৫ম মুদ্রণ, ২০১৯
সংশপ্তক
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সংশপ্তক |
| Author | শহীদুল্লা কায়সার |
| Publisher | চারুলিপি প্রকাশন |
| Edition | ৫ম মুদ্রণ, ২০১৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 400 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.55 Kg |
| ISBN | 9789845982160 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
28 Ratings and 20 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২০টি
8801750924485 , Jul 8, 2026
"বইয়ের কোয়ালিটি অনেক ভালো ছিল। কোয়ালিটি অনুযায়ী দাম কমই আছে"
Dipak Karmoker , Jul 8, 2026
"বাংলাদেশের ক্লাসিক।"
Nusrat Onnesha , May 1, 2026
"অনন্য"
স্বর্ণা দেবনাথ , Oct 16, 2024
"উপন্যাসটি সত্যিই মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতন।জীবন প্রবাহকে কত সুনিপুণ ভাবে সাহিত্যিক ছোঁয়ায় রাঙিয়েছেন লেখক!"
Shuvosree Roy , Jun 8, 2023
"বইয়ের নাম: সংশপ্তক লেখক: শহীদুল্লা কায়সার প্রকাশনী: চারুলিপি প্রকাশন পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৪০০ 'সংশপ্তক' শব্দের অর্থ, জয়লাভে যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বা পরাজয় জেনেও যে হাল ছাড়ে না। এই উপন্যাসের প্লটটি ২য় বিশ্বযুদ্ধ এবং যুদ্ধ পরবর্তী দেশভাগের উপর কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে।বাকুলিয়া এবং তালতলি এই দুই গ্রাম। পুরো গ্রাম জুড়ে বিস্তৃত সবুজ-সুফলা, শস্য-শ্যামলা ক্ষেত। এই গ্রাম দুটিতে দুটি খানদানি বাড়ি বিদ্যমান। এক মিঞা বাড়ি এবং অন্যটি সৈয়দ বাড়ি। বাকুলিয়া গ্রামটি ছিলো হিন্দুপ্রধান এবং তালতলি ছিলো মুসলিম প্রধান গ্রাম। উপন্যাসটির প্রথমে এই দুইটি গ্রাম নিয়ে কাহিনী শুরু হলেও পরে তা বিস্তার লাভ করে ঢাকা এবং কলকাতা শহর অব্দি। গল্পের শুরু হয় হুরমতি নামক এক যুবতীর পোয়াতি হওয়াতে, তালতলির মিঞা বাড়ির ফেলু মিঞা এবং তার ডানহাত রমজান গ্রামের সকলকে নিয়ে বিচারসভা বসায় এবং শাস্তি হিসেবে জলন্ত পয়সা দিয়ে হুরমতির কপাল পুড়িয়ে দেয়। এখান থেকে কাহিনী শুরু। এরপর দেখা মেলে মালু,রাবু, সেকান্দার মাস্টার, লেকু এবং তার স্ত্রী প্রমুখ চরিত্রের। এই উপন্যাসে উঠে আসে ১৩৫০ সালে বাংলার দূর্ভিক্ষ, হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা, এসকল বিপদের ফাঁকতালে একদল চতুর এবং লোভী মানুষ নিজেদের আঁখের গোছাতে ব্যস্ত। এসকল লোভী মানুষের মধ্যে উপন্যাসের ফেলু মিঞার ডানহাত, পরবর্তীতে যার নাম হয় কানকাটা রমজান,তারও উপস্থিতি বিদ্যমান। গ্রামের অন্ধকুসংস্কার এবং ধর্মান্ধ মানুষের কথাও উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে এসেছে; যার অন্যতম উদাহরণ রেবুর আব্বা।ধর্মান্ধতার ফলে সে তার নিজের মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিতেও কুন্ঠাবোধ করে না। আর এসবের মাধ্যমে শিক্ষার তাৎপর্যতাও এই উপন্যাসের জায়েদ এবং সেকান্দার মাস্টারের চরিত্রের মাধ্যমে সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এতো চরিত্রের মাঝে জায়েদ, সেকান্দার, মালু, রাবু, হুরমতি,লেকু এদের মধ্যে 'সংশপ্তক' কে, তাই খুঁজে বের করা পাঠকের দায়িত্ব। তবে লেখক যে বামধারার রাজনীতি এবং তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন উপন্যাসে, সেদিক দিয়ে 'সংশপ্তক' সার্থক একটি উপন্যাস।"
Abu Reja , Mar 29, 2023
"পৃষ্ঠা সংখ্যা, কাগজ এবং প্রিন্টের মান অনুযায়ী বইটির দাম তুলনামূলক কম। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডেলিভারি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ প্রগতিকে।"
rashedul islam rashed , Feb 1, 2023
"good book"
Istiaque Ahmed , Aug 22, 2022
"Excellent.."
Tariqul Islam Shamim , Jul 1, 2022
"কালের সীমা ছাড়িয়ে বইটি কালজয়ী হয়েছে। সারা জীবন সংরক্ষণ করার মতো একটি বই।"
Ehsan Khan , Jun 6, 2022
"আফসোস যে উনি বেশি লিখে যেতে পারেননি"
MD.MASUD , Apr 2, 2022
"Excellent"
Md.Arif Hossain , Mar 21, 2022
"এ বইটা যে কেন সর্বজন পাঠ্য তা না পড়লে বুঝা যাবে না৷ আমার পড়া অন্যতম সেরা বই ছিল সংশপ্তক৷"
SB Marjuk , Aug 31, 2021
"অসাধারণ"
Monzur Morshed , Jul 27, 2021
"Awesome"
Md Khalid Rahman Gazi , Aug 21, 2020
"" সংশপ্তক " শব্দটার অর্থ জানা ছিলো না । অন্তর্জালে খোঁজ নিয়ে জানা গেলো। নির্ভীক। আজ শেষ পাতাটুকু উল্টিয়ে রেখে মনে হলো বইটার নাম এছাড়া বুঝি ভিন্ন কিছু হওয়ার ছিলো না। সেই সাথে একই সাথে মনে প্রশ্ন জাগে নির্ভীক আসলে কে? মালু? কথায় কথায় ছোট বয়সে সবার জন্যে চোখের পানি ফেলা মালু, যে জীবনের নানা ঘাত প্রতিঘাতের মুখোমুখি হয়ে দাড়ায় এক ফিনিক্স পাখির প্রতিরুপ হয়ে, যে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে থাকা নিজের ভগ্নাবশেষ থেকে আবারও মহাশূণ্যে ডানা মেলে। একবার, দুইবার... বারবার! মালুর জীবনের এই বিনির্মান, স্বপ্ন, স্বপ্নভঙ্গ, সকল বাধাবিঘ্ন, প্রতিকূলতার উজানে দাড়িয়ে সংগ্রাম করে এগিয়ে চলার এই গল্প কি শাশ্বত মানবজীবনেরই আখ্যান নয়? মেঝো ভাই আর সেকান্দর মাস্টার? অকারণে সর্বস্ব ত্যাগ করে কী এক ঘোর লাগা চোখে যারা ছুটে বেড়ায় সর্বত্র? তারা রুখে দাড়াতে জানে অন্যায়ের, আবার আপ্রাণে এগিয়ে আসতে জানে আর্তের।ও চরিত্রে, প্রেক্ষাপটে, জীবনের গন্ডি আর বাস্তবতায় দুজনের মাঝে অমিল অনেক, কিন্তু কোথায় যেন তারা আসলে একই মানুষ। সংশপ্তক মানুষের একই মনেরই দুই পৃথক অংশের প্রতিরূপ। সন্ন্যাস আর সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। কিংবা রাবু? একটু একটু করে ক্ষয়ে যেতে যেতেও যে কখনো জ্বলতে জানে এক মুঠো জোনাকের পেলব আভার মতো, কিংবা কখনো মশালের আগুন হয়ে; যখন যেমন দরকার ... রাবু যেন ম্রীয়মান হয়েও সরব, ক্ষুরধার হয়েও কোমল। প্রতিকূলতার মাঝে সে কখনো কখনো নতজানু হলেও এগিয়ে গেছে আপন মনে, মুখ থুবড়ে পড়ে নি। বলা উচিত হুরমতী বুয়া, লেকুর কথাও.. জীবন এদের কাছে কখনও পুষ্পিত সৌরভে ধরা দেয় নি, বরং এগিয়ে এসেছে বিকট ক্লেদ, ক্ষুধা আর অত্যাচারিতের রূপে। এরাও অবলীলায় জীবনের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে জীবনের মতো করেই। লেকু তাই নির্মম ভাবে বউকে পেটায় জান্তব বোবা রাগে, আবার তাকে জড়িয়ে ধরে অনুতপ্ত হয়, পরমুহূর্তে তা ভুলেও যায়। হুরমতী ভরা মজলিশে ব্যভিচারের একপেষে শাস্তি নেয় পরম অবহেলায়, কিন্তু দ্বিচারিণী সমাজের চোখ কলুষ যে জীবন, তা থেকে সে বেরিয়ে আসে না। ভেসে বেড়ায় শিকড়বিহীন জলজের মতো। এরা সবাই মচকেছে, কিন্তু কখনো ভাঙ্গে নি। মানবজনমের কাঙ্খিত প্রতিরূপ এমনই। খলনায়ক রমজানও তো আক্ষরিক অর্থ বিবেচনায় সংশপ্তক নয়। ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ শক্তি হয়ে ওঠা রমজানের অপ্রতিরোধ্যতার কাছে অনেক শুভশক্তিই তো পরাজিত হয়। অনুভব করি সংশপ্তক একক কোন চরিত্র নয়, সবাই। সামষ্টিক এবং একক, দুইভাবেই। ...... তবুও কিছু কথা বলতেই হয়। শহীদুল্লা কায়সারের সংশপ্তক যেন কিছুটা শহুরে মানুষের চোখে দেখা গ্রাম। ঔপন্যাসিক চরিত্রগুলোর সাথেও সুবিচার করেন নি অনেকাংশেই। তাদের জীবনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তিনি আমাদের দেন নি, দিয়েছেন বিক্ষিপ্ত ছাড়া ছাড়া ছবি। তাই হুট করে বইয়ের পাতা থেকে সুপরিচিত কোন চরিত্রকে সরিয়ে দিয়েছেন এক লাইনেই, ধীর মন্থর গতিতে এগোনো কাহিনী পরম্পরাকে কয়েক পাতার ব্যবধানে বেখাপ্পা ভাবে টেনে নিয়ে গেছেন দীর্ঘপথ। অস্পষ্ট সে পথে হেঁটে পাঠক কিছুটা খেই হারাবেন। বোধকরি কিছুটা বিরক্তও হবেন। পাঠককে দোষ দেয় যায় না, কারণ এতো বৃহৎ প্রেক্ষাপটের উপন্যাসে এমন সুর কেটে দেওয়া সংক্ষিপ্ততা বিরক্তির উদ্রেক করারই কথা। তবে এমনটা ঘটার দায় যতোটা লেখকের, তারচেয়ে বেশি সম্ভবত প্রকাশকের। এর আঁচ পাওয়া যায় শুরুতে লেখকের সংক্ষিপ্ত ভুমিকাতে। তিনি সেখানে পরোক্ষভাবে অনুযোগ করেছেন বড় উপন্যাস ছাপাতে প্রকাশকদের অনীহার কথা। সেজন্যেই হয়তো মাঝেমাঝেই ছন্দপতনের সুর। তাই কিছুটা অতৃপ্তি নিয়েই আমার কাছে শেষ হলো বাংলা সাহিত্যে ধ্রুপদী সৃষ্টির মর্যাদা পাওয়া এ উপন্যাস । তারপরও অতোটুকু খুঁত নিয়েও শহীদুল্লা কায়সারের সৃষ্টি " সংশপ্তক " কালোত্তীর্ন, অবশ্যপাঠ্য।"
Md. Masum , Jan 4, 2020
"সংশপ্তক – শহীদুল্লাহ কায়সার এর লেখা একটি বাংলা জনপ্রিয় উপন্যাস। চারুলিপি প্রকাশন হতে প্রকাশিত । দামঃ ২১৩ টাকা । সংশপ্তক শব্দের অর্থ হয় জয় নাহয় মৃত্যু। শহীদুল্লাহ কায়সার এর লেখা সংশপ্তক উপন্যাসে কি নেই ? বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের কথা থেকে ভণ্ড পীর । অসাধারণ একটি উপন্যাস"
Medul , Dec 17, 2019
""বাকুলিয়া আর তালতলি গ্রাম। দুই গ্রামের মাঝে ফারাক করে রেখেছে বিস্তর এক শস্যক্ষেত। বাকুলিয়ার দক্ষিনের ক্ষেত দখিন খেত আর তালতলির মানুষেরা বলে উত্তুরের খেত। বাকুলিয়া গ্রামের প্রবেশ পথেই সৈয়দ বাড়ির সদর ফটক আর বেরুবার পথেই মিঞা বাড়ির মসজিদ। দুটো খানদানি বাড়ি দুই প্রহরীর মতো গেইট, গ্রামকে যেন দু হাতে বেষ্টন করে রেখেছে।" উপরের গ্রামের বর্ননাটি শহীদুল্লা কায়সারের সংশপ্তক উপন্যাস থেকে নেয়া। সংশপ্তক কথাটির অর্থ যুদ্ধে জয় লাভ অথবা মৃত্যু এমন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সৈনিক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও যুদ্ধোত্তর কাল থেকে আরম্ভ হয়ে দেশ বিভাগ পর্যন্ত প্রায় এক যুগের (১৯৩৮-৫১) বিস্তৃত ঘটনা নিয়ে রচিত। উপন্যাসের মুল পটভূমিতে মুসলিম প্রধান বাকুলিয়া গ্রাম ও হিন্দু প্রধান তালতলি গ্রামকে কেন্দ্র করে কাহিনী ঢাকা কলকাতা শহরে গিয়ে গড়ায়। গল্পের শুরুতেই আমরা লক্ষ্য করি মিঞা বাড়ির আঙ্গিনায় হুরমতি নামক এক যুবতী পোয়াতি হওয়ায় সালিশি বিচার। বিচার কার্যের মুলে ছিল ফেলু মিঞা, মিঞা বংশের সন্তান মিঞা বাড়ির প্রধান। মাথায় টুপি বুক পকেটে আতর মাখা রুমাল।ফেলু মিয়া বাকুলিয়ার সবচে গণ্যমাণ্য লোক তথা জমিদার। তার দক্ষিন হস্তে রমজান আর বাম হস্তে কালু। বিচার কার্জের এখান থেকে শুরু হয়ে একেকক চরিত্র আসতে থাকে এবং কাহিনীর গতিশীলতা আসে।এই উপন্যাসে লেখক একাধারে তুলে ধরেছোন গ্রামীন জীবন গ্রামীন পরিবেশ সেই সাথে ৪৩এর মনান্তর, হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা, হিন্দু মুসলিম সংঘাত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যুদ্ধ পরবর্তী অবস্থা আর বাম ধারার রাজনীতি। উপন্যাসে কাহিনীর চে আমার কাছে চরিত্র গুলো বেশি শক্তিশালী মনে হয়েছে। চরিত্র গুলোই কাহিনী তৈরি এবং কাহিনীর গতিশীলতা এনেছে। লেখক বাস্তবতাকে অস্বীকার করেননি। ফলে লেখক প্রতিটা চরিত্রে বাস্তবতা তুলে এনেছেন। যেমন ফেলু মিঞা চরিত্রের মাঝে লেখক প্রভু-সামন্তবাদিদের ফুটিয়ে তুলেছেন,লেকু ও তার স্ত্রী আম্বিয়ার চরিত্রে লেখক গ্রামীন সংসার তুলে এনেছেন। সেকেন্দার মাস্টার চরিত্রের মাঝে লেখক আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গী তুলে এনেছেন।মালু উপন্যাসটির অন্যতম একটি সৃষ্টিশীল চরিত্র, ১৩ বছরের মালএ তার গায়েন প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে পরিশ্রমো এক পর্যায় বর শিল্পী হতে সক্ষম হয়। রাবু উপন্যাসের একটি প্রতিবাদী নারী চরিত্র। সৈয়দবাড়ির মেয়ে রাবু একপর্যায় পিতার আদেশ এ এক দরবেশকে বিয়ে করলেও কলকাতায় গিয়ে সে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে এবং নিজের মনমানসিকতার ব্যাপক পরিবর্তন সাধন করে। জায়েদ চরিত্রটি উপলব্ধি করে ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব। ইংরেজি শিক্ষার অভাবে মুসলমানরা কিভাবে পিছিয়ে পরছে, তা জায়েদ চরিত্রটির মাঝে উপন্যাসের শেষ দিকে আমরা লক্ষ্য করি। রমজান উপন্যাসের অন্যতম এবং সবচে গুরুত্বপূর্ন চরিত্র। এই চরিত্রটির মাধ্যমে লেখক ঐ সময়ের জোচ্চোর সুবিধা পার্টি এবং চোরাকারবারি সহ বিভিন্ন অপকর্মে জরিত ব্যাক্তিকে তুলে এনেছেন, উপন্যাস থেকে বাস্তবজীবনে রমজান হয়েছে কানকাটা রমজান। সর্বাপরি বলা যায় প্রতিটা চরিত্র লেখক সতন্ত্ব ভাবে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। আগেই বলছি শহীদুল্লা কায়সার বাম ধারার রাজনীতির সাথে জরিত ছিল। ফলে উপন্যাসে লেখক এর বামধারা রাজনীতির ব্যাপক প্রভাব লক্ষনীয়। হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা কিংবা বিশ্বযুদ্ধ, দেশভাগ সবকিছু ছাড়িয়েই সংশপ্তক। সংশপ্তক উপন্যাসটি থেকে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন তথা বিটিভি তে ধারাবাহিক নাটক তৈরি করা হয়। কিন্তু ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের কারনে নাটকটি নির্মান ও সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। পরে ১৯৮৮ সালের দিকে নাটকটি আবার প্রচারণ শুরু হয়। এবং এই ক্ষেত্রেও বলতে অনীস্বীকার্য যে উপন্যাসের চরিত্রগুলো নাটকে যারা প্লে করছে, তাদের আসল নাম থেকে উপন্যাসের নামেই তারা জনসাধারণ এর কাছে বেশি পরিচিত হয়ে উঠেছে। অর্থাৎ চরিত্রগুলো এতোটাই শক্তিশালী এবং বাস্তবিক ছিলে যে তা তখনকার ব্যাক্তিমানসের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। সর্বাপরি কথা বলা যায় যে বাকুলিয়া তালতলি গ্রামের এক ঝাক চরিত্রের মাধ্যমে সেই সময়ের সামান্ত সমাজব্যবস্থা রাজনীতি ইত্যাদি উপস্থাপনে লেখক সার্থক। আর পাঠক হিসাবে আপনাকে খুঁজতে হবে সংশপ্তক আসলে কে বা কোন চরিত্রটি। বিঃদ্রঃ আমার পারসোনাল কালেকশনের বইটি অনেক পুরাতন, তাই এই কালেক্ট পিক আপলোড দিতে হলো। ফিরে দেখা, বইয়ের নাম : সংশপ্তক লেখক : শহীদুল্লাহ কায়সার জনরা : চিরায়ত বাংলা সামাজিক উপন্যাস। প্রকাশনী : জোনাকী প্রকাশন প্রথম প্রকাশ কাল : ১৯৬৫ পৃষ্টা সংখ্যা : ৪৩৬ পেজ। মুদ্রিত মূল্য :২৫০ টাকা। ধন্যবাদ এবং বিজয়ের শুভেচ্ছা। মিদুল চকবাজার, ঢাকা। বেলা ১:৩০ মিনিট, ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৯।"
Dr. Asif Shufian Arnab , Dec 16, 2019
"উপন্যাসে চরিত্র গুলোই কাহিনী তৈরি এবং কাহিনীর গতিশীলতা এনেছে। লেখক বাস্তবতাকে অস্বীকার করেননি। ফলে লেখক প্রতিটা চরিত্রে বাস্তবতা তুলে এনেছেন।উপন্যাসটি দীর্ঘকাল ধরে বর্তমান থাকবে।"
Adnan , Dec 2, 2019
"সংশপ্তক শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে রচিত এই উপন্যাসটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে আবদুল্লাহ আল মামুন নাট্যরূপ প্রদান করেন এবং যা বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয় । সংশপ্তক নাটকটি বাংলাদেশে টিভি নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় নাটক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংশপ্তক শব্দের অর্থ হয় জয় না হয় মৃত্যু"
Abhishek Das Gupta , Oct 26, 2019
""সংশপ্তক" উপন্যাসটির ররচয়িতা শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সার।সংশপ্তক অর্থ যারা মরণপণ যুদ্ধ করে, "জয়লাভ অথবা মৃত্যু" এমন কিছু থাকে যাদের বিশ্বাসে।এ উপন্যাসের কাহিনী শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ মুহূর্তে। যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, দাঙ্গা পেরিয়ে পাকিস্তানের সৃষ্টির পর এসে কাহিনীর শেষ হয়।শুরু হয়েছিল প্রত্যন্ত গ্রাম বাকুলিয়া থেকে। বাকুলিয়া, তালতলা, কলকাতা, ঢাকা ঘুরে আবার বাকুলিয়ায় এসে শেষ হয় গল্প। গল্পটা শোষকের- শাসিতের,অন্যায়ের - অন্যায়ের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোর,হিন্দু-মুসলমান বিদ্বেষের,সেই বিদ্বেষকে ভালোবাসা দিয়ে জয় করার, চরম দারিদ্র্যের এবং তার বিপরীতে গিয়ে বস্তা বস্তা টাকার পাহাড় গড়ে তোলার।গ্রামের অসহায় দরিদ্র মানুষের গল্প, শহরে এসে বদলে যাওয়া মানুষদের গল্প,ভালোবাসার গল্প, আবার তাকে হারানোর গল্পও বর্ণিত অাছে এ উপন্যাসে।তবে এ গল্প গতানুগতিক ভালোবাসার বাইরে গিয় অন্যরকম ভালোবাসার গল্প, যে ভালোবাসায় নিজের স্বার্থের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে দেশের স্বার্থ।এ গল্প অাসলে মানবতার গল্প।অামাদের জীবন প্রতিদিনই বদলায়, জীবন তার বাঁকে বাঁকে গল্প লুকিয়ে রাখে। আগামী বছরটায়, মাসটায় এমনকি আগামী দিনটায়ও কি ঘটবে আমরা জানিনা। বদলে যেতে পারে জীবনের মোড়, তৈরি হতে পারে নতুন গল্প। একজন যে গল্পের ঝুলি নিয়ে সবার অলক্ষ্যে বসে আছেন!সাধ্য কার এড়িয়ে যাবার! হতাশা আসে, দুঃখ আসে, তবুও শূন্য থেকে উঠে দাঁড়ায় মানুষ। পরাজয়ের ভয় যাদের কাবু করতে পারেনা তারাই তো সংশপ্তক। তাই বইপ্রেমীদের অামি এই চমৎকার বইটি পড়ার নিমন্ত্রণ জানাচ্ছি।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সংশপ্তক" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: