১ম প্রকাশ, ২০১৯
নিফাক থেকে বাঁচুন
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | নিফাক থেকে বাঁচুন |
| Author | ড. ইয়াদ কুনাইবী হাফিজাহুল্লাহ |
| Publisher | শব্দতরু |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 256 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.33 Kg |
| Translator | আহমাদ ইউসুফ শরীফ |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
7 Ratings and 4 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৪টি
Rofiqhasan , Jan 5, 2020
"এটি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বই"
Md. Naimur Rahman Nahid , Nov 8, 2019
"মনে করুন, কেয়ামতের দিন আপনি একদল আলোকিত মানুষের সাথে স্বাচ্ছন্দ্যে হেটে চলছেন। বিপদশংকুল সে পথে অনেকে যখন আলো খুঁজে পাচ্ছে না, তখন আপনি আলোকিত কাফেলাটির সাথে চলার কারণে কোন কষ্ট ছাড়াই এগিয়ে চলছেন। হঠাৎ করেই আপনার আলো কেড়ে নেয়া হল। কাফেলার আলোকিত লোকদের থেকে আপনাকে আলাদা করে দেয়া হল আর আপনাদের মাঝে একটি প্রাচীর দাঁড় করিয়ে দেয়া হল। প্রাচীরের মাঝখানে একটি দরোজা, যার ভেতরে থাকবে রহমত আর বাইরে আযাব। সে বিচ্ছেদ কেমন যন্ত্রণাদায়ক তা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। নূর ঠিকরে বের হওয়া আলোকিত মানুষদের সাথে থাকতে আপনি মনেপ্রাণে চাইবেন। আপনার মনে হতে থাকবে আপনি ভয়ংকর কোন দুঃস্বপ্ন দেখছেন যার কোন শেষ নেই। প্রিয় পাঠক, কেয়ামতের দিন মুনাফিকদের এমন দুঃস্বপ্নের মুখোমুখি হতে হবে। মুনাফিকরা আলোকিত মুমিনদেরকে বলবে আমরাও কিছু আলো নেব তোমাদের জ্যোতি থেকে। বলা হবে, তোমরা পেছনে ফিরে চলো আর আলোর খোঁজ করো। অপরদিকে দুনিয়ার আঁধারকে জয় করার বিনিময়ে কেয়ামতের দিন কঠিন প্রয়োজনের মুহূর্তে আল্লাহতা’লা মুমিনদেরকে কাঙ্ক্ষিত নূর দান করবেন। কুরআনুল কারীমে সূরা হাদীদের ১২ ও ১৩ নম্বর আয়াতে কিয়ামত দিবসের এমন ভয়ানক উপমার সাহায্যেই মুনাফিকদের চরম পরিণতি চিত্রায়িত করেছে। আল্লাহ আপনাকে ও আমাকে নিফাক থেকে বাঁচিয়ে রাখুন, আমিন। মুমিন মাত্রই নিজের ব্যাপারে নিফাকের ভয় করে। আমাদের অন্তরে নিফাক থাকলে কাল কেয়ামতের দিন আমাদের সব জারিজুরি, কারসাজি প্রকাশ পেয়ে যাবে। তখন মিথ্যের ফুলঝুড়ি মাখানো কথায় আর কাজ হবে না। . ||📓 বইয়ের বিষয়বস্তু|| ~ নিফাক সম্পর্কে আমাদের জানা প্রয়োজন। নিফাকের ভয়াবহতা অনুধাবন করা আবশ্যক। মুনাফিকদের স্বভাব চরিত্র সম্পর্কে ধারণা লাভ করে তা থেকে বেঁচে থাকা অতীব প্রয়োজন। আমাদের উচিত নিজেকে সবসময় পর্যবেক্ষণে রাখা যে, আমার মধ্যে মুনাফেকির কোন কোন আলামত রয়েছে। আমাদের আরো উচিত, কুরআন-সুন্নাহ অনুসরণ করে নিফাক থেকে বাঁচার পথ অনুসন্ধান করা, নিফাক থেকে বেঁচে থাকা। এসব কাজে আমাদের সহায়তা করার জন্যেই লিখিত হয়েছে ড. ইয়াদ আল কুনাইবি রচিত ‘নিফাক থেকে বাঁচুন’ বইটি। . ||📓 এক নজরে বই-পরিচিতি || বইয়ের নামঃ নিফাক থেকে বাঁচুন লেখকঃ ড ইয়াদ আল কুনাইবি অনুবাদকঃ আহমাদ ইউসুফ শরীফ ধরনঃ হার্ডকভার প্রকাশনীঃ শব্দতরু মুদ্রিত মূল্যঃ ৩২৪ টাকা . ||📓 লেখক সম্পর্কে কিছু কথা || ~ ড. ইয়াদ আল কুনাইবি অসম্ভব মেধাবী একজন চিকিৎসাবিজ্ঞানী, দ্বাঈ ও আলেম। নিজের মেধার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন প্রতিটি ক্ষেত্রেই। শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বদা অসাধারণ ফল লাভ করে নিজেকে পরিণত করেছেন বিশ্বসেরা একজন গবেষক হিসেবে। যুক্তরাস্ট্র থেকে স্কলারশিপ পেয়ে পিএইচডি লাভ করে সেখানেই কাজে যোগ দেন। কিন্তু, অমুসলিম দেশে থিতু হননি। নিজ দেশ জর্ডানে ফিরে এসে যোগ দিয়েছেন আম্মান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে। দুনিয়াবি শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীনি শিক্ষাও লাভ করেছেন আলিমদের সান্নিধ্যে। বাতিলের বিরুদ্ধে হক কথা বলায় জীবনে কারাবন্দীও হতে হয়েছে বেশ কয়েকবার। আল্লাহ লেখককে হকের উপর অটল রাখুন এবং আমাদেরকেও। . || 📓 বইয়ের ভেতরে যেসব আলোচনা স্থান পেয়েছে- || ~ i) নিফাক এক অবিচ্ছেদ্য ব্যাধি। মানুষের অন্তরে নিফাক ও ইমান একই সাথে অবস্থান করতে পারে। ইমানের স্তর যেমন বাড়ে কমে, তেমনিভাবে নিফাকও বাড়তে কমতে পারে। ii) অন্তর চার প্রকার। ক) পরিষ্কার অন্তর আলোকিত, তা মুমিনদের অন্তর। খ) আচ্ছাদিত অন্তর কুফরের আবরণে ঢাকা থাকে, যা কাফিরদের অন্তর। গ)উল্টো অন্তর, যা বিগড়ে গেছে। এ প্রকার অন্তর খাঁটি মুনাফিকদের অন্তর। ঘ) মিশ্রিত অন্তর, যাতে ইমান ও নিফাক উভয়ই বিদ্যমান। iii) অনেক সময় মুমিনগণ নিজের অজান্তেই মুনাফিক হয়ে যেতে পারে। তাই সাহাবাগণও নিজের ব্যাপারে মুনাফেকির ভয় করতেন। উমর (রা) এর মতো মানুষও নিজের ব্যাপারে এই ভয় করতেন। তাহলে আপনি আমি কেন মুনাফেকির ভয় করবো না? কেন আমরা মুনাফেকির আলামত থেকে বেঁচে থাকবনা? iv) সুবহানাল্লাহ! আল্লাহতালা যেন কুরআনে মুনাফিকদের কোন স্বভাবই বাদ দেন নি, সবই তুলে এনেছেন। আর এই স্বভাবগুলো সকল যুগেই অপরিবর্তিত রয়েছে, শুধুমাত্র নতুন শব্দের বুননে, নতুন মোড়কে উম্মাহকে আঘাত করে। এই বই পড়ে তা আবারও উপলব্ধি করেছি। v) বইয়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে এই বইয়ে মুনাফিকদের ২৪ টি চারিত্রিক বিশেষত্ব কুরআন হাদিস থেকে তুলে ধরা হয়েছে। এই সব মুনাফেকি আলামত নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। এসব আলোচনা পড়ে পাঠকগণ নিজের মধ্যে থাকা নিফাকের আলামত ধরতে পারবেন। বইতে আরো বর্ণিত আছে এসব মুনাফেকি থেকে বাঁচার কুরআন সুন্নাহ সমর্থিত উপায়। তাই পাঠক সতর্ক হতে পারবেন, নিজেকে এই নিফাক নামক ইমানবিধ্বংসী মহামারী থেকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করতে পারবেন। . || 📓 মুনাফিকদের চারিত্রিক বৈশিষ্ঠ্য জানুন, নিফাক থেকে বাঁচুন|| ~ প্রিয় পাঠক, বইতে মুনাফিকদের প্রায় সব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যেন স্থান পেয়েছে। মোট ২৪টি মুনাফেকি স্বভাবের আলোচনার মধ্যে অন্যান্য মুনাফেকি স্বভাবের আলোচনাও স্থান পেয়েছে। আমি এখানে শুধুমাত্র ৬টি মুনাফেকি স্বভাব নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা রাখব, যাতে আপনারা বই সম্পর্কে সামান্য ধারণা লাভ করতে পারেন। . ১। সংশয়বাদ, নিফাকের একটি মূল কারণ- গুনাহ অন্তরে ব্যাধি সৃষ্টি করে। ফলত, সেই ব্যাধি দ্বীনের ব্যাপারে মানুষকে সংশয়গ্রস্ত করে। আর এই সংশয়বাদ থেকেই নিফাকের অন্য আলামতগুলো প্রকাশ পায়। গুনাহ কীভাবে অন্তরের ব্যাধি সৃষ্টি করে তা বর্ণনা করেই লেখক ক্ষান্ত হননি, বরং সংশয়বাদ থেকে বাঁচার উপায় হিসেবে দুআ ও আলেমদের শরণাপন্ন হওয়া নিয়েও উপকারী আলোচনা রয়েছে। . ২। শরীয়াতে এলার্জি- মুনাফিকদের আরেকটি বিশেষত্ব হচ্ছে তারা শরীয়াহ পছন্দ করে না। কুরআনের আইনে তাদের এলারজি। নবীজি ﷺ-এর সময়কার মুনাফিকেরাও শরয়ী আইনকানুন অপছন্দ করতো, বর্তমান মুনাফিকেরাও করে। সুবহানাল্লাহ, সময় বদলায়, মুনাফিকদের আচরণ বদলায় না। তাইতো আল্লাহ কুরআনে অসংখ্য স্থানে মুনাফিকদের চরিত্র কলুষতা আলোচনা করে তাদের নিফাকের গুপ্ত পর্দা উন্মোচন করে দিয়েছেন যাতে মুমিনগণ বারবার দংশিত না হয়। ব্যক্তিপর্যায়ে কেউ যদি কুরআনের কোন আইন বা ইসলামের কোন বিধানকে অপছন্দ করে, অবজ্ঞা করে, ইসলামের আইন নিয়ে ঠাট্টা করে তবে বুঝে নিবেন তার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে নিফাক রয়েছে। এমনকি, কেউ যখন ইসলামী ভাবগাম্ভীর্যের সাথে বিয়েও করতে চায় তাকে নিয়েও এধরনের মুনাফিকেরা তামাশা করতে ছাড়ে না। মুসলিম দেশের মুনাফিক শাসকগণ কুরআনের আইন অনুযায়ী দেশ চালায় না, নিজের আরাম আয়েশের বিপরীতে গেলেই কুরআনের আইনকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়, কুফরি মতবাদকে আপন করে নেয়। এটা স্পস্ট মুনাফেকি আলামত। . ৩। কাফিরদের সাথে মিত্রতা- কুরআনে মুনাফিকদের এই চরিত্রের ব্যাপারে প্রচুর আয়াত এসেছে। তাদের মিত্রতা, তাদের বন্ধুত্ব, তাদের ওয়ালা হয় কাফিরদের সাথে। এসব মুনাফিকদের বারা, শত্রুতা ও বিদ্বেষ সবই হয় মুসলিমদের বিরুদ্ধে। আর মুনাফিকদের সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষ থাকে মুজাহিদদের বিরুদ্ধে। কাফির দেশে বসবাস, কোকোনাট শাইখদের ভ্রান্ত ফতোয়া ও আমেরিকায় বসবাস করে ক্রুসেডার আমেরিকার সেনাবাহিনীতে যুক্ত হয়ে মুসলিম নিধনে অংশগ্রহণের ফতোয়া নিয়ে লেখক এ অংশে যুগোপযোগী সাহসী আলোচনা করেছেন। . ৪। আত্মপ্রতারণা, মিথ্যা ও ধোঁকাবাজি- মুনাফিক মাত্রই মিথ্যাবাদি। সে মুমিনদের সাথে মিথা কথা বলে। ইসলাম যখন শক্তিশালী থাকে তখনই মুনাফিকদের আগমন হয়। তাদের নিয়তই হল মিথ্যা, ধোঁকাবাজি ও প্রতারণার দ্বারা মুসলিমদের থেকে ফায়দা তুলে নেয়া। অথচ, তারা বিশ্বাসীই নয়। পক্ষান্তরে, ইসলামের উপর আঘাত আসলে মুনাফিকরা দলবদল করে কাফিরদের দলে গিয়ে ভিড়ে। তারা কাফিরদের বলে যে, কাফিরদের বিপদে তারা পাশে থাকবে। বাস্তবে এটাও মুনাফিকদের প্রতারণা। তারা সবার সাথে ধোঁকাবাজি করে। তারা মনে করে তারা আল্লাহর সাথেও ধোঁকাবাজি করে পার পেয়ে যাবে। অথচ, এ কাজের মাধ্যমে তারা আত্মপ্রতারণা করে, নিজেকে নিজেই ধোঁকা দেয়। . ৫। জিহাদবিমুখতা- জিহাদ হল সেই চরম ফিল্টার যা মুমিনদের থেকে মুনাফিকদের পৃথক করে দেয়। মানুষ যে বিষয়ের দাবি করে তা বাস্তবায়নের চেস্টা করে। আর জান ও মাল কুরবানির সওদা হয়ে থাকে জিহাদের ময়দানে। তাই প্রত্যেক মুমিনের জন্য জিহাদ হল ইমানের অগ্নিপরীক্ষা, সকল আমলের চূড়া। মুমিনগণ ইমানি শক্তিতে বলিয়ান হয়ে, কস্ট সহ্য করে জিহাদে অগ্রসর হয়, শরয়ী জিহাদ ভালোবাসে। অপরপক্ষে মুনাফিকদের ইমানে ভেজাল রয়েছে। তাই যে বিষয়ে তাদের পাকা ইমান নেই, সে বিষয়ে কেন তারা ত্যাগ স্বীকার করতে যাবে? হঠাৎ আসা কোন তীর বা গোলার আঘাতে তাদের প্রাণ চলে যাবে- এ কথা ভেবেই তারা শিউরে উঠে। তাই জিহাদ প্রশ্নে তারা পলায়ন করে, জিহাদ নিয়ে কটুক্তি করে, মুজাহিদদের গালমন্দ করে। কখনো শরয়ী জিহাদ হচ্ছে না বলে, কখনো প্রতিকূল পরিবেশের বা দুরত্বের অজুহাত দেখিয়ে, কখনোবা দুরত্ব বা প্রস্তুতির সাফাই গেয়ে, আবার কখনো ফিতনা ফাসাদ থেকে বাঁচার বা পরিবারের সাথে থাকার আকুতি দেখিয়ে তারা জিহাদ থেকে পলায়ন করে, মুজাহিদদের বিরুদ্ধাচার করে। এসবকটি অজুহাতের অপনোদনই বইতে অতি উত্তমভাবে করা হয়েছে। . ৬। মুনাফিকদের জন্য ইবাদাত করা খুব কঠিন- মুনাফিকদের কিয়ামত দিবসে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর ব্যাপারে পাকা ইমান নেই। তাই তারা প্রতিদানের আশায় ইবাদাত করতে পারেনা। ইবাদাতে আলসেমি করে। মুনাফিক যখন নামাজ পড়ে তা লোক দেখানোর জন্য পড়ে। একাকী নামাজ পড়েই না। পড়লেও তাতে একাগ্রতা থাকে না। কারণ, মুনাফিক সর্বদা দুনিয়া নিয়ে হিসাব কিতাবে মত্ত। মুনাফিক উত্তমরুপে নামাজ পড়ে না। মুনাফিক জামাতে নামাজ পড়তে চায় না। ঈশা ও ফজরের নামাজ মুনাফিকদের জন্য খুব কষ্টের নামাজ। রাতের আঁধারে কষ্টের নামাজ তো লোকে তেমন দেখবে না তাই তারা রাতের নামাজগুলোতে ফাঁকি দেয়। মুনাফিক নামাজ পড়তে আলসেমি করে। নামাজে তাড়াহুড়ো করে। ওয়াক্তের সময় চলে যাওয়ার সময় কোনমতে দ্রুতগতিতে নামাজ পড়ে। মুনাফিক শুধু সালাত নয়, অন্যান্য ইবাদাতেও গড়িমসি করে। আল্লাহর রাস্তায় দান-সাদাকা করাকে ক্ষতি মনে করে ও তাতে কৃপণতা করে। . ||📓 নিফাক থেকে বাঁচার উপায়|| ~ নিফাক থেকে বাঁচার অনেক সুন্দর সব উপায় বইতে বর্ণিত হয়েছে। আমি এখানে মাত্র ৬টি উপায় তুলে ধরছি। ১। গুনাহ ছেড়ে দেয়া- গুনাহর কারণে অন্তরে আল্লাহর শাস্তি ও প্রতিদানের ব্যাপারে সংশয়ের জন্ম হয়। এই সংশয়বাদই হল মুনাফেকির প্রধান কারণ। তাই নিফাক থেকে বাঁচতে গুনাহ ছেড়ে দেয়ার কোন বিকল্প নেই। এ ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করতে হবে, সংকল্পে স্থির থাকতে হবে, দুআ করতে হবে। ২। ইসলামের বিধান শুধু পছন্দ করলেই হবে না, তা নিজের মধ্যে ধারণ করতে হবে। যত বেশি পারা যায় সুন্নাহসম্মত জীবনযাপন করতে হবে। দাঁড়ি রাখা আবশ্যক মানবেন আর দাঁড়ি রাখবেন না, পর্দা করা ফরজ মানবেন কিন্তু পর্দা করবেন না- এসব কিন্তু অন্তরের নিফাকের আলামত। ৩। আল্লাহর রাস্তায় দান সাদাকা করতে হবে। যখন মুমিন শয়তানের কুমন্ত্রণায় কান না দিয়ে, আখিরাতের স্মরণে দান সাদাকা করবে, তখন তা তার ইমান বৃদ্ধি করবে। ৪। নিফাক থেকে বাঁচতে হলে ইবাদাত বাড়িয়ে দিতে হবে। জামাতে নামাজ আদায় করুন, খুশু খুযুর সাথে নামাজ আদায় করুন। রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করুন। ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করুন। বেশি বেশি দুআ করুন আশা করা যায়, অন্তরের নিফাকি কমবে। ৫। জিহাদকে ভালোবাসতে হবে। আপনি মুজাহিদদের জন্য দুআ করুন, জালিমদের বিরুদ্ধে দুআ করুন, উম্মতকে নিয়ে ভাবুন। অন্তত নিয়ত যেন থাকে যে শরীয়াসম্মত জিহাদ যদি হয় তাতে আমিও শামিল হব। কেননা, সহীহ মুসলিমের একটি হাদিসে জিহাদের নিয়ত ছাড়া মৃত্যু হওয়াকে মুনাফিকের মৃত্যু বলা হয়েছে। ৬। আল্লাহর স্মরণ বা যিকিরের দ্বারা অন্তরের নিফাক দূর হয়। হাদিসে এসেছে যে ব্যক্তি দান করতে কার্পণ্য করে, জিহাদের ময়দানে শত্রুকে ভয় করে, রাত জাগতে ভয় করে; সে যেন বেশি বেশি ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ্, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ও আল্লাহু আকবার’ বাক্যসমূহ দ্বারা যিকির করে। ."
Sabbir , Oct 10, 2019
"ঈমান ও নিফাক দুটি বিপরীতমুখী জিনিস। মুমিন আর মুনাফিক কখনো বন্ধু হতে পারে না—দুনিয়াতেও না আর পরকালে তো মুনাফিকের আবাস হবে জাহান্নামের অতলে। নিফাক একটি দ্বিচারী স্বভাব। ভিতরে এক রূপ আর বাইরে আরেক রূপ। আল্লাহর কাছে এটা অত্যন্ত ঘৃণিত স্বভাব। পবিত্র কুরআন এবং হাদিসে নববীতে নিফাক ও মুনাফিক সম্পর্কে বিশদ আলোচনা এসেছে। মুনাফিকদের সম্পর্কে কুরআনে স্বতন্ত্র সূরা অবতীর্ণ করা হয়েছে। হাদিসে নববীতে তাদের আচার-বৈশিষ্ট্যের বিবরণ এসেছে। মুনাফিকরা মুসলমানদের ঘরের শত্রু। এরা কোনকালেই উম্মাহর কল্যাণকামী ছিল না। ইসলামের শুরুলগ্ন থেকে হাজার বছরের ইতিহাস থেকে আমরা এর সত্যতা পাই। এতো নাযুক একটি বিষয় সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা আর উদাসীনতা যারপরনাই হতাশাজনক। আলোচ্য বইটি পড়লে আশা করা যায় এই অজ্ঞতা কিছুটা হলেও দূর হবে। বই - নিফাক থেকে বাঁচুন লেখক - ড. ইয়াদ কুনাইবী প্রকাশনী - শব্দতরু"
Sahariar Kabir , Sep 28, 2019
""নিফাক থেকে বাচুন" বইটা সমকালীন মুসলিমবিশ্বের প্রতি দরদমাখা এক সতর্কবার্তা। নিফাক সম্পর্কে ধ্যান-ধারণার প্রয়োজনীয় সংশোধনী। বাস্তব উদাহরণসহ নিফাকের ভয়াবহতার এক সত্য বিবরণ। নিফাকের শঙ্কায় থাকা মানসিক অবস্থার বিশ্লেষণ। নিজের অজান্তেই নিফাকে জড়িয়ে যাওয়ার প্রামাণ্য আলোচনা এবং ঈমানঘাতী এই ব্যাধি থেকে আত্মরক্ষার প্রচেষ্টা। প্রিয় পাঠক, নিজের অবস্থা উপলব্ধি করুন এবং ফিরে আসুন। কিয়ামতের ভয়াবহ দিনে ঈমান ও কুফর, শিরক এবং নিফাকের মাঝে বিভাজন প্রাচীর দাড় করানোর আগেই....."
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"নিফাক থেকে বাঁচুন" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: