১ম প্রকাশ, ২০২১
উড়ে যাওয়ার দিন
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | উড়ে যাওয়ার দিন |
| Author | রবিউল হক বক্সী |
| Publisher | ভূমিপ্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 2021 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.33 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
12 Ratings and 7 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৭টি
Sudip , Feb 25, 2022
"একজন মানুষ কি সত্যিই দ্বিতীয়বার ভালোবাসতে পারে? কিংবা একজন মানুষ কি সত্যিকার অর্থে একইসাথে দুইজনকে ভালোবাসতে পারে? এমন কিছু প্রশ্ন মাথায় ঘুরছিল বেশ কিছুদিন থেকেই। উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছিলাম। তাই যখন এই বইটির সারাংশ আর ভূমিকা পড়লাম, তখন মনে হয়েছিল বইটি আমার পড়া দরকার। এই দরকার থেকেই তখন হাতে তুলে নিয়েছিলাম 'উড়ে যাওয়ার দিন'। ফ্ল্যাপ থেকে: এই উপন্যাসের মূল চরিত্র এক ধূসর নীলাভ শূন্যতা। পার্শ্বচরিত্রে ক্রীড়নক হয়ে আছে ক’জন নিয়তিবিদ্ধ মানব-মানবী। এই উপন্যাস পাঠককে টেনে নিয়ে যায় অদ্ভুত মায়াবী এক পরাবাস্তব ঘাতক জগতে। সে জগতে কোনো এক সর্বগ্রাসী কৃষ্ণবিবরে রাহুগ্রস্ত চাঁদের অমাবস্যা গাঢ় হয়। এই অতলান্ত গহ্বর অবধারিত কাছে টেনে সবকিছু নিঃশেষে ছিন্নভিন্ন করে দেয়। এই উপন্যাস পড়বার নয়; বরং কয়েকজন যুবক-যুবতীর হৃদপিণ্ডের দহনে অবগাহনের প্রতীতি। [ফ্ল্যাপের লেখা পড়ে কিছু বোঝা গেল? আরেকটু বিস্তারিত বলি। দিনাজপুর শহরে বিন্তিকে পেয়েছিল গল্পকথক। আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছিল তাকে। কিন্তু একসময় দিনাজপুর ছাড়তে হয় গল্পকথককে। নতুন ঠিকানা হয় ময়মনসিংহ শহর। ঘটনার পরম্পরায় তার জীবনে তখন কালো মেঘ। সেই মেঘ অবশ্য বৃষ্টি হয়ে ঝরেছিল। বৃষ্টি ঝরিয়েছিল রিথি। এবার তাকেই আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধতে চাওয়া। শেষ পর্যন্ত কী হয়েছিল? কাকে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধতে পেরেছিল সে?] পাঠ প্রতিক্রিয়া: উপন্যাসের মূল চরিত্র তিনটি — গল্পকথক, বিন্তি আর রিথি। পুরো উপন্যাস বর্ণিত হয়েছে উত্তম পুরুষে। তাই গল্পকথক চরিত্রটির বিস্তৃতিই বেশি, স্বভাবতই। খুব যে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ চরিত্র, তা বলব না। ক্ষেত্রবিশেষে যদিও শক্ত মনের পরিচয় পাওয়া যায়। তবে এই 'সাধারণ' থাকাই হয়তো একটা বৈশিষ্ট্য। বর্তমান সময়ের একটা টানাপোড়েন, চাহিদা, কামনা। সেই সাথে অতীতের স্মৃতি কাতরতা। দুটো ভিন্ন সত্ত্বাকে একসাথে বয়ে চলা একজন মানুষ। বর্তমানের ফাঁকে ফাঁকে তার স্মৃতি রোমন্থন করার মাধ্যমেই এগিয়েছে উপন্যাসটি। আর অন্য দুইটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র বিন্তি আর রিথিও তাই গল্পকথকের চোখেই ধরা দিয়েছে আমাদের কাছে। মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসে চরিত্র গঠন করা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। লেখক বেশ ভালো ভাবেই সেটা ফুটিয়ে তুলেছেন বলতে হবে। রিথি যথেষ্ট শক্তিশালী একটা চরিত্র, ব্যক্তিত্বপূর্ণ। অন্যান্য চরিত্রেরা — প্রত্নবুড়ো, অ্যানি, হাসিব, রজনীদা প্রভৃতি — গল্পের প্রয়োজনে এসেছে। তাদের উদ্দেশ্য পরিবেশন করেছে। আমাদের জীবনের যৌবনের সময়টুকুই লেখক উপজীব্য করে মেলে ধরেছেন উপন্যাসে। কী কী ঘটে যৌবনে বা আমরা ঘটাতে চাই — সেটুকুই উঠে এসেছে একেক চরিত্রের ব্যক্তিত্বে। যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক লেগেছে, একদমই অতিরঞ্জিত লাগেনি। রবিউল হক বক্সীর লেখা প্রথম পড়লাম। এটিই তার প্রথম উপন্যাস। বইটার একদম শুরুর দিকটাতে লেখাগুলো 'মস্তিষ্কে কানেক্ট' করতে একটু উনিশ-বিশ লেগেছিল। কেন ঠিক জানি না। সাধারণত অন্য বই পড়ার ক্ষেত্রে এরকম হয় না আমার। অগোছালো বলবো না — হয়তো একটু ছাপছাড়া, দ্রুত অনেকগুলো চরিত্রের আগমন, দ্রুত দৃশ্যপট বদলে যাওয়া — কিছু একটাতে উনিশ-বিশ লেগেছে আরকি আমার কাছে। কিন্তু তারপর থেকে পুরোটা ঠিকঠাকই লেগেছে। শেষ পর্যন্ত পড়ে গেছি ভালোলাগা নিয়েই। আর সমাপ্তিতে তৃপ্ত হয়েছি যথেষ্ট। বিরিশিরি আর দুর্গাপুরে ঘুরতে গিয়েছিলাম অনেক আগে। ওখানকার সোমেশ্বরী নদী আমার দেখা সুন্দর নদীগুলোর একটি। উপন্যাসটির পটভূমির একটা অংশ এই সোমেশ্বরীর রাজ্যেই। তাই পড়ার সময় আলাদা একটা অনুভূতি কাজ করছিল। কখনও কখনও মনে হচ্ছিল সোমেশ্বরীর কূলে বসেই যেন বইটি পড়ছি। গল্পের ভাষা, শব্দের ব্যবহার বেশ সাবলীল আর সহজ। বর্ণনা এবং স্বগোতক্তির অংশটুকু যথেষ্ট মনোমুগ্ধকর। মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের সংলাপে যে ভাবগম্ভীরতা আমরা পাই বা চিন্তা করি, এই উপন্যাসে সেটা তেমন ছিল না। তবে কি বলব মিসিং ছিল? না — ছিল অন্যরকম। এই অন্যরকমটা বেশ ভালো লেগেছে। সহজ আর সোজাসাপটা। লেখক শব্দ নিয়ে খেলেননি, খেলেছেন চরিত্রদের অনুভূতি নিয়ে। তবে সেই অনুভূতিও প্রকাশ করেছেন খুব সুন্দর ভাষায়। একেবারে মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো করে। আমাদের উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে এমন কিছু যা আমরা জানি না। ভেতরের অসংখ্য বুদবুদ শুধু নিজেদের সুখী করার জন্য টগবগিয়ে ফুটছে। কোনো অনুষঙ্গের প্রয়োজন নেই, যেমন একটা পাখির জন্য কোনো প্রয়োজন নেই একটা নৌকার — এমন স্বার্থপরতায় দুজন মেতে উঠি। বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন সজল চৌধুরী। সাদামাটা, তবে কালারফুল। দেখতে ভালোই তো লাগে। সবশেষে বলব, এই উপন্যাস পড়া শেষে রবিঠাকুরের 'শেষের কবিতা'-র কিছু লাইন আওড়াতে ইচ্ছে করেছে আমার কেন জানি — কেতকীর সঙ্গে আমার সম্বন্ধ ভালোবাসারই, কিন্তু সে যেন ঘড়ায় তোলা জল — প্রতিদিন তুলব, প্রতিদিন ব্যবহার করব। আর লাবণ্যের সঙ্গে আমার যে ভালোবাসা সে রইল দিঘি; সে ঘরে আনবার নয়, আমার মন তাতে সাঁতার দেবে। এক নজরে: বই: উড়ে যাওয়ার দিন | উপন্যাস লেখক: রবিউল হক বক্সী প্রকাশনী: ভূমিপ্রকাশ প্রচ্ছদ: সজল চৌধুরী"
Hasan Al Banna , Apr 21, 2021
"বইঃ উড়ে যাওয়ার দিন লেখকঃ রবিউল হক বক্সী প্রকাশনীঃ ভূমিপ্রকাশ প্রচ্ছদঃ সজল চৌধুরী প্রকাশকালঃবইমেলা-২০২১ পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১৯৬ মলাট মূল্যঃ ৩২০ টাকা ......................... এটা বিষন্নতার গল্প,হৃদয়ছোঁয়া বিষন্নতা।যে বিষন্নতার মোহে আপনি আচ্ছন্ন থাকবেন পুরোটা সময়।রিঅ্যাডমিশনের ব্যাপারে সাহায্য নিতে এসে জীবনের সাথে জড়িয়ে যাওয়া বিন্তির গল্প।যে বিন্তির কপালে ছিলো কালো টিপ,বুকে জড়ানো হলুদ ওড়না আর অসম্ভব সুন্দর চেহারার দিকে মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে ছিলো ছেলেটি।বিন্তিকে সাহায্য করার জন্য ছেলেটির সে কি ছোটাছুটি!"ভালোবাসি" না বললেও কারো ভালোবাসা'ই গোপন থাকেনি।সেটা যখন যেভাবে পেরেছে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চেষ্টা করেছে।অতঃপর দুজন দুজনার হাত ছেড়ে দুদিকে হারিয়ে গেছে।সেই হাত আর এক হয়নি।রিথির হাত ধরে বিন্তিকে ভোলার শতচেষ্টা যেন বিন্তির স্মৃতিকে সদা জাগ্রত করতে থাকে।রিথির কালোপশমের আস্তরণের মাঝে হারিয়ে যেতে চায় ছেলেটি।রিথির প্রতি এক আদিম আকর্ষণ অনুভব করে।রিথিকে নিজের করে পাবার তীব্র বাসনা সত্ত্বেও বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে দুইমাসের জন্য দূরে থাকতে হয়।এই যে ডুব দিলো ছেলেটি,এরপর সে আর ফিরে পায়নি রিথিকে। প্রতিক্রিয়াঃ দুইটা ভিন্ন সত্তাকে একইসাথে বয়ে নিয়ে বেড়ানো, এও সম্ভব!প্রত্যেকের জন্য ভিন্ন অনুভূতি। কেউ কাউকে ছাপিয়ে যায়নি। বই পড়ার অনুভূতিটা ভাষায় বর্ণনাযোগ্য নয়।এতো মনোমুগ্ধকর বর্ণনা আর সংলাপকে আমি কিভাবে বিশ্লেষণ করব তার জন্য উপযুক্ত বাক্য খুঁজতে গিয়ে দিশেহারা হতে চাইনা।বইটা শুরু করার পর আপনি যে কখন চরিত্রের সাথে লেপ্টে যাবেন, বিষাদের সাগরে সাতরে বেড়াবেন তা নিজেও বুঝবেন না।আপনার মনে হবে এই সাগর থেকে আর না উঠি।বিষাদের মধ্যেই তৃপ্তি খোঁজার ব্যর্থ চেষ্টা থাকবে সবসময়।একটা বাক্যকে টেনে বড় করার প্রবণতা লক্ষ করিনি।বাক্যের প্রয়োজনে বাক্য এসেছে,তৃষ্ণা মেটাতে বাক্য এসেছে, হৃদয়কে পরিতৃপ্ত করতে বাক্য এসেছে।বিশেষ করে উপমার ব্যবহারে লেখকের মুন্সিয়ানা পরিলক্ষিত হয়েছে।বর্ণনাতে উপমার ব্যবহার বইটাকে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।আর এটা শুধু পড়ার মাধ্যমেই আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন।কখনোই মনে হবেনা এটাই লেখকের প্রথম বই!! আক্ষেপ বলতে বইটা যেন দ্রুতই শেষ হয়ে গেলো। আরো একটু বেশি হলে ক্ষতি কি!!!! পছন্দের লাইনঃ বলা যায় বইয়ের প্রতিটা লাইনেরই প্রেমে পড়েছি।তবু দুটো লাইন আপনাদের সাথে শেয়ার করি। "আমার বেলায় প্রেমটা বর্তমানে----কুকুরছানাটা অন্য কারোও রুটির প্রলোভনে ঘেউ ঘেউ করছে -----এরকম" "পেঁয়াজের ঝাঁঝে রিথির চোখ পানিতে ছলছল,এমনকি আমার চোখেও পানি এসেছে।কিন্তু পেঁয়াজের ঝাঁঝে নয় সত্যি সত্যি আমার কান্না আসছে ভেতর থেকে।রিথিকে আমি ভালোবাসি,রিথি আমার।রিথিকে সুদ্ধ ওর রান্নাঘরটা উপড়ে তুলে নিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে" লেখকের জন্য শুভকামনা।"
Drimit Megh , Apr 21, 2021
"যারা আসলে আমার মত হাঁটতে পছন্দ করেন, হারাতে চান অনুভূতি তে তাদের জন্য পারফেক্ট ব্লেন্ড এই "উড়ে যাওয়ার দিন " সত্যি বলতে এখানে কোনো অসামান্য গল্প নেই, কিছুই নেই, আছে কেবল শূন্যতা, এক কাপ চা সামনে রেখে আপনি ভাসছেন শূন্যতায়,বসে আছেন অনন্ত কাল ধরে... খসে পড়া অনুভূতির পালক রয়ে গেছে বুঝিবা..... নাক ডুবিয়ে গন্ধ পেতে চাইবেন সেই নিঃসীম শূন্যতার অথবা আপনি পড়ে যাচ্ছেন অনেক উঁচু কোথাও থেকে... ভেসে আছেন পাখির মত সেই শূন্যতা নিয়েই। এক অসামান্য উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে সংযোজিত হতে যাচ্ছে! এবং এক নতুন লেখককে পাচ্ছি আমরা!"
Fardusi Haque , Apr 16, 2021
"“উড়ে যাওয়ার দিন” উপন্যাসটি পড়তে পড়তে এক ধারণের চাপা কষ্ট অনুভব করি। ঠিক যেন সূঁচ ফুটার মত কষ্ট। কিন্তু কি হয়েছে, তা বলা যায় না বা ব্যাখ্যা করা যায় না। যেন একটা মেয়ে বাথরুম থেকে কান্নাকাটি করে বের হয়ে এলো। আলো ঝলমলে পৃথিবীতে সে তার কান্নার কারণ ব্যাখ্যা করতে চায় না। বব চুলের বিন্তি হলুদ সরিষা খেতের মতো মায়ায় জড়িয়েছিল ছেলেটিকে। তারপর একটা অনিবার্য ট্রেনে সে ধোয়া ধূসরময় স্মৃতির আস্তরণ ফেলে পোঃ পোঃ শব্দে চলে যায়। বিন্তিকে সমগ্র চেতনায় বহন করে সেই ছেলেটি রিথির হাত ধরে। উপন্যাসের সম্পর্কগুলো সরল রৈখিক নয়। পাঠককে এক দুর্নিবার আকর্ষণে জড়িয়ে ফেলে নীল কষ্টে শ্বাস নিতে বাধ্য করে। উপন্যাসটি কতজন পাঠকের নজরে এসেছে তা জানি না। তবে এটা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য কাজ হয়ে থাকবে।"
Abdullah-Al-Wasib , Apr 15, 2021
"বই - উড়ে যাওয়ার দিন লেখক - রবিউল হক বক্সী প্রচ্ছদ - সজল চৌধুরী প্রকাশক - জাকির হোসেন প্রকাশন - ভূমি প্রকাশ মলাট মূল্য - ৩২০ টাকা জনরা - সমকালীন উপন্যাস পৃষ্টা - ১৯৬ প্রকাশকাল - বইমেলা ২০২১ প্রথম প্রেম ভুলা যায়? সেই প্রেম ভুলে এক সুঁতোয় দু'জন কে বাঁধা যায়? কিংবা প্রথম প্রেমকে ভুলতে আরেক জনের প্রেম পড়া যায় তাহলে কেমন হয়? কিংবা বিচ্ছেদের কষ্ট সহ্য করে কতটা ভালো থাকা যায়? প্রকতি যেন ইচ্ছা করেই বিন্তির সাথে ছেলেটির পরিচয় করি দিল। তারপর বিন্তির রিঅ্যাডমিশন নিয়ে ছেলেটির ছোটাছুটি। এভাবেই এক সয়য় ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয় তারা দুজন। বিন্তির হাতে হাত রেখে চলতে থাকে তাদের পথচলা। মাঝে মাঝে বিন্তির কথা মুগ্ধ হয়ে শুনতে থাকে, বিন্তির সৌন্দর্য অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে! আহা, কি প্রেম! সাজাতে থাকে তাদের ভালোবাসার পৃথিবী, চলতে থাকে একই পথে। কিন্তু সেই একই পথে চলতে চলতে কোনো এক সময় দু'জন দু'জনের হাত ছেড়ে দিয়ে রাস্তার দুই পাশে চলে গেছে, সেই দুই হাত আর কখনো এক হয় নি! ছেলেটির স্বপ্নের আকাশ কালো হয় গেল, মেঘে ঢেকে গেল চারিদিক কিন্তু কখনো বৃষ্টি ছড়লো না। জীবন হয়ে গেল এলোমেলো, সব কিছু থেকে বিচ্ছন্ন আর নিজেই থেকে গেল অন্ধকারে। তবে আলো হয়ে রিথি, আবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করলো ছেলেটি কিন্তু বিন্তির স্মৃতি তাঁকে তাড়া করে বেড়ায় সব সময়। এইভাবেই চলতে থাকে তাঁদের গল্প, ক্ষণে ক্ষণে রং বদলিয়েছে গল্প কিংবা গল্পের চরিত্র গুলো। লেখকের প্রথম বই হিসাবে বেশ ভালোই ছিল তবে কোথাও কোথাও মনে হয়েছে এটা না দিলেও চলতো! গল্পের ভাষা সহজ এবং সাবলীল। অনুভূতির সঠিক বর্ণনা দেওয়ার জন্যে যথেষ্ট। সব কিছু মিলায় ঠিকঠাক বলা চলে। লেখকের আগামী দিনের পথচলা শুভ হোক। ভূমির চমৎকার একটা প্রোডাক্টশন ছিল। বাইন্ডিং, ছাপা, পাতা সব কিছু ঠিকঠাক। তবে অটোগ্রাফ দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত একটা পাতা রাখলে ভালো হইতো। সজল ভাইয়ের করা প্রচ্ছদটা ছিল অসাধারণ। বইটি পড়তে পারেন, ভালো লাগবে যে তার গ্যারান্টি দিতে পারছি না। তবে ভিন্ন স্বাদ পাবেন। বিচ্ছেদের আগুনে পুড়তে পারেন কিংবা ডুবে যাবেন কষ্টের সাগরে। পৃথিবী বইয়ের হোক।🖤"
Farid Uddin , Apr 11, 2021
"একই সাথে সমান অনুভবে দু'টো মেয়েকে কি ভালোবাসা সম্ভব? দিনাজপুরের বিখ্যাত কুয়াশার মতো বিন্তি এসে দাঁড়িয়েছিল ছেলেটির সামনে—ঝাপসা, এলোমেলো আর শীতে আক্রান্ত জবুথবু মন নিয়ে। যে ভ্রুসন্ধিতে পরতো মিহি একটা কালো টিপ আর বুকে জড়াতো হলুদ সরিষা ক্ষেতের মতো ওড়না। ছেলেটি সবসময় চেয়েছে দুর্বোধ্য কুয়াশাকে হাত দিয়ে সরিয়ে আসল বিন্তিকে উদ্ধার করতে। কিন্তু যতই সে বিন্তিকে জানতে চেষ্টা করেছে, ততই সে ডুবে গিয়েছে এক গভীর খাদে। নিজেকে বাঁচাতে স্বার্থপরের মতো রিথির হাত ধরে ছেলেটি। রিথি ওর পশমের মতো কালো শরীরের দীপ্তিময়তায় ছেলেটির সমস্ত কষ্টময় স্মৃতিকে ধুয়ে মুছে ফেলতে চায়। কিন্তু রিথি কি তা পারবে? যদি সে না পারে, তার বাড়িয়ে দেওয়া উষ্ণ হাতটির কী হবে? অপরদিকে, একই সাথে দু'টো মেয়েকে বুকে ধারণ করে পথ চলা, অনুভবের স্বতন্ত্র অলিগলিতে দু'টো মেয়েকে আলাদা আলাদা জায়গা দেওয়া, দু'টো দেহের ভিন্ন মাত্রার ঘ্রাণ, ভালোবাসার প্রকরণ, ভিন্ন প্রকার অভিব্যক্তি—পরস্পর পরস্পরের সাথে এমনভাবে মিশে যায় যে, সেই তৃতীয় মাত্রার অনুভূতির সাথে ছেলেটি অভ্যস্ত হয়ে যায়। যেন এক ঘোরতর নিবিষ্টতা, অপার্থিব এক নিমজ্জন! যৌবনের শুরুর এই সিদ্ধান্তগুলো, বয়সের তুলনায় অধিকতর জটিল মানবিক সম্পর্ক, সেগুলোর মিথষ্ক্রিয়া, হাতছানি দিয়ে ডাকা প্রেম, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা এবং নিঃসঙ্গতার কষ্ট—সবকিছু অদ্ভুত দক্ষতায় ও কাব্যিক বয়ানে চিত্রিত হয়েছে “উড়ে যাওয়ার দিন” উপন্যাসে।"
Sharmin Aktar , Mar 30, 2021
"well done..."
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"উড়ে যাওয়ার দিন" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: