10th Published, Dec 2022.
তেতুল বনে জোছনা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | তেতুল বনে জোছনা |
| Author | হুমায়ূন আহমেদ |
| Publisher | অন্যপ্রকাশ |
| Edition | 10th Published, Dec 2022. |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 136 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.33 Kg |
| ISBN | 98481601461 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
88 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
880****357 , Aug 3, 2026
"awesome"
Md. Nazmus Sakib , Jun 25, 2026
"Good!"
Era Rubaiyat , May 1, 2026
"দারুণ 🌱"
Fatin Nihan , Mar 10, 2026
"অসম্ভব সুন্দর একটি বই।"
Nirjor , Dec 24, 2025
"🖤"
Nusrat Jahan Suha , Nov 24, 2025
"খুব ছোটবেলায় পড়েছিলাম প্রথম।পরে সে বইটি হারিয়ে যায়।পরে আবার কিনি প্রগতি থেকে।ছোটবেলায় আনিসের দাওয়াত খাওয়ার পার্টগুলো ভালো লাগতো।আর,শ্লোকগুলো।নবনী আর আনিসের সম্পর্কটা ভাবলে কষ্ট লাগতো।বুঝতাম না।আর ইমাম সাহেবের বিষয়টা নিয়ে কি বলবো ভেবে পাচ্ছি না।আর মতি।তার বানানো রেসিপি।সব মিলিয়ে রিভিউ লিখতে গিয়ে পড়ার সময়ের স্মৃতি মনে পড়ছে।"
SharearIslam Rifat , Aug 31, 2025
"Good one"
Niloy Karmakar , Mar 17, 2025
"খুবই ভালো একটা উপন্যাস। আপনারা যারা এখনো বই টি পড়েন নি। অবশ্যই বই পড়েন।"
sayed 71 , Feb 27, 2025
"কাহিনীটা খুবি স্বাভাবিক আর অনুনেয়ক কিন্তু হুমায়ূন সারের লেখার ধরণি আকৃষ্ট করবে পাঠককে"
880****996 , Apr 24, 2024
"হুমায়ূন আহম্মেদ সাধারণত ইন্ডিং দেন না। আমি নিশ্চিত এই ব্যপারটা হুমায়ূন ভক্তরা দারুণ উপভোগ করেন। "তেতুল বনে জোছনা " বইটার ইন্ডিং টা অসাধারণ ছিলো৷ বইয়ের শেষ পৃষ্ঠাটা পড়ার আগ পর্যন্তও খুনাক্ষরেও ভাবতে পারি নাই শেষটা এতোটা সুন্দর হবে৷ একদম শেষে গিয়ে টুইষ্টটা মনে গেঁথে যাবার মতো। ভেবেই রেখেছিলাম নবনী আনিসকে ছেড়ে চলে যাবে, এরকম একটা হার্ডব্রেকিং শেষের জন্য যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম তখনই গল্পের টুইষ্ট হয়ে নবনীর চিঠিটা পড়া শুরু করেন আনিস। . চিঠিটার ক্ষুদ্রাংশ..... "আমি ঢাকায় আসার সময় ট্রেনে উঠেছি, দেখলাম তুমি অন্যদিকে তাকিয়ে আছো। একবারও আমার দিকে তাকাচ্ছো না, আমি প্রথমে ভাবলাম রাগ করে তাকাচ্ছো না.! তারপর হঠাৎ দেখি তোমার চোখ ভর্তি পানি ; আমার কি যে আনন্দ হলো! তখন ভাবলাম কিছুদিন তোমাকে কষ্ট দিয়ে দেখি৷ আনন্দকে তীব্র করার জন্য কষ্টের প্রয়োজন আছে.. তাই না? ডাক্তার সাহেব তুমি আমার জন্য দু’ফোটা চোখের জল ফেলছো, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিবো " বই দিবসে অসাধারণ একটা বই পড়ার আনন্দ উপলব্ধি করছি 🖤 📚পার্সোনাল রেটিং - ৫/৫💥"
farzana , Nov 23, 2023
"#আড্ডাখানায়_প্রগতি #রিভিউ_২০২৩ "ডাক্তার সাহেব, তুমি আমার জন্যে দু’ফোঁটা চোখের জল ফেলেছ–তার প্রতিদানে আমি ‘জনম জনম কাঁদিব।" তেঁতুল বনে জোছনা ঘনিয়ে এসেছে নাকি নিরব রাতেরা মনকে স্বান্তনা দিচ্ছে, ভালো কিছু ভাবাচ্ছে? গল্পটা কিছু ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রের। তাঁরা এক হয়ে মিশেছে এক গ্ৰামে। আছে এক ডাক্তার, যাকে সবাই সাইকেল ডাক্তার নামেই চেনে। আর আছে সুযোগ সন্ধানী, নেশাখোর মানুষ যে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজেই আছে। গ্ৰামের চেয়ারম্যানের কথাও আছে। আছেন এক ধর্মপ্রাণ ইমাম সাহেব। গ্ৰামের প্রকৃতির সান্নিধ্যে এখানে অনুভব করা যাবে কিছু জীবনের গল্প। থাকবে কিছু অন্যায়ের চরিত্র, কিছু করুন কথা। সব মিলেমিশে একাকার হয়ে তেঁতুল বনে জোছনা নামে। দূর আকাশের তারাগুলো রাতের বেলায় জ্বলতে থাকে নিভৃতেই। এখানে জীবনটা শহরের মতো আধুনিক নয় তবুও সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত রকমের ভালো লাগা কাজ করবে। তাহলে শুরু করা যাক গল্পটা। মতির বয়স ত্ৰিশ। ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়াশোনা। বিরাটনগরে তার একটা চালাঘর আছে। তবু রাতে সে ঘুমায় নান্দাইল রোড ইষ্টিশনে। একই সঙ্গে সে নানান কাজকর্ম করে, আবার কিছুই করে না। মাঝে মধ্যে কুলির কাজ করে। যাত্রীদের মালামাল নামায়। কিছুদিন গ্রামে এসে থাকে। ঘরামীর কাজ করে। শীতের সিজনে মুড়ি নাড়ু বানিয়ে ট্রেনে করে বিক্রি করতে চলে যায়–গৌরীপুর,মোহনগঞ্জ। কিছুদিন হলো–সে জ্বরের একটা বড়ি বানানোর চেষ্টা করছে। লালু ফকিরের কাছ থেকে ফর্মুলা জোগাড় হয়েছে। ফর্মুলা মতো বড়ি বানিয়ে রোদে শুকাতে দেবার সময় গণ্ডগোলটা হচ্ছে। একটু শুকালেই বড়ি পাউডারের মতো হয়ে যাচ্ছে। নান্দাইল রোড ৰাজারের একটা মেয়ে মানুষের কাছে তার যাতায়াত আছে। মেয়ে মানুষটার নাম মর্জিনা। এই মেয়ের খাওয়া খাদ্য খুব পছন্দ। সবসময় তার মুখে কিছু না কিছু আছে। মতি ঝড়ে মরে যাওয়া একটা পাখি তাঁর জন্য রান্না করে নিয়ে আসে। মর্জিনা জানতে পেরেছে খাবার পরে।বারান্দা থেকে গজগজ করছে তুই তোকারি করছে। হারামজাদি মরা পাখি শুধু দেখল। মরা পাখির পিছনের ভালোবাসাটা দেখল না? মতি চলে যায়। বিরাটনগর কমিউনিটি হেলথ কমপ্লেক্সের ডাক্তার সাহেব অতি ভালো মানুষ। অতি সজ্জন। নিজ থেকে আগবাড়িয়ে সবার সঙ্গে কথা বলেন। ডাক্তার হিসেবে এক নম্বরেরও ওপরে। কোনো রোগীর বাড়িতে গিয়ে একবার শুধু যদি সাইকেলের ঘণ্টা দেয় তাহলেই ঘটনা ঘটে যায়। ঘন্টার শব্দ শুনে রুগি বিছানায় উঠে বসে বলে, মুরগির সালুন দিয়ে ভাত খাব। আগের যে দু’জন ডাক্তার ছিল তারা দু’জনই ছিল খচ্চর ধরনের। বর্তমান ডাক্তার সাহেবের নাম আনিসুর রহমান ঠাকুর। মুসলমানের নামের শেষে ঠাকুর থাকবে কেন কে জানে! মাগড়া খালের পাশে সুন্দর বসার ব্যবস্থা আছে। জনৈক বিধুভুষণ চক্রবর্তীর বানানো গোলাকৃতি ঘর। যে ঘরের মেঝে, শ্বেতপাথরে বাঁধানো। ডাক্তারকে প্রায়শই সেখানে বসে থাকতে দেখা যায়। গ্ৰামের লোক মাঝে মাঝে দেখে ডাক্তারকে পাগলাও ভেবে বসে। স্ত্রী নবনী থাকে ঢাকায়। ইউনিভার্সিটির ছুটি থাকলে মাঝে মাঝে বেড়াতে আসে এখানে। নবনীর কথা আনিসের প্রায়শই মনে পড়ে ওর চিঠি পড়লে। গ্ৰামের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন খাঁ মানুষটা তেমন সুবিধার নয়। অন্যায় করতে তাঁর তেমন কষ্ট হয় না। তিনি অনায়েসেই করে ফেলতে পারেন। গলা অবধি মদ খেয়ে মাতাল হয়ে থাকেন প্রায় সময়। আনিসকে অবশ্য খাতির করেন। নিজের এক ভাগ্নীর জন্য আনিসকে পাত্র খোঁজার ভার দেন। নবনীর খোঁজখবর ও নেন আনিসের থেকে। জুম্মাঘরের ইমাম সাহেব মানুষটা বেশ ভালো। আনিসের সাথে দেখা হলেই মিষ্টি করে সালাম দিয়ে কথা বলেন। মানুষটাকে দেখলেই শ্রদ্ধা আসে মনে। এই লোকের মত দু চারটে ভালো মানুষ থাকলে মন্দ নয় আসলেই। যেখানে চেয়ারম্যানের মতো বদ লোক আছে, ইমাম সাহেবদের দরকার সেখানে। নবনী থাকে ঢাকায়। আনিসের কাছে কালেভদ্রে বেড়াতে যায়। আনিস বিরাটনগর গ্ৰামে ডাক্তার হিসেবে কতটা সম্মান কুড়িয়েছে নবনী বোঝে। নিজের মধ্যে একটা সমস্যা আছে ওঁর। প্রায়শই ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন দেখে। ভীষণ রকম নিজের ইচ্ছায় চলা মেয়ে। কারো মতামত খুব একটা আমলে নেয় না। মাঝে মাঝে তাঁর মনে হয় আনিসকে কী আসলেই সে ভালোবাসে? নবনী এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। আনিসের জীবনের সাথে জড়িয়ে থাকা এই চরিত্রগুলো সাথে তাঁর বিরাটনগরের কাজ। জীবনের এই সময়গুলো মন্দ যাচ্ছে না। মতির সাথে মাঝে মাঝে দেখা হয়, সে চোরের মত পালায়। চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন খাঁ ইমাম সাহেবের এক ভয়ানক অপরাধ খুঁজে পেয়েছেন, শাস্তিও ভেবেছেন তার চেয়েও ভয়ানক। বেচারা ইমাম সাহেবের কী হবে ভেবে আনিসের মন খারাপ হয়। নবনী এসেও কেমন যেন ব্যবহার করছে এবার। সে কী এই সম্পর্কের থেকে মুক্তি চায়? আনিস কী নবনীকে ভালো রাখতে পারেনি? তাঁদের মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে নাকি আদৌ ভালোবাসা আছে আনিস বুঝতে পারছে না কী হবে শেষ পরিণতি। //পাঠ প্রতিক্রিয়া: হুমায়ূন আহমেদের "তেঁতুল বনে জোছনা" বইয়ের নাম যদি আনিস রাখা হয় তাহলেও কিন্তু একদিক থেকে ভুল হবে না। কারণ আনিসের জীবনের সাথে জড়িয়ে থাকা চরিত্রগুলো, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ নিয়ে হুমায়ুন আহমেদ যেভাবে কাহিনী এগিয়েছেন তাতে আসলেই মুগ্ধ হতে হয়। আনিসকে কেন্দ্র করে তাঁর আশেপাশের মানুষগুলোর কথা, বিরাটনগরের কথা তুলে ধরেছেন সাথে আছে নবনীর সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন। কাহিনী বিন্যাস এবং চরিত্রায়ন এই উপন্যাসের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক। প্রতিটি চরিত্র আলাদা আলাদা ভাবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে যেমন নেশাখোর, চোর মতিকেও কিছুদিক থেকে পাঠকের পছন্দ হবে তেমনি চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন খাঁ এর অন্যায় তাঁর প্রতি ঘৃণার উদ্রেক ঘটাবে। নবনী এবং আনিসের কথা ভালো লাগবে অন্যরকম ভাবে। একদিকে শঙ্কা থাকবে, অন্যদিকে পাঠকের মন কামনা করবে তাঁদের মিষ্টি মধুর প্রণয়। গল্পটা ঠিক কোনদিকে যাবে জানতে হলে পড়তে হবে একদম শেষ পর্যন্ত। হুমায়ূন আহমেদের সাবলীল লেখনী স্বস্তি দেয় বরাবর এবং তাই যেন কোনো চেনা গল্পের মতো তরতর করে এগিয়ে চলেছিলাম গল্পে। এবং প্রতিবারের মতো হতাশ হতে হয়নি এই চমৎকার বইটির সাথে। বইটি আমি বলা যায় দুই থেকে তিনবার পড়েছি। মাঝে মাঝে মন খারাপে কাজে দেয় পরিচিত বইয়ের পাতা। ▪️বই : তেতুল বনে জোছনা ▪️লেখক: হুমায়ূন আহমেদ ▪️প্রকাশনী : অন্যপ্রকাশ ▪️পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৩৬ ▪️মুদ্রিত মূল্য : ৩৫০ টাকা ▪️ব্যক্তিগত রেটিং : ৪.৭/৫"
KM Bakhtiar Uddin Bishal , Jan 18, 2023
"সেরা গুলোর একটা 🖤"
Manna Chakraborty , Aug 29, 2022
"good"
MH Kanok , Jul 19, 2022
"আমার পড়া সবচেয়ে ভালো লাগা বই হুমায়ন স্যারের এইটা"
Sheikh Tanjid , May 22, 2022
"It was too good"
masood , Apr 6, 2022
"আমরা সাধারণত ভালোবাসাকে বুঝি প্রিয় মানুষের উপস্থিতি নিয়ে বসবাস কিন্তু আমরা ভুলে যাই এই উপস্থিতির মাঝে সম্পর্কের টানা পোরনের বসবাসে ভালোবাসা প্রসফুটিত হয় না। কিছু ভালোবাসা প্রিয় মানুষটা ভালো থাকার মাঝে ভালোবাসা মনের মধ্যে আন্দোলিত হয়ে থাকে।।।।নবনী শেষ বাক্যে বলেছিল, সিদ্ধান্ত টা নেওয়ার পর দুঃস্বপ্ন টা বন্ধ হয়ে গেছে। অবশ্যই তুমি এমন টা চাও না। তোমার সাথে থেকে আমি সারা জীবন দুঃস্বপ্ন দেখে কেটে যায়।।।"
মো;জোবাইদুল আল হাসনাত , Feb 12, 2022
"তুমি আমার জন্য দু' ফোটা চোখের জল ফেলেছ— তার প্রতিদানে আমি "জনম জনম কাঁদিব"। -তেতুল বনে জোছনা"
মি. আহমেদ , Jan 16, 2022
"সবচাইতে পছন্দের একটি বই।"
Shuvro B. Sharif , Dec 5, 2021
"good"
Md.Istiak Jaman Akanda , May 31, 2021
"best"
Md. Shohag , May 20, 2021
"পড়া শুরু করার পর শেষ না করে উঠা কঠিন।"
Rakib Hasan , Apr 23, 2021
"best book"
Ahmed Nobel , Apr 21, 2021
"Nothing to say"
Abu Yousuf Akash , Apr 15, 2021
"গ্রামের নাম বিরাটনগর। বিরাটনগর আসলে এমন একটা অঞ্চল যেখানে চোর-বাটপার ছাড়া ভালো মানুষ বেশীদিন টিকে না।তবে এই এলাকার বর্তমান ডাক্তার সাহেব অতিরিক্ত ভালো মানুষ।গ্রামের চোর থেকে শুরু করে চেয়ারম্যান পর্যন্ত প্রায় সবাই তাকে খুব ভালোবাসে,স্নেহ করে।ডাক্তার সাহেবের নাম আনিসুর রহমান ঠাকুর হলেও সবাই তাকে সাইকেল ডাক্তার নামেই সম্বোধন করে।গ্রামের সবার ধারণা সে সাইকেল চালিয়ে যে বাড়ির রোগী দেখতে যায় তার সাইকেলের শব্দে আজরাইল বিরক্ত হয় বলে সেই মানুষের জান-কবজ করে না।তবে সাইকেল ডাক্তার ডাকার একটা যুক্তিযুক্ত কারণ থাকলেও মুসলমানের নামের পাশে ঠাকুর থাকার যুক্তিযুক্ত কোনো কারন পাওয়া যায়নি। বিরাটনগর অঞ্চলের চেয়ারম্যান জহির খাঁ ইমাম সাহেবকে একটি দোষের জন্য শাস্তি দিলেও ইমাম সাহেব ছিলো একেবারেই নির্দোষ আর সে অকারণ অপমান সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে আর এই বিষয়ে বিভিন্ন ঘটনা নিয়েই এগিয়ে যেতে থাকে গল্প। অন্যদিকে ডাক্তার সাহেবের স্ত্রী নবনীর সঙ্গে খুবই আকস্মিক ঘটনা থেকে দুজনের পরিচয়।আর আনিসের মায়ের আগ্রহেই শেষ পর্যন্ত বিয়েটা হয় তাই তাদের বিয়েটা প্রেমের বিয়ে এটা বলা চলে না।তবে দুজনের জীবনধারায় কোনো প্রকার মিল না থাকায় এবং সম্পর্কের রসায়নে খুব সূক্ষ্ম কিছু সমস্যার কারনে তাদের দুজনের সম্পর্ক তেমন একটা জমাট বাঁধেনি।এজন্য নবনী তাদের সম্পর্ক নিয়ে হুট করেই একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে বলে আনিসকে জানায়।তাহলে ডাক্তার সাহেব তুমি আমার জন্যে দু'ফোটা চোখের জল ফেলেছ।তার প্রতিদানে আমি "জনম জনম কাঁদিব" -নবনী এই কথা কেন বলে?? আর কি হয় শেষ পরিণতি?? জানতে চাইলে এখুনি পড়ে ফেলুন কথার জাদুকরের লেখা অসম্ভব সুন্দর এই বইটি। #পাঠ_প্রতিক্রিয়াঃ গ্রাম অঞ্চলের বর্ননা নিয়ে বিস্তারিতভাবে লেখা দারুন চমকপ্রদ একটা বই।চমকপ্রদ বলার কারণ শেষটা পড়লেই বুঝতে পারবেন।প্রথম দিকে কিছুটা বিরক্ত লাগলেও শেষটা পড়ে এক অসাধারণ তৃপ্তি অনুভব করবেন।তাই তৃপ্তিকর বইটি পড়ার জন্য আহবান রইলো।পুরো বইটাই বেশ ভালো লাগার তার মাঝে প্রিয় কিছু লাইনঃ **ভালোবাসার মানুষকে আদর করে তুই তোকারি করা যায় তাতে দোষ হয় না,কিন্তু গালাগালি করে তুই তোকারি করা যায় না। **মন ভালো থাকা অবস্থায় ছোটখাটো কিছু অপ্রিয় কাজ করে ফেলা যায়।তেমন খারাপ লাগে না। **মানুষের সঙ্গ মাঝেমাঝে ওষুধের চেয়েও অনেক বেশী কার্যকর। **আল্লাহপাক এত সহজে রাগ করেন না।কিন্তু মানুষ রাগ করে।আমরা এমন যে মানুষের রাগটাকেই বেশী ভয় পাই। **মৃত্যু এক দিক দিয়ে ভালো -যাবতীয় যন্ত্রণার অবসান। **মাঝেমাঝে মিথ্যা বলাটা অপরাধ না। **কুকুর এবং কাক মানুষের খুব কাছাকাছি বাস করে।এরা মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে চায়। **প্রাণী হিসেবে মানুষ খুবই অদ্ভুত।কোনো প্রানীই তার স্বজাতিকে হত্যা করে না।শুধু মানুষ করে। **আনন্দকে তীব্র করার জন্য কষ্টের প্রয়োজন আছে। **যখন আমি কোনো গান বা কবিতা লিখি তখন সেটা থাকে আমার। শুধুই আমার।যখন তুমি সেটা পড় বা গুনগুন করে গানটা গাও তখন সেটা সম্পূর্ণই তোমার।সন্তান জন্ম দেই আমি কিন্তু দত্তক দিয়ে দেওয়া হয় তোমাদের।"
Sahriar Sourov , Mar 29, 2021
"চমৎকার একটা বই!"
Murad Mahmud , Feb 9, 2021
"অনেক ভাল বই"
Sabuj Morol , Sep 20, 2020
"বইয়ের নামঃ তেতুল বনে জোছনা। লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ "ডাক্তার সাহেব, তুমি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছো, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব।" "প্রাণী হিসেবে মানুষ খুবই অদ্ভুত। কোনো প্রাণীই, তার স্বজাতিকে হত্যা করে না। শুধু মানুষ করে।" "আনিস, পেশায় একজন ডাক্তার। তিনি বিবাহিত হলেও, কর্মস্থানের জন্য বিরাটনগরে থাকেন। বিরাটনগর গ্রামে সাইকেল নিয়ে রোগী দেখতে যায় বলে, গ্রামবাসীদের কাছে সাইকেল ডাক্তার নামেই পরিচিত। ডাক্তারের সাইকেলের শব্দ শোনার সাথে সাথেই, রোগী বিছানায় উঠে বসে বলে, মুরগির সালুন দিয়ে ভাত খামু। গ্রামের সবার কাছেই তিনি প্রিয় ব্যক্তি। নবনী, আনিসের স্ত্রী। ইউনিভার্সিটিতে পড়েন, কাকতালীয় ভাবেই তাদের পরিচয় এরপর বিয়ে। ইদানীং সে প্রায় রাতেই দুঃস্বপ্ন দেখে। নবনী সিদ্ধান্ত নিলো সাইকিয়াট্রিস্ট কাছে যাবে, এবং নবনী সব কিছু খুলে বলবে। পরে সাইকিয়াট্রিস্ট ধারণা হলো আনিসকে নবনী মেনে নিতে পারছে না, তাই জন্যেই দুঃস্বপ্ন দেখছে। ইয়াকুব মোল্লা, পেশায় একজন ইমাম। তিনি কোনো অপরাধ না করা স্বত্বেও মিথ্যা অপবাদে চেয়ারম্যান সাহেব উলঙ্গ করে মাঠে চক্কর দেয়া হয়। এই অপমান সহ্য না করে সেই রাতেই তেতুল গাছে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। জহির খাঁ, বিরাটনগরের চেয়ারম্যান, তিনি কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারেন না তার সমতুল্য কেউ হোক। আজিজ মিয়ার ছেলে কুয়েত পাঠিয়ে, বিভিন্ন ব্যবসা করে ভালোই টাকা আয় করেছেন। এটা দেখে তার হিংসা হতো। মতি, মতি মিয়া মাঝে মাঝে চুরি করে। তিনি আনিস ডাক্তারের এপিএস হিসাবেও থাকেন, মতির যখন টাকা প্রয়োজন হয়, তখনই চুরি করেন, সে মাঝে মাঝে ইস্টিশন পাশে থাকা মর্জিনার কাছেও রাত কাটায়। সে মর্জিনার নাকফুল চুরি করে কুড়ি টাকা বিক্রয় করে উপহার নিয়ে আসেন। এমন কি ডাক্তারের সাইকেলও চুরি করেন। "তেতুল বনে জোছনা" এমন একটি উপন্যাস যা আপনাকে এমন ভাবে আঁকড়ে ধরবে, শেষ না করা পযন্ত ছাড়বে না। বিশ্বাস না হলে পড়ে দেখতে পারেন?"
Jobayed Hossen Ratul , Aug 31, 2020
"হুমায়ুন আহমেদের লেখা মানে এককথায় মারাত্মক। তেতুল বনে জোছনা ঠিক একই খুবই ভালো একটি বই!সকলকে পড়ার অনুরোধ রইলো"
Khairuzzaman , Aug 15, 2020
"বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখাঃ মাঝে মাঝে আমার খুব কবিতা লিখতে ইচ্ছা করে। তখন কাগজ কলম নিয়ে বসি এবং খুব আয়োজন করে কবিতার একটা নাম ঠিক করি। ব্যাগ এই পর্যন্তই। কবিতার শিরোনাম লেখা হয় কবিতা আর লেখা হয় না। বুদ্ধিমান পাঠক আশা করি এর মধ্যেই ধরে ফেলেছেন যে “তেতুল বনে জোছনা” আসলে আমার একটা কবিতার নাম। যে কবিতা লেখা হয় নি, এবং কখনো লেখা হবে না। কেউ যদি প্রশ্ন করেন-“এই নামের অর্থ কি? তেতুল বনে জোছনা কি আলাদা কিছু?” তাহলে আমি বিপদে পড়ে যাব। আসলেইতো এর কোনো অর্থ কি আছে? প্রশ্নটাকে এখন আলোর অর্থ কি? বর্ষার মেঘমালার অর্থ কি ? যে অনন্ত নক্ষত্র বীথি আমাদের ঘিরে রেখেছে তার অর্থ কি আচ্ছা আমরা কি অর্থহীন একটা জগতে বাস করে জীবনে অর্থ অনুসন্ধান করছি না? কেন করছি? সার-সংক্ষেপঃ গ্রামের নাম বিরাটনগর। নামের মত এই গ্রামে ঘটে যাওয়া যে কোন ছোট ঘটনাও বেশ বড় আকারে রটায়। গল্পের মূল চরিত্র বলতে আছেন একজন ডাক্তার। নাম আনিস। গ্রামের যেকোন মানুষের রোগে শোকে সে এগিয়ে যায়। গ্রামের মানুষ তাই তাকে বিশ্বাসও করে খুব। অন্যদিকে এই ডাক্তারের কিছু একনিষ্ট ভক্তদের মধ্যে থাকে চোর মতি মিয়া। পেশায় চোর হলেও সে ডাক্তারকে খুব ভালোবাসে। গল্পে আরও একজন চরিত্র আছে। তিনি পেশায় ইমাম। একদিন একটি অদ্ভুত কারণে ইমাম তার বাড়ির পাশের তেতুল গাছে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরবর্তিতে এই আত্মহত্যাকে নিয়েই ঘটে যায় কিছু অদ্ভুত ঘটনা। গুজব রটে, ইমামের আত্মা নাকি রাতে রাস্তা ঘাটে বিচরণ করে আর মানুষদের ভয় দেখায়। অন্যদিকে চেয়ারম্যান জহির খাঁ’র কাছে সুবিচারের জন্য আসে ইমামের মেয়ে। চেয়ারম্যান তাকে আশ্বস্ত করেন। ঢাকা থেকে ডাক্তার আনিসের বৌ নবনী আসে তার একটি কঠিন সিদ্ধান্তের কথা জানাতে। কিন্তু কোনভাবেই যেন সে বলতে পারে না তার মনের কথা। এভাবেই বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে এগিয়ে চলে উপন্যাসের গল্প."
মোহাম্মদ শাকিল ভূইয়া , Jul 12, 2020
"তেতুল বনের জোছনা হুমায়ুন আহমেদ তেতুল বনের জোছনা আমার পড়া প্রিয় বইগুলোর মধ্যে একটি। উপন্যাস টিতে সমাজের বিভিন্ন দিক ফুটে ওঠেছে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
4 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি এর পেজ কত??
এটি কি প্রকাশিত হয়েছে?
বইটি কি হার্ডকভার?
Available kokhon Hobe?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"তেতুল বনে জোছনা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: