১ম প্রকাশ, ২০২২
নজরদারি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | নজরদারি |
| Author | আলম সিদ্দিকী |
| Publisher | কথাপ্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 199 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.4 Kg |
| ISBN | 9789849626565 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
5 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Nusrat Fatema , May 13, 2024
"খুব বিরক্তিকর একটি বই। টাকাটা জলে ফেললাম। দেখতে মনে হয়েছে না জানি কি! কিন্তু তেমন ইন্টারেস্টিং কিছুই নেই ভেতরে। আপনারা যারাই কেনেন বুঝে কিনবেন।😒👎"
Saifullah Al Mahdee , Sep 13, 2022
"রহস্যময় থ্রিলার উপন্যাস নজরদারি এটি একটি থ্রিলার উপন্যাস। যার পাতায় পাতায় রহস্য। যদি আমি একটু পাঠ উপলব্ধি শেয়ার করি কাঁচপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডালিম মুন্সি প্রকাশ্যে গুলি করল নিউঢাকা বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হারুন সাহেবকে। আমজনতা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল। কেউবা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য ছবি- সেলফি ও ভিডিও করল। কিন্তু প্রতিবাদ করল না কেউই। নিজের চোখে শিল্পপতি হারুনকে খুন হতে দেখলেন মুহিনও। ভয়ে শিহরিত হলেন তিনি। তারপর থেকেই নিজেকে অপরাধী মনে হলো তার। চোখের সামনে খুন হতে দেখলেন অথচ প্রতিবাদ করতে পারলেন না কেন? সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে তার মনে। প্রবল অনুশোচনা ও অস্বস্তিতে ভোগেন মুহিন। স্ত্রী নিপা ও ছয় বছরের ছেলে মুন শান্ত¡না দেয় তাকে। পরের দিন সকালে সব পত্রিকার শিরোনাম হলো ঘটনাটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় খুনের ভিডিও। ডালিম মুন্সিকে ধরতে শুরু হয় পুলিশি অভিযান। কাঁচপুর হয়ে যায় থমথমে। রাতেই ঘটে যায় আরেকটি হত্যাকান্ড। রাতের আধারে নিউঢাকা বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেনকে গুলি করা হয়েছে। কিন্তু কে বা কারা, কেন খুনটা করেছে সেটাই রহস্য। মধ্যরাতে খবরটা পেয়ে আরও ঘাবরে গেলেন মুহিন। কারণ মুহিন ওই অ্যাসোসিয়েশনেরই সেক্রেটারি। কী হচ্ছে এসব, কেন হচ্ছে? থমকে যায় পুরো এলাকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় খবর দুটো। তদন্তের ভার নিয়ে মাঠে নামলেন নতুন গোয়েন্দা অফিসার ফাহিম। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক মিলি সুলতানা মিসুর সাথে ফাহিমের। ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিলেন তিনি। মিসুর সাথে বিয়ের কথা পাকাপাকি। দিন-তারিখও ঠিকঠাক। ঠিক তখনই কেন্দ্রিয় পুলিশ ডিপার্টমেন্ট থেকে বাতিল করা হলো তার ছুটি। তাই স্থগিত করতে হলো তাদের বিয়েও। মিসুকে অনেক বুঝিয়ে তদন্তে নেমেছেন ফাহিম। পলাতক ডালিম মুন্সি। পুলিশ তাকে খুঁজছে। মাঝরাতে শিল্পপতি মুহিনের বাসায় গিয়ে সে রাত কাটায় কেন? কেনই বা হারুনের ভাই হাফিজের সাথে গোপনে দেখা করে ডালিম মুন্সি। সন্দেহের তালিকায় যুক্ত হয় হাফিজ, মুহিনও। শুরু হয় পুলিশের নজরদারি। বেড়িয়ে আসে থলের বেড়াল, ওঠে আসতে থাকে অজানা সব কাহিনি, রহস্যের পর রহস্য। তদন্ত করতে গিয়ে ধন্দে পড়ে যান ফাহিম। হারুনকে প্রকাশ্যে খুন করেছে ডালিম মুন্সি কিন্তু মোয়াজ্জেমকে খুন করেছে কে? হারুনের স্ত্রী লিয়ার সাথে দেখা করেন ফাহিম, তার বাসায় পাওয়া যায় পিস্তল। তাহলে কি স্বামীকে হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছেন লিয়া? ধরা পড়ছে না ডালিম মুন্সি, হাফিজের কথাবার্তাও সন্দেহজনক। ভীতিগ্রস্থ মুহিন পরিবার। বিয়ে পিছিয়ে যাচ্ছে গোয়েন্দা ফাহিমের। বিয়ের দিন গুনছে ফাহিমের প্রেমিকা মিসু। পুরো টিম নিয়ে এগিয়ে আসেন স্থানিয় থানার ওসি আলিমুর ও এস আই হুদা। ফাহিমের সাথে মিটিং করেন একাধিকবার। বাড়িয়ে দেন নজরদারি। অবশেষে ধরা পড়ে ডালিম মুন্সি। এলাকায় স্বস্তি নামে ঠিকই। কিন্তু ঘটনা মোড় নেয় অন্যদিকে। রহস্যজনকভাবে ফোন আসতে থাকে শিল্পপতি মুহিনের ফোনে। শীর্ষ সন্ত্রাসী পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি করে মুহিনের কাছে। হুমকি-ধমকিও দেয় তাকে। পুলিশকে জানান তিনি। তা তদন্তের দায়িত্বও পান ফাহিম। আবারো বিয়ে পিছিয়ে যায় তার। তবে মিশু তার পথ বেছে নেবে বলে হুমকিও দিয়েছে ফাহিমকে। মুহিনকে বারবার ফোন করে চাঁদা চায় সন্ত্রাসী। চাঁদা দিয়েও বিপাকে পড়তে হয় তাকে। তার বাসা ও অফিসের সামনে ঘোরাফেরা করে রহস্যময় মানুষ। অফিসের কর্মচারীদের মধ্যে কানাকানি-ফিসফাস। অ্যাকাউন্টেট সায়মা অনিন্দ্যসুন্দরী। মশিউর তার পেছনে লেগেই থাকে। তা টের পেয়ে যান মুহিন। এতো চাপ তিনি পারেন না। হয়ে যেতে থাকেন মানসিক রোগী। উকিলের পরামর্শে মুহিন স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে ভ্রমন করতে যান সাজেকে। সেখানেও রহস্য, সেখানেও নাটক। সব রহস্য উদ্ঘাটন করেন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ফাহিম। বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর দুটো খুনের রহস্য। খুব কাছের মানুষই চাঁদা নিয়ে ও চাপে রেখে মুহিনকে বানিয়েছে মানসিক রোগী। এসব জানতে পেরে চোখ কপালে ওঠে সকলের। তদন্তে সফল হওয়ায় অভিনন্দিত হলেন ফাহিম। এবার দুমাসের ছুটি পেলেন। মিশুর সাথে বিয়ে হবে এমন আশা নিয়ে বাড়ি ফিরলেন। তার আশা কী পূরণ হয়েছিল? জানতে হলে পাঠ করতে হবে নামকাব্যের প্রবর্তক আলম সিদ্দিকীর থ্রিলার উপন্যাস নজরদারি। চমৎকার কাগজ ও ঝকঝকে ছাপার অক্ষরে ২০০ পৃষ্ঠার থ্রিলার উপন্যাসটি প্রকাশ করেছে কথাপ্রকাশ। প্রচ্ছদ ও অলংকরণ করেছেন নিয়াজ চৌধুরী তুলি।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"নজরদারি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: