১ম প্রকাশ ২০২২
অতঃপর কবি মঞ্চে উঠিলেন
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | অতঃপর কবি মঞ্চে উঠিলেন |
| Author | মনোয়ারুল ইসলাম |
| Publisher | নালন্দা |
| Edition | ১ম প্রকাশ ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 252 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.46 Kg |
| ISBN | 9789849611455 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
11 Ratings and 4 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৪টি
Razorex , Apr 25, 2026
"লিনকন হাসানের এক ভিডিও দেখে বইটি অর্ডার করেছিলাম। তবে, বইটি পড়ে আমার খুব একটা ভালো লাগে নাই। মেইন ক্যারেক্টার রর রাইটিং মোটামোটি ভালোই ছিল। শুরুতে একটু ইন্টারেস্টিং ছিল, কিন্তু পরে একাধিক প্লট-লাইনের মাঝে খিচুরির মতো লেগেছে। Personal Rating: 6/10"
suv****com , Jan 18, 2024
"22শে শ্রাবণ মুভি পুরো বাইশে শ্রাবণ বা ২২শে শ্রাবণ সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ২০১১ সালের একটি বাংলা মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলারমূলক চলচ্চিত্র। শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রে মুখ্য ভূমিকায় আছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, রাইমা সেন, গৌতম ঘোষ, আবীর চট্টোপাধ্যায়। গৌতম ঘোষ ২৯ বছর পর অভিনয়ে ফিরে আসেন এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। চলচ্চিত্রটি দুই সাংবাদিক এবং দুই পুলিশ অফিসার নিয়ে গড়ে উঠেছে যারা একজন পাগল সিরিয়াল খুনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করছেন এবং খুনী বাংলা কবিতার লাইন রেখে খুন করে। বাইশে শ্রাবণ সমালোচকদের থেকে ভাল পর্যালোচনা লাভ করে। চলচ্চিত্রটি প্রাপ্তবয়স্ক ভাষা ব্যবহারের জন্য ফিল্ম সার্টিফিকেশন কেন্দ্রীয় বোর্ড থেকে সার্টিফিকেট পায়।"
Rehnuma Rubayat Prapty , Apr 25, 2022
"একের পর এক যুবতি ধরে এনে যৌন নিপীড়নের পর হত্যা করে ফেলে দেয়া 𝒾𝓈 𝓉𝑜𝑜 𝑜𝓁𝒹 𝒻𝑜𝓇 𝒶 𝓈𝑒𝓇𝒾𝒶𝓁 𝓀𝒾𝓁𝓁𝑒𝓇! বাঙালি ক্রমিক খুনি রসু খাঁ'র খুনের প্যাটার্ন ছিলো এরকম। আমাদের কবি তা জানে। তবে যৌন নিপীড়ন করে হত্যার সুখ সে পায় না। আগে তিনটা খুন করেছে হেক্সো ব্লেড দিয়ে গলা চিরে। কিন্তু তাতে তৃপ্তি হচ্ছে না। তার দরকার আরো ইউনিক কিছু। কবির পছন্দ কবিতা। তাই খুন করে লাশের সাথে প্রিয় কবি জীবনানন্দের কবিতা লেখা চিরকুট জুড়ে দেয়াকেই বেছে নিলো তার সিরিয়াল কিলিংয়ের নতুন প্যাটার্ন হিসেবে। কবির আনন্দ রক্তে, মৃত্যুর সময় তরুণীদের আহাজারি আর শেষ সময়ের অবিশ্বাসের চাহনিতে খুঁজে পায় তৃপ্তি। সে আসক্ত কবিতায়। বংশগত এক বিরল রোগে আক্রান্ত কবি খুন করে যাচ্ছে একের পর এক। রেখে যাচ্ছে না কোনো সূত্র। একদম ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে পুলিশ বাহিনীকে করে যাচ্ছে চ্যালেঞ্জ, "পারলে ধরো আমাকে!" পিবিআই প্রধান আসিফ আলীর ঘুম হারাম। শহর থেকে তরুণীরা হারিয়ে যাচ্ছে আর দু'দিন বাদে ফিরে আসছে গলাকাটা লাশ হয়ে। খুনের প্যাটার্ন বলছে খুনি একই ব্যাক্তি। একজন ক্রমিক খুনি। লাশ মিলছে, নতুন করে তরুণী উধাও হচ্ছে। খুনি আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। এতো সাবধানী কী করে? তিন তিনটা খুন হয়ে যাবার পর খুনি স্টাইল বদলেছে। লাশের সঙ্গে দিচ্ছে জীবনানন্দের কবিতা লেখা চিরকুট। এই কবিতার স্টাইলটা মিলে যায় প্রায় দুই যুগ আগের অমীমাংসিত "জীবনানন্দ" কেসের সাথে। তবে কি জীবনানন্দ ফিরে এসেছে? একদিন মনে হতো জলের মতন তুমি। সকাল্বেলার রোদে তোমার মুখের থেকে বিভা- অথবা দুপুরবেলা- বিকেলের আসন্ন আলোয়- চেয়ে আছে- চলে যায়- জলের প্রতিভা। বস্তাবন্দি লাশের সাথে কবিতার চিরকুট। বিষয়টাকে করেছে রহস্যময়। দুর্জয় শাকিল, সুকুমার, সুরুজ, ফরহাত সবাই মিলে আসিফ আলীর সাথে কাজ করে যাচ্ছে "কবি" নামক উন্মাদ খুনিকে পাকড়াও করতে। কিন্তু অতি সাবধানী খুনির সাথে পেরে উঠছে না পিবিআই এর তুখোড় অফিসাররা। আসিফ আলীর চিন্তা তবে কি ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের সেই "জীবনাননদ" কেসের মতো "কবি" কেসও অমীমাংসিত রয়ে যাবে? আফজাল আজিম প্রাক্তন পুলিশ কর্মকর্তা। স্ত্রী আকলিমা আজিমকে নিয়ে দুইজনের সংসার। অবসরের দিনগুলো কাটিয়ে দিচ্ছেন প্রিয়তমা স্ত্রীকে ক্যান্সারের কাছে গ্রাস হতে দেখে আর লিখে যাচ্ছেন নিজের অতীতের স্মৃতি। কী সে অতীত, যা তাকে কুড়িয়ে খাচ্ছে? ডিভোর্সি জেরিন। প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর এক তরুণী। স্বামী অতুল তাকে এখনো ভালোবাসে। অযাচিত এক ভুলে তাদের সংসার টিকেনি। কিন্তু মেনে নিতে পারে না সে। জেরিনকে ফিরিয়ে আনতে হাজারো চেষ্টা করেছে। জেরিন অটল। নতুন করে জেরিন মজেছে এক যুবকে। আজীবনেও গল্প কিংবা কবিতার বই হাতে না নেয়া জেরিন পাগল হয়েছে এক আবৃত্তিকের জন্য। কিন্তু জেরিন কি জানে মায়াময় চেহারা আর অসাধারণ আবৃত্তিকারের আসল রূপ? জানে কি ক্যাফে কাব্যর সেই অসাধারণ আবৃত্তিকার আর কেউ নয়, স্বয়ং সেই উন্মাদ কবি! যার ত্রাসে জাদুর শহর ঢাকা পরিণত হয়েছে ভয়ের শহরে। নাবিলা, মাইশা কিংবা শর্মিলার মতো কি সেও পরিণত হবে গলাকাটা লাশে? নাপিত রমেশ। সাদামাটা জীবন কাটায়। কিন্তু সাদামাটা জীবনের পিছে তারও আছে এক জ্বালাময় অতীত। কী সেই অতীত? অতীত কি কখনো পিছু ছাড়ে? বর্তমানের কবির খু*ন, দুই যুগ আগের জীবনানন্দ কেস, আফজাল আজিম, রমেশ এরা সবাই কেন একসূত্রে গাঁথা? অন্যায় বা পাপ কি কখনো চাপা থাকে? ধরা পড়বে কি কবি? খুলবে কি সব রহস্যের জট? পাঠ প্রতিক্রিয়া: বইমেলা, ২০২২-এর বইগুলোর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ ছিল "অতঃপর কবি মঞ্চে উঠিলেন" বইটি। অতঃপর বইটি পড়ে ফেললাম আমিও। এক শব্দে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আমি বলব "চমৎকার"। বইটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল একের পর এক জট। একটা জটের শেষেই আরেক জটের শুরু। জট পাকাতে আর খুলতে খুলতে বইটির সমাপ্তি। চোখের সামনে খুনি, খুনের মোটিভ কিন্তু তাও সব ধোঁয়াশা। বর্তমানের ধোঁয়াশা না কাটতেই লেখক নিয়ে গেছেন সুদূর অতীতে। সেখানে ঘটছে চমকপ্রদ সব ঘটনা। হচ্ছে খুন, এখানেও ধরাছোঁয়ার বাইরে খুনি। বর্তমান আর অতীত যেনো একই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। বর্তমানের শুরুই হয়েছে অতীতের শেষ না হওয়া কোনো অধ্যায় থেকে। অতীত আর বর্তমানের সাথে তাল মিলিয়ে গল্প এগিয়ে গেছে শেষের দিকে। ২৫২ পৃষ্ঠার বইটাকে আমার কাছে মেদহীন বলেই মনে হয়েছে। গল্পের নিজস্ব গতি ছিল। পড়তে একঘেয়ে লাগেনি। পুরোটা সময় লেখকের লেখার গতিতেই মজে ছিলাম। সিরিয়াল কিলিং নিয়ে বেশ কয়েকটা বই পড়েছি। সিরিয়াল কি*লিংয়ের উপজীব্য বিষয় একটাই। একই প্যাটার্ন ধরে খুন, নির্দিষ্ট টার্গেট, কোনো ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিরতিতে খুন। এই বইটিও ভিন্ন নয়। তবুও কিছুক্ষেত্রে বইটি অনন্য। বইটিতে মূল খুনির কবিতা প্রীতি, খুনের সাথে কবিতা জুড়ে দেয়া আর বিশেষ করে খুনি নিজের কোনো চিহ্ন না রাখার কারণটা আমার খুব ভালো লেগেছে। কথার মাঝে এবং খুনের পর যেসব কবিতার সাহায্য নিয়েছেন সেটা ভালো লেগেছে খুব। কবিতা নির্বাচন প্রশংসনীয়। চরিত্রায়ন: মূল চরিত্র উন্মাদ কবি। লেখক তার চরিত্র গঠনে বেশ যত্ন নিয়েছেন। কবিতা প্রিয় একজন মানুষ যে কিনা জীবনানন্দের মতো এখন নিরীহ কবির ভক্ত। সেই কি-না একজন নিষ্ঠুর খুনি! ব্যাপারটা খুবই ইন্টারেস্টিং। তবে খুনি হয়ে ওঠার পিছনে শক্ত কোনো যুক্তি বইতে দেখা যায় না। ছোটকালে মুরগির মারামারি আর র*ক্ত দেখে আর এক সময়ে সেই মুরগিকে হ*ত্যা করে আনন্দ পেয়ে পরবর্তীতে নিষ্ঠুর খুনি বনে যাওয়ার কারণটা আমার কাছে খুব পোক্ত মনে হয়নি। আসিফ আলীর চরিত্রটা আমার কাছে বইয়ের অন্যসব চরিত্র থেকে বেশি ভালো লেগেছে। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এবং একজন হেড হিসেবে তার সরব উপস্থিতি ছিল। তবে দুই যুগ পরে এসে "জীবনানন্দ" কেসের সন্দেহভাজন চিহ্নিত করাটা একটু কাকতালীয় টাইপ লেগেছে। বইতে আমার অন্যতম ভালো লাগার দুইটা চরিত্র বা দুইয়ে মিলে এক চরিত্র ছিল আফজাল এবং আকলিমা দম্পতি। দম্পতি মানেই লুতুপুতু প্রেম কাহিনি না দেখিয়ে তাদের দম্পতি জীবনে একে অপরের প্রতি টান, বোঝাপড়া, একে অন্যের জন্য চিন্তা এই ব্যাপারগুলো আমার কাছে দারুণ লেগেছে। বিশেষ করে, ক্যান্সারে আক্রান্ত আকলিমার চুল ফেলার সময় আফজাল আজিমের দুঃখভারাক্রান্ত অবস্থার বর্ণনা আমার কাছে অত্যধিক ভালো লেগেছে। গল্পে অনেক অনেক চরিত্রের দেখা মিলেছিল। আর প্রতিটি চরিত্রই গল্পের প্রয়োজনে এসেছে। কোনো অপ্রয়োজনীয় চরিত্রের উপস্থিতি খুব একটা চোখে পড়েনি। তবে শেষটায় একটু তাড়াহুড়ো করে শেষ করেছেন এমন একটা ভাব লেগেছে। বইতে ভালো লাগার পাশাপাশি কিছু অসামঞ্জস্য ও চোখে পড়েছে। সেগুলো বলছি। অসামঞ্জস্য ১: আফজাল আজিম বাড়ির ছাদ থেকে মাঠে যাকে কুকুর পিটিয়ে মারতে দেখেছে সে কে তাকে নিয়ে পরবর্তীতে আর কিছু বলেন নি লেখক। এটা কি পাঠক নিজে কিছু ভেবে নেবে? অসামঞ্জস্য ২: দুই যুগ আগের ঘটনায় মঈনুল মারা যাবার এক বছর পর যে নারী এসেছিল তার বিষয়ে আর কিছু বলেননি। লেখক সম্পর্কে মন্তব্য: লেখক মনোয়ারুল ইসলামকে চিনেছি অতিপ্রাকৃত বইয়ের লেখক হিসেবে। লেখকের বকুল ফুল ট্রিলজির "বাঁশি" বইটি আমার অন্যতম প্রিয়। এই বইটি লেখক সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ঘরনায় লিখেছেন। লেখক এবং তার পাঠকদের জন্য অবশ্যই ভিন্ন স্বাদ। আমি বলব ভিন্ন স্বাদ আসলেই ভিন্ন ছিল এবং লেখক নতুন ঘরনার লেখায় সার্থক। আমার মতে এখন পর্যন্ত উনার সেরা লেখা এটি। লেখার এবং বর্ণনার ধরন বেশ পরিণত লেগেছে এই বইতে। আগের বইগুলো গড়ে ১৫০-১৬০ পেইজের এবং ঝটপট পড়ে ফেলা যেত। সে অনুযায়ী "অকমউ" একটু দীর্ঘ কলেবরের বই হিসেবে পড়তে খারাপ লাগেনি। গল্পে গতি ছিল সবসময়ই। ভালো লেগেছে। আগের বইগুলোতে "তুর্জয় শাকিল" নামে এক তদন্ত অফিসারের উল্লেখ ছিল। আমার ধারনা ছিলো লেখক এই চরিত্রকে অন্যান্য তদন্তের সাথে রাখবেন। "অকমউ" তে আছেন "দুর্জয় শাকিল"। এটা কি নামের বিভ্রাট না "দুর্জয়" এই বইয়ের আলাদা চরিত্র? যেহেতু পুরো বইতে "দুর্জয়" নামটাই ব্যবহার হয়েছে। প্রচ্ছদ, প্রোডাকশন: ২০২২ বইমেলায় প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে সবথেকে সুন্দর প্রচ্ছদ লেগেছে "অকমউ" এর। সুরঞ্জিত তনুর করা প্রচ্ছদটা নজর কেড়েছে। বইয়ের প্রোডাকশন ভালো হয়েছে। নালন্দার কাজ বরাবরই ভালো। তবে ২৫০+ পৃষ্ঠার একটা বইতে কোনো ফিতা ছিল না। পৃষ্ঠা মার্ক রাখতে অসুবিধা হয়েছে। মুদ্রণ প্রমাদ ছিল কিছু। এক জায়গায় "কবির" এর বলা উক্তিকে "শাকিল" নামে দিয়ে দেয়া হয়েছে।"
Robi Rahman , Feb 28, 2022
"অসাধারণ! মনোয়ার ভাইয়ের লেখনি দারুণ! উপভোগ্য বই হবে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"অতঃপর কবি মঞ্চে উঠিলেন" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: