১ম প্রকাশ, ২০২৩
পার্পেচুয়াল আতঙ্ক
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
লোলার জগৎ
মোহাম্মদ সাইফূল ইসলাম
সায়েন্স ফিকশন: ও টু
মোহাম্মদ সাইফূল ইসলাম
ওগো শুনছো
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
মিসির আলির গল্পমালা
হুমায়ূন আহমেদ
শেষ পরিণতি
প্রফেসর দেওয়ান মোঃ আজিজুল ইসলাম
প্রেমের গল্প
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | পার্পেচুয়াল আতঙ্ক |
| Author | মোহাম্মদ সাইফূল ইসলাম |
| Publisher | বাতিঘর প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 244 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.35 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Nuzhat Tabassum , Sep 21, 2023
"★ শত শত বছর ধরে আকাশছোঁয়া এক দেয়ালের ভেতর বন্দী হয়ে আছে একটি জনপদ। এই দেওয়া লকে তারা তাদের ঈশ্বর হিসেবে মানে। পুরোহিতরা তাদের সর্বোচ্চ দিয়ে পাহারা দিয়ে রাখে যাতে এই জনগোষ্ঠীর কেউ ওই দেওয়াল পার হয়ে যেতে না পারে। তারা বিশ্বাস করে এই দেওয়াল-ঈশ্বর তাদেরকে নিরাপদ রাখছে কিন্তু এক তরুণ ছেলে 'রুমি', সে পুরোহিতদের এসব কথা বিশ্বাস করে না। সে জানতে চায় দেওয়ালের ওপাশে কি আছে! সে মনে করে তাদেরকে একটা দেওয়ালের ভেতর বন্দী করে রাখা হয়েছে। ★ বিজ্ঞানী প্যানহাল তার বিজ্ঞানশক্তি দিয়ে বানিয়ে ফেলেছেন 'পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন'। তবে ইতিহাসের পাতায় রয়েছে এই পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন তৈরির সূত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, তাহলে তিনি কি এই ইঞ্জিন বানিয়েছেন! সকলে তাকে নানান ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলে দেন। এই পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন কি আদৌও তৈরি করে সম্ভব? তবে কি মানবসভ্যতার উন্নয়ন সাধন হবে? বিজ্ঞানী প্যানহাল তার এই আবিষ্কার মানুষকে বিনামূল্যে প্রদান করতে চাইলে তার বড় ছেলে মিস্টার কিফ্যাস এতে খুশি নন। একদিন হঠাৎ খবর আসে বিজ্ঞানী প্যানহাল মারা গেছেন এবং তার মৃত্যু রহস্যই থেকে গেলো! ★ হঠাৎ একদিন রুমি দেওয়ালের চারপাশে হাঁটতে হাঁটতে একটা জায়গায় গভীর গর্ত করে দেখতে পায় মাটির গভীরেও দেওয়াল সৃষ্টি করা। ফলে তার দেওয়াল পার হওয়া বৃথা হয়। এই কথা পুরোহিত জানলে তাকে শাস্তি প্রদান করা হবে। কিন্তু এইসব কথা সে বিশ্বাস করে তার বান্ধবী শ্যাপাকে জানায়। কিন্তু শ্যাপা কি তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে? ★ পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন এর ফলে পাঁচ ছয়শ বছর পর পৃথিবীতে নেমে আসবে ধ্বংস, এই খবরটি বিজ্ঞানী প্যানহাল তার মৃত্যুর আগে ভবিষ্যতের তিন ক্ষমতাধর ব্যক্তিকে একটা চিঠিতে জানান দেয়। এবং ইঞ্জিনের মূলনীতি ও আসন্ন বিপর্যয় থেকে উদ্ধারের উপায় তিনি এনকোড করে পাঠিয়েছেন দেড়শ বছর ভবিষ্যতে। সেই কোড ভেদ করতে তিনজন ক্ষমতাধর ব্যক্তি শত চেষ্টা করেও পারে নি। কিন্তু তারা একটি 'পার্পেচুয়াল হোপ' তৈরি করেছেন। ★ হঠাৎ একদিন পুরোহিতরা এসে রুমিকে আটক করে নেয় এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে কেন সে দেওয়ালের পাশে গর্ত করেছিলো? রুমি হতভম্ব হয়ে ভাবতে থাকে এই কথা তো কারোর জানার কথা নয়। শুধুমাত্র শ্যাপাই জানতো। হ্যাঁ, শ্যাপাই রুমির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ফলে শাস্তিস্বরূপরুমিকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ভাগ্যক্রমে রুমি বেঁচে যায়। পুরোহিতরা বলে এটা স্বয়ং দেওয়াল-ঈশ্বর এর আশীর্বাদ। ★ পদার্থবিঞ্জান বিভাগের প্রধান প্রফেসর লু তার স্টুডেন্টদের সাথে বিজ্ঞানী প্যানহাল এর তৈরি পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন নিয়ে আলোচনা করে অনেককিছু জানতে পারে। ★ রুমির তৈরি করা বায়ুকথন যন্ত্র দিয়ে সে দেওয়ালের বাহিরের এক মেয়ে বহ্নি'র সাথে কথা বলতে থাকে এবং তারা দুজন মিলে দেওয়াল পার হওয়ার ছক কষতে থাকে। হঠাৎ করেই এক সন্ধ্যায় শ্যাপা এসে রুমিকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বলে। হতভম্ব রুমি কিছুই বুঝতে পারে না। ★ প্রফেসর লু বিজ্ঞানী প্যানহাল এর দেওয়া কোড ভাঙ্গার একটা উপায় খুঁজে পেয়েছেন। কিন্তু কি সেই উপায়? তিনি কি কোডটি ভাঙতে সফল হবেন? ★ পুরোহিতরা দল বেঁধে রুমিকে মারতে আসছে। কিন্তু কেন? সেই খবর নিয়ে আসে শ্যাফা। বহুদিন ধরে রুমি এবং বহ্নি মিলে যে দেওয়াল টপকানোর ছক কষছিলো তা আজই শুরু করবে ভেবে নেয়। কিন্তু যাওয়ার পথে শ্যাফা বাঁধা দেওয়ায় তাকে নিয়ে যায়। কিন্তু তারা কি পেরেছে দেওয়াল টপকাতে? ★ প্রফেসর লু কি পারবে শেষমেশ কোডটি ভেঙে পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন ধ্বংস করে এত এত মানুষকে বাঁচাতে? ★ রুমি এবং শ্যাফা দেওয়ালের ওপাশে গিয়ে কি রহস্য উন্মোচন করবে? নাকি রহস্য ঘাটতে গিয়ে কোনো বিপদে পড়ে তারা? নাকি বেরিয়ে আসবে নতুন কোনো রহস্যের সূচনা? — প্রফেসর লু টু টু দি পাওয়ার ফিফটিন বিটের কোড ভাঙ্গতে সফল হন? রুমি আর শ্যাফ্যা দেওয়াল টপকাতে সফল হয়? দেওয়ালের ওপাশে গিয়ে বহ্নি এবং অনেকজনের সাথে দেখা হয়ে আরও নতুন নতুন রহস্য বেরিয়ে আসে। সেগুলো কি? বিজ্ঞানী প্যানহাল ই বা কেন এমন একটি পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন বানিয়েছেন? শেষমেশ তারা কি পারবে পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন ধ্বংস করতে? নাকি ধ্বংসের কারণ পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন নয় বরং অন্য কিছু? ত্রিশ কোটি মূর্খ মানুষকে নির্মুল করে ফিরে আসতে চায় যে ত্রিশ কোটি মানুষ, ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্করতম গণহত্যার হাত থেকে কি মুক্তি পাবে এই ষাট কোটি মানুষ? নাকি এখানেই রচিত হবে সভ্যতার কবর!? — বিজ্ঞানী প্যানহাল এবং রুমি এই দুই চরিত্র খুবই চমকপ্রদ। ষাট কোটি মানুষের জন্য এই দুইটা চরিত্রের অবদানের শেষ নেই। সেই সাথে শ্যাফা ও বহ্নি'র অবদানও কম নয়। নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা কিভাবে এই ষাট কোটি মানুষকে বাঁচানোর জন্য লড়াই করে গেছেন তা ব্যাখা করার নয়। — এমন একটি পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন সম্পর্কে জানতে পেরে খুবই উৎফুল্ল হয়েছি। থ্রিলার জনরার বই হিসেবে 'পার্পেচুয়াল আতঙ্ক' সেরা একটি বই। লেখক যেন তার সবটুকু মেধাশক্তি ঢেলে দিয়েছেন এই বইটিতে। একের পর এক রহস্য। টানটান উত্তেজনা নিয়ে বইটা পড়ে শেষ করলাম। বইয়ের গল্প অনুযায়ী প্রচ্ছদটাও খুবই আকর্ষণীয় এবং মনোমুগ্ধকর হয়েছে। সব মিলিয়ে অসম্ভব সুন্দর এবং শিহরণ জাগানিয়া ছিলো বইটা। বইঃ পার্পেচুয়াল আতঙ্ক লেখকঃ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রকাশনীঃ বাতিঘর প্রকাশনী প্রচ্ছদঃ বাপ্পী খান প্রথম প্রকাশঃ অমর একুশে বইমেলা ২০২৩ মূল্যঃ ৩৬০৳ ব্যক্তিগত রেটিংঃ ০৯.৭/১০"
Sazzadur Ridan , Mar 20, 2023
"দশ বছর অতিগোপনে নিরলস গবেষণা চালিয়ে মহান বিজ্ঞানী প্যানহাল কোহেন আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানের আজীবনের আকাঙ্ক্ষা, সভ্যতার হলি গ্রেইল, সেই ফিলোসফার স্টোন : জ্বালানীবিহীন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎস 'দ্য পার্পেচুয়াল ইঞ্জিন'। তিনি নিশ্চিত করেন, প্রথমে নামমাত্র মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলেও একটা সময় পরে পুরো পৃথিবীবাসি বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবে। একরাতেই প্যানহাল মানবসভ্যতার প্রায় সমস্যার সমাধান করে ফেলেন। বিদ্যুৎ ব্যবহারে কোনো বাধা থাকবে না, কায়িক শ্রমিকের পরিমাণ কমে আসবে ৩০% এ, মানুষ সৃষ্টিশীল কাজে অধিক মনোনিবেশের সুযোগ পাবে, সভ্যতা খুব দ্রুত 'টাইপ-২ সিভিলাইজেশনে' প্রবেশ করবে। তবুও জনমনে এক প্রশ্ন, তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রানুসারে শক্তির বিনাস কিংবা সৃষ্টি নেই, শক্তি কেবল একরূপ থেকে আরেক রূপ ধারণ করে মাত্র। কিন্তু নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেতে হলে সমপরিমাণ শক্তি ব্যয়ে যে খরচ হবে তাতে বিদ্যুৎ এর দাম অনেক হওয়ার কথা কিন্তু প্যানহাল এখানেই বাজিমাত করেন। তিনি থার্মোডাইনামিক্সের সূত্রের ব্যত্যয় না ঘটিয়ে সভ্যতার এই যুগান্তকারী আবিষ্কারটি করেন। তিনি এটাও ভবিষ্যদ্বাণী করেন, এভাবে চললে দেড়-দুইশো বছর পর পৃথিবীর ইলেকট্রনের পরিমাণ এতো বেশি হয়ে যাবে যে পৃথিবীর চার্জের সমতা নষ্ট হয়ে যাবে। মোটামুটিভাবে চার-পাঁচশো বছর পর সেই ইঞ্জিনগুলো ধ্বংস করে দিতে হবে। তাই তিনি মৃত্যুর আগে দেড়-দুইশো বছর ভবিষ্যতের পৃথিবীতে গুরুত্বপূর্ণ তিনজন ব্যক্তির জন্য তিনটা বার্তা রেখে যান। যা ছিল সর্বোচ্চমাত্রায় এনক্রিপ্ট করা, এনক্রিপ্টেড ডিস্কের ২১৬ বিটের ডিক্রিপশন কি-সহ উদ্ভূত সমস্যা থেকে উত্তরণের এক প্রতিযোগিতামূলক সমাধান। অন্যদিকে পৃথিবীর আরেক প্রান্তে বাস করে এক ধার্মিক জনগোষ্ঠী যাদের কঠোরভাবে ধর্ম পালন করতে বাধ্য করা হয়। হাজার হাজার বছর ধরে তারা বিশাল দেয়াল ও সমুদ্রদ্বারা বন্দি। সেখানকার কোনো মানুষই দেয়াল টপকে অন্যপ্রান্তে যাওয়ার চেষ্টাও করেনি। পুরোহিতগণ তাদের বুঝিয়েছে, দেয়ালের অপর প্রান্তে স্রষ্টা বসবাস করে, কেউ যদি এই অধর্ম করে তবে সে শয়তানের শামিল হবে। আর সৃষ্টিকর্তা বিমুখ হলে, শান্ত ধরায় নেমে আসবে বিপর্যয়। যুগ যুগ ধরে বাপ দাদার ধর্মকে তারা অক্ষুণ্ণ রেখেছে, পুরোহিতগণ জনগোষ্ঠীকে সঠিক পথের নিশানা দিয়েছে। আজতক কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি। কিন্তু সেখানে বাস করে কট্টর ধার্মিক রুলতা। তার ছেলে ছোট্ট এক কিশোর নাম রুমি। রুমির ডিএনএতে সৃষ্টিকর্তা সেঁটে দিয়েছে এক অদম্য পাঞ্চলাইন, 'যা বাছাধন যা, দেয়াল টপকা। আরে ব্যাটা, কোনো শাহীন *টিরপোলা তোকে ধরতে পারবে না'। ছোটোখাটো বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে রুমি বাল্যকাল থেকেই মাতিয়ে রাখতো রাজ্যটাকে। এরমধ্যে বায়ুকথন নামে এক আবিষ্কার করে বসে, এই যন্ত্র দিয়ে দূরের কারো সাথে কথা বলা যায়। মা রুলতা অনেক খুশি কিন্তু কয়েকদিন আগেই ধর্মপালেরা শাসিয়ে গেছে, তর পোলা এসব ভুগিছুগি কীসব বানায়? মানা করিস, নইলে পরেরবার মাঝনদীতে দৈত্যের কোলে দিয়ে আসব। কিন্তু শাহীন দৌড়ে আসার আগেই রুমি বায়ুকথন ব্যবহার করে ঐপারের বহ্নির সাথে সফল যোগাযোগ সম্পন্ন করে। তারা জানতে চায় কারা এর নেপথ্যে? কেনই বা এই বন্দিদশা? জগৎ বলতে কি আরো কিছু আছে? পৃথিবীর একপাশ বাস করছে বিজ্ঞানের উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে, আরেকপাশ অন্ধকারের ডোবায়। একপাশে রয়েছে সভ্যতার জ্ঞানের চরম ব্যবহার, অন্যপাশে আছে জ্ঞানকে দাবিয়ে রাখার অদম্য প্রয়াস? এই কি নতুন সভ্যতার সূচনা, নাকি ধ্বংসযজ্ঞে আরো একধাপ আগানো? কোন প্রান্তে থাকবেন আপনি? পিউর হার্ডকোর সাই-ফাই। তৃপ্তির ঢেঁকুর তুললাম। লেখকের কনসেপ্টগুলা বেশি ইউনিক, বেশি জোস। পদার্থবিজ্ঞান না উল্টিয়ে বাস্তবতার কাছাকাছি থাকতে চেষ্টা করেন, সেই দাবি এই বইটাতেও করেছেন। সংলাপ আর থিংকিংগুলা মাইন্ড হান্টিং। গল্পের বুননে কবে যে আটকে গিয়েছি, একদিনেই পড়া শেষ। আবারো অপেক্ষায় আছি, নেক্সট বইয়ের। বই : পার্পেচুয়াল আতঙ্ক লেখক : মোহাম্মদ সাইফূল ইসলাম প্রকাশনা : বাতিঘর প্রকাশনী প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০২৩ পৃষ্ঠা : ২২৪ মূল্য : ৩৬০"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
aita ki gollpo songskoron. na uposnnash
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"পার্পেচুয়াল আতঙ্ক" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: