হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
নি - হুমায়ূন আহমেদ এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

৯ম মুদ্রণ, ২০১৫

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

নি

45 Ratings | 27 Reviews
TK. 172 TK. 200 -14% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

ভূমিকা ‘নিউটনের ভুল সূত্র’ নামে আমার একটি বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প আছে। ঐ গল্পের নায়কের নাম অমরনাথ পাল।‘নি’ উপন্যাসের নায়ক মবিনুর রহমান। নাম ভিন্ন হলেও দু’জনের স্বভা...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

ভূমিকা ‘নিউটনের ভুল সূত্র’ নামে আমার একটি বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প আছে। ঐ গল্পের নায়কের নাম অমরনাথ পাল।‘নি’ উপন্যাসের নায়ক মবিনুর রহমান। নাম ভিন্ন হলেও দু’জনের স্বভাব চরিত্রে এক ধরনের মিল
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title নি
Author হুমায়ূন আহমেদ
Publisher কাকলী প্রকাশনী
Edition ৯ম মুদ্রণ, ২০১৫
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 100
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.2 Kg
ISBN 9847013300160
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

4.82

45 Ratings and 27 Reviews

★★★★★
38
★★★★☆
6
★★★☆☆
1
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

২৭টি
MD.Shafin Ur Rahman

MD.Shafin Ur Rahman , Jul 13, 2026

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"১০০/১০০"

rafin

rafin , Jun 9, 2026

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"shei"

Khan Sumaita Laisha

Khan Sumaita Laisha , Sep 10, 2025

★ ★ ★ ★ ★

"বইটি পড়ে দারুণ লেগেছে। বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তী হুমায়ূন আহমেদ-এর লেখার সহজ ও সাবলীল ভঙ্গি আবারও মুগ্ধ করেছে। কাহিনীর বুনন এতটাই চমৎকার যে একবার পড়া শুরু করলে শেষ না করে ওঠা যায় না। বইটি পড়ার সময় মনে হয়েছে আমি যেন গল্পের প্রতিটি চরিত্রের সাথেই হেঁটে চলেছি। নতুন যারা হুমায়ূন আহমেদের লেখা শুরু করতে চান, তাদের জন্য এই বইটি একটি আদর্শ পছন্দ হতে পারে।"

Sanjida Nowshin Taha

Sanjida Nowshin Taha , Jul 26, 2025

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"Alhamdulillah,,, this book is really fascinating (more than I expected 👀),,, It's such a book which will make you think about science especially physics! Anyways,,,this is one of the best books of Humayun Ahmed sir!🤲🫶"

880****775

880****775 , Mar 23, 2025

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"boita ekhono ses hoyni pora tobe jotodur porsi amr bes vloi lagse. r tasarao Humayun Ahmed pray sob boi e amr onnek vlo lage"

r04****com

r04****com , Feb 28, 2025

★ ★ ★ ★ ★

"nice 👍. pore onk Moja pelam"

Murad Hossein

Murad Hossein , Oct 21, 2024

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"best, Bhai ei boi ta prochur rokomer shndor hoiche, humayun Ahmed sir ke onk dhonnobaad erkm Ekta boi er jnno..."

880****396

880****396 , Mar 5, 2024

★ ★ ★ ★ ★

"This is a another type story.I liked it so much.When the book ended I didn't realize anything.I saw the last page but there was nothing then I understood The story ended🤐.....Very beautiful...🥰"

Ramisha Raida Eshat

Ramisha Raida Eshat , Dec 17, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"অসাধারণ 😊😊😊"

Muide Rubaite Yean

Muide Rubaite Yean , Aug 18, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"বইটিতে আবেগ অনুভূতিহীন একটি মানুষের চরিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। তার বিপরীতে ছিল অতীব আবেগ সম্পন্ন একটি চরিত্র। এটাকে অনেকটা রোমান্টিক উপন্যাস ও বলা যেতে পারে।"

Anamika Tahsin

Anamika Tahsin , May 22, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"An amazing book."

A. Rahman Ovi

A. Rahman Ovi , May 7, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"গল্প শেষ করার পর মন কিছুসময়ের জন্য খারাপ থাকবে। এই খারাপ লাগাটাতেই ভাল লাগা কাজ করে। আর রুপার জন্য এক অদ্ভুত ভালবাসা জন্মায়।"

G.M.Faruk

G.M.Faruk , Apr 5, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"আমার কাছে অনেক রোম্যান্টিক লেগেছে । আমি সফটকপি পরেছি । অনেক ভালো !!!!!!! 👍👍👍👍"

Mahdia Ruza

Mahdia Ruza , Mar 21, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"হুমায়ন আহমেদ এর বই পড়ে খারাপ লাগবে না করো কখনো । ঠিক তেমনই একটি বই এটা ।"

Tanzima Akter

Tanzima Akter , Feb 11, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"Fabulous."

হাসিবুল ইসলাম শান্ত

হাসিবুল ইসলাম শান্ত , Feb 3, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"রূপা একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। দেখতে দেখতে তার চোখ ভিজে উঠল। মবিনুর রহমান উঠে দাঁড়ালেন। তাঁর ইচ্ছে করছে এই পাগলী মেয়েটার মাথায় হাত দিয়ে দু'একটা সান্ত্বনার কথা বলতে। -------------------------------------------------------------------------- বই: নি লেখক: হুমায়ূন আহমেদ প্রকাশনী: কাকলী প্রকাশনী মূল্য: ১৫০৳ পৃষ্ঠা: ১০০ ⭕লেখক পরিচিতি: জন্ম: হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১৩ নভেম্বর ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহুকুমার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা শহীদ ফয়জুর রহমান আহমদ এবং মা আয়েশা ফয়েজ। তাঁর পিতা একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। মৃত্যু: ২০১১-এর সেপ্টেম্বের মাসে সিঙ্গাপুরে ডাক্তারী চিকিৎসার সময় তাঁর দেহে মলাশয়ের ক্যান্সার ধরা পড়ে। মলাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। কৃত্রিমভাবে লাইভ সাপোর্টে রাখার পর ১৯শে জুলাই ২০১২তারিখে তিনি নিউ ইয়র্কের বেলেভ্যু হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। (তাঁকে নুহাশ পল্লীতে দাফন করা হয়) ⭕বই সম্পর্কে কিছু কথা: 'নি' হলো একজাতের মানুষ। এই পৃথিবীতে দীর্ঘদিন পর পর একজন 'নি' জন্ম নেয়৷ সাধারণ মানুষের শরীরে ৪৬টি ক্রোমোজম থাকে। কিন্তু একজন 'নি' এর শরীরে ৪৭টি ক্রোমোজম থাকে। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর মত গল্পাকারে হুমায়ূন আহমেদ 'নি' দের কে নিয়ে চমৎকার এক ফ্যান্টাসি গল্প রচনা করেছেন। ⭕সংক্ষিপ্ত আলোচনা: এই গল্পের মূল চরিত্র হলেন 'মবিনুর রহমান'। তিনি এম.এসসি. পাস করার পর সব মিলিয়ে আঠারো বার চাকরির ইন্টারভিউ দিয়েও কোন চাকরি না পেয়ে সর্বশেষ তিনি নীলগঞ্জ মডেল হাইস্কুলের সায়েন্স টিচারের পদে যোগ দেন। মবিনুর রহমান এক আশ্চর্য মানুষ। তাঁর বুক পকেটে সবসময় একটা গোলাকার ঘড়ি থাকে। এ ঘড়ি সাধারণ ঘড়ি নয়-একের ভেতর তিন। ঘড়ির সঙ্গে আছে স্টপ ওয়াচ এবং একটি আর্দ্রতা মাপক কাঁটা। তিনি নীলগঞ্জে এসে স্কুল দপ্তরি কালিপদ'র এক বাসা ভাড়া নেন৷ কালিপদ'র স্ত্রী-সন্তান সাপের কামড়ে মারা যাওয়ায় কালিপদ ভয়ের কারণে এ বাড়ীতে থাকা বাদ দিয়েছে। বাড়িটি মানুষ বাসের যোগ্য না। একটা মাত্র ঘর কোন রকমে টিকে আছে। কালিপদ সাপের কথা মবিনুর রহমান কে বলেছে। তিনি উদাস গলায় বলেছেন, সাপ আছে থাক না। অসুবিধা কি? সাপদের ও তো বাঁচার অধিকার আছে। মবিনুর রহমানের অধিকাংশ সময় কাটে ঘাটে বাঁধা নৌকায়। মবিনুর রহমান ঘুমের মধ্যে অতি বিচিত্র রকমের স্বপ্ন দেখেন। স্বপ্নে কয়েকজন বুড়ো মানুষ তাঁর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। সবার চেহারা একরকম। হাসি একরকম। একসময় তারা কথা বলতে শুরু করে। মবিনুর রহমান জিজ্ঞেস করে- আপনারা কে? তারা উত্তর দেয়- আমরা হচ্ছি 'নি'। এই গল্পের আরেকটা মূল চরিত্রের নাম- রূপা। রূপা মেয়েটি অসম্ভব সুন্দরী এবং বুদ্ধিমতী। রূপা এ বছর এস.এস.সি পরিক্ষা দেবে। মবিনুর রহমান রূপাকে গত ছ'মাস ধরে পড়াচ্ছেন। এই মেয়েটা মবিনুর রহমান কে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে। কিন্তু এ কথা সে বাসার কাউকে বলে না, এমনকি মবিনুর রহমান কে ও বলেনি! মনে-মনে মবিনুর স্যার কে ভালোবাসলেও রূপার বিয়ের জন্য বাসা থেকে রূপার জন্য তানভীর নামের এক ছেলেকে বাসায় নিয়ে আসে। এবং একপর্যায়ে বিয়ের কথা পাকাপাকি করে ফেলে। অথচ রূপার চিন্তা-ভাবনা জুড়ে শুধু মবিনুর রহমানের বসবাস। অন্য দিকে নীলগঞ্জ স্কুলের নামে বরাদ্দ ১০০ বস্তা গম থেকে ১০বস্তা গম স্কুল পায়, আর বাকি নব্বই বস্তা গম 'চুরির' মিথ্যা মামলায় মবিনুর রহমান ফেঁসে যায়। রুপার ভালোবাসার কথা এবং মিথ্যা চুরির কথা রূপার বাবা প্রাক্তন চেয়ারম্যান আফজাল সাহেব জানতে পেরে মবিনুর রহমান কে শাস্তি এবং অন্য দিকে রূপার মন থেকে মবিনুর রহমান কে চিরতরে মুছে ফেলার জন্য মবিনুর রহমান কে জেলে পাঠিয়ে দেন। জেলে থাকাকালীন সময়ে মবিনুর রহমান জানতে পারেন তিনি আসলে কোন সাধারণ মানুষ না! তিনি একজন 'নি'। 'নি' রা একধরণের স্রষ্ঠা! 'নি' দের জন্ম হয়েছে স্বপ্ন দেখার জন্য। তারা স্বপ্ন দেখে- নতুন সৃষ্টি হয়। 'নি'-দের যাবতীয় সমস্যা থেকে দূরে রাখার সব ব্যবস্থা প্রকৃতি করে রাখে। 'নি' রা প্রকৃতির সন্তান। এত ক্ষমতাবান হওয়া সত্ত্বেও মবিনুর রহমান কি জেল থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন? তিনি কি রূপার বিয়ে আটকাটে পেরেছিলেন? তিনি কি রূপার মনের কথা জানতে পেরেছিলেন? রূপার কাছাকাছি আসতে পেরেছিলেন? মবিনুর এবং রূপার গল্পের শেষটা কেমন ছিলো? এরকম অনেক প্রশ্নের উত্তর এবং কিছু অজানা বিষয় জানতে হলে পড়ে ফেলুন- 'নি'। ⭕গল্পের আরো কয়েকজন মূল চরিত্র: আরবী শিক্ষক- জালালুদ্দিন সাহেব। স্কুলের হেড মাষ্টার- হাফিজুল কবির। রূপার বড় ভাই- রফিক।রূপার (ভাতিজি) ভাইয়ের মেয়ে- জেবা। ⭕পাঠ প্রতিক্রিয়া: ১০০ পৃষ্ঠার ছোট একটা বই 'নি'। পড়ার শুরু করার আগে নিজে-নিজে ভাবছিলাম 'নি' এটা আবার কেমন নাম! মনে হয় এ বইটা খুব একটা ভালো লাগবে না! অথচ পড়ার পরে আমার এ মনোভাব দূর হয়ে গেছে। পড়া শেষে মনে হয়েছে কি চমৎকার, আহ্! কি অসাধারণ একটা গল্প পড়লাম। আমি একবসায় বইটা শেষ করেছি। হুমায়ূন আহমেদ'র বই বরাবর'ই আমার অনেক ভালো লাগে। পড়তে পড়তে কেমন যেন মুগ্ধ হয়ে যায়! এ বইটাও পড়ে মুগ্ধ হয়েছি। আশা করি বইটা আপনাদের কাছও অনেক ভালো লাগবে। ⭕বইটা ভালো লাগার কারণ: বইটা ভালো লাগার বিশেষ কোন কারণ নেই। তবে 'নি' গল্পের মূল চরিত্র- মবিনুর রহমানের সহজ সরলভাবে জীবন-যাপন, তার চলাফেরা, কথাবার্তা সবকিছু কেমন যেন আমাকে মুগ্ধ করেছে। অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েও সততার উপর অবিচল থেকে কিভাবে সাদামাটাভাবে জীবন যাপন করা যায় সেটা মবিনুর রহমানের গল্প পড়ে বুঝেছি। আর হ্যাঁ- হুমায়ূন আহমেদ'র বই সবসময়ই আমার অনেক ভালো লাগে। সুতরাং আমার ভালোলাগা বলতে আপতত এতটুকুই। ⭕বইটা অন্যদের কেন পড়া উচিত: সমাজের উচ্চ শিক্ষিত হয়েও গল্পের নায়ক মবিনুর রহমানের মতো যারা বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাচ্ছে না, তারা হাল ছেড়ে না দিয়ে সফলতার জন্য অপেক্ষা করার সুন্দর একটা মানসিকতা তাদের তৈরি হবে। এবং এ মানসিকতা অবশ্যই একসময় আপনি সফল করবে। অন্যদিকে যারা সমাজের উচ্চ পদের কর্মকর্তা, সমাজের বিত্তশালী লোকজনের কু-চক্রের শিকার হয়ে বিভিন্ন ফাঁদে আটকা পড়ে, সে সময়েও নিজের উপর, নিজের সততার উপর কিভাবে বিশ্বাস রাখতে হবে 'নি' বইটা পড়লে সেটাও বুঝতে পারবে। আপনার সততা'ই আপনাকে সব বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি দিবে। সুতরাং- নিজেকে নতুনভাবে জানার জন্য, সাথে-সাথে সামাজিক এবং চমৎকার এক রোমাঞ্চকর গল্প পড়তে হলে অবশ্যই 'নি' বইটা পড়ে ফেলুন। ⭕নিজস্ব রেটিং: ৯.৫/১০ ⭕বিশেষ কিছু লাইন: মবিনুর রহমান ডাকলেন- রূপা, রূপা! রূপা নৌকার ভেতর থেকে বের হয়ে এল। রূপা বলল, স্যার আমার ভীষণ ভয় লাগছে। নদী এগুচ্ছে। নদীর জল ফুলেফেঁপে উঠছে। মবিনুর রহমান দাঁড়িয়ে আছেন। রূপা আবার বলল, স্যার আমার ভয় লাগছে। খুব ভয় পাচ্ছি স্যার....."

M.A.K Asif

M.A.K Asif , Aug 18, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"ফ্যান্টাসি টাইপের এই উপন্যাস টি হুমায়ুন আহমেদ এর অন্যতম চমৎকার একটি বই। শিক্ষক মবিনুর রহমান চরিত্র ছিলো উপন্যাসের প্রধান চরিত্র যার ছিলো অসামান্য ক্ষমতা। এমন ক্ষমতা রুপার ভাইয়ের বড় মেয়েরও ছিলো এবং সে মবিনুর রহমান ও রুপার মধ্যকার সবকিছু বুঝতে পার‍তো। এক সময় রুপার পরিবার, রুপার বাবা তাদের সম্পর্কে সব জানলো। এরপর রুপার বাবা মবিনুর রহমান কে অনেক অপমান করে মিথ্যা ফাঁসিয়ে দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত রুপা মবিনুর রহমানের কাছে চলে আসা এবং রুপার মারা যাওয়া এবং মবিনুর রহমান নি দের নিষেধ সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে রুপা কি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা সবমিলিয়ে উপন্যাস টি অসাধারন। যারা রোমান্টিক উপন্যাস পড়তে ভালোবাসেন তাদের জন্য বইটি অন্যতম সেরা একটা বই হবে আশা করি।"

শাইমুল আলম হাসিব

শাইমুল আলম হাসিব , Feb 8, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"আসলে নি কোন সাইন্স ফিকশন নয়,'নি' ফ্যান্টাসি। আমার কথা নয় হুমায়ুন আহমেদের কথা।আর মানুষের কল্পনার কোন সীমা নেই, তা আসীম। নি এমন ই একটি গল্প যেটা তে আমি স্যার এর কল্পনার একটি উদাহরণ পেয়েছি। গল্পে নি রা কি ভালো নাকি খারাপ তা বুঝিনি এবং বুঝতে চাইনা। কিন্তু মাঝে মাঝে মনে চায় আমি এই ভয়ংকর সুন্দর নি দের মত হতে পারতাম!"

MD. ABIR HOSSAIN

MD. ABIR HOSSAIN , Jan 6, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"Good"

Rezoanul Haque

Rezoanul Haque , Dec 18, 2019

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"এইমাত্র বইটা পড়া শেষ করলাম। মনে হচ্ছে, এই গল্পের বর্ণনা আমাকে দিয়ে করানো অসম্ভব। হুমায়ুন আহমেদকে আমি পূর্ব থেকেই অনেক ভালো লেখক মনে করে চলি। এবইটা পড়ে ভালো লাগা-ভালবাসা বেড়ে গেলো প্রিয় লেখকের প্রতি। কখন বইটা শেষ হলো টেরই পেলাম না! সত্যি বলতে এতক্ষণ আমি মুবিনুর-রূপার গল্পে মোহাচ্ছন্ন ছিলাম। নিঃসন্দেহে এটা আমার পড়া সেরা ১০টি বইয়ের একটি। গল্পের শেষে মন চাচ্ছিল হালকা কান্না করি; মনটা হালকা হবে। অবশেষে হুমায়ুন আহমেদ আমাদের মাঝে নেই এটা ভেবে চোখের কুঠুরি ভিজে উঠল। গভীব শ্রদ্ধা প্রিয় লেখক।"

Md. Wahidur Rahman

Md. Wahidur Rahman , Sep 18, 2019

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"হুমায়ূন আহমেদ এর সকল গল্পই যেমন পাঠককে ভাবনার অন্য রাজ্যে নিয়ে যায় এটিও তেমন একটি গল্প। বইয়ের নাম দেখে সায়েন্স ফিকশন মনে হলেও আসলে এটি ফ্যান্টাসি রচনা যা লেখক নিজেই বলেছেন। গল্পের প্রধান চরিত্র মবিনুর রহমানের সহজ জীবন যেন পাঠককে আকৃষ্ট করে প্রথম থেকেই। এগার বছরের মেয়ে জেবা, গল্পের প্রধান মেয়ে চরিত্র রূপা সবাই যে হুমায়ূন আহমেদ এর সৃষ্টি করা অন্য সব আলোকিত নারী চরিত্রসমূহের প্রতিফলন। আছে আমাদের প্রচলিত সমাজের সমস্যা আর সমস্যাযুক্ত মানুষগুলো। গল্পে মবিনুর রহমানের মধ্যেমে লেখক এর ম্যাসজ ছিল স্বপ্ন দেখার। স্বপ্নই যে মানুষকে সৃষ্টির দিকে নিয়ে যায় তাই এই গল্পে হুমায়ূন আহমেদ বুঝাতে চেয়েছেন বলে আমার মনে হয়েছে।"

PROSSONO

PROSSONO , Aug 21, 2017

★ ★ ★ ★ ★

"#রকমারী_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা #রিভিউ_৩ (আগস্ট রিভিউ-১৮) দশম শ্রেণীতে পড়ার সময় আমি এমন এক শিক্ষকের কাছে পড়তাম যিনি গণিতে এম.এস.সি পাশ আবার সাথে পিএইচডি গবেষক হলেও কোন এক বিচিত্র কারণে প্রাইভেট পড়াতেন কেমেস্ট্রি বিষয়ে আর রাত হলে জ্যোতিবিদ্যা বই খুলে টেলিস্কোপ দিয়ে রাতের আকাশ দেখতেন। স্যার কেন গণিতে পাশ করে কেমেস্ট্রি পড়াতেন এই নিয়ে জিজ্ঞেস করলে বলতেন " গণিতের তো আর পড়ার কিছু নাই। সব পড়ে শেষ করেছি। তাই তোমাদের কেমেস্ট্রি পড়িয়ে কিছু জ্ঞান লাভের চেষ্টায় আছি।" তবে তিনি কেমেস্ট্রিও অসাধারণ পড়াতেন। থাকতেন পড়ানোর ঘরেই। তবে ঘরটা জরাজীর্ণ। আমাদের ঠাসাঠাসি করে বসতে হত আর ঘরভর্তি ছিল আরশোলা আর টিকটিকিতে। স্যারের বয়স তখন ৩৪-৩৫ হলেও কোন এক বিচিত্র কারণে বিয়ে করেন নি। তবে আরো বিচিত্র কারণ হল তিনি তার এক অপরূপা ছাত্রীকে অবশেষে বিয়ে করেছিলেন। এমনও শোনা যায় তার ছাত্রী কাম বউকেই নাকি তিনি গণিত দেখিয়ে দিতেন কেমেস্ট্রির পাশাপাশি। এই ঘটনা শুনে আমরা শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলতাম! হুমায়ূন আহমেদ স্যারের নাতিদীর্ঘ সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস ' নি'। এই উপন্যাসের শুরুতেই স্যার পরিচয় করিয়ে দেন বিজ্ঞান বিষয়ে এম.এস.সি পাশ এক শিক্ষকের সাথে যার নাম মবিনুর রহমান। উনি নীলগঞ্জ মডেল হাইস্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক। অবিবাহিত, ৩৬/৩৭ বছর বয়স, পুরা পৃথিবীর উপর যিনি সবসময় বিরক্ত। উনি থাকেন স্কুলের দপ্তরি কালিপদর এক ভাঙাচোরা ঘরে যেই ঘর নদীর পাশে আর ঘরে যখন - তখন সাপ দেখা যায়। মবিনুর রহমানের সংগী এক টেলিস্কোপ আর তার কেনা নৌকা যেটা সবসময় নদীর ঘাটে বাঁধা থাকে আর নৌকায় বসে তিনি রাতের আকাশের নক্ষত্র দেখেন। তবে তিনি এক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ। কারণ তিনি স্বপ্নে যাই দেখেন তাই তার মধ্যে এক নতুন জগত সৃষ্টি হয় আর তিনি নব নব আনন্দ লাভ করেন। এইজন্যে তাকে বলা হয় 'নি'। মবিনুর রহমান পড়ান রূপা নামের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীনি এক মেয়েকে যার রূপ তার নামের মতই সৌকর্যময়। রূপা তার স্যারের জন্যে পাগল। সে মবিনুর রহমানের সবকিছু খুটিয়ে খুটিয়ে লক্ষ্য রাখে। কি, কখন, কেমন ব্যবহার স্যর করে সব। কিন্ত মবিনুর রহমান তাকে পাত্তা দেন না। ঘটনার পরম্পরায় স্কুলের হেডমাস্টার মবিনুর রহমানকে নিয়ে স্কুলের নামে আসা ৫০ বস্তা গম আনতে চেয়ারম্যানের কাছে গেলে তিনি ১০ বস্তা গম দিয়ে তাদের বিদায় দেন। গম উত্তোলনের সই দেন মবিনুর রহমান। কিন্তু এইদিকে সরকার থেকে অর্ডার আসে স্কুলে নাকি ১০০ বস্তা গম গেলেও মাত্র ১০ বস্তা বিতরণ করা হয়েছে। এজন্যে নিরপরাধ মবিনুর রহমানের নামে মামলা হয়। অপরদিকে রূপা বাড়ীর মানুষজন তার বিয়ে মেজো ভাইয়ের বন্ধু তানভীরের সাথে ঠিক করে। ঘটনা পাক খায় মবিনুর রহমানকে পুলিশে ধরে নিয়ে গেলে। মানুষজন ক্ষেপে যায় কারণ জানে মবিনুর রহমান গম চুরি করেন নি। তাই ওসি সাহেব জনরোষ থেকে বাঁচতে তার নামে মিথ্যা রেপ কেস সাজায়। কিন্তু মবিনুর রহমানকে জন্ম থেকে রক্ষাকারী কিছু ' নি' নামের অদৃশ্য মানুষ তাকে বাঁচাতে তার উপর অত্যাচারকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করে। মবিনুর রহমান ছাড়া পেয়ে রূপা সাথে দেখা করতে তার বাসায় আসলে রূপা তার সাথে চলে যেতে চায় কিন্তু মবিনুর রহমান একাই বাসায় ফিরে আসার পথে দেখে নদী ভাঙতে ভাঙতে সবকিছু গ্রাস করছে। জ্বর শরীর নিয়ে তিনি পরেরদিন জানতে পাড়েন এক হ্রদয়বিদারক ঘটনা। তখন তিনি ঘর থেকে বের হয়ে 'নি' দের তৈরি করা নিয়ম ভেঙে নিজের কল্পনায় বাস্তব জগত সৃষ্টি করতে থাকেন। আর এদিকে নদী ভেঙে এগুতে থাকে আর তিনি..... তার কি হয় সেটা পড়ে ফেলুন পাঠক। হুমায়ূন স্যারের সায়েন্স ফিকশন উপন্যাসগুলো পড় পড় পড়তে গেলেই কিছুটা বিরক্তি চলে আসে। অন্তত আমার আসছে। গল্পের প্লট, বিজ্ঞানের বিভিন্ন জিনিসের সহজ- সরল ব্যাখ্যা এইসব নিয়ে কোন অভিযোগ নেই কিন্তু বিরক্ত লাগে প্রায় সব উপন্যাসে নায়ক আধ- পাগলা, তিনি প্রকৃতির নিয়ম ভঙ্গ করেন, তার শাস্তি হয়, তিনি শেষে পাগলের মত আচরণ করেন ইত্যাদি। প্রায় উপন্যাসেই যদি একই ঔষুধ দেয় তাইলে বিরক্তি আসা স্বাভাবিক। যেহেতু অভিযোগ জানাবার জন্য তিনি আর নেই তাই কিছুটা বিরক্তি চেপে পড়ে যাওয়াই উত্তম। #বইয়ের_নাম : নি লেখক : হুমায়ূন আহমেদ"

mostafizur rahman

mostafizur rahman , Nov 24, 2016

★ ★ ★ ★ ★

"আজকে কাহিনী সাইন্স শিক্ষক মবিনুর রহমানকে নিয়ে। মববিনুর রহমানের আছে অদ্ভুত এক ক্ষমতা। ক্ষমতা বলে সে নতুন নতুন জগৎ সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও আরো অনেক ক্ষমতা আছে তার কিন্তু সে জানেনা তার ক্ষমতার কথা, তাই সেসব ব্যাবহার কি করে করতে হয় সেটাও জানা নেই। কিন্তু মবিনুর রহমান যখন তার ক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পারলো তখন তার অপব্যবহার করলো, প্রকৃতির অপব্যাবহার করলো ফলে তার জীবনে নেমে আসলো বিষন্ন কালো ছায়া, এখন আর তার বাচার কোন পথ নেই অথচ কিছুদিন আগে ভাঙা চুড়া একটা ঘরে সে থাকতো। সবাই মনে করতো ঘরটা যেকোন সময় হুড়মুড়িগে পড়ে যাবে। কিন্তু দিনের পর পর দিনেও ঘর ভাঙ্গেনি। শুধু যে ভাঙ্গেনি তাই না ঘরের ভিতর রয়েছে বিষাক্ত সাপ তারা পর্যন্ত মববিনুর রহমানকে কামড়ায়নি। অথচ এর আগে অনেকর প্রান গেছে সাপের ছোবলে। তবে এটা সত্যি যে মবিনুর যা করেছে তা এক মেয়ের জন্য করেছিল, নিজের সবসবকিছুর বিনিময়ে ফিরিয়ে দিয়েছে একটি মেয়েকে। যে মেয়ে গল্পের নায়িকা এবং ভালবেসে মবিনুর কে। মববিনুর একজন বৃদ্ধ মানুষ তাকে ভালোবাসার কোন কারন যখন তার পরিবার খুজে পেলোনা তখন মবিনের বিরুদ্ধে শুরু করে দিল ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্রে যখন মবিনকে বাঁচাবার কেউ নেই ঠিক তখনই আসলো নি মানব রা। এই নি মানব অন্য জগৎ তৈরী করতে পারে। তাহলে কি তারা তৈরী করে দেবে মবিনুরের অন্যজগৎ।"

Jakaria

Jakaria , Oct 18, 2016

★ ★ ★ ★ ★

"Good Book"

মাদিহা মৌ

মাদিহা মৌ , Oct 18, 2016

★ ★ ★ ★ ★

"ফ্ল্যাপে কিছু লেখা নেই। আর হুমায়ূন আহমেদের এই গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ লেখা আমাকে দিয়ে হবে না। আমি নিজের পছন্দ মত একটা প্যারা তুলে দিচ্ছি। . মবিনুর রহমান নৌকার বিছানায় শোয়া মাত্র ঘুমিয়ে পড়লেন। গাঢ় ঘুম, এত গাঢ় যেন মৃত্যুর কাছাকাছি। এই ঘুমের মধ্যেও তিনি অতি বিচিত্র একটা স্বপ্ন দেখলেন। যেন কয়েকজন বুড়ো মানুষ তার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। সবার চেহারা একই রকম। তাকিয়ে থাকার ভঙ্গীও একই রকম। সবার মুখে এক ধরনের প্রচ্ছন্ন হাসি। সেই হাসি একই সঙ্গে কঠিন এবং কোমল। এরা হলেন নি। যারা স্বপ্ন তৈরি করেন। পাঠ প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের মফস্বলের পটভূমিতে লেখা সায়েন্স ফিকশন বলা হয় নি'কে। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মবিনুর রহমানকে প্রথম পরিচয়ে যে কোন ছাত্র/ছাত্রী অপছন্দ করবে। একজন মানুষের সমস্ত কাজ যদি হয় রোবটের মতো, বিজ্ঞান নিয়ে একটু এদিক ওদিক করে কথা বললেই যদি পাটিগণিতে অংক করার শাস্তি দিয়ে বসেন, তাকে কে পছন্দ করবে? . এই বইয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র হলো, নৈঃশব্দবতী জেবা। কেন, কে জানে, বাচ্চা মেয়েদের মধ্যে পরিণত ভাব থাকলে ওই বাচ্চাকে আমার খুব ভালো লাগে। আর এই মেয়ে তো পরিণতদের মধ্যেও পরিণত। . কিছু ব্যাপার ভালো লাগেনি। লুঠ করা গমের দায়ভার নিরপরাধ শিক্ষকের উপর চাপিয়ে দেওয়ার মত গ্রাম্য রাজনীতি কিংবা হাউজ টিউটরের প্রেমে পড়ে উত্তাল নদীতে ঝাপিয়ে পড়ার মত ব্যাপারগুলিকে মনে হয়েছে কাহিনির অগভিরতা। . হুমায়ূন আহমেদ থ্রিলার লিখেন না বলে সাধারণত তাঁর বইয়ে টুইস্ট থাকে না। কিন্তু এই বইয়ে সবচেয়ে বড় টুইস্টটা ছিল লাস্ট সিনে। ওটা পড়ে ভালোই চমকেছি। এবং উপভোগ করেছি। স্যারের যে অল্প কয়েকটা বইয়ের ফিনিশিং খুব ভালো, সেগুলির মধ্যে এটা অন্যতম। . রিভিউর বাইরের কিছু কথা - আমি পিডিএফ পড়তে খুব অপছন্দ করি। পিডিএফে বই পড়তেও আমার খুব বিরক্ত লাগে। গত কদিন ধরে স্যারের নি উপন্যাসের কথা বার বার শুনছিলাম। হুট করে মনে হল বইটা পড়া আমার জন্য অতি জরুরী। আমি পিডিএফ লিস্ট থেকে সার্চ দিয়ে বইটা পেলাম। ওপেন করে দেখি মাত্র ৫০ পৃষ্ঠা। প্রথম পৃষ্ঠা পড়ে দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় যেতেই বুঝলাম, বইটা আদৌ ৫০ পেজের নয়। এটা যেই সেই পিডিএফ না - যেসব পিডিএফ দেখলে আমি সাথে সাথে ডিলিট করে দিই, সেই পিডিএফ। প্রত্যেকটা পেজে দুই পাতা করে। এই পিডিএফ উপর-নিচ, ডানে-বামে করে পড়তে হয়। আমার জন্য অসীম ধৈর্য্যের কাজ। আমি অসীম ধৈর্য্য নিয়ে বইটা পড়তে শুরু করলাম। সায়েন্স ফিকশন বলা হলেও নি কে আমার সায়েন্স ফিকশন মনে হয়নি। সায়েন্স ফিকশনে এত মায়া থাকে না। এটা পড়ে আমার কাছে বরং মনে হয়েছে নি অতিপ্রাকৃত গল্প। আধিভৌতিক, অতিপ্রাকৃত হল আমার সবচে প্রিয় জেনর। প্রিয় লেখকের প্রিয় জেনরের বই পড়ার জন্য এইটুকু কষ্ট করাই যায়। . বাইরে ঝোড়ো হাওয়া সব উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বইয়ের সিচুয়েশনের সাথে আবহাওয়াটা খুব বেশি মিলে গেছে। আমি আরো একবার হুমায়ূন আহমেদ পড়ে মোহাবিষ্ট হলাম। আমার মনে হল আমি এই পৃথিবীতে নাই। আমি নি'দের পৃথিবীতে চলে গেছি। . বই পরিচিতিঃ বইঃ নি লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ মূল্যঃ ১৫০ টাকা (মলাট মুল্য) প্রকাশনীঃ কাকলি প্রকাশনী জনরা: সায়েন্স ফিকশন"

Sawon Ahmed

Sawon Ahmed , Jul 17, 2016

★ ★ ★ ★ ★

"স্বাভাবিক মানুষের শরীরে ৪৬ টি ক্রোমোজোম আছে।কিন্তু মবিনুর রহমান নীলগঞ্জ মডেল হাই স্কুলের বিজ্ঞানের শিক্ষক;তার শরীরে আছে ৪৭ টি ক্রোমোজোম। কারণ,তিনি একজন 'নি' তাও প্রথম শ্রেনীর অতি উঁচু ক্ষমতা সম্পন্ন 'নি'। 'নি' হচ্ছেন বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন মানুষ যারা সৃষ্টি করতে পারেন নিজের মাঝেই ভিন্ন মাত্রার জগৎ।প্রকৃতি তাদের রক্ষা করে যতক্ষণ না তারা কোন প্রকৃতির নিয়ম ভাঙে।আর নিয়ম ভাঙলে তাকে পেতে হয় কঠিন শাস্তি। তবে মবিন সাহেবের কাছে বিষয়টি অজ্ঞাত।তিনি একা একা এক ভাঙা বাড়িতে থাকেন।তার ঘরের পাশের ঘরেই সংসার পেতেছে এক জোড়া চন্দ্রবোড়া সাপ তাদের ৩১ টি ছানাসহ।এ নিয়ে মবিন সাহেবের কোন মাথা ব্যাথা নেই।তার একটি টেলিস্কোপ আছে আর সেটি নিয়ে নদীর ঘাটে বাঁধা নৌকোয় বসে দিব্যি আকাশ দেখেন। রূপা,মবিন সাহেবের ছাত্রী।রূপাদের বাড়িতে পড়াতে যান মবিন সাহেব।রূপা অপরুপ রূপববতী,এসএসসি পরিক্ষার্থী। অজান্তেই রূপা গভীরভাবে ভালবেসে ফেলে ছিপছিপে লম্বা কোন ভাললাগার বিশেষ বৈশিষ্ট্যহীন ৩৭/৩৮ বছর বয়সী স্যার কে ই। রূপার পরিবার বিয়ে দেবার জন্য পাত্র খু্ঁজে আনে।রূপা পাত্রটিকে তার এক তরফা ভালবাসার কথা জানালে সে তা পরিবারে জানিয়ে দেয়।রূপার বাবা প্রভাবশালী লোক।মুবিন সাহেবকে জেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করে সে।আগে থেকেই প্রধান শিক্ষকের ফাঁসানো স্কুলের গম চুরির মামলা ছিল মুবিনের নামে।রূপার বাবা আর ওসির চক্রান্তে এবার বসল 'ধর্ষন মামলা' তার নামের পাশে। ওদিকে রেজা,১১ বছর বয়সী রূপার ভাতিজী।সে ও একজন 'নি'।তার ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বিশেষ কৌশলে ছাড়িয়ে আনে সে মুবিন কে। সে রাত্রে শুরু হয় প্রবল ঝড় আর নদী ভাঙন।মুবিন সাহেব যখন ঘরে শুয়ে তার 'নি' ক্ষমতার কথা জানতে পারে তখনি দরজায় ঘা পরে।রূপার ভাইয়েরা রূপাকে খুঁজতে আসে।না পেয়ে মুবিনকে হুমকি দিয়ে যায়।মুবিন কিছুই জানেনা যদিও রূপার ভালবাসার বিষয়ে তবুও এক গভীর অজানা আবেগে হৃদয় পূর্ণ হয়। সকালে রূপার লাশ পাওয়া যায় নদীতে।মুবিন সাহেব তার ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ফিরিয়ে আনতে চান রূপাকে।কিন্তু নিয়ম ভাঙলে প্রকৃতি দিবে কঠিন শাস্তি।তবে এখন তিনি কি করবেন?"

Mishu

Mishu , Jul 17, 2016

★ ★ ★ ★ ★

"বইটা প্রথমবার পড়েছিলাম প্রায় চার বছর আগে।প্রথমবার বইটা পড়ার পর মনে হয়েছিল এটাই আমার পড়া হুমায়ূন আহমেদের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ।অবশ্য পরে মত পাল্টে গেছে।যাইহোক----- এই উপন্যাসের নায়কের নাম মবিনুর রহমান।তিনি নীলগঞ্জ হাইস্কুলের সাইন্স টিচার।অতি অদ্ভুত টাইপের মানুষ।বয়স ৩৬/৩৭।তিনি বাস করেণ স্কুল থেকে দুই মাইল দুরে একটা জরাজীর্ণ পাকা বাড়িতে।যেকোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে তার ঘরটি।মবিনুর রহমান স্কুল পড়ানো শেষে সন্ধ্যাবেলা টিউশনি করাতে যায় এই অঞ্চলেের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি আফজাল রহমানের মেয়ে রুপাকে।রুপা এসএসসি পরীক্ষা দেবে।রুপা অসম্ভব রুপবতী এবং বুদ্ধিমতী। রুপা মবিনুর রহমানকে পাগলের মত পছন্দ করে।মবিনুর রহমান অবিশ্যি রুপাকে সেই দৃষ্টিতে দেখে না।সে রুপাকে শুধুমাত্র তার ছাত্রীই ভাবে। তারপর ঘটে চলে নানা ঘটনা.... রুপাকি মবিনুর রহমানকে সারাজীবনের জন্য আপন করে পাবে... যদি জানতে চান পড়ে ফেলুন বইটা। আরেকটা কথা,মবিনুর রহমান মাঝে মাঝে তার স্বপ্নে কিছু বৃদ্ধলোক দেখতে পান।এই বৃদ্ধরা আসলে নি।মবিনুর রহমান নিজেও একজন নি।নিদের রয়েছে অসম্ভব ক্ষমতা।... কি সেই ক্ষমতা যদি জানতে চান এক্ষুনি পড়া শুরু করে দিন। কেমন লেগেছে--- এখনো পর্যন্ত আমার পড়া অন্যতম সেরা উপন্যাস এটি।সবকিছুই ভালো লেগেছ -বর্ণণা,চরিএগুলো,প্রাকৃতিক দৃশ্যপট, কাহিনী, ,,,,,,,,।সবচেয়ে ভালো লেগেছ রুপা চরিএটিকে।রুপার বড়ভাইয়ের মেয়ে জেবাকেউ ভালো লেগেছ। ও,,,,জেবাও কিন্তু একজন নি।ভালো না লাগার তেমন কিছু খুঁজে পাইনি।তবে হে উপন্যাসটার শেষ থাকলে আরো ভালো লাগত।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

4 টি

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

Q

এটার পৃষ্ঠা সংখ্যা কত

Mehraj 9037 • 11 Jul, 2026
A
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা 100। ধন্যবাদ।
প্রগতি সাপোর্ট টিম • 11 Jul, 2026
Q

এটা কি কিশোরদের জন্য উপযোগী

TAHMID AHMOD • 13 Aug, 2024
A
প্রিয় গ্রাহক, জি, ১৫-১৬ বছর ঊর্ধ্বের কিশোরদের জন্য উপযোগী। ধন্যবাদ।
Rafid Ahmed • 13 Aug, 2024
Q

available?

Abdul Hamid • 27 Mar, 2024
A
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি এভেইলেবল। অর্ডার করলে প্রকাশনী থেকে সংগ্রহ করে দেওয়া হবে। ধন্যবাদ।
Zakariya Arif • 27 Mar, 2024
Q

ETA ki kisorupojogi

Ajwad Bari • 10 Feb, 2018
A
বড়দের বৈজ্ঞানিক ফ্যান্টাসি ধরনের উপন্যাস।
Md. Mahmud Alam • 10 Feb, 2018

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"নি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
নি পাতা: 1 / 7
পাতা 2
নি পাতা: 2 / 7
পাতা 3
নি পাতা: 3 / 7
পাতা 4
নি পাতা: 4 / 7
পাতা 5
নি পাতা: 5 / 7
পাতা 6
নি পাতা: 6 / 7
পাতা 7
নি পাতা: 7 / 7
পাতা / 7
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।