হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
অলীক অক্টোবর - ওয়াসিকা নুযহাত এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

১ম প্রকাশ, ২০২৬

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

অলীক অক্টোবর

7 Ratings | 6 Reviews
TK. 1,039 TK. 1,200 -13% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

জীবনের জানালায় মাঝে মাঝে কড়া নাড়ে অক্টোবরের অলৌকিক অর্কেস্ট্রা। ফিসফিসিয়ে বলে... জেগে ওঠ! সব কিছু শেষ হয়ে যাবার আগে বেঁচে ওঠ আরেকবার! এই কুহকী আমন্ত্রণ কেউ শোন...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

জীবনের জানালায় মাঝে মাঝে কড়া নাড়ে অক্টোবরের অলৌকিক অর্কেস্ট্রা। ফিসফিসিয়ে বলে... জেগে ওঠ! সব কিছু শেষ হয়ে যাবার আগে বেঁচে ওঠ আরেকবার! এই কুহকী আমন্ত্রণ কেউ শোনে, কেউ শোনে না, কেউ বো
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title অলীক অক্টোবর
Author ওয়াসিকা নুযহাত
Publisher আজব প্রকাশ
Edition ১ম প্রকাশ, ২০২৬
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 544
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.84 Kg
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

4.43

7 Ratings and 6 Reviews

★★★★★
6
★★★★☆
0
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
1

পাঠকদের মন্তব্য

৬টি
Baran Al Hoque

Baran Al Hoque , Sep 6, 2026

★ ★ ★ ★ ★

"বই: অলীক অক্টোবর লেখিকা: ওয়াসিকা নুযহাত জনরা: সমকালীন প্রচ্ছদ: আশরাফুল ইসলাম প্রকাশনী: আজব প্রকাশ পৃষ্ঠা: ৫৩৬ অলীক মানেই কাল্পনিক। কিন্তু ভালোবাসা কি কাল্পনিক হয়! উহু, ভালোবাসা কল্পনার চেয়েও সুন্দর হয়। আর সেই ভালোবাসা যদি অক্টোবরের স্নিগ্ধ সুন্দর সকালে এসে হানা দেয় তাহলে তো সোনায় সোহাগা। "অলীক অক্টোবর" নামটা শুনলে মনে হবে কাল্পনিক অক্টোবর। অক্টোবর আবার কাল্পনিক হয় নাকি! অক্টোবর তো শীতের তীব্রতা আসার আগে প্রকৃতিতে শীত শীত গন্ধ নিয়ে হাজির হয়। মানুষের জীবনে যেমন একটা পরিবর্তনের সময় আসে, অক্টোবর হলো বছরের সেই পরিবর্তনের সময়। মানুষের সুযোগ কম থাকলেও প্রকৃতি প্রতি বছর সেই সুযোগটা পায়। চোখের সাথে সাথে মনের চোখ দিয়ে দেখলে বোঝা যায়, প্রকৃতির মধ্য দিয়ে অক্টোবর আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে যায়। তেমনি এক ঘোর লাগা অক্টোবর আসার প্রাককালে শানায়ার জীবনে অপ্রত্যাশিতভাবে জুড়ে যায় শাবাব। ভাইয়ের কথায় ঘুরতে এসে পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে বিয়ে করতে হয় তাকে। এদিকে যার সাথে বিয়ে হয়েছে সেও বুঝতে পারছে না এটা কি হলো। কেন হলো। এমন তো হওয়ার কথা ছিলো না। বাবা, বোন, ছোটবেলার বন্ধু, একমাত্র ছেলেকে নিয়ে তো ভালোই কাটছিলো জীবন। এমনভাবে বিয়ে তো সে চায়নি! কথায় আছে, সময় সব ঠিক করে দেয়। শাবাব বুঝতে পারছিলো না তার বেলাতে এই কথাটা কতোখানি প্রযোজ্য। একটা সময় দম বন্ধ লাগছিলো সবকিছু। মুক্তির পথ কি সেটাও জানে না। আমেরিকায় ভাইয়ের বিয়ে খাওয়ার সাধ মিটে গেছে। রাহা, যে ভাবতো সে তেমন একটা সুন্দরী না। শানায়ার চোখ ধাঁধানো রূপকে সমাজ সর্বদাই কুর্নিশ জানিয়েছে আর তাকে বোধ করিয়েছে সে চলনসই। এই বোধশক্তির টালমাটাল অবস্থায় যখন মনে ভালোবাসার অঙ্কুর দেখা দিলো, মনে হলো এই মানুষটাকে আমার চাই ঠিক তখনই সে প্রকৃত ভালোবাসার সামনে দাড়ালো। সব সময় চোখের সামনে ছিলো বলেই কিনা মনটা ধরা দিতে চায়নি। অসীমের কাছে জীবন মানেই অন্যের উপকারে লাগতে পারা। নিজেকে বিলিয়ে দিয়েই যেন সুখ। কিন্তু নিজের অজান্তেই সেই সুখের মাঝে নিজের মনটা খুইয়ে বসে। প্রথমে পাত্তা না দিলেও পরে ঠিক বুঝতে পারে। আর এই বোঝাটাই তার শান্তি হরণ করে নেয়। না বলতে পারছে, না সইতে পারছে। ভালোবাসার কোন সময় নেই, ভালোবাসায় কোন বয়স নেই, তবে ভালোবাসায় 'সময়' জিনিসটা অনেক প্রয়োজন। আপনি কারো রূপে মুগ্ধ হবেন, তো কারো গুণে। আল্লাহ আপনার মাঝে সব কিছু দিবে না, আবার কোন গুন ছাড়াও উপরওয়ালা আপনাকে পাঠান নি। আপনার বুঝতেও সময়েরই প্রয়োজন। 'অলীক অক্টোবর' গল্পটা যতোটা না ভালোবাসার তার বেশি প্রকৃতির, সময়ের। আমার তো মনে হয়েছে প্রকৃতি এবং সময় এই গল্পের দুইটা মুখ্য চরিত্র। এই গল্পে আরো একটা জিনিস প্রকটভাবে উপলব্ধি করা যায়, সেটা হলো মানুষের অসহায়ত্ব। সব আমাদের হীতে থাকলেও সেই কাঙ্ক্ষিত মানুষটাকে আর পাওয়া হয় না। তখন মানুষ বুঝতে পারে আমাদের হাতে আসলে কিছুই নাই। উপরে যিনি আছেন তিনিই সব। কথায় আছে জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে আল্লাহর হাতে। এখানে মানুষের কিছু করার নেই, শুধু চেষ্টা ছাড়া। কিন্তু আমরা এমন সমাজে বাস করি যেখানে এসব নিয়ে প্রতিনিয়ত কথার বাণে জর্জরিত হতে হয়। এই কথাগুলো বাইরের কেউ না, নিজের আপনজনেরা বলে থাকে। পশ্চিমা দেশে থাকলেও বাংগালী চিন্তা চেতনা থেকে তারা মুক্তি পায়নি। তাই তো তিলকে তাল করতে তারা সদা প্রস্তুত। কিন্তু নিজের সন্তানকে কোন শাসন বাড়নে রাখবে না। অন্যের মেয়ে কি করলো, কার সাথে মিশলো, বাড়িতে কে আসলো, কার সাথে বেরোলো, এই সব নিয়ে তাদের চিন্তার শেষ নেই। বিয়ের বেপারেও সমান উদ্দীপনা। এতো ভালো বিয়ে কিভাবে হলো! ছি ছি, এরা কি আপনাদের সাথে যায়! এই সকল কথাও চলতে থাকে। একেকটা যেন জ্বলন্ত গসিপ। আর হ্যা, সমস্ত পুরুষের মাথা সব সময় মেয়েরাই চিবিয়ে খায়। পুরুষরা সর্বদাই বাবু, তারা কিছুই বুঝে না। 'অলীক অক্টোবর' আমার দৃষ্টিতে একটা সমাজের প্রতিচ্ছবি যেখানে অসম বিয়ে নিয়ে মানুষের তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে পরতে হয়। ঠিক একই ভাবে অসম ধর্মের কারণে পরিবার সেই ছেলে বা মেয়েটাকে কোনঠাসা করে ফেলে। মানুষের মন বোঝার চেষ্টা কারো মাঝেই নেই। পরিস্থিতি যাই হোক, মেয়েরাই প্রশ্ন এবং কটু কথার স্বীকার হয়। ছেলেদের মায়েরা কোনভাবেই নিজের ছেলের কোন দোষ খুঁজে পান না। তাদের কথার ধরণে একটা মেয়ের মনে কেমন প্রভাব পরতে পারে, সেই মেয়েটা কেমন বোধ করতে পারে এগুলো যেন ভাবার চেষ্টাই তারা করেন না। এই গল্পে সবচেয়ে অসহায় এবং একইসাথে সাহসী চরিত্র হলো 'শানায়া'। আল্লাহ তাকে প্রতিটা পদক্ষেপে পরীক্ষা করেছে। আমার দৃষ্টিতে সে সফল হয়েছে। এই গল্পে সবচেয়ে স্পষ্ট চরিত্র হচ্ছে 'রাহা'। সে জানে সে কি করছে। কোথায় কতটুকু ছাড় দিতে হবে এবং কোথায় তাকে আঁকড়ে ধরতে হবে। 'শাবাব' মানুষটার জন্য আমার প্রথমে বিরক্তি থাকলেও পরে খুব মায়া হয়েছে। সে চাইলেও অনেক কিছুই তার পক্ষে করা সম্ভব ছিলো না। একটা দিক তাকে ছেড়ে দিতেই হতো। 'অসীম' নামের মতোই আত্মাটাও অসীম। বুনো হরিণের পাগলামী থামানোর উপায় তার জানা আছে। অলীক অক্টোবরের সবচেয়ে বোকা চরিত্র হচ্ছে 'ইয়াসির'। সে নিজেকে খুবই চালাক ভাবে এবং মনে করে সব কিছু তার প্ল্যান মতো হচ্ছে। কিন্তু সে বুঝতে পারে না পরিস্থিতি কখনো তার নাগালে ছিলোই না। অনেক চেষ্টা করেছে শাবাব শানায়াকে আলাদা করতে এবং শানায়াকে নিজের করে নিতে কিন্তু কিছুই সে করতে পারেনি। এই গল্পটাকে সুন্দর করতে উপরের চরিত্র গুলো ছাড়াও রাতুলের মতো একটা লক্ষিসোনা ছিলো। শাবাব এবং রাতুলের বন্ধুত্ব ছিলো অন্যরকম সুন্দর। শানায়ার বাবা, যিনি দুই মেয়ের অনেক বড় একটা ঢাল। নিজের জীবনটা একা কাটিয়ে দিলেন শুধুই মেয়েদের কথা ভেবে। এই মানুষগুলো ছাড়াও ছিলো প্রকৃতির অপার্থিব সৌন্দর্য। আ্যলবাকার্কি, নিউ মেক্সিকো প্রদেশের বৃহত্তম শহরের বর্নণা উঠে এসেছে। এই প্রদেশের জন্ম থেকে শুরু করে এখানকার কালচার, জীবন যাপন, একই সাথে টুরিস্ট স্পট স্যান্ডিয়ার বর্নণা খুব সুন্দরভাবে লেখিকা তুলে ধরেছেন। গল্পের চরিত্রগুলোকে যেন আরো সুন্দর করেছে এই প্রকৃতিক সৌন্দর্য। অক্টোবর মাসের শুরু থেকে শেষের সময়টাকে কেন্দ্র করেই আমরা পেয়েছি 'অলীক অক্টোবর'। 'অলীক অক্টোবর' বইটাতে প্রেম, ভালোবাসা, বিচ্ছেদ, বিরহ, পুর্ণতা সবকিছু আছে। সবকিছুর মিশেল যেন বইটা। পাঠক কিছু জায়গায় কষ্ট পাবেন, আবার কিছু জায়গায় হয়তো রাগও হবেন। তবে আমার দৃষ্টিতে তারা যে কারণটায় রাগ হবেন সেই পদক্ষেপটা সবাই নিতে পারে না। অলীক অক্টোবর উৎসর্গ করা হয়েছে, যে মানুষটার দীর্ঘ অক্ষিপল্লব লেখিকাকে মুগ্ধ করে অহর্নিশ। মানুষটা কে সেটা লেখিকা যেহেতু নাম প্রকাশ করেন নি, আমরা তার কাছে জানতে চাইলাম না। বইটা প্রকাশিত হয়েছে 'আজব প্রকাশ' থেকে। তাদের কাজ বরাবরই ভালো, তবে এই বইটা মনে হয়েছে একটু বেশিই ভালো হয়েছে। বাইন্ডিং, পৃষ্ঠা কোয়ালিটি, ফন্ট সাইজ সবকিছু যেন একটা ভিন্টেজ ভাইব দিয়েছে। বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন আশরাফুল ইসলাম ভাইয়া। প্রচ্ছদটা যেমন রঙিন হয়েছে তেমনি গল্পের একটা মুহুর্তকে যেন থামিয়ে দিয়েছে। যারা বইটা পড়বে তারা মেলাতে পারবে। হ্যাপি রিডিং 🫶"

880****521

880****521 , Jul 12, 2026

★ ★ ★ ★ ★

"অলীক অক্টোবর পাঠ প্রতিক্রিয়া আফরিন ‎ ‎অলীক অক্টোবর শেষ করলাম। আশ্চর্য রকম নিস্তব্ধতায় ছেয়ে গেছে চারপাশ। ঠিক যেমন ঝড়ের পর শান্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ তেমন। খুব কম বই আছে যেগুলো আমার মনে দাগ কেটে যায়। অলীক অক্টোবর তন্মধ্যে একটা। বইটি আমার মনে আজীবন গেঁথে থাকবে। ওয়াসিকা আপুকে ধন্যবাদ এত চমৎকার একটা বই আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য। উপন্যাসটির সবচেয়ে ইউনিক আর পছন্দের অংশ শাবাব শানায়ার চোখে চোখ পড়ার মূহুর্ত। শাবাবের কেমন লেগেছিল সেই মুহূর্তে সেটার বর্ণনা। আমার মনটাও থমকে গেছিলো তখন। বইয়ের শব্দের মাঝে হারিয়ে যাচ্ছিলাম এমন একটা অনুভূতি হচ্ছিলো। আরেকটা বিষয় ইউনিক সেটা হলো মনের দোলাচলের সাথে প্রকৃতির মেলবন্ধন।বৈরী আবহাওয়ার সাথে মনের বিরহ আবার টাকিলা সানরাইজের মতো দুপুরের সাথে সুন্দর সময় কাটানো। আমি মুগ্ধ না হয়ে পারিনা।এত সুন্দর সুন্দর উপমা আপু ব্যবহার করেছেন যা আমার মন এতদিন খুঁজতো কিন্তু উপমা দেওয়ার মতো শব্দ আমার কাছে ছিল না। কিন্তু এখন আছে। ‎আপু বলেছিলেন "অক্টোবর একটা মেটাফোর।" এই একটি কথার গভীরতা আমি সত্যিকার অর্থে উপলব্ধি করেছি অলীক অক্টোবর পড়ার পর। অক্টোবর শুধু ক্যালেন্ডারের একটি মাস নয়; এটি হতে পারে কারও জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ, কোনো না-ভোলা মুহূর্ত, কিংবা এমন একটি অনুভূতি, যা সময় পেরিয়ে গেলেও হৃদয়ের ভেতর নিঃশব্দে বেঁচে থাকে। ‎ ‎চরিত্র বিশ্লেষণ : ‎ ‎শানায়া উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র। ত্রিশোর্ধ একজন নারী। কোনো একভাবে আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র শাবাবের সাথে বিয়ে হয়। এরপর কাহিনী আস্তে আস্তে এগোতে থাকে। পঙ্গু মানুষদের জীবনযাত্রা অনেক কঠিন। উপন্যাসের কিছু জায়গায় শানায়ার পা না থাকার কষ্ট আমি নিজেও উপলব্ধি করেছি। অন্যদিকে নিজের কষ্ট হবে জেনেও এমন অনেক সিদ্ধান্ত শানায়া নিয়েছে যার জন্য শানায়ার উপর শ্রদ্ধাশীল হতে মন চায়। শানায়ার আরেকটা চমৎকার বৈশিষ্ট্য হলো সে অসহায় পঙ্গু মানুষ হয়েও কারো ওপর চেপে বসতে চায়নি। নিজের স্বাধীন ভাবে স্ট্রাগল করে জীবন যাপন করতে চেয়েছে। ( শাবাব যখন শানায়কে বাংলাদেশে নিতে চেয়েছে তখন পঙ্গুদের জন্য আমাদের দেশ কত আনসেফ সেটা দেখতে পেয়েছি। বাইরের দেশে এমন মানুষদের জন্য সুযোগ সুবিধা থাকলেও আমাদের দেশে তার ছিটেফোঁটা নেই। লেখক চোখে আঙুল দিয়ে আমাদের দায়িত্বহীনতা দেখিয়ে দিয়েছেন।) ‎ ‎শাবাব এই চরিত্রের আমি মুগ্ধ। এত ব্যক্তিত্ববান একটা ছেলের উপর মুগ্ধ না হয়ে থাকা যায় না। আমাদের একটা সহজাত প্রবৃত্তি আছে। যে কোন কিছুর সুযোগ পেলে আমরা লুফে নিই। শাবাব এদিক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। গ্রীন কার্ডের মতো সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও যে ছেলে হাত ছাড়া করে সে তো মহাপুরুষ ( আমার কাছে মনে হয়েছে)। আত্মমর্যাদা ক্ষুন্ন হবে এমন কিছু সে করেনি। শেষপর্যন্ত এই ছেলেটা তাঁর আদর্শেই থেকেছে। আমার পক্ষ থেকে শাবাবকে একটা স্যালুট। ‎ ‎ইয়াসীর পুরোই শয়তানি একটা চরিত্র। সবকিছু পন্ড করার পেছনে এর হাত আছে। এই চরিত্র টা আমার সবচেয়ে অপছন্দের। মানুষের মতো সব বৈশিষ্ট্য আছে তবে ইয়াসীর মানুষরূপী অমানুষ। আরেকটা জিনিস ইয়াসীর ভালো ভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে টাকা থাকলে সব সম্ভব। টাকা থাকলেই আপনার যা মন চাই করতে পারবেন। ‎ ‎রাহা প্রথম দিকে আমি খুবই বিরক্ত হতাম। উটকো ঝামেলা মনে হতো এই চরিত্রটাকে। এরপর আস্তে ধীরে রাহাকে ভালোবাসতে শুরু করলাম। রাহা'র কষ্টে আমার বুক পুড়তে লাগলো। মনে হতো দম আটকে আসছে। ভালোবাসার মানুষ হারানোর ভয় কি যন্ত্রণাদায়ক রাহা'কে পড়ে বুঝেছি। ‎ অসীম প্রচন্ড দুর্বোধ্য একটা চরিত্র। আমি প্রথমে বুঝতেই পারিনি তলে তলে এত ছুপা রুস্তম। সবচেয়ে বড় কথা এমন প্রখর বুদ্ধিসম্পন্ন ভালো মানুষ আশেপাশে খুব কম পাওয়া যায়। যাকে বিপদে হাত বাড়ালেই পাশে পাওয়া যায়। ‎ ‎আরও চরিত্র আছে তবে আমি শুধু মূল চরিত্র নিয়ে বললাম। পুরো উপন্যাসের চরিত্র আর ঘটনা গুলো পড়ে মনে হলো এসব তো আমাদের আশেপাশে ‎ঘটে চলা ঘটনা। অনুভূতির রোলার কোস্টারে খাবি খেতে খেতে শেষ করেছি। বইটার শেষটা আমাকে হতাশ করেনি। মনে হয়েছে এমনটা তো হওয়ারই ছিল। ‎অক্টোবরের সুন্দর প্রকৃতির সাথে নিউ মেক্সিকো, আ্যলবাকার্কি এর সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। স্যান্ডিয়া পাহাড়ের চূড়া না দেখে ও লেখকের লেখনশৈলী দিয়ে আমি পৌঁছে গেছি সেখানে। বই: অলীক অক্টোবর লেখক: ওয়াসিকা নুযহাত প্রচ্ছদ: আশরাফুল ইসলাম নামলিপি: জয় শাহরিয়ার জনরা: সমকালীন উপন্যাস প্রকাশনী: আজব প্রকাশ"

Firuz Masuda

Firuz Masuda , Jul 8, 2026

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"আসসালামু আলাইকুম। ওয়াসিকা নুজহাতের আমার প্রথম কেনা বই ছিল "অক্টোবর রেইন", ২০২৩ সালের বইমেলা থেকে। বইটি আমার ভালো লেগেছিল, তাই এর দ্বিতীয় পর্বও কিনেছিলাম। সেই আগ্রহ থেকেই "অলীক অক্টোবর"-ও সংগ্রহ করি। তবে ব্যক্তিগতভাবে এই উপন্যাসটি আমার ভালো লাগেনি। আমার কাছে প্লটটি বেশ দুর্বল মনে হয়েছে। শুধু সুন্দর দেখতে বলেই একে অপরের প্রেমে পড়ে যাওয়াটা খুব একটা গ্রহণযোগ্য লাগেনি। এছাড়া হিন্দু–মুসলিম বিয়েকে খুব স্বাভাবিক ও ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও মূল্যবোধের সঙ্গে মেলে না। প্রত্যেকেরই নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গি আছে, তাই আমার দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি স্বস্তিদায়ক লাগেনি। এছাড়া বইটিতে ড্রিংকস (মদ্যপান) বিষয়টিকেও বেশ স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশীয় সংস্কৃতি এবং আমার ধর্মীয় বিশ্বাসের আলোকে বিষয়টি আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। তাই গল্পের এই দিকটির সঙ্গেও আমি নিজেকে সংযুক্ত করতে পারিনি। আমার মনে হয়, বইয়ের শুরুতেই যদি উল্লেখ থাকত যে এতে আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ক, মদ্যপানের মতো বিষয় রয়েছে, তাহলে পাঠক আগে থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে পারতেন। বিশেষ করে যাঁরা ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত মূল্যবোধের কারণে এসব বিষয় এড়িয়ে চলতে চান, তাঁদের জন্য এমন একটি সংক্ষিপ্ত কনটেন্ট নোট বা ট্রিগার/রিডার নোট খুবই সহায়ক হতো। এতে পাঠকের নিজের পছন্দ ও মূল্যবোধ অনুযায়ী বইটি বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকত। একজন লেখক সমাজে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর লেখনী শুধু বিনোদনই দেয় না, পাঠকের চিন্তা, অনুভূতি ও দৃষ্টিভঙ্গিকেও প্রভাবিত করে। তাই বইয়ের শুরুতে একটি সংক্ষিপ্ত কনটেন্ট নোট বা রিডার নোট থাকলে পাঠক নিজের বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে বইটি তাঁর জন্য উপযুক্ত কি না। আমার কাছে এটি লেখকের দায়িত্বশীলতারই একটি অংশ বলে মনে হয়।"

Dilruba

Dilruba , Jul 6, 2026

★ ★ ★ ★ ★

"উপন্যাসটি তার নামের মতোই। পড়ে অনেক কিছু ফিল উপলব্ধি করতে পেরেছি জীবন সম্পর্কে । মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের মধ্যে সমকালীনের মধ্যে এইটা একটা বেস্ট ওয়ান আমার কাছে 🫶"

Salma Sajmin

Salma Sajmin , Jul 6, 2026

★ ★ ★ ★ ★

"মন ফ্রেশ করার মতো কিছু বই পড়তে চাচ্ছিলাম কদিন ধরে। অক্টোবর রেইন পড়েছিলাম বছর দুয়েক আগে। চমৎকার লেগেছিল পড়ে। সেই তাড়না থেকে এটাও পড়া শুরু করি। অবশেষে শেষ করলাম পড়ে। ভীষন ভালো লাগলো। অক্টোবর কখনো মলিন হয় না, নতুনকরে কিভাবে বাঁচা যায়, নতুনভাবে জীবনকে রাঙিয়ে রাখা যায় ; দারুণ কিছু মেটাফোর তুলে ধরা হয়েছে বইটাতে। বাস্তবতার মিশেলে চমৎকার চিন্তা ভাবনা। পড়া শেষে চিন্তার খোরাক জোগায়।"

880****404

880****404 , Jul 3, 2026

★ ★ ★ ★ ★

"অলীক অক্টোবর পাঠপ্রতিক্রিয়া মারিয়া ইসলাম অক্টোবরের অলীক এক জগত! গল্পের শুরুটা একটা ধাক্কা দিয়ে যায়। শানায়া, ৩৩ বছরের এক নারী, শাবাব পঁচিশ বছরের এক টগবগে যুবক, জীবনের চলতি পথে দুজনের পথ হঠাৎ একই সুতোয় বাঁধা পড়ে যায়। নিতান্তই নিজেদের মতের বিরুদ্ধে, পরিস্থিতির চাপে পড়ে। উপন্যাসটা কেমন যেন অদ্ভুত। অদ্ভুত কিন্তু আশ্চর্য সুন্দর। লিখতে গিয়ে যেন আরো একবার আমি সেই সৌন্দর্যে অবগাহন করছি। লিখতে লিখতে মন কেমন করছে। জানি না গুছিয়ে লিখতে পারব কি না। শানায়া মেয়েটা বয়সের তুলনায় আরো বেশি রাশভারী। শাবাব প্রাণবন্ত যুবক। অসম্ভব সুদর্শন, ভালো ছাত্র, সাধারণ মানসিকতার একজন, যে কিনা ত্রিশোর্ধ, পর্দার ভেতরে নিজেকে লুকিয়ে রাখা গুটিয়ে রাখা, ব্যাকওয়ার্ড শানায়াকে একেবারেই ডিজার্ভ করে না। বিয়ের পর শাবাব শানায়ার চেহারা পর্যন্ত দেখতে পায় না, আর এখানেই গল্পটা আমার মতে জমে ক্ষীর হয়ে যায়। এই অভিনব, ইউনিক ব্যাপারটা ওয়াসিকা নুযহাতের লেখনি ছাড়া অন্য কোথাও এত অসাধারণ ভাবে ফুটে উঠত না। আমি কোথাও এমনটা পড়িনি আগে। জীবনে এত উপন্যাস পড়েছি এ যাবত কাল কিন্তু এমন অসাধারণ, ভিন্নধর্মী কেমিস্ট্রি আর একটাও পড়েছি বলে মনে পড়ে না। সবচেয়ে বড় কথা লেখক এই অসম সম্পর্কটার গতিবিধি বাস্তবতার আলোকে এত বাস্তবিক ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, প্রতি মূহুর্তে আপনার মনে হবে কারো জীবন থেকে নেয়া গল্প পড়ছেন। মনে হবে এ কাহিনি চোখের সামনে জীবন্ত। ওয়াসিকা নুযহাত এর লেখা বরাবরই আমার প্রিয় তালিকায় আছে তার অসাধারণ সুন্দর বাচনভঙ্গি, প্রাকৃতিক নৈসর্গিক বর্ণনা, চরিত্রের মানসিক অবস্থান বর্ণনা করার অসাধারণ লেখনীর কারণে। অক্টোবর নিয়ে তার এর আগেও বই আছে। অক্টোবরকে লেখক দেখেন অন্যরকম দৃষ্টিতে যার কারনে অক্টোবরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তার চোখে ধরা দেয় এবং তা তার লেখার মাধ্যমে পাঠকের চোখ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এ উপন্যাসেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। অক্টোবরের সৌন্দর্য আমি লেখকের লেখার মাধ্যমে দেখতে পাই। পুরো গল্প জুড়ে কী সুন্দর প্রতিটা অনুভুতির উপাদান যেনো মেপে মেপে দেয়া না কোথাও অতিরঞ্জিত না কোথাও কম। সুন্দর সাবলীল ভাষাও যে দারুন রোমাঞ্চকর অনুভূতির প্রকাশ করা যায় এই উপন্যাস তারই উদাহরণ। রোমান্টিকতা ফুটিয়ে তোলার জন্য এখানে নেই কোনো রগরগে লাইন সবটাই কী স্নিগ্ধ এবং সুন্দর আর সাবলীল। শানায়া :- গল্পের প্রধান চরিত্র। অক্টোবর তার কাছে বছরের সবচেয়ে সুন্দরতম মাস। প্রকৃতি যেভাবে শীত আশার আগেই অক্টোবরে নিজেকে আরো একবার সাজিয়ে নেয় শানায়াও সেই চিন্তাধারায় বিশ্বাসী। জীবনের শেষ পর্যায়ে এসেও সবকিছু শেষ হয়ে যাবার আগেই আরেকবার বেঁচে ওঠা যায়, আরেকবার সবকিছু সুন্দর করে সাজিয়ে নেয়া যায়। হৃদয়ের আলোয় আলোকিত এই অসাধারণ মেয়েটি গল্পে আমার অন্যতম প্রিয় চরিত্র। কিছু মানুষ থাকে না জীবন যাদের নিয়ে পুতুল পুতুল খেলতে পছন্দ করে। জীবনভর অন্যের সিদ্ধান্তকে নিজের জীবনে বয়ে বেড়ায় মুখ বুঁজে। আমাদের পুতুলকন্যাটিকে নিষ্ঠুর পৃথিবী সেই কাতারে ফেলেছে। শাবাব :- গল্পের প্রধান চরিত্র। বাবা অথর্ব হবার কারণে চাচার আশ্রয়ে বেড়ে ওঠা। চাচার পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটা তাকে নিতে হয়, একরকম পরিস্থিতির চাপে পড়েই। চাচাতো ভাই ইয়াসিরের মন রক্ষার্থে, শানায়াকে স্বল্প দিনের জন্য বিয়ে করতে হয়। ইয়াসির, শানায়ার চেয়ে শাবাব কম বয়সী, কিন্তু উপন্যাসে এই চরিত্রের স্পষ্টবাদিতা, দৃঢ়তা দেখে মুগ্ধ হতে হয়। পারিবারিক টানাপোড়েন, আর্থিক সংকটের চাপে থাকা সত্বেও একজন যুবক কী করে নিজের আত্মসম্মান, শেকড় এবং কঠোর ব্যক্তিত্বকে ধরে রাখতে পারে তা শাবাবকে দেখে শিখতে হয়। সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে ওর দেশপ্রেম । দেশের প্রতি অটল দায়বদ্ধতা দেখে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসে আপনাআপনি। রাহা :- শানায়ার ছোটবোন। গল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। ছোট বয়সে অনেক কিছু সামলানোর এর অলৌকিক ক্ষমতাধর কণ্যা। রাহার সাথে আমাদের রিলেট করার অনেক বিষয় আছে। আমাদের পরিবারে ভাইবোনের মধ্যে কেউ কেউ থাকে না যে বরাবরই ভেবে আসে সবাই বুঝি আমাকে কম ভালোবাসেন, আমার কথা কম ভাবেন সেই কষ্টটা রাহার সাথে আরো অনেকে রিলেট করতে পারবে। প্রথমদিকে আমার রাহাকে অসহ্য লাগলেও ধীরে ধীরে এই মেয়েটি আমার গল্পের প্রিয় চরিত্রের একজন হয়ে উঠেছে। প্রথমদিকের ভুল মেয়েটা কি দারুনভাবেই না সংশোধন করে নিজের জীবনের সুখ খুঁজে পেয়েছে। অসীম :- চশমা চোখের এই মানুষটা আমাদের বন্ধুত্বের শিক্ষা দেয়। একজন বন্ধু যে সকল পরিস্থিতিতেই বন্ধুর হাত ছেড়ে দেয় না এ দিকটা এই নিতান্তই ভালোমানুষটার আমার সবচেয়ে পছন্দের কারন। কিছু মানুষ থাকে তারা কখনোই অন্যের মন্দ চায় না, সকলের পাশে থাকে অসীম তাদের কাতারে। ভালো থাকুক অসীমরা। ইয়াসির :- বলতে গেলে আমাদের গল্পের ভিলেন চরিত্র। তরুণীদের ক্রাশ প্লেবয় হ্যান্ডশাম মানুষ। পুরো উপন্যাস জুড়েই সবকিছু অর্থবিত্ত দিয়ে মানুষকে কন্ট্রোল করার মানসিকতা দেখা যায়৷ শাবাবকে সে প্রথম থেকেই নিজের কথার জালে ফাঁসিয়ে প্রভাবিত করে এসেছে। শেষ পর্যন্ত তা টিকিয়ে রাখার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিতেও পিছপা হয় নি। পরিবারের মধ্যমনি হওয়ার দরুন নিজের কথায় সবাইকে প্রভাবিত করে এসেছে ইয়াসির। শেষ পর্যন্ত তার মনোবাসনা কি পূরণ হলো কি না জানতে হলে অবশ্যই বইটা পড়তে হবে। গল্পের অন্যান্য চরিত্ররাও তাদের অবস্থান থেকে গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। তাদেন পড়তেও ভালো লেগেছে। বিশেষ করে বাবাজান। স্ত্রী কে হারিয়ে দুই কন্যাকে নিয়ে লড়াই করে বেঁচে থাকা মানুষটার জন্য শ্রদ্ধা আসে। সংস্কারের মধ্যে সন্তানদের বড়ো করা, আগলে রাখার জন্য পছন্দের চরিত্র। প্রিয় লাইন :- * তুমি এসে মিশে যাও প্রতিটি শ্বাস প্রশ্বাসে, যেভাবে পৃথিবীর হৃৎপিণ্ডে অক্টোবর আসে! * মানুষের জীবনে সামর্থ্যের সাথে সীমাবদ্ধতা সবসময় অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়ানো। * সৃষ্টিকর্তার লীলাখেলা আসলে বিবেক বা যুক্তি দিয়ে নয়, মন দিয়ে অনুধাবন করতে হয়। * জীবনের বেশিরভাগ সময় আমরা অন্যকে উদ্ভাবন করার নেশায় মত্ত থাকি, এই পর-উদ্ভাবনের দুর্দম্য নেশায় বুঁদ হয়ে নিজের দিকে চোখ তুলে তাকানোর সময় পাই না। কত মানুষ নিজেকে না চিনেই জীবনাবসান করে। তারা ভাবে আমি এরকম ছিলাম, ওরকম ছিলাম... কিন্তু আদতে সে কীরকম ছিল সেই সত্যটা এক অমীমাংসিত রহস্য হয়েই রয়ে যায়। * মানুষের যৌবন এককালীন, প্রকৃতির যৌবন পৌনঃপুনিক। ব্যাক্তিগত রেটিং :- ৮.৫/১০। বই : অলীক অক্টোবর । লেখক : ওয়াসিকা নুযহাত। ধরন : সমকালীন উপন্যাস। মূল্য : ১২০০ টাকা। পৃষ্ঠা সংখ্যা :- ৫৩৬। প্রচ্ছদ : আশরাফুল ইসলাম। নামলিপি : জয় শাহরিয়ার। প্রকাশনি :- আজব প্রকাশ।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"অলীক অক্টোবর" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
অলীক অক্টোবর পাতা: 1 / 1
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।