১ম প্রকাশ, ২০২১
সসেমিরা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সসেমিরা |
| Author | নাবিল মুহতাসিম |
| Publisher | অবসর প্রকাশনা সংস্থা |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 160 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.31 Kg |
| ISBN | 9789848799789 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
7 Ratings and 7 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৭টিMd Anisuzzaman , Apr 16, 2026
"গল্প টা আনেক বাস্তব ধর্মী ও আেনক মজাদার"
Ahsanul Hoque , Aug 30, 2023
"নাবিল মুহতাসিম এর সেরা উপন্যাস"
Zerin Jannat , Feb 13, 2022
"Loved reading this thriller! Best wishes for the author and hope to see continuation of this novel."
Ajwad Bari , Feb 6, 2022
"solid 4 stars"
Kibo Mahojenin Khan , Jun 25, 2021
"#Progoty_Book_Club_Review_Competition বই : সসেমিরা লেখক : নাবিল মোহতাসিম রিভিউ দাতা : কিবো মাহজেনিন খান পার্সোনাল রেটিং : ৪/৫ কখনো দেখেছেন কোনো মার্ডার মিস্ট্রি বইয়ে পুলিশ বা হোমিসাইড অফিসার আসল হিরো না হয়ে পুলিশের সোর্সকে আসল হিরো হতে? উত্তরবঙ্গে কীর্তিমারিতে যদি আসেন তবে বোধহয় দেখতে পাবেন কিভাবে একজন পুলিশের ফেউ পুরো শহরকে এক অদ্ভুত রহস্য থেকে উদ্ধার করে। কীর্তিমারিকে মোটামুটি শান্ত শহরই বলা যায়। কিন্তু হঠাৎ করে এক দাগী আসামি যখন ছুরির আঘাত নিয়ে শহরে ফিরে আসে তখনই সব বদলে যেতে থাকে। সেই রাতেই শহরের সবচেয়ে বনেদি পরিবার, বসুনিয়া পরিবারের বউ নিখোঁজ হয়ে যায়। হারিয়ে যায় মোঘল আমলের চুনি পাথর। শহরের রেডলাইট এরিয়ায় কার যেন আনাগোনা দেখা যায়। এ সব কিছুর মধ্যে কি আসলে কোনো সাদৃশ্য আছে নাকি সবই শুধু বিচ্ছিন্ন ঘটনা? চারিদিকে যেন সসেমিরা! পুলিশ কি পারবে এই অবস্থার উন্নতি করতে? নাকি ত্রাতা হিসেবে কোনো এক উচ্ছন্নে যাওয়া পুলিশের ফেউকে হাজির হতে হবে? পাঠ প্রতিক্রিয়া : আসলে প্রথমে এই বইটা কিনেছিলাম নাম দেখে। সসেমিরা বলে যে একটা বাংলা শব্দ আছে তাই জানতাম না! এবং বইটি পড়েও একদম হতাশ হতে হয়নি। গল্পের প্লট খুব সাধারণ। কিন্তু লেখক তার লেখনীর মাধ্যমে এই সাধারণ প্লটেই সুন্দর গল্প লিখেছেন। সাধারণত এই ধরনের প্লটে লেখা গল্প আমাকে টানতে পারে না। কিন্তু এই বইটা একদম এক বসায় শেষ করেছি। ছোট একটা শহরকে কেন্দ্র করে লেখা। চরিত্রও আহামরি অনেক না। গল্প যত এগিয়েছে শহরের বাসিন্দাদের সাথেও পরিচয় হয়েছে আবার রহস্যও ঘনীভূত হয়েছে। এ ধরনের শহর কেমন হয় এবং কিভাবে সবাই একে অন্যের সাথে কানেক্টেড থাকে সেসব ফুটে উঠছিল ধীরে ধীরে। এই বইয়ের চরিত্র গুলো বেশ বিচিত্র ও ইন্টারেস্টিং। এই যেমন কামাল, বস্তিতে থাকে, চেহারা চাল-চলনের কোনো বালাই নাই, অথচ কি বুদ্ধির ধার! লেখক এই চরিত্রের মধ্যে যা যা দেখাতে চেয়েছেন সেসবই ফুটে উঠেছে। আবার সাইফ বসুনিয়া শহরের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান অথচ কি রগচটা। লেখক প্রত্যেকটা চরিত্রকেই বেশ যত্ন নিয়ে সৃষ্টি করেছেন। তাছাড়া রয়েছে শহরের বর্ণনা। আপনি যদি কখনো নাও গিয়ে থাকেন উত্তরবঙ্গে আপনার চোখের সামনে ভাসতে থাকবে সেখানকার সৌন্দর্য! কিছু কমন ট্রোপ ছিলো গল্পে যা প্রায় সব মিস্ট্রি বইয়ে থাকে। কিন্তু তাও কোনো জায়গায় গিয়ে মনে হচ্ছিলো না যে এটা বাদ দিলেও চলতো বা এমন কিছু। আর একদম মেদহীন লেখা। কিন্তু কাহিনীর বিল্ড আপ যত ভালোই হোক না কেন তত ভালো টুইস্ট ছিলো না বইয়ে। সবগুলো টুইস্টই আগে থেকে বোঝা যাচ্ছিলো। এই একটা ব্যাপার বেশ খারাপ লেগেছে। কিন্তু তরপরও শেষ করতে খারাপ লাগেনি।"
Chowdhury Production , Apr 10, 2021
"বইয়ের নাম : সসেমিরা লেখকের নাম : নাবিল মুহতাসিম লেখক পরিচিতি : বাজিকর রিভিউদাতা : মুনতাসির মামুন চৌধুরী ঘরানা : থৃলার প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২০২১ ©লেখকের প্রচ্ছদ : পার্থপ্রতিম দাস ISBN : 978-984-8799-78-9 মুদ্রণস্থান : নিউ পূবালি মুদ্রায়ণ পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৫৯ অধ্যায় : ২২ প্রকাশনী : অবসর মূল্য : ৩০০ টাকা অনলাইন প্রাপ্তিস্থান : বিবিধ প্রিভিউ : এক আহত দাগী আসামির শহরে প্রত্যাবর্তন যে তার জীবনের শেষ অপরাধের সূত্র রেখে গেছে একটা হেঁয়ালিতে। এদিকে শহরের সবচে বনেদি পরিবারের বৌ আর তার বাচ্চা মেয়ে নিখোঁজ যাদের খুঁজতে গিয়ে এমন সব আলামত পাওয়া যাচ্ছে যেগুলো রাতের ঘুম নাই করে দিচ্ছে ঝানু পুলিশ ইন্সপেক্টর রইসেরও। আর এই দুই ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র খোঁজার জন্য গোটা শহর চষে বেড়াচ্ছে হাড় হাভাতে চেহারার এক লোক। সে কি পারবে এই দুই রহস্যের কিনারায়,কোনো ভূমিকা রাখতে? ব্যক্তিগত মতামত : পাঠক বাহেরা,তোমরাগুলা বসি পড়,নাইলে কিন্তু আমি কথা কবো না। বসিছো? তাইলে এবার শুরু করি। আমাদের চারপাশে প্রবল অসুস্থ মন-মানসিকতার অনেক মানুষ বাস করেন যাদের হয়তো আপাতদৃষ্টিতে নিপাট ভদ্রলোক বলেই মনে হয় আমাদের। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের একজন নামকরা শিক্ষক যিনি নৈতিকতার ফেরিওয়ালা, তিনি হয়তো বাড়ির গৃহকর্মী বা স্ত্রী-সন্তানের ওপর শারীরিক-মানসিক অত্যাচার করে আনন্দ পান। কিংবা অফিসের কোনো পুরুষ কর্মকর্তা যিনি বাড়িতে একজন নিপাট ভদ্রলোক,স্নেহময় পিতা, আদর্শ স্বামী তিনি হয়তো তার অফিসের অধস্তন নারী কর্মচারীদের কাছে অস্বস্তির এক নাম। আরে এতো দূরে যাবার দরকার কী,এই উপন্যাসের কামালকেই দেখুন না। এরকম গাল ভাঙা হাভাতে চেহারা আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলা লোকটাকে দেখলে আপনার কখনো মনে হবে যে সে আপনাকে একবার দেখেই বলে দিতে পারবে আজ বিকেলে আপনি শহরের কোন কোণায় বসে কী করছিলেন? কিছুটা স্বপ্রণোদিত ভাবেই এই দুই রহস্যের কিনারায় মাঠে(ক্রিকেট গার্ডেনেরটা না) নেমেছিল বইয়ের পোকা স্বশিক্ষিত চালচুলোহীন কামাল কিছুটা সহজাত পর্যবেক্ষণশক্তি আর বই পড়া বিদ্যা নিয়ে। এই উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র এটা। বিশেষ করে তার বর্ণনা যেভাবে জায়গায় জায়গায় দেয়া হয়েছে সেটা এককথায় অসাধারণ। এটা এবং লেখকের আগের কিছু লেখা পড়ার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, উনি সমাজের প্রায় প্রান্তিক চরিত্রগুলোকে অসম্ভব মমতা দিয়ে তৈরী করতে পারেন...এমনকি যারা বাস্তবজীবনে এই শ্রেণীর মানুষজনের সাথে মেশেননি সেভাবে বা শুধুমাত্র টিভির পর্দায় খবরে দেখেছেন শুধু এমন লোকদের, তারাও বোধকরি মোটামুটি জ্যান্ত একটা ধারণা পেতে সক্ষম হবেন তার জীবন্ত লেখনীর কারণে। নাবিল মুহতাসিম লেখায় সরাসরি পাঠকের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করেন তার লেখাগুলোতে যা একটা আপন আপন বা আড্ডাসুলভ অনুভূতি দেয় পাঠককে আর পাঠকের মনোযোগ আরো বেশি ধরে রাখে। আর পাতায় পাতায় টুইস্ট আর সাসপেন্স ধরে রাখা বর্ণনাভঙ্গির কথা তো আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এই বইটা উত্তরবঙ্গের মানুষজনের কাছে যতটা আপন হয়ে উঠবে ভাষাগত এবং স্থানগত কারণে, তারা যতটা আনন্দ পাবেন বইটা পড়ে...অন্যরা সে তুলনায় একটু হলেও কম পাবেন। অন্তত আবেগীয় পার্থক্যের বেশকম তো থাকবেই। বাই দ্য ওয়ে, মিঠাপুকুরের জোড়া খুনের ঘটনাটা নিয়ে আরেকটা উপন্যাস চাই। সবশেষে ছাত্রজীবনে শুনে আসা একটা টিপিক্যাল ডায়ালোগ একটু অন্যভাবে দিয়ে ইতি টানবো। আপনারা যে লেখকেরা অশ্লীলতা,বিছানা দৃশ্য আর ডাবল মিনিংঅলা সংলাপকে থৃলারের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বানিয়ে ফেলেছেন আপনারা যারা দুনিয়া কাঁপানো আবিস্কার বা গুপ্তসংঘ ছাড়া থৃলার লেখার কথা ভাবতেই পারেন না আপনাদের যাদের কাছে নায়কমাত্রেই "সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা" দ্বারা পরিচালিত আপনাদের যারা যারা সিরিজের প্রথম লেখাতেই নায়ককে দেশ-বিদেশখ্যাত বানিয়ে দেন আপনাদের যারা পশ্চিমা থৃলারের আদলে দেশীয় থৃলারে অবাস্তব সব উপাদানের পসরা সাজান আপনারা যারা পশ্চিমা থৃলারের ছাঁচবিহীন থৃলারগুলোর প্রসঙ্গ আসলে নাক সিঁটকোন আপনারা যারা হালের সেবা বিদ্বেষী আপনাদের যারা দেশীয় থৃলারের ভিত হিসেবে সেবার অবদানকে অস্বীকার করেন আপনারা, আপনারা সব্বাই নাবিল মুহতাসিমের পা ধোয়া পানি খান। এক চিমটি স্মৃতিচারণ : খুব সম্ভব ২০০৯ থেকে বাতিঘরের(আরে ভাই, জানি এটা বাতিঘরের লয়) বই পড়া শুরু করি। প্রায় ১০ বছর মতো হতে চললো। প্রথমদিকে বাতিঘর থেকে খুব বেশি মৌলিক বের হতো না বলে সবগুলোই কেনা হতো, পড়াও। কিন্তু ধীরে ধীরে মৌলিকের সংখ্যা বেড়ে চললো, আগের মতো সব কেনা সম্ভব হয় না। কিছুটা আর্থিক কারণে। বাকিটা বয়স। শারীরিকভাবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে পাঠক মনের বয়সও। পড়ার অভ্যাসটা একটা নির্দিষ্ট কমফোর্ট জোনের মধ্যে চলে আসছে ধীরে ধীরে, কমছে নতুন লেখকের বই নেড়েচেড়ে দেখার ইচ্ছেটাও। নির্দিষ্ট কিছু লেখকের বইই পড়া হচ্ছে ঘুরে-ফিরে। তাদের মধ্যে নাবিল মুহতাসিম অন্যতম প্রধান। বাতিঘরের প্রথমদিকের লেখকেরা এখন বাতিঘর ছাড়াও অন্যান্য জায়গাতেও লিখে থাকেন। তাদের নতুন নতুন বইগুলোর ওপরে প্রকাশনীর লোগোটা হয়তো বদলেছে, কিন্তু বইয়ের ভেতরে ঠিক খুঁজে পাই চেনা বাতিঘরীয় আমেজ। লেখকেরা বই উৎসর্গ করেন, রিভিউয়াররা রিভিউ উৎসর্গ করতে পারেন কিনা জানি না। পারলে এই রিভিউ উৎসর্গ করবো দুজনকে, নিয়াজ মেহেদী এবং মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনকে, নাবিল মুহতাসিম লেখক নাবিল মুহতাসিম হয়েছেন যাদের হাত ধরে।"
Mahmudul Hasan , Mar 31, 2021
""বাজারে বা পথেঘাটে তাকে দেখলে দুইবার ফিরে চাইবেন না আপনি। অতি সাধারণ চেহারা—মাথার চুল কাকের বাসা, আধভাঙা গালে সাতদিনের না-কামানো দাড়ি, রোদেপোড়া চামড়া নিশ্চয়ই সারা দিন বাইরে ঘোরার ফল, কালচে ঠোঁট দেখে বোঝা যাচ্ছে সিগারেটপ্রীতিটা অতিরিক্ত। একহারা গড়ন, সাড়ে পাঁচ ফিটের একটু বেশি লম্বা। পৌরবাজারে মাছ কেনার সময় বা শ্যামপুর স্টেশনের ভিড়ে এই লোক আপনার পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেও টের পাবেন না। খালি চোখটা বাদে। ওই তীক্ষ্ণ ছুরির মতো নজর যেন ভেতরটা দেখে ফেলে। এমন চোখের সামনে ন্যাংটো মনে হয় নিজেকে।" এভাবেই দৃশ্যপটে প্রথম প্রবেশ করে নাবিল মুহতাসিমের ডিটেকটিভ 'টিকটিকি' কামাল। শার্লকের মতো অবজারভেশন ক্ষমতা দিয়ে মানুষকে চমকে দেবার ঝোঁক বাদ দিলে ডিটেকটিভ হিসেবে কামালের মতো ইউনিক ক্যারেক্টারাইজেশন আর দেখিনি! কামাল ইন্সপেক্টর রইসের একজন সোর্স বা ইনফরমার। সে প্রচণ্ড বই পোকা—সারাদিন সস্তা স্মার্টফোনে পিডিএফ পড়ছে। উত্তরবঙ্গের চলিত ভাষা ব্যতীত তাকে কথা বলতে শোনা যায়নি। কিন্তু তাবৎ বিষয় সম্পর্কেই ওয়াকিবহাল সে, এলাকার কোনো খবর তার অজানা নয়। একটা ক্লোজ-নিট-কম্যুনিটিতে যাওবা গোপনীয়তা থাকার কথা সেটাও কামালের নখদর্পনে রয়েছে। এমন একজন স্ট্রিট-স্মার্ট লোকের অনুসন্ধিৎসু মন থাকা বা গ্রে-সেলের সার্থক প্রয়োগ করতে পারা ব্যাপারটা সেন্স-মেক করে। এই বিচারে কামাল একজন খুবই খুউল ড্যুড—আমার ভীষণ পচ্ছন্দ হয়েছে, মনে দাগ কেটেছে। সামগ্রিকভাবে সসেমিরা এমনই এক সম্পূর্ন ভিন্ন ধারার ডিটেকটিভ থ্রিলার। সসেমিরার আভিধানিক অর্থ কিংকর্তব্যবিমূঢ়, তবে এর পৌরাণিক ব্যাপ্তি ভিন্ন। আমার মনে হয়েছে উপন্যাস সসেমিরা সেরকম লার্জার দ্যান লাইফ একটা মাত্রা এনেছে। ডিটেকটিভ উপন্যাসের সীমানা ভেঙ্গেচুরে একাকার করে দিয়েছে। পৌরাণিক সসেমিরার সাথে যে সাদৃশ্য টানা হয়েছে কামালের চিত্রায়ণে তার আবেদন অসামান্য। গড়পড়তা ডিটেকটিভ উপন্যাসের কমন ট্রোপগুলোও সার্থকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রধান চরিত্রের থট-প্রসেসে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, বিশেষ করে ১৭তম অধ্যায়ে। সত্যেন্দ্রনাথের ছিন্নমুকুলকে যেভাবে সাংকেতিক ভাষায় ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে তা অতুলনীয়। ২য় চ্যাপ্টার আমার সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে! এটা যে কোনো সুস্থ মানুষের মনে ভয় ধরিয়ে দিতে বাধ্য। এই ডিটেইলিংকেই আমি লেখকের ব্রক্ষাস্ত্র ধারণা করি। হোক সেটা ক্যারেক্টারাইজেশনে, গল্পের বুননে কিংবা আবহ, পরিবেশ বর্ণনাতে—মাত্রাছাড়া স্বতঃস্ফূর্ত উনি। আমার জানা নেই উনাকে কেউ আগে বলেছেন কিনা বা উনার কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা তবে আমার বৌ আর আমি, আমাদের নিজস্ব আলাপে কনভিন্সড যে উনি চমৎকার ফ্যান্টাসি লিখতে পারবেন। উনার নিজস্ব পৃথিবী তৈরির সাংঘাতিক ক্ষমতা আছে। কিছু অতি-নাটকীয় ব্যাপারও যে নেই তা বলবোনা, স্পেশালি নায়কের মার খেয়ে ভর্তা হয়ে যাবার পর কাহিনী ব্যাখ্যা করা, লায়লার সাথে এলাবোরেটেড সিক্যুয়েন্সটা। তবে সেগুলো ধারণা করি পরিমিত মশলা, যার অপব্যবহার হবেনা ভবিষ্যতে। নোলানের টেনেটের সাথে একটা আনক্যানি রিজেম্ব্লেন্স আছে শেষ দৃশ্য সহ, অ্যাবিউসিভ হাসব্যান্ডের পাওয়ারপ্লের দিক থেকে! যদিও সেটা শুধুমাত্র একটা যৎসামান্য মিল ছাড়া আর কিছুনা। বেশ কিছু অমীমাংসিত ব্যাপার আছে, বিশেষ করে কামালের ব্যাকস্টোরি। আশা করছি টিকটিকি কামালকে নিয়ে ভবিষ্যতে আরও কাজ হবে। আমার পড়তে দারুণ লাগবে। বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন পার্থপ্রতিম দাস, উপন্যাসের সাথে দারুণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে। নজরকাড়া, ভিন্নধর্মী টাইপোগ্রাফি যা পৌরাণিক ভাবসহ গল্পের সাথে দারুণভাবে ম্যাচ করেছে। বইয়ের ফ্ল্যাপটাও চমৎকারভাবে লেখা, গল্পের পাশাপাশি কীর্তিমারি জেলা শহরে যে ইনভিটেশন দেওয়া হয়েছে তা অগ্রাহ্য করা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে! অবসরের বইগুলোর ব্যাপারে একটা কথা না বললেই না, বানান ভুলের পরিমাণ নগণ্য। কাগজ, বাঁধাই এগুলোও দারুণ। তবে আমার বইটার হার্ডকভারটা জুতের না, একটু পড়তে গিয়েই বেঁকে গেছে। বই : সসেমিরা লেখক : নাবিল মুহতাসিম প্রকাশনা : অবসর প্রকাশনা সংস্থা প্রকাশকাল : ২০২১ প্রচ্ছদ : পার্থপ্রতিম দাস পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১৫৯ মলাট মূল্য : ৩০০"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সসেমিরা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: