১ম সংস্করণ, ২০১৭
পুতুলনাচের ইতিকথা
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | পুতুলনাচের ইতিকথা |
| Author | মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় |
| Publisher | বিভাস |
| Edition | ১ম সংস্করণ, ২০১৭ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 175 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.41 Kg |
| ISBN | 9847034304749 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
43 Ratings and 25 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২৫টি
PLABON , Jun 9, 2026
"khub shundor 👌❤️🩹🫣❤️🩹"
Monir hossain , Mar 5, 2025
"সেরা বই"
880****534 , Jul 28, 2024
"আমি এখনো বইটি পড়নি! তবে খুব শীগ্রই পড়ে ফেলবো। এখন বঙ্কিমচন্দ্রের চন্দ্র শেখর নিয়ে ব্যাস্ত আছি।"
aurora tahsin tondra , Oct 1, 2023
"বইয়ের নামঃ পুতুলনাচের ইতিকথা লেখকের নামঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রিভিউ দাতাঃ অরোরা তাহসিন তন্দ্রা ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৯/১০ "খালের ধারে প্রকাণ্ড বটগাছের গুড়িতে ঠেশ দিয়া হারু ঘোষ দাড়াইয়া ছিল। আকাশের দেবতা সেইখানে তাহার দিকে চাহিয়া কটাক্ষ করলেন।"- কি চমৎকার শুরু! যেই বইয়ের প্রথম লাইনই এতো অসাধারণ উপমা দিয়ে শুরু সেই বইয়ের প্রেমে না পড়ে উপায় থাকেনা আসলে। আমি লাইনটি পড়ার বেশ কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারি যে এখানে বজ্রপাত হওয়া বুঝানো হয়েছে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপমাগুলো এতো সুন্দর, এজন্যই তার লেখাগুলো অন্যরকম ভালো লাগে আমার। বইটির কাহিনি খুবই সাধারণ। গাওদিয়া গ্রামের মানুষের জীবনচিত্রই ফুটে উঠেছে এই লেখায়। গ্রামবাসীর সহজ সরল নতুনত্বহীন জীবনকে অত্যন্ত সাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তোলার মধ্য দিয়েই বইটি অসাধারণ হয়ে আছে। বইয়ের মূল চরিত্র শশী, গ্রামের এক ডাক্তার। গ্রামে অল্পকিছু শিক্ষিত লোকের মধ্যে একজন সে। মূলত সেই এই গল্পের অধিকাংশ জুরে আছে। কিন্তু, গল্পের নায়ক ঠিক বলা যায় না তাকে। আসলে এই গল্পে আমি তেমন ভাবে কোনো নায়ক নায়িকা খুঁজে পাইনি। গল্পে ১৯ শতকের গ্রামের মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। অধিকাংশ লোকের মধ্যকার কুসংস্কার ও অন্ধকারের প্রতি তাদের বিশ্বাসটাই বেশি চোখে পড়েছে আমার। সকলেই যেন একইভাবে চিন্তা করে, একই কুসংস্কারে বিশ্বাস করে। শিক্ষিত শশী এই ব্যপারগুলো বিশ্বাস না করলেও জোর গলায় প্রতিবাদ করতে পারে না। এধরণের একটি কাহিনি আমার মাথায় গেথে আছে, গ্রামের যাদব নামক এক বৃদ্ধকে সিদ্ধপুরুষ বলে বিশ্বাস করতো সকলে। যাদব নিজেই ব্যপারটি ছড়িয়েছেন, এবং সকলের শ্রদ্ধা- ভক্তি বেশ উপভোগও করতেন তিনি। শশী তাকে বিশ্বাস করতোনা বলে তার বিশ্বাস অর্জনে নানা ছল চাতুরির আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় নিজেকে অতি মহান ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠায় তিনি বলে ফেলেন যে পরবর্তী রথের দিন তিনি মারা যাবেন। একথা ছড়িয়ে পরলে তিনি শেষ পর্যন্ত সেদিন আফিম খেয়ে আত্মহত্যা করেন। কুসংস্কার প্রতিষ্ঠিত করতে তাদের এতোটা প্রচেস্টা আমাকে সত্যিই অবাক করে। তারচেয়েও অবাক করে শশীর সব বুঝেও কাউকে কিছু না বলার বিষয়টা। কুসুমের প্রতি শশীর প্রেমটাও অনেক রহস্যময়। কুসুম তো অন্য একজনের বউ, এই প্রেম কি মানায়? এছাড়াও কুসুমের পাগলাটে চরিত্র, শশীর বাবা গোপালের স্বার্থপরতা, সেনদিদির বসন্ত রোগে আক্রান্ত হওয়া, মতি ও কুমুদের প্রেমকাহিনি, এসব ছোটো ছোটো কাহিনি গল্পে অন্য মাত্রা যোগ করেছে। সব মিলিয়ে আমার বইটিকে ক্লাসিক একটা বই বলেই মনে হয়েছে। খুবই সাধারণ বই কিন্তু মনে দাগ কেটে যায়। ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।"
Mohammad Abdul Mugni , Jan 31, 2023
"⭐⭐⭐⭐⭐"
Faria Rahman , Apr 4, 2022
"khubb shundor 🌸"
Rajib Paul , Nov 14, 2021
"Good"
Riadul Islam , Nov 7, 2021
"খুব ভালো।সময়ের মধ্যে পেয়ে আমি খুশি।"
Ariful Islam , Nov 6, 2020
"অসাধারণ একটি বই"
Nabid Anzum Akash , Jul 13, 2020
"আমার পড়া মানিক সাহেবের তৃতীয় উপন্যাস। অনেকদিন বই পড়া হয়না তাই প্রথমে একটু বিরক্ত এসে যাচ্ছিলো। কিন্তু কিছুদুর পড়ার পর আর ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা হয়নি। যাইহোক শেষ করতে পেরেছি অবশেষে। কেমন লাগলো সেটা বলার আগে কাহিনী নিয়ে কিছু কথা বলে নিই। উপন্যাস শুরু হয়েছে বজ্রাঘাতে নিহত হারু ঘোষের বর্ণনা দিয়ে। হারু ঘোষ যে মারা গিয়েছে তা আমি প্রথমে বুঝতে পারি নি। নায়ক শশী যখন বুঝলো তখন আমিও বুঝলাম। তারপর নানারকম বিষয় নিয়ে উপন্যাস এগিয়ে চলল। কুসুমের পাগলাটে ভালোবাসা, কুসংস্কারে আছন্ন গ্রাম্য মানুষ, মতির চিন্তা-ভাবনা, যাদবের সুর্যবিজ্ঞান, কুমুদের দায়িত্বহীন জীবন, জয়ার আধুনিক জীবনযাপন এবং শশী সব যেন উপন্যাসের প্রতি একটা আকর্ষন এনে দেয়। আর কুমুদ-মতির নিয়ে আলাদা কোনো বই আছে নাকি সেটাও জানতে ইচ্ছা হয়। উপন্যাসটি আমাকে বেশ একটা ঘোরের মধ্যে নিয়ে যেতে পেরেছে। তবে সেরা বা খুব ভালো লেগেছে ব্যাপারটা এমন নয়। আমাকে যদি উপন্যাসের প্রিয় চরিত্রের কথা বলা হয় তাহলে আমি বলবো মতির চরিত্রটি বেশ ভালো লেগেছে। গ্রাম্য মানুষের কুসংস্কার নিয়ে ব্যাপক বাড়াবাড়ির ব্যাপারটা এখানে খুব করে বোঝা যায়। তবে মাঝে মাঝে লেখক বিভিন্ন কিছুর বিস্তর বর্ননা দিয়েছে, এ ব্যাপারটি আমাকে অতোটা টানেনি বরং বিরক্ত হয়েছি আরও। তবে তখনকার সময় বিজ্ঞান, বিশ্বাসের মত বিষয় গুলো নিয়ে বলা কথা গুলো ভালো লেগেছে। উপন্যাসের ভালোলাগা কিছু লাইনঃ “কেহ বিশ্বাস করে, কেহ করে না। যে বিশ্বাস করে সেও সত্য-মিথ্যা যাচাই করে না, যে অবিশ্বাস করে সেও না। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্নটা নির্ভর করে মানুষের খুশির উপর।” “মিথ্যারও মহত্ত্ব আছে। হাজার হাজার মানুষকে পাগল করিয়া দিতে পারে মিথ্যার মোহ। চিরকালের জন্যে সত্য হইয়াও থাকিতে পারে মিথ্যা।” “নদীর মত নিজের খুশিতে গড়া পথে কি মানুষের জীবনের স্রোত বহিতে পারে? মানুষের হাতে কাটা খালে তার গতি, এক অজানা শক্তির অনিবার্য ইঙ্গিতে। মাধ্যাকর্ষণের মত যা চিরন্তন অপরিবর্তনীয়।” "গ্রামের লোকদের অনুমান শক্তি প্রখর। তারা সকালে আকাশের দিকে তাকাইয়া বিকালের বৃষ্টি হওয়ার কথা বলিয়া দিতে পারে, আর যদি বিকালে বৃষ্টি না হয় তাহলে সে দোষ আকাশেরই" রেটিংঃ ৮.৫/১০"
Payel , May 27, 2020
"মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেরা বইগুলোর একটি।"
Abdullah Sammo , Jan 7, 2020
"আমি বইটা পড়ে আমি আমার মূল্যবান সময় নষ্ট করেছি।হুদাই"
Ifrun kader Ruhin , Dec 29, 2019
"বই রিভিউ- পুতুল নাচের ইতিকথা লেখকঃ মানিক বন্ধ্যোপাধ্যায় 'পদ্মা নদীর মাঝির' পরে মানিক বন্ধ্যোপাধ্যায় এর এই বইটি পড়ে আবারও এক অসাধারণ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছি। 'পুতুল নাচের ইতিকথা' নিঃসন্দেহে মানিক বন্ধ্যোপাধ্যায় এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উপন্যাসটি মূলত শশী নামক একজন গ্রাম্য ডাক্তারকে এবং তার অস্তিত্তের সাথে জড়িত কিছু মানুষদের কেন্দ্র করে গঠিত। সংসারে মানুষ চায় এক আর হয় আরেক, যেন সব মানুষই পুতুল যাদের আড়ালে বশে খেলাচ্ছেন কেউ একজন। মানিক বন্ধ্যোপাধ্যায় তার 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসে দেখিয়েছেন মানুষ কতো বৈচিত্র্যময়, মানুষের অনুভূতিগুলো কতো বৈচিত্র্যময় এবং জটিল। সব মানুষই কোন না কোন উদ্দেশ্য নিয়ে বেঁচে থাকে, কখনো সেইসব উদ্দেশ্য হয় খুবই তুচ্ছ, তবুও, মানুষ এইসব তুচ্ছ উদ্দেশ্য নিয়ে বেঁচে থাকে। তারা তাদের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কোন কাজ করে না, উদ্দেশ্য সাধনের স্বপ্ন দেখে দিন কাটিয়ে দেয়, কখনো বা তারা সবকিছুকে পরিত্যাগ করে নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য এগিয়ে যায়। মনে মনে ভাবে, যত বাধাই আসুক, কেউ আমাকে আমার উদ্দেশ্য থেকে টলাতে পারবে না। কিন্তু তাও মানুষ এমন কিছু শিকড়ে আতকে থাকে, এমন কিছু দায়িত্ব তাদের না চাইতেও নিতে হয় যে তার ফলস্বরূপ তারা যা চায় তা পায় না। বইটি পড়ার সময় এমন কিছু অনুভূতির কথা জানতে পেরেছি, যা জেনে অবাক হয়ে ভেবেছি, 'এমনটাও বাস্তবে হয়।' বাস্তবতা আসলে এমনই নির্মম যে তা মানতে অনেক সময়ই আমাদের কষ্ট হয়। মানিক বন্ধ্যোপাধ্যায় তার 'পুতুল নাচের ইতিকথা' বইয়ে দারুণভাবে তা ফুটিয়ে তুলেছেন।"
Maruf Ahmed , Dec 24, 2019
"গাওদিয়ার গোপালের ছেলে শশী, কলেজ থেকে ডাক্তারি পাস করে এসে গ্রামেই থাকে। গ্রামের অসহায় মানুষগুলোকে ফ্রীতেই চিকিৎসা দিয়ে থাকে,যেটা বর্তমানে হাতে গুনা। এলাকার মানুষজনের কোনো কিছু হলেই শশী ডাক্তারের ডাক পড়ত। আর তাছাড়া শশী নিজে থেকেই প্রতিদিন সকলের বাড়ির উঠোন মাড়িয়ে আসতো একবার করে। বাকিটা জীবন সে এভাবেই পরোপকার করেই কাটিয়ে দিবে ঠিক করেছিলো। শশী ছাড়াও হারুঘোষ,পরান,মতি,কুসুম,প্রবীর, যামিনী, শীতল,বিন্দু, যাদব,পাগলাদিদি প্রভৃতি চরিত্র গুলোকে ১৯৩৬ সালে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তার রচিত এই বিখ্যাত উপন্যাসে অতি সুচারুরুপে ফুটিয়ে তুলেছেন। হারুঘোষের বাড়ি না গেলে শশীর ভালো লাগে না। কুসুম সামান্য কিছুতেই হাসিতে ঢলিয়ে পড়ে,শশীর কথাবার্তায় আরো বেশিই করে। কুসুম প্রচুর মিথ্যা কথা বলে। কুসুমের মিথ্যা কথা আর এই আহ্লাদীপনা শশীর ভালোই লাগে। কুসুম অশিক্ষিত এবং পুরো গাঁয়েলি, শশীর বাল্যবন্ধু পরানের বৌ কুসুম। প্রবীর আর মতি বিয়ে করে সংসার শুরু করে। প্রথম দিকে প্রবীরকে যেমনটা ভেবেছিলো মতি, প্রবীর তেমনটা নয়। মতি কিছুতেই তার সাথে মানিয়ে চলতে পারছিলো না,চোখের পানিই তার একমাত্র সংগী ছিল। পরে সেই ছন্নছাড়া প্রবীরের জীবন তাকেও আকড়িয়ে ফেলে। হয়তোবা তারাও একদিন প্রয়োজনের তাগিদে সংসারী মনা হবে,বাচ্চা কাচ্চা হবে, সবার মতো তারাও সংসার বাঁধবে।জগৎ টাই যে এমন। যাদব আর পাগলাদিদির মৃত্যুর আগে আশে পাশের ১০ গাঁয়ের লোক এসে ভীড় করে ছিল তাদের মৃত্যু দেখার জন্য কারন যাদব তার আধ্যাত্মিক ক্ষমতার প্রমাণ দেবার জন্য নিজের মরার দিন বলে দিয়ে শেষ পর্যন্ত বিষ খেয়ে মারাই যায়। অপমানের চেয়ে মৃত্যুই তার কাছে শ্রেয়। আজীব জগৎ, আজীব সব মানুষ, আর আজীব তার কারবার। যাদবের উইল করে যাওয়া টাকা আর জমিতে যাদব মেমোরিয়াল হাসপাতাল তৈরি করা হয়। শশীর মাঝে মাঝে সব কিছু ছেড়ে নিজের খ্যাতি, অর্থ অর্জনের জন্য দূরে চলে যাইতে ইচ্ছা করতো কিন্তু কোনো এক অদৃশ্য টান তাকে আটকিয়ে রেখেছিলো। একদিন সেই টান ছিড়ে যায়। যেই কুসুম শশীর জন্য সব সময় ব্যাকুল থাকতো, তালবনে ছুটে এসে শশীর কাছ থেকে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা শুনতো, নানা রকম অজুহাতে শশীর শোবার ঘরেও ঢুকে যেত, মুখে না বলে ইশারা করলেও যেই কুসুম শশীর সাথে পালিয়ে যাবার জন্য প্রস্তুত ছিলো সেই কুসুম আজ শশীকে বলছে, আমাকে ধরে টেনে নিয়ে গেলেও আজ যাবো না। শশী নিরুপায় হয়ে আর সহ্য করতে না পেরে তাদের লুকোচুরি ঘুচিয়ে আজ সবকিছু সরাসরি কুসুমকে বলে দেয়। এর আগে কুসুম ও ভয়ে কিছু বলতে পারে নাই। কিন্তু আজ শশীর সাথে দূর আজানায় যাইতে নারাজ কুসুম। মেয়ে মানুষের কত কী হয়,সব বোঝা যায় না। শশী ডাক্তার বটে এ তো আর জ্বরজ্বালা নয়। মানুষ তো আর লোহায় গড়া না যে চিরকাল এক থাকবে। লাল টকটকে করে তাতানো লোহা ফেলে রাখলে তাও আস্তে আস্তে ঠান্ডা হয়ে যায়। ঠিক তেমনি কুসুমের মন ও।"
Arman Hossian , Dec 23, 2019
"গ্রামের এক ডাক্তারকে নিয়ে গড়ে উঠেছে এই উপন্যাসের ঘটনাবিন্যাস। এই ডাক্তার ইশ্বরে বিশ্বাসি নয়। সে চোখে দেখা ছাড়া কোন কিছুকেই বিশ্বাস করে না কখনো। এই ডাক্তারের গল্প বলতে বলতে লেখক গ্রাম্য জীবনের জটিলতার গল্প বলেছেন। বলেছেন গ্রাম্য প্রেম ভালবাসার গল্পও। উপন্যাসের ঘটনা প্রবাহ সাবলিল, সুন্দর। বিশেষ করে উপন্যাসের শুরুটা হয়েছে দারুনভাবে। এক কথায় উপভোগ্য একটি উপন্যাসের নাম ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’"
Subas chandro , Dec 21, 2019
"হারু ঘোষ দাড়াইয়া ছিল।আকাশের দেবতা সেই খানে তাহার দিকে চাহিয়া কটাক্ষ করিলেন। হারুর মাথায় কাচা পাকা চুল আর বসন্তের দাগ ভরা রুক্ষ চামরা ঝলসিয়া পুড়িয়া গেল। সে কিন্তু কিছুই টের পাইল না। উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র ডাক্তার শশী। তার ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস নেই। গ্রামের পটভুমিতে শশী, শশীর পিতা, কুসুম সহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর গুলোর মাঝে বিদ্যমান জটিল সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে গড়ে উঠেছে কাহিনী প্রেক্ষাপট"
Md Sharafat kabir , Dec 18, 2019
"since I was a child I always used to see the book in my sister's bookshelf. When finally I read it, I completed it in one week. This is undoubtedly one of the best novel in bengali literature. The book takes one through the simple yet not so simple day to day life in a village. The story centers around the main character Shoshi, the village doctor, who dreams of leaving the village for a better life. i wanted to be shashi doctor after finishing the book."
Prottoy roy , Dec 15, 2019
"সুন্দর লেখনীর অপুর্ব অংশ খুঁজে পাওয়া যায় মানিক বন্দোপাধ্যায় এর উপন্যাসে। পুতুলনাচের ইতিকথা এক গ্রাম্য ডাক্তারের কথা প্রকাশ করে। শশীর চারপাশের স্বজন ও তাদের স্বভাব নিয়ে লেখা বইটি। সকলেরই তার প্রতি এক প্রকার দুর্বলতা রয়েছে। এই উপন্যাসে সেকালের গ্রামীণ বৈচিত্র ফুটে উঠেছে। বাংলা সাহিত্যের সেরা উপন্যাসিকদের মধ্যে একজন মানিক বন্দোপাধ্যায়। তার লেখনীতে এক প্রকার জাদু রয়েছে। বাস্তবতা ও কল্পনাকে একত্রিত করে তিনি লিখেছেন এই বইটি।"
Adnan , Dec 6, 2019
"উপন্যাস শুরু হয়েছে বজ্রাঘাতে নিহত হারু ঘোষের বর্ণনা দিয়ে। লেখাটা এভাবে উদ্ধৃত করাঃ "খালের ধারে প্রকাণ্ড বটগাছের গুঁড়িতে ঠেস দিয়া হারু ঘোষ দাঁড়াইয়া ছিল। আকাশের দেবতা সেইখানে তাহার দিকে চাহিয়া কটাক্ষ করিলেন। হারুর মাথায় কাঁচা-পাকা চুল আর বসন্তের দাগভরা রুক্ষ চামড়া ঝলসিয়া পুড়িয়া গেল। সে কিন্তু কিছুই টের পাইল না।" উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র গ্রামের ডাক্তার শশী। ঈশ্বরের প্রতি তার বিশ্বাস নেই। গ্রামের পটভূমিতে শশী, শশীর পিতা, কুসুম-সহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর মাঝে বিদ্যমান জটিল সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে গড়ে উঠেছে এর কাহিনী ও প্রেক্ষাপট। ক্ষয়িষ্ণু সমাজের প্রেম, বিরহ, দ্বেষ ও পারস্পরিক সহমর্মিতা কে উপজীব্য করে লেখা এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ। উপন্যাসে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজ্ঞানমনস্ক মানসিকতার পরিচয় মেলে।"
Mohammad Jillur Rahman , Nov 11, 2019
"যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে কোন কোন বাংলা উপন্যাস পড়া উচিত, আমি বলবো পুতুল নাচের ইতিকথা পড়তে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর লেখা আগেও পড়েছি সেরা মনে হতো পদ্মা নদীর মাঝি কারন সেটা একেবারে কিশোর বয়সের একটা মনে গেথে গিয়েছি। লেখক সাধারণ সামাজিক পেক্ষাপট নিয়ে খুটিয়ে খাটিয়ে এই উপন্যাসের সৃষ্টি করেছেন। একজন মানুষ (শশীবাবু) তার চরিত্রের দুটি রুপ- তা লেখক আমার মতন সাদামাটা পাঠক কে চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে স্বার্থক হয়েছেন। উপন্যাস পড়তে পড়তে কয়েকবার ভেবেছি নামকরনের স্বার্থকতা খুজে পাবো কোথায় পেয়েছি অনেক পরে- প্রায় শেষার্ধে। একবার মনে হয়েছে শেষ পরিচ্ছেদটা না পড়ি, নিজের কিছু গল্প অসমাপ্ত রাখি (অবশ্য তা সম্ভব নয়)। উপন্যাসটির একটা পর্যায়ে প্রচন্ড ঘোর সৃষ্টি হয়েছিলো, তখন বইটি পড়ার পরিপূর্ণ তৃপ্তি অর্জন করি। যখন কুসুম বলে উঠে - "ছোটবা, মেয়েরা এমনি হয়, তেমনি হয়, যেমনি হয় মনের মত্ন হয় না" বুকটা একবার কেপে উঠে প্রায়। একবার সমরেশ মজুমদার বা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটা লেখায় পড়েছিলাম যে একটা উপন্যাস আর একটা উপন্যাস জন্ম দিতে পারে। এই উপন্যাসেও তা দেখা গেছে মতি ও কুমুদের পর্বে। ওইটুকুই একটা স্বার্থক উপন্যাস বলা যায়। ধন্যবাদ প্রগতিকে।"
Usama Abu , Nov 6, 2019
"'পুতুল নাচের ইতিকথা' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বিখ্যাত উপন্যাস। অনেকটা নাস্তিকতূল্য চরিত্র গ্রামের ডাক্তার শশী এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। তিনি ঈশ্বরের বিশ্বাস করে না।গ্রামের পটভূমিতে শশী, শশীর পিতা, কুসুম-সহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর মাঝে বিদ্যমান জটিল সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে গড়ে উঠেছে এর কাহিনী ও প্রেক্ষাপট। এই সমাজ সংসারের স্রষ্টার হাতের পুতুল হিসেবে যদি আমরা নিজেকে কল্পনা করে থাকি তাহলে আমাদের পরিণাম ভাগ্য নির্নয় করেন একমাত্র তিনি। কিন্তু সরল চোখে দেখলে মানুষ নিজের কৃতকর্মের দ্বারাই নিজের ভাগ্য ও জীবন কে পুতুল বানিয়ে তাকে নিয়ে ভয়ংকর খেলা খেলে। পরিণামে কেবল বিচ্ছেদ, হতাশা, আর দুঃখে জর্জরিত হয় মানুষের জীবন। নিজের কৃতকর্মের জন্যই কেউ হয় গৃহী কেউ হয় সন্ন্যাসী, কেউবা বেঁচে নেয় দুঃসহ যন্ত্রনার জীবন। উপন্যাসে এ সত্যই উঠে এসেছে।"
Aditya Chakraborty , Oct 22, 2019
"কিছু সাহিত্যকর্মের সমালোচনা বা রিভিউ লিখতে চাওয়া ধৃষ্টতার পর্যায়েই পরে; মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের “পুতুলনাচের ইতিকথা” উপন্যাসটি এমনই এক অনবদ্য সৃষ্টি। জীবনের অবিচ্ছেদ্য দর্শন-কতকের অনুভূতি রূপ পেল এক গ্রামীণ কাহিনীর মধ্য দিয়ে। শশী ডাক্তার এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। এই চরিত্রের অনেকগুলো উপলব্ধির মাঝে একটি এমন- “জীবনকে শ্রদ্ধা না করিলে জীবন আনন্দ দেয় না”। তৎকালীন গ্রাম্য অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ব্যাপারটিও লেখক তুলে ধরেছেন শশীর পরিবারের মাধ্যমে। প্রেম সঞ্চারণের মতো ব্যাপার কোনও গ্রাম্য মূর্খ বালিকার মনকেও যে নাড়া দিতে পারে তার একটি দৃষ্টান্ত “মতি” চরিত্রটি। জীবনের পরিবর্তন বা পরিবর্তনের জীবন উভয় দীক্ষার সাক্ষাৎ পাওয়া যাবে এই উপন্যাসে। অর্থের মাপে বৈষম্যের ভিত্তির সৃষ্টি, তির্যক কথার ব্যূহ রচনা, মান-অভিমান জর্জরিত হৃদয়ের ক্রন্দন, প্রেম নিবেদনের ব্যর্থ বাসনা, বিরহকাতরতা, গ্রামীণ সংস্কারে বড় হওয়া মানুষের মূর্খতা, অল্পবিদ্যার ভরাট তেজ, বর্তমানকে নিয়ে বাঁচার মাতাল আনন্দ প্রভৃতির প্রস্ফুটন লক্ষনীয়।"
Romario Das , Oct 22, 2019
"চমৎকার"
Waliul Islam , Oct 1, 2019
"সম্ভবত মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত ৩৭ টি উপন্যাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্থানটি দখল করে রেখেছে পুতুল নাচের ইতিকথা।সামাজিক জীবন ও ব্যক্তি জীবনের এক চমৎকার সমন্বিত বই। বিজ্ঞানমনষ্ক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় একবার বলেছিলেন, “সত্যই তো আর পুতুল নয় মানুষ। অদৃশ্য শক্তি বা অন্য অন্য মানুষের আঙ্গুলে বাঁধা সুতোর টানে সত্যই তো মানুষ পুতুলের মত নাচে না।” কিন্তু তিনি যখন পুতুল নাচের ইতিকথা নামে উপন্যাস লিখলেন প্রশ্ন আসতেই পারে এই পুতুলের অদৃশ্য দড়ি কার হাতে? এর উত্তর পেতে হলে পাঠকদের উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র শশী এবং আবর্তনে থাকা গাওদিয়ার মানুষের জীবন সাদামাটা জীবন যাত্রার গভীরতাকে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তাহলে পাঠক বুঝতে পারবেন, লেখকের মতে সেই অদৃশ্য দড়ি কোন অদৃশ্য শক্তির কাছে বাঁধা পরে নেই। বাঁধা পরে আছে মানুষের নিজের হাতেই। মানুষ সব জেনেও পুতুল হয়ে থাকে, কখনো সমাজের কাছে, কখনো পরিবারের কাছে, কখনো ভালোবাসার মানুষের কাছে। যেমন কুসুম সাতটি বছর অবহেলার পুতুল হয়ে কাটিয়েছে গাওদিয়ায়। আবার নিজে থেকে সুতো টেনে গুটিয়ে চলে গেছে বাপের বাড়ি। এমন অনেক দৃষ্টান্ত লেখক মানুষের জীবন নামের পুতুল খেলাকে পাঠকের সামনে স্পষ্ট করেছেন।"
Masum , Feb 18, 2019
"সামাজিক জীবন এবং ব্যাক্তি জীবনের এক চমৎকার সমন্বিত বই।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
3 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
এই উপন্যাসটির বিষয়বস্তু কি?
এই বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা কতো?
এটা কি হার্ড কভার?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"পুতুলনাচের ইতিকথা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: