১ম প্রকাশ, ২০১৭
রুম নম্বর ৪০৪
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ওগো শুনছো
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
মিসির আলির গল্পমালা
হুমায়ূন আহমেদ
শেষ পরিণতি
প্রফেসর দেওয়ান মোঃ আজিজুল ইসলাম
প্রেমের গল্প
হুমায়ূন আহমেদ
জীবন জাগার সিরিজ -৬ (আমি যদি পাখি হতাম)
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
অল্প বিদ্যা ভয়ংকর
মাওলানা মুনীরুল ইসলাম
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | রুম নম্বর ৪০৪ |
| Author | কামাল পাশা |
| Publisher | ঐতিহ্য |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৭ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 118 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.25 Kg |
| ISBN | 9789847763613 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টি
mostafizur rahman , Apr 19, 2017
"“আর দেখা হয়নি” এই লাইনটা খুব সাধারণ একটা লাইন হওয়ার পরও যেন জীবনের সমস্ত দুঃখ গুলোকে এক সাথে মনে করিয়ে দেয়। লাইনটা পড়ে আমার খুবই খারাপ লেগেছে। আসলে বাস্তবতা টা এমনই, যার সাথে আপনি সবচেয়ে ভালো সময় কাটাচ্ছেন দেখা যাবে একটা সময় সে আপনার থেকে অনেক দূরে। হয়তো কখনো তার কথা মনে পড়বে আপনার কিন্তু আপনার কথা তার মনে পড়ছে কিনা ভেবে বেরিয়ে আসবে ছোট্ট একটা দীর্ঘশ্বাস। কিন্তু কি আর করা, যা বাস্তব তা তো মেনে নিতেই হবে। বলছিলাম "রুম নাম্বার ৪০৪" এ থাকা আনজাম ভাইয়ের কথা। আনজাম ভাই আসলেই খুব ভালো মনের একজন মানুষ কিন্তু সমস্যা হল তিনি চান তার প্রেমে কোন মেয়ে হাবুডুবু খাক। প্রেম নিবেদন করুক। কিন্তু শত অপেক্ষার প্রহর শেষেও যখন মনের ইচ্ছে পূরন হল না তখন আনজাম ভাই ঠিক করলেন নিজেই মেয়েদের প্রস্তাব দেবেন। কেউনা কেউ নিশ্চয়ই সেটা গ্রহন করবে। কিন্তু এখানেও সমস্যা আছে। সরাসরি প্রস্তাব দিতে আনজাম ভাইয়ের বেশ আপত্তি তাই তিনি বের করলেন অভিনব এক পদ্ধতি। প্রতিদিন অসখ্য ছোট ছোট চিরকুট তৈরী করেন আর সেগুলো নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন উদ্দেশ্য কোন যুবতী মেয়েকে লক্ষ্য করে কাগজ ছুড়ে মারা। তো এভাবেই চলছিল কিন্তু এভাবে চললে তো হবেনা জীবনে চাই নতুন মোড়। মোড় আসতে খুব বেশি সময় লাগলো না। এককথায় আনজাম ভাইয়ের জীবনটাই পাল্টে গেল কিন্তু রেখে গেল ভালো কিছু বন্ধুদের। অবশ্য না যেয়েও তো উপায় ছিল না। রুম নাম্বার ৪০৪ এ শুধু আনজাম ভাই না আরো একজন থাকে তেনার নাম ইশরাত। আনজাম ভাই আর ইশরাত ভাই দুজন একেবারেই আলাদা। কিন্তু তাই বলে হঠাৎ অদ্ভুত এরকম একটা কাজ করে বসবে সেটা কল্পনাও করেনি আমাদের লেখক মহোদয়"কামাল পাশা "। গল্পের মাঝে লেখকের নাম দেখে অবাক হলেন? সত্যি বলতে আমিও অবাক হয়েছিলাম। পড়া শুরু করে বুঝলাম এটা লেখকের আত্নজীবনী মূলক বই।নাম দেখে ভেবেছিলাম অতিপ্রাকৃত কোন বই হবে। মনের ইচ্ছা পূরন হয়নি বলে খারাপ লাগেনি কেননা অন্যের ডাইরী পড়তে আমার বেশ ভালোই লাগে। এ ধরনের বইগুলোকে এক প্রকার ডাইরীই বলা যায়। বইয়ের প্রত্যেক টা গল্প সত্য। আর সত্য গল্পে সবসময় প্রান থাকে যা কাল্পনিক গল্পগুলোতে থাকে না। পড়ার সময় একটাই অনুভূতি হয় আসলেই এরকমটা একদিন না একদিন ঘটেছিল। সেদিন আমি ছিলাম না কিন্তু আজ আমি আছি। ইচ্ছে করছে প্রতিটা গল্প বিষয়ে কিছু না কিছু বলি কিন্তু সব গল্পের রিভিউ সম্ভব না বলেই "গল্প লেখার গল্প" সম্পর্কে কিছু বিষয় বলি। আসলে যারা লেখক তাদের অনেকেই কিন্তু সেই ছোটবেলা থেকেই বইয়ের সাথে জড়িত। আবার অনেকের লেখালেখি শুরু হয় কবিতা দিয়ে। তো লেখকেরও এইরকমটাই হয়েছিলো। একটা সময় তিনি প্রচুর কবিতা লিখতেন। কিন্তু হঠাৎ করেই মত পাল্টিয়ে গল্প লেখা শুরু করলেন। এর পিছনে যেসব কারন ছিল তার একটা হল গল্প লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন হত। লেখক গল্প লিখতেন, জমা দিতেন আর আশায় বসে থাকতেন তার গল্প নিশ্চয়ই এবার প্রাইজ পাবে। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে সেটা হতো না। লেখক কোনবারেই ফার্স্ট হতে পারেন নি আর তাই ভাবলেন আর লিখববেন না। কিন্তু প্রতিযোগিতা চলে আসায় আবার কোমড় বেধে লেগে পড়লেন এবার যে করেই হোক পুরুষ্কার পেতেই হবে। নির্দিষ্ট দিনের অনেক আগেই গল্প লিখে ফেললেন, বেশ সময় নিয়ে কাটছাঁট করার পর জমা দিলেন। এদিকে হয়েছে আর এক সমস্যা লেখকের রুমমেট বায়না ধরেছে প্রতিযোগিতার জন্য তাকে একটা গল্প লিখে দিতে হবে। প্রথমে লেখক রুমমেটের কথায় কান দেননি কিন্তু একটা সময় নিজের লেখা গল্পগুলো থেকে একটা গল্প দিয়েই দিলেন। এরপর অপেক্ষা কবে প্রতিযোগিতার ফল বেরবো। ফল একদিন বেরুলো কিন্তু কিন্তু ফল শুনে তো লেখক তো পুরাই অবাক। অবাক হওয়ার পিছনে যথেষ্ট কারন আছে, কারনগুলো ঠিক কি জানতে হলে বইটা পড়তে হবে। এই গল্পটার প্রায় শেষ অংশে এসে আমার মনে হয়েছে আপনি যত ভালোই লিখুন না কেন টাকা কিংবা ক্ষমতা ছাড়া সমাজে লেখক হিসাবে উপস্থাপিত হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু একেবারে শেষ অংশ পড়ে মনে হলো লেখক হওয়ার জন্য আসলে টাকা কিংবা ক্ষমতার প্রয়োজন নাই। লেখার মান ভালো হলেই হলো। এ ধরনের বইগুলো কেন জানি এত তাড়াতাড়ি শেষ হয় কে জানে। আমার বইয়ের সবকিছু ভালো লেগেছে যদিও বা কিছু গল্পের শেষ করার পরও লেখক ঠিক কি বোঝাতে চেয়ে গল্প বইয়ে নিয়ে আসলেন বুঝতে পারিনি। কিন্তু সবসময় বুঝতে চেষ্টা না করে আনন্দ লাভ করতে চাইলে বইটা আপনারো ভালো লাগবে। আমার সত্যিই অসাধারণ লেগেছে আর পাতার কালার লালচে ধরনের ছিল যেটা অনেক বেশি টেনেছে। আমার ভীষন ভালো লেগেছে আশাকরি আপনাদেরও লাগবে।।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"রুম নম্বর ৪০৪" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: