১ম প্রকাশ, ২০২১
তিন রাগিণী
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | তিন রাগিণী |
| Author | ড. তাবারক হোসেন |
| Publisher | অন্যপ্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 380 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.91 Kg |
| ISBN | 9789845027915 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
3 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টি
Tahmina Jerry , Jun 11, 2021
"#Progoty_Book_Club_Review_Competition রিভিউদাতা: তাহমিনা জেরী গ্রন্থের নাম: তিন রাগিণী উপন্যাস: একরাত্রি লেখক: তাবারক হোসেন প্রকাশনী: অন্যপ্রকাশ প্রচ্ছদ: শাহরিয়ার রহমান রাফি প্রকাশকাল: ২০২১ প্রচ্ছদমূল্য: ১০০০৳ পার্সোনাল রেটিং: ০৮/১০ "বুঝতে পারলে একরাত্রির জন্য হলেও আমি আমার গােছানাে ঘরে তােমার সঙ্গে সংসার করতাম। তারপর না হয় অন্যের ঘরনি হতাম।" #কাহিনি সংক্ষেপ: পড়ন্ত বিকেলের কোমল রশ্মির চিকচিক করা এক কর্পোরেট বিল্ডিংয়ের অফিসে মলিন ভাবনায় ডুবে আচ্ছন্ন যুবকের বসে থাকা নিয়ে "একরাত্রি" উপন্যাসের গল্পটার শুরু। আনন্দ, বেদনা, ত্যাগ আর ভালোবাসায় মুড়ানো গল্পে রয়েছে একঝাঁক পরিচিত চরিত্র। প্রচন্ড বড়লোক আর দুর্দান্ত স্মার্ট তাহসান একটি কোম্পানির এমডি। স্ত্রী তসলিমা এবং মেয়ে পূর্ণিমাকে নিয়ে ছোট্ট সংসার। তাহসানের জীবনে অর্থের কোনো অভাব নেই, অভাব রয়েছে ভালোবাসার। স্ত্রী তসলিমার কদর্য সন্দেহপ্রবণতা ক্ষতবিক্ষত করে তুলেছে তার জীবনকে। নিয়মের বালাইয়ে অফিসে যতক্ষণ থাকে ততক্ষণ যেন সে শান্তির একটুখানি পরশ পায়। তাহসানের অফিসে কর্মরত নীলু নামের এক মেয়েকে বিনা কারণে চাকুরিচ্যুত করা হয় তসলিমার নির্দেশে। সমাজে রটানো মিথ্যে গুজবের জন্য নীলুর স্বামী ওকে ভুল বুঝে, সাজানো সংসার ভেঙে যায়। শিশির এবং ক্ষণিকা। বসের এহেন অশান্তিপূর্ণ অবস্থা দেখে বেশ দুশ্চিন্তিত হয়ে ওঠে। এমন গুণ সম্পন্ন মানুষ, একটা জিনিসের কাছে ধরা; সেটা হলো মায়া। জগতের সব মানুষই হয়তো এই এক জিনিসের কাছে এসে ধরা পড়ে যায়। মাঝেমাঝে কর্মচারীদের বসিয়ে শুধু কথা বলে। প্রকাশ করে মনের অলিগলিতে চলতে থাকা সমস্ত ব্যথার কথা। শিশির তেমনই একজন; যার সঙ্গে মাঝেমাঝেই কথা হয়। তাহসান, শিশিরের দুর্বোধ্য কথা শুনে ফিলোসফি উপাধি দেয় শিশিরকে; যদিও এ উপাধিটা সবার মুখে মুখে আসতে একটু দেরী হয়ে যায়।সময়চক্রে এক নদী ভালোবাসার ডুবজলে অবগাহন করে শিশির আর ক্ষণিকা। অথচ "একরাত্রি" যাপনের সুখটুকু থেকে বঞ্চিত হয় তারা, ভালোবাসার চোরাস্রোত তাদের ভাসিয়ে নিয়ে যায়। শিশির ক্ষণিকাকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখে তা কি বাস্তবায়িত হয়? তাহসান কি নীলুর প্রেমে মোহাচ্ছন্ন হয়ে তসলিমাকে ত্যাগ করে? এসব প্রশ্নের জবাব পেতে হলে পড়তে পারেন "একরাত্রি" উপন্যাসটি। পাঠ_পর্যালচনা: পৃথিবীতে সুখ মানে তিন প্রকার থাকলেও মানুষ আসলে কোনটার সুখ চায় সেটা কেউই বলতে পারে। তবুও মানুষ ছুটে সুখ আর ভালোবাসার আশায়। আর যেকোনো সম্পর্কেই বিশ্বাস ও ভালোবাসা একে অপরের পরিপূরক। কারো উপর বিশ্বাস উঠে গেলে ভালোবাসা বিপর্যয়গ্রস্ত হয়ে পড়ে, অনেকক্ষেত্রে সম্পর্কে ফাটল ধরে, শেষ হয়ে যায়। "একরাত্রি" উপন্যাসটি নারী-পুরুষের মধ্যকার সম্পর্কের ভাঙা-গড়ার এক মানবিক উপাখ্যান। উপন্যাসটির মূল চরিত্র তাহসান। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের মধ্যে তসলিমা, নীলু, শিশির, ক্ষণিকা, রেবেকা উল্লেখযোগ্য। নীলুকে রহস্যময়ী, বিচক্ষণ, দূরদর্শী নারী চরিত্রে উপস্থাপনা ঠিকঠাক লেগেছে আবার তসলিমার মাধ্যমে নারীমনের ঈর্ষাকাতর, সন্দেহপ্রবণতার দিকটি লেখক বাস্তবসম্মত উপায়ে ফুটিয়ে তুলেছেন।তাহসান এবং তসলিমা দম্পত্তি যেন আমাদের বর্তমান সমাজের অধিকাংশ দম্পতির প্রতিনিধিত্ব করে। পারষ্পরিক বিশ্বাস আমাদের সমাজ থেকে দিন দিন উঠেই যাচ্ছে। লেখক উপন্যাসে নিপুণভাবে এই সমস্যাটা সৃষ্টি করেছেন তাহসান এবং তসলিমার দাম্পত্য জীবনে। আবার, তার বিপরীতটাও যেমন সমাজে আছে তেমনি উপন্যাসেও তিনি দেখিয়েছেন রেবেকা-তৌকির দম্পতির জীবনে। এটা খুব একটা কঠিন না হলেও এই মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব নিরসনের উপায় বের করাটা কিন্তু বেশ কঠিন কাজ ছিলো। আর সেই কাজটা সহজ করতেই লেখক বেছে নেন নীলু চরিত্রটিকে। তাহসান-নীলু-তসলিমা ত্রিভুজ সম্পর্কটি বেশ জটিল। এটিকে পরকীয়া প্রেম বললে ভুল হবে। আবার প্লেটোনিক সম্পর্ক বললেও হয়তো কম বলা হবে। মানবজীবনে এমন কিছু সম্পর্ক থাকে যা সংজ্ঞায়িত করা যায় না, নীলু-তাহসানের সম্পর্কটাও ঠিক এরকমই ছিলো। উপন্যাসের একটা পর্যায়ে মনে হচ্ছিলো এটাও হয়তো গতানুগতিক কোনো পরকীয়া প্রেমের উপন্যাস হতে যাচ্ছে। কিন্তু লেখক নিপুণভাবে গল্পটাকে সেখান থেকে ভিন্নদিকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন। খুব কম সংখ্যক লেখকই এই কাজটা করতে পারেন। শিশির-ক্ষণিকার সম্পর্ক বা রেবেকা-তৌকিরের দাম্পত্য জীবনের গল্প উপন্যাসটিতে অনন্য মাত্রা যোগ করেছে এবং পাঠককে একঘেয়েমি থেকে মুক্ত করেছে। প্রতিটা চরিত্রকে মুন্সিয়ানার সহিত চিত্রায়ন করেছেন লেখক; যা প্রশংসার দাবিদার। পাঠ_প্রতিক্রিয়া: জনপ্রিয় লেখক তাবারক হোসেনের অনেকগুলো উপন্যাস থাকলেও "একরাত্রি" উপন্যাসটি আমার তৃতীয় পড়া। এর আগে দু'টি উপন্যাস পড়েছিলাম, যতগুলো পড়েছি সবগুলোই চমৎকার ও প্রসংশানীয়। লেখক এর লেখনীর সাথে অনেকটা পরিচিত হওয়া উপন্যাসটি দ্রুত শেষ করতে সাহায্য করেছে৷ দীর্ঘদিন পর অসাধারণ একটি বই শেষ করতে পেরেছি, বইটি কাহিনি পড়ে বার বার কেন জানি মনে হলো। শেষ হয়ে হইলো না শেষ। এই বইটি পড়ার সময় আমার বাড়াবাড়ি ধরণের ঘোর কাজ করেছে, বইয়ের লেখাগুলো ছাড়া আর কিছুই চোখের সামনে দেখিনি। কত সূক্ষ্মভাবে লেখক জীবনের অনেক কঠিন জিনিস সহজভাবে তুলে এনেছেন! ঈর্ষানুভূতি এক্ষেত্রে তসলিমা ও তাহসানের সম্পর্কে ভারসাম্যহীনতা নিয়ে এসেছে। তসলিমার মাত্রাহীন পরশ্রীকাতরতার কারণে তার মধ্যে বাস্তববোধ কাজ করে নি। লেখক এক প্রর্যায়ে শিশিরের মাধ্যমে 'জিন' তাড়ানো ঘটনাটি মাধ্যমে তসলিমার মনে ভালোবাসা, আবেগ উপস্থাপন করেছেন সেটা ছিল অতুলনীয়। শেষমেশ কণিক্ষার চিঠি দিয়ে গল্পটা শেষ করেছেন, এতে বইয়ের লিখার প্রতি আরো আগ্রহ জন্মেছে৷ একটি স্বার্থক উপন্যাসের জন্যে যা যা দরকার, তার সবই আছে এই বইটিতে। গল্পের পেস আমার কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়েছে। সবমিলিয়ে পাঠক হৃদয়ে মুগ্ধকর জাগানিয়া উপন্যাস হিসেবে স্থান পাবে। #কিছু_কথাঃ বইটি পড়তে গিয়ে মাঝেমধ্যে আমার বেশ বিরক্ত লেগেছে৷ যার প্রথম কারণ অতিরিক্ত বানান ভুল হওয়া। একদম সহজ সরল শব্দে এতো ভুল থাকতে পারে সেটা ভাবিনি। প্রায় প্রতিটি পৃষ্ঠায় বলতে গেলে বানানে ত্রুটি ছিল, যা চোখে লাগার মতো।যেমন (ছিলো- ছিল, করো- কোরো, গেছো-গেছ, আচ্ছা- আচ্চা) ইত্যাদি। এছাড়া বাংলা উপন্যাসের ভেতর বারবার ইংলিশ লেখাটা আমার পছন্দ হয়নি। সংলাপের ভেতরে থাকাটা মেনে নেয়া গেলেও বর্ণনায় ইংরেজি শব্দ বা বাক্যের ব্যবহার দূষণীয়।ঝালমুড়িওয়ালা কিশোরের মুখে নোটেড ফর নেক্সট টাইম, ডিসকারেজ, মাই ফল্ট, নো এক্সচেঞ্জ টু মি এই ইংরেজি সংলাপগুলো বেমানান লেগেছে। এসব ত্রুটিগুলো কারণে বইটার প্রতি ভালোলাগাটা একটু হলেও কমে গিয়েছিল। এগুলো প্রতি লেখক, প্রুফরিডার ও প্রকাশনীর সর্তকতার প্রয়োজন ছিল। আশা রাখি পরবর্তী মুদ্রনে তা সংশোধন হবে। পছন্দের লাইন: "মানুষের জীবনে প্রতিটি মুহূর্তই ক্ষিণিকের। কোনো মুহূর্তই ধরে রাখা যায় না। মুহুর্তগুলো মুহুর্তেই অতীত হয়ে যায়।" লেখাপড়া করেও মানুষ অশিক্ষিত থেকে যায়।আবার লেখাপড়া না করেও শিক্ষিত হওয়া যায়। যে ভালোমন্দ বিচার করতে পারে,যে মানুষের কল্যাণ কামনা করতে পারে, সে-ই শিক্ষিত। " "মানুষ যখন অশান্তির সাগরে ভাসতে থাকে,তখন সে কারণে অকারণে কথা বলতে চায়।""
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"তিন রাগিণী" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: