১ম সংস্করণ, ২০১৬
মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
তাফসীর ও মুফাসসিরদের ইতিহাস ১-৩ খন্ড
ড. গোলাম আহমাদ হারিরি (র.)
খেলাফতে রাশেদা : তারিখে মিল্লাত- ২য় খন্ড
কাজী যাইনুল আবেদীন সাজ্জাদ মিরাঠী
দ্য মোস্ট ডেঞ্জারাস গেম
অন্বয় আকিব
অটুট পাথর
আহমাদ ফালুদ্দিন
ইতিহাসের কান্না
মাওলানা মুফতী উবায়দুর রহমান খান নদভী
তিউনিসিয়ার ইতিহাস
আবদুস সাত্তার আইনী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল |
| Author | ড. কামাল হোসেন |
| Publisher | প্রথমা প্রকাশন |
| Edition | ১ম সংস্করণ, ২০১৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 95 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইতিহাস ঐতিহ্য |
| Weight | 0.23 Kg |
| ISBN | 9789849176480 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
14 Ratings and 6 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৬টি
Shahnaz Rahman Mukta , Aug 3, 2021
"Every Bangladeshi should read this book. The perspective is just unthinkable. You can never say that the Liberation War of Bangladesh was unnecessary fight after you read this one. Must read for evey Bangladeshi to be aware of their self respect."
Sanowar Hossain , Apr 13, 2021
"."
Adnan Sakib Rafi , Jul 27, 2020
"বইটি আমার খুব ভালোলেগেছে,"
Md. Faruque Hossain , Nov 18, 2019
"ড. কামাল হোসেন তাঁর "মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল" গ্রন্থটি ভারত ও পাকিস্তান বৃটিশ শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার পর নব্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত পাকিস্তান কিভাবে বাংলাদেশের মানুষকে শোষণ ও শাসন করতেছিল তার এক অকাট্য দলিল হিসেবে পাঠকের নিকট উপস্থাপন করেছেন। বইটিতে জনাব হোসেন দেখিয়েছেন শেখ মুজিবুর রহমান কিভাবে বঙ্গবন্ধু ও পরবর্তীতে বাঙালির জাতির পিতা হয়ে উঠলেন । "মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল" গ্রন্থটিতে অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস তুলে ধরেছেন।"
Wahida Akhtar Sanna , Aug 13, 2019
"আইনের প্রত্যেকটা ছাত্র-ছাত্রীরই বোধোয় ড. কামাল হোসেনের প্রতি একটা বাড়তি শ্রদ্ধাবোধ কাজ করে, তিনি আমাদের সংবিধান প্রণয়নে নেতৃত্ব দান করায়। সেই শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তির লেখা বই হওয়ায় খুব বেশি আগ্রহ নিয়ে পড়েছি। বই - মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল লেখক - ড. কামাল হোসেন প্রচ্ছদ মূল্য - ২০০৳ পৃষ্ঠা সংখ্যা - ৯৫ প্রকাশনী - প্রথমা প্রকাশন লেখক শুরু করেছেন ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ আর তার পরিণামে পাঞ্জাবিদের ক্ষয়ক্ষতি আর বাঙালিদের অরক্ষিত অবস্থার করুণ বহিঃপ্রকাশ এবং তার ফলশ্রুতিতে আইয়ুব খানের জনপ্রিয়তার ধসের বর্ণনা দিয়ে। শোষিত-বঞ্চিত বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা দাবি প্রেক্ষাপট সহ উঠে এসেছে বিস্তারিতভাবে। এরপর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, সার্জেন্ট জহুরুল হকের নিহত হওয়া, বিবাদীপক্ষের কৌসুলি দলে যোগ দিতে ঢাকায় এসে ব্রিটিশ ব্যারিস্টার টমাস উইলিয়ামস কিউসি, এমপি-র নজিরবিহীন ভাবে হয়রানির শিকার হওয়া, ফলশ্রুতিতে ইংল্যান্ড ফিরে যাওয়া এবং মামলাটির অন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ। আইয়ুব খানের পতন এবং ইয়াহিয়ার ক্ষমতার মঞ্চে প্রবেশ, বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান এবং একক এক নেতার নেতৃত্বে তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া - যা হয়ে উঠেছিলো ইয়াহিয়ার প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ! পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের ১৬৭টি তে আওয়ামী লীগের বিজয়ী হওয়া, ফলশ্রুতিতে পশ্চিমা ক্ষমতালিপ্সু শাসকগোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র, বঙ্গবন্ধুর 'অসহযোগ আন্দোলন'এর ডাক এবং বাঙালি জাতির স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই ডাকে সাড়া দেয়া, ক্ষমতা হস্তান্তরে পশ্চিমাদের টালবাহানা - উঠে এসেছে বিস্তারিতভাবে। ঘটনার পরম্পরায় সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিচলতা আর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সেই সাথে তাঁর পাশাপাশি আমাদের জাতীয় ৪ নেতার অবিস্মরণীয় অবদান। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে জাতির প্রতি তাঁর দেয়া নির্দেশাবলি, কেন 'স্বাধীনতা'কে চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে স্থির করা হলেও দেয়া হলো না সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা? ১৫ই মার্চ ১৯৭১ ইয়াহিয়া ঢাকায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সাথে আলোচনা শুরু করলেও, আলোচনার আড়ালে ১৭ই মার্চেই তৈরী হয় 'অপারেশন সার্চলাইট'এর নীলনকশা। এরপর শুধু ছিলো বর্বর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চূড়ান্ত আক্রমণের প্রস্তুতি পর্যন্ত কালক্ষেপণের পালা! পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র অনুমান করে, সম্ভাব্য যুদ্ধ এড়ানোর জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের ইচ্ছা ত্যাগ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন, তা অতুলনীয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত, পূর্ব পাকিস্তানের নেতাদের আশায় রেখেও, আড়ালে ২৩ মার্চই পাকিস্তানি জেনারেলরা দিয়েছিলো তাদের 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন! একটি ফরমান ঘোষণার চূড়ান্ত আলোচনা যা টেলিফোনেই করা হবে বলে ২৪শে মার্চ আস্বস্ত করছিলো বেঈমান পাকিস্তনী শাসকগোষ্ঠী, ২৫ শে মার্চের রাত সাড়ে ১০টা নাগাদও বঙ্গবন্ধু, ড.কামাল কে সে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলেন। আর ঐ রাতেই পাকিস্তানি সৈন্যরা বাঙালি জনগণের ওপর আক্রমণ চালায়, শুরু কর গণহত্যা ও রক্তস্নান; যা এড়ানোই ছিলো আলাপ-আলোচনা চালানো ও দর-কষাকষির মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক মীমাংসায় পৌঁছানোর প্রয়াসের প্রধান লক্ষ্য। পরিহাসের বিষয় এই যে, বাংলাদেশের গণহত্যার পর ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন যে, ক্ষমতাদস্যু ইয়াহিয়ার ক্ষমতায় অধিষ্ঠান ছিল অসাংবিধানিক! বাংলাদেশের অভ্যুদয় ছিল ইতিহাসের এক অনিবার্যতা। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও ভুট্টোর একগুঁয়েমি, অপরিণামদর্শিতা ও উচ্চাভিলাষ সেই অনিবার্যতাকে শুধু ত্বরান্বিতই করেছে। এই বইটিতে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি, বিশেষ করে যুদ্ধ শুরুর পূর্ববর্তী দিনগুলোর ঘটনাপ্রবাহের একটি অন্তরঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ বিবরণ পাওয়া যায়। বইটির লেখক ড.কামাল হোসেন ছিলেন একাধারে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষের অন্যতম কৌঁশুলি ও আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিদলের একজন আইনি পরামর্শদাতা। অসহযোগ আন্দোলনের অনেক নীতি ও সিদ্ধান্ত প্রণয়নে তিনি যুক্ত ছিলেন সরাসরি। মোটকথা আমাদের ইতিহাসের ঐ কালপর্বের অনেক ঘটনারই তিনি একাধারে প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী ও সক্রিয় অংশীদার। সে দিক থেকে এই বইটির রয়েছে ঐতিহাসিক তাৎপর্য।"
murad , Nov 9, 2017
"ড. কামাল হোসেন তাঁর মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল শুরু করেছেন ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাহোরে বিরোধী দলের সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা পেশ করার বিষয়টি দিয়ে। পশ্চিমা নেতাদের বাধার কারণে তিনি আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এটি পেশ করতে না পেরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানান। পশ্চিমা নেতারা ছয় দফাকে নিয়েছিলেন ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ তৎপরতার অংশ হিসেবে। সামরিক শাসক আইয়ুব খান অস্ত্রের ভাষায় এর জবাব দেন এবং শেখ মুজিবসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করেন। এরপর ছয় দফাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে ওঠে। কামাল হোসেন এই মামলার সূত্রেই শেখ মুজিবের সংস্পর্শে আসেন। তিনি ছিলেন এই মামলায় আসামিপক্ষের অন্যতম আইনজীবী। পরবর্তী সময়ে তাঁর ভূমিকা কেবল আইনজীবীর মধ্যে সীমিত থাকেনি। উনসত্তরের গোলটেবিল বৈঠক, খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কিংবা একাত্তরের মার্চে মুজিব-ইয়াহিয়া আলোচনায় তিনি একজন পরামর্শদাতা ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সত্তরের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেওয়া একটি আসনে উপনির্বাচন করে কামাল হোসেন জাতীয় পরিষদের সদস্য হন। স্বাধীনতার পর তিনি প্রথমে আইনমন্ত্রী, পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। আইনমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের সংবিধান রচনা ছিল তাঁর প্রধান কাজ। সেটি তিনি সুচারুভাবেই পালন করেছেন।অর্থাৎ আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান এই আইনজীবী ইতিহাসকে কেবল কাছ থেকে দেখেননি, ইতিহাস নির্মাণেও সাধ্যমতো ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর নিজের ভাষায় ‘সেই উত্তাল দিনগুলোতে আনুষ্ঠানিক আলোচনার বাইরে আরেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক-সাংবিধানিক আলোচনা ও কার্যক্রমের সঙ্গেও আমি জড়িত ছিলাম।’তবে কামাল হোসেন বইয়ের কোথাও নিজের কৃতিত্ব দাবি করেননি; তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু ছাড়া কামাল হোসেন দ্বিতীয় যে রাজনীতিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন, তিনি তাজউদ্দীন আহমদ।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
Can I add this book by Dr. Kamal Hossain to my order no. (progoty.com) Your order no. 47153554063083
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: