১ম প্রকাশ, ২০১৯
রঙিলা কিতাব
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | রঙিলা কিতাব |
| Author | কিঙ্কর আহ্সান |
| Publisher | শিখা প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 96 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.23 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
36 Ratings and 19 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১৯টি
zannatul ferdous sarah , Jan 3, 2026
"a story which represents our life"
Nusrat Jahan , Aug 10, 2022
"বইটা নিয়ে হাই এক্সপেকটেশন ছিল, সেই তুলনায় খুবই সাদামাটা ধরনের একটা কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। তবে খারাপ না....চলে।"
mehedi Hassan Rahin , Aug 1, 2022
"nice"
Rezwan Hossain Saan , Mar 24, 2022
"delivery in time . impressive"
Rony , Dec 20, 2021
"লেখক এর জন্য শুভকামনা রইল।"
zidan , Aug 2, 2021
"খারাপ নয়।"
shehab , May 26, 2021
"mediocre"
Alor Thikana , May 2, 2021
"."
Jobayed Hossen Ratul , Oct 9, 2020
"এক কথায় মারাত্মক বই!"
Tajwar Abdullah Md. Al Hasan , Jun 14, 2020
"valo lgse boi ta 😌😌😌"
ABDULLAH AL EMON , Apr 23, 2020
"বইটি অনেক মুগ্ধকর। বইটি প্রচ্ছদ এবং নাম এককথায় অসাধারন।"
sayim , Mar 30, 2020
"এই বইয়ে চরিত্রগুলো এমনভাবে তুলে ধরা হয়েছে সত্যি অসাধারণ।বইটির প্রতিটি পাতায় আপনি টুইস্ট পাবেন।এইরকম উপন্যাস পড়ে অনেক আনন্দ পাওয়া যায়।😀😀😀"
Tamjid Shajol , Dec 19, 2019
"প্রদীপ নওরেজ শাহের লোক।খুন করে এসে গর্ভবতী স্ত্রী সুপ্তিকে নিয়ে নেপালে পালিয়েছে।স্ত্রীকে বড্ড ভালোবাসে সে।সুপ্তিও একইভাবে ভালোবাসে তাকে।তারা দুজনেই ভালোবেসে বিয়ে করেছে।প্রদীপ চায় তার সন্তান এই পৃথিবীর আলো দেখুক। স্ত্রীর কোল জুড়ে আসুক তারই ঔরসজাত সন্তান। কিন্তু সে যে মানুষ খুন করা একজন পলাতক আসামি।পুলিশ তাকে সবসময় তাড়া করে বেড়ায়।যেকোন মূহুর্তে ধরা পরে যেতে পারে। জীবন-মরণ মুখোমুখি একজন পলাতক আসামি কি শেষ পর্যন্ত ভূমিষ্ট হওয়া নবজাতক শিশুর পরশটুকু ছুঁয়ে দেখতে পারবে? নওরেজ রাজনীতির লোক।অবশ্য রাজনীতি না বলে খাটি বাংলায় দূর্নীতিঃ বললেই বেশি মানানসই হবে। নওরেজের একমাত্র ছেলে।ছেলেকে ডাক্তারি পড়াচ্ছে।তাকে ডাক্তার বানানোর বড় শখ তার।সে নিজে রাজনীতির লোক হলেও ছেলেকে রাজনীতির সাতেপাঁচে থাকতে দেয়না।ডাক্তারি পাশ করে মানুষের সেবা করে সাধারণ মানুষের মত জীবন-যাপন করবে এটাই তার ইচ্ছে।কিন্তু তারই রক্ত যে ছেলে বহন করছে,যেই বাবার রক্তে নোংরা রাজনীতি মিশে আছে সেই একই রক্ত বহনকারী ছেলেকে কি সে চাইলেও সাধারণ স্বাভাবিক জীবনে হাঁটাতে পারবে? এমপির ভাই জয়নাল সাহেব ঠিকাদারী ব্যবসায়ী লোক।দু'হাতে টাকা কামায়।ব্যবসা নিয়ে তার খুব একটা ভাবনা নেই।ভাই ইতিমধ্যেই গত হয়েছেন।ভাইয়ের বউ এমপি হওয়ার জন্য নির্বাচনে লড়বে। কিন্তু সে চায় সে নিজেই ভাইয়ের জায়গা নিজের করে নিতে।তার আগে ভাইয়ের এই বউকে হাত করাই তার বর্তমান উদ্দেশ্য। শুধু এতেই শেষ নয়,তারই অফিসের এক মেয়ে রিপার সাথে আছে তার অবৈধ সম্পর্ক।আর সেই মেয়ে এখন তারই অবৈধ সম্পর্কের ফল হিসেবে পেটে বাচ্চা নিয়ে ঘুরছে।রিপাও খারাপ মেয়ে।জয়নালকে কব্জা করে নিজের সর্বার্থসিদ্ধি হাসিল করতে চায়। অন্যদিকে জয়নালের বউ তহুরার আছে অন্য এক ছেলের সাথে গোপন প্রণয়।কিন্তু জয়নাল মনে করে বউটা তার বড্ড বোকা। তার ষোল বছরের মেয়ে সাদিয়া, তার বাবার রিপার সাথে গোপন সম্পর্কের কথা সে জানে।কিন্তু মেনে নিতে পারেনা।তাই একদিন সে না বলে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। জয়নাল তার বোকা বউয়ের গোপন প্রণয়,মেয়ের বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া সবকিছু মিলে সে মহা সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে থাকে। প্রদীপ-সুপ্তি,নওরেজ শাহ,জয়নাল,আযম সাহেব সহ বেশ কিছু চরিত্র নিয়ে এভাবেই এগিয়ে যায় গল্পটা। নোংরা রাজনীতির কাঁদা ছোড়াছুড়ি,খুন-খারাপি,অবৈধ ব্যবসা ইত্যাদি বইটার মূল কেন্দ্রবিন্দু। পাঠ প্রতিক্রিয়া : বইটা আমি বইপোকা শপে মেনশন করে পুরষ্কার জিতে পেয়েছি।এবং এটাই আমার জীবনে প্রথম দৈবচয়নে পুরষ্কার ছিলো। একটা কথা আগেই বলে রাখতে চাই, বইটা যদিও আমি পুরষ্কার পেয়েছি, কিন্তু তাই বলে আমি তৈলমর্দন করতে পারবোনা। আমি যেহেতু পাঠক তাই সমালোচনা করা,নিজের মতামত প্রকাশ করা,ভালোলাগা -মন্দলাগা,অনুভূতিগুলো সবার সাথে শেয়ার করার স্বাধীনতা নিশ্চয়ই আমি রাখি। হ্যা অবশ্যই সেটা লেখকের প্রতি সম্মান রেখেই বলবো।কেননা লেখকের প্রতি আমার ব্যক্তিগত কোন শত্রুতা নেই।থাকার প্রশ্নই আসেনা।আমি কেবলই একজন পাঠক। আর আমি মনে করি তেল না দিয়ে নিরপেক্ষভাবেই প্রত্যকটা বিষয় আলোচনা বা সমালোচনা করা উচিত।তাতে করে লেখকরই মঙ্গল। প্রকৃতপক্ষে লেখকই উপকৃত হবে এতে। পাঠক নিরপেক্ষ সমালোচনা করবে আর লেখক তার ভুলগুলো শুধরিয়ে সীমাবদ্ধতাগুলো ছাড়িয়ে নিয়ে আরো উন্নতি করতে সক্ষম হবে এটাই তো সাহিত্যের ধর্ম তাইনা? তাই আমি এখানে আমার প্রতিক্রিয়া বা অভিব্যক্তিগুলো নিরপেক্ষভাবে সবার সামনে তুলে ধরলাম। এতে করে কারো যদি খারাপ লাগে তাহলে দয়াকরে আমার এই পোস্টটা ইগনোর করুন। এবার আসি মূল প্রসঙ্গে, লেখক কিঙ্কর আহসানের কথা অনেক শুনেছি। কিন্তু এই প্রথম উনার বই পড়ার সুযোগ পেলাম।সেজন্য অবশ্যই আমি লেখকের কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। বইটার যতটা ভালো লেগেছে,ঠিক ততটাই খারাপ লেগেছে।বইয়ের পরতে পরতে ছিলো সমাজের রাজনৈতিক দলগুলোর যাবতীয় কু- কর্মকান্ডের প্রতিচ্ছবি। মানুষগুলো কিভাবে নিজের স্বার্থসিদ্ধি রক্ষার নিমিত্তে নিজেকে কতটা ঘৃণ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পারে তার জলন্ত চিত্র বইটাতে ফুটে ওঠে। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে,এখানে লেখক সমাজের খারাপ লোকগুলোকে,খারাপ দিকগুলোকে তুলে ধরতে গিয়ে সমাজের খারাপ লোকগুলোর পাশাপাশি যে ভালো মানুষও যে আছে এটা ফুটিয়ে তুলতে পারেনি। ভালো খারাপ সব মিলিয়ে একটা সমাজ, রাষ্ট্র, দেশ গড়ে ওঠে।তাই খারাপটা যদি তুলে ধরা যায় তাহলে ভালোটা কেন যাবেনা? আর ভালোবাসা?ভালোর সাথে তো ভালোবাসাও জড়িয়ে থাকে তাইনা? হ্যা ভালোবাসাও আছে বইটাতে।কিন্তু লেখক এই বইয়ে ভালোবাসার মত দুর্লভ একটা ব্যাপারকে অনেকটা সস্তা আলু,ডালের মত করে লিখেছেন। উদাহরণ - প্রদীপ- সুপ্তি,এবং জয়নাল সাহেব-রিপা। এদের ভালোবাসার গঠন এমনভাবে তুলে ধরেছেন যেন ভালোবাসা কত সহজলভ্য একটা জিনিস! যেন নিমিষেই একটা মানুষ আরেকটা মানুষের প্রেমে পরে যেতে পারে। অথচ ভালোবাসা কত সাধনার ধন! ন্যাকা ন্যাকা প্রেম ভালোবাসা-ই বেশি দেখা গেছে প্রদীপ-সুপ্তির মধ্যে। আবার জয়নালের রিপার প্রতি যে প্রেম লেখক ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন সেটাকে সোজা বাংলায় ভীমরতী আর নোংরামো ছাড়া আর কিছুই বলা যায়না। এসব ব্যাপারগুলো আমার কাছে রীতিমত বিরক্তিকর লেগেছে। এবার আসি ভাষা চয়ন,শব্দের গাঁথুনি সম্পর্কে - ভাষা চয়ন আর শব্দের গাঁথুনি এত দূর্বল লেগেছে আমার কাছে। ভাষা চয়নে গ্রাম্যতা ছিলো অনেক বেশি।গ্রাম্যতা বলতে আমি গ্রামের বা আঞ্চলিক ভাষাকে বুঝাই নি।আসলে এই গ্রাম্যতা বলতে - প্রত্যেকটা চরিত্রের কথা বলার ঢঙ-ই ছিলো গ্রাম্য। এরকম রাজনৈতিক একটা উপন্যাসে ভাষার চয়ন থাকার কথা শুদ্ধ-সুন্দর,প্রাঞ্জল, সাবলীল বাংলা। কিন্তু এই বইয়ের ভাষা চয়ন দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যাবে। আর আমি একটা জিনিস দেখে অবাক হলাম বইয়ের একটা চরিত্রেও কোন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, গাম্ভীর্যপূর্ণ আলাদা কোন চরিত্র খুঁজে পাই নি। কিন্তু এরকম একটা চরিত্র থাকা দরকার ছিলো।থাকলে হয়তো গল্পের সৌন্দর্য্য আরো কত সুন্দরভাবে ফুটে উঠতো। এমনকি গল্পে কোন টুইস্ট ছিলোনা।একজন পাঠক প্রত্যেকটা গল্পের মধ্যেই কোন না কোন টুইস্ট খোঁজে।কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে এই গল্পে কোন টুইস্ট ছিলোনা।গল্পের টুইস্ট একটা পাঠককে আকর্ষণ করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে।"
Dr. Asif Shufian Arnab , Dec 14, 2019
"একটা বইয়ের কিছু ভালো এবং কিছু খারাপ দিক অবশ্যই আছে।ভালো টাই আগে বলি।লেখক খুব বেশি বই লিখেননি।।একজন তরুন লেখক হিসেবে উনার লেখার প্লট সুন্দর। কাহিনীর পরিক্রমাকে উনি সুন্দরভাবে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পেরেছেন এবং কাহিনীও ভালো৷ মন্দটা বলি। এক জগত নিয়ে কাহিনীটা লিখতে গিয়ে লেখক এইটাকে জগতে নিয়ে গিয়েছেন।মানে পুরোপুরি বাস্তব নির্ভর কাহিনী যেহেতু লিখতে চেয়েছেন এইটাকে নাটকের স্ক্রিপটের মতোন করে ফেলাটা আমার ভালো লাগেনি। আর নিছক কাহিনী হিসাবে লেখা হলে ঠিক আছে।আর প্রথম ভাইব্রেশন উনি শেষ অবধি রাখতে পারেন নি।"
Md. Rafikul Islam , Nov 22, 2019
"বইঃ রঙিলা কিতাব লেখকঃ কিঙ্কর আহসান প্রচ্ছদঃ রহমান আজাদ প্রকাশনীঃ শিখা প্রকাশনী মুদ্রিত মূল্যঃ ২৩০ টাকা মাত্র রঙিলা কিতাব বইয়ের প্রি অর্ডার চলছিল তখন বইটি অর্ডার করে ফেলি। এই বইটিই আমার প্রথম লেখকের অটোগ্রাফ সহ কেনা বই। কিঙ্কর আহসান জানিয়েছেন মেঘডুবি ভালোবাসা। কাহিনী সংক্ষেপঃ পায়ে গুলি লেগেছে প্রদীপের। সে তার মফস্বল শহর ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে তার স্ত্রীকে নিয়ে। প্রদীপের স্ত্রী সুপ্তি গর্ভবতী। সে স্থানীয় এমপিকে খুন করে পালাচ্ছে। নওরোজ শাহের কথামতো সে এমপিকে খুন করে। সাথের দুইজনও পালায় কিন্তু তাদেরকে খুন করা হয়। বেচে থাকে প্রদীপ কিন্তু প্রদীপের জীবনও হুমকির মুখে। যখন সে দেশ ছেড়ে পালায় তখন সে বুঝতে পারে তাকেও খুন করার চক্রান্ত চলছে। সে সেটা বুঝতে পেরেই গর্ভবতী স্ত্রীকে রেখে পালিয়ে যায় যাতে অন্তত তার স্ত্রী এবং অনাগত সন্তান বেচে থাকে। কিন্তু কেন খুন করা হয় প্রদীপের সাথের দুইজনকে! কে করে এই খুন? প্রদীপ বুঝতে পারেনা। এমপির লোকজন কি এই খুন করায় নাকি নওরোজ শাহ নিজেই তাকে খুন করতে তার প্রদীপের পেছনে লোক লাগিয়েছে? পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ বইটি সমাজের বর্তমান চিত্র তুলে ধরা হয়েছে বলে ধারণা করা যেতে পারে। ক্ষমতার লোভে বা টাকার লোভে যাইহোক মানুষ খুন করতে পিছপা হয়না বরং একের পর এক খুন করতেই থাকে এবং কোনো অপরাধবোধও কাজ করেনা। লেখক এই বইয়ে বিষয়টি বেশ ভালোভাবেই বুঝিয়েছেন।"
Syed Brinto , Nov 19, 2019
"'রঙিলা কিতাব' বইটি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করলেও আদতে এটি কিঙ্কর আহসানের লেখা নতুন কোনো উপন্যাস নয়, বরং লেখকের নবীনতর লেখাগুলোর মধ্যে একটি। এটি কিঙ্করের লেখা দ্বিতীয় উপন্যাস। প্রথমবার এটি বই আকারে প্রকাশিত হয় জাগৃতি প্রকাশনী থেকে ২০১৫ সালের বইমেলায়। কিঙ্কর তখনও পাঠকসমাজে তেমন পরিচিতি পাননি। কাজেই আর পাঁচটা তরুণ লেখকের মত তার এই বইটিও বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। তবে লেখক এতে দমে যাননি। 'প্রচারেই প্রসার'- এই নীতির অনুসরণের মাধ্যমে কিঙ্কর ফেসবুককে ব্যবহার করে যেভাবে অল্প সময়ের মধ্যেই পাঠকসমাজে দারুণ পরিচিতি লাভ করেছেন তা অকল্পনীয়। এমনকি বাংলাদেশ ছাড়িয়ে কলকাতায়ও তার নাম পৌঁছে গেছে। আর এই পরিচিতির প্রসারের ফলেই তার পূর্বের প্রকাশিত 'মার্কেট আউট' বইগুলোর নতুন করে চাহিদা তৈরি হয়েছে। সেটি মাথায় রেখেই এই ২০১৯-এ শিখা প্রকাশনী নতুন প্রচ্ছদে আবারও 'রঙিলা কিতাব' বাজারে ছাড়লো। 'বিবিয়ানা'-র মতোই 'রঙিলা কিতাব’-এর এই সংস্করণটির রঙচঙে চিত্তাকর্ষক প্রচ্ছদই প্রধান ভূমিকা রেখেছে বইপ্রেমীদের প্রাথমিকভাবে আকর্ষণ করার ক্ষেত্রে। প্রচ্ছদকার রহমান আজাদ এক্ষেত্রে প্রশংসার দাবি রাখেন। এই সংস্করণে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রথম বইটিতে সমগ্র ঘটনাকে বেশকিছু পর্বে ভাগ করে প্রতিটি পর্বের একটি করে কাব্যিক ধাঁচের নাম দেয়া হয়েছিল। পর্বগুলোর প্রতিটিকে একটি করে দিন হিসেবে ধরে দিনের তারিখও সংযুক্ত করা হয়েছিল। তবে তারিখ উল্লেখ করতে গিয়ে কিঙ্কর গুরুতর রকমের কিছু ভুল করে বসেছিলেন, যা সচেতন পাঠকের দৃষ্টি এড়ায়নি। এই সংস্করণে সবকিছু ঠিক থাকলেও সেই তারিখ সরিয়ে ফেলা হয়েছে, যাতে করে সেই ভুলের ব্যাপারটিকে ঢেকে দেয়া যায়। সমসাময়িক দেশীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটেই পুরো উপন্যাসটি রচিত। একটি রাজনৈতিক চক্রান্তের অংশ হিসেবে স্থানীয় এমপিকে খুন করার পর গা ঢাকা দিতে দিতে উপন্যাসের শুরুতেই আবির্ভূত হয় প্রদীপ চরিত্রটি। সঙ্গে গর্ভবতী স্ত্রী সুপ্তি। খুনী হলেও আসন্ন সন্তানের চিন্তায় পিতার ভূমিকা থেকে একচুল সরে না আসা এই চুনোপুঁটি সন্ত্রাসী পাঠকের মনে কোনো খলচরিত্র নয়, বরং নায়ক হিসেবেই স্থান পাবে বলে আমার বিশ্বাস। এই চুনোপুঁটির আড়ালের খুনের আসল পরিকল্পনাকারী রাঘব বোয়াল নওরোজ শাহকে আবিষ্কার করতেও পাঠককে খুব বেশি ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হবে না। একদিকে পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টায় সস্ত্রীক প্রদীপ, অন্যদিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের খেলায় নওরোজ শাহের প্রাণঘাতী চালের বিপরীতে পাল্টা চাল- এসব মিলেই এগিয়ে চলে উপন্যাসটি। কাহিনী খুব বেশি গভীর নয়, কাজেই এর চেয়ে বেশকিছু ধারণা দেয়া অনুচিত। তবে এটুকু বলে রাখা যেতে পারে যে, প্রদীপ বা নওরোজ শাহ কারোরই শেষ পরিণতি সুখকর হয় না। আর জনরার প্রসঙ্গে বলা যায়, কিছুটা থ্রিলারধর্মী হলেও মূলত কাহিনীর আকর্ষিক বাঁক উপন্যাসটির প্রধান উপজীব্য বিষয় নয়, চরিত্রের অন্তর্গত দ্বন্দ্বই প্রধান। তাই একে থ্রিলারের কাতারে না ফেলে সমকালীন উপন্যাসের কাতারে ফেলাই শ্রেয়। একজন অনভিজ্ঞ পাঠক হিসেবে কিঙ্করের লিখনশৈলীর কমতি নিয়ে বেশিকিছু বললে আর কিছু না হোক, তার কিছু অন্ধ ভক্ত, যারা কি-না বইয়ের প্রচ্ছদ দেখেই হৈচৈ শুরু করে দেন, তাদের কাছে আমি অপ্রিয় হয়ে উঠব। তবুও কিছু কথা বলব, কারণ আমার বিশ্বাস সময়ের সাথে সাথে লেখকসত্তার বিচারে ক্রমে পূর্ণতা লাভ করা কিঙ্কর নিশ্চয়ই সচেতন পাঠকদের কাছেই সর্বদা কৃতজ্ঞ থাকবেন। কিঙ্করের বর্ণনাভঙ্গি নিঃসন্দেহে সাবলীল, সময়োপযোগী এবং সম্ভাবনাময়। কিন্তু চরিত্রের উত্থান-পতনের পাশাপাশি প্লটের সঙ্গে পাঠকের অভিযোজনের জন্য যে পারিপার্শ্বিক পরিবেশ-পরিস্থিতির সূক্ষ্ম এবং জীবন্ত বর্ণনা দেয়া প্রয়োজন, সেই জায়গায় কিঙ্কর কিছুটা অপটু। যেমন এই উপন্যাস থেকেই যদি উদাহরণ টানতে চাই তাহলে বলা যায়, প্রদীপের পালিয়ে ভারত, এবং সেখানে থেকে নেপালে স্থানান্তরিত হওয়ার বর্ণনায় ভারত বা নেপালের পরিবেশ-পরিস্থিতির যে আভাস পাঠকের চাহিদাতে ছিল, লেখক তা পূরণ করতে পারেননি; কিছু বর্ণনা যদিওবা ছিল, তা পরিপূর্ণ দক্ষতার অভাবে পাঠকচিত্তে ঠিক জীবন্তরূপে ফুটে ওঠার সুযোগ পায়নি। উপযোগিতার বিচারে উপন্যাসটি স্বাভাবিক ধৈর্যশীল প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের জন্য উপযুক্ত। একে তো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, উপরন্তু পরকীয়া, নেশা, খুনোখুনির সমাহার- সবমিলিয়ে শিশু-কিশোর উপযোগী কোনো বই এটি নয়। মোটামুটি গতিশীল পাঠকের উপন্যাসটি শেষ করতে দুই দিনের বেশি লাগবে না বোধকরি। আর ধৈর্যচ্যুতি ঘটার মতো অপ্রয়োজনীয় তেমন কোনো বর্ণনা নেই বইটিতে। শেষকথা, সমসাময়িক একটি রূঢ় বাস্তবতার ছাঁচে ছোটখাটো কিছু আকর্ষিকতা, একটু প্রেম, একটু আবেগ, অনেকটা অদৃশ্য কান্না- সবমিলিয়ে মন্দ লাগবে না বইটি। ***রঙিলা কিতাব*** লেখক: কিঙ্কর আহসান ধরণ: সমকালীন উপন্যাস প্রথম প্রকাশ: ২০১৫ ( জাগৃতি প্রকাশনী) নতুন সংস্করণ: ২০১৯ (শিখা প্রকাশনী) মুদ্রিত মূল্য: ২৩০৳ রিভিউ লেখকের রেটিং: ৪.২/৫.০"
Arafat Ahamed Rifat , Nov 8, 2019
"এটি খুব ভালো বই।সবাই পড়তে পারেন।কিঙ্কর ভাইয়ার বই মানেই খুব চাহিদা।এটা তার ২য় উপন্যাস।এটা অনেকটা থ্রিলার ধর্মী।তবে পুরোপুরি থ্রিলার হতেগেলে পাঠকের সাড়া লাগবে।রাজনীতির বিভিন্ন চাল খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক।একেক সময় একেক দিকে মোড় নিয়েছে কাহিনি।শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত না পড়লে কাহিনি বোঝা যায় না।খুব খুব খুব ভালো একটি বই।"
maruf morshed , Nov 3, 2019
"রঙ্গিলা কিতাব-কিঙ্কর আহসান “কে জানি বলেছিল সুখের দিন সবার জীবনে আসে, আসবে। আজ কিঙ্গবা কাল। যতসব আজগুবি কথা। কিছু মানুষের সারাজীবন বৃষ্টিতে একাই ভিজতে হয়। তাঁর হাত ধরে একটু সুখের জন্য পাশে কেউ থাকেনা। কানের কাছে মুখ এনে কেউ আস্তে করে বলেনা ‘সারাজীবন পাশে থাকব। ভয় নেই’। গল্প আর জীবন এক নয়। জীবন বড় রুক্ষ। টেনে নিতে কষ্ট হয়”। নাহ এটা আমার কথা না। বইয়ের লাইন তুলে দিলাম রঙ্গিলা কিতাব থেকে। কিংকর আহসানের নতুন মোলাটে পুরানো বই। একদম প্যাকেজ বলা যেতে পারে। যতক্ষন পড়বেন, পড়তে থাকবেন, দুম করে পড়ে শেষ করে দিবেন। এরকমই ত হয়। নাকি। প্রগতির প্রচারেই বলেন, আর ট্রেইলারের চোটেই বলেন, বইটা কিনেছিলাম। কিছু পাতা পেরুতে যখন পেলাম এটা উনার দ্বিতীয় উপন্যাস, মানে বিবিয়ানা এগুলোর ও আগের বই। মনটা খারাপ হয়েছিল। তবে সময়ে সময়ে পড়ে বুঝলাম। টাকাটা জলে যায়নি। বই কিনে আবার টাকা জলে যায় নাকি। ট্রেইলার এর মত খুন, দুম করে ভালোবাসা, ফুস করে জলে পড়ে যাওয়া সব ই আছে। নওরোজ শাহ, জয়নাল, আযম শাহ, প্রদীপ সুপ্তি এই চরিত্র গুলো আপনাকে ভাবাবে না জানি। সময়কে পার করে যাবে। নাকে বারুদের গন্ধ আনবে। উত্তেজনা কে বুকে ধারন করবে। আধা অন্ধকারে নৌকাতে বৈঠার শব্দ পাবেন-মনে হবে এইত খুনের আসল পরিবেশ। পরবর্তীতে নাটক হতে পারে বৈকি। কিনবার ক্ষেত্রে বলব, এই বই দুইবার পড়তে ভালো নাও লাগতে পারে। ৫-৬ জন মিলে একটা বই কিনে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারেন। আর যারা হিমু পরিবহণে আছেন-বই লাইব্রেরীতে দেয়া থাকল।"
Sabbir , Oct 25, 2019
"দিকে দিকে যখন শুধুই নস্টালজিয়া, পিছুটানের পরম্পরা আর ইতিহাসজীবি পলায়নপর সাহিত্যিকের সাহিত্য-পসরা, সে সময় 'রঙিলা কিতাব' উপন্যাসটি যেনো সমসাময়িক বাংলাদেশের নগদ-চিত্র! উপন্যাসে পাঠকের সম্মুখে ঘটবে খুন-খারাবি, সোবহান মেয়ার পোলের পাশে লাশের বদলে লাশ ভেসে উঠবে, ক্ষমতালিপ্সু মানুষেরা পথের কাঁটা সরাতে দেরি করবে না। আজকের বাংলাদেশের অদ্ভুত আঁধারের জোনাকি এই ‘রঙিলা কিতাব।’ বাংলাদেশ থেকে ভারত, ভারত থেকে নেপাল-দেশান্তরি হয়ে খুনের পাপে ফুল হয়ে ফুটে আছে চরিত্রগুলো পথে-প্রান্তরে। দাবার গুটির চালের মতো ক্ষমতালোভীর রাজনীতির চালে মীমাংসিত হবে জীবন-খেলা। জিতবে বণিক-ব্যবসায়ী। ব্যক্তিস্বার্থ কায়েমে জনগন আজন্ম বোকাসোকা। গল্পে একদম শেষে আচমকা একটা ধেঁড়ে ইঁদুর এসে পড়ে। সেই ইঁদুর মাত্র পাঁচদিনে পুরো শহরের রাজনীতির গল্প বদলে দেয়। এইতো ভারাক্রান্ত স্বপ্নের বাংলাদেশ। গন্তব্য কোথায়? গল্পের মানুষগুলোর জীবন রঙিলা জীবন। আর দশটা সাধারন মানুষের জীবন নয়। এতে আছে চড়াই-উতরাই আর প্রতি মুহূর্তে মরে যাবার ভয়। সাবলীল গদ্যে রঙিলা জীবনে এমন সব গল্পই লিপিবদ্ধ হয়েছে। আর Kingkor Ahsan ভাইয়ের এই উপন্যাসটি পেয়েছে সত্যিকারের কিতাবের মর্যাদা।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"রঙিলা কিতাব" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: