১ম প্রকাশ, ২০২০
অপরাজেয় একাত্তর
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
তাফসীর ও মুফাসসিরদের ইতিহাস ১-৩ খন্ড
ড. গোলাম আহমাদ হারিরি (র.)
খেলাফতে রাশেদা : তারিখে মিল্লাত- ২য় খন্ড
কাজী যাইনুল আবেদীন সাজ্জাদ মিরাঠী
নদী মা
সালেক খোকন
চন্দন পাহাড়ে
সালেক খোকন
পাখির গল্প ও বাঘিনীর বিয়ে
সালেক খোকন
বিদ্রোহ-সংগ্রামে আদিবাসী
সালেক খোকন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | অপরাজেয় একাত্তর |
| Author | সালেক খোকন |
| Publisher | পেন্সিল পাবলিকেশনস |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২০ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 152 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইতিহাস ঐতিহ্য |
| Weight | 0.32 Kg |
| ISBN | 9789849518044 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
3 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টি
মারজানা সাবিহা শুচি , May 23, 2021
"ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই দেশ জুড়ে হয়েছিল স্বাধীনতার যুদ্ধ দীর্ঘ নয় মাস ধরে। কত শত বীরত্বের ঘটনা, কত হাজার আত্মদান, কত লাখ লাখ মৃত্যু, কত আবেগ কত আশা কত স্বপ্নভঙ্গ-প্রতারণা! এর অনেককিছুই আমরা জানিনা, অনেক ইতিহাস এখনো লিপিবদ্ধ হয়নি, অনেক তথ্য থেকে গিয়েছে অল্প কিছু মানুষের মধ্যেই। অপরাজেয় একাত্তর বইটা পড়ে আমি এমন অনেক কিছু জানলাম যে বিষয়ে আগে কখনো পড়িনি। একাত্তরের পদযাত্রা- শব্দযুগলে মনে বিস্ময় জাগলো প্রথমেই। কখনো শুনিনি তো! ঘটনাটি কী? ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ থেকে দিল্লি পর্যন্ত বিশ্ববিবেক পদযাত্রার আয়োজন করেন ৩৮ জন যুবক। ১৫ অক্টোবর থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলেছিল এই পদযাত্রা। বাংলাদেশে যে গণহত্যা নিপীড়ন চালাচ্ছে পাক-সেনাবাহিনী সে সম্পর্কে ভারতের মানুষকে জানানো, স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে জনমত তৈরি এবং ভারত সরকারের স্বীকৃতি আদায় করা, পাকিস্তানের কারাগার থেকে শেখ মুজিবের মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন দূতাবাসে স্মারকলিপি প্রদান এসবই ছিল এই পদযাত্রার লক্ষ্য। পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা পথমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় জনসভা করতেন। হাতে হাতে থাকতো প্ল্যাকার্ড- যেখানে লেখা থাকতো “আমাদের এক কথা- বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ অথবা ‘মুজিবের মুক্তি চাই’ । এই পদযাত্রার একজন ডেপুটি লিডার কামরুল আমানের স্মৃতিচারণায় সাজানো হয়েছে এই অধ্যায়টি। পড়ে অনেক অজানা তথ্য জেনে ভাল লাগলো। নৌকমান্ডো শাহজাহান কবিরদের চাঁদপুর অপারেশন-শুধু একটি অপারেশনের কাহিনীই নয়। তার আগে কিভাবে একটা নৌকমান্ডো বাহিনী গঠন করা হয়, কিভাবে বাছাই করা হয় সাহসী যুবকদের ( বিশেষত সুইসাইডাল স্কোয়াড শোনার পরও তাঁরা আগ্রহী হয়েছেন), কিভাবে টেনিং দেওয়া হলো, কত অল্প অস্ত্র নিয়েই এগিয়ে গিয়েছিলেন রণাঙ্গনে- এমন সব রোমাঞ্চকর বর্ণনা পড়লাম নৌকমান্ডো বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান কবিরের (বীরপ্রতীক) ভাষায়। পায়ে ফিনস লাগিয়ে বুকে গামছা দিয়ে মাইন পেঁচিয়ে রাতের আঁধারে চিৎ সাঁতারে এগিয়ে চলা শত্রুজাহাজের দিকে- মাইন লাগিয়ে ফেরার সময় পাকসেনাদের অবিরাম গুলিবর্ষণ থেকে বাঁচতে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে থাকা- এসব বর্ণনা শুনে বিস্ময় জাগে- কী কঠিন দেশপ্রেম আর কী তেজ ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের হৃদয়ে! আমি কি কখনো পারবো এভাবে নিজের জীবন হাতের মুঠোয় নিয়ে দেশের জন্যে লড়তে! পড়তে পড়তে আপনাতেই মনটা বলে ওঠে- স্যালুট! আমরা ঋণী আপনাদের কাছে! একাত্তরের এক দুর্ধর্ষ মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন মাহফুজ আলম বেগের স্মৃতিচারণেও চমৎকৃত হই। নারী মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধে যাওয়ার খবর পাই। আপনারা হার্ড কর্পস অব সার্জেন্টস নামের গ্রুপটির কথা শুনেছেন কখনো? আমি এই প্রথম জানলাম। ওরা আসলে বিচ্ছুবাহিনী। ১১ থেকে ১৪ বছরের কিশোর সব, দক্ষিণের জেলাগুলোর। ওরা পাক ক্যাম্পে গিয়ে গুপ্তচরের মত তথ্য জোগাড় করে নিয়ে আসতো। ট্রেনিংও নিয়েছে। এসব কাহিনী সিনেমাকেও হার মানায়। বইয়ের সমস্ত অধ্যায় নিয়ে লিখছিনা, পাঠক মূল বইটি পড়লেই আসল স্বাদটি পাবেন। প্যাটেলদের স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল, গেরিলা মান্নানদের গ্রিন রোড অপারেশন, ঢাকায় নান্টুদের গেরিলা অপারেশন, কাশেম মোল্লার অস্ত্র ছিল রেডিও, খ্রিস্টফার মুর্মূ ও ভদ্র ম্রংয়ের একাত্তর…এমন মোট ১৯টি পৃথক অধ্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের বিস্মৃত কিছু স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে বইটিতে আছে বেশ কিছু দুর্লভ আলোকচিত্র। বীর মুক্তিযোদ্ধা রমা রানী দাসের ভাষ্যে পেয়ে যাই মুক্তিযুদ্ধে নারীর অংশগ্রহণের কিছু বর্ণনা। হাসনাবাদে নয় নম্বর সেক্টরের হেড কোয়ার্টারে ট্রেনিং নিয়েছেন তিনি এবং আরো অনেক নারী মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধের সার্বিক অর্জন নিয়ে আক্ষেপও ঝরে তার কণ্ঠে- “আমরা তো চিন্তাও করি নাই এত তাড়াতাড়ি দেশ স্বাধীন হবে। হয়তো এ কারণে অনেকেই বোঝে না স্বাধীনতা কী!” আসলেই এটাই হয়তো করুণ পরিহাস আমাদের দেশের । এত কষ্ট এত জীবনপণ যুদ্ধের পর যে বাংলাদেশ আমাদের পাওয়ার কথা ছিল তা এখনো অধরা। জাতির বীর সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা কেউ কেউ হয়তো অজান্তেই দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলেন। স্বাধীনতার গুরুত্ব বোঝার জন্য, স্বাধীনতা অর্জনের পিছনের রক্ত-কান্না-পরিশ্রম-আত্মত্যাগের বিশালতা জানার জন্যে আমাদের এই ধরনের বই পড়াটা জরুরি। লিপিবদ্ধ করে রাখা জরুরি মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিকথা। তাই অপরাজেয় একাত্তরের মত বই আরো আসুক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চর্চাটা চলুক পুরোদমে।"
Mehnaz Knilima , Mar 18, 2021
"ননফিকশনাল জগতের বইগুলো আমার পড়া হয়ে উঠে না এতোটা, অল্পতেই আগ্রহ কমে আসে। কিন্তু আজ যে বইটি নিয়ে লিখছি সেই বইটি ননফিকশন হয়েও এমন একটি বই যা আমাদের লাল-সবুজ পতাকার জন্ম-কাহিনী অন্যভাবে আমার কাছে তুলে ধরেছে। ১৯ টা অধ্যায়ে ১৯ টা তাজা রক্তঝরা ঘটনার সমন্বয়ে একটি বই 'অপরাজেয় একাত্তর'। ১৯৭১ সালে পৃথিবীর বুকে এক বাংলাদেশের জন্ম দিতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা যুদ্ধাহত অবস্থায় এখনও আছেন বেঁচে, তারা সকলেই বীরত্বের পরিচয় দেওয়া সাধারণ কিছু মানুষ, যাদের প্রসঙ্গে বলতে যেয়ে লেখক ভূমিকাতে লিখেছেন, "এমন সাধারন মানুষ হতেও প্রয়োজন অসাধারণ গুণাবলির।" তবে আমার ঠিক জানা নেই কতোটা অসাধারণ গুণাবলি থাকলে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জি এম জুলফিকার মাইনের আঘাতে পায়ের গোড়ালি উড়ে যাওয়ার পরও হার না মেনে শেকড়ের মতো ঝুলে থাকা রগগুলোর ক্ষতস্থান শক্ত করে গামছা দিয়ে বেঁধে দেশের জন্য করেছেন যুদ্ধ ! কতটা অসাধারণ গুণাবলি, প্রবল দেশ প্রেম, যুদ্ধে যাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকে ১৮ বছরের কম বয়সেও বয়স বাড়িয়ে বলে যুদ্ধে গিয়েছেন অনেক যুবক! কতটা অসাধরণ গুণাবলীর ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর সেই দিনগুলোতে শুনিয়ে গিয়েছেন রেডিয়ো বিবিসি বাজারের যুদ্ধাহত এক কাশেম মোল্লা (হানাদার বাহিনীর আঘাতে জখম হয়ে যায় তার এক পা, মৃত্যুঃ৬ ফেব্রুয়ারী,২০১৫), কিংবা স্পাইনালকর্ডে গুলির আঘাতের ফলে দুই পা প্যারালাইজড হয়ে হুইলচেয়ারকে করে নিয়েছেন সঙ্গী এক বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুল ইসলাম! এই অপরাজেয় সাহস শুধু যে বাংলার পুরুষদের ছিল তা কিন্তু নয়, ছিল নারীদেরও। নাম জানা এমনই এক নারীর কথা বলেছেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আহম্মদ বাবু (সাবমেশিনগানের গুলিতে হারিয়েছেন বাম পায়ের হাটু থেকে নীচের অংশ)। সেই নারীকে তার সহযোদ্ধারা ভেবেছিলেন ফেরেশতা বা পরি! তার জবানীতে, " গ্রামবাসীর চোখ এড়িয়ে, জীবনের ঝুঁকি জেনেও ওই রাতে সে এসেছিল শুধুই মুক্তিযোদ্ধাদের পার করিয়ে দিতে।... মেয়েটির ছেলেমেয়েরা কি জানে তার মা একজন ফ্রিডম ফাইটার?" অসাম্প্রদায়িক এক দেশের স্বপ্ন দেখা বীর মুক্তিযোদ্ধা রমা রানী দাস কিংবা আরও অনেক নারী; খালের পানিতে যারা শরীর ডুবিয়ে কচুরিপানায় মাথা লুকিয়ে রেখে থেকেছেন '৭১ এর বিভীষিকাময় দিন গুলোতে, করেছেন স্পাইং এর কাজ, বিভিন্ন খবর নিয়ে গিয়েছেন নানা ক্যাম্পে। এছাড়াও আছে অনন্য এক নাম, কনক প্রভা মণ্ডল। যুদ্ধে যাবার কারণে যেই নারীকে সমাজ করেছিল পরিত্যাক্ত, পাছে লোকে চরিত্রহীন বলবে বিধায় যার ডিসচার্জ লেটারও ফেলা হয়েছিল ছিঁড়ে, যার ফলশ্রুতিতে তিনি পাননি মুক্তিযোদ্ধার সনদ। এই সকল নারীদের জন্যই মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আহম্মদ বলেছেন, "একাত্তরে এমন নারীরা পাশে ছিল বলেই মাত্র নয় মাসে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।" স্বাধীনতার এমন না বলা অনেক গল্প, না জানা ইতিহাস জায়গা করে নিয়েছে সালেক খোকনের এই বই 'অপরাজেয় একাত্তর'-এ। যুদ্ধে যাওয়া এই প্রতিটা মানুষই কমবেশি স্বপ্ন দেখেছিলেন এক অসাম্প্রদায়িক, ভেদাভেদহীন বাংলার। নয়তো বা একজন হিন্দু হয়ে কনক প্রভা মণ্ডল কিংবা আদিবাসি হয়ে খ্রিস্টফার মুর্মূ বা ভদ্র ম্রংয়ের মতো আরও দুই হাজার আদিবাসী যদি সেই '৭১-এ ধর্ম, জাত বা বর্ণ ভেদাভেদ করতেন আমরা কী আদৌ পারতাম এত কম সময়ে দেশটিকে স্বাধীন করতে? এখনও কি আমরা পারছি স্বাধীনতাকে মূল্যায়ন করতে? এই প্রসঙ্গেই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা (বীরপ্রতিক) মো. রুস্তম আলী (১৯৭১-এ প্রথম এয়ার অ্যাটাক করেছিল যার টিম) বলেন, "স্বাধীনতার মূল্যায়ন যখন কেউ করে না- তখন খারাপ লাগে।... ভিয়েনামে যুদ্ধ হয়েছে বাইশ বছর। আমরা আরও দশ-বারো বছর যুদ্ধ করে দেশটা পেলে, সবাই স্বাধীনতার অর্থটা বুঝতে পারত।" এমনই ভাবে দীর্ঘশ্বাসের সাথে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে দেশের বর্তমান অবস্থা বা স্বাধীনতার অপব্যবহার বা মূল্যায়ন নিয়ে কথা বলার পরও এই সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা এখনও আশা করেন সুন্দর একটি বাংলার, স্বপ্ন দেখেন সোনার সেই বাংলার, এবং বিশ্বাস করেন বর্তমান প্রজন্মের উপর প্রবলভাবে। তাই তো প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাই এই প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বলেছেন, দেশটাকে মায়ের মতো ভালবাসতে। স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাসটা জেনে নিতে এবং সর্বোপরি ভুলে না যেতে জাতির পিতার সেই স্বপ্নের কথা, "আমি বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতার একটা বীজ পুঁতে রেখে গেলাম, এই বীজ যেদিন উৎপাটন করা হবে, সেদিন বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।" এই বীর মুক্তিযোদ্ধারা যখন আমাদের প্রজন্মকে নিয়ে আশায় বুক বাঁধেন তখন সত্যিই অবাক লাগে, আবার কোথায় যেন ভালোও লাগে, কতশত প্রতিশ্রুতি করা হয়ে যায় আপনমনে, কতশত ভুল মনে পড়ে যায় যখন কারণে অকারণে বলে ফেলি, 'কী হবে এই দেশে থেকে? মনে হয় যেন স্রেফ ১৫১ পৃষ্ঠার এই বই পড়ে দেশকে নতুনভাবে জানতে আর ভালবাসতে পারছি। দীর্ঘদিন পর নিজের চিরাচরিত অভ্যাসের বাইরের বই পড়া হলো। লেখক সালেক খোকনকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের প্রজন্মে এভাবের ইতিহাসের ইতিকথা ছড়িয়ে যাওয়ার জন্য।"
Upama Syed , Jan 29, 2021
"আমাদের সবার মধ্যেই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলাদা একটা আবেগ কাজ করে। আমিও তার ব্যাতিক্রম ছিলাম না। ছোটবেলা থেকেই প্রচুর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গল্প উপন্যাস পড়ে এসেছি। কিন্তু একটা সময় এসে বুঝতে পারলাম পৃথিবীর আর সমস্ত ইতিহাসের মত আমাদের ইতিহাসটাও নিরপেক্ষ নয়। সেটার চেয়েও বড় সমস্যা হল, ইতিহাসের এক পিঠই আমাদের জানতে দেয়া হচ্ছে! এরপর থেকে এই বিষয়ের গল্প উপন্যাস পড়া বাদ দিয়েছি। তবে এই বইটা ব্যাতিক্রম ছিল। এটাকে মুলত একটি ডকুমেন্টারি বলা যেতে পারে। যেখনে অনেকগুলো মানুষের ইনটারভিউ নেয়া হয়েছে অথবা বলা চলে তাদের সাথে গল্প করা হয়েছে। লেখক তাদের ভাষাতেই সেগুলো তুলে ধরেছেন। আর যাদের সাথে গল্প গুলো করা হল, তারা আর কেউ নন, দেশের জন্য লড়াই করা মুক্তিযোদ্ধারা! উঠে এসেছে তাদের অপ্রাপ্তি, না পাওয়ার কথা যেগুলো সচরাচর লাইম লাইটে আসে না। উঠে এসেছে এমন সব মানুষের কথা, যাদের আত্মত্যাগ নিয়ে আমরা কখনো কথা বলি না। অথচ তারা কিন্ত কোন অংশেই কম আবদান রাখেননি। আর আমি বলব এই বইয়ের আরেকটি মূল আকর্ষণ হল এই বইয়ের ছবি গুলো। অনেক ঐতিহাসিক ছবি বইটার সাথে যুক্ত করা হয়েছে যেগুলোকে মুক্তিযুদ্ধের দলিল বলা যায়। মজার বিষয় কি জানেন? জীবন বাজী রেখে যেসব ফটোগ্রাফার এসব ছবি তুলেছেন তাদের কাউকেই কোন স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। তার মধ্যে কিছু ছবি আমি যুক্ত করে দিচ্ছি। সালেহ খোকনের এই বইটি প্রকাশ করেছে ‘পেন্সিল পাবলিকেশনস’। প্রচ্ছদ এঁকেছেন তৌহিন হাসান। লেখক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণার সাথে যুক্ত আছেন দীর্ঘদিন। এর আগে ২০১৫ সালে তার প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই "যুদ্ধদিনের গদ্য ও প্রামাণ্য""
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"অপরাজেয় একাত্তর" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: