২৫তম সংস্করণ, ২০১৭
সূর্য দীঘল বাড়ী
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সূর্য দীঘল বাড়ী |
| Author | আবু ইসহাক |
| Publisher | নওরোজ সাহিত্য সম্ভার |
| Edition | ২৫তম সংস্করণ, ২০১৭ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 110 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.23 Kg |
| ISBN | 9789847021348 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
103 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
8801750924485 , Jul 13, 2026
"ভালো ছিল"
Dipak Karmoker , Jul 8, 2026
"মাস্ট রিড বুক।"
asl****com , Mar 27, 2026
"এক কথায় জীবনের কঠিন বাস্তবতা বর্ণিত হয়েছে।"
naw****com , Nov 17, 2025
"Montromugdho hoye chilam shesh obodhi. Shob cheye beshi pochonder uponnash."
Suja Atif Khan , Nov 14, 2025
"one of the best novels that has ever written in the history of bangla literature"
MD Mafuj Khan , May 23, 2025
"অসাধারণ একটি বই। আমাদের দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে আবু ইসহাকের পরিচয় তুলে ধরার সময় বলা ছিল, তার সূর্য দীঘল বাড়ি উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে অমূল্য সংযোজন। পড়ে পুঝলাম আসলেই কথাটা ১০০ ভাগ সত্য।"
Monir hossain , Mar 5, 2025
"আমার পড়া সেরা একটা বই!"
Toriqul Islam Leon , Oct 3, 2024
"কি সাবলীল! কি মায়া! কি নিদারুণ সত্য! ১০২ পেইজের কোথাও মনে হয় নি একটা লাইন এলোমেলো কিংবা অগোছালো। প্রতিটা লাইন গভীর এবং অর্থ বহন করে। দৈন্যতা ও নির্লিপ্ততা ফুটে উঠেছে প্রতিটা পেইজে। সূর্য দীঘল বাড়ির দিকে হাহাকার নিয়েই তাকিয়ে থাকতে হল শেষ পর্যন্ত। বাংলা ভাষাভাষী সকলের জন্য অবশ্য পাঠ্য।"
Eshrat Jahan Samiya , Dec 29, 2023
"#আড্ডাখানায়_প্রগতি #রিভিউ_২০২৩ বই: সূর্য দীঘল বাড়ি প্রারম্ভিক কথাঃ “ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময় পূর্নিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।” পেটের ক্ষুধা এমন এক তাড়না যা মানুষকে জীবনের বাস্তবতা শেখায়, কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি করে তোলে। আবু ইসহাকের কালজয়ী উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’, যেখানে উঠে এসেছে দুর্ভিক্ষের কথা,ক্ষুধার বিরুদ্ধে মানুষের যুদ্ধের কথা! গ্রামীণ জীবন, দরিদ্রতা, সামাজিক ও ধর্মীয় কুসংস্কার, সমাজকর্তাদের শোষণ-বঞ্চনার বিপরীতে এক নারীর সংগ্রামী মনোভাব, দৃঢ়তা, প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার লড়াইয়ের চিত্র সূক্ষ্মভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। প্রেক্ষাপটঃ ১৯৪৩ সাল বা বাংলা ১৩৫০ সালে চরম দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় এই বাংলায়। দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা গ্রাস করে ফেলে সহজ সরল মানুষদের, বরণ করতে হয় ভাগ্যের নির্মম পরিণতি। কেউ অস্তিত্ব রক্ষায় প্রাণপণে লড়াই করে যায় দুর্ভিক্ষের বিরুদ্ধে, আবার কেউবা কালস্রোতে বিলীন হয়ে যায় চিরদিনের জন্য। উপন্যাসটি চল্লিশ দশকের গ্রামীণ জীবনের আলোকে লেখা হয়েছে। দুর্ভিক্ষ পরবর্তী মানুষের জীবনযাপনের প্রতিচ্ছবি অঙ্কিত হয়েছে ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’-তে। কাহিনী সংক্ষেপঃ গ্রামের ঘর সাধারণত উত্তর-দক্ষিণ প্রসারী হয়ে থাকে। পূর্ব-পশ্চিম অর্থাৎ সূর্য উদয়াস্তলের দিক করে যে ঘর হয় তাকে বলা হয় ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’। কথিত আছে এ ধরনের ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’-তে মানুষ টিকতে পারে না, এখানে থাকলে অশুভ শক্তির প্রভাবে বংশ নির্বংশ হয়ে যায়। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র ‘জয়গুন’। জয়গুনের প্রথম স্বামী জব্বার মুন্সীর ঘরের এক ছেলে, নাম হাসু। জব্বার মুন্সীর মৃত্যুর পর জয়গুনের সাথে বিয়ে হয় করিম বক্সের। সেখানে রয়েছে মেয়ে মায়মুন ও শিশু পুত্র কাসু। কিন্তু আকালের সময় করিম কাসুকে নিজের কাছে রেখে, মেয়েসহ তাড়িয়ে দেয় জয়গুনকে। শহরের লঙ্গরখানায় গিয়ে প্রাণ বাঁচায় তারা। পরে জয়গুন ছেলে হাসু ও মেয়ে মায়মুনকে নিয়ে গ্রামে ফিরে আসে। তাদের সঙ্গী হয় মৃত ভাইয়ের সন্তান শফি ও তার মা। গ্রামে এসে আশ্রয় নেয় বাবার রেখে যাওয়া ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’-র ভিটেতে। যার সঙ্গে শির উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে লম্বা তালগাছ। এ সূর্য দীঘল বাড়িতে জিনের আছর আছে বলে গুজব বহকালের। বংশ নির্বংশ হওয়ার ভয় দেখাতে থাকে চারপাশের মানুষ। কিন্তু জয়গুন সহজে দমিত হয় না। কেননা, ভূতের ভয় পেয়ে স্থির হলে তো আর গরিবের পেট চলবে না! তাদের একমাত্র আশ্রয় যে এই সূর্য দীঘল বাড়ি। সূর্য দীঘল বাড়িকে কেন্দ্র করে গ্রামের ফকির ঝাড়-ফুক,তাবিজ করার জ্ঞান দেয়, জিনের আছর দূর করতে। এর বদলে সে চাল নেয়। এভাবে সে লোক ঠকিয়ে ধর্মের নামে ব্যবসা করে উপার্জন করে। জয়গুন মানুষের বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ নেয়। হাসু কুলিগিরি করে। কিন্তু এতে সংসারের দুরবস্থা কাটে না। তাই লালুর মায়ের কথায় বাড়তি আয়ের জন্য ময়মনসিংহ হতে চাল এনে বিক্রি করে। কিন্তু এতেই বাধে বিপত্তি। লোকচক্ষুর সামনে মেয়েমানুষ বেপর্দা হয়ে বাহিরে কাজ করবে, এতে ঘোরতর আপত্তি সবার! পেটের দায়ে জয়গুনের এহেন কাজে দোষ ধরে সকলে নানা কটুকথা বলতে আরম্ভ করে ঠিকই কিন্তু কেউ তার পরিবারের দিকে একমুঠো চাল পর্যন্ত এগিয়ে দেয় না, সংসারের অভাব ঘুচাতে সাহায্য করে না। এজন্য সে বুঝতে পারে, এ জীবনযুদ্ধটা তার একার, নিজ সন্তানদের নিয়ে বেঁচে থাকতে একাই লড়ে যেতে হবে। আর তাই জয়গুন লোকমুখের কথায় কান দেয় না, কাজ করে যায় আপন গতিতে। এদিকে শিশুপুত্র কাসুর জন্য জয়গুনের মাতৃহৃদয় হাহাকার করে। কাসুকে তার মায়ের কাছে যেতে দেয় না করিম বক্স। তাই সে চুপি চুপি ছেলেকে দেখতে যায়, এটা-সেটা পাঠায়। করিম বক্স তা টের পেলে গালমন্দ শুনতে হয়। একসময় কাসু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে নিয়ে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়ে করিম বক্স। কিশোরী মায়মুনের হাঁস ডিম পাড়লে ইমাম সাহেবকে দিলে তা গ্রহণ করতে রাজি হয় না। কেননা জয়গুন নারী হয়ে বাহিরে পুরুষের সামনে কাজে বের হয়। তাই তাদের হাঁসের ডিম গ্রহণ করা ‘হারাম’ বলে আখ্যায়িত করে। কিছুদিন পর মায়মুনের বিয়ে ঠিক হয় সোলেমান খাঁর ছেলে ওসমানের সাথে, যার কিনা প্রথম স্ত্রী মারা গিয়েছে। কিন্তু তাতেও বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় মোড়ল গদু প্রধান। জয়গুনকে তাওবা করে কাজ ছেড়ে দিতে বলে, তবেই এ বিয়ে হবে বলে সাফ জানায়। মেয়ের কথা ভেবে সে তাওবা করে, কাজ না করার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়। মায়মুনের বিয়ে হয়ে যায়। জয়গুনের কাজ ছেড়ে দেওয়ায় সংসারে অভাব আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরে। কিছুদিন না যেতেই মায়মুনকেও শশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ অবস্থায় জয়গুন আবার কাজ শুরু করে। প্রতিজ্ঞা ভঙ্গের কারণে গ্রামের হর্তাকর্তারা ক্ষিপ্ত হয়। গদু প্রধান জয়গুনকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করে। কাসু কি সুস্থ হয়? মায়মুনকে কেনই বা তাড়িয়ে দেওয়া হয় শশুরবাড়ি হতে? সূর্য দীঘল বাড়ি থেকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে কি ষড়যন্ত্র করে গদু? সূর্য দীঘল বাড়ি কি সত্যিই অশুভ নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনো কিছু আছে? জয়গুন ও তার পরিবার কি পারে স্রোতের বিপরীতে দৃঢ় হয়ে থাকতে নাকি মুখ থুবড়ে পড়ে সমাজের শোষকদের কাছে? মানবিক এ যুদ্ধে কি শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে জয়গুন? জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে বাংলা সাহিত্যের অনবদ্য উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’। বই পর্যালোচনা ও পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ দুর্ভিক্ষের সময় কুসংস্কারের জালে, দারিদ্র্যের কষাঘাতে মানুষের জীবনকাল নিয়ে রচিত এ চিরায়ত উপন্যাস, ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’। যেখানে গ্রামীণ জীবনের কুসংস্কারতাড়িত, দারিদ্র্যপীড়িত অবস্থার চিত্র ফুটে উঠেছে। অশিক্ষিত হলেও জয়গুনের শিরদাঁড়া যেন অন্য সবার চেয়েও সোজা, সমুন্নত। যার উদরে ছিল না আহার, গায়ে ছিল না গোটা কাপড়। কিন্তু তাও জয়গুন থেমে থাকে নি। বহু প্রতিকূলতা পার করে সাহসী জয়গুনের অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধ, কুসংস্কার, শোষণ, ক্ষুধার তাড়নায় মানব জীবনের বীভৎস চিত্রকে মজবুত শব্দের গাথুঁনিতে চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে উপন্যাসে। লেখকের লেখনী ও বর্ণনা শক্তি কি প্রখর! উপন্যাসে তিনি ধর্মকে হেয় করেন নি। তিনি তাঁর লেখার মাধ্যমে আঘাত হেনেছেন ধর্মের অপব্যাখ্যার বিরুদ্ধে, পুরুষতান্ত্রিক সমাজের শোষণের বিরুদ্ধে। অঙ্কন করেছেন জয়গুনের মতো সাহসী ও বুদ্ধিদীপ্ত চরিত্র। সমাজের নিষ্ঠুরতা,শোষণের বিপরীতে স্বমহিমায় ধরা দিয়েছে ‘জয়গুন’ চরিত্রটি। উপন্যাসে নেই কোনো অতিরঞ্জিত বা অহেতুক বর্ণনা। বর্ণনাভঙ্গি সাবলীল, প্রাঞ্জল। কিন্তু অন্তর্নিহিত অর্থ কি সুগভীর! বইয়ের একেকটা উপমা,উক্তি যেন অন্তরে আঘাত করে। সত্যিই বাংলা সাহিত্যের নিটোল, নিখুঁত এক সার্থক উপন্যাস। বই হতে প্রিয় উদ্ধৃতি: ভাতের লড়াইয়ে হেরে যায় তারা। অতীতের কান্না চেপে, চোখের জল মুছে তারা আসে, কিন্তু মানুষের চেহারা নিয়ে নয়। শিরদাঁড়া বেঁকে গেছে, পেট গিয়ে মিশেছে পিঠের সাথে। … তবুও তারা ভাঙা মেরুদণ্ড নিয়ে সমাজ ও সভ্যতার মেরুদণ্ড সোজা করে ধরবার চেষ্টা করে। … পঞ্চাশের মন্বন্তরে হোঁচট খাওয়া দেশ আবার টলতে টলতে দাঁড়ায় লাঠি ভর দিয়ে। নিয়মের দুনিয়ায় অনেক অনিয়ম আছে। যেমন কর্ম তেমন ফল’ তাই সব সময়ে পাওয়া যায় না। মাথার ঘাম পায়ে ফেলা সারাদিনের কর্মফল বড় সামান্য। পরোপকার প্রায়ই বিফলে যায়। সে কর্মে যদিও ফল ফলে, তা তিতো, বিষাক্ত। এটা অনিয়ম বৈকি। ক্ষুধার অন্ন যার নেই, তার আবার কিসের পর্দা, কিসের কি? জয়গুন বুঝেছে, জীবন রক্ষা করাই ধর্মের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মূলমন্ত্র। জীবন রক্ষা করতে ধর্মের যেকোনো অপ-আক্রমনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে সে প্রস্তুত। উদরের আগুন নেবাতে দোজগের আগুনে ঝাপ দিতেও তার কোনো ভয় নেই। “ না খাইয়া জানেরে কষ্ট দিলে খোদা ব্যাজার অয়। মরলে পরে খোদা জিগাইব, তোর আত-পাও দিছিলাম কিয়ের লেইগ্যা? আত দিছিলাম খাটবার লেইগ্যা, পাও দিছিলাম বিদ্যাশে গিয়া ট্যাকা রুজি করনের লেইগ্যা।” জীবন রক্ষা করাই ধর্মের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মূলমন্ত্র। বইবৃত্তান্তঃ বইয়ের নাম: সূর্য দীঘল বাড়ি লেখক: আবু ইসহাক মুদ্রিত মূল্য : ৳ ১৭৫ পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১১০ প্রকাশনী : নওরোজ সাহিত্য সম্ভার জনরা: ক্ল্যাসিক বা চিরায়ত উপন্যাস রিভিউ লেখায়ঃ ইসরাত জাহান সামিয়া বইছবিঃ ইসরাত জাহান সামিয়া"
Afredi Khan , Dec 10, 2023
"অসাধারণ একটি উপন্যাস"
Rashidul Islam , May 29, 2023
"আমার পড়া অন্যতম সেরা একটা বই"
rashedul islam rashed , Feb 1, 2023
"good book"
Al Amin Ahsan , Jun 28, 2022
"Good Book"
Md. Nur-A-Alam (Saikat) , Jun 15, 2022
"Very good book."
Hasan Ali Manik , Jun 5, 2022
"Excellent 😍"
SB Marjuk , Mar 21, 2022
"অসাধারণ"
Din islam , Mar 20, 2022
"nice book"
Mahadi Hasan , Mar 14, 2022
"সুন্দর"
Al Saud Shouhardo , Mar 13, 2022
"Nice book"
Md. , Feb 27, 2022
"nice"
Fahim Al Shahriyar , Dec 12, 2021
"'নওরোজ সাহিত্য সম্ভার' এর বইগুলোর প্রোডাকশন কোয়ালিটি খুবই বাজে। তাদের অন্তত কিছু না হলেও বাংলার ক্লাসিক বইগুলোতে প্রিমিয়াম কোয়ালিটি বা ভালো কোয়ালিটি ইনশিওর করা উচিৎ। পেজ কোয়ালিটি তুলনামূলক ভালো হলেও বাইন্ডিং এবং হার্ডকোভার কোনটিই মানসম্মত নয়। (বইটি খুবই ভাল। বইটির জন্য ৫ স্টার)"
Jahid , Oct 21, 2021
"অনেক ভালো"
md.Ruhul Quddus Liton , Sep 21, 2021
"বাংলা সাহিত্যের চিরায়ত একটি উপন্যাস। পড়ে খুব ভালো লেগেছে । অবশ্য মুভিটাও দেখেছি"
Tamim Tahsan , Aug 27, 2021
"best i ever read ...."
Nahidul Islam Antor , Jul 16, 2021
"অসাধারণ"
Nazma Khatun , Jun 3, 2021
"#Progoty_Book_Club_Review_Competition #প্রগতি_বুক_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_২০২১ বইয়ের নাম:সূর্য- দীঘল বাড়ী লেখক: আবু ইসহাক রিভিউ করছি : রুফাইদা তাসফিয়াত ফিজা ক্যাটাগরি:উপন্যাস আবু ইসহাকের রচিত উপন্যাস 'সূর্য-দীঘল বাড়ী' কে বাংলা সাহিত্যের এক মাস্টারপিস বললে কথাটা মোটেই অতিরঞ্জিত হয় না।কারণ দীর্ঘকাল ধরে পারিপার্শ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতির সাথে সংগ্রামরত এক নারীকে লেখক এ উপন্যাসে মহিমান্বিত করে তুলেছেন। উপন্যাসটিতে ১৯৪৭ এর সময়কালীন গ্রাম্য এলাকার কথা প্রকাশ পায়,যদিও ১৯৪৩ সালের সেই দূর্ভিক্ষের (পঞ্চাশের মন্বন্তর) রেশ ধরে উপন্যাসের কাহিনী শুরু হয়েছে। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র জয়গুন সেই দূর্ভিক্ষে দিশেহারা হয়েই গ্রাম ছেড়ে দুমুঠো অন্নের সন্ধানে ছেলেমেয়েকে নিয়ে শহরে পা বাড়িয়েছিল।তার স্বামী ছিল, জলজ্যান্ত পুরুষ করিম বকশ।কিন্তু লেখকের ভাষ্যে, সে বিনা দোষে জয়গুনকে তালাক দেয়।দুর্নামের ভয়ে জয়গুন কিছুদিন ঘরে বসে থাকলেও খাদ্যাভাবে কোলের খুকি মারা যাওয়ায় বাকি সন্তানদের বাঁচাতে লোকনিন্দা উপেক্ষা করে সে শহরের পথ ধরে। শহরের রূঢ় বাস্তবতার আঘাত গায়ে সয়ে জয়গুন শেষ পর্যন্ত গ্রামেই ফিরে আসে। ছেলেকে কুলির কাজে লাগিয়ে দেয়,নিজেও অন্য এলাকা থেকে চাল এনে বিক্রি করে সংসার চালাতে থাকে।তার সঙ্গী হয় তার বিধবা ভাজ,(ভাবী)শফির মা ও তার ছেলে।তাদের সকলের ঠাঁই হয় গ্রামের পরিত্যক্ত সূর্য- দীঘল বাড়ীতে।গ্রামের মুরুব্বিদের মতে,পূর্ব-পশ্চিম প্রসারী সূর্য-দীঘম বাড়ী অকল্যাণকর, এখানে বাস করলে বংশ লোপ পায়।এক ফকিরের 'ধুলাপড়া'র আশ্রয় নিয়ে জয়গুন ও শফির মা সেই বাড়িতে বসবাস করতে থাকে। গল্প এগিয়ে চলে গ্রামীণ সমাজের অববাহিকায়। দরিদ্র তালাকপ্রাপ্তা নারী বলে জয়গুনের উপর একের পর এক বিধিনিষেধের বেড়াজাল নেমে আসতে থাকে।স্বামীর ঘরে রেখে আসা ছোট্ট কাসুর উপর থেকেও অধিকার হারায় সে। দশ বছর বয়সী মেয়ে মায়মুনের বিয়ের স্বার্থে 'তওবা' করে ঘরে বসে থাকতে বাধ্য করা হয় তাকে।মায়মুনের কপালেও সংসারের সুখ জোটেনি,বিয়ের অল্প কয়দিন পরেই তাকে সূর্য দীঘল বাড়িতে ফিরে আসতে হয়।সন্তানদের মুখের দিকে চেয়ে জয়গুন আবার বের হলে গ্রামের নেতৃস্থানীয় গদু প্রধান বিভীষিকাময় করে তোলে তাদের জীবন। জয়গুনের স্বামী তাকে ফিরিয়ে নিতে চাইলেও সে তাতে কর্ণপাত করেনি। গদু প্রধানের চক্রান্তে করিম বকশের মৃত্যু ও অজানার উদ্দেশ্যে জয়গুনদের রওয়ানা দেয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয় উপন্যাসের কাহিনী। উপন্যাসের ভাষা বিচারে লেখক যথেষ্ট সচেতনতার পরিচয় দিয়েছেন। খাঁটি আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে পাঠকের হৃদয়ের সামনে কাহিনীকে জীবন্ত করে তুলেছেন। সহজবোধ্য বর্ণনায় সেকালের সামাজিক কাঠামোকে প্রতীকায়িত করেছেন। উপন্যাসটিতে লেখক আসলে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের গোঁড়ামি,ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের প্রতি আলোকপাত করেছেন।একই ধারাবাহিকতায় এসেছে জয়গুন তথা গ্রামীণ দরিদ্র নারীর সন্তানবাৎসল্য ও আত্মসম্মানের প্রসঙ্গ।জয়গুন দরিদ্র হতে পারে,কিন্তু সে আর কোনো পুরুষকে বিয়ে করে তার হাতে নিজের সম্মান রক্ষার ভার দিতে চায় না। সমকালীন সমাজের পুরুষতন্ত্রমনা মাতব্বরদের প্রতি কী চমৎকার কটাক্ষ!একই সাথে সে জবাব দিয়েছে তাকে ঘরে আটকে রাখতে চাওয়া গদু প্রধানকেও।পাঠক প্রশ্ন তুলতেই পারেন,তাহলে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জয়গুন ভিটেমাটি ছাড়ল কেন?উত্তরটা লুকিয়ে রয়েছে নারী চরিত্রের মধ্যেই,ছেলেমেয়ের অমঙ্গল হবে যে! আরেকটি বিষয়ে কথা না বললেই নয়।তখনকার সমাজে বিদ্যমান মধ্যস্বত্বভোগী,সোজা বাংলায় 'দালাল' দের যে চিত্র লেখক 'খুরশীদ মোল্লা' চরিত্রের মধ্য দিয়ে এঁকেছেন,তা অত্যন্ত বাস্তব।নবপ্রতিষ্ঠিত পাকিস্তানের বৈষম্যমূলক নীতিতে পূর্ব বাংলায় এমনিতেই খাদ্যসঙ্কট প্রবল,অন্যদিকে এই দালাল শ্রেণির আধিপত্যের কারণে সৃষ্ট নানাবিধ অভাবে গ্রামের দরিদ্র, মধ্যবিত্ত শ্রেণির নাভিশ্বাস উঠেছিল। যাহোক, আর বেশি বলতে চাই না।পাঠক,আপনি ইতোমধ্যেই যথেষ্ট ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন।সম্পূর্ণ লেখাটা পড়ার জন্য আপনাকে অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।একই সাথে অনুরোধ করছি, 'সূর্য -দীঘল বাড়ী' থেকে অন্তত একবার হলেও ঘুরে আসুন।বইটি আপনাকে নিয়ে যাবে সেই পঞ্চাশের দশকে। আমাদের আবহমানকালের গ্রামের অতীতের দৃশ্য দেখতে ততটা মন্দ লাগবে না আপনার,এই নিশ্চয়তা দিয়ে শেষ করছি।"
Shafiur Rahman Sourov , May 22, 2021
"গ্রামীন সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে,কুসংস্কার এবং ততকালীন রাজনৈতিক অবস্থা এবং জনজীবনে তার প্রভাব ও পরিলক্ষিত হয়েছে। সংগ্রামী জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে গ্রন্থটিতে।"
Fahim Muntasir Rafin , May 2, 2021
"মননশীল একটি বই। সবার পড়া উচিত"
Syed Maruf Sadique , Mar 28, 2021
"Excellent"
Md Hasib , Mar 1, 2021
"আজকে বইটা হাতে পাওয়া মাত্রই পেড়েছি।সত্যি অসাধারন।ডেলিভারি হয়েছে সুন্দর ভাবে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
কত পেইজ
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সূর্য দীঘল বাড়ী" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: