১ম প্রকাশ, ২০২৩
নিনাদ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | নিনাদ |
| Author | বাপ্পী খান |
| Publisher | বাতিঘর প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 352 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.46 Kg |
| ISBN | 98487420671 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
4 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টি
Md Rakib Hasan , Apr 9, 2024
"====== কাহিনী/বইয়ের সার-সংক্ষেপ ====== “অবশ্য জগতে ভালো আর মন্দের ব্যবধানটা খুব সুক্ষ, সময়ই সব পরিচয় আর সম্পর্ক নির্ধারণ করে দেয়।” ‘হিমঘুম’-এ সফলতার পর ক্যাপ্টেন কায়সারকে চুক্তিভিত্তিকভাবে নিয়োগ করা হয় সুন্দরবনের বন রক্ষক দলের সাথে। যাতে বনের পরিবেশ কাছে থেকে দেখার পাশাপাশি নতুন নতুন প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে তার পেশাগতজ্ঞান ও বাস্তব পরিস্থিতিকে আয়ত্ত্ব করাই ছিলো মূল লক্ষ্য। পুরো সুন্দরবন জুড়েই যেন শান্ত ও সুন্দর এক পরিবেশ বিরাজমান। সর্বত্রই সকল বন্য পশু-পাখির দল ঘুরে বেড়াচ্ছে নিশ্চিন্ত ও নিবিষ্ট মনে। তাহলে সুন্দরবন ঘিরে যেসব চোরাচালান ও অবৈধভাবে বন্য পশু-পাখি শিকারের যেসব গল্প বাতাসে শোনা যায় সেসব সবই কি অতিকল্পনা? শুধু কি পরিবেশদূষণই বন্য পশু-পাখি কমার একমাত্র কারণ? কায়সারের মনে এসব উদয় হতে থাকলেও তার গোয়েন্দা চোখ ও অনুভূতির কারণে কিছু ঘটনার সাধারণ ব্যাখ্যা খুঁজতে গিয়েই বাধলো আসল বিপত্তি। ঘন ও শ্বাপদ-সঙ্কুল এই বনে তার বোটে অতর্কিত হামলার পরই সে বুঝলো সুন্দরবনে ভয়ংকর প্রাণীর তালিকায় বাঘ, কুমির, অজগর থাকলেও তার পরিচিত বন্যপ্রাণীর চেয়েও আরেক দুর্ধর্ষ এক অতি ভয়ংকর প্রাণীও এখানে বিদ্যমান; আর সেটা হলো মানুষ! ভাওয়াল গড়ের বনে ডিপ ইকোলজির সদস্যরা হঠাৎই এক অতর্কিত হামলার শিকার হলো। তারা অনেকটা কাকতালীয়ভাবেই পশু-পাখি চোরাকারবারিদের বাড়া ভাতে ছাই ছিটিয়ে বসে আছে। কিন্তু সেইপক্ষ কি সেটা মেনে নেবে এত সহজে? সাফারি পার্কে আচমকাই অজানা এক ভাইরাসের বিস্তার এবং এতে মারা গেল বেশকিছু মূল্যবান বন্যপ্রাণী। কর্তৃপক্ষের দাবি ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতেই নাকি কোনপ্রকার ময়নাতদন্ত ও অনুসন্ধান ছাড়াই এসব মৃতপ্রাণীগুলোকে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে অতিদ্রুত; এতে নাকি রোগ আর ছড়িয়ে পড়বে না ও অন্যান্য প্রাণীগুলোও নাকি রক্ষা পাবে! ডিপ ইকোলজির কিছু সদস্যরা সেই সাফারি পার্কে ঘটনার আদ্যোপান্ত জানতে গিয়ে পরদিন হতে তারাও নিখোঁজ। এদিকে বাংলাদেশে বন্য প্রাণীদের নিয়ে খোঁজ-খবর করতে গিয়ে জানা যায় শ্বেত-শুভ্র মায়াবী এক প্রাণীর কথা। যার গর্জন বজ্র নিনাদ। সেটাকে ঘিরে কি কোন ষড়যন্ত্র চলছে? পার্বত্য বনাঞ্চলের আদিবাসী গোষ্ঠী ও সেখানকার বন্য পশু-পাখিদের জন্য কি আর এখনো অভয়ারণ্য রয়েছে নাকি সেখানেও চলছে গোপন কোন তৎপরতা। এতগুলো ঘটনা ও দুর্ঘটনার পিছনে এত শক্ত হাত কার? নাকি আবার রক্ষকই এখানে ভক্ষকের ভূমিকায় বর্তমান? ========= পাঠ প্রতিক্রিয়া ========== বাংলাদেশের বন-প্রকৃতি, বন্যপ্রাণী ও বনজ সম্পদ, আন্তর্জাতিক পশু-পাখি পাচার, চোরাচালান আর এক শ্বেতশুভ্র বেঙ্গল টাইগার নিয়ে দারুণ উপভোগ্য একটি উপন্যাস হলো ‘নিনাদ’। লেখকের সাপ নিয়ে লেখা ও বিস্তৃত তথ্যসমৃদ্ধ বই ছিলো‘হিমঘুম’। এই বইটিকে বলা যায় তার সিক্যুয়েল; তবে স্ট্যান্ড এলোন হিসেবেও পড়ার সুযোগ রেখেছেন লেখক। বলাবাহুল্য এই বইটিও বাংলাদেশের বিভিন্ন বন্যপ্রাণীদের ও বনাঞ্চাল নিয়ে তথ্যসমৃদ্ধ দারুণ একটি বই। আগের বইটির মতোই এটিও টান টান উত্তেজনাপূর্ণ এক থ্রিলারই নয় বরং এর সাথে যুক্ত হয়েছে আমাদের জাতীয় সম্পদ সুন্দরবন, পার্বত্য বনাঞ্চল, আদিবাসী গোষ্ঠী ও বোবা বন্য পশু-পাখিদের না বলতে পারা এক দুঃখগাথাসমৃদ্ধ আখ্যান। আমাদের নিজেদেরই স্বার্থে বন ও বন্যপ্রাণীদের যথাযথ সংরক্ষণ এখন সময়ের দাবি। বন-প্রকৃতি ভালো থাকলেই সামগ্রিকভাবে এর উপর নির্ভরশীল মানবগোষ্ঠীও ভালো থাকবে। বনাঞ্চলে মানুষ ও পশু-পাখির শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান দেশের বনজ সম্পদ ও তৎসংশ্লিষ্ট অর্থনীতির জন্য দারুণ সহায়ক। বইটিতে লেখক বারংবার এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন। সামাজিক, রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দুর্নীতির কারণে সমাজের মানুষের পাশাপাশি যে আজ বন ও প্রকৃতিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ তা লেখক অকপটে তার লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন; যা অত্যন্ত সাহসিকতাপূর্ণ কাজ ও প্রশংসার দাবিদার। সামাজিকভাবে এই বিষয়ে আমাদের ও পরবর্তী প্রজন্মকে আরোও সচেতন ও দায়িত্ত্ববান হওয়া জরুরী বলে মনে করি। বইয়ের কাহিনীর কিছু বিষয়ে আমার কাছে একটু নাটকীয় লেগেছে। যেমন আবরার ও সিনথিয়ার মাহফুজদের গায়েরবের বিষয়ে জানার জন্য দোকানে সিসি ক্যামেরার ভিডিও দেখে ট্রাক সনাক্তকরণ বিষয়টি একটু বেশিই নাটকীয় লেগেছে। মোটের উপর যাই হোক বইটি থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার হিসেবে ছিলো দারুণ উপভোগ্য। আর আমার লেখকের এই সিরিজের পরবর্তী বই ‘ক্রান্তি’ এখনো সংগ্রহ করা হয়নি। সেটাও পড়বো ইনসাল্লাহ। প্রোডাকশনঃ বইটির প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং ও পৃষ্ঠার কোয়ালিটি ছিলো ভালো। প্রচ্ছদও দারুণ মানানসই ছিলো। সবচেয়ে খারাপ লেগেছে বানান ভুলের বিষয়টি। প্রচুর বানান ভুল চোখে পড়েছে। বাতিঘর প্রকাশনীর কাছে এটি সত্যিই পুরোপুরিভাবে অপ্রত্যাশিত। পরবর্তী মুদ্রণে সেগুলো অবশ্যই সংশোধনের অনুরোধ করছি। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৭.৫/১০।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"নিনাদ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: