১ম প্রকাশ, ২০১৯
পয়েন্টস অ্যান্ড লাইন্স
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
এ ডেথ ইন টোকিও
কেইগো হিগাশিনো
কামোগাওয়া রেস্তোরাঁয় আপনাকে স্বাগতম
হিসাশি কাশিওয়াই
কারমিল্লা (পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ)
জোসেফ শেরিডান লি ফানু
ভয় ও ভৌতিক সমগ্র
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
নূরজাহান
মো: খালিদ হাসান
ভয় সমগ্র (গল্প)
হেমেন্দ্রকুমার রায়
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | পয়েন্টস অ্যান্ড লাইন্স |
| Author | সেইচো মাতসুমোতো |
| Publisher | বাতিঘর প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 158 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | Mystery, Detective, Horror, Thriller and Adventure |
| Weight | 0.27 Kg |
| Translator | কৌশিক জামান |
| ISBN | 9781556156786 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
7 Ratings and 6 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৬টি
HASNAT , Jan 28, 2024
"আমার পড়া সেরা একটা ক্রাইম থ্রিলার, জাপানের ট্রেন সম্পর্কের কাহিনি টাইমাইং, পারফেক্ট কিলিং তাও তো অপরাধী কোন না কোন চিহ্ন রেখে যায় সেই থেকে অপরাধীর ধরা পড়া!"
Manna Chakraborty , Dec 20, 2021
"nice"
FAHAMIDA SULTANA , Nov 17, 2019
"GOOD GOOD GOOD"
BookHunter , Oct 2, 2019
"☆☆☆☆"
Harun-Ar-Rashid , Aug 15, 2019
"#বুক_রিভিউ বই : পয়েন্টস অ্যান্ড লাইন্স লেখক : সেইচো মাতসুমাতো অনুবাদ : কৌশিক জামান প্রকাশনায় : বাতিঘর প্রকাশনী প্রচ্ছদ : কৌশিক পৃষ্টা সংখ্যা : ১৫৭ মুদ্রিত মূল্য : ২০০ টাকা রেটিং : ৪/৫ আপনার সামনে দু'জন নর-নারী ইন্টারসিটি ট্রেনে চড়ে এক সপ্তাহের জন্য উদাও হয়ে গেলো। ৭ দিন পর একটা বিচে বাহুবন্ধনে আবদ্ধ অবস্থায় তাদের লাশ পাওয়া গেলো। এক্ষেত্রে আপনার প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে? নিশ্চয়ই আপনি ধরে নিবেন এটা প্রেমঘটিত আত্মহত্যা। আর ঘটনাটি যদি ঘটে জাপানে, তাহলে তো কোনো কথাই নেই। কেননা, জাপানে এ ধরণের যুগল আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে অহরহ। জ্বি, ব্যাপারটি অনেকটা এরকমই। জাপানি লেখক সেইচো মাতসুমোতো তাঁর লেখা "পয়েন্টস অ্যান্ড লাইন্স" এ এরকমই একটি বিষয়কে অত্যন্ত রোমাঞ্চকর ভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন। আকাসাকার সবচেয়ে সেরা রেস্টুরেন্ট কোয়ুকিতে ওয়েট্রেস হিসেবে কাজ করেন ইয়েকো, তোমিকো আর ছাব্বিস বছরের সুশ্রী চেহারার তরুণী অতোকি। ইয়াসুদা কর্পোরেশনের প্রসিডেন্ট তাৎসুও ইয়াসুদাকে ইয়েকো আর তোমিকো টোকিও রেলস্টেশন পর্যন্ত এগিয়ে দিতে গিয়ে যা দেখলো তা তাদের নিজের চোখকেও অবিশ্বাস করে বসলো। ইয়েকো এবং তোমিকো দেখলো অতোকি সুদর্শন এক যুবকের হাত ধরে প্ল্যাটফর্ম ১৫ এর ভির ঠেলে দ্রুত হেঁটে গিয়ে সুপার এক্সপ্রেস ট্রেনে গিয়ে উঠলো। জানুয়ারির একুশ তারিখ ভোর সাড়ে ছয়টা। জমাট কুয়াশার বুক ছিঁড়ে সূর্য এখনো তার আপন মহিমা প্রকাশ করতে পারেনি। বাতাসে ভেসে আসছে সমুদ্রের নোনাজলের গন্ধ। বিচের উপর পাথরগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। পাথরের ফোঁকর ভেদ করে ছোট ছোট কাঁকড়া আপন মনে ছুটাছুটি করছে। প্রচন্ড ঠান্ডা আর লবনাক্ত বাতাসের মধ্যে দুটো লাশ পড়ে আছে। কাছে পড়ে আছে অরেঞ্জ জুসের বোতল। লাশ দুটো একে অপরের বাহুবন্ধনে আবদ্ধ। দেখে মনে হচ্ছে যেন চরম সুখের সন্ধানে তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে পৃথিবীর মায়াজাল ছিন্ন করে চিরসুখের আশায় পাড়ি জমিয়েছে কোনো এক অজানা সুখপুরীতে। পুলিশ এলো। সঙ্গে একজন পুলিশ ডাক্তার এবং একজন ক্রিমিনাল আইডেন্টিফিকেসন অফিসার। পুলিশের ডাক্তার মৃতদেহগুলোকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দিলেন, "লাভ সুইসাইড, প্রেমঘটিত আত্মহত্যা"। পড়ে থাকা অরেঞ্জ জুসের বোতল ল্যাব টেস্ট করে জানা গেলো এতে ছিল প্রাণঘাতি বিষ পটাশিয়াম সায়ানাইড। জাপানে হতাশাগ্রস্ত জীবন থেকে মুক্ত হতে এধরণের আত্মহত্যার ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে। পুলিশ ডেটেক্টিভ ডিভিশনের চিফকে তাই এক ধরণের রিফ্রেশ মাইন্ডেড দেখা গেলো। এ আত্মহত্যাগুলো জাপানী কালচারের একটা অংশই বলা চলে। পুরুষটির ওয়ালেট থেকে পাওয়া টোকিও স্টেশনের পাশ থেকে জানা গেলো তার নাম কেনিচি সায়মা। বিজনেস কার্ড থেকে পাওয়া তথ্য থেকে আরো জানা গেলো তিনি এক্স মন্ত্রণালয়ের অ্যাসিস্টেন্ট চিফ, যিনি সেকশন-৭ এ কর্মরত ছিলেন। আর ফোল্ডিং পকেটবুক থেকে পাওয়া বিজনেস কার্ডের লেখা অনুযায়ী তরণীটি হলেন টোকিওর আকাসাকা কোয়ুকি রেস্টুরেন্টের ওয়েট্রেস অতোকি। ডিটেক্টিভরা আরো হাফ ছেড়ে বাঁচলো। কারণ ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে এক্স মন্ত্রণালয়ের সেকশন ৭-এ কিছুদিন ধরে তদন্ত চলছিলো। হয়তোবা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ থেকেই রেহাই পেতে অ্যাসিস্টেন্ট চিফ কেনিচি সায়মা আত্মহত্যার পথটি বেছে নিয়েছেন। বাড়তি তদন্ত আর ঝক্কি-ঝামেলা থেকে আপাততঃ রেহাই পেয়েছে বলে ধরে নিলো ডেটেক্টিভ ডিপার্টমেন্ট। পুলিশের সিনিয়র ডিটেক্টিভ জুতারো তোরিগাইয়ের মনেই প্রথম ধাক্কা লাগলো কেনিচি সায়মার পকেট থেকে উদ্ধার করা ডাইনিং কারের সিংগেল রিসিট দেখে। অতোকি আর সায়মা টোকিও থেকে একসাথে ট্রেনে চড়ে কাশি বিচে এসে আত্মহত্যা করলো অথচ ডাইনিং কারে সিংগেল রিসিট কেন? তবে কি অতোকি মাঝপথে নেমে গিয়েছিলো? অতোকি যদি মাঝপথে নেমে গিয়ে থাকে তবে কাশি বিচে একত্রিত হলো কবে? এরকম অজানা কিছু প্রশ্নে জর্জরিত করতে থাকলো পুলিশের সিনিয়র ডিটেক্টিভ জুতারো তোরিগাইকে। জুতারো তোরিগাই এর কিছু রহস্যময় প্রশ্নের সমাধানে এগিয়ে এলেন মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিভিশনের ডিটেক্টিভ কিচি মিহারা। জোড়া আত্মহত্যা আর ট্রেনের টাইম শিডিউল, এ দুটোকে কোনো ভাবেই মিলাতে পারছেন না দূরদর্শী পুলিশ ডিটেক্টিভ কিচি মিহারাকে। এটা কি শুধুই আত্মহত্যা? নাকি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড? কিচি মিহারা জাপানের এক প্রান্ত থেকে ছুটে চললেন আরেক প্রান্তে। ট্রেন শিডিউল, কোয়ুকি রেস্টুরেন্টের দুই ওয়েট্রেসের সাক্ষী, ইয়াসুদা কর্পোরেশনের প্রসিডেন্ট তাৎসুও ইয়াসুদার বেপোরোয়া কৌশুলী ট্রেন ভ্রমণ, ইয়াসুদার অসুস্থ স্ত্রী রিয়োকো ইয়াসুদার একটা আর্টিকেল সবমিলিয়ে চরম রোমাঞ্চকর রহস্যের দেয়ালে আবৃত জোড়া আত্মহত্যার ঘটনাটি মিহারাকে এক দন্ড স্বস্তি পেতে দিচ্ছে না। জোড়া আত্মহনন রহস্যের একটা দেয়াল ধ্বসে পড়তে না পড়তেই আরেকটা শক্তিশালী দেয়াল এসে পুরো কেসটাকেই দুর্বল করে দিচ্ছে। তবে এতো সহজে দমে যাবার লোক নন কিচি মিহারা। তিনি যেভাবেই হোক এর শেষ দেখে ছাড়বেন। তিনি ক্লানিহীন বেগে দুর্বার গতিতে চষে বেড়াতো থাকলেন জাপানের এক প্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে। কখনো টোকিও, কখনো ইয়াসুদার অফিস, কখনো কোয়ুকি রেস্টুরেন্ট, কখনো ইয়াসুদার যক্ষায় আক্রান্ত স্ত্রী রিয়োকো ইয়াসুদার বাড়ি, কখনো কাশি বিচ, আবার কখনো এক্স মন্ত্রণালয়। সঠিক পরিকল্পনা, দুরদর্শী চিন্তাচেতনা, সময়ের সদ্ব্যবহার, জাপানীদের সময়ানুবর্তিকা আর ট্রেন শিডিউল চমকপ্রদ ম্যাচিং করে কিচি মিহারা অবশেষে ছিন্ন করতে সক্ষম হলেন জোড়া আত্মহননের মূল রহস্য। বেড়িয়ে আসলো এক ভয়ংকর তথ্য। ঘটনাটি জোড়া আত্মহত্যা ছিলনা, ছিল পরিকল্পিত একটা হত্যাকান্ড। তবে কে এই দুর্ধর্য খুনী? ইয়াসুদা কর্পোরেশনের প্রসিডেন্ট তাৎসুও ইয়াসুদা? যক্ষায় আক্রান্ত তাঁর স্ত্রী রিয়োকো ইয়াসুদা? কোয়ুকি রেস্টুরেন্টের ওয়েট্রেস ইয়েকো, নাকি তোমিকো? কি রহস্য লুকিয়ে ছিল সায়মা-অতোকি হত্যাকান্ডে? থৃলে ভরপুর এরকম রহস্যময় সকল প্রশ্নের সুন্দর সমাধান লুকিয়ে আছে এই "পয়েন্টস অ্যান্ড লাইন্স" এ। ভিন্ন জনরার পুলিশ ডিটেক্টিভ এ ধরণের বই আমি অনেক পড়েছি। কিন্তু জাপানি বই এটাই প্রথম। গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যাওয়ার মতো কোনো ভরপুর অ্যাকশনসমৃদ্ধ থৃলার নয় এটি। বরং কিভাবে বাঁধার পর বাঁধা আর হতাশার নদী পার হয়ে ডিটেক্টিভরা জটিল কেসগুলো সমাধান করেন তাই তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে। বইটি পড়ে জানা গেল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জাপানের সামাজিক অবস্থা। জাপানিদের ট্রেন নির্ভর যাতায়াত ব্যবস্থা, ভদ্রতাজ্ঞান, ন্যায়পরায়ণতা, অাত্মসম্মান, আইনের প্রয়োগ এবং সময়ানুবর্তিতা জাপানিদের কিভাবে অন্য জাতি থেকে আলাদা করেছে তারই বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে বইটিতে। বইটি পড়ার সময় জাপানি কিছু নাম, রেল স্টেশনের নাম, জায়গার নাম আর প্রচুর সময় ও তারিখের ব্যবহার আমার কাছে খুবই জটিল এবং কঠিন মনে হয়েছে। তবে অনুবাদক কৌশিক জামান অত্যন্ত সাবলীলভাবে বইয়ের শুরুতে তা মনে না রাখার অনুরোধ করেছেন। তিনি লিখেছেন, বিদঘুটে এসব শব্দ, তারিখ ও সময়ের ব্যবহার মনে না রেখে স্রেফ পড়ে যাবেন। কখন যে কাহিনীর ভেতর ঢুকে যাবেন টের পাবেন না। কেননা, জাপানি লেখক সেইচো মাতসুমোতো এ বিষয়ে একজন গ্র্যান্ড মাস্টার। ঈদের ছুটিতে জাপানি কৃষ্টি-কালচার সম্বলিত বইটি পড়ে সত্যিই অনেক ভালো সময় কেটেছে আমার। বাতিঘরের বই এর ব্যাপারে আমার সবসময়ই কিছু না কিছু অভিযোগ থাকেই। এ বইটিও আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য থেকে রেহাই পাচ্ছে না। ছাপার মান যথেষ্ট ভালো থাকলেও বইয়ের বাইন্ডিং ছিল যেনতেন ভাবে করা। আর প্রিন্টিং মিসটেক খুব একটা চোখে পড়ে নি। আমন্ত্রণ সকল বইপোকাদের, জাপানি সময় জ্ঞান আর ভিন্ন জনরার একটি জাপানি থৃলার রাজ্যে।"
সৈয়দা ফাতিমা বানু , Jul 27, 2019
"২১ জানুয়ারী, ভোর ছটা। কাশি বিচ, জাপান। সাগর তীরের পাথুরে অংশটার ওপর বয়ে যাচ্ছে ঠান্ডা, লবনাক্ত বাতাস। সূর্যের আলো পুরোপুরি ফোটেনি এখনো। বিচের ধার ধরে হেঁটে যাচ্ছে এক মজুর। বালিয়াড়ির কালো পাথরগুলোর দিকে তাকিয়ে অস্বাভাবিকতাটা চোখে পড়লো তার। পাথরের মধ্যে দুটো লাশ পড়ে আছে। পুলিশ এলো। এক যুগল প্রায় একে অন্যের কোলে মারা গেছে। তাদের পাশে রাখা জুসের বোতলে পটাশিয়াম সায়ানাইড পাওয়া গেল। স্থানীয় পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করলো, যুগলটি একত্রে 'লাভ সুইসাইড' করেছে। মৃতদেহ দুটির পকেটের কার্ড থেকে জানা গেল, মহিলাটি টোকিওর এক হোটেলের ওয়েট্রেস, নাম অতোকি। তার মৃত্যু-সঙ্গী কেনিচি সায়ামা, একত্রিশ বছরের একজন সরকারি কর্মকর্তা। সায়ামার পকেটের ট্রেনের ডাইনিং কারের রিসিট থেকে জানা গেল, তারা দুজনে ১৪ তারিখ টোকিও থেকে ট্রেনে করে এসেছিল। খটকাটা চোখে পড়লো কেবল সিনিয়র ডিটেকটিভ জুতারো তোরিগাই'র। সায়ামার পকেটে কেবল একটি মাত্র রিসিট কেন? ১৪ তারিখ রওনা হলে, মাঝের ক'টা দিন তারা কোথায় ছিল? লাভ সুইসাইড করার জন্য এমন পাথুরে, ঠান্ডা নির্জন জায়গা-ই বা কেন বেছে নেওয়া? আরো অনেক প্রশ্ন, কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রমান না থাকায় গুরুত্ব দিতে নারাজ পুলিশ বিভাগ। টোকিও পুলিশ বোর্ড থেকে হাজির হলো সেকেন্ড অফিসার কিচি মিহারা। জানালো, সায়ামা কর্মস্থলে ঘুষের জন্য তদন্ত চলছে, জড়িয়ে পড়েছেন অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। সেই কেসে সায়ামা একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিল। তোরিগাই এর খটকাগুলো নিয়ে কাজ শুরু করলো মিহারা। যে বিষয়গুলোকে নিতান্ত কাকতালীয় মনে হচ্ছিলো, সেগুলোকে উড়িয়ে দিতে পারলো না মিহারা। মন বলছে সবকিছুর ভিতরে অন্য একটা কিন্তু আছে। এ কি সত্যিই দুই প্রেমীর লাভ সুইসাইড? নাকি জটিল কোনো ধূর্ত মস্তিকের প্ল্যানে করা জোড়া খুন? 'পয়েন্টস এন্ড লাইনস' উপন্যাসটির পটভূমিকে বুঝতে হলে, জাপানের সংস্কৃতি আর নিত্যকার জীবনযাত্রার সম্পর্কে কিছুটা ধারণা রাখতে হবে। জাপানে দৈনিক গড়ে ৭০ জন আত্মহত্যা করে, তারমধ্যে প্রেমিক যুগলের একত্রে স্বেচ্ছামৃত্যু খুবই সাধারণ ঘটনা। বিশ্বাস রয়েছে এভাবে মারা যাওয়া প্রেমীরা স্বর্গে আবারো একত্রিত হবে। সরকারি কর্মকর্তার ঘুষের সঙ্গে জড়িত থাকা আমাদের দৃষ্টিতে হয়তো খুব বড় কিছু নয়, জাপানে তোলপাড় হওয়ার জন্য এই দূর্নীতিই যথেষ্ট। এমন অসম্মানের জন্য আত্মহত্যা করা বা পরিবার থেকে ঘৃণিত হওয়াও স্বাভাবিক বিষয়। শিরোনাম থেকেই বোঝা যায়, পুরো রহস্যটি ট্রেন স্টেশন আর টাইমিংকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে। গল্পটি বলা হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের সময়ে, যখন ট্রেন ছিল জাপানের মূল যাতায়াত ব্যবস্থা। এখানেও জাপানী কালচারে সময়ানুবর্তিতা খেয়াল করার মতো, ট্রেনের সময় এদিক - ওদিক হওয়ার উপর পুরো একটা কেস দাঁড়াতে পারে, সেটা আমাদের বাঙ্গালী মাথায় ঢুকতে সময় নেয়। উপন্যাসটিতে অনেক ট্রেন স্টেশনের এবং বিভিন্ন চরিত্রের জাপানী খটোমটো নাম এসেছে। অনুবাদক মুখবন্ধে পরামর্শ দিয়েছেন, এসব জোর করে মনে রাখার দরকার নেই। যেহেতু রহস্যটি পুলিশ কেস, ধাপে ধাপে এতোবার সব কিছু উল্লেখ করা হয় যে, গল্পে একবার ঢুকে পড়লে বুঝতে কোনো সমস্যা হয় না। ম্যাপ আর ডায়াগ্রামের উপস্থিতিও বিষয়টি সহজ করেছে। 'পয়েন্টস অ্যান্ড লাইন্স' উপন্যাসে বাড়তি কোনো বাহুল্য নেই। রগরগে খুনের পর খুন, বা পুলিশ - খুনীর ধাওয়ার টানটান উত্তেজনা পাওয়া যাবে না। বরং জটিল রহস্য সমাধানে যারা মাথা খাটাতে ভালোবাসেন, তারা প্রচুর চিন্তার খোরাক পাবেন। সেইচো মাতসুমোতো'র বেস্ট সেলার বইটিকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন কৌশিক জামান। অনুবাদ একটু আড়ষ্ট মনে হলেও, পড়তে খারাপ লাগেনি। ছাপার ভুল ছিল যৎসামান্য। বইয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ প্রচ্ছদটিও অনুবাদকের নিজের করা। বইঃ পয়েন্টস অ্যান্ড লাইন্স লেখকঃ সেইচো মাতসুমাতো অনুবাদকঃ কৌশিক জামান প্রকাশকঃ বাতিঘর প্রকাশনী প্রকাশকালঃ ২০১৯ পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১৫৭ মূল্যঃ ২০০ টাকা"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"পয়েন্টস অ্যান্ড লাইন্স" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: