৪র্থ প্রকাশ, ২০২৩
অপরাহ্ণের চিঠি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া (বাংলা)
হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.)
শামায়েলে তিরমিযী (আরবি-বাংলা)
ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত তিরমিযী (রহঃ)
সহজ বাংলা সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া
হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.)
প্রশ্নোত্তরে সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া
হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.)
শামায়েলে তিরমিযি
ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত তিরমিযী (রহঃ)
মহিলা সাহাবির আদর্শ জীবনকথা
মাওলানা আবু যার আব্দুল্লাহ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | অপরাহ্ণের চিঠি |
| Author | নাজনীন মোসাব্বের |
| Publisher | অনুজ প্রকাশন |
| Edition | ৪র্থ প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 64 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | Biographies, Memories & Interviews |
| Weight | 0.25 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
66 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
Humayra Abedin Hira , Mar 3, 2026
"Good book"
Sumaiya Binte Bellal , Jun 30, 2024
"বইয়ের নাম: অপরাহ্ণের চিঠি লেখিকা: নাজনীন মোসাব্বের প্রকাশনী: অনুজ প্রকাশন পৃষ্ঠা: ৬৪ মুদ্রিত মূল্য : ২০০ টাকা ব্যক্তিগত রেটিং: ৮/১০ পুরো বইটাকে বলা চলে চিঠির সমগ্র। এখানে অনেকগুলো চিঠিপত্র সংকলিত হয়েছে। বেশ ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, শব্দচয়ন লেখনশৈলী বেশ চমৎকার ছিল। প্রথম চিঠি 'অপরাহ্ণের চিঠি' এর নামে বইটির নামকরণ করা হয়েছে। ইতিপূর্বে এরকম চিঠির কোন বই আমার পড়া হয়নি, সবগুলোই চিঠি কম বেশি সুন্দর ছিল। সব মিলিয়ে বেশ ভালো লেগেছে আমার কাছে।"
880****877 , Jun 23, 2024
"বই: অপরাহ্ণের চিঠি লেখক: নাজনীন মোসাব্বের পৃষ্ঠা: ৬৪ চিঠি শব্দটা উচ্চারণ করলেই অদ্ভুত একটা ভালো লাগা কাজ করে... কতো ছোট শব্দ এই "চিঠি"... আগেকার যুগে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিলো চিঠি, মনের কথা, জরুরী কথা, সব কিছু চিঠি তেই আদান প্রদান করা হতো... তখন শব্দের অনেক দাম ছিলো, একটা শব্দ লিখতে কতো বার ভাবতে হতো... তবে এখন চিঠির প্রচলন কমে গেছে.... চিঠি নিয়ে এতো সুন্দর করে বই লেখা যায়, " অপরাহ্নের চিঠি" না পড়লে জানাই হতো না.... #অপরাহ্নের চিঠি এই বইটি র মূল হলো, বইটি দুই ভাগে বিভক্ত.. প্রথম অংশে ছোট গল্প, দ্বিতীয় অংশে চিঠি... প্রথম অংশে ,ছোট গল্পের প্রধান চরিত্রে আছে নীলিমা এবং তার মা.. নীলিমা চরিত্রে নীলিমা অসুস্থ, এবং প্রতিরাতে নীলিমার কানে একটা আওয়াজ আসে, যে আওয়াজ নীলিমার ঘুম কেড়ে নিয়ে যায়... নীলিমা সেই আওয়াজের রহস্যর উদঘাটন করতে গিয়ে জানতে পারে, এটা এক ডাকপিয়নের ডাক... নীলিমা র এই ডাকপিয়ন কে প্রথম দেখাই ভালো লেগে যায়, তার অপেক্ষায় থাকে সবসময়.. নীলিমা ডাকপিয়ন এর জন্য একটি চিঠি লিখে তার ভালো লাগার জায়গা থেকে, আল সেই চিঠিটা তার সাথে দেখা হওয়া, প্রথম রাস্তায় রেখে আসে... আচ্ছা, সেই চিঠিটি কি ডাকপিয়নের কাছে আধো পৌঁছেছিলো? তাদের কি আবার দেখা হয়েছিলো? এসব জানতে পড়তে হবে " অপরাহ্নের চিঠি" বইটি.... এই বইয়ের দ্বিতীয় অংশ চিঠি নিয়ে... এই বই এ চিঠি গুলো পড়ে মনে হলো, কেউ কাউকে এতো সুন্দর করে চিঠি লিখতে পারে.. কেউ কারো জন্য এতো শব্দ জমা করেও লিখে... চিঠিতে লেখা শব্দ গুলো আর চিঠি গুলো পড়লে এমনিতে ই মন ভালো হয়ে যাবে..."
880****617 , Jun 14, 2024
"চিঠি শব্দটা কতো ছোটো তাই না। কিন্তু এক সময় চিঠি ছিল এক মাএ যোগাযোগের মাধ্যম। এখনকার যুগে চিঠির দেখা দুষ্প্রাপ্য। চিঠি কে এত সুন্দর ভাবে বইয়ে উপস্থাপনা করা যায় না পড়লে জানাই যেত না।সেই আগেকার দিনের চিঠির মতো। ......অপরাহ্নের চিঠি........ বইটি কে ২ ই ভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে। "অপরাহ্ণের চিঠি" বইয়ের দুইটা অংশ, এক অংশে একটা ছোটগল্প এবং অপর অংশে চিঠি। প্রথম অংশ থেকে - ছোট গল্পের প্রধান চরিত্রে আছেন নীলিমা ও তার মা। নীলিমা একটু অসুস্থ এবং প্রতি রাতে কানে একটা আওয়াজ আসে আর ঘুম কেড়ে নিয়ে চলে যায়। সেই আওয়াজের পিছু পিছু ছুটতে ছুটতে এক রাতে দেখা পায় এক ডাকহরকরা, যাকে প্রথম দেখায় ভালো লেগে যায়, তার প্রতীক্ষায় থাকে সবসময়। সেই ভালো লাগার খোঁজে আবারও নীলিমা ব্যাকুল হয়ে ওঠে, তার জন্য একটা চিঠি লিখে সেই প্রথম দেখা হওয়া রাস্তায় রেখে আসে। সেই চিঠি কি ডাকহরকরা বা ডাকপিয়নের কাছে পৌঁছেছে? সে ভালোলাগার মানুষের সন্ধ্যান কি পাওয়া গেছে? সব প্রশ্নের উত্তর পেতে বইটি পড়তে হবে। দ্বিতীয় অংশে আছে চিঠি সংকলন। বর্তমান যুগে চিঠির আদান প্রদান নেই বললেই চলে, আমি কখনো কাউকে লিখতে দেখি নাই। কিন্তু বইতে অনেক সুন্দর সুন্দর চিঠির সংকলন আছে যা আপনার মনকে ভালো করে দিবে, আনন্দ দিবে। চিঠি গুলো পড়ে এখন আমারই মনে হচ্ছে কেউ যদি আমার জন্য চিঠি লিখতো, তাহলে ব্যাপারটা কি না দারুণ হতো! নামঃআলিফা ঠিকানাঃবরিশাল"
Afridi Hassan. , Jun 11, 2024
"৬৪ পৃষ্ঠার এই বইটাতে একদিকে যেমন আছে অতিপ্রাকৃত ঘটনা, তেমনি অন্যদিকে আছে দরদ মাখা বেশ কিছু চিঠি। বইকে দুটো ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। প্রথম অংশে লেখিকা ২৪ পৃষ্ঠা জুড়ে অতিপ্রাকৃত একটা ঘটনা বলেছেন। এবং পরের পৃষ্ঠা থেকে ৬৪ তম পৃষ্ঠা পর্যন্ত সর্বমোট ১৫ টি চিঠি। . সর্বপ্রথমেই আমার চোখ আটকে গিয়েছিলো লেখিকার উৎসর্গপত্রে। কি দরদমাখানো ভঙ্গিমায় তিনি বললেন, "যারা আজ বেঁচে থাকলে আশীর্বাদের হাত আমার মাথায় তুলে, সেই কবরবাসী মা ও বাবাকে উদ্দ্যেশ্য করেই 'অপরাহ্নের চিঠি' উৎসর্গ করলাম।" আহা! যদি উনারা আজ জীবিত থাকতেন নিশ্চয় শ্রদ্ধেয় নাজনীন ম্যামের মাথায় আলতো করে হাত বুলিয়ে দিতেন। তাছাড়াও উৎসর্গপত্র থেকে এটাও শেখার বিষয় যে কেও চিরকাল জীবিত থাকেনা। অর্থাৎ আমাদের দাঁত থাকতে দাঁতের মূল্য দেওয়া উচিত। আমরাও হয়তো কোনো এক সময় গিয়ে লেখিকার এই দরদ মাখা ভাষাগুলোর অর্থ খুব ভালো করে অনুধাবন করতে পারবো। . লেখিকা আরো একটি চমৎকার বিষয় পাঠকদের জানানোর উদ্দ্যেশ্যে ভূমিকাতে উল্লেখ করেছেন। মনস্তাত্তিকরা গবেষণা করে দেখেছেন, এখন পর্যন্ত হাতে লেখা চিঠি মানুষের কাছে লিখন ও পঠনগত দিক থেকে অধিক আবেগপূর্ণ। তাদের ধারণা, অন্য কোন মাধ্যম দ্বারা খবর আদান-প্রদান অনেক বেশি কার্যকর হলেও আবেগ ও মানসিক সম্পর্কের জন্য এখনো 'পত্র' নামক বস্তুটি বিশ্বের জনপ্রিয়তায় এগিয়ে। . আমরা চিঠি লিখতে ভুলে গেছি। এই ডিভাইসের যুগে বসে চিঠি লেখা সত্যিই অলস একটা কাজ। চিঠির ভেতরে যে শুধু লেখা থাকেনা। এখানে থাকে হাজারো গল্প, হাজারো সুখ-দুঃখের স্মৃতি, হাজারো দরদমাখানো হাত। আমাদের উচিত মাঝেমধ্যে চিঠি লেখা। কাওকে লেখার মতো মানুষ না পেলে নিজেই নিজের কাছে লেখা। . গল্পটা শুরু হয় মা ইরাবতী এবং নীলিমার মাধ্যমে। নীলিমা মানসিকভাবে অসুস্থ। ডাক্তার বলেছেন, এ রোগ যেমন একদিনে হয়না তেমনি সারতেও সময় লাগে। আসলে নীলিমা ঘুঙ্গুর পড়া আওয়াজ পাও এবং সাথে তাকে কেও অস্বাভাবিকভাবে 'ঝুঝুমনা! ঝুঝুমনা!' বলে ডাকে। এটা বলেই এক টুকরো আলো উঁকি দিতে দিতে মিলিয়ে যায়। একদিন রাত প্রায় দেড়টা নাগাদ নীলিমা হাঁটতে হাঁটতে জঙ্গলে চলে যায়। এবং সেখানেও সে একই শব্দ শুনতে পায় এবং একই আলোকে পলায়ন করতে দেখে। জঙ্গলে আচমকা এক লোকের সাথে দেখা হয়। লোকটি পরিচয় দেয় যে সে "ডাকহরকরা"। কথা বলার ফাঁকে নীলিমা লোকটির পায়ের দিকে তাকাতেই লক্ষ্য করে লোকটির পা দুটো মানুষের পা নয় বরংচ ঘোড়ার খুর। তৎক্ষনাৎ নীলিমা প্রাণ হাতে নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে আসে। কে এই " ঝুঝুমনা!" শব্দটি করছে? কেনই বা করছে? কে সে? সে কি সত্যিই মানুষ নাকি অন্য কিছু? তার মধ্যে এই ঘোড়ার খুরওয়ালা লোকটিই বা কে যে নিজেকে ডাকহরকরা বলে পরিচয় দিলো? এতোসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য আপনাকে লেখিকা নাজনীন মোসাব্বের এর লেখা "অপরাহ্নের চিঠি" বইয়ের প্রথম অংশ পড়তে হবে। . এবার আসি দ্বিতীয় অংশে। দ্বিতীয় অংশের গোটা ১৫ টা চিঠিই অতুলনীয়। তবে তৃতীয় চিঠিতে এসে আমার চোখটা একেবারে নিবু নিবু করছিলো। উষ্ণ অনুভব করলাম আমার ঝাপসানো চোখ। চিঠিটা আসলেই আমাকে হারিয়ে দিচ্ছিলো নিজেকে। "ছোট্টবেলার কাছে বড়বেলার খোলা চিঠি।" আচ্ছা, আমার মতো কি আপনাদের ও ছোটবেলার কথা মনে পড়লে এরকম কান্না পায়? আহা, শৈশব! বিকেল হতেই যখন আম্মু ঘুমানোর জন্য ডাকতো। লক্ষীটি হয়ে মায়ের পাশে গিয়ে ঘুমানোর ভান ধরতাম। এদিকে আম্মুর চোখ বন্ধ হতেই এক ছুটে খেলার মাঠে দৌড়ে যেতাম। তোমাদের মনে পড়ে সেই গোল্লাছুট আর কানামাছির কথা? মনে পড়ে মায়ের মুখে কবিতা গল্প শুনে রাত্তীরে ঘুমাতে যাওয়া? এখন তো এমন হয়ে গেছে রাত ৩/৪ টা ছাড়া আমরা ঘুমাতেই পারিনা। সেদিন থেকেই হয়তো ঘুম আমাকে ছেড়ে চলে গেছে যখন থেকে ঘুমানোর সময় আম্মুর গল্প বলা থেমে গেছে। এখন আর কেও বলে না বড় হয়ে কি হতে চাও। এখন সমাজ আমাকে বলে, "তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবেনা!" আহ, যদি পারতাম ফিরে যেতে একটিবার সেই শৈশবে। যদি পারতাম সেই সোনালী অতীতকে বর্তমান করতে। হাহ! সে আর সম্ভব না। . আরো একটা চিঠি আমাকে কাঁদানোর উপক্রম করেছিলো। বিশেষ করে একটা লাইন। মা তার প্রবাসী ছেলেকে চিঠি লিখছেন। সেখানের একটি বাক্য এরকম, "আমি কেনো তোকে পড়ার জন্য চাপ দিয়েছি? তুই ভালো রেজাল্ট করলি। তার কিছুদিন পর স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশ চলে গেলি আমাকে একা ফেলে। চল্লিশ বছরের জীবনসঙ্গীও আমাকে ছেড়ে চলে গেলো। বাবা, কানে যখন মা-মা ডাক শুনতে পাই তখন আমি যেনো কেমন হয়ে যাই।" একটা মায়ের তার সন্তানের জন্য আর্তনাদ। একজন মায়ের ভয় তার সন্তানকে সে আর দেখতে পাবেনা। একটাবার চিন্তা করুন তো? . এভাবে প্রায় প্রতিটা চিঠি জীবন থেকে নেওয়া। তিনি বইয়ে আমাদের বেশ কিছু ম্যাসেজ ও দিয়েছেন। যেমন: সবসময় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা, বৃদ্ধদের সাহায্য করা, লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়া, অ্যাকাডেমিকের পাশাপাশি ভালো বই পড়া, গরীবদের পাশে দাঁড়ানো, নিজের পায়ে দাঁড়ানো, মূমুর্ষূদের সেবা করা ইত্যাদি। রবী ঠাকুরের কবিতার চরণগুলো - "আমি ভয় করবো না ভয় করবো না, মরার আগে মরবো না ভাই মরবো না, আমি ভয় করবো না ভয় করবো না!" . বইটা সত্যিই উপভোগ্য ছিলো। তার পাশাপাশি সজিব ওয়ার্সী ভাইয়ের করা প্রচ্ছদটাও অতি চমৎকার। প্রচ্ছদের হাতে হেরিকেনসহ যুবকটিকে দেখে মনে হচ্ছে তিনিও আমার মতো তার সোনালী শৈশব খুঁজে চলেছেন। ©আফ্রিদি হাসান"
Sabikunnahar Islam Nurasa , Jun 4, 2024
"বই থেকে কিছু কথা: বইটিতে মূলত চোখের সামনের ঘটে চলা বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। ভিন্ন কাহিনী গল্প সংলাপ চিঠি জীবনে কতজন কে চিঠি লিখতে দেখছেন বা দিছেন কখনো দেখছেন কোনো অসুখ কিবাং মোবাইল ফোন কে চিঠি লিখতে হ্যাঁ তিনি বিভিন্ন শব্দের মালা দিয়ে যত্ন করে নিজের সমস্ত আবেগ একত্রিত করে বই টি ফুটিয়ে তুলেছেন। আমরা মোবাইলে পুরোটাই আসক্ত হয়ে গেছি। না প্রিয়জন না প্রয়োজনের কাজ গুলো ঠিকঠাক করি আমরা মোবাইল হাতে পেলে খেতে ভুলে যাই কাজ ভুলে শুয়ে বসে থাকি পরে করবো পরে হবে এটা ভাবি মূলত আমাদের উচিত মোবাইল ফোন থেকে নিজেকে সরিয়ে এনে পরিবার প্রিয়জন প্রকৃতি কিবাং নিজেকে অন্য কোনো ভাবে সময় দেয়ার ফ্রী সময় ফোন নিয়ে সব সময় না বসে বই পড়তে পাড়ি অথবা পরিবারের সাথে একসাথে বসে গল্প করা ইত্যাদি। আচ্ছা আমরা চাইলেই কি পারিনা মোবাইল ফোনের আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে? রেটিং: আমি নির্ধারিত সংখ্যা দিয়ে বইয়ের মান নির্ধারিত করিনা প্রতিটা মানুষই তার সর্বচ্চো টা দিয়ে করেন তাই সবাই ভালো লিখেন। লেখার জন্য শুভ কামনা ও ভালোবাসা।বই থেকে কিছু কথা: বইটিতে মূলত চোখের সামনের ঘটে চলা বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। ভিন্ন কাহিনী গল্প সংলাপ চিঠি জীবনে কতজন কে চিঠি লিখতে দেখছেন বা দিছেন কখনো দেখছেন কোনো অসুখ কিবাং মোবাইল ফোন কে চিঠি লিখতে হ্যাঁ তিনি বিভিন্ন শব্দের মালা দিয়ে যত্ন করে নিজের সমস্ত আবেগ একত্রিত করে বই টি ফুটিয়ে তুলেছেন। আমরা মোবাইলে পুরোটাই আসক্ত হয়ে গেছি। না প্রিয়জন না প্রয়োজনের কাজ গুলো ঠিকঠাক করি আমরা মোবাইল হাতে পেলে খেতে ভুলে যাই কাজ ভুলে শুয়ে বসে থাকি পরে করবো পরে হবে এটা ভাবি মূলত আমাদের উচিত মোবাইল ফোন থেকে নিজেকে সরিয়ে এনে পরিবার প্রিয়জন প্রকৃতি কিবাং নিজেকে অন্য কোনো ভাবে সময় দেয়ার ফ্রী সময় ফোন নিয়ে সব সময় না বসে বই পড়তে পাড়ি অথবা পরিবারের সাথে একসাথে বসে গল্প করা ইত্যাদি। আচ্ছা আমরা চাইলেই কি পারিনা মোবাইল ফোনের আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে? রেটিং: আমি নির্ধারিত সংখ্যা দিয়ে বইয়ের মান নির্ধারিত করিনা প্রতিটা মানুষই তার সর্বচ্চো টা দিয়ে করেন তাই সবাই ভালো লিখেন। লেখিকার জন্য শুভ কামনা ও ভালোবাসা।"
880****795 , Jun 4, 2024
"অপরাহ্ণের চিঠি বইটিতে দুইটি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশে একটি ছোটগল্প এবং অপর অংশে পত্র। ◽প্রথম অংশের প্রধান চরিত্রে আছেন নীলিমা ও তার মা ইরাবতী। নীলিমার কানে প্রতি রাতে একটা আওয়াজ আসে।সেই আওয়াজ তার ঘুম কেড়ে নিয়ে চলে যায়। সেই আওয়াজের পিছু পিছু ছুটে এক রাতে বনের মাঝে সে দেখতে পায় এক ডাকহরকরার(চিঠি বাহক), যাকে প্রথম দেখায় নীলির ভালো লেগে যায়, তার অপেক্ষায় থাকে সবসময়। সেই ভালো লাগার মানুষের খোঁজে নীলিমা দিশেহারা হয়ে যায় এবং একটি চিঠি লিখে সেই প্রথম দেখা হওয়া জায়গায় রেখে আসে। সেই চিঠি কি ডাকহরকরা পেয়েছিলো? যার জন্য এত কিছু সে কি আদৌ আসবে তার কাছে? তারা কি আবার মুখোমুখি হবে? উত্তর জানতে পড়তে হবে👉 অপরাহ্ণের চিঠি 👈 ◽অপর অংশে রয়েছে পত্র সংকলন।এখানে লেখিকা ছোটবেলার কাছে বড়বেলার জন্য,প্রবাসী ছেলের কাছে মায়ের জন্য,প্রজন্মের কাছে প্রবীনের, চায়ের কাছে, স্বাধীনতার কাছে স্বাধীন দেশের নাগরিকের সহ আরো অনেক আবেগ, ভালোবাসা ও স্মৃতিকাতর চিঠি লিখেছেন।যেগুলো পড়লে সত্যিই মনে হয় ৯০ শতকে ফিরে গিয়েছি।আমাদের এই প্রজন্মের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাসেজ রয়েছে এই চিঠি সংকলন অংশে। ▪ সত্যিই বলতে বর্তমান সময়ে এসে এরকম পত্র সংকলন জনরার বই খুব ইউনিক ও নস্টালজিক লেগেছে। যাদের চিঠি পড়তে ভালো লাগে তারা এই বইটি পড়তে পারেন।✨"
Yasin Arafat , May 30, 2024
""অপরাহ্ণের চিঠি" বইয়ের দুইটা অংশ, এক অংশে একটা ছোটগল্প এবং অপর অংশে চিঠি। প্রথম অংশ থেকে - ছোট গল্পের প্রধান চরিত্রে আছেন নীলিমা ও তার মা। নীলিমা একটু অসুস্থ এবং প্রতি রাতে কানে একটা আওয়াজ আসে আর ঘুম কেড়ে নিয়ে চলে যায়। সেই আওয়াজের পিছু পিছু ছুটতে ছুটতে এক রাতে দেখা পায় এক ডাকহরকরা, যাকে প্রথম দেখায় ভালো লেগে যায়, তার প্রতীক্ষায় থাকে সবসময়। সেই ভালো লাগার খোঁজে আবারও নীলিমা ব্যাকুল হয়ে ওঠে, তার জন্য একটা চিঠি লিখে সেই প্রথম দেখা হওয়া রাস্তায় রেখে আসে। সেই চিঠি কি ডাকহরকরা বা ডাকপিয়নের কাছে পৌঁছেছে? সে ভালোলাগার মানুষের সন্ধ্যান কি পাওয়া গেছে? সব প্রশ্নের উত্তর পেতে বইটি পড়তে হবে। দ্বিতীয় অংশে আছে চিঠি সংকলন। বর্তমান যুগে চিঠির আদান প্রদান নেই বললেই চলে, আমি কখনো কাউকে লিখতে দেখি নাই। কিন্তু বইতে অনেক সুন্দর সুন্দর চিঠির সংকলন আছে যা আপনার মনকে ভালো করে দিবে, আনন্দ দিবে। চিঠি গুলো পড়ে এখন আমারই মনে হচ্ছে কেউ যদি আমার জন্য চিঠি লিখতো, তাহলে ব্যাপারটা কি না দারুণ হতো!"
Chytee Shahana , May 27, 2024
"বইটা দুভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে গল্পের শুরুতেই মনে হয়েছে গল্পটা ভৌতিক হয়তো। কিন্তু পরক্ষণেই ভৌতিক 'ঘোড়ার খুড়' এর ভীতি দূর করেন ডাকহরকরা। ডাকহরকরার সাথে নীলিমার দেখা হয় 'ঝুঝুমনা' শব্দকে কেন্দ্র করে। তারপর আর ডাকহরকরার দেখা পাওয়া যায় না। সেই কারণে একদিন ডাকহরকরার কাছে একটি চিঠি তাদের প্রথম দেখা হওয়ার পথে রেখে আসে। এরই মাঝে নীলিমার মা-বাবা গত হয়েছেন প্রায় আটার-বিশ বছর আগে। নীলিমা এখন কলেজের শিক্ষিকা। এখনো ডাকহরকরার কাছে চিঠি লিখে। এইটা তার পরিণত বয়সের চিঠি। এই পরিণত বয়সকে সে অপরাহ্ন বলছে। এই "অপরাহ্ণের চিঠি" লিখা শেষ না হতেই ভোরে কলিং বেল বেজে ওঠে। নীলিমা নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না এইযে তার সেই ডাকহরকরা। নীলিমা ছোট্ট বালিকার মতো নিজের ঘরের দিক ছুটে যায় এবং ফিরে আসে তার নিজের লিখা 'অপরাহ্ণের চিঠি' নিয়ে। বইটার দ্বিতীয় ভাগে পনেরোটি খোলা চিঠি আছে। তারমধ্যে 'প্রজন্মের কাছে প্রবীণের খোলা চিঠি, দাদার কাছে নাতনির খোলা চিঠি, চায়ের কাছে খোলা চিঠি' এইগুলো একটু বেশিই ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে পাঠপ্রতিক্রিয়া ভালো ছিলো। আপনার আরো লেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করছি।"
Tasmiya Shahjabeen , May 21, 2024
"লেখিকা নিজের মত করে "অপরাহ্নের চিঠি" তে নিজের সুন্দর মনোভাব তুলে ধরেছেন। কয়েকটা চিঠি মিলিয়ে যেনো একটা প্রাণবন্ত চিঠি হয়ে গেলো। যে চিঠি অভিমান করে, কথা বলে, রাগ করে আবার হাসেও!"
ইব্রাহীম নিরব , May 21, 2024
"খুবই সুন্দর অনুভূতি পেলাম বইটা পড়ে"
880****282 , Mar 24, 2024
"আমার পড়া প্রথম চিঠির বই এই বইটি।সহজ সরল শব্দে লেখা এবং অনবদ্য লেখনি। শ্রদ্ধেয় ম্যামের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।"
ইয়াসির আল সাইফ , Nov 9, 2023
"#বুক_রিভিউ • বই: অপরাহ্নের চিঠি • লেখক: নাজনীন মোসাব্বের • জনরা: চিঠি সংকলন • প্রকাশনী: অনুজ প্রকাশন • পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৪ • প্রচ্ছদ: সজিব ওয়ার্সী • বইটি দুইটি ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে দুইটি ও দ্বিতীয় ভাগে তেরোটি চিঠি মিলিয়ে বইটিতে মোট ১৫ টি চিঠি রয়েছে। প্রথম ভাগে লেখিকা একটা গল্পের সাথে চিঠি দুটো জুড়ে দিয়েছেন। এ গল্পটা লেখিকার 'কে বলে বুড়ো' বইয়ের শেষ গল্পের অংশ। আর দ্বিতীয় ভাগে লেখা চিঠিগুলোর প্রতিটা আলাদা আলাদা খোলা চিঠি। • পাঠ প্রতিক্রিয়া: (হাল্কা স্পয়লার) • বইটির প্রথম ভাগের কথা যদি বলি তবে গল্পটা খুব দ্রুত এগিয়েছে। গল্পের চরিত্র অসুস্থ নীলিমা এক মাঝরাতে ডাকপিয়নের শব্দ পেয়ে জঙ্গলের দিকে যায়। সেদিন এক দেখাতেই সে ডাকপিয়নের প্রেমে পড়ে যায় এবং তাকে একটা চিঠি লেখার পর দীর্ঘ পঁচিশ বছর বিয়ে না করে অপেক্ষা করে। সেই চিঠি ডাকপিয়নের কাছে পৌঁছেছে কিনা তারও নিশ্চয়তা ছিলোনা। পঁচিশ বছর পর সে নীলিমার কাছে আসে, তখন তাদের দ্বিতীয়বারের মতো দেখা। অথচ দুজনেরই সবকিছু পরিষ্কার মনে আছে। নীলিমা তখন তাকে দ্বিতীয় চিঠিটা দেয়। গল্পটা আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগেনি, বরং অযৌক্তিক লেগেছে। সংলাপের ধারাবাহিকতাও যথাযথ লাগেনি। মনে হয়েছে সংলাপটা সামনের চরিত্র নয়, বরং পাঠককে বলা হচ্ছে। • একই ধরনের লেখা পাওয়া যাবে বইয়ের দ্বিতীয় ভাগের কয়েকটা চিঠিতে। বিশেষ করে দাদার কাছে নাতনির খোলা চিঠি তে একটা বড় অংশ পাঠকের উদ্দেশ্যে লেখিকা দাদাকে নিয়ে বলেছেন, যা চিঠির ধারাবাহিকতা নষ্ট করেছে। এছাড়া নানা ও বাবাকে লেখা চিঠিতেও এটা লক্ষ করা যায়। বাকি চিঠিগুলো যে বিশেষ করে করোনা মহামারীর সময়ে লেখা সেটা চিঠিগুলো পড়লেই বোঝা যায়। • আমার কাছে তুলনামূলক ভালো লেগেছে: চায়ের কাছে খোলা চিঠি, সংসারের কাছে গৃহিণীর খোলা চিঠি, সময়ের কাছে খোলা চিঠি। আর প্রবাসী ছেলের কাছে মায়ের চিঠির একটা কথা হৃদয় ছুঁয়েছে, "Skype-তে তোর সাথে আমার কথা হবে, দেখা হবে। বাবা Skype-তে কি আর ছোঁয়া যায়?" • ব্যাক্তিগত মতামত: প্রায় সবগুলো চিঠি লেখিকা ব্যাক্তিগত জীবন থেকে লিখেছেন। তবে লেখার ধারা অনুযায়ী চিঠি মনে হয় না,বরং লেখিকা যদি আরেকটু ব্যাখ্যা দিয়ে আত্মজীবনমূলক গ্রন্থ লিখতো তাহলে আরো মানানসই মনে হতো। পাঠক হিসেবে আরেকটা কথা, লেখিকার শব্দ চয়ন যথেষ্ট ভালো হলেও বাক্য গঠন ও বাক্যের সাথে বাক্যের সামঞ্জস্যতা অপরিপূর্ণ লেগেছে। এদিকে নজর দিলে লেখিকার লেখনী উপভোগ্য হবে। • ব্যাক্তিগত রেটিং: ৪.৫/১০"
Mahboba Akhter , Jul 16, 2023
"বইটি পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। আশা করি এরকম বই আরও লিখবেন লেখিকা।"
Sabbir Ahmad , Mar 24, 2023
"#বুকরিভিউ 'অপরাহ্নের চিঠি' বইয়ের নামটি আকর্ষণীয়! চলার পথে আমরা বিভিন্ন বস্তু প্রাণীর সাথে পরিচিত হই,তাদের সাথে আমাদের বেশ স্মৃতি থাকে, সেই স্মৃতি সবার মাঝে তুলে ধরার মাধ্যম হলো খোলা চিঠি,আর মনের ভাব প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হলো চিঠি, যা খুব যত্নে, আবেগও ভালোবাসা মিশ্রণে লিখা হতো। ছিল সুখ-দুঃখের আলাপ, নানা-নাতনী গল্প, প্রকৃতির সাথে প্রকৃতি প্রেমীর গল্পসহ আরো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিঠি আদান প্রদান হতো, কিন্তু চিঠি নিয়ে আমরা যথাযথ মূল্যায়ন না করায়, আমাদের থেকে হারিয়ে গিয়েছে। লেখিকা 'অপরাহ্নের চিঠি' বইটিতে খুব সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় লিখেছেন, লেখিকা আপন ভাষায় 'খোলা চিঠিতে' বেশ চমৎকার বিষয় তুলে ধরেছেন। যা পড়ে আপনাকে মুগ্ধ করবে। বই: অপরাহ্নের চিঠি লেখিকা: নাজনীন মোসাব্বের"
Jubair Hasan , Mar 23, 2023
"★ অপরাহ্ণের চিঠি লেখিকা নাজনীন মোসাব্বের… বইটি পড়ে ভালো লেগেছে, বইটি শুরু থেকেই আপনার আকর্ষণ ধরে রাখবে এবং খোলা চিঠি গুলা মুগ্ধতা ছড়াবে, পুরোনো দিনের অনেক কিছু মনে করিয়ে দিবে চিঠি পড়ার আবেগ অনুভব করবেন। ছোট্ট বইটি অল্প সময়ে শেষ করতে পারবেন আপনার দেওয়া সময় বিফলে যাবে না আশা করি। লেখিকা আরো মনোমুগ্ধকর বই ভবিষ্যতে আমাদের উপহার দিবেন সেই প্রত্যাশা রাখি।"
Md Waliur Rahman , Mar 14, 2023
""অপরাহ্নের চিঠি" বইটি চিঠি পত্রের একটি সংকলন বলতে পারেন।বইয়ের লেখিকা নাজনীন মোসাব্বের। অসম্ভব সুন্দর কিছু চিঠির সাথে তিনি আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। বর্তমান প্রজন্মের মানুষের মধ্যে চিঠি আদান প্রদানের সংস্কৃতি নেই বললেই চলে।চিঠির কালো হরফের লেখাতে যে আবেগ আর স্নেহ ভালোবাসা ম্রিশ্রিত থাকতো তার এখন খুঁজে পাওয়া যায় না।প্রযুক্তির কল্যাণে আমরা সেই সুন্দর সুখস্মৃতি হতে বঞ্চিত হয়েছি।সেই না পাওয়া বেদনা কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পেরেছি।বইটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে প্রতিটি চিঠি যেন আমাকে উদ্দেশ্য করেই লেখা।বইটি পড়ে যে কেউ তার অতীতের সোনালী সুখস্মৃতির সেই দিনগুলোতে ফিরে যেতে বাধ্য হবেন।শৈশব, কৈশোরে কোমল আদর আর শাসনের সেই দিনে পৌঁছে যাবেন।পৌঁছে যাবেন আশা আর আনন্দের কথামালার ছন্দ শহরে।যত্নে আর সময় নিয়ে সেসময়কার লেখাগুলোর সেই রূপ লেখিকা তার লেখনীতে চমৎকার ফুটিয়ে তুলেছেন।এমন বিষয়ে সচরাচর কেউ সাধারণত লেখালেখির সাহস করে না। বিষয়টা যেহেতু পুরোনো দিনের, তবুও নতুনদের পুরোনো সেই রঙিন দিনগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার যে অসীম আত্নবিশ্বাসী মনোভাব লেখিকা দেখিয়েছেন তার প্রসংশা করি।বইটির বহুল প্রচার ও লেখিকার জন্য অনেক দোয়া রইল।সামনে প্রিয় লেখিকার নতুন উইনিক কোন বিষয়ে বই পাওয়ার প্রত্যাশায় রইলাম।"
Harun Ar Rashid , Mar 14, 2023
"শুভকামনা"
Nowshin Nishat , Mar 14, 2023
"#বুকরিভিউ "অপরাহ্ণের চিঠি" নামটাতেই লুকিয়ে আছে বইটির গূঢ় রহস্য। এবেলা ও বেলা করে কখন যে জীবনের সারাবেলা কেটে যায় আমরা বুঝেই উঠতে পারি না। জীবন স্রোতের আঁকে বাঁকে আমাদের দেখা মিলে জানা অজানা অনেক মানুষের সাথে। তৈরি হয় কত শত স্মৃতি। কোন মুহূর্ত আমরা যাপন করি কোনটা আবার উদযাপন করি। সেসব আবার স্মৃতির পাতায় জমা হয়ে আমাদের হাসায়, আমাদের কাঁদায়, আমাদের ভাসায়। অপরাহ্ণের চিঠিতে লেখিকা সেই ফেলে আসা বেলা অবেলার নানা স্মৃতি খোলা চিঠি হিসেবে পাঠিয়ে দিয়েছেন সেইসব সুন্দর সময়ের কাছে শ্রদ্ধেয় মানুষদের কাছে। প্রতিটা চিঠিই যেন জীবন্ত হয়ে কথা বলছে। জানিয়ে দিচ্ছে মমতাময়ী স্বজনদের কাছে মনের আকুতি, সময়ের টানাপোড়েনে শেখা একটা একটা গল্প। বইয়ের ভাষা খুবই সহজ সরল অনুভূতি মাখা। বইটি পড়তে পড়তে যে কেউই নিজের দিনগুলোতে বিচরণ করবে। হয়তো চিঠি লিখতেও বসে যেতে পারে যেটা এখন আমার ইচ্ছে করছে। যন্ত্রচালিত এই অনুভূতিহীন বিষন্ন দিনগুলোতে আবার চিঠির প্রচলন হোক। আবার আলো জ্বালিয়ে রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে ডাক আসুক "ঝুঝুমনা"। বইয়ের নাম: অপরাহ্ণের চিঠি লেখিকা: নাজনীন মোসাব্বের প্রকাশনী:অনুজ"
Tarin Ishrat , Mar 14, 2023
"# বুক রিভিউ বইঃ অপরাহ্ণের চিঠি লেখিকাঃ নাজনীন মোসাব্বের বইয়ের নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে চিঠি নিয়েই হবে কিছু একটা। সত্যি তাই চিঠি নিয়েই লেখা। আমাদের জেনারেশন তো চিঠি বলতে বুঝি মোবাইল এ টাইপ করে বার্তা পাঠানো। বইটিতে মূলত বাবার কাছে মেয়ের চিঠি, ছোটবেলার কাছে বড়বেলার চিঠি, চায়ের কাছে খোলা চিঠি, সবুজ প্রকৃতির কাছে চিঠি এমন বেশ কয়েকটি চিঠি নিয়ে লেখা। বইটি পড়ে শৈশবে হারিয়ে গিয়েছিলাম আমি ভাবতাম চাঁদ মনে হয় আমার সাথেই হাটে। চলন্ত গাড়ি থেকে ভাবতাম গাছ গুলো হয়তো আমার সাথে চলে যাচ্ছে। কী বোকাই না ছিলাম! বইটি পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। শেখার অনেক কিছু আছে। আমাদের জেনারেশন কে উপদেশ দেওয়া হয়েছে এই বইটিতে।৷৷ অসাধারণ একটি বই ❤❤"
অন্ত্যমিল কবিতা , Mar 14, 2023
"দারুণ প্রকাশ"
অন্ত্যমিল প্রকাশন , Mar 14, 2023
"ভাবনার দারুণ প্রকাশ"
Mitu sikder , Mar 3, 2023
"আমরা আমাদের অনেক কথা প্রিয় মানুষদের হয়তো মুখ ফুটে বলতে পারি না। আপন মানুষগুলো যখন দুরে চলে যায় আমরা চাইলে আর যখন তাদের সাথে কথা বলতে পারি না সেই না বলা কথা, অথবা কোনো পরিস্থিতি নিয়ে বিক্ষোদ্ধ মনের কথা, অথবা কোন স্মৃতি যদি চিঠির মাধ্যমে প্রকাশ পায় তাহলে কেমন হবে? হয়তবা একটু হলেও মনের শান্তি মিলবে। বইঃ অপরাহ্নের চিঠি লেখকঃ নাজনীন মোসাব্বের"
Sabrina Nila , Mar 3, 2023
"'অপরাহ্ণের চিঠি' অসাধারণ একটি বই নাজনীন মোসাব্বের ম্যাম এর। বইটি পড়ার সময় সময় তখন আগের যুগে চিঠি বার্তা পেয়ে যে মানুষ খবরাখবর নিত দুরদুরান্ত থেকে, এর ভিতর আলাদা একটা স্বস্তি ও ছিলো, চিঠি পাওয়ার আনন্দ ও ছিলো, বর্তমানে মোবাইল তথ্য প্রযুক্তির যুগে এইসব এখন বিলুপ্ত, আগের চিঠি দিয়ে যেমন একটা আনন্দ ছিলো এখনকার মধ্যে তা নেই। বইটি পড়ে পুরনো দিন গুলো যেন চোখের সামন ভেসে উঠে অসাধারণ একটা বই শুভ কামনা রইলো"
কণা সিংহ , Mar 3, 2023
"#বুকরিভিউ লেখিকা নাজনীন মোসাব্বের "অপরাহ্নের চিঠি "বইটি মুলত চিঠি বিষয়ক। এই বইটি লিখেছেন তার পূর্বের বইয়ের সাথে মিল রেখে। তার কল্পনা মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে চিঠি গুলো। কিছু চিঠির গল্প তার জীবনের সাথে মিল রেখে লিখেছেন। তার চিঠি গুলো মধ্যে রয়েছে 'প্রকৃতির কাছে চিঠি, বাবা কাছে মেয়ের চিঠি, নিত্য প্রয়োজনীয় মোবাইল কাছে চিঠি এছাড়াও অনেক চিঠি রয়েছে। বইটি পড়ে ভালোই লেগেছে। আমার জীবনে কাহিনি সাথেও একটু একটু মিলে যায়। ছোট বেলায় আমিও ভাবতাম আমার সাথে সাথে মনে হয় চাঁদ মামার আসতেছে।এসব কাহিনী লেখিকা চমৎকার ভাবে চিঠির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।❣️"
sajida jesmin , Mar 2, 2023
"প্রাচীনকাল থেকেই চিঠি মনের ভাব প্রকাশের অন্যতম একটি মাধ্যম। এ সময়ে এসে খুব বেশি মিস করি চিঠি লেখার সেই মুহূর্তগুলো। ঢ়খন একটা সময় বন্ধু-বান্ধবদের কাছে চিঠি লেখার প্রচলন ছিল। অনেক কথাই মুখে বলা না গেলেও চিঠির মাধ্যমে ব্যক্ত করা যায়। ম্যাম এর বইটি পড়ে পুরোনো নস্টালজিয়ায় হারিয়ে গেছি। বইটির জন্য অনেক শুভ কামনা রইলো।"
Rimon Barua , Jan 22, 2023
"অপরাহ্নের চিঠি বইটি পড়ে আশা করি পাঠকের ভালো লাগবে। সকলকে পড়ার অনুরোধ রইল। শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছি লেখিকাকে। সাহিত্যঘর গণগ্রন্থাগার এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা। সাহিত্য প্রবাহিত হোক, পৃথিবী বইয়ের হোক।"
purnima tripura , Jan 21, 2023
"খুবই ভালো ।বইটা সবাই পড়তে পারেন ।"
Asma Hossain Mou , Nov 15, 2022
"আমরা আমাদের মনের কোনো ভাব, বক্তব্য, অনুভূতি, আবেদন, নিঃসঙ্গতা ইত্যাদি অপরের কাছে যখন লিখিতভাবে জানাই, তখন একে সাধারণভাবেই চিঠি বা পত্র বলে। যদিও আধুনিক এই সময়ের আমরা চিঠির ব্যপারে খুবই উদাসীন। কারন বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে প্রয়োজনীয় সব খবর অপরের কাছে খুব সহেজেই পৌঁছানো যায়। তবে চিঠি যে ভাব বিনিময় করে তা আর অন্য কোনোকিছু দিয়ে সম্ভব নয়। চিঠি আবার কখনো কখনো হয়ে ওঠে পত্র সাহিত্য। আর এই ' অপরাহ্ণের চিঠি' বইটিতে লেখিকা একান্ত নিজের মতো করে লেখা কিছু চিঠিকে বই আকারে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করেছেন। চিঠিগুলো অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে কিছু চিঠির গল্প লেখিকার জীবন গল্পেরই প্রতিচ্ছবি।চমৎকার লেখনির এই বইটি আপনার মন ভালো করে দিবে অবশ্যই। ছোটবেলার কাছে বড়বেলার খোলা চিঠিটি যেন আমারই লেখা।আমরা সবাইই হয়তো চাই আবারও সেই ছোট্টবেলায় ফিরে যেতে।"
Al Saim , Nov 4, 2022
"বইটি দারুন"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"অপরাহ্ণের চিঠি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: