পশুসম্পদের উন্নয়ন কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচন
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
আধুনিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ ও চিকিৎসা এবং দুগ্ধবতী গাভী পালন
ড. মাহবুব মোস্তফা
ছাগল পালন খামার ব্যবস্থাপনা ঘাস চাষ চিকিৎসা
ড. মোঃ আখতার হোসেন চৌধুরী
আধুনিক পদ্ধতিতে গরু মোটাজাতকরণ চিকিৎসা ও ছাগল পালন
ড. মোঃ আনিছুর রহমান
গরু-বাছুরের রোগব্যাধি
ডা. নন্দ দুলাল টীকাদার
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গরু ছাগল, মহিষ , ভেড়া পালন ও চিকিৎসা
ড. নাসরিন সুলতানা জলি
ছাগল পোষা লাভজনক
মোস্তফা হোসাইন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | পশুসম্পদের উন্নয়ন কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচন |
| Author | এম. এ. মজিদ |
| Publisher | বাংলা একাডেমি |
| Edition | ১ম সংস্করণ |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
জরুরি বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
1 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টিRatna Biswas , 04 Jul 2017
"পশুসম্পদের উন্নয়ন কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচন - এম. এ. মজিদ বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষি নির্ভর। কিন্তু কৃষি নির্ভর অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করতে হলে প্রধান উপখাত হিসেবে প্রাণী সম্পদকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে আমিষের চাহিদা পুরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জাতীয় আয় বৃদ্ধির কথা বিবেচনা করে সরকার প্রাণী সম্পদ খাতকে বেশ গুরুত্বের সাথে দেখছে। প্রতি বছর এ খাতে আর্থিক বরাদ্দের হার বৃদ্ধি করে চলেছে। কিন্তু এই বরাদ্দের হার কেবল প্রনোদনার আওতায় না এনে স্থায়ী করা প্রয়োজন। দারিদ্র বিমোচনে পশু সম্পদের উপখাত বিশেষ করে দুধ, মাংস ও ডিম উৎপাদন কার্যক্রম বিশেষ অবদান রাখছে। আমিষের চাহিদা পূরণ রপ্তানী আয় বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষম নারী সমাজ গঠনে পশু সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আমাদের চাহিদার তুলনায় বেশি দুধ, মাংস ও ডিম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনার সাথে সরকারের সহযোগীতা সম্পৃক্ত হলে চাহিদা পূরণ শেষে রপ্তানীর দ্বার প্রসারিত হতে পারে। বর্তমান সরকার চাষীদের দুধ, মাংস ও ডিমসহ প্রাণী সম্পদ সমৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সাময়ীক প্রনোদনা সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। কেবল প্রনোদনা নয় প্রাণী সম্পদ উন্নয়নে সরকারের বার্ষিক আর্থিক বরাদ্দের হার বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। বর্তমান সরকার প্রাণী পালনকারীদের ভেড়া ও মহিষ চাষ বৃদ্ধির পরামর্শ দিয়েছেন। দেশের ডেইরি শিল্পের বিকাশে আমদানী দুধে অতিরিক্ত করারোপ করা হয়েছে। এতে করে ভোক্তারা দেশীয় খামারে উৎপাদিত দুধ ব্যবহারে উৎসাহিত হবে। বাংলাদেশে পশু সম্পদ পারিবারিকভাবে লালন-পালন করা হয়। তবে খামার ভিত্তিক পশু শিল্প প্রতিষ্ঠানও রয়েছে বেশ কিছু। দেশে পশু পালনের ক্ষেত্র একেবারে কম নয়। চরাঞ্চল, হাওড় অঞ্চল ও দেশের উত্তর ও উত্তর-পূবাঞ্চলের পাহাড়ী টিলা এবং বিরানভূমিকে পশু পালনের ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নেয়া হলে পশু সম্পদে সমৃদ্ধিলাভ করবে বাংলাদেশ একই সাথে চাহিদার তুলনায় অধিক দুধ, মাংস ও ডিম উৎপাদন নিশ্চিত হবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধি পাবে। তবে এ খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার হওয়া দরকার।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"পশুসম্পদের উন্নয়ন কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচন" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।