১ম প্রকাশ, ২০২১
সুটকেস
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সুটকেস |
| Author | ইশতিয়াক আহমেদ |
| Publisher | অনিন্দ্য প্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 112 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.26 Kg |
| ISBN | 9789849548195 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
8 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টিZamsedur Rahman , Nov 17, 2021
"“কোথায় যেন শুনেছিলাম, প্রচণ্ড ভালোবাসা নিয়ে মুখোমুখি বসে, সমানতালে কথা বলা যায় না। এই সময়টায় একজন কথা বলে, আরেকজন মুগ্ধ হয়ে তার কথা শোনে। কথার কিছুটা বোঝে, কিছুটা হারিয়ে ফেলে। বোঝা অংশটা দায়িত্ব। হারিয়ে ফেলা অংশটা প্রেম।” . বই: সুটকেস লেখক: ইশতিয়াক আহমেদ প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ প্রকাশনী: অনিন্দ্য প্রকাশ পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১২ মলাট মূল্য: ২০০ টাকা . আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, কংক্রীটের অট্টালিকায় থাকা সুট-টাই পরা তথাকথিত উচ্চবিত্তদের জীবন কতটা বৈচিত্রময়? তারা কী কখনো মোটা কাঁচের দেয়াল বা জানালা ঘেঁষে দাঁড়ান? যে উঁচু ইমারতে থাকেন, সেখান থেকে নিচে তাকালে রাস্তায় থাকা মানুষদের ঠিক কীরকম দেখা যায়, পিঁপড়ার মতো? মানুষের জীবন পিঁপড়াদের মতো হয় কিনা জানা নেই। কিন্তু সমাজে থাকা মধ্যবিত্তদের জীবনে পিঁপড়াদের একটি বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। সেটা হলো, তাদের অবিরত ছুটতে হয়। বিন্দুমাত্র দাঁড়ানোর সময় নেই। বিশ্রামের সময় নেই। এক একজন মধ্যবিত্তের জীবন লক্ষাধিক ঘটনার সমষ্টি। যেগুলোর কিছু আমরা জানি। কিছু আবার জানি না। এমনই কতক মধ্যবিত্ত মানুষ, তাদের জীবন এবং ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাস। সুটকেস কী, সেটা আমরা কমবেশি সকলেই জানি। উচ্চবিত্তদের নিজস্ব সুটকেস থাকে। সেটাতে স্থান পায় দুর্বোধ্য ভাষার জরুরি কাগজপত্র। স্থান পায় নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের রক্ত পানি করা বান্ডিল বান্ডিল টাকা। আচ্ছা, মধ্যবিত্তদের কি সুটকেস থাকে? কী থাকে সেই সুটকেসে? কাগজ, টাকাপয়সা অথবা জরুরি জিনিসপত্র? আপনি যখন এই উপন্যাস পড়বেন, খুব সহজ স্বাভাবিক উত্তর পাবেন। কিন্তু সেই উত্তর আপনাকে বইয়ের শেষ পর্যন্ত তাড়িয়ে বেড়াবে। খুব সাধারণ কয়েকটি চরিত্র, সাধারণ তাদের জীবনযাপন। ঘটনা প্রবাহে তারা একে-অন্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা জাহিদ আর নীরার প্রেম কোন কবিতা থেকে কম নয়। তাদের প্রেম ভালোবাসাময় জীবনের ছন্দ কবিতার ছন্দকেও হার মানায়। জাহিদের মনে হয়, নীরার হৃদয় সমুদ্রসমান। তার কাছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতও তুচ্ছ। পিতামাতাহীন ছন্নছড়া জীবনে তার বেঁচে থাকার একমাত্র উৎস এই মেয়েটি। জাহিদ চাইলেও নিজেকে একা ভাবতে পারে না। সময় ও ঘটনাক্রমে কিছু মানুষ তার জীবনে জায়গা করে নেয়। কখনো বটবৃক্ষের ছায়া হয়ে আসেন মহিউদ্দিন তালুকদার, কখনো সহদর হয়ে আসে আনিস ও রিপন, আবার কখনো ঝড় হয়ে আসে জহির! এরপর টানা নিস্তব্ধতা। অসহায়ত্বের দোলাচল, টিকে থাকার দুর্নিবার প্রয়াস। জাহিদের জীবন মুহূর্তের মধ্যেই পাল্টে যায়। মুখোমুখি হয় নিজের অতীতের, অনিশ্চয়তাময় পরিণামের দিকে। লেখকের জীবনবোধ নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি মুগ্ধ করার মতো। এমনকি এটা উপন্যাসেও এক ভিন্নমাত্রা এনেছে। তিনি পারিপার্শ্বিক অস্থিরতা ও ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন। অত্যন্ত নৈপুণ্যতার সাথে তুলে ধরেছেন সমাজ-রাষ্ট্রের মধ্যকার বৈষম্য। তার সরল স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে মধ্যবিত্তদের জীবনচিত্র। কাউকে কিছু বলতে না পারা অসহায়ত্ব। যার প্রকাশ ঘটেছে জাহিদ চরিত্রের মাধ্যমে। যে কিনা ভালোবাসার অভাবে ভুল পথে এগিয়েছিল। সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে মৃত্যুর খুব কাছাকাছি গিয়ে আবার ভালোবাসার টানেই ফিরে এসেছে। বাঁচতে চেয়েছে। অনিশ্চিত জীবন আর নির্মম সত্যকে অগ্রাহ্য করে খুব আপনভাবে পেতে চেয়েছে কাউকে। আপনি যখন জাহিদকে জানবেন, তখন খেয়াল করে দেখবেন- সে কোনোকিছু আড়াল করেনি। যতটুকু চেষ্টা করেছে, সেটাতেও কোন জোর ছিল না। আর জোর ছিল না বলেই নীরার হাতটি কখনো শক্ত করে ধরতে পারেনি। মানুষের সহানুভূতি তাকে স্পর্শ করেনি। কঠোর হতে কঠোরতম পরিণতি সে হাসিমুখে মেনে নিয়েছে। কোনপ্রকার অভিযোগ ছাড়াই। এই যে সবকিছু সয়ে যাবার ক্ষমতা, এটা কেবল মধ্যবিত্তদের মাঝেই দেখতে পাওয়া যায়। বাস্তবতার বুকে অঙ্কিত এই উপন্যাস খুব সহজেই আপনার হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। মোটা দাগে মধ্যবিত্তদের জীবন তুলে ধরলেও এখানে আপনি সবকিছুর দেখা পাবেন। হরেক রকমের মানুষ, তাদের ক্ষমতা-অক্ষমতা, হাসি-কান্না, অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম। জীবন কত বৈচিত্রময়, তার কিছু অসাধারণ চিত্র দেখার সুযোগ মিলবে। উপন্যাসের সাথে যদি মিল রেখে বলি, জীবন মূলত সুটকেসের মতোই। আমাদের জানা নেই, কী আছে এর ভেতরে। কতটা বিস্ময় আছে কিংবা কতটা অভাব বা প্রাচুর্য। একটা সুটকেস আর কিছু মানুষের জীবন মিলেমিশে একাকার এই উপন্যাস। জাহিদ, নীরা, মহিউদ্দিন তালুকদার, আনিস, রিপন, তানজিম, জয়নাল, জহির কিংবা আরও যারা- সবারই একটা করে সুটকেস আছে। জীবন নামের সুটকেস। এই উপন্যাসের ভেতরে প্রবেশ করলে পাওয়া যাবে তাদের জীবনের গল্প। যে গল্পগুলো নতুন নয়। আপনার, আমার অথবা আমাদের জানাশোনা কোনও পুরাতন গল্পই। যারা জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস পড়তে ভালোবাসেন, তাদের জন্য ‘সুটকেস’ বইটি সাজেস্ট রইলো। এক বসায় পড়ে ফেলার মতো দারুণ একটি উপন্যাস। . জামসেদুর রহমান সজীব ১৭ নভেম্বর ২০২১"
Md. Feroz Mahmood (Shohag) , Nov 15, 2021
"Loved it."
Harun-Ar-Rashid , Apr 16, 2021
"ছোটবেলায় দেখেছি আব্বার একটা সুটকেস ছিল। এটা রেখে দিত মাচার উপর, আমাদের নাগালের বাইরে। আব্বার গুরুত্বপূর্ণ সব জিনিস এই সুটকেসেই রাখা হতো। ভেতরঘর থেকে মাঝে-মধ্যে আড়চোখে খেয়াল করে দেখতাম, এই সুটকেসে আব্বা কখনও টাকা রাখছেন, আবার কখনও সুটকেস থেকে টাকা বের করে আনছেন। এই সুটকেসকে ঘিরে আমাদের ভাই-বোনদের আগ্রহ ছিল তুমুল। কিন্তু কখনোই আব্বার অগোচরে সুটকেসে হাত দেয়ার সাহস পেতাম না। একটা সময় মনে হতো, আব্বা বোধহয় সুটকেস ভরতি করে টাকা রেখে দিয়েছেন। প্রয়োজনে এখান থেকে নিয়ে খরচাপাতি করেন। পরক্ষণেই মনে মনে ভাবতাম, একদিন আমি যখন বড় হবো, আমারও একটা সুটকেস থাকবে। এই সুটকেসে থাকবে টাকা আর টাকা। আজ আব্বা বেঁচে নেই, কিন্তু সুটকেসটা পরে আছে এখনও। ঠিক ওখানেই, মাচার উপর; যেখানে অতি যতনে আব্বা রাখতেন। ছোটবেলার সেই অনুভূতি এখন আর কাজ করে না। ভুল করেও কখনও মনে হয় না, একটা সুটকেস থাকবে। সুটকেস ভরতি টাকা থাকবে। কিন্ত একটা জিনিস অস্বীকার করার কোনো জো নেই। হ্যাঁ, একটা সুটকেস আছে আমার। শুধু আমার কেন, সবারই আছে। 'জীবন' নামের সুটকেস। এই সুটকেস ভরতি আছে আপনার-আমার জীবনের সব গল্প। এ সময়ের জনপ্রিয় তরুণ লেখক ইশতিয়াক আহমেদের 'সুটকেস' উপন্যাসটি মূলত একটা সুটকেসের আদলে জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র জাহিদ প্রচন্ড ভালোবাসে নীরাকে। নীরাও তাই। জাহিদের আদি থেকে অন্ত নীরার অজানা নয়। জানে না শুধু একটা বিষয়ে, সুটকেস। জাহিদ অতি যতনে একটা সুটকেস আগলে রেখেছে। কী আছে এই সুটকেসে? নীরা জানতে চেয়েছে একাধিকবার। জাহিদের নীরবতা আর সুটকেস নিয়ে নিরুত্তেজ বার বারই নীরার সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নীরা-জাহিদের বহমান প্রেমের নদীতে হঠাৎ করেই উত্তাল ঝড়ের আবির্ভাব। আচমকা ঝড়োবাতাসে তীরে এসে আঁচড়ে পড়তে থাকল তাদের ভালোবাসার ঢেউগুলো। জাহিদ নামে একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতি বদলে দিলো তাদের ভালোবাসার গতিপথ। গল্পের প্রয়োজনে একে একে দৃশ্যপটে হাজির হয় মহিউদ্দিন তালুকদার, আনিস, আবির, রিপন, তানজিম, আশরাফুল, জয়নালসহ আরও অনেকে। গল্পের শাখা-প্রশাখা প্রসারিত হতে থাকে সময়ের প্রয়োজনে। কিন্তু দিনশেষে সবগুলো চরিত্রের মিলন ঘটে একই স্থানে, একই জায়গায়, একটি বস্তুবাচক শব্দকে কেন্দ্র করে। সেটি হচ্ছে সুটকেস। লেখক ইশতিয়াক আহমেদ মূলত গল্পের মানুষ। বর্ণমালার কালো হরফগুলোকে নিজস্ব ঢংএ একের পর এক সাজিয়ে চমৎকার গল্পের অবয়বে রূপ দিতে ইশতিয়াক আহমেদের মুন্সিয়ানার অন্ত নেই। তার লেখা 'সাদা প্রাইভেট' এখনও আমার মনে গেঁথে আছে। দুটো গল্পকে সমান্তরালভাবে এগিয়ে নিয়ে যবনিকাপাত ঘটিয়েছেন একই মঞ্চে, একই দৃশ্যপটে। 'সুটকেস' তার লেখা আরেকটা জীবনের গল্প। না, এটি লেখকের জীবনের গল্প নয়। আপনার-আমার, আমাদের সমাজে দৃশ্যমান জীবনের গল্প হচ্ছে সুটকেস। ছোট্ট এই উপন্যাসে প্রত্যেকটি চরিত্রকে লেখক সাজিয়েছেন মনের মাধুরী মাখিয়ে, অত্যন্ত সুবিন্যস্তভাবে। তারপরও কোথায় যেন কী নেই, কোথায় যেন একটা কিছুর অভাব আমি অনুভব করেছি পুরো গল্প জুড়ে। লেখকের গল্প বলার ধরণ ভালো, কিন্তু বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি চরম কৃপণতার পরিচয় দিয়েছেন। আমার কাছে নাটক-সিনেমা থেকে উপন্যাসের আলাদা স্বকীয়তা হিসেবে দৃশ্যপট কিংবা চরিত্রের বর্ণনাকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়। কেননা, প্রামাণ্যচিত্র আর কালো হরফে গল্প বলা এক জিনিস নয়। অনিন্দ্য প্রকাশ থেকে প্রকাশিত এই বইটির কাগজের মান, প্রিন্টিং এবং বাঁধাই সর্বোচ্চ মানের ছিল। তবে ধ্রুব এষের করা এই প্রচ্ছদটি আমার কাছে কেন জানি খুব বেশি ভালো লাগেনি। প্রচ্ছদে সুটকেসের আদলে উপস্থাপিত ছবিটিকে একটা ব্যাগের মতো মনে হয়েছে। দুৃয়েকটা ভুল বানান দৃষ্টিগোচর হলেও পড়তে গিয়ে তেমন কোনো অসঙ্গতি আমার দৃষ্টিতে আসেনি। প্রিয় পাঠক, আপনি যদি জীবনের গল্প পড়তে ভালোবাসেন, জীবনকে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে দেখতে পছন্দ করেন, তবে নির্দ্বিধায় হাতে তুলে নিতে পারেন ইশতিয়াক আহমেদের সুটকেস উপন্যাসটি। আমার বিশ্বাস, আশাহত হবেন না। বইঃ সুটকেস লেখকঃ ইশতিয়াক আহমেদ প্রকাশনীঃ অনিন্দ্য প্রকাশ প্রচ্ছদঃ ধ্রুব এষ পৃষ্টা সংখ্যাঃ ১১২ মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ টাকা।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সুটকেস" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: