৭ম মুদ্রণ, ২০১৭
সূর্য তুমি সাথী
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সূর্য তুমি সাথী |
| Author | আহমদ ছফা |
| Publisher | স্টুডেন্ট ওয়েজ |
| Edition | ৭ম মুদ্রণ, ২০১৭ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 100 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.24 Kg |
| ISBN | 9789844066565 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
19 Ratings and 8 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৮টি
A S M Maruf , Mar 25, 2026
"এটি মূলত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বেড়াজাল ভেঙে বের হয়ে আসার গল্প, যেখানে মূল চরিত্র হাসিম তার শিকড় ও অস্তিত্বের সংকট নিয়ে লড়াই করে।"
Ashikur , May 19, 2022
"অসাধারণ।"
Mohammad Ibrahim khalil , Jan 1, 2022
"Best"
Faruk Ahmed , Jan 26, 2020
"বুক রিভিউ সূর্য তুমি সাথী-- আহমদ ছফা ** আহমদ ছফার প্রথম উপন্যাস ‘সূর্য তুমি সাথী’ মূলত ষাটের দশকের সমাজ ব্যবস্থার এক নিদারুণ প্রতিচ্ছবি। ব্রিটিশদের সময়কার জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হলেও তৎকালীন সমাজে জমিদারিত্বের প্রভাবে নিষ্পেষিত সমাজের করুণ বাস্তবতাকে সাহিত্যের ভাষায় শিল্পীয় রূপ দিয়েছেন সাহিত্যিক আহমদ ছফা। সমাজপতিদের নিষ্পেনের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে নিম্ন বিত্তরা কিভাবে ধীরে ধীরে মাটির সাথে মিশে যায় সেই নিদারুণ সত্যই আহমদ ছফা তুলে ধরেছেন তাঁর প্রথম উপন্যাসে। নিম্ন বিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্তদের শোষন করে সমাজপতিরা কিভাবে ফুলে ফেঁপে উঠে সেই ছবিও চিত্তায়িত হয়েছে আহমদ ছফার প্রথম উপন্যাসে। ধর্মীয় গোঁড়ামী এবং শিক্ষার অভাবের ফলে পিছিয়ে পড়া সমাজের এক বাস্তব চিত্র ‘সূর্য তুমি সাথী’ উপন্যাস। সমাজপতি ও শাসকশ্রেণী স্বার্থের জেরে দিনের আলোতে একে অন্যের বিরোধী হলেও স্বার্থের কারণেই পর্দার আঁড়ালে তারা সবাই এক, এই রূঢ় সত্যটি তুলে ধরে আহমদ ছফা বলেছেন “পূণিমায় চোরেরা যতই মারামারি কাটাকাটি করুক না কেন অমাবশ্যার জোতে তারা সকলে একজাত”। নিষ্পেষিত সমাজের পদদলে পিষ্ট হয়েও নির্যাতিতদের একটি প্রতবাদী শ্রেণী থাকে, যারা সুযোগ ফেলে সমাজের সকল অন্যায়-অবিচার ভেঙ্গ চুরমার করে দিতে চাই। সেই প্রতিবাদী শ্রেণীকেও আহমদ ছফা তাঁর প্রথম উপন্যাসে শিল্পীয় ভাষায় তুলে ধরেছেন। উপন্যাসটি ষাটের দশকের সমাজ ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে রচিত। বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা অনেকটা পরিবর্তন হলেও এই উপন্যাসের প্রতিচ্ছবি সমাজের প্রতিটি রন্দ্রে রন্দ্রে ভেসে উঠে ভিন্ন রূপে, ভিন্ন আঙ্গিকে। তাই কথাশিল্পী, ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিক হিসেবে আহমদ ছফা বেঁচে থাকবেন যুগের পর যুগ। ------ ফারুক আহমদ চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।"
piyas arnab , Jan 14, 2020
"প্রেক্ষাপট গ্রামের হলেও এই অবস্থান বিরাজমান আমাদের সমাজের প্রতিটি কোনে। ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে দূর্বলের উপর সবলের অত্যাচার সর্বত্র। গল্পটা এতটাই সাধারণ যে পাঠকের মনে হবে গল্পটা তার চেনা। প্রতিটা চরিত্র তার চেনা। আহমেদ ছফা এই জায়গাটাতে খুব দারুণভাবে সফল।"
jifat hossen babu , Oct 26, 2019
"আমি সব সময় ভুল সময়ে ভুল বই পড়ি... কয়েকদিন ধরে নানামুখী চাপে মন-মেজাজ বেশ ভাল রকমের বিক্ষিপ্ত এবং চড়া। এই সময় দরকার ছিল সুদিং কোনো বই। তা না, পড়ে বসলাম 'সূর্য তুমি সাথী'। 'সূর্য তুমি সাথী' উপন্যাসটি লেখা সেই মানুষগুলোর গল্প নিয়ে যাদের ভিতরটা জ্বলছে আগুনের মত। যন্ত্রণা যাদের ভেতরটা পুড়িয়ে দিয়ে নিঃশ্বাসের সাথে বের করে দেয় আগুনের স্ফুলিঙ্গ। বইটা পড়বার সময় মনে হচ্ছিল আমার নিঃশ্বাসও মনে হয় আগুনের মত গরম। জানি না নিজের পারিপার্শ্বিকতার ফলাফল ছিল সেটা নাকি লেখকের বর্ণনার কৃতিত্ব। জানি না, জানতে ইচ্ছা হচ্ছে না। তবে এটুকু না বললেই নয়। এই বইটি সাথে কিছুদিন আগে পড়া ইস্পাতের সাথে বেশ খানিকটা সাদৃশ্য বিদ্যমান। আসলে প্লট একই, কিন্তু একটির দৃশ্যপটে রয়েছে ইউক্রেন আর আরেকটিতে বাংলাদেশ, একটিতে পাভেলের সমস্ত জীবন, অন্যটিতে হাসিমের জীবনের কয়েকটি মাস, পাভেল নায়কোচিত, হাসিম খানিকটা ভিতু... কিন্তু দুটোতেই আছে শ্রেণী বৈষম্যের হাতে নিপীড়িত মানুষের দুঃখ গাঁথা, এক হবার বাসনা। তবে বিস্তারে অনেক পার্থক্য রয়েছে, ইস্পাতের পরিসর ছিল ব্যাপক, পটভূমিতে ছিল ঐতিহাসিক উত্থান, এতে তা নেই। কিন্ত এই বইটি পেয়েছে আহমেদ সফার বর্ণনার ঋদ্ধতা, যা ইস্পাতে ছিল না। যাই হোক, তুলনা কেন করছি!! তুলনা বাদ থাকুক। আগুন জ্বলা বইটির শেষ পর্যায়ে হাসন রাজার গান একটি গানের খানিকটা উদ্ধৃত করেছেন আহমেদ সফা, সেটিই না হয় মনে মনে গাইতে গাইতে ঘুমিয়ে পড়ি... “মাটির পিঞ্জরের মাঝে বন্দি হৈয়া রে কান্দে হাসন রাজার মন মনিয়ারে। পিঞ্জরের ভিতরে ময়না ছটফট ছটফট করে মজবুত পিঞ্জর ময়না ভাঙ্গিতে না পারে।” ইট ওয়াজ অ্যা ভেরি ব্যাড টাইমিং ফর রিডিং দিস বুক! [দীর্ঘশ্বাস]"
Ovi , Apr 11, 2019
"ছোটজাতের ছোটজাত হাসিম। পিতৃপ্রদত্ত নামখানা একরকম ভুলতে বসেছে। বান্যিয়ার পুত বলে ডাকে লোকে। তার এই নামকরণের পেছনে গভীর লজ্জা আর বেদনা লুকায়িত। পূর্বপুরুষ ছিল বনেদী হিন্দু। বাপ তার ভালবেসেছিল কাজী বাড়ির মেয়ে জরিনাকে। তার টানে উদাস হল, ঘর ছাড়ল, সবশেষে ধর্ম ত্যাগ করল। নগদ অর্থ আর স্বর্ণ তুলে দিল বাড়ির কাজের লোকের হাতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জরিনাকে পাওয়া হল না। পরিবর্তে বিয়ে হল ঐ বাড়িরই দাসীর সাথে। নির্মম মানসিক পীড়ায় পার করে দিল একটা জীবন। মরা মুখটা মাও দেখতে পেল না। মুসলমানের মরা দেখা যে পাপ। হোক না নিজের ছেলে। বাবার উপর খুব ক্ষোভ জন্মে হাসিমের মনে। কি দরকার ছিল এসব করে? যন্ত্রণা তো শুধু নিজে ভোগ করল না। উত্তরাধিকার সূত্রে দিয়ে গেল হাসিমকে। আজ লোকের কাছে সে করুণার পাত্র, ঘৃণার পাত্র। দুমুঠো খাবারের ব্যবস্থা করতেই যেখানে শরীরের রক্ত পানি করতে হয় সেখানে সাধ, আহ্লাদ বা আবেগের মূল্য কোথায়? স্ত্রী সুফিয়াকে নিয়ে তার ছোট্ট পৃথিবী। চাওয়া-পাওয়ার বালাই নেই। তবে এতটুকু বেঁচে থাকাকে টেনে নিতেই সমাজ সংসারে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে হয়। সমাজের উঁচুতলার মানুষেরা যেন হাসিমদের কৃপা করে ধন্য করে। তারা কাজ- কর্জ না দিলে চলবে কি করে তাদের? খলু ব্যাপারী, কাদের, কানা আফজলদের তো আর খাবার নিয়ে ভাবতে হয় না। তিন চার বছরের চিকন চাল মজুদ করে সালিশ আর দাঙ্গা হাঙ্গামা করে বাড়ায় সম্পত্তির পরিধি। খলু ব্যাপারীর হাতিয়ার ভাতিজি জোহরা। তাকে দুবার বিয়ে দিয়ে ছাড়িয়ে এনেছে। আর তার খোরপোষের বাহানায় জমি আদায় করে নিয়েছে পাত্রপক্ষ থেকে। এখন আবার খেলছে নতুন চাল। কাদিরও কম যায় না। আর সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে কানা অাফজল। এক সময়কার ফরমায়েশ খাটা লোকটি আজ গণ্যমান্য ব্যক্তি। তাদের সাথে সুদখোর অধরবাবুদেরও খাতির বিস্তর। ধর্মের সীমারেখা তাদের বেলায় অকেজো। ধর্মের দোহাই দিয়ে বড়মানুষেরা প্রতিনিয়ত ছোটলোকদের অবহেলা করে। তাদের পাপ- পুণ্যের হিসাব করে। হাসিম বাঁদীর ছেলে একথা তাকে ভুলতে দেয় না। বুড়ি দাদী রক্তের টানে লুকিয়ে চুরিয়ে নাতিকে দেখতে আসে। সে কেন ধর্ম কর্ম করে না এ নিয়ে মুরুব্বী গোছের লোক দু'কথা শুনিয়ে দেয়। জীবনের গঞ্জনা তাকে বিষিয়ে তোলে। এর মধ্যেই তার সাথে পরিচয় ঘটে অসাধারণ কিছু মানুষের সাথে। যাদের কাছে তার সামাজিক অবস্থান নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই। জাত-ধর্ম নিয়ে কোন বাছ-বিচার নেই। ওলাওঠায় গ্রাম যখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হবার পথে তখন তারা ঘুরে ঘুরে তাদের সেবা করে। মুসলমানদের কবর দেয়। হিন্দুদের সৎকার করে। নিজেকে নতুন করে চেনে হাসিম। মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় সে মানুষ। জীবনের আলোকিত পথ কি তাকে আলিঙ্গন করবে না সে আবার অন্ধ সমাজের অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবে?"
আকিল মোস্তফা , Jun 22, 2013
"its simple but strong in word, its the secret of our daily life in village which unveiled in a most artistic way of a novelist."
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সূর্য তুমি সাথী" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: