১ম প্রকাশ, ২০২২
সে এখানে নেই
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সে এখানে নেই |
| Author | সাদাত হোসাইন |
| Publisher | অন্যপ্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 110 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.34 Kg |
| ISBN | 9789845029650 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
51 Ratings and 29 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২৯টি
Md. Nazmus Sakib , Jun 25, 2026
"Good!"
Sadia Islam , Apr 11, 2026
"It is really the best book"
শাহ্ ফখরুল ইসলাম আলোক , Nov 1, 2025
"“সে এখানে নেই” একরকম বয়ান যা বলছে—অনুপস্থিতি ও অদৃশ্য ভয়‑র মাঝে এক খোঁজ। মনে হয় লেখক বলছেন, “আমি তোমাকে খুঁজছি, কিন্তু তুমি নেই”—কিন্তু সেই নেই‑এর মধ্যে কি সত্যিই নেই, নাকি কোথাও লুকিয়ে আছে? বইটি সেই প্রশ্ন‑উদ্দেশ্য নিয়ে নিয়েছে।"
Miran Hasan , May 8, 2025
"অসাধারণ"
880****241 , Apr 19, 2025
"এখনো পড়া হইনি পরে শর্ট লাইন গুলো পরেই ভালো লেগেছে"
SHEIKH SELIM , Feb 4, 2025
"অনেক ভালো লেগেছে বইটি পরে"
Dipto Hossain , Jan 28, 2025
"বইটা সম্পর্কে তেমন বিশেষ কিছু বলার নেই তবে আমার উপরে মোটেও ভালো লাগেনি।"
Anime Fever , Jan 28, 2025
"ভূতের গল্পের বই নাকি এটা আবার। তবে আমার কাছে পড়ে তেমন কিছুই মনে হয়নি। লেখক লেখক হিসেবে ব্যর্থ।"
Dipto Hossain , Jan 28, 2025
"প্রথম কথা হল লেখক এর এ ধরনের বই লেখার অভিজ্ঞতা নেই। দ্বিতীয় কথা হল লেখক এটা নিজেই স্বীকার করেছে তারপরও তিনি কি খেয়ে বা কারো জন্য এই বইটা লিখেছ আমার ঠিক জানা নাই। যদি বইটা নিজের জন্য দিকে থাকে তাহলে পারফেক্ট কিন্তু যদি পাঠকদের জন্য দিকে থাকে কিংবা তার ভক্তদের জন্য দিকে থাকে তাহলে বলব ফালতু একটা কাজ করেছে।"
MD Sajid Rahman , Aug 16, 2024
"আলহামদুলিল্লাহ। গল্পটা দারুণ।"
880****458 , Jun 22, 2024
"Khub e baje akta Boi😖"
Nitisha , Apr 1, 2024
"besh valo"
MD. NABIL , Mar 2, 2024
"লেখক এর উচিত এই ধরণের বই না লিখা। লেখক এর অন্য বই গুলো বেশ ভালো কিন্তু এই বইটা ভালো লাগলো না। কেমন যেনো হযবরল লাগলো পুরো গল্পটা।"
আসিফ হোসেন , Feb 28, 2024
"সঠিক ভাবেই হাতে পেয়েছি। দারুণ থ্রিলার বই। ভাল লেগেছে।"
Nafiul Alam Rafin , Feb 24, 2024
"ভালোই"
Maria Khan , Feb 12, 2024
"আমার পড়া সাদাত হোসাইন এর প্রথম বই।"
Ashrafia Jannat Aisharja , Oct 20, 2023
"পৃথিবী এমনই, আমরা আমাদের প্রিয়তম মানুষের ভয়ানক কোনো অপরাধও নানান যুক্তিতে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করি। নির্দোষ প্রমাণ করতে চাই। সে এখানে নেই- সাদাত হোসাইন বই: সে এখানে নেই লেখক: সাদাত হোসাইন জনরা: প্যারানরমাল থ্রিলার প্রকাশনা: অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী প্রকাশক: মাজহারুল ইসলাম প্রচ্ছদ: মো. সাদিতউজজামান পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১২ মুদ্রিত মূল্য: ৩০০৳ রিভিউ প্রদানকারীর নাম: আশরাফিয়া জান্নাত ঐশ্বর্য ☆কাহিনী সংক্ষেপ: শহুরে সাধারণ চাকরিজীবী জহির ভালোবাসে লন্ডন প্রবাসী জেসীকে। জেসী হলো জহিরের বন্ধু আশিকের খালাতো বোন। আশিকের মাধ্যমেই তার জেসীকে চেনা। এরপর ফেসবুকের দৌলতে দুজনের মাঝেমধ্যে টুকটাক কথা বলা। এরই মধ্যে আশিকের মা রেণু মা মরা মেয়ে জেসীর বিয়ে দেওয়ার জন্য পাত্র হিসেবে জহিরকে নির্বাচন করেন। জহির বিয়েতে সম্মতি দিলে জেসী রেণুর কথামতো লন্ডন থেকে দেশে ফিরে আসে। জেসী দেশে ফেরার কিছুদিন পরেই জহিরকে অফিসের কাজে কক্সবাজার যেতে হয় এবং সেখান থেকেই আসল কাহিনীর শুরু। কক্সবাজারে ঝড়-বৃষ্টিময় এক সন্ধ্যায় আশিক হঠাৎ জহিরকে ফোন করে জেসীর অসুস্থতার কথা জানিয়ে তাকে তাড়াতাড়ি ঢাকায় ফিরতে বলে। এদিকে বৃষ্টির কারণে রাতে কক্সবাজার-ঢাকার সমস্ত বাস আটকে যায়। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় জহির বাসের জন্য অপেক্ষা না করে কোনোমতে একটা সেডান গাড়ি যোগাড় করে সেই রাতেই ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে একবার গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বৃষ্টিতে কাকভেজা হয়ে দুর্বল শরীরে লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন পুরনো একটা বাড়িতে আশ্রয় নেয়। কিন্তু তখনও সে জানেনা যে সেই বাড়িতে তার জন্য কী ভয়ানক একটা ঘটনা অপেক্ষা করে আছে! সেই বাড়িতে সেই রাতে কী এমন বিভীষিকাময় ঘটনা ঘটেছিল যে যার কারণে জহির সম্পূর্ণ পাল্টে যায়? সেই বাড়ি থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে চলে যাওয়ার সময় বিদ্যুৎ চমকানোর আলোতে গাড়ির রিয়ার ভিউ মিররে কাকে দেখেই বা জহিরের রক্ত হিম হয়ে যায়? এদিকে জহির ঢাকায় ফিরে আশিকদের বাড়ির কাজের মহিলার কাছ থেকে জেসীর অতীত সম্পর্কে অজানা কিছু কথা জানতে পারে যে তথ্যগুলো তাকে বেশকিছু হিসেব মেলাতে সাহায্য করে। কী সেই বিস্ময়কর তথ্য যেগুলো শুনে জহির জেসীর ব্যাপারে অনেককিছুই বুঝে যায়? আবার, জেসীর অসুস্থতার আগে থেকেই আশিক ঢাকার বাইরে থাকলে জহিরকে সে কী করে জেসীর অসুস্থতার খবর জানাল? জহিরকে জেসীর অসুস্থতার কথা জানানোর পর থেকে কেনই বা আশিকের ফোন বন্ধ? আশিকের শ্রীমঙ্গলে তার মামার বাড়িতে যাওয়ার কথা থাকলেও সে কেন সেখানে যায়নি? আর শ্রীমঙ্গলে না গেলেও কোথায় আছে সে? হাসপাতালে জেসীকে ভালোভাবে দেখার পর কী কারণেই বা জহিরের কাছে ঝড়-বৃষ্টির রাতের সেই পুরনো বাড়িতে ঘটে যাওয়া ঘটনা পরিষ্কার হয়? শেষ পর্যন্ত জহির, জেসী আর আশিকেরই বা ঠিক কী পরিণতি হয়? উপরের সব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আপনাকে অবশ্যই সাদাত হোসাইনের লেখা অতিপ্রাকৃত থ্রিলার ঘরানার "সে এখানে নেই" উপন্যাসটি পড়তে হবে। ☆ফ্ল্যাপ: দমকা হাওয়ায় জানালা গলে বৃষ্টির জল এসে পড়েছে সিঁড়িতে। সেই জলে বার কয়েক পা হড়কে গেল জহিরের। তবে সামলে নিল সে। তারপর দোতলার মেঝেতে উঠে এল। আর ঠিক তখনই দৃশ্যটা চোখে পড়ল। সিঁড়ি লাগোয়া প্রথম ঘরটির দরজায় একজন মানুষ বসে আছে। তবে মানুষটা ঘরের ভেতর দিকে মুখ করে বসে আছে বলে তার চেহারা দেখা যাচ্ছে না। দেখা যাচ্ছে পিঠ। ঘরের ভেতর থেকে আলো আসছে। সেই আলোয় কেবল মেয়েটার বসে থাকা শরীরের কুঁজো ছায়ামূর্তিটা বোঝা যাচ্ছে। আর বোঝা যাচ্ছে তার ন্যুব্জ শরীরের থরথর কম্পন। সে একনাগাড়ে চিৎকার করে কাঁদছে। কিন্তু উঠে দাঁড়াতে পারছে না। জহির হতভম্ব হয়ে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। তারপর কয়েক কদম হেঁটে সামনে এগোল। কিন্তু দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই যেন জমে গেল সে। ঘরের ভেতরের গা হিম করা দৃশ্যটা চোখে পড়ল তার। ☆পাঠ প্রতিক্রিয়া: আমার বরাবরই থ্রিলার বেশি পছন্দ হওয়ায় ফ্ল্যাপের লেখাটুকু পড়ে অনেক কৌতুহল নিয়ে বইটি পড়তে বসে যাই। এবং এই বইটির পাঠক ধরে রাখার ক্ষমতা এতটাই প্রবল যে এটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যেকোনো পাঠককে (বিশেষ করে যারা অতিপ্রাকৃত থ্রিলার পড়তে ভালোবাসে) বইয়ের সামনে বসে থাকতে বাধ্য করবে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটা সময় আমি অনেক কৌতুহল নিয়ে বইটি শুধু পড়েই গেছি। প্রেম-ভালোবাসা, রহস্য, ভৌতিক আবহাওয়া, থ্রিল সবকিছুই বেশ সাবলীলভাবে বইটিতে ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে জেসী চরিত্রের রহস্যময়তা আমাকে প্রবলভাবে কাছে টেনেছে। তাছাড়া জহিরের ভালোবাসাও বেশ সুন্দর ছিল। তবে সবচেয়ে বেশি থ্রিলিং লেগেছে সেই পুরনো বাড়িতে ঘটে যাওয়া ঘটনাটা যেখানে প্রতি মুহূর্তে ঘটনা অন্যদিকে মোড় নিয়েছিল। আর সবচেয়ে বেশি খারাপ লেগেছে পুরনো বাড়ির মেয়েটির খুন করার পেছনের কারণ জেনে। সর্বোপরি, বইটি পড়ার পুরোটা সময় দারুণভাবে উপভোগ করার মতো ছিল। একবারও মনেই হয়নি যে এটা প্যারানরমাল থ্রিলার জনরায় লেখকের প্রথম উপন্যাস। ☆খারাপ লাগা: বইটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় পুরোটাই আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। তবে প্রথমদিকে গল্পটা একটু স্লো ছিল (যেটা লেখকের প্রায় উপন্যাসেই কমবেশি থাকে) যা কিছুটা বিরক্তির উদ্রেক ঘটিয়েছে। আর শেষের রহস্যটা রহস্য হিসেবেই রাখা হয়েছে (জনরা অনুসারে এই ব্যাপারটা যদিও যুক্তিসঙ্গত) যে বিষয়টা মনে আরো একটু কৌতুহল জাগিয়েছে। ☆সমালোচনা: এটা নিয়ে সাদাত হোসাইনের লেখা মোট তিনটি উপন্যাস আমি পড়েছি যেগুলোর প্রত্যেকটিতেই আমি যে বিষয়টি খেয়াল করেছি তা হলো-লেখায় অতিরিক্ত বর্ণনা ব্যবহার করা। "সে এখানে নেই" বইটির শুরুতেও আমি এই অতিরিক্ত বর্ণনার বিষয়টি খেয়াল করেছি যদিও তা আমার পড়া লেখকের বাকি দুটো উপন্যাসের চেয়ে অনেক কমই ছিল। কিন্তু আমার একান্ত মতামত এটাই যে লেখকের এই বর্ণনার ব্যাপারে আরেকটু বেশি সচেতন হওয়া উচিত কেননা লেখার মধ্যে অতিরিক্ত বর্ণনা প্রায় সময়ই পাঠকের বিরক্তির কারণ হয়। আরেকটা বিষয় হলো যে লেখকের লেখায় হুমায়ূন আহমেদ স্যারের লেখার ধরনের একটা পরোক্ষ ছাপ থাকে, (যদিও সেটা খুবই সামান্য) এই বিষয়েও লেখকের একটু সচেতন হওয়া উচিত। কেননা একজন লেখকের ক্ষেত্রে তার লেখার ধরনটাই লেখক হিসেবে তার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বহন করে। ☆চরিত্র বিশ্লেষণ: বইটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে মাত্র ৩জন মানুষকে কেন্দ্র করে। ●জহির: উপন্যাসে নায়ক হিসেবে দেখানো হয়েছে জহিরকে, যে জেসীর (নায়িকা) সম্পর্কে তেমন কিছু না জেনেই তাকে অনেক ভালোবাসে। কিন্তু জেসীর অতীত সম্পর্কে সবকিছু জানার পরে তার মনে যেমন দুঃখ জাগে তেমনি মনের অনেকটা জুড়ে আরও একটা অনুভূতি জেগে ওঠে। জহিরের মনে ঠিক কী অনুভূতি জাগে তা জানতে হলে আপনাকে বইটি পড়তে হবে। ●জেসী: উপন্যাসের প্রধান এবং কেন্দ্রীয় চরিত্র জেসী। ছোটবেলায় তার মা মারা যাওয়ার পর থেকেই সে অন্যদের তুলনায় অদ্ভুতভাবে বেড়ে উঠেছে। তার অন্যতম একটা খারাপ অভ্যাস হলো রাতে ঘুমের মধ্যে হেঁটে-হেঁটে বাইরে চলে যাওয়া। এসবকিছুর কারণে সে ছোট থেকেই বেশ রহস্যময়তার মধ্যে দিয়ে বেড়ে উঠেছে, যদিও তার ভেতরের রহস্য উপন্যাসের শেষেও রহস্য হয়েই থেকে যায়। ●আশিক: জেসীর খালাতো ভাই এবং জহিরের বন্ধু আশিক উপন্যাসে গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা দখল করেছে। ছোটবেলা থেকে জেসীর সঙ্গে কেউ না মিশলেও আশিকই ছিল তার একমাত্র খেলার সাথী যাকে জেসী নিজের বড় ভাইয়ের আসনে বসিয়েছিল। এছাড়া আরও যে কয়েকটি চরিত্র বইয়ে ছিল তারা হলো- আশিকের মা রেণু, রেণুদের বাড়ির কাজের মহিলা খোদেজার মা, আবিদুল ইসলাম প্রমুখ। ☆নামকরণ: বইয়ের নামকরণের ক্ষেত্রে লেখক সাদাত হোসাইন সবসময়ই বেশ পরিপক্বতার পরিচয় দেন। বইয়ের শেষের রহস্য এবং জেসীর অদ্ভুত আচরণের রহস্য সবটা মিলিয়ে বইটির নামকরণ একদম যথাযথভাবে মিলে গেছে। ☆প্রচ্ছদ, কাগজ, বাঁধাই: প্রচ্ছদকার হিসেবে মো. সাদিতউজজামান সবসময়ই বেশ ভালো প্রচ্ছদ তৈরি করেন। এই বইয়ের প্রচ্ছদের ক্ষেত্রেও তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। বইয়ের মলাটে সেই পুরনো বাড়ি আর লাশের ঘরের জানালাটা দেখলেই মনের ভেতর কেমন যেন একটা ভয়ভয় আবহ তৈরি হয় যা বইটি পড়ার ক্ষেত্রে আলাদা একটা গুরুত্ব বহন করে। পাশাপাশি সবসময়ের মতো অন্যপ্রকাশের এই বইয়েও কাগজ আর বাঁধাই ছিল উৎকৃষ্ট মানের। ☆বইটি কেন পড়বেন? আপনার যদি থ্রিলার ভালো লাগে অথবা অতিপ্রাকৃত যেকোনো ঘটনা শুনতে ভালো লাগে তাহলে আপনি এই বইটি পড়তে পারেন কেননা প্যারানরমাল থ্রিলার পড়তে ভালো লাগলে এটি আপনার জন্য সুখপাঠ্য একটি বই হবে। তাছাড়া ছোট্ট একটি মেয়ের মনস্তত্ত্ব এবং একটি ঘৃণ্য কাজের ঘটনাও এই বই পড়ে জানতে পারবেন। সর্বোপরি, সাদাত হোসাইনের অন্যসব রোমান্টিক বইয়ের তুলনায় এই প্যারানরমাল থ্রিলার বইটিই আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। আমার মতে এই জনরায় লেখকের আরও বেশি লেখা উচিত। ব্যক্তিগত রেটিং: ৮/১০"
Shahriar Shamim , Oct 4, 2023
"#প্রগতি_সাদাত_হোসাইন_বুক_রিভিউ_প্রতিযোগিতা 👉বই পরিচিতি বই:সে এখানে নেই লেখক: সাদাত হোসেন প্রথম প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০২২ ধরন: প্যারানর্মাল থিলার প্রকাশনা:- অন্যপ্রকাশ পৃষ্ঠা:- ১১০ মুদ্রিত মূল্য: ৩০০ টাকা প্রগতিতে ১৪% ডিসকাউন্টে মূল্য ২৫৪ টাকা রিভিউ দাতা : শাহরিয়ার শামিম Shahriar Shamim 👉নামকরণ ও প্রচ্ছদ : নামকরণ ও প্রচ্ছদ যদি হয় বই অনুযায়ী ব্যাতিক্রমি তাহলে পাঠকের বইয়ের প্রতি হতাশা সৃষ্টি হয়। নামকরণ ও প্রচ্ছদ বইয়ের ক্ষেতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সে এখানে নেই বইটির নামকরণ ও প্রচ্ছদ বই অনুযায়ী যথার্থ এটা পাঠক পড়লেই খুব সহজে বুঝতে পারবে। 👉 কাহিনী সংক্ষেপ: সে এখানে নেই গল্পটিতে জেসি নামক একটা মেয়ের মা তার ৪ বছর বয়সে মারা যান।জেসির মায়ের মৃত্যু আর কয়েকজন সাধারণ মানুষের মতো না বরং আন্তহত্যা এর মাধ্যমে হয়েছিল। জেসির ছিল খুব রাগী এবং ঝগড়াটে স্বভাবের তাই প্রায়ই তার বাবার সাথে ঝগড়া লেগে থাকত এমনি একদিন তার বাবা ঝগড়া করে বাড়ি থেকে চলে যাই তারপর জেসির মা বাড়ির প্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।জেসি যেহেতু তখনও মাত্র ৪ বছর বয়সের তাই অতকিছু সে বুঝে না মৃত মায়ের পা ধরে একটানা ৩দিন সে দাঁড়িয়ে থাকে ঐটুকু ছোট মেয়েটা।তারপর ৩ দিন পর যখন লাশ পচে গন্ধ বের হতে শুরু করে তখন সবাই তাদের বাড়িতে এসে জেসিকে এমতা অবস্থাই দেখে অবাক হয়ে যায়। ঐদিন থেকেই জেসির মধ্যে কোন এক অদ্ভুত শক্তি কাজ করত।পরে জেসি তার খালার বাড়িতে আসতে আসতে বড় হতে থাকে। জেসি ছিল অপূর্ব সুন্দরী একটা মেয়ে।জেসির কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়া একটা পারিবারিক ভ্রমনের ছবি দেখে জহির তার প্রেমে পড়ে যায়। ফেইসবুকেই জেসি এবং জহিরে কথাবার্তা চলতে থাকে তবে সেটা প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে নয় বন্ধত্বের সম্পর্কে।জেসির ফেইসবুকের প্রতিটা পোস্টে জহিরের উপস্থিতি দেখে জেসির ফুফাতো ভাই বিষয়টা বুঝতে পারে।জেসির খালাও জহিরকে খুব পছন্দ করত তাই সেও রাজি ছিল তাদের বিয়ে দেওয়ার জন্য। জেসি পরে লন্ডন থেকে দেশে আসে।দেশে আসলেও জহিরের সাথে তেমন একটা দেখা হয়না কারণ জহির তার অফিসের কাজে কক্সবাজারে ব্যাস্ত ঠিক মতো কথা বলার ও সময় নেই তার কাছে।একদিন হঠাৎ করে জেসি অসুস্থ হয়ে যায় এবং জহিরকে রাতের মধ্যে ঢাকাই আসতে বলা হয়। কিন্তু জহির কী হয়েছে সুস্পষ্ট কিছু না বলাতে জহির খুব ঘাবড়ে যাই এবং ঐঝড়-বৃষ্টির রাতে সে বেরিয়ে পরে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে পথে তার গাড়ি দুর্ঘটনা হয় তার সাথে এক পরিত্যক্ত ভৌতিক বাড়ির দেখা হয় সবই ছিল ভয়ানক।পরে জহির ঢাকাই আসে এবং সে পরিত্যক্ত বাড়িতে যে ঘটনাটা ঘটেছিল তা মনে পড়লে তার ভয় লেগে উঠে।ঐবাড়িতে সে রাতে একটা খুন হয়েছিল।একটা মেয়ের হাতে একটা ছেলে। ছেলেটা ছিল আশিক ও মেয়েটা ছিল জেসি কিন্তু জেসি কেন আশিককে খুন করতে যাবে আসলে আরো কয়েকবছর আগের কথা ঐটা জেসি কক্সবাজারে ছিল তখন জেসির বাবা বিদেশ থেকে দেশে এসেছে শুনে জেসি কক্সবাজার থেকে ঢাকাই আসার জন্য বের হয়েছিল তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত খালাতো ভাই আশিকের সাথে যাকে সে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করত কিন্তু জেসির সেই বিশ্বাস রাখতে পারেনি তার সাথে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাই আশিক।পরে পারিবারিকভাবে জেসির সঙ্গে আশিকের বিয়ে ঠিক হলেও সেই বিয়েটা হয়নি।জহির নিজ চোখে সবকিছু দেখে ও মেনে নিতে পারতেছেনা জেসি একটা খুনি সে বিভিন্ন উপায়ে নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছে জেসি কিছু করে নাই আসলে পৃথিবী এমনি আমরা আমাদের প্রিয়মানুষদের বিভিন্ন অন্যায় অপরাধ নানা বাহানায় ভূল প্রমাণ করতে চাই।তারপর জেসিও ঠিক তার মায়ের মতো প্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে মারা যায়। কিন্তু জেসিরতো ঢাকাই তার বাসায় মৃত্যু হয়নি হয়েছে লন্ডনে কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব?জেসি ঢাকাই ছিল কিন্তু রাতের মধ্যে আবার কীভাবে লন্ডনে চলে গেল? আসলে জেসির মায়ের মৃত্যুর পর থেকে ঐ মৃত লাশের সাথে ৩ দিন একা ঘরে থাকায় জেসি কোন এক ভৌতিক শক্তি লাভ করে ঐ থেকেই জেসি হঠাৎ করে করেই রাতে কোথাও উধাও হয়ে যেত। 👉 চরিত্র বিশ্লেষন: ১/জেসি: এগল্পের একটা অদ্ভুত চরিত্র যেকখনো খুবই ভালো সহজ,শান্ত স্বভাবের মেয়ে আবার কখনো তার ভৌতিক শক্তির জন্য ভয়াবহ সে তার রুপ পরিবর্তন করতে বেশি সময় লাগেনা। ২/জেসির মা: জেসির মা ছিলেন অত্যন্ত রাগী এবং ঝগড়াটে স্বভাবের। ৩/জেসির বাবা: জেসির বাবা জেসিকে পছন্দ করলে ও ভালোবাসতে চাইলে তার সৎমায়ের জন্য পারতেন না। ৪/জেসির সৎমা: জেসির মায়ের মৃত্যুর পর জেসির বাবা আরেকটা বিয়ে করেন এবং জেসির সৎ মা ছিল হিংসুটে স্বভাবের জেসিকে একেবারে সহ্য করতে পারতনা। ৫/রেনু:- জেসির বড়খালা জেসির মৃত্যুর পর জেসি রেনু আন্টির কাছেই বড় হতে নিজের মেয়ের মতো। খুব ভালো মনের একজন মানুষ। ৬/জহির: জেসির অপূর্ব সৌন্দর্যের প্রেমে পড়া ছেলেটা। পৃথিবীর সবকিছুর বিনিময়ে যে জেসিকে চেয়েছিল। জেসির সাথে কথা বললে তার দিন কোনদিক দিয়ে চলে যেত সে নিজেও জানত না। ৭/আশিক: জেসির খালাতো ভাই আশিক উপর দিয়ে সবার সাথে ভালো থাকলে মনে মনে জগ্ন ধরনের একটা মানুষ। ৮/খোদেজার মা: খোদেজার মা হচ্ছে জেসির খালাদের বাড়িতে কাজ করা কাজের লোক।যে তার ভিতরে কোন কথা লুকিয়ে রাখতে পারে না সবকিছু নিমেষেই বলে দেই। 👉পাঠ প্রতিক্রিয়া: এবইটা প্যারানরমাল থিলার বই এধরনের বইতে ভয়ানক ভোতিক ঘটনা তুলে ধরা হয় ঠিক তেমনি ঘটেছে এবইটাতে জহিরে কক্সবাজার থেকে ঢাকাই আসার রাস্তার ভয়াবহতা এমনেভাবে তুলে ধরে হয়েছে যা গাশিউরে উঠার মতো। ভয়ানক ও ভৌতিক ঘটনার পাশাপাশি এ বইটাতে প্রেম-ভালোবাসার একটা সুমধুর সম্পর্ক তুলে ধরতে লেখক সার্থক হয়েছে। জেসির ও জহিরের প্রেমকে লেখক খুব ভালোভাবে তুলে ধরতে পেরেছে।বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের দিকগুলোও খুব ভালোভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে লেখক।সবাইকে বিশ্বাস করা যেমন ঠিক নয় তেমন বিশ্বাস করা মানেই ঠকে যাওয়া নয়। এগল্পে নারীদের প্রতি পুরুষের নির্যাতনের দিকটাও ফুটে তুলে হয়েছে ভালোভাবে।আশিক জেসির বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে জেসির সঙ্গে যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছিল জেসি কিন্তু আশিক খুন করার মাধ্যমে তার প্রতিশোধ নিয়েছিল নিজে এমন পরিস্থিতিতে ভেঙ্গে না পড়ে প্রতিশোধ নিতে কয়জনই বা পারে।মূলত এবইটা পড়লে ভোতিক ঘটনা, প্রেম-ভালোবাসা, বিশ্বাস -অবিশ্বাস, প্রতিশোধ অনেকগুলো জিনিস একসাথে পেয়ে যাবেন।আর সবথেকে বড় কথা হচ্ছে এবইটা অর্ধেক পড়ে ফেললে শেষ করা ছাড়া থাকা যাইনা এমন কৌতুহল জাগিয়ে তুলতে বইটা সক্ষম এটা লেখকের অনেক বড় সফলতা। 👉ভালো লাগা কিছু লাইন: ১/সবাইকে যেমন বিশ্বাস করা ঠিক নয়-তেমনি বিশ্বাস করা মানেই আবার সব সময় ঠকে যাওয়া নয়। ২/পৃথিবী এমনই আমরা আমাদের প্রিয়তম মানুষের ভয়ানক কোন অপরাধ ও নানান যুক্তিতে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করি। 👉সম্পাদনা ,বানান ও অন্যান্য: বইটি সম্পাদনা করছে অন্যপ্রকাশ।অন্যপ্রকাশের সম্পাদন করা বইগুলোর কোয়ালিটি খুব ভালো সাধারণত এটার ক্ষেতে ব্যাতিক্রম ছিল না বই হাতে নিলে প্রিমিয়াম একটা ফিলিংস পাওয়া যায়।বানানের দিক থেকেও বইটা ভালো ছিল ধরতে গেলে তেমন কোন বানান ভূল আমার চোখে পড়েনি।বইটা আরেকটু বড় করে আরো কিছু ঘটনা সংযুক্ত করলে আরো ভালো লাগত তবে বইটা এমনিতেও ঠিক আছে কেউ কিনলে খারাপ হবেনা।১১০ পৃষ্টার একটা বইয়ের মূল্য ৩০০ টাকা যদি ও পৃষ্ঠার গুনগত মান অনুযায়ী ঠিক যদি পৃষ্ঠার মান আরেকটু কমিয়ে দাম কমিয়ে দেওয়া হয় তাহলে সকলের জন্য সহজলভ্য হবে। 👉রেটিং: ৪ /৫"
Leeon Haque , May 16, 2023
"বইটা গতানুগতিক। ভয়ের ফিলটা আসতে আসতেও এলো না।"
Md Abdul Ahad Khan , Apr 27, 2023
"অনেকদিন পর প্যারানরমাল কোন একটি গল্প পড়লাম। এক কথায় অসাধারণ। পাঠকরা যদি এই বইটিকে ভৌতিক উপন্যাস বলে গ্রহণ করেন তাহলে ভুল করবেন। এই বইটি প্যারানরমাল কাহিনী হলেও ভৌতিক উপন্যাস একদমই নয়। প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত ছিল ঘটনার ধারাবাহিকতা। প্রতিটি চরিত্র অনেক সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয়েছে এবং তাদের প্রকৃতি। এবং প্রত্যেকটি ঘটনার সাথে অদ্ভুত মিল ছিল। যার কারণে বইটি শেষ করে মনে হয়েছে কোন বাজে বই পড়িনি। প্রত্যেকটি বই থেকে আমি কিছু উক্তি লিখে রাখি। তেমনি এই বইটি তো একটি উক্তি আমার খুব ভালো লেগেছে, "পৃথিবী এমনই, আমরা আমাদের প্রিয়তম মানুষের ভয়ানক কোনো অপরাধও নানান যুক্তিতে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করি। নির্দোষ প্রমাণ করতে চাই"। সে এখানে নেই সাদাত হোসাইন"
Redwan , Feb 24, 2023
"Average"
marjiya , Jan 31, 2023
"এমন গল্প প্রথম পড়লাম। কেমন যেন.. অদ্ভুত!!"
Kamrul Hossain , Jan 13, 2023
"মোটামুটি রকমের ভালো।"
Samia , Nov 13, 2022
"Not so good :))"
Tania Sultana , Nov 4, 2022
"সর্বোপরি শুরু থেকেই ছিল শেষে কি হবে তাই নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ! শেষটা রহস্যময় লাগল, হয়তো আরেকটু গল্পের শেষটা ফোটানো যেত। তবে তা সম্পূর্ণ লেখকের স্বাধীনতা। বইয়ের নামের সাথে সামঞ্জস্য।"
Dr. Jesmin akterjessy , Oct 25, 2022
"sir er ei golpo ta temon valo hoinai.Plot twist ta temon creative hoinai, usual vabei starting & ending ta silo,but kichu usual gotona ke kuv highlight kora hoache, r main story theke ekhane extra kichu kotha beshii likha hoache jegulo skip korle golper kunu kichui miss jabena.."
Faiyaz Fahim , Oct 11, 2022
"bhalo hoi nai temon"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
3 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
এইটা কি ফিকশন নাকি নন ফিকশন বই?
কত পৃষ্ঠা?
এটা কি হার্ড কভার?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সে এখানে নেই" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: