১ম প্রকাশ, ২০১৬
সপ্তপদী
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সপ্তপদী |
| Author | তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় |
| Publisher | মাটিগন্ধা |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 76 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.22 Kg |
| ISBN | 9847034306989 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
6 Ratings and 6 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৬টি
md salauddin , Mar 31, 2022
"very good"
farhad ahmed , Jan 9, 2020
"ঈশ্বরে অবিশ্বাসী কৃষ্ণেন্দু ভালবাসে ক্রিশ্চান রীনা ব্রাউনকে । রীনা প্রচন্ড ঈশ্বরে বিশ্বাসী, রীনাকে পাওয়ার জন্য কৃষ্ণেন্দু ধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ক্রিশ্চান ধর্ম গ্রহন করে । কিন্তু ঈশ্বরে বিশ্বাসী রীনা কৃষ্ণেন্দুর নিজ ধর্ম ত্যাগ করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনা,কৃষ্ণেন্দু সামান্য এক মানবীর প্রেমের জন্য ঈশ্বরের প্রেমকে তুচ্ছ করলো, রীনা এই জন্য কৃষ্ণেন্দুকে ক্ষমা করতে পারেনা, সে কৃষ্ণেন্দুকে প্রত্যাখান করে । কৃষ্ণেন্দু রীনাকে প্রচন্ড ভালোবাসতো সে এই আঘাতটা সহ্য করতে পারেনা,কৃষ্ণেন্দু সিদ্ধান্ত নেয় সে রীনা ব্রাউনের ঈশ্বরকে খুঁজবে তাকে দেখবে । পটভূমি ঃ কৃষ্ণেন্দু ডাক্তার, সে আদিবাসীদের মধ্যে চলে যায়, সেখানে দরিদ্র, অসহায়, অশিক্ষিত মানুষদের মাঝে ঈশ্বরকে খুঁজে বেড়ায়, সমাজের অসহায়, বঞ্চিত মানুষদের সেবা করার মধ্যে দিয়ে বেঁচে থাকার আনন্দ খোঁজে, আর এভাবেই একদিন মানুষের মাঝেই ঈশ্বরকে দেখা পায় । এমন কি ডাইনী অপরাধে অপরাধী আরণ্যক নারী ঝুমকী, সিন্দুলাল, লালসিং এই সব আদিবাসীদের মধ্যেও ঈশ্বরকে দেখতে পায় । মানুষকে সেবা করে ঈশ্বরের প্রেমে নিজেকে তৃপ্ত করতে চায় কৃষ্ণেন্দু , হয়েছিল কৃষ্ণেন্দু থেকে কৃষ্ণস্বামী, তারপর ও কি হতে পেরেছিল তৃপ্ত হতে ? যখন কৃষ্ণেন্দু জানতে পারলো তার কুষ্ঠো হয়েছে তখন সুক্ষ ভাবে হলেও কি মনের মধ্যে হতাশা অনুভব করেনি ?? তাইতো নিজেকে সান্ত্বনা দেয় এই ভেবে যে" এই দিয়েই তিনি আমার সব অতৃপ্ত কামনাকে তৃপ্ত করে দিলেন " কোথায় যেন একটা আক্ষেপের সুর পাঠকদের স্পর্শ করে। যখন রীনা ব্রাউন স্বামী ক্লেটন এর হাত ধরে অসুস্থ কৃষ্ণেন্দুর দরজায় এসে দাড়ায়,তখন কৃষ্ণেন্দুর ব্যার্থতা, হতাশা পাঠকদের হৃদয়ে স্পর্শ করে, ঈশ্বর প্রেমের মধ্যে কৃষ্ণেন্দু জীবনের সার্থকতা খুঁজে পায়নি, কারন কারন কৃষ্ণেন্দু চেয়েছিল রীনা ব্রাউনের হাত ধরে সপ্তপদী হেটে সংসারের দরজায় পা রাখতে ।। পাঠ প্রতিক্রিয়া ঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তার লেখায় গ্রাম, গ্রামের মানুষদের জীবন, সংস্কৃতি জটিলতা, সুখ,দুঃখ এসবকেই প্রাধান্য দেন,তেমনই আদিবাসীদের জীবন তাদের সামাজিক অবস্থান, জীবনের সরলতা, হিঃস্রতা এসবকেও উনি উনার লেখার বিষয় হিসাবে নির্বাচন করেন, সহজ সাধারণ বিষয়কে ধীরে ধীরে এমন গভীরতা মধ্যে নিয়ে যান যে সেটা পাঠকদের হৃদয়ে গভীর ভাবে দাগ কেটে যায়, এই জন্য তারাশঙ্করের উপন্যাস কাল উর্তীর্ন হয়ে যায়। এখানে তেমনই সপ্তপদী উপন্যাস শুরু হয়েছিল একটা সাধারণ প্রেমের রোমান্টিক কাহিনীর মধ্যে দিয়ে,কিন্তু ঈশ্বর প্রেম না মানুষের প্রেম কোনটা কাঙ্ক্ষিত এই উপন্যাসে সেটা পাঠকদের নির্বাচনের বড় একটা দায়িত্বর এসে পড়ে, রীনা ঈশ্বর প্রেম এর জন্য নিজের ভালোবাসা কে প্রত্যাখান করে, আর কৃষ্ণেন্দু মানুষের প্রেমের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে,পরিস্থিতি এবং রীনার জন্য কৃষ্ণেন্দু নিজের জীবনের ব্যার্থতা ঢাকতে বাধ্য হয়ে ঈশ্বরের প্রেমে শান্তি খুঁজলেও, কখনোই তৃপ্ত হতে পারেনি,সেটা লেখকের লেখার মধ্যে আমরা বুঝতে পারি,লেখক বলেছেন " রীনা যখন স্বামীর হাত ধরে চলে যাচ্ছে, কৃষ্ণেন্দু বলছে " দেখো আনন্দ ছাড়া আর কিছুই কি আছে ? গুড বাই,গুড বাই, গুড বাই তারপর শেষে লেখক লিখেছেন " দীর্ঘ হাত খানি তুলে দীর্ঘকায় পুরুষটি পাথরের মূর্তির মতো দাড়িয়ে রইলেন, স্থির কিন্তু এ ওদের বিদায় সম্ভাষন দিচ্ছেন ? না কি শুন্যলোকে অদৃশ্য ঈশ্বরের পা দুটি শক্ত করে ধরে দাড়িয়েছেন সে কৃষ্ণস্বামীই জানেন ।।"
Juel Rana , Nov 29, 2019
"বইটি আমি কিনেছিলাম কিছুদিন আগে। ফ্রেশ পাতায় অনেক ভালো , পরিষ্কার লেখা।কভার টাও বেশ শক্তশালী। এখনো আছে আমার কাছে। প্রগতি কে ধন্যবাদ এরকম বই অতি সহজে পৌঁছে দেয়ার জন্য। বইয়ের কথা কি বলব!! যতবার পড়ি আরও বেশি ভালো লাগে। কৃষ্ণেন্দু এর মত বাঙালি ছেলে ,গ্রাম থেকে উঠে এসে ইংলো ইন্ডিয়ানদের সাথে মেডিক্যাল পড়তে এসে যা করলো টা সত্যি উপভোগ্য। গ্রাম্য ছেলেটার জীবন কিভাবে পরিবর্তন হলো জানতে হলে বইটা পড়তে হবে।"
Malaika Nur Aurora , Nov 21, 2019
"This book is all about belief,love,betray and life. We get to meet so many people in our life, right? Some are meant to be very significant in our life. Either they become the reason of smile or the reason of sorrow in our life. Here something exactly like this happened in this man's life ''Rev. Krishnaswami'' the main protagonist of the story . This book will surely end up making you cry."
Tamjid Shajol , Oct 6, 2019
"ঈশ্বরে অবিশ্বাসী কৃষ্ণেন্দু ভালবাসে ক্রিশ্চান রীনা ব্রাউনকে । রীনা প্রচন্ড ঈশ্বরে বিশ্বাসী, রীনাকে পাওয়ার জন্য কৃষ্ণেন্দু ধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ক্রিশ্চান ধর্ম গ্রহন করে । কিন্তু ঈশ্বরে বিশ্বাসী রীনা কৃষ্ণেন্দুর নিজ ধর্ম ত্যাগ করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনা,কৃষ্ণেন্দু সামান্য এক মানবীর প্রেমের জন্য ঈশ্বরের প্রেমকে তুচ্ছ করলো, রীনা এই জন্য কৃষ্ণেন্দুকে ক্ষমা করতে পারেনা, সে কৃষ্ণেন্দুকে প্রত্যাখান করে । কৃষ্ণেন্দু রীনাকে প্রচন্ড ভালোবাসতো সে এই আঘাতটা সহ্য করতে পারেনা,কৃষ্ণেন্দু সিদ্ধান্ত নেয় সে রীনা ব্রাউনের ঈশ্বরকে খুঁজবে তাকে দেখবে । কৃষ্ণেন্দু ডাক্তার, সে আদিবাসীদের মধ্যে চলে যায়, সেখানে দরিদ্র, অসহায়, অশিক্ষিত মানুষদের মাঝে ঈশ্বরকে খুঁজে বেড়ায়, সমাজের অসহায়, বঞ্চিত মানুষদের সেবা করার মধ্যে দিয়ে বেঁচে থাকার আনন্দ খোঁজে, আর এভাবেই একদিন মানুষের মাঝেই ঈশ্বরকে দেখা পায় । এমন কি ডাইনী অপরাধে অপরাধী আরণ্যক নারী ঝুমকী, সিন্দুলাল, লালসিং এই সব আদিবাসীদের মধ্যেও ঈশ্বরকে দেখতে পায় । মানুষকে সেবা করে ঈশ্বরের প্রেমে নিজেকে তৃপ্ত করতে চায় কৃষ্ণেন্দু , হয়েছিল কৃষ্ণেন্দু থেকে কৃষ্ণস্বামী, তারপর ও কি হতে পেরেছিল তৃপ্ত হতে ? যখন কৃষ্ণেন্দু জানতে পারলো তার কুষ্ঠো হয়েছে তখন সুক্ষ ভাবে হলেও কি মনের মধ্যে হতাশা অনুভব করেনি ?? তাইতো নিজেকে সান্ত্বনা দেয় এই ভেবে যে" এই দিয়েই তিনি আমার সব অতৃপ্ত কামনাকে তৃপ্ত করে দিলেন " কোথায় যেন একটা আক্ষেপের সুর পাঠকদের স্পর্শ করে। যখন রীনা ব্রাউন স্বামী ক্লেটন এর হাত ধরে অসুস্থ কৃষ্ণেন্দুর দরজায় এসে দাড়ায়,তখন কৃষ্ণেন্দুর ব্যার্থতা, হতাশা পাঠকদের হৃদয়ে স্পর্শ করে, ঈশ্বর প্রেমের মধ্যে কৃষ্ণেন্দু জীবনের সার্থকতা খুঁজে পায়নি, কারন কারন কৃষ্ণেন্দু চেয়েছিল রীনা ব্রাউনের হাত ধরে সপ্তপদী হেটে সংসারের দরজায় পা রাখতে ।। তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় তার লেখায় গ্রাম, গ্রামের মানুষদের জীবন, সংস্কৃতি জটিলতা, সুখ,দুঃখ এসবকেই প্রাধান্য দেন,তেমনই আদিবাসীদের জীবন তাদের সামাজিক অবস্থান, জীবনের সরলতা, হিঃস্রতা এসবকেও উনি উনার লেখার বিষয় হিসাবে নির্বাচন করেন, সহজ সাধারণ বিষয়কে ধীরে ধীরে এমন গভীরতা মধ্যে নিয়ে যান যে সেটা পাঠকদের হৃদয়ে গভীর ভাবে দাগ কেটে যায়, এই জন্য তারাশঙ্করের উপন্যাস কাল উর্তীর্ন হয়ে যায়। এখানে তেমনই সপ্তপদী উপন্যাস শুরু হয়েছিল একটা সাধারণ প্রেমের রোমান্টিক কাহিনীর মধ্যে দিয়ে,কিন্তু ঈশ্বর প্রেম না মানুষের প্রেম কোনটা কাঙ্ক্ষিত এই উপন্যাসে সেটা পাঠকদের নির্বাচনের বড় একটা দায়িত্বর এসে পড়ে, রীনা ঈশ্বর প্রেম এর জন্য নিজের ভালোবাসা কে প্রত্যাখান করে, আর কৃষ্ণেন্দু মানুষের প্রেমের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে,পরিস্থিতি এবং রীনার জন্য কৃষ্ণেন্দু নিজের জীবনের ব্যার্থতা ঢাকতে বাধ্য হয়ে ঈশ্বরের প্রেমে শান্তি খুঁজলেও, কখনোই তৃপ্ত হতে পারেনি,সেটা লেখকের লেখার মধ্যে আমরা বুঝতে পারি,লেখক বলেছেন " রীনা যখন স্বামীর হাত ধরে চলে যাচ্ছে, কৃষ্ণেন্দু বলছে " দেখো আনন্দ ছাড়া আর কিছুই কি আছে ? গুড বাই,গুড বাই, গুড বাই তারপর শেষে লেখক লিখেছেন " দীর্ঘ হাত খানি তুলে দীর্ঘকায় পুরুষটি পাথরের মূর্তির মতো দাড়িয়ে রইলেন, স্থির কিন্তু এ ওদের বিদায় সম্ভাষন দিচ্ছেন ? না কি শুন্যলোকে অদৃশ্য ঈশ্বরের পা দুটি শক্ত করে ধরে দাড়িয়েছেন সে কৃষ্ণস্বামীই জানেন।"
Rezaul Karim , Sep 26, 2019
"দ্বিতীয়বার তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা পড়লাম এবং বেশ ভালাে লেগেছে। পাগলা পাদরীর মতাে পুণ্যবান মানুষের জীবন হয়তাে আসলেই সুখের হয় না। কিন্তু তাই বলে কি তাঁরা আর থেমে থাকেন! তাঁর কিছু কিছু কথা সত্যিই মন ছুঁয়েছে। তবে কিছু ঘটনা একটু এলােমেলাে লেগেছে, যেমন এত বছর পর হঠাৎ করে রিনার সেই জঙ্গলে আসা! একটু বেশি কাকতালীয় হয়ে গেল ব্যাপারটা।! আর ইংরেজি কথােপকথনগুলাে বাংলা অক্ষরে লেখায়। পড়তে একটু সমস্যা হচ্ছিল! বাংলা অক্ষরে বাংলা শব্দই সুন্দর।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সপ্তপদী" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: