১ম প্রকাশ, ২০১৩
স্রষ্টা ধর্ম জীবন
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | স্রষ্টা ধর্ম জীবন |
| Author | ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপ্স |
| Publisher | সিয়ান পাবলিকেশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 84 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.13 Kg |
| Translator | মাসুদ শরীফ,সানজিদা শারমিন,কবির আনোয়ার,মোদাসদের বিল্লাহ |
| Editor | শরীফ আবু হায়াত অপু,আবু তাসমিয়া আহমদ রফিক,ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী |
| ISBN | 9789843376763 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
25 Ratings and 10 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১০টি
Nusrat Jahan Suha , Nov 24, 2025
"ভাল লেগেছে।নিজের ঈমান আর বিশ্বাস শান দেয়ার জন্য এ ধরনের বই খুবই উপকারী।লেখকের আর অনুবাদকের প্রতি কৃতজ্ঞতা।"
Anisur Rahman , Sep 15, 2025
"আলহামদুলিল্লাহ। বইটি পড়ছি, ভাল লাগছে।"
Mohammad Shahin Rahman , Sep 17, 2022
"তাওহীদ বিষয়ে অসাধারণ একটাি বই"
Sayeed Ahmed , Jan 19, 2022
"books are good. but need update delivery service"
Md Rubail Khan , Sep 7, 2021
"Valo service"
ফাহিম আবরার , Nov 29, 2019
"বইটি মূলত বিলাল ফিলিপ্স রচিত ‘True Religion of God’, ‘Purpose of Creation’, ‘Is there any True Religion?’ এবং ‘Did God Become Man?’ – এই চারটি প্রামাণ্যিক প্রবন্ধের সুবিন্যাস্ত অনুবাদ। বইটিকে তিনটি অধ্যায়ে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম অধ্যায়ের নাম জীবন। বই শুরু হয়েছে জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে সুন্দর একট ি আলোচনার মাধ্যমে। লেখক এ অংশে নাস্তিক্যবাদী নানা মতবাদের ব্যাবচ্ছেদ করেছেন। পরিসংখ্যানের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন, বিশ্বের অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করে যে, এ দুনিয়ার একজন স্রস্টা আছেন, এমনি এমনি সৃষ্টি হয়নি। সমস্যা শুরু হয় স্রস্টা কি আসলেই জীবনযাপনের কোন নিয়মনীতি দিয়েছেন কিনা এবং তা মানা নিয়ে। অধিকাংশ মানুষ এ ব্যাপারে উদাসীন, অথচ এ ব্যাপারটি কতই না গুরুত্বপূর্ণ তা লেখক তুলে ধরেছেন বিশ্লেষনের মাধ্যমে। লেখক সহজ যুক্তিপ্রমাণের সাহায্যে দেখিয়েছেন যে, স্রস্টা আমাদের জন্য সুনির্দিষ্ট জীবনবিধানও দিয়েছেন এবং স্রস্টার শুধু অস্তিত্বে বিশ্বাস করলেই হবেনা, তার দেওয়া জীবনবিধানও মেনে চলতে হবে। এ অংশে লেখক কিছু বহুল প্রচলিত স্রস্টা বিষয়ক প্রশ্নের সহজ ও অনবদ্য জবাব দিয়েছেন। শয়তান মানুষের মনে নানা প্রশ্ন জাগিয়ে মানুষকে সত্য ধর্ম তালাশ করতে বাঁধা দেয়, নিরুৎসাহিত করে।’বিশ্বে এত এত ধর্ম কেন?’, ‘কোন ধর্ম সঠিক?’ ‘ধর্মই কী অধর্মের মূল নয়?’ ‘কেন পৃথিবীতে এসেছি?’ – এধরনের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছেন লেখক এ অধ্যায়ে। স্রস্টার দেওয়া স্বাধীনতা আর নির্দেশ যে এক কথা নয় এবং ইবাদাতের মর্ম ও উদ্দেশ্য কী তা সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। অপনোদন করেছেন বিবর্তনবাদের। লেখক শুধু ফিলোসফি কপচান নি। কুরআন হাদীস থেকে জবাব দিয়েছেন। কিয়ামতের দিন সকল অত্যাচারিত যে ন্যায়বিচার পাবে তা তুলে ধরা হয়েছে এ অংশে। বর্ণনা করা হয়েছে স্রস্টার অনুগ্রহ ও করুণার স্বরূপ।জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে নানা ধর্মের মত রেফারেন্সসহ তুলে ধরে সবশেষে কুরানের মত তুলে ধরে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের অসাড় বাণী আর কুরআনের অখন্ডনীয় যুক্তি ও তার সার্থকতা তুলে ধরেছেন সফলতার সাথে। দ্বিতীয় অধ্যায়ের নাম স্রস্টা। এখানে লেখক স্রস্টার পরিচয় বর্ণনা করে তুলে ধরেছেন স্রস্টাকে কীভাবে চেনা যায়। শুরুতেই ফিতরাতের আলোচনা করেছেন। এর সাথে হালের বিজ্ঞানের সদ্য আবিষ্কৃত মস্তিষ্কে ‘গড স্পটের’ অবস্থান তুলে ধরেছেন। বোনাস হিসেবে যুক্ত করেছেন ‘গড স্পট’ নিয়ে স্টিভ কনরের করা সানডে টাইমস এর প্রতিবেদন। প্রশ্ন জাগে, ফিতরাত থাকলে মানুষ কেন স্রস্টাকে ভুলে যায়? লেখক এ প্রশ্নেরও যথাযথ উত্তর দিয়েছেন। স্রস্টা নিয়ে মানবসমাজে নানা বিভ্রান্তি প্রচলিত আছে। কেউ সৃষ্টিকে স্রস্টা বানায়, কেউ মানুষকেই বসিয়ে দেয় স্রস্টার আসনে আবার কেউ স্রস্টাকে নামিয়ে দেয় মানুষের রূপে। কেউ বলে সৃষ্টির মাঝে স্রস্টা একাকার হয়ে আছেন আর কেউ বলেন স্রস্টা সন্তান গ্রহণ করেছেন।লেখক প্রত্যেকটি ভ্রান্ত বিশ্বাসের অপনোদন করেছেন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সহজবোধ্য যুক্তি প্রমাণ দিয়ে। কিছু উদাহারণ দেই। স্রস্টা সবকিছু করতে সক্ষম হলে মানুষ হতে পারেন না কেন? অথবা স্রস্টা জন্মগ্রহণ বা মৃত্যুবরণ করতে পারেন না কেন? – এর উত্তরে বলেন, স্রস্টার সংজ্ঞাতেই বলা আছে যে তিনি একজন চিরন্তন সত্তা। শাশ্বত এ সত্তার কোন শুরু বা শেষ নেই। তাই এ ধরনের প্রশ্ন অবান্তর। ‘স্রস্টা সবকিছু করতে সক্ষম’ – বাক্যের ‘সবকিছু; থেকে সেগুলো বাদ যাবে যেগুলো তার সিফাতের সাথে সাংঘর্ষিক; যেগুলো তার শ্বাশ্বত গুণাবলীর বাইরে যায় বা স্রস্টাকে নিম্নতর আসনে নামিয়ে দেয়। যেমন ভুলে যাওয়া, ঘুমানো ইত্যাদি। ‘সবকিছু’ শব্দের ভেতর কেবল সেসব বিষয়ই থাকবে যেগুলো তা্র স্রস্টা হওয়ার সাথে সংগতিপূর্ণ। তেমনিভাবে স্রস্টা নিজে সৃষ্টিতে পরিণত হওয়ার মানে হল স্রস্টাই নিজে নিজেকে সৃষ্টি করেছেন – যা অযৌক্তিক। স্রস্টার চিরন্তন হওয়ার সাথে সাংঘর্ষিক। লেখক এ অংশে এসব ভ্রান্ত মতবাদের কারণ হিসেবে মানুষের সীমিত বোধশক্তিকে তুলে ধরেছেন। রচনার শেষ অংশে স্রস্টাকে কীভাবে পাওয়া যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। ইসলামের মূল বার্তাই হচ্ছে এক ও একক স্রস্টার ইচ্ছার কাছে নিজেকে সমর্পণ করা। ইবাদাতের অধিকার ও ইবাদাহ করার যোগ্য সত্ত্বা একমাত্র আল্লাহই। শেষ অধ্যায়ের নাম ধর্ম। শুরুতেই সত্য ধর্ম নিরুপণে লেখক ৯ টি ক্রাইটেরিয়া নির্ধারণ করেছেন যা বোধসম্পন্ন প্রত্যেক সত্যাশ্রয়ীই মেনে নিবেন। লেখক নিজে একজন সত্যাশ্রয়ী ও সত্য ধর্মের অনুসন্ধানে সমগ্র জীবন ব্যয় করায় এব্যাপারে লেখকের মুন্সিয়ানা ফুটে ঊঠেছে। প্রত্যেকটি ক্রাইটেরিয়ার সুবিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের আলোকে। সেগুলো হলঃ ১/ স্রস্টা যে ধর্ম মনোনীত করেছেন তা হবে সার্বজনীন ২/ ধর্মের সব বিধান একই মূলসূত্রে গাঁথা থাকবে ৩/ উপাসনায় ব্যাপকতা থাকবে, সীমাবদ্ধতা, কতিপয় রসম রেওয়াজ বা মাত্রাতিরিক্ত সীমাহীনতা থাকবেনা। ৪/ ধর্মীয় মূলনীতি অবিকৃত ও অক্ষত থাকবে, যুগে যুগে বদলাবেনা ৫/ বিধিনিষেধের মধ্যে সামঞ্জস্যতা থাকতে হবে ৬/ জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট বক্তব্য থাকতে হবে ৭/ সমগ্র মানবতার জন্যে পাপ থেকে মুক্তিলাভের উপায় থাকতে হবে ৮/ ধর্ম গ্রন্থের সংরক্ষণ ৯/ যে নবী সত্য ধর্ম প্রচার করেছেন তিনি এমন কোন মুজিযা রেখে যাবেন যা কিয়ামাত পর্যন্ত থাকবে। এখানে লেখক অলৌকিক সেই মুজিযা হিসেবে কুরআন কে তুলে ধরেছেন। লেখক এ অংশে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের বিশুদ্ধতার দাবীর বাস্তবতা নিরূপণ করেছেন যুক্তির কষ্টিপাথরে, বুদ্ধি, বিবেক ও জ্ঞান দ্বারা ও কুরআনে বর্ণিত পূর্ববর্তী জাতিদের ব্যাপারে বর্ণিত আয়াতের নিরিখে। ★পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ জীবনের উদ্দেশ্য না জানলে মানুষের অস্তিত্ব অর্থহীন হয়ে পড়ে। জীবনটি শুধু শুধু অপচয় হয়। পরকালের অনন্ত পুরস্কারের সুযোগ হাতছাড়া হয়। তাই স্বভাবতই মানুষ এ প্রশ্নের জবাব খুঁজে ফিরে। এই প্রশ্নের স্পষ্ট , নির্ভুল উপায় পাওয়ার একমাত্র উৎস ঐশী গ্রন্থ। কিন্তু অধুনা মানুষ নানা যুক্তির ছলনায় সংশয়ে আবদ্ধ হয়। শায়খ বিলাল ফিলিপস সত্যাগ্রহী। তার সত্য ধর্মের সন্ধানে আধ্যাত্মিক ভ্রমণকেই তুলে ধরেছেন এ বইয়ে। জীবনের উদ্দেশ্য, স্রস্টার স্বরূপ ও সত্য ধর্মের বাস্তবতা এ বইয়ের প্রাণ। স্রস্টা সম্পদের অসম বন্টন কেন করলেন বা বিপদ আপদই বা আসে কেন এধরনের একগাদা প্রশ্নের সহজবোধ্য উত্তর দিয়েছেন বৈঠকি ঢং এ, তথ্য উপাত্ত সহকারে। বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালে। সেসময় নাস্তিকতার জবাব সম্বলিত খুব বেশী বই বাজারে পাওয়া যেতনা। আমি যদিও ততদিনে প্র্যাক্টিসিং হতে শুরু করেছি, তবুও মনের কোন এক অন্ধকার কুঠুরিতে কিছু প্রশ্ন থেকেই যেত যা শয়তান উদ্রেক করত। আসলে আগে সেকুলার বইপত্র বেশী পড়াতেই হয়ত। এ বইটি পাঠে আমার সেইসব কনফিউশন এত ভালভাবে দূর হয়ে যায় যে কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার নেই। বইটির বর্ণনাশৈলী মনোমুগ্ধকর। মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খেত যে, আমাজনের জংগলের কোন মানুষ যে ইসলাম নিয়ে জীবনে জানবেই না, সে কী জাহান্নামে যাবে? তার কী দোষ? লেখক এ বিষয়ে খুব মজার এক গল্প অবতারণা করেন। আমাজনের এক উপজাতি স্কোয়াচ নামক মূর্তির পূজা করে। একটি কুড়েঘরে মানুষরুপী মূর্তিটি বসানো ছিল। এক যুবক যখন পরম শ্রদ্ধায় মূর্তিকে সিজদাহ করছিল, তখন এক নেড়ি কুকুর মূর্তির উপর মূত্রত্যাগ করে। রাগত যুবক বহুদূর কুকুরকে তাড়া করে। ফিরে এসে ঠান্ডা মাথায় ভেবে সিদ্ধান্ত নেয়, এই মূর্তি তার রব নয়। যে নিজের এমন অপমানের শোধ নেয়ারই ক্ষমতা নেই সে আবার কিসের রব। এটিই ছিল, এই যুবকের জন্য স্রস্টার নিদর্শন। এভাবে জন্মের পর থেকে আমৃত্যু স্রস্টা মানুষকে তার নিদর্শন দেখিয়ে যান। যা দেখে নাড়া খায় তার ফিতরাত। সে বুঝতে পারে স্রস্টার অস্তিত্ব। আর শেষ বিচারের দিনে আল্লাহ কারো উপর অবিচার করবেন না। ★উপসংহারঃ সিয়ান প্রকাশনী বাংলাদেশে ইসলামী বই পাবলিকেশন্সের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড স্থাপনের প্রত্যয় নিয়ে এসেছে। এ বইও তার ব্যাতিক্রম নয়। বই এর নামকরণ যথার্থ। মলাট ও প্রচ্ছদ মনমাতানো। লেখকের লেখনী অনবদ্য। অনুবাদকের অনুবাদ প্রাঞ্জল। সম্পাদনা হয়েছে যত্নের সাথে। নতুন ধরনের সুন্দর বাংলা ফন্ট ব্যাবহার করা হয়েছে। বই ছাপা হয়েছে মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে। এক কথায় বই এর কোন ক্রুটি খুঁজে পাবেন না। তাই এই বইয়ের রেটিং এ কোন পয়েন্ট কাটতে পারিনি।"
A.Rahman , Sep 14, 2019
"সুন্দর বই"
Muhammad , Jun 21, 2019
"#প্রগতি_রিভিউ_প্রতিযোগ_জুন . বইঃ স্রষ্টা ধর্ম জীবন লেখকঃ ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপ্স প্রকাশনীঃ সিয়ান প্রথম প্রকাশঃ ২০১৩ রেটিং: 5/5 . ★বই পরিচিতিঃ বইটি মূলত বিলাল ফিলিপ্স রচিত 'True Religion of God', 'Purpose of Creation', 'Is there any True Religion?' এবং 'Did God Become Man?' - এই চারটি প্রামাণ্যিক প্রবন্ধের সুবিন্যাস্ত অনুবাদ। . বইটিকে তিনটি অধ্যায়ে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম অধ্যায়ের নাম জীবন। বই শুরু হয়েছে জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে সুন্দর একটি আলোচনার মাধ্যমে। লেখক এ অংশে নাস্তিক্যবাদী নানা মতবাদের ব্যাবচ্ছেদ করেছেন। পরিসংখ্যানের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন, বিশ্বের অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করে যে, এ দুনিয়ার একজন স্রস্টা আছেন, এমনি এমনি সৃষ্টি হয়নি। . সমস্যা শুরু হয় স্রস্টা কি আসলেই জীবনযাপনের কোন নিয়মনীতি দিয়েছেন কিনা এবং তা মানা নিয়ে। অধিকাংশ মানুষ এ ব্যাপারে উদাসীন, অথচ এ ব্যাপারটি কতই না গুরুত্বপূর্ণ তা লেখক তুলে ধরেছেন বিশ্লেষনের মাধ্যমে। . লেখক সহজ যুক্তিপ্রমাণের সাহায্যে দেখিয়েছেন যে, স্রস্টা আমাদের জন্য সুনির্দিষ্ট জীবনবিধানও দিয়েছেন এবং স্রস্টার শুধু অস্তিত্বে বিশ্বাস করলেই হবেনা, তার দেওয়া জীবনবিধানও মেনে চলতে হবে। এ অংশে লেখক কিছু বহুল প্রচলিত স্রস্টা বিষয়ক প্রশ্নের সহজ ও অনবদ্য জবাব দিয়েছেন। . শয়তান মানুষের মনে নানা প্রশ্ন জাগিয়ে মানুষকে সত্য ধর্ম তালাশ করতে বাঁধা দেয়, নিরুৎসাহিত করে।'বিশ্বে এত এত ধর্ম কেন?', 'কোন ধর্ম সঠিক?' 'ধর্মই কী অধর্মের মূল নয়?' 'কেন পৃথিবীতে এসেছি?' - এধরনের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছেন লেখক এ অধ্যায়ে। স্রস্টার দেওয়া স্বাধীনতা আর নির্দেশ যে এক কথা নয় এবং ইবাদাতের মর্ম ও উদ্দেশ্য কী তা সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। অপনোদন করেছেন বিবর্তনবাদের। . লেখক শুধু ফিলোসফি কপচান নি। কুরআন হাদীস থেকে জবাব দিয়েছেন। কিয়ামতের দিন সকল অত্যাচারিত যে ন্যায়বিচার পাবে তা তুলে ধরা হয়েছে এ অংশে। বর্ণনা করা হয়েছে স্রস্টার অনুগ্রহ ও করুণার স্বরূপ।জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে নানা ধর্মের মত রেফারেন্সসহ তুলে ধরে সবশেষে কোরআনের মত তুলে ধরে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের অসাড় বাণী আর কুরআনের অখন্ডনীয় যুক্তি ও তার সার্থকতা তুলে ধরেছেন সফলতার সাথে। । দ্বিতীয় অধ্যায়ের নাম স্রস্টা। এখানে লেখক স্রস্টার পরিচয় বর্ণনা করে তুলে ধরেছেন স্রস্টাকে কীভাবে চেনা যায়। শুরুতেই ফিতরাতের আলোচনা করেছেন। এর সাথে হালের বিজ্ঞানের সদ্য আবিষ্কৃত মস্তিষ্কে 'গড স্পটের' অবস্থান তুলে ধরেছেন। বোনাস হিসেবে যুক্ত করেছেন 'গড স্পট' নিয়ে স্টিভ কনরের করা সানডে টাইমস এর প্রতিবেদন। প্রশ্ন জাগে, ফিতরাত থাকলে মানুষ কেন স্রস্টাকে ভুলে যায়? লেখক এ প্রশ্নেরও যথাযথ উত্তর দিয়েছেন। । স্রস্টা নিয়ে মানবসমাজে নানা বিভ্রান্তি প্রচলিত আছে। কেউ সৃষ্টিকে স্রস্টা বানায়, কেউ মানুষকেই বসিয়ে দেয় স্রস্টার আসনে আবার কেউ স্রস্টাকে নামিয়ে দেয় মানুষের রূপে। কেউ বলে সৃষ্টির মাঝে স্রস্টা একাকার হয়ে আছেন আর কেউ বলেন স্রস্টা সন্তান গ্রহণ করেছেন।লেখক প্রত্যেকটি ভ্রান্ত বিশ্বাসের অপনোদন করেছেন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সহজবোধ্য যুক্তি প্রমাণ দিয়ে। ' কিছু উদাহারণ দেই। স্রস্টা সবকিছু করতে সক্ষম হলে মানুষ হতে পারেন না কেন? অথবা স্রস্টা জন্মগ্রহণ বা মৃত্যুবরণ করতে পারেন না কেন? - এর উত্তরে বলেন, স্রস্টার সংজ্ঞাতেই বলা আছে যে তিনি একজন চিরন্তন সত্তা। শাশ্বত এ সত্তার কোন শুরু বা শেষ নেই। তাই এ ধরনের প্রশ্ন অবান্তর। 'স্রস্টা সবকিছু করতে সক্ষম' - বাক্যের 'সবকিছু; থেকে সেগুলো বাদ যাবে যেগুলো তার সিফাতের সাথে সাংঘর্ষিক; যেগুলো তার শ্বাশ্বত গুণাবলীর বাইরে যায় বা স্রস্টাকে নিম্নতর আসনে নামিয়ে দেয়। যেমন ভুলে যাওয়া, ঘুমানো ইত্যাদি। 'সবকিছু' শব্দের ভেতর কেবল সেসব বিষয়ই থাকবে যেগুলো তা্র স্রস্টা হওয়ার সাথে সংগতিপূর্ণ। তেমনিভাবে স্রস্টা নিজে সৃষ্টিতে পরিণত হওয়ার মানে হল স্রস্টাই নিজে নিজেকে সৃষ্টি করেছেন - যা অযৌক্তিক। স্রস্টার চিরন্তন হওয়ার সাথে সাংঘর্ষিক। লেখক এ অংশে এসব ভ্রান্ত মতবাদের কারণ হিসেবে মানুষের সীমিত বোধশক্তিকে তুলে ধরেছেন। ' রচনার শেষ অংশে স্রস্টাকে কীভাবে পাওয়া যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। ইসলামের মূল বার্তাই হচ্ছে এক ও একক স্রস্টার ইচ্ছার কাছে নিজেকে সমর্পণ করা। ইবাদাতের অধিকার ও ইবাদাহ করার যোগ্য সত্ত্বা একমাত্র আল্লাহই। শেষ অধ্যায়ের নাম ধর্ম। শুরুতেই সত্য ধর্ম নিরুপণে লেখক ৯ টি ক্রাইটেরিয়া নির্ধারণ করেছেন যা বোধসম্পন্ন প্রত্যেক সত্যাশ্রয়ীই মেনে নিবেন। লেখক নিজে একজন সত্যাশ্রয়ী ও সত্য ধর্মের অনুসন্ধানে সমগ্র জীবন ব্যয় করায় এব্যাপারে লেখকের মুন্সিয়ানা ফুটে ঊঠেছে। প্রত্যেকটি ক্রাইটেরিয়ার সুবিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের আলোকে। . সেগুলো হলঃ ১/ স্রস্টা যে ধর্ম মনোনীত করেছেন তা হবে সার্বজনীন ২/ ধর্মের সব বিধান একই মূলসূত্রে গাঁথা থাকবে ৩/ উপাসনায় ব্যাপকতা থাকবে, সীমাবদ্ধতা, কতিপয় রসম রেওয়াজ বা মাত্রাতিরিক্ত সীমাহীনতা থাকবেনা। ৪/ ধর্মীয় মূলনীতি অবিকৃত ও অক্ষত থাকবে, যুগে যুগে বদলাবেনা ৫/ বিধিনিষেধের মধ্যে সামঞ্জস্যতা থাকতে হবে ৬/ জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট বক্তব্য থাকতে হবে ৭/ সমগ্র মানবতার জন্যে পাপ থেকে মুক্তিলাভের উপায় থাকতে হবে ৮/ ধর্ম গ্রন্থের সংরক্ষণ ৯/ যে নবী সত্য ধর্ম প্রচার করেছেন তিনি এমন কোন মুজিযা রেখে যাবেন যা কিয়ামাত পর্যন্ত থাকবে। এখানে লেখক অলৌকিক সেই মুজিযা হিসেবে কুরআন কে তুলে ধরেছেন। লেখক এ অংশে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের বিশুদ্ধতার দাবীর বাস্তবতা নিরূপণ করেছেন যুক্তির কষ্টিপাথরে, বুদ্ধি, বিবেক ও জ্ঞান দ্বারা ও কুরআনে বর্ণিত পূর্ববর্তী জাতিদের ব্যাপারে বর্ণিত আয়াতের নিরিখে। . ★পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ জীবনের উদ্দেশ্য না জানলে মানুষের অস্তিত্ব অর্থহীন হয়ে পড়ে। জীবনটি শুধু শুধু অপচয় হয়। পরকালের অনন্ত পুরস্কারের সুযোগ হাতছাড়া হয়। তাই স্বভাবতই মানুষ এ প্রশ্নের জবাব খুঁজে ফিরে। এই প্রশ্নের স্পষ্ট , নির্ভুল উপায় পাওয়ার একমাত্র উৎস ঐশী গ্রন্থ। কিন্তু অধুনা মানুষ নানা যুক্তির ছলনায় সংশয়ে আবদ্ধ হয়। শায়খ বিলাল ফিলিপস সত্যাগ্রহী। তার সত্য ধর্মের সন্ধানে আধ্যাত্মিক ভ্রমণকেই তুলে ধরেছেন এ বইয়ে। . জীবনের উদ্দেশ্য, স্রস্টার স্বরূপ ও সত্য ধর্মের বাস্তবতা এ বইয়ের প্রাণ। স্রস্টা সম্পদের অসম বন্টন কেন করলেন বা বিপদ আপদই বা আসে কেন এধরনের একগাদা প্রশ্নের সহজবোধ্য উত্তর দিয়েছেন বৈঠকি ঢং এ, তথ্য উপাত্ত সহকারে। . বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালে। সেসময় নাস্তিকতার জবাব সম্বলিত খুব বেশী বই বাজারে পাওয়া যেতনা। আমি যদিও ততদিনে প্র্যাক্টিসিং হতে শুরু করেছি, তবুও মনের কোন এক অন্ধকার কুঠুরিতে কিছু প্রশ্ন থেকেই যেত যা শয়তান উদ্রেক করত। আসলে আগে ইসলামি বই কম পড়া হত, বিশ্বাসও ছিল নড়বড়ে। এ বইটি পাঠে আমার সেইসব কনফিউশন এত ভালভাবে দূর হয়ে যায় যে কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার নেই। . বইটির বর্ণনাশৈলী মনোমুগ্ধকর। আগে মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খেত যে, আমাজনের জংগলের কোন মানুষ যে ইসলাম নিয়ে জীবনে জানবেই না, সে কী জাহান্নামে যাবে? তার কী দোষ? লেখক এ বিষয়ে খুব মজার এক গল্প অবতারণা করেন। . আমাজনের এক উপজাতি স্কোয়াচ নামক মূর্তির পূজা করে। একটি কুড়েঘরে মানুষরুপী মূর্তিটি বসানো ছিল। এক যুবক যখন পরম শ্রদ্ধায় মূর্তিকে সিজদাহ করছিল, তখন এক নেড়ি কুকুর মূর্তির উপর মূত্রত্যাগ করে। রাগত যুবক বহুদূর কুকুরকে তাড়া করে। ফিরে এসে ঠান্ডা মাথায় ভেবে সিদ্ধান্ত নেয়, এই মূর্তি তার রব নয়। যে নিজের এমন অপমানের শোধ নেয়ারই ক্ষমতা নেই সে আবার কিসের রব। এটিই ছিল, এই যুবকের জন্য স্রস্টার নিদর্শন। এভাবে জন্মের পর থেকে আমৃত্যু স্রস্টা মানুষকে তার নিদর্শন দেখিয়ে যান। যা দেখে নাড়া খায় তার ফিতরাত। সে বুঝতে পারে স্রস্টার অস্তিত্ব। আর শেষ বিচারের দিনে আল্লাহ কারো উপর অবিচার করবেন না। . ★লেখক পরিচিতিঃ ডক্টর বিলাল ফিলিপস জন্মগ্রহণ করেন জ্যামাইকার কিংস্টন নগরীতে খৃস্টান পরিবারে। তার বাবা ছিলেন প্রভাবশালী প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চের বর্ষীয়ান জাযক। তার দাদা ছিলেন গ্রীক, হিব্রু ও ইংরেজী ভাষায় লেখা বাইবেলের বিখ্যাত পন্ডিত ও যাজক। শৈশব কৈশোর কাটে কানাডা আর মালয়েশিয়ায়। লেখক কৈশোরে রক ব্যান্ড গঠন করে পেশাগতভাবে গিটার বাজানো শুরু করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে দেখে শিক্ষিত মা-বাবা তাকে এ লেভেলের পর ভর্তি করিয়ে দেন কানাডার সায়মন ফ্রেজার ইউনিভার্সিটিতে। সেখানে তিনি কমিউনিজমের আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে উঠেন। রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উত্তর আমেরিকায় গেরিলা বিপ্লবের স্বপ্ন দেখেন। তার জীবন এখানে এসে নাটকীয় মোড় নেয়। . অচিরেই তিনি কমিউনিজমের অসাড়তা উপলব্ধি করেন। একইসাথে সমাজের বর্ণবাদ, পূজিবাদ ইত্যাদি বৈষম্যে পরিত্রাণের পথ খুঁজেন। এসময় কাছের কিছু মানুষ ইসলাম গ্রহণ করে। তিনি ম্যালকম এক্সের আন্দোলনে প্রভাবিত হন। সৈয়দ কুতুব শহীদের ছোট ভাই মুহাম্মাদ কুতুবের লেখা , 'Islam: The Misunderstood Religion' পড়ে ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট হন এবং ইসলামকে মানবতার সমাধানের একমাত্র উপায় হিসাবে মেনে নেন। রাজনৈতিক ভাবে আকৃষ্ট হয়ে ইসলাম নিয়ে ব্যাপক পড়াশোনা শুরু করেন এবং ১৯৭২ সালে ইসলাম কবুল করেন। . উনার জীবনের পরের গল্প সফলতার। ইসলাম সম্পর্কে জানার জন্যে সৌদি আরবের মদীনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক স্টাডিজে বিএ এবং রিয়াদের কিং সাউদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আকীদার উপর এমএ পাস করেন। পরবর্তীতে এ জ্ঞানিপিপাসী University of Wales থেকে ইসলামী ধর্মতত্ত্বে পিএইচডিও সম্পন্ন করেন। . শিক্ষকতার রয়েছে সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা। শিক্ষকতা করিয়েছেন রিয়াদে, ফিলিপাইনে, দুবাই ও কাতারের অসংখ্য স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে। লিখেছেন প্রায় ৫০টির মত জ্ঞানগর্ভ কিতাব। প্রতিষ্ঠা করেছেন দুবাই ইসলামিক সেন্টার এবং ইসলামী অনলাইন ইউনিভার্সিটি। প্রথম গালফ যুদ্ধের সময় তার দাওয়াতে কয়েক হাজার আমেরিকান সেনা ইসলাম কবুল করলে হইচই পড়ে যায়। পিস টিভি সহ বিশ্বের নানা প্রান্তে তিনি ইসলামী জ্ঞানবিতরণে ছুটে চলেন অনবরত। . ★উপসংহারঃ সিয়ান প্রকাশনী বাংলাদেশে ইসলামী বই পাবলিকেশন্সের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড স্থাপনের প্রত্যয় নিয়ে এসেছে। এ বইও তার ব্যাতিক্রম নয়। বই এর নামকরণ যথার্থ। মলাট ও প্রচ্ছদ মনমাতানো। লেখকের লেখনী অনবদ্য। অনুবাদকের অনুবাদ প্রাঞ্জল। সম্পাদনা হয়েছে যত্নের সাথে। নতুন ধরনের সুন্দর বাংলা ফন্ট ব্যাবহার করা হয়েছে। বই ছাপা হয়েছে মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে। এক কথায় বই এর কোন ক্রুটি খুঁজে পাবেন না। তাই এই বইয়ের রেটিং এ কোন পয়েন্ট কাটতে পারিনি।"
Sabiha Sultana , Dec 14, 2016
"খুবই সুন্দর একটা বই।"
MD. Nahid Mubin Khan , Mar 2, 2015
"সুবহানাল্লাহ। অসাধারন একটা বই। অনেক আগেই বইটা পড়েছি। বিলাল ফিলিপ্সের আরো অনেক বই Sean Publication বের করেছে এবং করবে ইনশাআল্লাহ। ইচ্ছা আছে সব গুলোই পড়ার।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"স্রষ্টা ধর্ম জীবন" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: