রেশম চাষ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
আল - কোরআনে কৃষি
মোঃ তৌহিদুল হাসান
বারো মাসের কৃষি
মোহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন
খনার বচন কৃষি ও কৃষ্টি
ড. আলি নওয়াজ
চারা ও কলম তৈরির সহজ পদ্ধতি
খন্দকার শরীফুল আলম
ফসলের বালাই দমন ব্যবস্থাপনা
মোঃ হাসানুর রহমান খান বকুল
কৃষি জিজ্ঞাসা
মো: নূরুল হুদা আল মামুন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | রেশম চাষ |
| Author | ড. মুহাম্মদ ইব্রাহীম |
| Publisher | মাওলা ব্রাদার্স |
| Edition | ১ম সংস্করণ |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
জরুরি বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টিRatna Biswas , 04 Jul 2017
"”রেশম চাষ “ - ড. মুহাম্মদ ইব্রাহিম রেশম বমবিকস মোরি বর্গভুক্ত রেশমপোকার গুটি থেকে তৈরি সুতা দিয়ে বোনা একপ্রকার সূক্ষ্ম ও কোমল তন্তু। বাংলায় দীর্ঘদিন থেকে চার ধরনের রেশম তৈরি হয়ে আসছে: মালবেরি, এন্ডি, মুগা এবং তসর। প্রথমটি তৈরি হয় বমবিকস বর্গের রেশমপোকার গুটি থেকে, যে পোকা মালবেরি বা তুঁত গাছের পাতা খায়; দ্বিতীয়টি তৈরি হয় ফিলোসেমিয়া বর্গের রেশমগুটি থেকে যারা ক্যাস্টর গাছের পাতা খায়; তৃতীয়টি অ্যান্থেরিয়া আসমেনসিন বর্গের রেশমগুটি থেকে, যারা কুল, তেজপাতা ও কর্পুরের পাতা খায় এবং চতুর্থটি অ্যানথেরি বর্গভুক্ত রেশমগুটি থেকে যারা ওক গাছের পাতা খায়। সচরাচর মালবেরি রেশম সবচেয়ে মূল্যবান হিসেবে বিবেচিত। রেশমগুটি বা কোকুন দেখতে অনেকটা কবুতরের ডিমের ন্যায়। কোকুনের সুতা অবিন্যস্ত, কিন্তু ভেতরে ৫০০ মিটারেরও বেশি লমতা একটি মাত্র সুতা সমকেন্দ্রীয়ভাবে বিন্যস্ত থাকে। কোকুন তৈরি হতে তিনদিন সময় লাগে। কোকুনের আকৃতি ও রঙে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। ৮ দিনের মধ্যে গুটির ভেতর শুককীট পিউপায় পরিণত হয়। পিউপায় পরিণত হওয়ার পূর্বেই কোকুন গরম পানিতে সিদ্ধ করে ভেতরের পোকাটি মেরে ফেলতে হয়। এই কোকুন থেকেই রেশম সুতা সংগ্রহ করা হয়। পূর্ণাঙ্গ পিউপা মথে পরিণত হয়ে গুটির প্রান্ত ফুটা করে যদি বের হয়ে আসে তবে সুতার ধারাবাহিকতা ছিন্ন হয় এবং রেশম সুতার গুণগত মান হ্রাস পায়। ২ থেকে ৬টি গুটির ভেতরের সুতা একত্রিত করে একটি রিল তৈরি করা হয়। বাইরের পরিত্যক্ত সুতোগুলি পাকিয়ে স্প্যান সিল্ক প্রস্তুত করা হয় যার দ্বারা তৈরি হয় মটকা জাতীয় সিল্ক। রেশম সুতা উৎপাদনের লক্ষ্যে রেশমপোকা প্রতিপালনকে রেশম চাষ বলে। রেশম চাষের তিনটি পর্যায় রয়েছে: তুঁত গাছ চাষ, রেশমপোকা পালন এবং কাপড় তৈরির জন্য রেশমগুটির সুতা পৃথক করা। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে পুরোপুরি কৃষিভিত্তিক, তৃতীয় পর্যায় মূলত শিল্পগত ব্যাপার, যা নিষ্পন্ন হয় কুটির শিল্পপ্রতিষ্ঠানে যা ফিলাচার নামে পরিচিত। রেশম উৎপাদন একটি জটিল প্রক্রিয়া। রেশমগুটি আসলে রেশম মথের শুঁয়াপোকা, এদের একমাত্র খাদ্য তুঁত পাতা। রেশমগুটি ডিম থেকে জন্মায় এবং গুটিতে রূপান্তরিত হওয়ার পর্যায় শেষ করে রেশম মথ হিসেবে আবির্ভূত হয়। স্ত্রী মথ তখন কালচক্র পুনরায় শুরু করার জন্য ডিম পাড়ে। গুটিবদ্ধ অবস্থায় রেশম পিউপা বা কীটগুলিকে মেরে ফেলে সেগুলিকে গরম পানিতে সেদ্ধ করে সুতা ছাড়ানো হয় এবং পরে তা গোটানো হয়। এই সুতা বিভিন্ন ধরনের বস্ত্র তৈরির জন্য প্রস্তুত করা হয়।রেশম চাষ করার আগে অভিজ্ঞ কারো কাছ থেকে রেশম চাষের পদ্ধতি জেনে নিতে হবে। এছাড়া চাষ সংক্রান্ত কোন তথ্য জানতে হলে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করা যেতে পারে। এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্ধারিত ফি এর বিনিময়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। রেশম বাংলাদেশের একটি অন্যতম অর্থকরী ফসল। বাংলাদেশের আবহাওয়া রেশম চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। ভালো মানের রেশম গুটি উৎপাদন করে তা বেশি দামে বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করা সম্ভব। এছাড়া বিদেশে রেশম সুতা থেকে প্রস্তুত করা বস্ত্রের বেশ চাহিদা রয়েছে। রেশম চাষ করে তাই দেশের আর্থিক উন্নতি করা সম্ভব।"
murad , 18 Jun 2017
"রেশম চাষ বইটি ড. মুহাম্মদ ইব্রাহিমের রেশম চাষ নিয়ে লেখা একটি বই। পৃথিবীতে হাজারো প্রাণী-কীটপতঙ্গের বাস। নীরবে-নিভৃতে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে এরা যেমন বিশ্বকে বাসযোগ্য রাখে তেমনি মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশেও এদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। রেশম মথ বা কীট এমনি এক বিস্ময়কর প্রাণী, যেটি প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করেই ক্ষান্ত হয়নি, ক্ষুদ্রাকৃতির এ কীটের অবদানে প্রাচীন সভ্যতারও গোড়াপত্তন হয়েছিল। গত কয়েক শতাব্দী ধরে রেশম পোকার মাধ্যমে রাজকীয় বস্ত্র উৎপাদন-বিপণনকে ঘিরে মহাদেশ থেকে মহাদেশে বাণিজ্যের অবতারণা হয়ে আসছে। উজ্জ্বল সম্ভাবনার এ কীটের জীবনচক্রের ওপর দাঁড়িয়েই গড়ে উঠেছে রেশম শিল্প। জনশ্রুতি আছে, খ্রিস্টের জন্মের প্রায় ২০০০ বছর আগে চীন দেশে সর্বপ্রথম রেশম সুতা আবিষ্কৃত হয়। এরপর প্রায় আড়াই হাজার বছর, রেশম গুটি থেকে সুতা ও কাপড় তৈরিতে চীনাদেরই ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছর পর দুজন ইউরোপীয় পাদ্রি রেশম পোকার ডিম ও তুতগাছের বীজ চুরি করে নিয়ে যান ইউরোপে। সঙ্গে শিখে নেন রেশম উৎপাদনের কৌশলও। এভাবেই ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়েই সম্প্রসারিত হয় রেশম কাপড় উৎপাদন প্রক্রিয়া। রেশম মথের লার্ভার লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসে তৈরি হয় রেশম সুতা। রেশম পোকা আর্থ্রোপোডা পর্বের অন্তর্ভুক্ত ইনসেক্টা শ্রেণীর লেপিডটেরা বর্গের পতঙ্গ। ইংরেজি নাম সিল্ক ওয়ার্ম। পূর্ণবয়স্ক রেশম কীট দেখতে অনেকটা প্রজাপতির মতো। বিজ্ঞান সাময়িকীর তথ্যমতে, দেশে সচরাচর দেখতে পাওয়া রেশম পোকার বৈজ্ঞানিক নাম ইড়সনুী সড়ৎর. তুতগাছের পাতা রেশম পোকার একমাত্র খাবার। রেশম পোকার জীবনে রয়েছে চারটি ধাপ। ডিম, শূককীট, মূককীট ও পূর্ণাঙ্গ পোকা। পূর্ণাঙ্গ পোকাকে মথ বলা হয়। রেশম পোকা নিশাচর। স্ত্রী মথ তুতপাতা বা কাগজের ওপর চড়ে বেড়ায়। মথ কাগজ বা পাতায় ৪০০ থেকে ৫০০ পর্যন্ত ডিম পাড়ে। প্রায় ১০ দিন পর ডিম ফুটে শূককীট বের হয়।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"রেশম চাষ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।