১ম প্রকাশ, ২০২৬
সুপ্ত বাসনা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
দৃশ্যত অদৃশ্য
আফসানা নীতু
অন্তরালে যে-জন
আফসানা নীতু
এ ডেথ ইন টোকিও
কেইগো হিগাশিনো
কামোগাওয়া রেস্তোরাঁয় আপনাকে স্বাগতম
হিসাশি কাশিওয়াই
কারমিল্লা (পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ)
জোসেফ শেরিডান লি ফানু
ভয় ও ভৌতিক সমগ্র
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সুপ্ত বাসনা |
| Author | আফসানা নীতু |
| Publisher | চলন্তিকা |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 140 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | Mystery, Detective, Horror, Thriller and Adventure |
| ISBN | 978-984-29392-1-1 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
3 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টি
তিথি রহমান , Jun 23, 2026
"#সুপ্ত_বাসনা বই: সুপ্ত বাসনা লেখক: আফসানা নীতু প্রচ্ছদ: ফারিহা তাবাসসুম প্রকাশনী: চলন্তিকা মূল্য: ৪০০ টাকা পাহাড়ের বুক চিরে দাঁড়িয়ে থাকা এক প্রাচীন প্রাসাদ, আর তাকে ঘিরে জমে থাকা এক দীর্ঘ রহস্য—এমন আবহ বরাবরই রহস্যপ্রেমীদের চেনা জগৎকে এক লহমায় বদলে দেয়। আফসানা নীতুর 'সুপ্ত বাসনা' উপন্যাসটি ঠিক তেমনি এক অদ্ভুত ঘোরের জন্ম দেয়, যা প্রথম পাতা থেকেই পাঠককে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে। গল্পের মূল আকর্ষণ রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এক রহস্যময় প্রাসাদ—'ম্যাথিউ ম্যানশন'। এটি কেবল ইট-পাথরের কোনো দালান নয়, বরং পুরো উপন্যাসের এক জীবন্ত চরিত্র। ম্যাথিউ সাহেবের রেখে যাওয়া অগাধ সম্পত্তি আর যুগ যুগ ধরে লুকিয়ে থাকা এক অমূল্য রত্নভাণ্ডারকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে গল্পের মূল পটভূমি। সেই গুপ্তধনের খোঁজে যখন উত্তরাধিকারীদের লোভ আর পারিবারিক টানাপোড়েন চরম রূপ নেয়, তখনই এই গোলকধাঁধার জট খুলতে প্রবেশ ঘটে আমাদের চেনা গোয়েন্দা শোভনের। লেখকের লেখনীর সবচেয়ে বড় শক্তি এর পরিবেশ নির্মাণ। পাহাড়ের মায়াবী অথচ থমথমে পরিবেশ আর উপজাতীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া গল্পে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। পড়তে পড়তে পাঠক নিজেও যেন ম্যাথিউ ম্যানশনের অন্ধকার করিডোরে হারিয়ে যান। কেবল সস্তা রোমাঞ্চ নয়, মানুষের মনের লোভ, মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা ও পারিবারিক ট্র্যাজেডিও এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। গোয়েন্দা শোভনের তদন্তের ধরনটি বেশ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়। কাহিনীর পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকা ধাঁধাগুলো পাঠককে নিজে থেকেই সমাধান খুঁজতে বাধ্য করবে। সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হলো এর সমাপ্তি; কোনো তাড়াহুড়ো বা গোঁজামিল ছাড়াই প্রতিটি রহস্যের জট খুলেছে একদম যৌক্তিকভাবে। মানবমনের যে তীব্র আকাঙ্ক্ষা ও গোপন লোভ বছরের পর বছর চাপা পড়ে থাকে, তা-ই কীভাবে ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায় লেখক তা সূক্ষ্মভাবে দেখিয়েছেন। প্রথাগত গোয়েন্দা কাহিনীর বাইরে যারা পাহাড় ও ইতিহাসের গন্ধমাখা নিখাদ রহস্যের স্বাদ পেতে চান, তাদের বুকশেলফে 'সুপ্ত বাসনা' ঠাঁই পাওয়ার মতো একটি বই। পাহাড় ও উপজাতীয় সংস্কৃতির নিখুঁত বর্ণনায় এক অন্যরকম রহস্যময় আবহ তৈরি হয়েছে। বইয়ের শেষ পাতায় এসে বোঝা যায় 'সুপ্ত বাসনা' নামটা কতটা অর্থবহ। মানুষের মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা প্রকাশ না পাওয়া তীব্র আকাঙ্ক্ষা কীভাবে পুরো পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করে, তা-ই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এমনকি 'বাসনা' শব্দটির পেছনেও রয়েছে এক চমৎকার চমক।"
Baran Al Hoque , Apr 25, 2026
"বই: সুপ্ত বাসনা লেখিকা: আফসানা নীতু জনরা: গোয়েন্দা গল্প প্রচ্ছদ: ফারিহা তাবাসসুম প্রকাশনী: চলন্তিকা পৃষ্ঠা: ১৪১ ব্যারিস্টার নিয়াজ আসিফ একজন সফল ব্যারিস্টার। পেশাগত জীবনের সুন্দর সমাপ্তি টেনে তার শশুড়ের রেখে যাওয়া রাঙ্গামাটির ম্যাথিউ ম্যানশনে থিতু হন। যদিও ম্যাথিউ সাহেব বাড়িটি তার মেয়ে এলিজাবেথের জন্য রেখে গিয়েছিলেন আর বউকে ভালোবেসে তাই নিয়াজ সাহেবও এখানেই রয়ে গেছেন। দুই ছেলে, তিন নাতি নাতনী, দুটো কুকুর লালু - ভুলু আর বহু পুরোনো কেয়ারটেকার ইদ্রিস কে নিয়ে উনার জীবন। বড় ছেলে সিরাজ আসিফ বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করতে ঢাকায় থাকেন আর ছোট ছেলে রিয়াজ আসিফ মারা যাওয়ার পরে জমজ নাতি নাতনী প্যাট্রিক ও পারিজার দায়িত্ব দাদী প্রথমে সামলান কিন্তু দাদীর অবর্তমানে এবং ভালোভাবে বড় হওয়ার জন্য তাদের লন্ডনে পাঠিয়ে দেয়া হয়। তারা ছুটিতে দাদার কাছে আসেন। বাংলা বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ নিয়াজ আসিফ সাহেবের জন্মদিন আর সেই দিনটা বেশ ঘটা করে পালন করার জন্য উনার নাতনী পারিজা বেশ আয়োজন করবে বলে জানায়। এদিকে হঠাৎ করে নিয়াজ সাহেব তার মৃত শশুড়কে দেখতে শুরু করেন। এ কারনে তার মাঝে ভয় ঢুকে যায় যে উনি বেশিদিন বাঁচবেন না। উনার বিশাল সম্পদ উনি সবাইকে ভাগ করে দেয়ার জন্য আগেই উইল করে রেখেছেন। ঘোষনা দেন এবার উনার জন্মদিনের দিন সবাইকে জানানো হবে। ম্যাথিউ সাহেব ইংরেজ ছিলেন বিধায় উনার আচার আচরণ একটু অন্যরকমই ছিলো। সাদা চামড়া বলে কথা। বিশাল এই ম্যাথিউ ম্যানশনে উনি উনার কিছু গুপ্তধন লুকিয়ে রেখে যান, যা পেতে হলে উনার ধাধার সমাধান করতে হবে। এক সময় নিয়াজ সাহেব তার স্ত্রী মিলে সেটার সমাধান করতে চেয়েছিলেন তবে বরাবরই ব্যর্থ হয়েছে। এবার আর ব্যর্থ হতে চান না বলে ঢাকা থেকে জরুরী তলব করেন তুখোড় গোয়েন্দা শোভন রহমান কে। প্রথমে কয়েকটা ঘটনার জন্য কেস টা নিতে না চাইলেও পরে যখন শোভন ম্যাথিউ ম্যানশন এসে পৌছায় তখন ওর মনে হয় এতো সহজ হবে না কেসটা। বিশাল এই প্রাসাদের অলি গলিতে লুকিয়ে আছে আরো অনেক রহস্য। 'সুপ্ত বাসনা' যখন পড়া শুরু করি তখন মাথায় একটা বিষয় কাজ করছিলো গল্পটা কেমন হবে! লেখিকা কেমন জমিয়ে তুলবেন গল্পটা! গোয়েন্দা গল্পে সাধারণত পোক্ত গল্প এবং ভালো মানের লেখনী না হলে গল্পটা পুরোই মাঠে মারা যায়। এই বইটার ক্ষেত্রে সেটা হয়নি। গল্পটা যেমন সুন্দর তেমনি লেখাও বেশ ঝরঝরে। এক বসায় পড়ে উঠার মতো গল্প। গল্পে সাসপেন্স ছিলো, থ্রিলার ছিলো এবং গল্পটাকে সুন্দর করতে অতিপ্রাকৃত কিছু ঘটনাও ঘটে। কিছু হিউমার ছিলো যা গল্পটাকে আরো প্রাণোবন্ত করে। প্রত্যেকটা চরিত্র সুন্দরভাবে গুছিয়ে লেখা হয়েছে এবং কোন চরিত্রই অহেতুক ছিলো না। গল্পে তাদের আসা যাওয়ার যৌক্তিক কারণ ছিলো। ভারী ভারী শব্দের বদলে লেখিকা খুব সহজ সুন্দরভাবে গল্পটা লিখেছেন যার জন্য পড়তে আরো ভালো লেগেছে। হ্যাপি রিডিং ❤️"
Priya Rahman , Mar 10, 2026
"#সুপ্ত_বাসনা "কথা বলতে বলতে শোভনের চোখ আটকে যায় আলমারির একপাশের একটা কাঁচের বাক্সে। সেখানে একটা কুকুরের স্টাফ করা দেহ রাখা। শোভন গিয়ে কৌতূহলী চোখে বাক্সটা দেখে। শোভন দেখে বাক্সের একপাশে ছোট্ট করে লেখা, 'সুপ্ত বাসনা' মৃত্যু : ১৯৮৬ " ★ রহস্য, রোমাঞ্চ আর উত্তরাধিকারের লড়াইয়ের অদ্ভুত দোলাচালের এক গল্প "সুপ্ত বাসনা"। রাঙামাটির লালচে পাথুরে মাটির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এক রহস্যময় প্রাসাদ 'ম্যাথিউ ম্যানশন'। বিশালাকার এই প্রাসাদের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে আছে কয়েক দশকের পুরনো রহস্য, নিষ্ঠুরতা আর অমূল্য গুপ্তধন। লেখিকা আফসানা নীতু তার 'শোভন' সিরিজের নতুন সংযোজন সুপ্ত বাসনা উপন্যাসে পাঠকদের নিয়ে গেছেন এমনই এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে। ★ কাহিনি সুপ্ত বাসনার : ম্যাথিউ সাহেবের মৃত্যুর পর তার অঢেল সম্পদ আর রাজকীয় প্রাসাদের মালিকানা পান তার একমাত্র কন্যা এলিজাবেথ। কিন্তু চতুর ম্যাথিউ সাহেব তার সারা জীবনের অর্জিত রত্নভাণ্ডার লুকিয়ে রেখে যান প্রাসাদেরই কোনো এক গুপ্ত কুঠুরিতে, যার হদিস পাওয়ার একমাত্র উপায় একটি অদ্ভুত ধাঁধাময় নকশা। "মনোযোগ ব্যাকরণ সবটাই অকারণ! দৃষ্টিতে তার ধোঁকা, বুঝবে অবুঝ খোকা। কম্পনে তা কুপোকাত, পেরে গেলেই বাজিমাত!" এলিজাবেথের স্বামী নিয়াজ আসিফের বিশাল সাম্রাজ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এই ম্যাথিউ ম্যানশন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নিয়াজ সাহেব তার তিন নাতি-নাতনি, পারিজা, প্যাট্রিক আর অর্পণের মধ্যে তার সকল সম্পত্তি ভাগ করে দিতে চান এবং যথা সময়ে উইলও করে ফেলেন। কিন্তু এই ম্যানশনটি কাকে দেবেন তা নিয়ে হলো আসল প্রশ্ন? কিন্তু উইলের পরেই শুরু হয় একের পর এক অঘটন আর দুর্ঘটনা। সেই সাথে থেকে যায় অমীমাংসিত সেই গুপ্তধনের প্রশ্ন। ঠিক এই সংকটময় মুহূর্তে আগমন ঘটে তুখোড় বুদ্ধিসম্পন্ন গোয়েন্দা শোভনের। রহস্যের জট খুলতে গিয়ে শোভন বুঝতে পারে, এটি কেবল গুপ্তধন প্রাপ্তির লড়াই নয়, বরং প্রতিটি ইটের আড়ালে লুকিয়ে আছে মৃত ম্যাথিউ সাহেবের ভয়ংকর সব নিষ্ঠুরতার কাহিনী। পদে পদে মৃত্যুভয় আর রোমাঞ্চকর পরিস্থিতির মোকাবিলা করে শোভন কি পারবে এই সুপ্ত বাসনার রহস্য উন্মোচন করতে? ★ সুপ্ত বাসনার সুপ্ত অনুভূতি : গল্পের শুরু থেকেই যে রহস্যের জাল বোনা হয়েছে, তা পাঠককে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত আটকে রাখতে সক্ষম। গোয়েন্দা শোভন সিরিজের আগের বই- গুলোর মতো এখানেও শোভনের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর সাহসিকতা আলাদাভাবে নজর কাড়ে। রাঙামাটির পাহাড়ি পরিবেশ আর পাথুরে মাটির প্রেক্ষাপট গল্পে এক ভিন্ন মাত্রার আবহ তৈরি করেছে। সেই সাথে উপজাতিদের বিভিন্ন উৎসবের বর্ননা ছিলো নজরকাড়া। সম্পদ আর প্রতিপত্তির লোভে মানুষের ভেতরের রূপ কীভাবে বদলে যায়, তার চমৎকার চিত্রায়ন রয়েছে এই উপন্যাসে। সবচেয়ে আর্কষণীয় ছিলো লেখকের গল্প বলার ধরন। একের পর এক রহস্য দিয়ে, যেভাবে পুরো গল্পটা সাজানো হয়েছে আর চমৎকার ধাঁ ধাঁ দিয়ে যেভাবে নিখুঁতরূপে রহস্যের জটগুলো খোলা হয়েছে, নিসন্দেহে দুর্দান্ত লেগেছে। কোথাও অতিরঞ্জিত বা কাহিনি রিপিটেড মনে হয়নি। একমুহূর্তের জন্যও মনে হয়নি গল্প আটকে আছে বরং গল্পই আমাকে টেনে নিয়ে গেছে ম্যাথিউ ম্যাশন ভেদ করে সেই বনের গহীনে। সাধারণত রহস্য বা গোয়েন্দা গল্পে কোথাও না কোথাও কাহিনি মিলাতে গোঁজামিল দেয়া হয়, নয়তো ত্রুটি থেকেই যায় শেষ সুতোগুলো মিলাতে। পুরো গল্প জুড়ে আমি শুধু ফাঁক খুঁজে চলেছি কোথায় লেখক একটু ভুল করবে আর আমি টুপ করে ধরব।কিন্তু আফসোস লেখক আমাকে সেই সুযোগটুকু দেননি। প্রতিটা সুতোর মাথা এক বিন্দুতেই মিলে গেছে শেষে এসে,যা চমৎকার ছিলো। ২৮ নাম্বার পৃষ্ঠায় ছোট্ট একটা শব্দ টাইপো হয়েছে যা হয়ত প্রেসের ভুল। গুঞ্জন আর শোভনের রসায়ন আরেকটু আশা করেছিলাম, যদিও সেটা বাড়তি সুবিধা বললে ভুল হবে না। ★ যারা রহস্য এবং থ্রিলার ঘরানার গল্প পছন্দ করেন, তাদের জন্য "সুপ্ত বাসনা" হতে পারে এবারের সংগ্রহের অন্যতম সেরা বই। বইটি পড়লে যেকোন পাঠকের মন, মস্তিষ্ক একেবারে ঝকঝকে হয়ে যাবে নিসন্দেহে। লেখককে অনেক অনেক ধন্যবাদ শোভনের মতো চমৎকার একটি চরিত্র সৃষ্টি করার জন্য।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সুপ্ত বাসনা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: