১ম সংস্করণ ২০২৩
নীল পৃথিবীর তরে
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
গ্রাফিতিরা জেগে রয়
শাহরিয়ার জাওয়াদ
শৈলবালা
শাহরিয়ার জাওয়াদ
মেম্ফিস
শাহরিয়ার জাওয়াদ
ওগো শুনছো
মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
মিসির আলির গল্পমালা
হুমায়ূন আহমেদ
শেষ পরিণতি
প্রফেসর দেওয়ান মোঃ আজিজুল ইসলাম
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | নীল পৃথিবীর তরে |
| Author | শাহরিয়ার জাওয়াদ |
| Publisher | জ্ঞানকোষ প্রকাশনী |
| Edition | ১ম সংস্করণ ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 112 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.26 Kg |
| ISBN | 978-984-97366-5-3 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
7 Ratings and 4 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৪টি
Arnab , Aug 22, 2023
"boita 2023 ekushe boimela theke amar choto vai niye esechilo amar jonno upohar swarup 😊.durdanto ekta science fiction boi.kintu tar sathe sathe manusher mon boitar ekta prodhan bishoybostu.boitate thriller factor jemon prochur ache temon ache manusher jibonbodh er golpo.ar ache ekti massage.bortoman manusher jonno ekta massage.amra bortomane jevabe ektu ektu Kore prithibita dhongsho korchi tar porinoti ki hote pare sei niye ekta message.sobmilie Jara sci-fi kahini pochondo koren tader valo lagbe."
efty babu , Feb 22, 2023
"বইটি সুখপাঠ্য। ভিন্ন ঘরানা্র বিষয়বস্তু!"
Sidratul Muntaaha , Feb 20, 2023
"মুভি সিরিজ দেখার সময় যেমন সতর্ক ভাবে দেখতে হয়, তেমনি বই পড়ার ক্ষেত্রেও একই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যা সামনে পেলাম, তাই পড়লাম, এরকম প্রবণতা থাকলে, ভালো মন্দ বিচার না করেই পড়া শুরু করলে দেখা এমন সব বই এ হাত লেগে গেছে যা পড়া আর সময়ের অপচয় করার মধ্যে পার্থক্য নেই। বই মানুষের মুড,মন মানসিকতার উপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। তাই বেছে বেছে ভালো বই গুলোই পড়া দরকার। যে বই গুলো মন ভালো করে দেয়, যে বই গুলো সুন্দর ম্যাসেজ ক্যারি করে, যে বই গুলো পড়লে মানুষের বোধের উপর কিছুটা প্রভাব পড়ে। নীল পৃথিবীর তরে এমনই একটা বই। এটা একটা শান্ত বই, গতিময় বই, একটু বিষণ্ণ। পড়তে নিয়ে এক নিঃশ্বাসে শেষ করে ফেলা যাবে। মাঝে ব্রেক দেওয়ার ইচ্ছে জাগবেনা। এই বই এ একটা সুন্দর ম্যাসেজ দেওয়া হয়েছে।ম্যাসেজ টা বুঝার জন্য কাউকে অনেক বেশি চিন্তাশীল হওয়ার প্রয়োজন নেই। মানুষের প্রতি এই সুন্দর নীল বসুন্ধরার বার্তা। বর্তমানে পৃথিবীতে চলমান সমস্যা, এবং সেই সমস্যা থেকে সৃষ্ট ভবিষ্যৎ পৃথিবীর একটা কাল্পনিক ছবি বেশ স্পষ্টভাবেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বইয়ের সব চরিত্র বা গল্পের আরো ব্যাখ্যা করে আমি ভুলবশত স্পয়লার দিতে চাইনা। তবে একটা চ্যাপটার আমার খুব বেশি পছন্দের ছিল, যেটা আমাকে খুব বেশে টেনেছে। কোকড়া চুলো জীববিজ্ঞানী প্রত্যুষ এবং তার দাদীর সাথে কথোপকথন, তার শৈশবের একটা সুন্দর স্মৃতি। তবে এটা ছাড়া ও প্রতিটা চ্যাপটার এত সুন্দর করে উপস্থাপন করা হয়েছে যে বইটা পাঠককে চুম্বকের মত আঁকড়ে ধরে থাকবে। এবং অবশ্যই পড়ে আফসোস করতে হবেনা। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় অনেক বিখ্যাত আর ভালো রিভিউ পাওয়া বই ও মনে ধরেনা। কিন্তু এই বইটা সবার মনে ধরবে, আমার মনে ধরেছে। বইটা পড়ে পাঠক হিসেবে আমি সন্তুষ্ট হয়েছি। ধন্যবাদ জাওয়াদ ভাইয়াকে, তিনটা বই লিখেছেন, তিনটাই পড়ে সন্তুষ্ট হয়েছি,ভালো লেগেছে। এভাবে প্রতি বছর নতুন বই উপহার দিয়ে যান। এই যুগে লেখকের অভাব নেই, বইয়ের ও অভাব নেই। কিন্তু একটা ভালো বইয়ের অনেক অভাব। সে অভাব পূরণে পরিচিত এবং খুব কাছের কেউ অক্লান্ত পরিশ্রম করছে এটা দেখতে খুব ভালো লাগে। আপনার জন্য শুভকামনা।"
Rusaybi Tarin , Feb 20, 2023
"#নীল_পৃথিবীর_তরে পাঠ প্রতিক্রিয়া। বইয়ের নাম: নীল পৃথিবীর তরে লেখক: শাহরিয়ার জাওয়াদ প্রকাশনী: জ্ঞানকোষ প্রকাশনী প্রচ্ছদ: সব্যসাচী মিস্ত্রী মলাট মূল্য: ২৮০৳ ধরন: সায়েন্স ফিকশন আচ্ছা কল্পনা করুন তো, এই যে পৃথিবীতে আমরা বেঁচে আছি, বেঁচে থেকে ধ্বংস দেখছি, প্রাণের আর্তনাদ টের পাচ্ছি এই সব কিছুর শেষটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? ঠিক কয়েকটা দিন আগেও ভূমিকম্পের ভয়াবহতার কবলে পড়েছিলো তুরষ্ক। শেষবার বাইশে বন্যার কবলে পড়েছিলো সিলেট, আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছিলো সীতাকুন্ড। পৃথিবী যেন ধীরে ধীরে ধ্বংস্তুপে পরিণত হচ্ছে দিনে দিনে। আমরা প্রায়ই শুনতে পাই, মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে, একটা ভিন্ন গ্রহকে পৃথিবীর ন্যায় বাসযোগ্য করে তোলার মতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তারা যদি কয়েকবছর পর সফল হয়ে যায়, আপনাকে যদি পৃথিবীর চেয়ে অনেক উন্নত বাসস্থান খুঁজে দেওয়া হয় আপনি কি সেইখানে গিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন? পৃথিবী নামক এই গ্রহটার মায়া কেটে যাবে? শাহরিয়ার জাওয়াদ রচিত "নীল পৃথিবীর তরে " বইটি মূলত হার্মিস নামক মহাকাশযানের ছয় জন মহাকাশচারী ঘিরে, যারা খুঁজে চলেছে একটা নতুন পৃথিবী। কাহিনী সংক্ষেপ— মহাকাশযান প্রধান লিলিয়ান তার টিম নিয়ে হার্মিস নামক মহাকাশযানটি পরিচালনা করছেন। তার সাথে রয়েছেন মহাকাশযানের দুজন ইঞ্জিনিয়ার—- কিম আর ডরোথি, একমাত্র ভূতত্ত্ববিদ মার্লিন, তরুণ জীববিজ্ঞানী প্রত্যুষ। এছাড়াও আরো একজন ব্যাক্তি রয়েছেন যার কথা না বললেই নয়, আগাগোড়া যন্ত্রবিদ্বেষী মানুষ লিউক। এই ছয় জন ব্যাক্তি ছাড়াও তাদের সাথে দশম পর্যায়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হিসেবে অ্যাবাকাস নামক রোবট কাজ করে যায়। এই ছয়জন ব্যাক্তি পৃথিবীর প্রতি সমস্ত মায়া, ভালোবাসা কাটিয়ে নীরবে খুঁজে যাচ্ছিলো নতুন একটা পৃথিবী। যেন তাদের ভব্যিষত প্রজন্ম একটি সুস্থ বাসস্থানে বসবাস করতে পারে। অথচ দিনের পর দিন পৃথিবী ধ্বংস করেছে এই মানব সমাজ। যার ভার বয়ে বেড়াচ্ছিলো এই ছয়জন। একের পর এক নতুন নতুন গ্রহ পর্যবেক্ষণ করেতে করতে, বাইশতম গ্রহে তারা পৃথিবীর বৈশিষ্ট্যের কাছাকাছি একটা গ্রহ খুঁজে পেয়েছিলো, যার নাম দেওয়া হয়েছিলো টেরানোভা। অর্থাৎ দ্বিতীয় পৃথিবী। কিন্ত শেষ পর্যন্ত তারা কী পেরেছিলো নতুন বসবাসযোগ্য একটা বাসস্থান খুঁজে পেতে। এত সিরিয়াস প্রসঙ্গের ভেতর সবচেয়ে মজার ঘটনাগুলো কী জানেন? সে আর কেউ নয়, দশম মাত্রার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা "অ্যাবাকাস", যার মাঝে কিনা মানবীয় অনুভূতির ব্যাপারগুলো দেখা যায়। পাঠ-প্রতিক্রিয়া— লেখক বইটি লিখতে গিয়ে কিছু সায়েন্টিফিক টার্ম এপ্লাই করেছেন, তাও নিঁখুত ভাবে। কল্পবিজ্ঞান হলেও এই টার্ম বা ফ্যাক্টরগুলোর জন্য মনে হচ্ছিলো সম্পূর্ণ উপন্যাস বাস্তব। সায়েন্স ফিকশন বইগুলোতে সবচেয়ে বেশি যে ব্যাপারটা আমাকে মুগ্ধ করে তা হলো শব্দচয়ন। লেখক শব্দচয়ন বিষয়টা অত্যন্ত দক্ষতার সাথেই সামলে নিয়েছে। বইটি কেন পড়বো?— আপনি যদি একজন বইপ্রেমী হন এবং বই পড়ে উপলব্ধি করতে পারেন, তাহলে বইটি কল্পবিজ্ঞান হলেও পড়ে আপনি পৃথিবীর প্রতি অত্যন্ত সচেতন হতে শুরু করবেন, যত্ন নেওয়া শিখবেন। একটা বিষয় সত্যিকার অর্থে স্বীকার করতে হয় যে, পৃথিবীর সমস্ত প্রতিকূল অবস্থার জন্য পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষভাবে মানুষ দায়ী। বইটি পড়ে যতটা না আমি উপভোগ করেছি, তার চেয়ে বেশি উপলব্ধি করতে পেরেছি যে , আমাদের সচেতনতার বড্ড ঘাটতি রয়ে গেছে, উন্নত হতে গিয়ে আমরা নিজেদের বিলুপ্তির কারণ নিজেরাই হয়ে উঠছি। লিখনশৈলী— সায়েন্স ফিকশন উপন্যাসের প্লট এর সাথে টার্মগুলো রিলেটেবল করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। 'নীল পৃথিবীর তরে' গল্পে লেখক ছয় জন মহাকাশচারীর ব্যাক্তিগত জীবনের সাথে, তাদের উদ্দেশ্যকে এমনভাবে রিলেট করেছিলেন যে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। এছাড়াও একটা ব্যাপার না বললেই নয়, সেটি হচ্ছে শব্দচয়ন।। লেখকের শব্দচয়ন অত্যন্ত মুগ্ধ করার মতোই ছিলো। বইটি কারা পড়বে?— সকল বইপ্রেমীর যে পড়া উচিৎ সে কথা আমি আর নতুন করে বলবো না, বরং এটা বলবো আমরা যারা শিক্ষিত অথচ সচেতন নই, জেনে না জেনে প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে পৃথিবীর পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছি তাদেরও একবার বইটি পড়া উচিৎ। [উপরোক্ত সমস্ত মতামত আমার ব্যাক্তিগত, তাই ভুল-ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদ] —Rusaybi Tarin"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"নীল পৃথিবীর তরে" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: