১ম প্রকাশ, ২০২০
অলাতচক্র
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | অলাতচক্র |
| Author | এশরার লতিফ |
| Publisher | পেন্সিল পাবলিকেশনস |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২০ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 128 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.29 Kg |
| ISBN | 9789849385059 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
24 Ratings and 20 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২০টি
Leeon Haque , Feb 28, 2025
""অলাতচক্র" আমাকে ভাবিয়েছে, কল্পনার জগতে হারিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। এটি এমন একটি বই, যা শেষ করার পরও পাঠকের মন থেকে যায় তার গভীর প্রতিচ্ছবির মধ্যে। যারা দার্শনিক ও বিমূর্ত সাহিত্য ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি অবশ্যপাঠ্য। এই বইটি পড়ার পর মনে হয়, আমরা কেবল একটি গল্প নয়, বরং অস্তিত্বের গভীরে লুকিয়ে থাকা এক অনির্দেশ্য যাত্রার সঙ্গী হয়েছি।"
জামান , Aug 22, 2023
"মাঝারি মানের বই। হাঁকডাকই বেশি মনে হলো। গল্পের মধ্যে ইনফরমেশন দিয়ে ভর্তি। এত পণ্ডিতি ফলানো কি খুব দরকার ছিল?"
Sarah Taifique , Nov 2, 2022
"#পাঠ_প্রতিক্রিয়া: "অলাতচক্র" লেখক: এশরার লতিফ কলমে: সারাহ্ নারী মানে অগ্নি, নারী মানে স্ফুলিঙ্গ নারী মানেই সর্বেসর্বা নারীই জীবনের গর্ব......।। (sarah) নারী আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। অথচ সেই নারীকেই সারাদিনের উদয়াস্থ কাজের শেষে দেওয়া হয় অবহেলাপূর্ণ মনোভাব। সম্প্রতি পড়ে শেষ করলাম এশরার লতিফ ভাইয়ের "অলাতচক্র" বইটি। বইটির ব্যাপারে যেটা সবচেয়ে আকর্ষণীয় লেগেছে সেটি হল, সমস্ত মূল চরিত্রগুলোতে নারীদেরকেই রাখা হয়েছে এবং সমাজে তাদের কন্ট্রিবিউশনটা ভালো ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। #পাঠ_প্রতিক্রিয়া রাজধানী ঢাকার বুকে একটি জমজমাট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হঠাৎই বিশিষ্ট সমাজসেবকের কাটা মুন্ডু আবিস্কৃত হয়। গোয়েন্দা বিভাগের ইন্সপেকটার লাবনী এবং ফরেনসিকের অনীলা দুজনে মিলে কেসটির দেখাশোনার ভার নেয়। এদের দুজনের রহস্য বিশ্লেষণ ভঙ্গিটি ছিল অনেকটাই বাস্তব সম্মত। আর এদেরকে সাহায্য করেছিলেন যারা (তন্বী, চন্দ্রিমা এবং ক্রোমেলা) তাদের ভূমিকাও ছিল অতুলনীয়। একটি হাই প্রোফাইলের কাটা মুন্ডু আবিস্কার এবং সেটি তদন্ত করতে গিয়ে যে আরো কত ধরনের মানুষের সঙ্গে উঠাবসা করতে হয়েছে লাবনীকে তার হিসেব নেই। তবে লাবনী ইন্সপেকটার হিসেবে একটু বেশিই নরম মনের ছিল। তাই অনেকের উদ্ভট ব্যবহারকে ভদ্রভাবে সহ্য করে গেছেন। গল্পটির মেইন টুইষ্ট ছিল যাকে প্রথমে আপনার মূল অপরাধী বলে মনে হবে, আদতে সে তো নয়ই বরং এতোই জটিল ছিল এর শাখাপ্রশাখা আর বিশ্লেষণ যে রীতিমতো আপনি চমকে যাবেন। ইতিহাস আর বাস্তবের মিশেলে রচিত হয়েছে এর উপসংহার। #শিক্ষনীয়: - সমাজে একশ্রেনীর মানুষ থাকে যারা নারীদেরকে ছোট করার জন্য উঠেপড়ে লাগে। বইটিতে ওসি চরিত্রটিকে তেমনই লেগেছে। অধস্তনের উপর যথেষ্ট আস্থা ছিলনা তিনি নারী হওয়ায় কিন্তু নিজের স্ত্রীর সিরিয়ালের বুদ্ধির উপর ঠিকই ছিল। - তবে কিছু কিছু নারী সত্যিই ভয়ংকর। এডভোকেট রীনা দাস তার জ্বলন্ত প্রমান। নিজের সুবিধার্থে যখন যাকে যেভাবে পেরেছে সিডিউস করে গেছে, তা সে সতীসাবিত্রী বউয়ের চরিত্রে হোক কিংবা ঐতিহাসিক কোন চরিত্র। - অন্যদিকে বিশিষ্ট গবেষক ও প্রফেসর আসাফ সাহেবের ভেতরে ছিল দ্বৈতসত্বার অস্তিত্ব, তার উপর তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার আধার। এ ধরনের ব্যক্তিদের শেষ পর্যন্ত মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলার যথেষ্ট কারণ থাকে। তাই সাবধানে এদের সঙ্গে না মিশলে হিতে বিপরীত হয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। - কথায় বলে লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। কথাটির মর্ম যদি সত্যি সবাই বুঝত তাহলে হয়ত আকবর সাহেবের এমন করূন পরিনতি হতনা। অন্যদিকে চূড়ান্ত বড়লোকেদের স্ত্রীদের ধারণা তারা বিদেশে স্বামীর টাকায় আয়েশ করে জীবন কাটাবে আর স্বামী দরবেশের ন্যয় একা একা জীবনযাপন করবে। তাতো হবার নয়। ফলাফল দাম্পত্য কলহ এবং তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ। যেটি ঘটেছিল নুরজাহান বেগমের সঙ্গে। - উপরন্তু রাতারাতি ফেমাস হতে চাওয়া ভাস্করের ছলচাতুরি ইন্সপেকটার লাবনী ধরে ফেলায় দারুণ শিক্ষা হয়েছে। একদিনে কখনোই নাম করা যায় না। একনিষ্ঠ পরিশ্রমের ফসলই হতে পারে মানুষের আকাশ ছোঁয়া সফলতার অংশবিশেষ। এছাড়াও বাকি যেসব চরিত্র ছিল, সবগুলো মিলে জমজমাট রহস্যে ভরা গল্প ছিল এটি। সবশেষে বলবো, চিরাচরিত ডিটেকটিভ স্টোরির একাই একশো মানষিকতার বই ছিলোনা এটি। বরং বইটি পড়তে গিয়ে টিমওয়ার্কের বিশাল ভূমিকা পেয়েছি এবং কেমন যেন সনি টিভির "সিআইডি" সিরিজের মতোন লেগেছিল। "সিআইডি" আমার প্রিয় টিভি সিরিজ ছিল যা এখন আর সম্প্রচারিত হয়না। কলমে: সারাহ্ তৌফিক অক্সফোর্ড, ইংল্যাণ্ড থেকে সেপ্টেম্বর, 2022"
Manna Chakraborty , Mar 26, 2022
"Good"
MD. TUHIN ALAM , Mar 3, 2022
"#বইয়ের_নাম:_অলাতচক্র #লেখক:_এশরার_লতিফ পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে মঙ্গল পান্ডের মুর্তি উন্মোচন অনুষ্ঠান স্থল হতে মূর্তি গায়েব। এবং একটি কাটা মাথা অবিষ্কার। জাতীয় জাদুঘর থেকে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার তলোয়ার চুরি। এই ভয়ংঙ্কার খুনিকে খুজে বের করার সাথে সাথে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার চুরি হওয়া তলোয়ার উদ্ধারের দায়িত্ব পড়ে গয়েন্দা বিভাগের ইন্সপেক্টর লাবণির কাঁধে। অনেক দৌড় ঝাপ অনেক বাধা বিপত্তির পর ইন্সপেক্টর লাবণি ও তার চার বান্ধবি;মিলে কেস গুলোর সমাধান করতে সক্ষম হন। খুবই চমৎকার বই । গোয়েন্দাগীরিতে আধুনিক বিজ্ঞানের অসাধারণ ব্যবহার।"
Rafia Shams , Feb 6, 2022
"অসাধারণ!"
শোয়েব হোসেন , Oct 24, 2021
"কমেডি-মিস্ট্রি ফিকশন ঘরানার বই। খানিকটা শিশুতোষও বলা যেতে পারে। বইয়ের শুরুতেই যেটা খেয়াল করবেন সেটা হলো দারুণ লেখার ভঙ্গি। এছাড়া আছে একাধিক স্ট্রং ক্যারেক্টার। তাছাড়া বইয়ের মাঝে ঐতিহাসিক তথ্যের মিশ্রণটুকু রিডিং এক্সপেরিয়েন্সকে করেছে আরও বেটার। সমস্যা হলো এই বই পচিশ বছর আগে পড়লে হয়তো ভালো লাগতো, কিন্তু এতোদিনে এতো অসাধারণ সব পুলিশ প্রসিডিওরাল মার্ডার মিস্ট্রি পড়া হয়েছে যে এটা ঠিক হজম হলো না। i. এখানে আমাদের গোয়েন্দা প্রবর ক্রাইম সিন উইটনেসদের কোন ইন্টারভিউ নেন না। এমনকি দুইদিন পর উইটনেস নিজে থেকে এলেও তাকে বলেন আমি ব্যস্ত আছি, আরেকদিন আসেন। ii. ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের মনেহয় নিজস্ব কোন টেক সাপোর্ট ডিভিশন নেই। কারণ আমাদের ইন্সপেক্টর মহাশয় ক্রমাগত সিভিলিয়ানদের যুক্ত করে যাচ্ছিলেন, তাও আবার দেশে হৈচৈ ফেলে দেয়া এক মার্ডার কেসে। আন্ডারকাভার মিশনে পাঠাচ্ছেন সিভিলিয়ানদের, জাদুঘরের সার্ভার হ্যাক করাচ্ছেন সিভিলিয়ান দিয়ে, ফেস রিকগনিশনে ব্যাবহার করছেন সিভিলিয়ানদের তৈরি সফটওয়্যার। জিনিসগুলো গল্পের প্রয়োজনে এলে অড লাগতো না, কিন্তু এখানে পুরোটাই আরোপিত মনে হচ্ছিল। যেমন: আসাফ উদ দৌলাকে যেহেতু ক্রাইম সিনে দেখা গেছে তাকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হয়। সাংবাদিক চরিত্র দুটোর দরকার কি? iii. কেসের গুরুত্বপূর্ণ এভিডেন্স খুঁজে পাওয়া গেলো তিন নেতার মাজারে। সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ফোন দিয়ে গোয়েন্দা সাহেবকে জানানর পর তিনি উল্টো প্রশ্ন করছেন আমি কি আসবো? যদিও কেসটা তার। তিনি কি অফিসে বসেই কেস সমাধানের আশা করছিলেন কিনা জনি না। iv. শেষ দৃশ্যটা পড়ে আমার অ্যাভেঞ্জারস এন্ডগেম এর 'she's got help' দৃশ্যের কথা মনে পড়ে গেছে। v. প্রথমে লাবনী অনীলাকে তুই করে সম্বোধন করছিল এবং অনীলা লাবনীকে আপনি করে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই সেটা হয়ে যায় - তুমি/আপনি যখন যেমন সুবিধা। (মেজর কোন ইস্যু না।)"
Taohida Kabir , Oct 20, 2021
"amazing"
Minhaz Efat , Aug 12, 2021
"বইঃ অলাতচক্র লেখকঃ এশরার লতিফ প্রচ্ছদঃ এশরার লতিফ প্রকাশনাঃ পেন্সিল পাবলিকেশন্স প্রকাশকালঃ ২০২০ মুদ্রিত মূল্যঃ ২৯৬ বাহাদুর শাহ পার্কে বিদ্রোহের সূচনাকারী মঙ্গল পাণ্ডের মূর্তি উম্মোচনের দিন ঘটে গেলো এক রোমহর্ষক ঘটনা! সেই ঘটনার সূত্র ধরে বেড়িয়ে এল আরও চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য এবং সব সমীকরণ। এর ভেতর হঠাৎ করে ঢাকার জাদুঘর থেকে খোয়া গেল এক মহামূল্যবান সম্পদ। শহর জুড়ে আবার ভয়ংকর সব চরিত্রের আনাগোনা আর ভয়াল নৃশংসতা। একের পর এক অপরাধের কিনারা কি করতে পারবে ইন্সপেক্টর লাবণী? পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ "অলাতচক্র", যার অর্থ অগ্নিবলয়৷ অলাতচক্র নামটা আসলেই শুরতেই যে কথাটি মাথায় আসে আহমদ ছফার বই নাকি তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এর বইটা? দুজন ই বেশ জনপ্রিয় লেখক। তবে এই অলাতচক্র বইটা অপেক্ষাকৃত নতুন লেখক এশরার লতিফ সাহেবের। ফ্ল্যাপের লেখা থেকে বুঝা যায় যে মঙ্গল পান্ডের মুর্তি উন্মোচনকে কেন্দ্র করে এক অস্বাভাবিক ঘটনার মধ্যে দিয়ে গল্পের সূত্রপাত। যে রহস্য উন্মোচনের পিছে ঘুরতে ঘুরতে বেরিয়ে আসে তাক লাগানো চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু ঘটনা। গল্পের প্রোটাগনিস্ট নারী। এছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র দখল করে রেখেছে নারীরাই৷ লেখকের লেখার ভঙ্গিতে বুঝা যায় লেখক নারী ক্ষমতায়ন কে বেশ ভালো ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তার লেখায়। সমাজের নারী প্রতিবন্ধকতার জট কে সাইডে রেখে লিখেছেন বইটি। নামকরণের ক্ষেত্রেও তাদের ভূমিকা পরিলক্ষিত করবেন গল্পের শেষে যেটা খুব ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার। স্টোরিটেলিং বেশ ভালো সাথে অসাধারণ বাক্যগঠন লেখকের। কবিতায় উনার ভালো দখলও ফুটে উঠেছে মাঝে মাঝে, কয়েকটি ছোট কবিতা জুড়ে দিয়েছেন গল্পের স্বার্থে। ছোট কলেবরের এই বইটি বিরক্তি ছাড়া এক বসায় পড়ে ফেলার মত। গল্পটির আষ্টেপৃষ্টে রয়েছে ইতিহাসের আশ্রয় যার ফলে বেশ কিছু ইনফরমেশন ও পেয়ে যাবেন বইটিতে, ঐতিহাসিক তথ্যের পাশাপাশি বর্তমান বিজ্ঞান বিষয়ক নানা তথ্য ও তুলে ধরেছেন তিনি। ইনফরমেশন গুলো মোটামুটি বিশদভাবে আলোচনা করেছেন। তবে সেই তুলনায় মূল গল্পটা তে বেশ তাড়াহুড়ো পরিলক্ষিত হয়েছে, আরো ডিটেইলে উপস্থাপন করা যেতো দৃশ্যপট গুলো,ঘটনাগুলোতে যারজন্যে সাসপেন্স আর থ্রিলের ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে, আর যার ফলে কিছুটা প্রেডিক্টেবল ও হয়ে গেছে। শেষটাও ছিল তাড়াহুড়োর মধ্যে, ক্লাইমেক্স এ যদিও একের পর এক টুইস্ট দিয়ে অবাক করে দিচ্ছিলো সেই অনুযায়ী গল্পটা আরো অনেক পৃষ্ঠা হয়ত ডিজার্ব করে। এছাড়া বাকিসব ঠিকঠাক ছিলো। মজা পেয়েছি পড়ে, বিরক্তি আসেনি। পরিপূর্ণ না বলা গেলেও বেশ ভালো একটি বই। গল্পের একটা চরিত্র বেশ রহস্যজনক লেগেছে আমার কাছে, অই চরিত্রটা নিয়ে অভিযোগ যখন বাসা বাঁধছিলো তখনই শেষ পৃষ্ঠায় তার আগমনের বার্তা দেন লেখক, তবে তাকে পথে রেখেই শেষ করে দেন গল্পটা, সেই রহস্যময় চরিত্র সম্পর্কে আরো জানার জন্য হলেও এই বইয়ের সিকুয়েল টা পড়তে হবে আমার, আশাকরি পরের বইটিতে বেশ ভালো একটা রোমাঞ্চ অপেক্ষা করছে। বইটির প্রোডাকশন নিয়ে অভিযোগ এর জায়গা নেই, বেশ ভালো বাঁধাই৷ প্রচ্ছদ টা ও সুন্দর। বইটা হাতে নিলে বেশ আরাম পাওয়া যায়, মোটামুটি প্রিমিয়াম প্রোডাকশন ই বলা যায়। বানান ভুল খুব একটা নেই৷"
Rahat Hasan Priyo , Jun 28, 2021
"চমৎকার লেখনি ☕"
rejouana meetil , Jun 15, 2021
"অলাতচক্র একজন লেখক কখন সফল জানেন? যখন তিনি তার লিখনের মাধ্যমে পাঠকের হৃদয়ের তৃষ্ণা মেটাতে পারেন। পাঠকের কল্পনার জগতে তার সৃষ্ট চরিত্রগুলো বাস্তব রূপে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। আমার মনে হয় তেমনি একজন লেখক এশরার লতিফ। 'অলাতচক্র' বইটি পড়তে পড়তে আমি বার বার লাবণি চরিত্রটির মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছিলাম। এত সুন্দর বুননে তিনি চরিত্রগুলো এত জীবন্ত করে তুলেছেন মনে হচ্ছিল ঘটনাগুলো আমার চোখের সামনে ঘটতেছে। একজন নারীকে দিয়ে একটা গোয়েন্দা সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্রের ভূমিকা পালন করানো যায় সেটা হয়তো অনেকে চিন্তায়ও নিতে পারেনা। কিন্তু এশরার লতিফ তার চমৎকার বুদ্ধিদীপ্ত লিখনের মধ্য দিয়ে তুলে ধরেছেন। এছাড়াও ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিজ্ঞান, সমাজ-সংস্কৃতি মিলেমিশে একাকার ছিল বইটি। তথ্যবহুল বইটিতে আমাদের গৌরবময় ইতিহাসের সাথে ছিল আধুনিক বিজ্ঞানের মিশেল। সাবলীল ভাষার ব্যবহার ছিল চোখে পরার মতো। পাতায় পাতায় সুপ্ত ছিল দম বন্ধ করা রহস্যের লীলাখেলা। প্রতি মূহুর্তে মনে শংঙ্কা দানা বাঁধছিল, এরপর কি হতে যাচ্ছে! আশংঙ্কা আর রোমাঞ্চের মেঘ ঢেউ খেলে যাচ্ছিল মনের আনাচে কানাচে। ইতিহাস, বিজ্ঞান, সমাজ-সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এদেশের নারীরাও যে পিছিয়ে নেই, লাবণি চরিত্রের মধ্য দিয়ে সেটাই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। নারীদের শুধু ঘরে বসে থাকার জন্য জন্ম হয়নি, তারাও যে সভ্যতার অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে আলোকবর্তিকা হাতে অগ্রসর হচ্ছে বইটিতে তারই প্রতিফলন হয়েছে। পরিশেষে, এতো সুন্দর ও সৃষ্টিশীল সাহিত্যকর্ম উপহার দেয়ার জন্য লেখক এশরার লতিফ কে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি। ধন্যবাদ"
Moin Kareem , Jun 7, 2021
"অলাতচক্র এই নিয়ে বইটা চারবার পড়লাম। অসাধারণ প্রানবন্ত চমৎকার একটা বই। কাহিনীটি ছিল একইসাথে তথ্যবহুল ও মনোমুগ্ধকর। নিখুঁত বুদ্ধিমত্তার সাথে আধুনিক বিজ্ঞানের সংমিশ্রণে বইটির পরদে পরদে ছিল রোমাঞ্চ। সেই সাথে বইটিতে আধুনিক বিজ্ঞানের সাফল্যগুলো খুব সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতর ভাবে তুলে আনা হয়েছে। বইটিতে ছিল বাংলার নবাবি আমলের ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাস, আধুনিক বিজ্ঞানের ছোঁয়া ও নারীদের উত্থানের মিলন মেলা। আমাদের নারীরা যে এখন আর পিছিয়ে নেই তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এছাড়াও এশরার লতিফ সুচারুভাবে তুলে ধরেছেন আমাদের সমাজের আনাচে কানাচে ক্যান্সারের মতো বাসা বেধে থাকা বংশাভিজাত্য ও অহমিকা। লেখক এশরার লতিফের লেখা এই প্রথম পড়লাম। সর্বোপরি, আমি অভিভূত। আপনারাও পড়ে দেখতে পারেন। আশা করি আপনারা হতাশ বা সময় নষ্ট কোনো টাই হবেনা। এটা বলে শেষ করছি, লাবনি চরিত্রটা নিয়ে ধারাবাহিক লিখলে এটাও একদিন অন্যান্য বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্রের মতো অমর হবে। - মঈন"
Ruhul Amin , Mar 14, 2021
"চমকপ্রদ।"
তাহসিনা হোসেন , Mar 11, 2021
"জাস্ট দুর্দান্ত!"
I Islam , Mar 11, 2021
"ভিন্ন ধারার মৌলিক থ্রিলার। দারুণ!"
Deepa Islam , Jul 31, 2020
"A fantastic blend of history, romance and suspense."
Ameena Tabassum , Jul 16, 2020
"পেন্সিলে অনেকের লেখাই কম বেশি ভালোলাগে কিন্তু কারও কারও লেখা পড়ার পর নিজের লেখার কথা চিন্তা করলে মনে হয় এই শেষ। লেখার সাহিত্য মান, শব্দ ভান্ডার আর ভাষার প্রয়োগ উন্নত না করতে পারলে আর কখনও লিখবোনা। লেখক এশরার লতিফের লেখা পড়ার পর আমার সবসময় এরকম একটা অনুভূতি হয়। এশরার লতিফের লেখার সাথে পেন্সিলের সবাই কম বেশি পরিচিত। যারা লেখকের লেখা নিয়মিত পড়েন তাঁরা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমি কি বলতে চাচ্ছি আর যারা লেখকের লেখার সাথে পরিচিত না তারা দুই একটা লেখা পড়লেই বুঝতে পারবেন। যাইহোক, এখন উপন্যাসের কথায় আসি। ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে ঘটে যাওয়া রোমহর্ষক এক ঘটনা দিয়ে শুরু হয় এই রহস্য-রোমাঞ্চ উপন্যাস 'অলাতচক্র'। সেখানে সিপাহী বিদ্রোহের মহানায়ক মঙ্গল পান্ডের মূর্তি উন্মোচনের সময় দেখা যায় মূর্তির মাথায় শোভা পাচ্ছে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আকবর আলী খানের কাটা মাথা। এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্বভার এসে পড়ে গোয়েন্দা লাবনীর উপর। ঘটনার জট উন্মোচন করতে গিয়ে দেখা যায়, কাহিনী শুধুমাত্র বাহাদুর শাহ পার্কে ঘটে যাওয়া অপরাধে সীমাবদ্ধ না। এর সাথে যুক্ত আছে আরও কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা। বিশেষ করে জাতীয় জাদুঘর থেকে সম্প্রতি নবাব সিরাজুদ্দৌলার তলোয়ারটি চুরি যাওয়ার ঘটনাটি। একে একে শুরু হয় বিভিন্ন চরিত্রের আনাগোনা। চরিত্র গুলোর বর্ণনা আর ঘটনার বিন্যাস এতই জীবন্ত যে পাঠক না চাইতেই গোয়েন্দা হয়ে সন্দেহের খাতায় একেক চরিত্রকে ক্রমাগত যুক্ত আর বহির্ভুত করে রহস্য উন্মোচনের ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালাতে বাধ্য। জটিল সব ঘটনা আর চরিত্রের সমীকরণের মধ্যেও উপন্যাসটি প্রবাহিত হয় খুবই সহজ এবং সাবলীল ভাবে। এখানে যেমন ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পর্কে সব কঠিন কঠিন তথ্য জানতে পারা যায়, জানতে পারা যায় আধুনিক প্রযুক্তির সফটওয়্যার ব্যবহার করে অপরাধী শনাক্তকরণের প্রক্রিয়া (সেই সফটওয়্যারের নাম আবার খোদেজা বেগম), আর তার সাথে জানা যায় নবাব সিরাজুদ্দৌলার অতীত নিয়ে কিছু অজানা তথ্য। জটিল সব তথ্যের পাশাপাশি রয়েছে হালকা রোম্যান্স এবং সাধারণ ঘটনার অসাধারণ বর্ণনা। সেই বর্ণনায় কখনও ফুটে উঠেছে গোয়েন্দা জীবনের বাইরের নীল শাড়ি আর কালো ব্লাউজ পরিহিত মিষ্টি লাবনী, নিমগ্নের রোমান্টিক কবিতা লেখার ব্যর্থ প্রচেষ্টা, খাদ্য রসিক অনীলার খাবারের নিখুঁত বর্ণনা আর হিজাবি তন্বীর বান্ধবীর প্রতি ভালোবাসা। জটিল আর সরলের যথাযথ মিশ্রনে যে কোনো পাঠকের মনোযোগ ধরে রাখতে পুরোপুরি সফল এই উপন্যাস। তবে গল্পের নায়িকা লাবনীর চরিত্র অনেকটা সময় পর্যন্ত আমাকে খুব একটা আকৃষ্ট করেনি। এর চেয়ে অনীলা আর তন্বীর চরিত্রদুটি অনেক চটুল, তৎপর আর আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। উপন্যাসের পরবর্তীতে লেখক এই ঘাটতি অবশ্য পুষিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু লাবনীর চরিত্র এবং নিমগ্নের প্রতি তার মনোভাব আরেকটু জানতে পারলে মনে হয় ভালো লাগতো। আজকাল সবাই ডাইভারসিটি নিয়ে খুবই সচেতন। তাই উপন্যাস, গল্প, সিনেমায় শক্ত, সামর্থ্য, সুপুরুষ নায়কের পাশাপাশি ভিন্ন চরিত্রের প্রাধান্য দেখা যায়। কিন্তু লেখক পুরোপুরি নারী চরিত্রদের দিয়ে এই রহস্যের উন্মোচন করিয়ে বেশ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। সবচেয়ে ভালো লেগেছে যে সেই নারীরা সকলেই কথা বার্তা, চাল চলন এবং জীবন যাত্রায় অতি সাধারণ নারী। তাদের কাউকেই অতিরিক্ত আলাদা করে কিছু মনে হয়নি। সেই সাধারণত্বের কারণেই যে কেউ এই চরিত্রগুলোর সাথে সম্বন্ধস্থাপন করতে পারবে। যাই হোক, অপেক্ষায় থাকলাম এর পরবর্তী সিরিজের।"
Rizwana Islam , Mar 4, 2020
"Quite matured style of writing! A fantastic blend of historical tastes, romance and detectives. Enough drilling on few points of knowledge areas were needed to make it a successful story. I finished it at once without a single break. While I was reading I was thinking that, the good sides of such thriller type of stories are the abilities to train our minds to think from totally some unexpected angles to get insight a problem. And the bad part of such stories are to push our senses in suspecting many from our surrounding environment. Sort of brain exercises. One of the few very interesting things here is that, inspector Laboni, although she was shown as an intelligent young detective, still she was blind in seeing through the person who was acting as he was quite inclined to her. Love is such blind. It escaped her intelligent senses. The story reminds the style of detective stories of Feluda. Very matured story from start to end. The theme is wonderful. The ups and downs, the openings and closings of events really made me feel as I was riding on a train and exploring scenes after scenes of changing natures in a rhythm. But still the author successfully could hold it’s passenger to reach the destination with fullness of experiences. The ending left a sense of light numb pain that enriched the memory of the journey through the story. Love it May Allah bless you Eshrar"
Reshmee Md. Rafique , Feb 21, 2020
"আমি থ্রিলার ভক্ত। তাই বলে সর্বভুক নই। বরং আমি থ্রিলার জনরার বইগুলো খানিক বাছাবাছি করে পড়ি। এবং এই বাছাই পর্বতে বইয়ের তুলনায় প্রাধান্য দিই লেখককে। মানে কোনো লেখকের একটা বই পছন্দ হলে পরেরটা নির্দ্বিধায় পড়তে শুরু করি। বিদেশী থ্রিলারগুলোর প্রতি খুব একটা আকৃষ্ট হই না, যতটা হই দেশি থ্রিলারগুলোয়। কিন্তু একটা সময়ে দেশি থ্রিলার বলতে কিছুই ছিল না বাংলা সাহিত্যে। থাকলেও তার মান ভালো ছিল না। তাই বয়স অনুসারে প্রথমে তিন গোয়েন্দা এবং পরে মাসুদ রানায় আটকে ছিলাম বহুদিন। এই দুটোর প্রতি আমার অসম্ভব দুর্বলতা। এখন দিন বদলেছে। বাংলা সাহিত্যের খাতায় কিছু থ্রিলার লেখক নাম লিখিয়েছেন। এবং দুর্দান্ত সব মৌলিক দেশি থ্রিলার উপহার দিয়ে যাচ্ছেন আমার মতো পাঠকদের। তাদের মধ্যে একজন এশরার লতিফ। লেখকের প্রথম বই এবং থ্রিলার ছিল “গোধূলী রিসোর্ট”। বইটা পড়ে মাসুদ রানার কথা মনে হয়েছিল। মিয়ানমারের সেই অ্যাকশনের কথা আমি এখনো ভাবি। আরো ভাবি ওই ধাঁধাগুলোর কথা। সেই রেশ না মিলতেই লেখকের আরেকটা থ্রিলার চলে এসেছে। নাম অলাতচক্র। এই থ্রিলার গল্পটা ভার্চুয়াল জগতে একবার পড়া হয়েছিল। তখনই একটা অনূভুতি হয়েছিল যে, মাসুদ রানা বা পুরনো কোনো থ্রিলার চরিত্র নয়, এবারে লাবণির গ্যাংটাই হোক একটা ব্র্যান্ড। এবারে আসি কাহিনিতে। শুরুতেই একটা খুন। তাও শরীর থেকে মাথা আলাদা করে ফেলা হয়েছে। মাথাটা পাওয়া গেছে একটা ভাষ্কর্য উদ্বোধনের জায়গাতে, ঠিক যেখানে ভাষ্কর্যটা থাকার কথা ছিল। একদিকে ভাষ্কর্য মিসিং, অন্যদিকে কাঁটা মাথা আবিস্কার। দুয়ে মিলিয়ে বত্রিশ বছর বয়সী মিস লাবণির রোমান্টিক ডেটিং ভেটো দেবার জন্য যথেষ্ট। অগত্যা মিস লাবণি তার ডেটিং, প্রেমিক কবি ফেলে দৌড়াল ঘটনাস্থলে। তার আগেই সেখানে পৌঁছে গেছে অনীলা। ইতোমধ্যে তার কাজ সেরে ফেলেছে। লাবণিকে দুই-চারটা খবর দিয়েই সে গায়েব হলো। তার বরের জন্মদিন। সেলিব্রেট করতে অতি অবশ্য অফিসিয়াল কাজকর্ম গুটিয়ে বাসায় ফিরতে হবে জলদি। এরপর কয়েকদিন কাজের সুত্রে দেখাসাক্ষাত হলো লাবণি আর অনীলার। সেই ফাঁকে জম্পেশ খাওয়াদাওয়া হলো আর জানা হলো অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য। কিন্তু সমস্যা হলো, অনীলা কেবল তথ্যগুলোই দিয়েছে খাপছাড়াভাবে। আর সেগুলো জোড়াতালি মেরে কিছু একটা দাঁড় করাবার চেষ্টা চালাচ্ছে লাবণি। কিন্তু কোনো সমাধানে পৌঁছুতে পারছে না। চারদিকে সবকিছু ধোঁয়াশা লাগছে। রহস্যের জট খুলতে গিয়ে উলটো গিট লেগে যাচ্ছে। গোয়েন্দা বিভাগের মানসম্মান আর রইল না। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চাপও আছে। সব মিলিয়ে বেহাল অবস্থা লাবণির। অতঃপর সে দ্বারস্থ হলো তন্বীর। তন্বী তার নতুন আবিস্কৃত রোবট খোদেজা বেগমের সাহায্য নিল। এদিকে উপরমহলের চাপাচাপিতে লাবণির বস নিজেই ঘাতককে গ্রেফতার করলেন। আপাতদৃষ্টিতে তাকে ঘাতক মনে হলেও গভীরে তলিয়ে দেখলে আবার অন্যরকম দেখা যায়। লাবণি সেই গভীরের দিকে পা বাড়াল। ওর বস তার ডিপার্টমেন্টের কাজে সন্তুষ্ট হলেও সে তলে তলে তার তদন্ত চালিয়ে গেল। এবং… এক পর্যায়ে বেরিয়ে এলো রোমহর্ষক সব কাহিনি, যেখানে ইতিহাসে পর্যন্ত টান লেগেছে! ঢাকার নবাব পরিবার আর নবাব সিরাজদ্দৌলার বংশধর সব মিলিয়ে এলাহী কারবার। একদম শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা ছিল! থ্রিলারটার শেষ প্রান্তে যখন চলে এলেন লেখক, তখন এক এক করে সমস্ত ব্যাখ্যা দিলেন ইন্সপেকটর লাবণির মুখজবানিতে। শুনতে দারুণ লেগেছে। এই পর্যায়ে এসে আমি সত্যিকার ফেলু মিত্তিরের গন্ধ পেয়েছি। মানে লাবণির বোনের কথাই ঠিক। ভবিষ্যতে একজন মহিলা ফেলু মিত্তির পেতে যাচ্ছি আমরা। চমকের এখানেই শেষ নয়। থ্রিলারের একদম শেষ প্যারায় লেখক আরেকটা চমক তুলে রেখেছেন, যেটা কীনা আমাদের অর্থাৎ পাঠকদের জন্য সুখবর! সাথে অবশ্য একটু টেনশন রয়েই গেল। পেন্সিলের বইয়ের মান নিয়ে আলাদাভাবে বলার কিছু নেই। বই প্রকাশের যাবতীয় ব্যাপারগুলোতে পেন্সিল শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয় দেবার চেষ্টা করে। এবারেও ব্যতিক্রম হয়নি। বইটা পড়তে গিয়ে ভালো লেগেছে খুব। সম্পাদনা খুব ভালো ছিল। প্রচ্ছদটাও সুন্দর হয়েছে খুব। এটা লেখক নিজে করেছেন। সব মিলিয়ে চোখ বন্ধ করে ৫/৫ দেয়া যায়। থ্রিলারপ্রেমীদের সংগ্রহে অতি অবশ্যই রাখার মতো একটা বই!"
Charulota , Feb 4, 2020
""অলাতচক্র" নামে আরও দুটি উপন্যাস রয়েছে আহমদ ছফা এবং তারাদাস বন্দোপাধ্যায়ের , আর তৃতীয়টি হচ্ছে এশরার লতিফের। অলাতচক্র মানে হচ্ছে আগুনের চক্র অথবা বৃত্ত কিংবা চক্কর। তাই অলাতচক্র মানে আগুনচক্র বললেও ভুল হবে না হয়তো। এশরার লতিফের এই রহস্য রোমাঞ্চে ভরা উপন্যাসটিও সেই রকম চক্র বক্র, সাথে রয়েছে আগুন আগুন উত্তেজনা।তবে অলাতচক্র নামকরণটি ছিলো খুবই মজার, যেটা আবিষ্কার করে পাঠক নির্ঘাত মুগ্ধ হবেন।এই নামটি কেন বেছে নিয়েছিলেন লেখক সেটা নিয়েও নানান প্রশ্ন ছিল মনে।কিন্তু গল্প শেষে দারুন ভাবে মুগ্ধ হয়েছি এই নাম দেয়ার পিছনের কারনে। গল্পের শুরুটাই হয়েছে চমক নিয়ে। একটা অনিশ্চিত পরিস্থিতি বিদ্যমান ছিলো প্রায় সমস্যা সমাধানের আগ পর্যন্ত । একজন অনভিজ্ঞ নারী ডিটেক্টিভ এতো বড় একটি কেইস হ্যান্ডেল করতে পারবে কিনা এটা নিয়েও পাঠক সন্দেহে পরে যেতে পারে প্রথম দিকে। কারণ,একে তো অনভিজ্ঞ টিটেক্টিভক, তার উপরে নারী হিসেবেও পাঠক লাবনীকে দুর্বল ভাবতে পারে। কিন্তু তার ধীর গতিতে চলা পদক্ষেপ এবং যোগ্যতা সম্পন একটি টিম তৈরি করতে পারাটাই ছিল অসামান্য একটি কাজ। ইনভেস্টিগেশন করতে করতে কিছু সাব প্লট তৈরি হয়েছে যেটা গল্পের পরিসরকে বিস্তৃত করেছে এবং নতুন টেনশনের জন্ম দিয়েছে। কিছু ভুল সন্দেহও এসেছে যেটা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশনের সাথে সব সময়ই হয়ে থাকে , আর এখানেই লেখক অসামান্য দক্ষতা দেখিয়েছেন।গতানুগতিক স্রোতে চলতে চলতে হঠাৎ জোরেশোরে ঘটনার মোর ঘুরিয়ে দিয়ে সেখানে লেখক তার সর্বচ্চ দিয়ে পাঠককে চমৎকৃত করেছেন, অন্ততপক্ষে আমাকে তো করেছেই । এই উপন্যাসটি বর্ণনাধর্মী লেখা নয়,অর্থাৎ উপমা অথবা আবেগ মিশ্রিত স্রোতস্বিনী ধারার গল্প এটি নয়। এখানে রোমাঞ্চ,শিহরন অর্থাৎ রোমহর্ষক কাহিনী রয়েছে। রয়েছে রহস্য খোলার নানা কৌশল, এবং নানা তথ্যে সমৃদ্ধ এই উপন্যাসটি পাঠকের মনযোগ ধরে রাখতে পারবে শেষ অব্ধি।উপন্যাসটি কালজয়ী কিছু একটা হতেই পারে যেটা কিনা বাংলা সাহিত্যকে অনেক বেশী সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করবে। লেখকের একটি ব্যপার বেশ লক্ষণীয় যে তিনি তার লেখায় চলমান সময় অথবা অতীতে ঘটে যাওয়া একটি প্রেক্ষাপটকে ঘিরে লেখেন। এ ব্যপারটি দারুন, কারন পাঠক অতি সহজেই সময়টার সাথে নিজেকে পরিচিত করে নিতে পারে। আরেকটা ব্যপার বেশ ভালো লাগে লেখকের ভবনার গণ্ডি বাংলাদেশের পটভূমিকে ছাড়িয়ে ইন্টারন্যাশনাল পর্যায়ের হয়ে থাকে বরাবরই । শুধু নারী কিংবা শুধু পুরুষের টিম থাকাটা আমার ব্যক্তিগত পছন্দ নয় ।তবে কি লাবনীর গ্রুপটি কট্টর নারীবাদী? সেরকম কোন ইঙ্গিত না পাওয়া গেলেও সফটওয়্যারের নামটিও "খদেজা বেগম" রাখাতে সেরকম একটা ভাবনার জায়গা তৈরি হতে পারে। তবে টিমের ভিতর একজন উগ্র নারীবাদী থাকলে আরও জমে উঠত বলে আমার ধারনা । নারীদের টিম হওয়াটা এক দিক থেকে ভালো হয়েছে এই কারনে যে টাইমলাইনটা ক্লিয়ার হয়ে থাকবে ইতিহাসের পাতায়। সময়টাই এখন নারীবাদীদের সংগ্রামের এবং নারী জাগরণের একটা সন্ধিক্ষনের যেখানে নারীরা সর্বত্র রয়েছে। অলাতচক্রেও রয়েছে। ঘটনার সম্প্রসারণ চমৎকার, তবে চরিত্রগুলো আরও একটু ভিন্ন মাত্রার হতে পারতো । যেমন আমার মত পাঠকেরা লাবনীকে আরও একটু পার্সোনালি জানতে চায়।হয়তো লেখক পরবর্তী সিরিজ গুলোতে চরিত্রগুলোকে আরও জানার সুযোগ করে দেবেন। যেহেতু ডিটেকটিভ গল্প তাই টেকনিক্যাল ব্যপারগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ । সে ব্যপারে আমার ধারনা লেখক সফল হয়েছেন। সত্যিকার অর্থে আমি মুগ্ধ অলাতচক্র পড়ে। আমার ধারনা অলাতচক্র রহস্য উপন্যাস যদি সিরিজ আঁকার আসে তবে বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কিছু হওয়াটা নিশ্চিত।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"অলাতচক্র" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: