১ম প্রকাশ, ২০২০
সুখ সায়রে
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সুখ সায়রে |
| Author | মোঃ তানিম-উল-ইসলাম |
| Publisher | আওয়ার ক্যানভাস পাবলিকেশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২০ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 112 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.27 Kg |
| ISBN | 9789849403615 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
11 Ratings and 7 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৭টি
Farah Sharmin , Mar 9, 2021
"বুক রিভিউ উপন্যাস : সুখ সায়রে লেখক : মো তানিম উল ইসলাম প্রকাশনী : আওয়ার ক্যানভাস প্রকাশক : মো: আরফান উদ্দিন প্রধান ধরণঃ সমকালীন উপন্যাস মূল্য- ২০০টাকা পৃষ্ঠাসংখ্যা- ১১২ প্রকাশ কাল: জানুয়ারি ২০২০ ▶️উপন্যাসটি শুরু হয়েছে এভাবেঃ উপন্যাসের শুরুতে লেখক লিখেছেন খুব সুন্দর কিছু কথা----- "বোকা মানুষের আকাশ থাকে। আকাশ ভরা তারা থাকে। থাকে না শুধু চোখ!" এই সুন্দর কথাগুলো উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্রের কিছু না কিছু অপ্রাপ্তিকেই প্রকাশ করছে। উপন্যাসের নাম থেকেই হয়তো বোঝা যাচ্ছে এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য "সুখ"। সুখের সন্ধানে প্রতিটি চরিত্রে চলছে হাহাকার। সুখ যেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই সুখের অসুখে যখন উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র দিক্বিদিক; উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তখন উপন্যাসের মূল চরিত্র হাসনাইন ব্যস্ত সবার জীবনের সুখ ধরার কাজে। হাসনাইনের স্ত্রী মীরার অকালে চলে যাওয়ায় যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে হাসনাইনের জীবনে তার প্রতিনিয়ত প্রতিফলন ছিলো তার জীবনের সকল সিদ্ধান্তে। পরোপকারী, সমাজহিতৈষী, সাহসী এক যুবকের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাবেন আপনারা হাসনাইনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে। ▶️উপন্যাসের চরিত্রগুলোঃ এবার আসি চরিত্রগুলোর পরিচয়ে। উপন্যাসের কোন একপর্যায়ে আমরা আসলাম সাহেবের সাথে পরিচিত হবো। আমরা দেখতে পাবো অনেক সম্পত্তি ও প্রতিপত্তি থাকা স্বত্তেও তিনি সুখী নন। তিনি জানেন না, জীবনের আনন্দ ফিরে পাবার জন্য প্রতিনিয়ত কি খুঁজে চলেছেন তিনি। এভাবেই বিভিন্ন ঘটনায় দুর্ঘটনায় সামনে এগিয়ে যায় সুখ সায়রের গল্প। আমাদের সাথে পরিচয় হবে রুস্তমের। কবিতা পাগল মানুষ রুস্তম উপন্যাসের নায়ক হাসনাইনের সব দুঃসাহসিক ঘটনার নিরব সাক্ষী। আরও আছেন আমানত সাহেব একজন শুদ্ধ মানুষ। যিনি "অন্য পৃথিবী" নামে এক অনন্য প্রজেক্টের মাধ্যমে, সমাজের কিছু অসহায় মানুষের কথা ভেবে চলেছেন। প্রায়শ্চিত্ত করছেন কিছু পারিবারিক অপরাধবোধের। রীতু, চামেলী বেগম, রিপন, রাজন সাহা, রহমত মিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু চরিত্র সাথে নিয়ে উপন্যাসটি এগিয়ে যায়। ▶️যা আছে ভিতরেঃ দুইজন রবিউল একই সাথে একই দৃশ্যে এসে উপন্যাসে টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি করে। লেখকের ভাষা নৈপুণ্য, সাবলীল লিখন ছিলো অনবদ্য। পড়ার সময় বেশ আগ্রহ অনুভব করছিলাম হাসনাইন চরিত্রে। চরিত্রটি একদিকে যেমন ধীর- স্হির, অপরদিকে দুর্ধর্ষ সাহসী, অকুতোভয়, পরোপকারী, আত্মতুষ্টিতে ভরা। উপন্যাসের আসল মোড় ঘুরলো যেখানে ;সেখানেই মূল চমক অপেক্ষা করছিলো। আসলাম সাহেবের নীল রহস্য উদঘাটনের পর, হাসনাইন যখন আসলাম সাহেব এবং তার মতো সুখ খুঁজে ফেরা অনেকের চিরকাঙ্ক্ষিত "সুখ" তাদের জীবনে ফিরিয়ে এনেছিল। কি ছিলো সেই পদক্ষেপ যা ফিরিয়ে দিয়েছিলো সবার জীবনে "সুখ"জানতে হলে " সুখ সায়রে " আপনাকে পড়তেই হবে। অসাধারণ এই উপন্যাসটির অনবদ্য ভাষা শৈলী আর সুদক্ষ গল্পের গাঁথুনি ছিল প্রসংশনীয়। খুব ভালো লাগলো মোঃ তানিম-উল-ইসলামের সমকালীন উপন্যাস… "সুখ সায়রে"।"
Mohasina begum , Feb 28, 2020
"আচ্ছা, আপনি কি সত্যিকার সুখের সংজ্ঞা জানেন? নাকি ভেবে দেখেছেন কখনো? আসলে মানুষের সুখ কীসে? পাওয়ার আকাঙ্খা যতক্ষণ শেষ না হয়, ততক্ষণ মানুষ সুখী হতে পারে না। আমি নিশ্চিত "সুখ সায়রে" উপন্যাসটা পড়লে আপনি ঠিক ঠিক বুঝে যাবেন, আসলে সুখের সংজ্ঞাটা কী? কেন কোটি কোটি টাকাও মানুষকে সুখী করতে পারে না । সুখ আছে, আপনার কাছেই আছে। সেটাকে নিজের আয়ত্বে আনতে হবে। সেজন্য করণীয় কী? এই করণীয়টাই লেখক সুন্দর করে পাঠককে বুঝিয়ে দিয়েছেন। , সমাজটা ভরে গেছে মানুষের বুদ্ধি বিকৃতিতে। জামশেদ ব্যাপারীর মতো লোকে আজকাল আমাদের আশপাশে ভরে গেছে। এদের মাথায় চমৎকার বুদ্ধি কিন্তু সেগুলো ভালো কাজে লাগায় না। আসলে ভেজাল খাইতে খাইতে নাকি মানুষের এখন আসল জিনিস সহ্য হয় না । কি অদ্ভুত কথা! গণিত ডিপার্টমেন্টের ফাস্ট ক্লাস সেকেন্ড পাওয়া আমানত সাহেবের জীবনের হিসাবও মিলে না। 'যে সমস্যার সমাধান আমাদের জানা নাই সে সমস্যায় বিধাতা আমাদের কেন ফেলেন? ' এই কেন-র হিসাব মেলে না তার। কিন্তু হাসনাইন জানে। বাংলা সাহিত্যের ছাত্র হয়েও এই ' কেন'-র উত্তরটা সে আমানত সাহেবকে বুঝিয়ে দেয়। মীরা চলে যাবার পর বুকের ভিতর আগুন নিয়ে বসবাস করা ছেলেটা রহমত মিয়া কিংবা রিপনকেও সুখের পথটা ঠিকঠাক চিনিয়ে দিতে পারে। সুখ নিয়ে আসলাম সাহেব প্রবন্ধ লিখছেন কিন্তু তিনি নিজেই ঘর ভর্তি করে রেখেছেন "নীল" দিয়ে। এই নীলের আসল রহস্যটা কি? এত টাকার মালিক হয়েও আসলাম সাহেব কেন সুখ খুঁজে ফিরছেন? আচ্ছা, বুদ্ধিমান মানুষ কি সুখী হয়? নাকি সুখী মানুষ বুদ্ধিমান হয়? আপনি না জানলে হাসনাইনকেই জিজ্ঞাসা করে দেখুন। বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে মাথার ভিতর কবিতা লেখে যে কবি তার সুখ কীসে? তাকে কি আপনি কোটি টাকা দিয়েও সুখী করতে পারবেন? আসলে আনন্দে ভেজা চোখের জলের আরেক নামই যে সুখ তা আবারও পরিস্কার হলো এই লেখাটি পড়ে। , হাসনাইন, জামশেদ ব্যাপারী, আমানত, রুস্তম, খোরশেদ, রহমত মিয়া, রবিউল, রিপন সাহা, রাজন-প্রত্যেকটি চরিত্র তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের কারণে স্বার্থক হয়েছে। সুখের সংজ্ঞা , সুখের ব্যাপ্তি, সুখের অবস্থান, সুখকে নিজের করা নেয়া- এ সবকিছুই লেখক পরিস্কারভাবে সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন এই উপন্যাস এ। আশা করি প্রতিটা পাঠক নিজের ভেতরটাকে মিলিয়ে নিতে পারবে লেখাটা পড়ে।"
Saifuzzaman Saif , Feb 24, 2020
"হাসনাইন একজন মানুষ যে তার প্রিয়তমার স্মৃতি নিয়ে বেচে আছে, তবু তার কোন আক্ষেপ নাই। তার স্মৃতি নিয়ে বেশ ভালোই। সে সচেতন, সামাজিক, বু্দ্ধিমান, প্রচন্ড সাহসী। হাসনাইন সমাজের সকল কাজে সামনে থাকে তাই সবাই তাকে পছন্দ করে। কারণ সে সব কিছু খুব সুন্দর ভাবে হ্যান্ডেল করতে পারে। আমাদের সমাজে আমরা অনেকেই সুখ খুঁজে বেড়াই। একেক জনের সুখ একেক রকম। এক জনের সুখের মাঝে সবাই সুখ খুঁজে পাবে বিষয়টা এমন না। পুরোটা পড়ে অবশ্যই আপনারা মজার ছলে শিক্ষা পাবেন। তানিম স্যারের লেখা আমার বারবরই ভালো লাগে। "সুখ সায়রে" একটু বেশিই ভালো"
Md Amir hossain , Feb 24, 2020
"পুজিবাদী ব্যবস্তায় যখন সব দিকটা অর্থ দিয়ে পরিমাপ করা হচ্ছে কোন মানদন্ড ছারাই ঠিক সে সময়ে অর্থের দিকে না তাকিয়ে মানুষ ও মানবতার কথা ভেবে কোন কাজ করা অাসলেই কল্পনার অতিত ! দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সেই ছোয়াটা পরেছে জ্ঞানের উপর অর্থ্যাৎ বই শিল্পে । বেশীর ভাগ বই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মানের দিকে না তাকিয়ে টাকার কাটতির উপর নির্ভর করে প্রকাশ করে বই। এই সিন্ডিকেটের বাহিরে যাওয়া অাসলেই বোকামি। তার পর ও কিছু বোকা লেখক রয়েছে যারা এসব শেকল ভেঙ্গে সত্যিকার অর্থে মানুষের জন্য লিখে ,মনের খোরাক মেটাতে লিখে। অামি অাজ পাড়াঁ গায়ের এক বেকার ছেলে। এখনো চলতে হয় কৃষক বাবার কষ্টের অর্থে। তারপর ও হাত খরচের টাকা গচ্ছিত রাখি ভালো কোন বইয়ের অাশায়। অামি অপেক্ষায় থাকি ,খুব একটা যে পাই তা নয়, , অামার ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় অনেকেই লেখক সংবাদিক ও সাহিত্যিক রয়েছে। যদি ও তাদের বন্ধুতালিকায় অামার থাকাটা বড্ড বেমানান তবু ও তারা রেখেছেন অতি সাদরে। তেমনই একজন #তানিম-উল-ইসলাম লেখক ও শিক্ষক। ফেসবুকের বাহিরে কোন ভাবেই তার সাথ্অোমার পরিচয় নেই। এবারের বই মেলায় নিয়ে এসেছে তার নতুন ও প্রথম বই #সুখ_সায়রে। এটাকে বই না বলে অাগুন বললে ভালো মানায়। অাপনি যখন বইটি পড়বেন অাপনার ভেতরে অাগুন জ্বলবে কখনো বইবে তুষারঝড়। বাংলা সিনেমার মতো কমন বিষয় বইটাতে পাবেন না পাবেন ঘুনে ধরা সমাজের চিত্র ও সমাধানের উপায়। বেচে থাকতে হলে মৌলিক যে উপদান সুখ সেইটার রশদ ! ! অর্থ দিয়ে এই বইটার পরিমাপ করা ঘোরতর অন্যায় হবে। অামি যখন ছোট ছিলাম বাবাকে বসে বসে গল্পের বাংলা সাহিত্যের বই পড়ে শুনাতাম। অামার বাবা যতোটা না পড়ার বই অামায় কিনে দিয়েছেন তার চেয়ে ও বেশী সাহিত্যের বই কিনে দিতেন। অার কেন পড়তে পারতেন না তিনি জানেন ? কারন তিনি অক্ষরজ্ঞানহীন ব্যক্তি। বড় হবার পরে খুব একটা অার বাবার পাশে বসা হয় না বই নিয়ে , বহুদিন পরে সুখ সায়রে নিয়ে দুপুরে খাবার পরে বসলাম বাবা মাকে পড়ে শুনাতে। অাহ ! ! অনেকদিন পড়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুললাম চোখ ভিজিয়ে ! ! ধন্যবাদ প্রিয় লেখক । ধন্যবাদ সুখ সায়রে ।"
FarjanaTani , Feb 24, 2020
"★★রিভিউ★★ 🔹"সুখের ডেফিনেশন খুঁজে আমাদের লাভ টা কি?সুখ থাকুক সুখের জায়গায়। আমরা কেবল কিছু মানুষকে সুখের ঠিকানা খুঁজে দিতে পারি।"🔹(সুখ সায়রে) ---পুরো বইটা তে লেখক মোঃ তানিম-উল-ইসলাম কোন না কোনো ভাবে সবাইকে সুখের ঠিকানা খুঁজে দিতে চেয়েছেন তার লেখার প্রধান চরিত্র হাসনাইন এর মাধ্যমে। সুখ যে একেক জনের কাছে একেক রকম ভাবে সংজ্ঞায়িত হয়,ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ধরা দেয় সেটা লেখক খুব স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরেছেন। বইটির প্রধান চরিত্র হাসনাইন কে পাঠক সুখের ফেরিওয়ালা হিসেবে গ্রহন করতে পারবেন খুব সহজে। (আমার কাছে তাকে সুখের ফেরিওয়ালা ই মনে হয়েছে। এতে লেখকের বা অন্য পাঠকদের দ্বিমত থাকতে পারে) কারন, হাসনাইন চরিত্র টি খুবি সহজ-সাবলিল এবং গ্রহনযোগ্য একজন মানুষের প্রতিচ্ছবি যেমনটা আমরা সবাই খুব কাছের একজন মানুষের মধ্যে দেখতে চাই। বেশ কয়েকটি আলাদা চরিত্রের সাথে খুব সাবলীল ভাবে মিশে যাওয়া হাসনাইন কে পুরো কাহিনির কোথাও বোরিং বা অতি নায়কীয় মনে হয়নি। বইটির একটি অংশে দুই রবিউলকে পড়তে গিয়েও এক রকমের থ্রিলিং অনুভূতি পেয়েছি। অন্যদিকে,হাসনাইনের ভালবাসার মানুষটির অনুপস্থিতি শোক নয়,বরং তার ভালবাসা অনেকটা অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করেছে বলে আমার মনে হয়েছে। 🔹"বৃষ্টিকে ভালবাসো দেখবে বৃষ্টিও তোমাকে ভালবাসবে। ভালবাসা তুচ্ছতাচ্ছিল্যের বিষয় না।ভালবাসা দিলে তা বহুগুণে ফেরত আসে।"🔹(সুখ সায়রে) মীরার এই উক্তি প্রায় পুরো লেখাতেই প্রমাণ করেছেন লেখক। এবং আমার কাছেও কথাটা খুবি বাস্তবসম্মত লেগেছে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো; একটা খুব যুগোপযোগী ম্যাসেজ রয়েছে বইটিতে! যেটা কোনোভাবেই আগেভাগেই প্রেডিক্ট করতে পারবেন না পাঠকরা! আমিও পড়তে পড়তেই সারপ্রাইজড হয়েছি!! এই ম্যাসেজ টা একাধারে ধর্মীয়, সামাজিক এবং মানসিক প্রশান্তির সাথে সম্পৃক্ত। আমার বিশ্বাস, "সুখ সায়রে"র এই ম্যাসেজ টা অনেক পাঠককেই নতুন করে ভাবাবে! এবং সেটা যদি হাসনাইনের মতো প্ল্যান করে এপ্লাই করা যায় তাহলে শুধু মাত্র গল্পের পট পরিবর্তন নয়,বাস্তব জীবনেও অনেক পজেটিভ প্রভাব পড়বে। তবে বইটা পড়তে পড়তে রীতু নামের মেয়েটির জন্য কষ্ট হয়েছে। তার ভালবাসা হয়তো কখনোই পূর্নতা পাবেনা।কিন্তু কারো জন্য এই এক তরফা ভালবাসা টুকু আগলে রাখতেই বা ক'জন পারে! 🔹"একটা মানুষ এক জীবনে সবাইকে সুখি করতে পারেনা।"🔹(সুখ সায়রে) তাই হয়তো সুখের ফেরিওয়ালা হাসনাইনের পক্ষেও সবাইকে সুখের ঠিকানা দেখানো সম্ভব হয়না! পুরো বইটি জুড়ে অনেক গুলো ছোট বড় চরিত্র আছে। এদের সবার জীবনের গল্প গুলো আবার একেবারেই আলাদা। পাঠকদের অনেকেই এদের কারো না কারো মধ্যে নিজেকে খুঁজে পাবেন হয়তো! যেকোনো গল্পের চালিকাশক্তি হলো পাঠক গল্পের মধ্যে কোনো একটি চরিত্রে নিজেকে আবিষ্কার করে,নিজেকে কল্পনা করে এবং মজা পায়। যদিও, এই বইয়ের কোনো চরিত্রে আমি নিজেকে খুঁজে পাইনি তবুও পুরো বইটি পড়তে আমার একটুও বোরিং বা মনোটোনাস লাগেনি। কারণ, প্রাঞ্জল ভাষার ব্যবহার আর শেষ টা জানার আগ্রহ আমাকে একেবারে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়েছে কোনো রকম একঘেয়েমি ছাড়া। নতুন লেখক মোঃ তানিম উল ইসলাম এর জন্য শুভকামনা। বইটি পড়ে মনে হয়েছে তিনি আরো ভালো ভালো লেখা পাঠকের জন্য লিখতে পারবেন। আর,আশা করছি, পাঠক রাও অনেক লেখার ভীড়ে তানিমের লেখা খুঁজবেন। আমি ওনার আরো নতুন বইয়ের অপেক্ষায় থাকবো।💛"
Zuma Akter , Feb 24, 2020
""বোকা মানুষের আকাশ থাকে। আকাশ ভরা তারা থাকে। থাকে না শুধু চোখ!" -সুখ সায়রে💙 অপেক্ষা বিফলে যায়নি।বইটা পড়ে ভাল লাগল।আমাদের সমাজে আসলেই অনেক অনেক হাসনাইন দরকার।যাদের মহৎ প্রচেষ্টাতেই সম্ভব সমাজে প্রকৃত সুখের বিস্তার করা। দোয়া করি এমন হাজারো বই লেখার সামর্থ্য আল্লাহ আপনাকে দিক।শুভকামনা রইল মোঃ তানিম উল ইসলাম ভাইয়া।অপেক্ষায় রইলাম নতুন বইয়ের।😊"
Rakib Hosen , Feb 18, 2020
"সমকালীন উপন্যাস:- সুখ সায়রে লেখক: মোঃ তানিম-উল-ইসলাম। স্টল নং:- 698 সহজ জিনিস সহজে বুঝা যায় না, সহজ কথা সহজে বলা যায় না, সহজ লেখাও সহজে কিন্তু লেখা যায় না। ________________________ বই মনের পরিধি বাড়ায়। কেন এ কথাটি বলা হয়েছে-কখনো প্রশ্ন করেছেন নিজেকে? সুখ সায়রে একটি উপন্যাস। নিঃসন্দেহে এটি একটি উপন্যাস। আপনি এই উপন্যাসটি পড়ে বুঝতে পারবেন উপন্যাস কী? সুখ সায়রে আপনাকে উপন্যাসের প্রতি তীব্র ভালোবাসা জন্মে দিবে। ওই যে কথায় আছে প্রথম দেখায় প্রেম। ______________ আমি সর্ব প্রথমে লেখক এর প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ জ্ঞাপন করিতেছি। এত সুন্দর ভাবে বইটিকে উপস্থাপন করার জন্য।সভ্যতার মানদন্ড ওতপ্রোতভাবে জড়িত, এর লেখা প্রতিটি পাঠকের হৃদয় কেড়ে নেবে নিঃসন্দেহে। প্রতিটি পাঠক নিঃসন্দেহে হারিয়ে যাবে সুখ সায়রের সাগরে। লেখক তার বইটি বিভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করেছে, অসামাজিক কোন কর্মকান্ড লেখক এখানে উপস্থাপন করেননি এবং উপস্থাপন করার চেষ্টাও করেনি। __________________________ বিশ্ব বিখ্যাত মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের মৃত্যুর কিছুটা রহস্য এখানে খুঁজে পাবেন। লেখক বলেছেন তাঁর লেখায়- তোমার ইচ্ছে হলে তুমি মানুষকে দেখিয়ে দেখিয়ে কাঁদতে পারো, আবার ইচ্ছে হবে না গুমড়ে গুমড়ে কাঁদতে পারো , দুটোতেই মনের ব্যথা কমে। _______ কতটা পরিমার্জিত লেখক হলে এমন সুন্দর কথাগুলি উপস্থাপন করতে পারে। আপনার আমার মনের বাসনা থেকেই এই উপন্যাসটি তৈরি হয়েছে। প্রত্যেকটি বাক্য আমাকে ভাবিয়ে তুলে আমাকে হারিয়ে নতুন পরিচয় দিতে শিখিয়ে দেয় উপন্যাসের সহিত আমাকে লিখতে শিখায়।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সুখ সায়রে" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: