৭ম, জুলাই ২০২৫
নারীর মূল্য
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন- ১
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন - ২য় খণ্ড
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
কিতাব পরিচিতি প্রয়োজনীয়তা ও পদ্ধতি
মাওলানা আবদুল্লাহ নাজীব
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন - ৩য় খণ্ড (ইলমের দাওয়াত)
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
গবেষণা ৩৬০°
হাসিবুল হাসান
আদর্শ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা গাইড (১ম, ২য় ও ৩য় খণ্ড একত্রে)
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | নারীর মূল্য |
| Author | শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |
| Publisher | কথাপ্রকাশ |
| Edition | ৭ম, জুলাই ২০২৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 48 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | প্রবন্ধ |
| Weight | 0.15 Kg |
| ISBN | 984-70120-0005-0 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
13 Ratings and 8 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৮টি
Alfee , Jun 29, 2022
"Valo boi"
Deboraj Sen (Dipro) , Dec 31, 2021
"খুবই ভালো একটি বই"
Sharif mollah , May 16, 2021
"Good"
masud , Apr 19, 2021
"good"
MD. Shoriful Islam , Jan 3, 2020
"মণি-মাণিক্য মহামূল্য বস্তু, কেন না, তাহা দুষ্প্রাপ্য। এই হিসাবে নারীর মূল্য বেশী নয়, কারণ, সংসারে ইনি দুষ্প্রাপ্য নহেন। জল জিনিসটা নিত্য-প্রয়োজনীয়, অথচ ইহার দাম নাই। কিন্তু যদি কখন ঐটির একান্ত অভাব হয়, তখন রাজাধিরাজও বোধ করি একফোঁটার জন্য মুকুটের শ্রেষ্ঠ রত্নটি খুলিয়া দিতে ইতস্ততঃ করেন না। তেমনি—ঈশ্বর না করুন, যদি কোনদিন সংসারে নারী বিরল হইয়া উঠেন, সেই দিনই ইঁহার যথার্থ মূল্য কত, সে তর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হইয়া যাইবে—আজ নহে। অসাধারন লিখা -নারীর মূল্য' মূলত নারীর সামাজিক অধিকার ও সমাজে নারীর অবস্থান সম্পর্কিত।"
Salman Mahadi , Dec 11, 2019
"বইয়ের নাম : নারীর মূল্য লেখক : শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬ - ১৯৩৮) প্রকাশনা : কথা প্রকাশ৷ সভ্যতার আদিকাল থেকেই নারী নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু লিখে গেছেন৷ লেখার উপাদান হিসেবে নারী একটি বিশাল বিষয় বটে৷ আবার কেউ কেউ এ বিষয়টিকে উপজীব্য করে নারী আন্দোলনও করেছেন বা করছেন৷ নারী নিয়ে লিখলে বা বললে কেউ কেউ নারীবাদী বলে থাকেন৷ আবার কেউ নিজেই নিজেকে নারীবাদী ঘোষণা করেন, সে পুরুষ হোক বা নারী হোক৷ সে সব হিসেবে নিলে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'নারীর মূল্য' বইটি একেবারেই ভিন্ন৷ বইটির আকার খুবই ছোট৷ ৭৪ পৃষ্ঠার একটি বই৷ এটি ১৯২৪ সালে প্রবন্ধ হিসেবে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়৷ লেখক অনিলা দেবী ছদ্মনামে পত্রিকায় প্রকাশ করেছিলেন এটি৷ এ রচনা প্রকাশের পর অনেক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে গেছে। এ বইয়ে লেখক মূলত নারী বিষয়ক অনেকগুলো চিন্তার সূত্রপাত করেছেন৷ তিনি বিশ্বের নানা দেশ, জাতি ও ধর্মের উদারহণ টেনে এনেছেন৷ ঠোঁটকাটা স্বভাবের এ লেখক সমালোচনা করতে কাউকে ছাড়েননি, নিজের ধর্মকেও না৷ এমনকি যে নারীর পক্ষে এই লেখনী সেই নারীদের সমালোচনার দিকগুলো তুলে ধরতে কার্পণ্য করেননি লেখক৷ অর্থাৎ লেখাটি মোটেই একতরফা ছিলো না৷ সে জন্যই বোধকরি অনেকেই এ লেখার সমালোচনা করেছেন৷ এমনকি অনেক নারীবাদীও শরৎচন্দ্রের সমালোচনা করেছেন৷ শরৎচন্দ্রকে নারী বিদ্বেষী অপবাদ দিতেও ছাড়েননি কেউ কেউ৷ ‘নারীর মূল্য’ লেখাটি তিনি শুরু করেছেন নারীর উপযোগ মূল্য নির্ণয়ের ভঙ্গি দিয়ে। শরৎসাহিত্যে রসবোধ ও বিদ্রুপ উভয়ই আছে। তিনি হিউমার বেশি ব্যবহার করেছেন বলে স্যাটায়ার হয়ে উঠেছে খুবই সূক্ষ্ম। গভীর মনোযোগ দিয়ে না পড়লে অনেক সময় ধরা যায় না। এ প্রবন্ধের শুরুটা এমন, "মণি-মাণিক্য মহামূল্যবান বস্তু, কেননা তাহা দুষ্প্রাপ্য। এই হিসাবে নারীর মূল্য বেশি নয়, কারণ সংসারে ইনি দুষ্প্রাপ্যা নহেন।" নারীর প্রতি সমাজের অনাচার ও প্রবঞ্চনাকে প্রবলভাবে চপেটাঘাত করেছেন লেখক। তিনি আরো বলেন, "সমাজে নারীর মূল্য নির্ধারিত হয় সে কি পরিমাণ সেবাপরায়ণ, স্নেহশীলা, সতী এবং দুঃখে-কষ্টে মৌনা সেটি বিবেচনায় নিয়ে৷" অর্থাৎ তাঁকে নিয়ে পুরুষ কী পরিমাণ সুখী হবে, পুরুষের লালসাকে কতোটা তৃপ্ত করতে পারবে সেই হিসাবেই নারীর মূল্য নির্ধারণ করে সমাজ। কোন গ্রন্থের উদ্ধৃতি ব্যবহার করা হয়নি এ বইয়ে, অথচ প্রসঙ্গক্রমে সমাজতত্ত্ব ও নৃতত্ত্বের অসংখ্য উদাহরণ উপমা তুলে ধরেছেন লেখক। এ জন্য বইটি পড়ার সময় মনে বারবার এ প্রশ্ন উঠেছে এটি সাহিত্যগ্রন্থ না কি সমাজতাত্ত্বিক গবেষণাগ্রন্থ? সে সাথে আমার মনে প্রশ্ন জেগেছে লেখকের পড়াশোনা কিংবা গবেষণার বিশাল পরিধি নিয়ে৷ একজন মানুষ কতটুকু পরিশ্রমসাধ্য তত্ত্বতালাশ ও পড়াশোনা করলে একটি বইয়ে এত তথ্যের অবতারণা করতে পারেন৷ শরৎচন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা স্বল্প হলেও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং পড়াশোনা বিপুল তা এ বই পাঠ করলে সহজেই অনুধাবন করা যায়। বইটি লিখতে গিয়ে লেখক দেশ বিদেশ ঘোরাঘুরি করে লব্ধ অভিজ্ঞতা ও পড়াশোনা করে অর্জিত জ্ঞান তুলে ধরেছেন৷ বইটির লেখাগুলো বিরতিহীন, একটানা, এতে পরিচ্ছেদ বিভাগ নেই। এটি পাঠকের অখণ্ড মনোযোগ দাবি করে। প্রবন্ধের সর্বশেষ অনুচ্ছেদটি হচ্ছে হারবার্ট স্পেনসারের বিশাল উদ্ধৃতি। এর আগের অনুচ্ছেদটিতে লেখকের প্রবন্ধ রচনার উদ্দেশ্য প্রকাশ করা হয়েছে। যে উদ্দেশ্য নিয়ে প্রবন্ধটি রচনা করেছেন, তা করতে গিয়ে শাস্ত্রের অসম্মান করা হয়েছে কি না, দেশাচারের ওপর কটাক্ষ করা হয়েছে কি না তা ভেবে কোথাও থামেননি। লেখক অনেক উদাহরণ দিয়েছেন, দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন। হিন্দু সমাজে সতীদাহ প্রথা এর সহমরণ ও অনুমরণ এর বিপক্ষে তিনি জোরালো কথা বলেছেন। সমাজে নারীর মূল্য কোথায়? আর কেন তারা মূল্য পাচ্ছে না তা তিনি দেখিয়েছেন। প্রাচীন সমাজে পৃথিবীর এমন কোন জাতি ছিল না যারা নারী দের মূল্য দেয়। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন জাতির বর্ণনা তুলে ধরেছেন। বহুকাল আগে পারস্যের (ইরানের) সম্রাট 'আর্টজারাক্সস' বংশ রক্ষার জন্য নিজের দুই কন্যাকে বিয়ে করেন। আফ্রিকার গেবুন প্রদেশে রাজার মৃত্যুর পর রাণী তার জ্যেষ্ঠ পুত্রকে বিয়ে করে সিংহাসনের দাবী বজায় রাখেন৷ মেক্সিকোতে এক জাতি তাদের সন্তান কে ঈশ্বর এর সামনে বলি দিতে কুন্ঠারোধ করত না। এটাকে তারা পূণ্যের কাজ হিসেবে দেখত। সন্তান জন্মদান না করাকে তারা পাপ হিসেবে দেখত। ভারতীয় উপমহাদেশে নিঃসন্তান স্ত্রীকে নিজের ভাই অর্থাৎ দেবরের সাথে রাত কাটাতে হতো নারীর। লেখক বলেন উচ্চবংশে বিধবাদের অবস্থা যেনম করুণ তেমনি নিম্নবংশে সধবাদের অবস্থাও করুণ৷ এ রকম আরো অসংখ্য তথ্য, তত্ত্ব ও বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন লেখক৷ লেখক বলেন বইপুস্তকে লেখা নীতিকথা ব্যতীত পুরুষ বাস্তবে নারীকে সম্মান দেয়ার চেষ্টা করেছে এমন কিছু তার জানা নাই৷ যখন বিধি বিধান, আইন, শাস্ত্র তৈরী করা হয় তখন পিতা, স্বামী, পুত্র বলে কিছু থাকে না। থাকে হলো পুরুষ। যার জন্য এগুলা করা হয় তারা স্ত্রী, মা, বোন, মেয়ে থাকে না। থাকে হলো নারী। যে হাতে পুরুষ সমাজ বিধান বানায়, সে হাতেই তাদের চোখের জল মুছতে হয়। ভগবান শঙ্করাচার্য নারী সম্পর্কে বলেছেন, নরকের দ্বার হলো নারী। বাইবেলে আছে, root of all evil অর্থাৎ সমস্ত অহিতের মূল। জগৎবিখ্যাত সেন্ট পল শিখিয়েছেন, ধর্ম সম্বন্ধে নারীরা পুরুষের মতো কোন প্রশ্ন করিতে পারিবে না। নারীর সম্মান তাহার নিজের জন্য নয়, তার সম্মান নির্ভর করে পুত্র-প্রসবের উপর। ওল্ড টেস্টামেন্ট বাইবেলের মতে স্ত্রীর সন্তান না হওয়া মহাপাপ। লেখক বলেছেন, শুধু ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ নারীকে প্রকৃত মর্যাদা দিয়েছিলেন৷ এ প্রবন্ধে নারী সম্পর্কে যে সকল দিকে আলোকপাত করেছেন লেখক - ১. বিশ্বের বিভিন্ন জাতির প্রাচীন সমাজে নারীর অবস্থান। ২. বিভিন্ন রাষ্ট্রে, জাতিতে নারীর সমকালীন অবস্থা। ৩. বিভিন্ন আদিবাসী সমাজে নারীর অবস্থান। ৪. বিভিন্ন ধর্ম বা শাস্ত্রে নারীর অবস্থান। ৫. দেশ-বিদেশের মনীষীদের মতামত। ৬. সিংহ এবং অন্যান্য ইতর প্রাণীর মধ্যে স্ত্রী প্রজাতির প্রতি পুরুষ প্রজাতির আচরণ এবং মানব (সভ্য) সমাজে তার প্রভাব। ৭. নারী নির্যাতনের ইতিহাস। ৮. নারীর অবমূল্যায়নে লিঙ্গ নির্বিশেষে সব শিশুর প্রতি অবহেলা দেখা দেওয়া। ৯. নারী পুরুষ সম্পর্কের চারটি সূত্র নির্ণয় ও বিশ্লেষণ - স্ত্রী, ভগিনী, কন্যা ও জননী। ১০. অ্যাডাম স্মিথের মূল্যতত্ত্বের মাধ্যমে লেখক দেখিয়েছেন চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে নয়, নারীর মূল্য মূলত প্রাকৃতিক কারণে। লেখকের কিছু কথায় সম্প্রতিকালের নারীবাদীরা নাখোশ হতে পারে৷ লেখক বলেছেন, পুরুষের সমস্ত কাজ নারী করতে পারে না এবং নারীর সমস্ত কাজও পুরুষ করতে পারে না। লেখক আরো বলেন, ‘নারীর মূল্য নির্ভর করে পুরুষের স্নেহ, সহানুভূতি ও ন্যায়ধর্মের উপরে। সৃষ্টাকর্তা নারীকে দুর্বল করেই গড়েছেন।’ আপনি পুরুষবাদী হোন কিংবা নারীবাদী হোন, এ ছোট্ট বইটি আপনার পড়া দরকার৷ যেহেতু উভয়ে উভয়ের পরিপূরক৷ নারীকে নিয়েই পুরুষ আর পুরুষকে নিয়েই নারী পরিপূর্ণ মানবসত্ত্বায় পরিণত হতে পারে৷ বইটির মূল্য খুব বেশি না, মাত্র ষাট টাকা৷ পিডিএফও পাওয়া যায় গুগলে৷ এ মূল্যবান বইটি আজই পড়ে ফেলুন৷ #হ্যাপি_রিডিং"
iqbal hasan , Nov 7, 2019
"onk valo boi"
ফয়সাল আহমেদ , Oct 14, 2019
"বইয়ের নামঃনারীর মূল্য লেখকঃশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রকাশনীঃকথাপ্রকাশ মূল্যঃ৫৪টাকা 'নারীর মূল্য' মূলত নারীর সামাজিক অধিকার ও সমাজে নারীর অবস্থান সম্পর্কিত একটি প্রবন্ধ। বইটি মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়েছি! যুগে-যুগে, কালে-কালে, দেশে-সমাজে, ধর্মে- নারীর যে মূল্য নির্ধারণ হয়েছে এবং সেগুলোর পরিণতি কি তা পড়তে গিয়ে শিউরে উঠছিলাম। মনে হচ্ছিল না সেই ৮০-৯০ বছর আগের বই পড়ছি। কেননা, এই ডিজিটাল যুগে এসেও নারীর অবস্থা মোটামুটি সেই একই রয়ে গিয়েছে। কিছু কিছু সমাজে যদিও চেষ্টা করছে "জেন্ডার গ্যাপ" কমাতে, কিন্তু তা করতে গিয়ে যেন ব্যালেন্স হারিয়ে ফেলছে। বইটিতে দেখলাম, নারী বেশী ক্ষমতা পেয়ে গেলে কি পরিণতি হয়। শুরুতে মজা লাগলেও সমাজব্যবস্থায় নারীর অধিক ক্ষমতায়ন কি ব্যালেন্স নষ্ট করে পড়তে গিয়ে আবারও শিউরে উঠলাম।ফেমিনিজম সম্পর্কে বরাবরই নারীদের লেখায় জানতে পেরেছি। পুরুষের হাতে এ ধরণের লেখা সম্পর্কে জানা আমার এই প্রথম। ছোট্ট এই জীবনে আরও অনেক কিছু জানার বাকি আছে।তবে শরৎচন্দ্রের এই লেখা পড়ে আমি মন্ত্রমুগ্ধ। অসাধারণ একটি বই।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"নারীর মূল্য" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: