১ম প্রকাশ, ২০১৬
পথেরপাঁচালী
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | পথেরপাঁচালী |
| Author | বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় |
| Publisher | রচনা প্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 200 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.34 Kg |
| ISBN | 9789849147480 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
9 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টিshamim reza , Oct 17, 2024
"ভালো একটা বই"
Abhishek Das Gupta , Oct 23, 2019
"পথের পাঁচালী হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। বাংলার গ্রামে দুই ভাইবোন অপু আর দুর্গার বেড়ে ওঠা নিয়েই বিখ্যাত এই উপন্যাস।সমগ্র উপন্যাসটি তিনটি খণ্ড ও মোট পঁয়ত্রিশটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত। খণ্ড তিনটি যথাক্রমে বল্লালী বালাই (এখানে ইন্দির ঠাকরূনের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে), আম-আঁটির ভেঁপু (এখানে অপু-দুর্গার একসাথে বেড়ে ওঠা, চঞ্চল শৈশব, দুর্গার মৃত্যু, অপুর সপরিবারে কাশীযাত্রার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে) এবং অক্রূর সংবাদ।এই খন্ডে অপুদের কাশীজীবন, হরিহরের মৃত্যু, সর্বজয়ার কাজের জন্য কাশীত্যাগ এবং পরিশেষে নিশ্চিন্দিপুরে ফিরে আসার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।বইটিতে পাঠের মাধ্যমে একজন পাঠক প্রাচীনকালের সমাজ ব্যবস্থা,পল্লী প্রকৃতি,সামাজিক ত্রুটি যেমন: বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রথা,স্বামীহারা নারীদের জীবন সংগ্রাম,গ্রামের মানুষের সরলতা ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবে।বইটি অামাদের অাবার শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।বইটি পড়ে আমি অনেক সচেতন হয়েছি এবং অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য আরেকটু অনুপ্রেরণা পেয়েছি ।খুবই চমৎকার ছিলো উপন্যাসটি। পরবর্তী কালে বিখ্যাত বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় এই উপন্যাসটি অবলম্বনে পথের পাঁচালী (চলচ্চিত্র) নির্মান করেন যা দর্শকদের কাছে ব্যাপক সাড়া পায়। তাই পাঠক দেরি না করে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা এই উপন্যাসটি এখনোই পড়ে ফেলুন।"
Abu Sayed Noyon , Jun 4, 2017
"উপন্যাস মানেই কি ছেলে-মেয়ে প্রেম? ভালোবাসা? প্রেম কি শুধুই বিপরীত লিঙ্গের মানুষের সাথেই হয়? অন্য কারো সাথে কি ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে যেতে পারে না? প্রশ্ন গুলো ছিল আমার একান্ত নিজস্ব। কখনো কাউকে প্রশ্ন করে উত্তর চাইনি। কিন্তু আমি প্রশ্ন না করেই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিকট থেকে সহজ, সরল, গ্রহনযোগ্য উত্তর পেয়েছি। নিশ্চিন্দপুর গ্রাম। গ্রাম যতটা বড় হরিহরের ভিটে বাড়ি ঠিক ততটাই ছোট! ইন্দির ঠাক্রুন হরিহরের দুঃসম্পর্কীয় দিদি। সত্তর বছর বয়সী বৃদ্ধা জীবনের শেষ দিন গুলো এই কুড়ে ঘরে থেকেই পার করছে। সারাদিন হরিহরের বৌ অর্থাৎ সর্বজয়ার সাথে ঝগড়া লেগেই আছে। হরিহর আর সর্বজয়ার সংসারের একমাত্র মেয়ে দুর্গা। দুর্গার সাথে ইন্দির ঠাক্রুনের সে কি ভাব! একজন আরেকজনকে ছাড়া থাকতেই পারে না! দিনের আলো ফুরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই রূপকথার গল্প শুনতে ইন্দির ঠাক্রুনের কাছ গিয়ে বসে দুর্গা। ঝগড়া করে বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার কথা বলাতে ইন্দির ঠাক্রুন চলে গেল অজানার উদ্দেশ্যে! বাড়িটা যেন খালি খালি লাগছে। দুর্গা মন খারাপ করে কাঁঠাল তলায় একমনে বসে আছে। হঠাৎ তাদের বাড়িতে এক খুশির জোয়ার! দুর্গার ভাই হয়েছে। কি সুন্দর মিষ্টি চেহারার ফুটফুটে ভাই। দেখেই তার সকল দুঃখ চলে যায়। ইন্দির ঠাক্রুন দুনিয়া ঘুরে সেই ভাঙা ভিটেতে আসল! কিন্তু সর্বজয়া তাড়িয়ে দিল এই অসহায় বৃদ্ধাকে। কি নিষ্ঠুর মন সর্বজয়ার! তারপর? কোথায় গেল অসহায় বৃদ্ধা? কেই বা তাঁকে আশ্রয় দিল? বুক ফেটে কান্না আসবে পাঠকের।আস্তে আস্তে বড় হলো দুর্গার রাজপুত্র সম চেহারার অধিকারি ভাইটি। নাম তাঁর অপু। হাসি খুশি চলছে পরিবার। কোনো রকমে সংসার চালাচ্ছে সর্বজয়া। মুখুয্যবাড়ির পাশের বাগানে প্রতিদিন অভিযানে বের হয় ভাই বোন। সেই কি সুখের পরশ লেগে আছে তাদের মুখে। মনে হয় যেন পৃথিবীর সব সুখ ভাগাভাগি করে নিল দুর্গা আর অপু। কখনো আমের বোল আবার কখনো পাকা কামরাঙা! ভাইয়ের জন্য মায়ের হাতে মার খেল দুর্গা। রাতে দুর্গাকে জড়িয়ে ধরে দিদি দিদি বলে অপু যেই কান্না কানল তা পড়ে অন্ধকার রাত্রিতে চোখের জল এসে গিয়েছিল। তাকেই বোধহয় আনন্দাশ্রু বলে! গ্রামে আসা নতুন মাষ্টার মশাই কে দুর্গার মার খুব ভালো লেগেছে। প্রস্তাব পাঠাল চিঠির মাধ্যমে। দুর্গা রাত দিন হঠাৎ হঠাৎ চিন্তা করে, এমন সুন্দর জায়গা ছেড়ে, মা বাবা কে ছেড়ে, অপুকে ছেড়ে সে কোথায় যাবে? সে কি পারবে থাকতে? বাকি দৃশ্যটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় খুব চমৎকার ভাবে সাজিয়েছেন।আস্তে আস্তে বড় হলো দুর্গার রাজপুত্র সম চেহারার অধিকারি ভাইটি। নাম তাঁর অপু। হাসি খুশি চলছে পরিবার। কোনো রকমে সংসার চালাচ্ছে সর্বজয়া। মুখুয্যবাড়ির পাশের বাগানে প্রতিদিন অভিযানে বের হয় ভাই বোন। সেই কি সুখের পরশ লেগে আছে তাদের মুখে। মনে হয় যেন পৃথিবীর সব সুখ ভাগাভাগি করে নিল দুর্গা আর অপু। কখনো আমের বোল আবার কখনো পাকা কামরাঙা! ভাইয়ের জন্য মায়ের হাতে মার খেল দুর্গা। রাতে দুর্গাকে জড়িয়ে ধরে দিদি দিদি বলে অপু যেই কান্না কানল তা পড়ে অন্ধকার রাত্রিতে চোখের জল এসে গিয়েছিল। তাকেই বোধহয় আনন্দাশ্রু বলে! গ্রামে আসা নতুন মাষ্টার মশাই কে দুর্গার মার খুব ভালো লেগেছে। প্রস্তাব পাঠাল চিঠির মাধ্যমে। দুর্গা রাত দিন হঠাৎ হঠাৎ চিন্তা করে, এমন সুন্দর জায়গা ছেড়ে, মা বাবা কে ছেড়ে, অপুকে ছেড়ে সে কোথায় যাবে? সে কি পারবে থাকতে? বাকি দৃশ্যটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় খুব চমৎকার ভাবে সাজিয়েছেন। বাবার আনা বইয়ে অপুর খুব ঝোক। পাঠশালা থেকে আনা বইগুলো সে বারবার পড়ে শেষ করে। যত্ন করে রেখে দেয় টিনের বাক্সে! বাবার বাক্স থেকে নেওয়া "সব দর্শন সংগ্রহ" নামক বইয়ে সে যা দেখল তাতে আশ্চর্য না হয়ে পারল না! সেই মতো কাজ শুরু করল অপু। রাণুদির সাথে খুব ভাব অপুর। রাণুদির সাথে খেলতে অপু সবসময় মুখিয়ে থাকে। সে খুব গল্প লিখতেও জানে। রাণুদিকে সে গল্প লিখে দিয়েছে খাতায়। হঠাৎ একদিন ঝড় উঠেছে তাঁর মনে। এই গ্রাম ছেড়ে তাঁদের চলে যেতে হবে কাশিয়ায়। ট্রেনে করে যাবে। সে কখনো ট্রেন দেখেনি। একই সাথে দুঃখ এবং আনন্দ! কাঁঠাল তলা, সোনাপুর মাঠ, মুখুয্যবাড়ির পাশের বাগানে প্রতিদিন অভিযানে বের হওয়া সব কিছু ছেড়ে যেতে হবে! যেদিন যাবে সেদিন সকালেই অপু কলসের নিচ থেকে কি যেন একটা পেল! কি সেটা? এই মূল্যবান বস্তুটিই কি অপুর চিরচেনা গ্রামে থাকার বাবার আনা বইয়ে অপুর খুব ঝোক। পাঠশালা থেকে আনা বইগুলো সে বারবার পড়ে শেষ করে। যত্ন করে রেখে দেয় টিনের বাক্সে! বাবার বাক্স থেকে নেওয়া "সব দর্শন সংগ্রহ" নামক বইয়ে সে যা দেখল তাতে আশ্চর্য না হয়ে পারল না! সেই মতো কাজ শুরু করল অপু। রাণুদির সাথে খুব ভাব অপুর। রাণুদির সাথে খেলতে অপু সবসময় মুখিয়ে থাকে। সে খুব গল্প লিখতেও জানে। রাণুদিকে সে গল্প লিখে দিয়েছে খাতায়। হঠাৎ একদিন ঝড় উঠেছে তাঁর মনে। এই গ্রাম ছেড়ে তাঁদের চলে যেতে হবে কাশিয়ায়। ট্রেনে করে যাবে। সে কখনো ট্রেন দেখেনি। একই সাথে দুঃখ এবং আনন্দ! কাঁঠাল তলা, সোনাপুর মাঠ, মুখুয্যবাড়ির পাশের বাগানে প্রতিদিন অভিযানে বের হওয়া সব কিছু ছেড়ে যেতে হবে! যেদিন যাবে সেদিন সকালেই অপু কলসের নিচ থেকে কি যেন একটা পেল! কি সেটা? এই মূল্যবান বস্তুটিই কি অপুর চিরচেনা গ্রামে থাকার ব্যবস্থা করে দিবে? সত্যিই কি তাঁদের নিশ্চিন্দপুর গ্রাম ছাড়তে হবে? কেমন ছিল অপুর পরবর্তী জীবন? আর হরিহর? সেও কি তাঁর উত্তরসুরির দেওয়া ভিটে ছেড়ে যেতে রাজি হবে? সর্বজয়ার মন কি গ্রামের অদূরের নদীর ঘাটের কথা ভেবে কেদে উঠবে না? জানতে হলে বইটি পড়তে হবে। শেষে আছে, অপুর নামের অজানা রহস্য।এই প্রথম বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই পড়লাম। পড়েই ভক্ত হয়ে গেলাম। লেখকের কলমে গ্রাম বাংলার প্রকৃত সৌন্দর্য সম্পর্কে জানতে পেরে মুগ্ধ হলাম। ইন্দির ঠাক্রুনের দৃশ্য ভেবে গভীর রাতে চোখ থেকে দু ফোটা জল এসেছিল। দুর্গা আর অপুর নিত্যদিনের বাগান অভিযানে আমারও যেতে মন চায়! অপুর সাথে মাছ পাহারা দিতে দিতে আমারও বই পড়তে মন চায়। সংসারের সকল ধকল কাটানো সর্বজয়ার কষ্টের কথা ভেবে অজান্তেই বুক ভরা আর্তনাদ বেরিয়ে আসে। শেষ করার পর মনে হয়েছিল, "লেখকের কি আর সময় ছিল না? আরও কিছু লিখত! আরও কিছু মুগ্ধকর দৃশ্য এনে ধরত পাঠকের সামনে!" কখনো এতটুকু ক্লান্ত লাগেনি বইটি পড়ার সময়। অপুর জানার ইচ্ছার সাথে যেন আমারও জানার প্রবল আগ্রহ জন্মাল। বইটি পড়ার পর একটা কথাই বলবো, যদি কেহ "পথের পাঁচালী" পড়েন তাহলে অবশ্যই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের চরম ভক্ততে পরিণত হবেন। ঠিক আমারই মতো!"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
এই বইয়ের প্রশ্চদ টা কেমন?কালারফুল কি?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"পথেরপাঁচালী" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: