১ম প্রকাশ, ২০২১
শেকড়
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ওগো শুনছো
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
মিসির আলির গল্পমালা
হুমায়ূন আহমেদ
শেষ পরিণতি
প্রফেসর দেওয়ান মোঃ আজিজুল ইসলাম
প্রেমের গল্প
হুমায়ূন আহমেদ
জীবন জাগার সিরিজ -৬ (আমি যদি পাখি হতাম)
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
অল্প বিদ্যা ভয়ংকর
মাওলানা মুনীরুল ইসলাম
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | শেকড় |
| Author | আসাদুজ্জামান জুয়েল |
| Publisher | পেন্সিল পাবলিকেশনস |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 92 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.25 Kg |
| ISBN | 9789849554011 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টিলাবণ্য শাহিদা , Jul 9, 2021
"বই: শেকড় লেখক: আসাদুজ্জামান জুয়েল বইয়ের ধরণ : গল্পগ্রন্থ প্রকাশক: পেন্সিল পাবলিকেশনস মুদ্রিত মূল্য : ২৪০ টাকা প্রচ্ছদ: মো. সাদিতউজজামান পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৯১ মাথা উঁচু করে বাঁচতে হয় আর মাথা নীচু করে শিখতে হয় জীবনকে যাপনের সুতোয় বেঁধে তাতে রঙ-বেরঙের স্বপ্ন বুননের এক যাত্রাপথের নাম শেকড়। কথাসাহিত্যিক আসাদুজ্জামানের জুয়েলের দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ ‘শেকড়’ প্রকাশ পেল এবারের বইমেলাতে। একটা মহামারীর ক্ষতের দেয়ালে আশাবাদী জীবনের বহিঃপ্রকাশ হল শেকড়। মার্শাল ম্যাকলুহান যে বিশ্বগ্রামের তকমা সেটে ছিল বিংশ শতাব্দীর গোড়াতে, সেই নিরেট জাগ্রত সচেতনতার জোয়ারে কীভাবে আমরা প্রতিনিয়ত নিজেদের বেঁচে থাকার শেকড় খুইয়েছি, বিলীণ হয়েছি কাঠ-দালানের খুটিতে ; গল্পগ্রন্থ শেকড় যেন তারি এক সুতীব্র চিৎকার। মোট এগারটি গল্পের একে সুবিন্যস্ত প্রকাশ যেখানের প্রকাশ পেয়েছে সম-সাময়িক ইস্যুর নিখুঁত ব্যবচ্ছেদ থেকে যাপিত জীবনের বন্দনা। আদালত শিরোনামের প্রথম গল্পটি শুরু হয় গল্পকথকের বয়ানে, যেখানে এক কাল্পনিক কিন্তু বাস্তবের সংমিশ্রণের অপরাধের বয়ান দিয়ে শুরু হয় সূচনা। দশ দিন ধরে জেলখানাতে বন্দী গল্পকথক, গারদের একটি কক্ষতে আশিজন বিভিন্ন ধরণের দাগী আসামির সাথে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। রুমের এক কোণাতে ত্যাগ-বিসর্জনের ফলে চারপাশ জুড়ে এক নাভিশ্বাস অবস্থা। এদিকে, অপরাধের জন্য চৌদ্দ বছরের কারাগার যাপনের শাস্তির মুখে দাঁড়িয়ে গল্পকথক। কিন্ত কী এমন সেই গুরুতর অপরাধ? অপরাধের মাশুল হিসেবে উকিলের ফি জোগাতে খোয়াতে হয় সংসারের আয়ের উৎসের একমাত্র কালোনি গাইটিকে। তবুও কি শেষ অব্দি বাঁচতে পারবে চৌদ্দ বছরের শাস্তি থেকে। পরিবার শিরোনামের দ্বিতীয় গল্পটি জামান নামের এক টুরিস্ট গাইডের। জামানের দায়িত্ব সঙ্গী জার্মানীর ভদ্রলোককে বাংলাদেশ ঘুরে দেখানোর। সেই দেখানোর করতলে একে একে কীভাবে ভেসে এলো পুরো বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি; পরিবার গল্পটি সেই ছোঁয়াতে ভরপুর। এ গল্পের কিছু উক্তি আজীবন মনে রাখার মত। “আমরা বাঙালিরা সব পারি; কিন্তু মাথা নত করতে পারি না। মাথা নত করব আমরা শুধু এক সময়ে, সেটা হলো শেখার সময়। আমরা বাঙালিরা বিশ্বাস করি। ‘মাথা উঁচু করে বাঁচতে হয় আর মাথা নীচু করে শিখতে হয়।’ পুরুষমাতা গল্পটি শুরু সলিলকে দিয়ে। দাম্পত্য জীবনের তেরো বছরের শাপলাকে নিয়ে বেশ ভালই কেটে যাচ্ছিল কপোত-কপোতীর জীবন। কিন্তু ঘর আলো করে আসেনি কোনো পুতুলের ছোঁয়া। তবু, সলিলের নেই কোনো অনুতাপ এই নিয়ে, ভালবাসার ভেলাতে কেটেই যাচ্ছিল নির্মল আনন্দে। হঠাৎ, সলিলের শরীরটা খারাপ হতে শুরু করলো। ডাক্তারের কাছে গেলে কেউ কিছুই ধরতে পারলো না। অবশেষে ইউরিন টেস্টে বেরিয়ে এলো এক অলোকিক ঘটনা। গল্পের শিরোনামের তবে কী সত্যিই রূপান্তর হবে? কী ঘটতে চলেছে সলিলের জীবনে? স্বপ্নভূমি গল্পটি চিরায়িত প্রেমের এক চিরচেনা কিন্তু বহু আশাহত চাওয়া। প্রেমিকা তমার ছোঁয়াতে এ গল্পে পাঠক ছুঁয়ে আসতে পারবে রবীন্দ্রনাথ থেকে পাবলো নেরুদার প্রেমিকা মাতিলদে উরুতিয়া থেকে। তবু বিচ্ছেদের ছোঁয়া থেকে গল্পকথক বাঁচতে পারেনি। কী এমন শক্তি তমাকে কেড়ে নিতে পারে তা রহস্যই রেখে গেলাম। নারী শিরোনামের পরের গল্পটি লেখকের বাস্তব জীবনের যেন এক আখ্যান। এ গল্পে পাঠক প্রত্যাহিক জীবনের মাস্টার শেফদের গুরুত্ব প্রতি প্রতি ছত্রে ছত্রে অনুভব করতে পারবে। সাথে মিশে থাকবে হাসির নানা উপাদান। রুই মাছের এক নতুন নামও চমক হিসেবে থাকছে গল্পের শেষে গিয়ে। সবচেয়ে মধুর আর জীবনের রঙের গল্প এটি। আমার কাছে এ গল্পগ্রন্থের সবচেয়ে প্রিয় গল্পটি হলো শেকড়, বইয়ের নাম ভূমিকায় যেটি ব্যবহৃত হয়েছে। একান্নবর্তী আবহমান বাংলার প্রতিচ্ছবি শেকড়। শুরতেই যে বিশ্বগ্রামের কথা বলেছিলাম, যার ছোঁয়াতে বিলিণ হয়েছে, হচ্ছে শেকড়ের ভিত্তি। এ গল্পটি তারই রেশে ভরা। গল্পকথকের গ্রামের কথা দিয়ে শুরু এ গল্পটি। সারা গ্রাম মিলে মাত্র কয়েকটি ঘরেই টিভি, গল্পকথকদের ঘরে সেই টেলিভিশনের আগমণের সানাই বাজে তেমনি এক ঘটনার প্রেক্ষাপটে। কিন্তু কী সেই ঘটনা? কাটুয়া চিল শিরোনামের গল্পটি শুরু মজিদ মোড়লের শোষণের রূপ নিয়ে। গ্রামে মজিদ মোড়লের অত্যাচারে অতিষ্ঠ গরীব মানুষজন। মজিদ মোড়লের আবাসের জায়গাটি ভূতুরে বাড়ি বলে বিখ্যাত। মানুষজন ভুলেও যেতে চায়না বাড়িটির আশপাশে। শোনা যায়, গভীর রাতে এখানে চারপাশ জুড়ে কিসের এক আত্মা দেখা যায়। মজিদ মিয়ার দাদা সুদখোর লুতফর খাঁ এর অপকর্মে তার দুই স্ত্রী আত্মহত্যা করে। মূলত ঘটনার শুরু এই থেকেই। সাথে জুটেছে মোড়লের বাগানের বাবলাগাছের মাথায় বসা এক কাটুয়া চিল, যে গোগ্রাসে শেষ করছে আশে পাশের মানুষের সব হাস মুরগীর ছানাকে। সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসে একটি কিশোর গ্যাং। কী হতে চলেছে পরবর্তীতে? উল্লেখযোগ্য আরেকটি গল্পের মধ্যে যুদ্ধ গল্পটি লেখকের লেখনীর ছোঁয়াতে অনবদ্য রূপ লাভ করেছে। তুলির বাবা ১৯৭১ সালে যুদ্ধে হারিয়েছে পা দুটো। পাকিস্তানীদের সাথে বীরদর্পে লড়েও আজ স্বাধীন ভুমিতে হুইল চেয়ারে আবদ্ধ তার জীবন। হাত পেতে নেয়নি সরকারের কোনো ভাতা অথবা অনুদান। অথচ, একমাত্র মেয়ে তুলিকে নিয়ে তার যত সংশয় আর ভয়। কী সেই সংশয়? এ গল্পের কিছু উক্তি হৃদয়ে স্পন্দিত করে। ‘যিনি আমাদের জন্য এই দেশটি এনে দিয়েছেন, যিনি দেশকে ভালবেসে প্রতিদান নিতেও কুন্ঠিত, আজ তিনিই তার মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। কী অদ্ভূত প্রতিদান আমাদের।’ ভূলছবি গল্পটি প্রতিদিনকার পত্রিকার পাতা থেকে উঠে আসা এক নির্মম বাস্তবতার নাম। কমলার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনার উপাখ্যান ভূলছবি। গল্পটির শেষ বৃষ্টির রেশ ধরে। সেই রেশে ঘুরে আসা যাবা মাথিনের প্রেমের কাহিনী থেকে শুরু করে আপামর চিরন্তন বাঙালি সমাজের হাত ধরে। বইটি শেষ করে পাঠক ভেসে যাবে ফেলে আসা আগত জীবনের এক নব আশ্বাসে। লেখক আসাদুজ্জামান জুয়েলের বেড়ে উঠা প্রমত্তা পদ্মার কোলঘেঁষে এক নিভৃত গ্রামে। গ্রামের উচ্ছল জীবন আর পাখির কুঞ্জনে অতিবাহিত জীবনের শেকড়ে বেড়ে উঠেছে লেখকের প্রতিচ্ছত্র। পদ্মার মত হৃদয়ে গেঁথেছে যাপনের কথা, যার তুলিতে ভর করে একে এক প্রকাশ পেয়েছে গল্পগ্রন্থ পলাতক, উপন্যাস বনসভা। ইংরেজি সাহিত্য থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করার বদোলতে ঘনিষ্ট হয়েছে বিশ্বসাহিত্যের সাথে আর জীবন পেয়েছে যাপনের এক নতুন তুলি। ফটোগ্রাফীতে এক সুপরিচিত নাম আসাদুজ্জামান জুয়েলের বন্য জীবন নিয়ে রয়েছে এক দারুন স্পৃহা যার জন্য প্রতিনিয়ত পাখি ও পরিবেশ নিয়ে লিখে চলেছেন বিভিন্ন পত্রিকা ম্যাগাজিনে। জীবনের জয়গানের বয়ানের কলম ধরার জন্য লেখকের নজরুলের গানের কলিতেই যেন পরিচয় হয়ে যায়, ' আমি চিরতরে দূরে চলে যাবো তবু আমারে দেবো না ভুলিতে....।'"
MUHAMMAD SOHEL RANA , Mar 24, 2021
"আসাদুজ্জামান জুয়েল ভাই ভালো লেখেন।তার লেখা এটি ৩য় বই। আশা করছি এবারেরটা আরো ভালো হবে।দু'আ ও শুভকামনা রইল।১ম কমেন্ট"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"শেকড়" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: