১ম প্রকাশ, ২০১৯
তালাকপ্রাপ্তা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | তালাকপ্রাপ্তা |
| Author | ইকবাল খন্দকার |
| Publisher | বর্ষাদুপুর |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 128 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.27 Kg |
| ISBN | 9789849404538 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
MD. SOHEL RANA , Oct 8, 2020
"Bad book don't buy"
Harun-Ar-Rashid , Jun 6, 2019
"♦♦রিভিউ♦♦ বইঃ তালাকপ্রাপ্তা লেখকঃ ইকবাল খন্দকার প্রকাশকঃ বর্ষা দুপর প্রকাশকালঃ বইমেলা ২০১৯ বইয়ের ধরণঃ উপন্যাস পৃষ্টাঃ ১২৭ প্রচ্ছদঃ মামুন হোসাইন মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ টাকা ইকবাল খন্দকার। বাংলা সাহিত্যের এ সময়কার তরুণ ঔপন্যাসিক, রম্য লেখক ও টিভি উপস্থাপক। তাঁর হাতের ছোঁয়ায় বাংলা সাহিত্য আজ সমৃদ্ধ। এই গুণী লেখকের সবগুলো লেখার ভাঁজে ভাঁজে খোঁজে পাই মৌলিকতার স্বাদ। এই মানুষটিই শুধু পারে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে বেঁচে থাকার খোরাকগুলোকে শব্দের অপরিমেয় রূপসজ্জায় অপার সৌন্দর্য্য দান করতে। একবিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় এই কথা সাহিত্যেকের এক অভূতপূর্ব সৃষ্টি হচ্ছে "তালাকপ্রাপ্তা' উপন্যাসটি। ১২৭ পৃষ্টার এই বইয়ের ভাঁজে-ভাঁজে, পাতায় পাতায় বাংলা সাহিত্যের এক অন্যরকম অনুভূতির স্বাদ পাওয়া যায়। খোঁজ মেলে প্রকৃত আত্মার খোরাক। উপন্যাসটির মূল চরিত্রের নাম নাজমা। মাসুদ নামের মানুষটির সাথে 'কবুল' নামক একটি শব্দের সীমানাপ্রাচীরে বন্দি হওয়া নাজমা শারিরীক সম্পর্ক সচল রাখে সদ্য প্রাক্তন হওয়া প্রাণপুরুষ রাকিবের সাথে। এ সম্পর্ক এক ওয়াদার বেড়াজালে আবদ্ধ। এ কেমন ওয়াদা!!!! কি এমন রহস্য লুকিয়ে আছে এই ওয়াদায়? ওয়াদা পালনের প্রায়ঃশ্চিত্য করতে যেয়ে 'দুশ্চরিত্রা' উপাধি নিয়ে স্বামীর সংসার থেকে তালাকপ্রাপ্তা হয় নাজমা। তারপর এক দুর্বিসহ জীবন!!! যার শুরু আছে, শেষ নেই। হয়তোবা আছে, মৃত্যুতে। এক সময় সিদ্ধান্ত নেয় নাজমা এ জীবন আর রাখবেনা। ঝুলে পড়ে ফাঁসির দড়িতে। হায় নিয়তি!!!! জীবনের রঙ্গমঞ্চ থেকে ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে পালিয়ে বাঁচার নিস্ফল চেষ্টা ব্যর্থ হলো তার। অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় নাজমা। বেঁচে থেকেও যেন মৃত। একদিকে স্বামীর দুশ্চরিত্রা উপাধি তালাকপ্রাপ্তা হওয়া, অন্যদিকে সৃষ্টিকর্তার অপার মহিমায় এক ফোটা রক্ত পিন্ডের নিরবে বেড়ে উঠা। কিন্তু অনাগত এই সন্তানের বাবা কে? কার পরিচয়ে বড় হবে এই নিষ্পাপ শিশু। স্বামী মাসুদ, নাকি প্রেমিক রাকিবের? হতবিহ্বল নাজমার জীবনে আবারো নেমে আসে অমানিশার ঘোর অন্ধকার। নাজমার এই অংগার হওয়া জীবনে বাধ সাধে প্রতিক্রিয়াশীল আকন্দ বাড়ির লোকজন। সমাজ নামক এক অদ্ভূত নিয়তির দোহাই দিয়ে নাজমাকে গ্রাম ছাড়া করার অাপ্রাণ চেষ্টা। জীবন মৃত্যুর এই সন্ধিক্ষনে নাজমা পা বাড়ায় প্রতিক্রিয়াশীল এই সমাজের গন্ডি পেরিয়ে বাল্যবন্ধু তানিয়ার বাসায় এক বিভীষিকাময় শহুরে জীবনে। ওখানেও নিয়তির চরম প্রতিঘাত। যা ভেবেছিল, ঠিক তাই হলো। রাকিবের একটা ফোন আবারো বিরহের করুণ সুর বাজলো নাজমার এই ছন্নছাড়া জীবনে। নাজমা ফিরে এলো তার জন্মভিটায়। পিতৃালয়ে। সন্তান প্রসবের সময় হয় নাজমার। ডেকে আনা হলো সুদক্ষ দাই শেফালীর মাকে। এরই মধ্যে এক ভয়ংকর পরিকল্পনা হাতে নেয় অায়েশা। কে এই আয়েশা? কী সেই ভয়ংকর পরিকল্পনা? অবশেষে কি হয় নাজমার? কিংবা তার অবৈধ অনাগত সন্তানের? এরকম নানাবিধ রহস্যেঘেরা অজানা প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে অবশ্যই পড়তে পারেন "তালাকপ্রাপ্তা" উপন্যাসটি। আশা করছি আমার মতো আপনারাও এই উপন্যাসটির রন্ধ্রে রন্ধ্রে উপভোগ করবেন এক অনন্য পাঠকীয় স্বাদ। @ সত্যিকার অর্থে সমালোচনা করার মতো একটা শব্দও আমি এই বইটিতে খুঁজে পাই নি। তবে যেটুকু অমিল খুঁজে পেয়েছি তা হলো- প্রভাবশালী আকন্দবাড়ির লোকজনের হাত থেকে অনাগত সন্তান আর স্বীয় জীবন বাঁচাতে নাজমা আশ্রয় নিলো বাল্যবন্ধু তানিয়ার বাসায়। কোনো এক ঘটনাচক্রে সে আবার পিতৃালয়ে ফিরে এলো। এই ফিরে আসার একটু আগে তানিয়া দেখে এসেছিল নাজমা তার রুমে ঘুমাচ্ছে। নির্ঘুম রজনী পার করায় তানিয়াও নিজের রুমে চলে আসলো একটু ঘুমানোর প্রত্যাশায়। এমন সময় কলিং বেলের শব্দ হলো। তানিয়া আধো আধো ঘুম নিয়ে দরজা খুললো। দেখলো নাজমার বাবা এসেছে। বাবা নাজমার অবস্থান জানতে চাইলো। তানিয়ে নাজমাকে ডেকে আনতে তার রুমে গেলো। দেখলো নাজমা নেই। এখন প্রশ্ন হলো- ঘরের দরজা বন্ধ ছিল, নাজমার বাবার কলিংএর শব্দ পেয়ে তানিয়া দরজা খুলে দিলো। কিন্তু ভেতর থেকে দরজা বন্ধ থাকাবস্থায় নাজমার পালানোর বিষয়টা আমার কাছে একটু অসামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হয়েছে। তাছাড়া পুরো বইটিই ছিলো এক রহস্যে ঘেরা। পড়া শুরু করলে থামতে ইচ্ছে করবে না। শুভ কামনা এই বইটির জন্য। শুভ কামনা প্রিয় লেখক ইকবাল খন্দকারের জন্য। রেটিং ৫ঃ৫।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"তালাকপ্রাপ্তা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: