমাধান করতে না পেরে শেষমেশ অনেক জমিজমা বিষয়-সম্পত্তি বিক্রি করেছেন নিজ হাতে, এমনকি মোহনগঞ্জে হাই স্কুল বসানোর আয়োজন হলে স্বেচ্ছায় রাজার দীঘির পশ্চিমে ভাঙা জমিটা দান করেন এবং হাজার পাঁচেক টাকা চাঁদা দেয়ার দায়িত্বটাও প্রধান সাহেব ঘাড়ে তুলে নিলেন। রাজনৈতিক অবস্থার যে পরিবর্তন এবং মোহনগঞ্জে ক্রমান্বয়ে উন্নয়ন লক্ষ্য করা যায়, জওহর আলী প্রধান অনুমান করতে পারছিলেন, সময়ের এই টানের দিকেই তাকে যেতে হবে, নইলে পিছিয়ে পড়বেন, শুধু বা তাকেই কেন তার মতো সর্বসাধারণকে পরিবর্তনের এই অাঁচের তাপ লাগবেই। নষ্ট রাজনীতির পাকে পড়ে সংসারের প্রতি উদাসীন অর্থাৎ পাগলাটে এক মুর্শেদ সাতচলি্লশে দেশভাগের পর মোহনগঞ্জে থাকতে না পারার কারণ সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হিংসা-দ্বেষ এবং সর্বোপরি হানাহানি, যা অনেকটা পরে অনুধাবন করতে পারে। মুর্শেদের কংগ্রেস দলের মানসিকতার ফলস্বরূপ সে কেন কংগ্রেস থেকে মনোনয়ন পেল না এবং নির্বাচনে তাকে প্রার্থী না করার পশ্চাতে সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ বেশ স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়। হিন্দুপ্রধান এ অঞ্চলে মুসলমানদের স্বাতন্ত্র্যবোধ-সামাজিক কর্তৃক বজায় রাখার কাজটি দুরূহ কঠিন, যা সাতচলি্লশের অনেক পরে তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভারত অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে পাকিস্তানে অর্থাৎ পূর্ববাংলায় চলে আসতে বাধ্য হয়। ওয়ারিশ' উপন্যাসে যে ইতিহাস উঠে এসেছে তা বাংলার মানুষের শোষণের ইতিহাস, মুসলমান সম্প্রদায়ের সে কান্নার ইতিহাস শওকত আলী ফুটিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। সাতচলি্লশে ভিটে-মাটি ছেড়ে যে সম্প্রদায় অন্য একটা নতুন আনকোড়া ঠিকানায় নদীর শেওলাপানার মতো ভেসে আসে তা অত্যন্ত মর্মহত-হৃদয়ব্যথিত, কেন এই পলায়ন, কেন মানুষ হয়ে মানুষকে বিশ্বাস করতে পারেনি মুর্শেদ, কেন তার এমন উপলব্ধি, আমরা 'ওয়ারিশ' উপন্যাসে খুঁজে পাই।'ওয়ারিশ' উপন্যাসে দুটো অংশ দেখতে পাওয়া যায়, 'ওয়ারিশ ও শরিক', ওয়ারিশ অংশে মুর্শেদ আলীকে নায়ক হিসেবে দেখানো হয়, কিন্তু শরিক অংশে মুর্শেদের স্ত্রী সালমা হয়ে যায় উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। এখানে মুর্শেদের সঙ্গে সংসার করার পরও সালমা স্বামীর আদর্শকে নিজের বলে মানতে পারেনি। জীবনের শেষ প্রান্তে উপনীত হয়ে সে অবশেষে সমর্থন দিয়েছে মুসলিম লীগকে, তবে প্রধান বাড়ির সম্মান বাঁচাতেই বেশি সচেষ্ট থাকতে দেখা যায় সালমাকেই। হিন্দু-মুসলমানের এ টানাপড়েন এবং রাজনৈতিক দোলায় দুলতে থাকে সমগ্র জীবনব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় কাঠামো, সামাজিক নৈতিকতা। কথাশিল্পী শওকত আলী গভীর নিষ্ঠার সঙ্গে আপাদমস্তক তা বর্ণনা করেছেন। ইতিহাস-ঐতিহ্য সংস্কৃতি-কৃষ্টিকে তুলে ধরে উপস্থাপন করেছেন প্রজ্ঞা ও মেধাসম্পন্ন পাঠকের সামনে।বইটি অনেক ভাল লাগে পড়তে।যারা পড়েননি তারা তাড়াতাড়ি পড়ে ফেলেন এত সুন্দর উপন্যাস মিস করবেন না।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
এটা হার্ডকাভার নাকি পেপার কভার
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ওয়ারিশ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: