১ম প্রকাশ, ২০২১
অগ্নিমঙ্গল
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | অগ্নিমঙ্গল |
| Author | মুহম্মদ নিজাম |
| Publisher | ৫২ (বায়ান্ন) |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 400 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.81 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
6 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টিMahabub Alam , May 10, 2021
"নবীন লেখকদের মাঝে ভিন্ন ধারার লেখক। এই ভিন্ন ধারার লেখা আমাদের সাহিতকে নতুন রুপ এনে দিতে পারে। শুভকামনা আপনার জন্য।"
Abid Al Islam , Apr 29, 2021
"অগ্নিসিরিজ এর দ্বিতীয় বই এটি যেকোন মূল্যে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা সংযোজন"
Abu Yousuf Akash , Apr 15, 2021
"সত্যজিৎ রায়ের "নায়ক" মুভিতে একটা লোক আছে বিজ্ঞাপন এজেন্সির মালিক। নিজের অল্প বয়সী সুন্দরী স্ত্রীকে সে এক বিত্তবান এক বুড়োর পেছনে লেলিয়ে দিয়েছিল বড় একটা কন্ট্রাক্ট পাবার আশাতে। দেখেছেন নিশ্চয়ই আপনারা? মনে আছে আশাকরি! আমি যখন দেখছিলাম, খুব করে হাসছিলাম। নিজের বউকে নানাখাতে ইনভেস্ট করে বিত্ত ও খ্যাতি লাভের এই যে প্রয়াস এইগুলো কিন্তু ইউরোপ আমেরিকা থেকে আসি নি। বাঙালি চরিত্রের একেবারে নিজস্ব ব্যাপার। বঙ্গ দেশের মানুষের একটা অংশ চিরকালই অশ্লীল ও অসভ্য। আজ থেকে হাজার বছর আগে এই দেশে একশ্রেণির পুরুষ ছিল যারা একাধিক বিয়ে করতো শুধু বউ খাটিয়ে পয়সা উপার্জনের আশায়। এদেরকে বলা হতো জায়াজীবী! অগ্নিযুগান্তের শুরুই হচ্ছে এমন একটি জায়াজীবী শ্রেণির অন্তপুরে আলো ফেলার মধ্য দিয়ে। আজ থেকে মাত্র দেড়-দুইশো বছর আগেও বাঙালি সমাজে কুলীনবংশ বলে একটা ব্যাপার ছিল। উচ্চ শ্রেণির কুলীন মেয়েদের বিয়ে হতো না সমগোত্রীয় স্বামীর অভাবে। বিভূতিভূষণের ইছামতী যারা পড়েছেন, জানেন নিশ্চয়ই। রাজারামের তিন বোন তিলু-বিলু-নিলুর বিয়ে হচ্ছিল না সমগোত্রীয় ছেলের অভাবে। আট থেকে দশ বছরের মধ্যে সেই সময় বালিকাদের বিয়ে হয়ে যেতো। তিলুর বয়স ত্রিশ পেরিয়ে যাচ্ছিল শুধুমাত্র এক কুলীন পুরুষের অভাবে। অবশেষে ভবানী বাড়ুয্যে নামে একজন কুলীন পাত্রের উদয় হল। এমন পাত্র আর ২টা পাওয়া যাবে না ভেবে একই সঙ্গে রাজারাম তার তিন তিনটা বোনকেই ভবানীর কাছে বিয়ে দিয়ে দিলেন! অর্থাৎ ভবানী একই সঙ্গে তিলু বিলু এবং নিলুকে বিয়ে করে সুখে শান্তিতে সংসার পেতে বসলেন। এতদসত্ত্বেও আপনাকে মানতেই হবে যে, তিলুরা ছিল ভাগ্যবতী। ওদের কপালে একটা সুপুরুষ জুটেছিল। পুরুষটা ওদের একান্তই নিজেদের ছিল। দুইশো বছর আগেও বঙ্গ দেশের এইরূপ কুলীন মেয়েদের ঘিরে আরও বর্বরোচিত সব ঘটনা ঘটতো। পাত্রের অভাবে বিবাহ না হওয়া কুলীন মেয়েদের উদ্ধার করতে কিছু কুলীন বুড়ো পেশা হিসেবে বিবাহ-কার্য বেছে নিতো। এদের কাজ ছিল বিয়ে করা। একেকটা গ্রামে প্রবেশ করে সেই গ্রামের সব কুলীন মেয়েদের একে একে বিয়ে করে ফেলতো। প্রতিটা মেয়েকে বিয়ে করে উদ্ধার করার সুবাদে কিছু অর্থকড়ি আদায় করে নিতো। সমস্ত জীবনে বিয়ে করতো দুইতিন শত। স্ত্রীদের নাম একটা কাগজে লিখে রাখতো। এরপর চলে আসতো। পেশাদার এই কুলীন লোকটির বয়স সত্তুর ছাড়িয়ে গেলেও তার দুইতিন শত বউয়ের অধিকাংশেরই বয়স হতো, সাত থেকে সতেরো। পেশাদার এই কুলীনেরা নিজের স্ত্রীকে কখনো নিজের গৃহে নিয়ে আসতো না। মেয়েগুলি পিতৃগৃহেই পড়ে থাকতো। আর ওদের বুড়ো বর বছর দুয়েক পরে পরে একবার সেখানে হানা দিতো। একসঙ্গে একটি রাত্রি যাপন করতো। ফেরার সময় আবারও কিছু অর্থকড়ি নিয়ে আসতো। এই ছিল ওদের পেশা! বছর দশেক আগে শরৎচন্দ্রের একটা উপন্যাস পড়ছিলাম, বামুনের মেয়ে। সেখানে এক কুলীন পেশাজীবী ব্রাহ্মণের আরও বিতিকিচ্ছিরি একটা রূপ তুলে ধরা হয়েছে। কুলীন এক ব্রাহ্মণের বয়স হয়ে গেছে সত্তুরের উর্ধ্বে। শরীর গেছে ভেঙে। নিজে চলতে পারে না দেখে অপেক্ষাকৃত অল্প বয়সী এক নাপিতের হাতে স্ত্রী-দের তালিকা তুলে দিল। বলল,"যাও। আমার স্ত্রীদের সঙ্গে একটি করে রাত্রি যাপন করবে। ফেরার আগে অল্পকিছু খাজনাপাতি তুলে নিয়ে আসবে।" নাপিত বলল,"যদি চিনে ফেলে, আমি ওদের স্বামী নই!" "আরে ধুর ধুর, চিনবে না। তোমার চেহারা প্রায় আমারই মতো। প্রতি চারপাঁচ বছরে একেকজন একবার মাত্র আমাকে দেখেছে। ভুলেই গিয়েছে নিশ্চয়ই। তোমার চেহারা, আমারই মতো। মিল আছে। ওরা ধরতে পারবে না।" আদতে হলও তাই। কুলীন বুড়োর বউদের তালিকা নিয়ে নিয়ে নাপিত পথে নামলো। একে একে প্রতিটা বউয়ের সঙ্গে সঙ্গম করে, খরচাপাতি আদায় করে ফিরে আসলো। সেই টাকা দুইজনে ভাগাভাগি করে নিয়ে আবারও আসছে বছরের অপেক্ষায় তুষ্ট মুখে দিন গুণতে লাগলো। এতো গেলো পুরনো কালের কথা। দশ বছর আগে একবার ভাষানটেকের দিকে আমার পরিচিত একটি পরিবার ছিল। পরিবারের বড় ছেলেটি কোন কাজকর্ম না পেয়ে নিজেকে হঠাৎ কেল্লাবাবার রূহানী পুত্র হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করলো। কয়দিনের মধ্যেই মাথার চুল জটা করে লালরঙের থান পড়ে বেশ বুজুর্গ টাইপের একটা রূপ নিয়ে আসলো নিজেকে ঘিরে। নামডাক শুনে একদিন দেখতে গেলাম। যা দেখলাম তা কদর্যের খারাপ। সাধুবাবার দেহ ঘিরে চলমান ব্যবসা। ব্যবসায় অংশ নিতে কতিপয় মানুষ নিজেদের স্ত্রী এবং কন্যাদের বাবার খেদমতে নিযুক্ত করেছেন। মেয়েগুলি বাবার সাথেই থাকে। বাবার শয্যাতেই আশ্রয় পায়। আরাম পায়। এইসব দৃশ্য ও ঘটনা যখন প্রত্যক্ষ করি, সুদূর অতীতের সঙ্গে অনিবার্য একটা যোগসূত্র খুঁজে পাই। ইতিহাস আমাকে শুধু অতীতের পানে নিয়ে যায় না, ভবিষ্যতও নির্দেশ করে। ওরা অতীতও ঐরূপ ছিল, আজকে এইরূপ রয়েছে, ভবিষ্যতেও সেইরূপ ধারণ করবে। ইতিহাসের নাবিক হিসেবে আমাদের কাজ হচ্ছে, শুধুমাত্র দেখে যাওয়া, আর শুধু লেখে যাওয়া। এই দেখায় আনন্দ আছে। এই লেখায় যন্ত্রণা আছে। আবিষ্কার ও আরোগ্যমুখী আনন্দ। পাপ ও পচনমুখী যন্ত্রণা।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"অগ্নিমঙ্গল" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: