৫ম প্রকাশ, ২০১৪
সম্রাট
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সম্রাট |
| Author | হুমায়ূন আহমেদ |
| Publisher | জ্ঞানকোষ প্রকাশনী |
| Edition | ৫ম প্রকাশ, ২০১৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 104 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.23 Kg |
| ISBN | 98484850117 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
43 Ratings and 19 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১৯টি
mas****com , Mar 18, 2026
"there must be something. আমি এই বইটি কিনে অনেকদিন ফেলে রাখছি, অনেকদিন পর পড়ে আফসোস করতেছি আগে কেন পড়লাম না! কিন্তু এই বইটি একবার পড়ার জন্য নয়!"
Manna Chakraborty , Jul 20, 2023
"good"
Talha Jubaer , Feb 25, 2022
"nc"
Arafat , Oct 13, 2021
"হুমায়ূন আহমেদ মানেই বিশেষ কিছু।অসাধারন লেখা,বিশেষ করে শেষ পাতাটা দারুন ছিল"
Shoaib Mahmud , Aug 5, 2021
"good one"
shahana shoma , Jun 10, 2021
"Loved it 😊"
Md. Abir Hossan , Mar 9, 2021
"দারুণ"
Mirza Sadman , Oct 27, 2020
"An interesting book......enjoyed reading it!"
Yousuf Raju , Oct 12, 2020
"One different taste of Humayun Sir."
Region , Sep 3, 2020
"লেভল লভেলে : বই আলোচনা"
Shomoy Mohiuddin , Feb 12, 2020
"An amazing piece from Humayun Ahmed. A true depiction of human being and their betrayal."
Mohammed Zahedul Islam , Jan 25, 2020
"জুলিয়াস নিশো চাপাস্বরে হাসলেন। হাসতে-হাসতে বললেন, ঈশ্বর নিয়ে আমি চিন্তা করি না। আমার চিন্তা মানুষদের নিয়ে।"
Laxmi Akter , Jan 7, 2020
"মি: ফকনারের ৭০ জন কোমান্ডো এবং আরো কিছু জিনিয়াস মানুষদের সাথে নিয়ে একটি মিশনের সুন্দর একটি গল্প হচ্ছে এই সম্রাট বইটি। কিছু জায়গায় বইটি একটু বোরিং মনে হলেও বইটিকে তুচ্ছ মনে করা যাবেনা। আমার কাছে বইটি মোটামুটি ভালই লেগেছে।"
Mitu , Nov 19, 2019
"পটভূমি আফ্রিকার একটি দেশ মোরান্ডা নিয়ে। জুলিয়াস নিশো সেখানকার অবিসংবাদিত নেতা (অনেকটা ম্যান্ডেলার মতো) কিন্তু দেশটিতে চলছে সামরিক শাসন ও সেখানকার ক্ষমতা রয়েছে জেনারেল ডোফার হাতে। সাধারন মানুষ চায় জুলিয়াস নিশো তাদের সম্রাট অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট হিসেবে আসুক। কিন্তু জেনারেল ডোফা বাধা হয়ে দাড়িয়েছেন। নিশোকে আটকে রেখেছেন তিনি এবং বাইরে প্রচার করে দিয়েছেন সম্রাট নিশো মারা গেছেন। কিন্তু বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ থেকে কিছুই লুকানো যায় না। তারা ঠিকই জানে সব। তারা একটা অ্যামবুশ টিম পাঠালো যেই টিমের কাজ হচ্ছে সম্রাট নিশোকে উদ্ধার করে আনা। সেই টিমের লিডার হলেন হার্ভি ফকনার। পুরোনো বন্ধু বেন ওয়াটসন, অ্যান্ড্রু জনাথন এবং রবিনসনকে নিয়ে পাড়ি জমালেন মোরান্ডায়। ভয়ানক দুর্গম দুর্গে নিশোকে আটকে রেখেছে জেনারেল ডোফা। কিন্তু কথা হচ্ছে আদৌ কি নিশো কে মুক্ত করে আনা সম্ভব কিনা? আর আমেরিকারই বা স্বার্থটা কি? আসলে তারা কাকে চায় ক্ষমতায় দেখতে?আর হার্ভি ফকনার ও তার সহযোগীদের শেষ পরিণতি কি? তারা কি তাদের মিশনে সফল হয়েছিল..?? এই চমকটা আছে শেষ অংশে। এমন একটা অংশ যা ভাবনায় আসবেনা। আর আপাতদৃষ্টিতে জেনারেল ডোফা কে ভিলেন মনে হলেও শেষদিকে একটা চমক আছে যা পুরো গল্পটাকে অন্যদিকে মোড় দিয়ে ফেলবে। হুমায়ন আহমেদের লেখা অন্যান্য উপন্যাস থেকে এইটা ভিন্ন ধর্মী। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। এই উপন্যাসের 2 টা সংলাপ আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। সংলাপ দুইটা নিচে দিয়ে লেখাটা শেষ করবো। কথাটা দুইটা জুলিয়াস নিশোর , 1.হৃদয় যখন হৃদয় কে বুঝতে পারে না তখনই ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়। 2.মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালোবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে।"
Amir Khasru , Oct 22, 2019
"ছোটবেলায় শোনা একটা কাহিনীর সাথে মিলে যায় এই উপন্যাসের শুরু'র পটভূমি, কাহিনীটা সত্যি কিংবা মিথ্যা সে সম্পর্কে আমার সাম্যক ধারণা নেই। কাহিনী হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুকে যখন পাকিস্থানের কারাগারে বন্দী করে রেখেছিল এবং শেষের দিকে যখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার সব প্রস্তুতি শেষ, তখন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বিশ্ব মিডিয়ায় একটি তথ্য প্রচার করেছিলেন যে শেখ মুজিব তাঁর হাতে বন্দী ছিলো এবং নিহত হয়েছেন। এরপর পাকিস্তানের পক্ষ হতে তড়িঘড়ি করে জানানো হয় যে মুজিব তাদের কাছে বন্দী। যার ফলে শেষপর্যন্ত মুজিবকে হত্যা করা সম্ভব হয়নি এবং মুক্তি দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। আমাদের এই গল্পের কাহিনী ও তেমন একটা ঘটনা দিয়ে শুরু হয়। জাদরেল থ্রিলার উপন্যাস লেখক না হলে সুখপাঠ্য একটা থ্রিলার, যদিও উপন্যাসের গঠন রীতিতে লেখা এবং হুমায়ূন আহমেদের যথারীতি গল্প বলার ঢংয়ে এগিয়েছে গল্পের ডালপালা। সবমিলিয়ে এক বৈঠকে পড়ে ফেলার মতো একখানা থ্রিলার।"
Anik Hassan , Jul 4, 2019
"প্রগতি_রিভিউ_প্রতিযোগ_জুলাই বই: সম্রাট লেখক: হুমায়ুন আহমেদ প্রকাশক: জ্ঞানকোষ প্রকাশনী ধরন: থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস সম্রাট’কে কি মৌলিক লেখা বলা যাবে? সম্রাটে ড্যানিয়েল কার্নের লেখা ‘ওয়াইল্ড গীজ’ বইটির ছায়া আছে। যদিও ঘটনা এবং চরিত্রবিন্যাস সম্পূর্ণই আমার। অন্য গল্পের ছায়ায় নতুন গল্প লেখার এই প্রবণতার মানে কি? আমি জবাব দিতে পারব না। কিছু কিছু গল্প নানা কারণে ভাল লেগে যায়। ইচ্ছে করে সেই আদলে আমার মত করে কিছু লিখি। ‘অমানুষ’ নামে একটি বই ঠিক এই ভাবেই লেখা হয়েছে। যাঁরা অমানুষ পছন্দ করেছেন তাঁরা ‘সম্রাট’ও পছন্দ করবেন। এই উপন্যাসের অংশবিশেষ ঈদ সংখ্যা পূণিমায় ১৯৮৮ প্রকাশিত হয়েছিল। প্রধান চরিত্র- জুলিয়াস নিশো, হার্ভি ফকনার, বেন ওয়াটসন, অ্যান্ড্রু জনাথন, রবিনসন, জেনারেল ডোফা, গামাল হাসিম, জেনারেল সিমসন। কাহিনীর পটভূমি : উপন্যাসটির কাহিনী আফ্রিকার একটি দেশ মোরান্ডা নিয়ে। জুলিয়াস নিশো সেখানকার অবিসংবাদিত নেতা। অনেকটা ম্যান্ডেলার মতো। কিন্তু দেশটিতে চলছে সামরিক শাসন ও সেখানকার ক্ষমতা রয়েছে জেনারেল ডোফার হাতে। সাধারন মানুষ চায় জুলিয়াস নিশো তাদের সম্রাট অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট হিসেবে আসুক। কিন্তু জেনারেল ডোফা বাধা হয়ে দাড়িয়েছেন। নিশোকে আটকে রেখেছেন তিনি এবং বাইরে প্রচার করে দিয়েছেন সম্রাট নিশো মারা গেছেন। কিন্তু বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ থেকে কিছুই লুকানো যায় না। তারা ঠিকই জানে সব। তারা একটা অ্যামবুশ টিম পাঠালো যেই টিমের কাজ হচ্ছে সম্রাট নিশোকে উদ্ধার করে আনা। সেই টিমের লিডার হলেন হার্ভি ফকনার। পুরোনো বন্ধু দুর্ধষ যোদ্ধা বেন ওয়াটসন, কিলিং মেশিন অ্যান্ড্রু জনাথন এবং প্ল্যানার বুড়ো রবিনসনকে নিয়ে পাড়ি জমালেন মোরান্ডায়। ভয়ানক দুর্গম দুর্গে নিশোকে আটকে রেখেছে জেনারেল ডোফা। কিন্তু কথা হচ্ছে আদৌ কি নিশো কে মুক্ত করে আনা সম্ভব কিনা? আর আমেরিকারই বা স্বার্থটা কি? আসলে তারা কাকে চায় ক্ষমতায় দেখতে? এই চমকটা আছে শেষ অংশে। এমন একটা অংশ যা ভাবনায় আসবেনা। আর আমেরিকার সরকারের একটা ভালো ভূমিকা আছে। আমেরিকান সরকারও এক অর্থে একটা চরিত্র হিসেবে বিচরন করেছে। এবং সেই চরিত্রই হচ্ছে সবচেয়ে রহস্যময় চরিত্র। হুমায়ূন আহমেদ এরকম বই মাত্র দুটো লিখেছেন। অন্যটা হচ্ছে অমানুষ। দুটোই অসাধারন হয়েছে তারপরও তিনি কেনো জানি এরকম বই আর লেখেননি। এখন অবশ্য আর অভিযোগ দিয়েও লাভ নেই। তিনি সবধরনের মান অভিমান অভিযোগের বাইরে চলে গেছেন। বইটা পড়ে আফসোস হয়েছে কেনো আরো কয়েকটা এমন লিখেননি। সে যাকগে। বইটার একটা লাইন আমার খুব ভালো লেগেছে। সংলাপটা জেনারেল ডোফার। তিনি বলেছেন, ‘ঈশ্বর দুটো শয়তান তৈরী করেছেন। একটা সে যে আদমকে গন্ধম খাইয়েছিলো, আরেকটা মার্কিন সরকার’। পুরো বইতে এটা আমার পড়া অন্যতম সেরা সংলাপ। আমেরিকান সরকার যে আসলে কি চিজ তার সামান্য প্রতিফলন বইটতে ফুটে উঠেছে। আর হুমায়ূন আহমেদ চমৎকার লিখেছেন। যারা নিয়মিত অ্যাকশন থ্রিলার লিখেন তারাও হুমায়ূন আহমেদের সাথে পারতেন না টক্কর নিলে। কিন্তু ঐযে আফসোস রয়ে গেলো। আপাতদৃষ্টিতে জেনারেল ডোফাকে ভিলেন মনে হলেও শেষদিকে একটা চমক থাকবে যা পুরো গল্পকে অন্যদিকে মোড় দিয়ে ফেলবে। শেষ করছি বইটার একটা সবচেয়ে সেরা সংলাপ দিয়ে। কথাটা জুলিয়াস নিশোর। ‘মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালোবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে’।"
Rashel , Jan 31, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগীতা। বই- সম্রাট। লেখক- হুমায়ূন আহমেদ। ধরন- ওয়ার থ্রিলার। পৃষ্ঠা- ১০৪। প্রকাশনী- অন্যপ্রকাশ। প্রধান চরিত্র- জুলিয়াস নিশো, হার্ভি ফকনার, বেন ওয়াটসন, অ্যান্ড্রু জনাথন, রবিনসন, জেনারেল ডোফা, গামাল হাসিম, জেনারেল সিমসন। কাহিনীর পটভূমি আফ্রিকার একটি দেশ মোরান্ডা নিয়ে। জুলিয়াস নিশো সেখানকার অবিসংবাদিত নেতা। অনেকটা ম্যান্ডেলার মতো। কিন্তু দেশটিতে চলছে সামরিক শাসন ও সেখানকার ক্ষমতা রয়েছে জেনারেল ডোফার হাতে। সাধারন মানুষ চায় জুলিয়াস নিশো তাদের সম্রাট অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট হিসেবে আসুক। কিন্তু জেনারেল ডোফা বাধা হয়ে দাড়িয়েছেন। নিশোকে আটকে রেখেছেন তিনি এবং বাইরে প্রচার করে দিয়েছেন সম্রাট নিশো মারা গেছেন। কিন্তু বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ থেকে কিছুই লুকানো যায় না। তারা ঠিকই জানে সব। তারা একটা অ্যামবুশ টিম পাঠালো যেই টিমের কাজ হচ্ছে সম্রাট নিশোকে উদ্ধার করে আনা। সেই টিমের লিডার হলেন হার্ভি ফকনার। পুরোনো বন্ধু দুর্ধষ যোদ্ধা বেন ওয়াটসন, কিলিং মেশিন অ্যান্ড্রু জনাথন এবং প্ল্যানার বুড়ো রবিনসনকে নিয়ে পাড়ি জমালেন মোরান্ডায়। ভয়ানক দুর্গম দুর্গে নিশোকে আটকে রেখেছে জেনারেল ডোফা। কিন্তু কথা হচ্ছে আদৌ কি নিশো কে মুক্ত করে আনা সম্ভব কিনা? আর আমেরিকারই বা স্বার্থটা কি? আসলে তারা কাকে চায় ক্ষমতায় দেখতে? এই চমকটা আছে শেষ অংশে। এমন একটা অংশ যা ভাবনায় আসবেনা। আর আমেরিকার সরকারের একটা ভালো ভূমিকা আছে। আমেরিকান সরকারও এক অর্থে একটা চরিত্র হিসেবে বিচরন করেছে। এবং সেই চরিত্রই হচ্ছে সবচেয়ে রহস্যময় চরিত্র। হুমায়ূন আহমেদ এরকম বই মাত্র দুটো লিখেছেন। অন্যটা হচ্ছে অমানুষ। দুটোই অসাধারন হয়েছে তারপরও তিনি কেনো জানি এরকম বই আর লেখেননি। এখন অবশ্য আর অভিযোগ দিয়েও লাভ নেই। তিনি সবধরনের মান অভিমান অভিযোগের বাইরে চলে গেছেন। বইটা পড়ে আফসোস হয়েছে কেনো আরো কয়েকটা এমন লিখেননি। সে যাকগে। বইটার একটা লাইন আমার খুব ভালো লেগেছে। সংলাপটা জেনারেল ডোফার। তিনি বলেছেন, ‘ঈশ্বর দুটো শয়তান তৈরী করেছেন। একটা সে যে আদমকে গন্ধম খাইয়েছিলো, আরেকটা মার্কিন সরকার’। পুরো বইতে এটা আমার পড়া অন্যতম সেরা সংলাপ। আমেরিকান সরকার যে আসলে কি চিজ তার সামান্য প্রতিফলন বইটতে ফুটে উঠেছে। আর হুমায়ূন আহমেদ চমৎকার লিখেছেন। যারা নিয়মিত অ্যাকশন থ্রিলার লিখেন তারাও হুমায়ূন আহমেদের সাথে পারতেন না টক্কর নিলে। কিন্তু ঐযে আফসোস রয়ে গেলো। আপাতদৃষ্টিতে জেনারেল ডোফাকে ভিলেন মনে হলেও শেষদিকে একটা চমক থাকবে যা পুরো গল্পকে অন্যদিকে মোড় দিয়ে ফেলবে। শেষ করছি বইটার একটা সবচেয়ে সেরা সংলাপ দিয়ে। কথাটা জুলিয়াস নিশোর। ‘মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালোবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে’। রেটিং- ৫.০০/৫.০০"
Sawon Ahmed , Jul 17, 2016
"বইটির কাহিনীর পটভূমি হল কালো অন্ধকারাচ্ছন্ন আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ 'জায়ারে'।জেনারেল ডোফা সে দেশের গণমানুষের নেতা,মুকুটহীন সম্রাট জুলিয়াস নিশো কে তার বিরুদ্ধে যাওয়ার কারনে বন্দী করেছেন।তাকে উদ্ধার করার কাহিনী নিয়েই গল্পটি এগিয়ে গেছে।এদিকে জেনারেল ডোফা রাষ্ট্রীয় শোকবার্তায় ঘোষণা দিলেন সম্রাট জুলিয়াস লিম্বানি নিশো মারা গেছেন।আসলে কি তিনি মারা গেছেন? তিনি কিন্তু মারা যান নি।তিনি মারা গেলে সমগ্র দেশে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশংকা আছে।তাই তাকে গোপন স্থানে নিয়ে তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হার্ভি ফকনার।তীক্ষ্ণধী এই এক্স আর্মি কর্নেল বর্তমানে ভাড়াটে সৈন্য হিসেবে কাজ করছেন।আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ থেকে তাকে ডেকে পাঠানো হল।জুলিয়াস নিশো কে ফোর্টনেক কারাগার থেকে মুক্ত করে আনার জন্য।আচ্ছা,এখানে আমেরিকার লাভ কি?কাজটা খুবই অসম্ভব।ফোর্টনেক, পৃথিবীর অন্যতম দুর্ভেদ্য এক কারাগার।নিশো কে উদ্ধার করে নিয়ে আসা অসম্ভবের কাছাকাছি। পৃথিবী সেরা পঞ্চাশ জন কমান্ডোর দক্ষ এক বাহিনী নিয়ে জায়ারে পোঁছাল ফকনার।সঙ্গে পুরো এক বাহিনী কে ঠেকিয়ে রাখার মত ভারী অস্ত্রসস্ত্র।তার আগে কমান্ডোদের জন্য স্পেশাল ইন্সট্রাকটর ট্রেইনার দিয়ে হার্ড ট্রেইনিঙের ব্যবস্থা করল। মরণপণ যুদ্ধ করে সম্রাট কে কারাগার থেকে উদ্ধার করল ফকনারের কমান্ডোরা।এখন অপেক্ষার পালা কখন এসে পোঁছায় তাদের কে উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার। শেষপর্যন্ত উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার এলো,কিন্তু ঘটল অন্য এক ঘটনা।তারপর সম্রাটের ভাগ্যে কি ঘটেছিলো আর ফকনারের কমান্ডোদের কি হল জানতে আপনাকে বইটির শেষ পাতা অবধি পড়ে যেতে হবে।বইটি বিশ্বাসঘাতকতা, মৃত্যুর হোলি খেলার আর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের এক অপূর্ব উদাহরণ। পড়ে দেখবেন,আশাকরি হতাশ হবেন না।"
Mishu , Jul 17, 2016
"হুমায়ুন আহমেদের অনবদ্য একটা মাস্টারপিস। থ্রিলার পাঠকরা অবশ্যই মিস করবেন না। মোরান্ডার সোহেলী আফ্রিকানদের নেতা মুকুটহীন সম্রাট *জুলিয়াস নিশো* জেনারেল ডোফা তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে প্রথমে জায়ারে নির্বাসন দিলেও,, পরবর্তীতে হত্যার উদ্দেশ্যে ফোটর্নকে নিয়ে আসেন। গৃহযুদ্ধ এড়াতে ভূয়া নিউজ প্রচারের পদক্ষেপ নেন ডোফা। এদিকে সিআইএ ভাড়াটে সৈনিক ফকনারের নেতৃত্বে ৭০সদস্যের কমান্ডো পাঠায় মোরান্ডায় নিশোকে উদ্ধারের জন্য। প্লান ছিলো নিশোকে নিতে পরিত্যক্ত এয়ারপোর্টে বিমান পাঠাবে আমেরিকা। কিন্তু ডোফার সাথে আমেরিকান সরকারের চুক্তি হয়ে যাওয়ায় ফাঁদে পড়ে যায় ফকনাররা। বাধ্য হয়ে অফিসারদের কিডন্যাপ করে ডোফার সাথে চুক্তিতে আসতে চায় ফকনার। কিন্তু সিআইএর সহায়তায় ডোফাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন জেনারেল এ্যমিও। তারপর,,,??? ^ মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালোবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে।ভবিষ্যতেও হয়ত হবে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সম্রাট" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: