হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
মরণবিলাস - আহমদ ছফা এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

১ম প্রকাশ, ২০১৮

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

মরণবিলাস

1 Ratings | 1 Reviews
TK. 172 TK. 200 -14% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

মন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরের দিন প্রেসিডেন্ট সাহেব আধ ঘণ্টার মত সময় রোগীর শয্যা পাশে ছিলেন। যেহেতু মন্ত্রী ফজলে ইলাহি সর্বক্ষণ সংজ্ঞাহীন ছিলেন, তাই উভয়...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

মন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরের দিন প্রেসিডেন্ট সাহেব আধ ঘণ্টার মত সময় রোগীর শয্যা পাশে ছিলেন। যেহেতু মন্ত্রী ফজলে ইলাহি সর্বক্ষণ সংজ্ঞাহীন ছিলেন, তাই উভয়ের মধ্যে কোন কথাবার্
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title মরণবিলাস
Author আহমদ ছফা
Publisher হাওলাদার প্রকাশনী
Edition ১ম প্রকাশ, ২০১৮
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 75
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.21 Kg
ISBN 9789849848966624
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

4.00

1 Ratings and 1 Reviews

★★★★★
0
★★★★☆
1
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

১টি
Azhar Khan

Azhar Khan , Jun 13, 2026

★ ★ ★ ★ ★

"মরণ বিলাস আহমদ ছফা'র ‘মরণ বিলাস’ পড়ে শেষ করলাম। ছোট্ট বই। মাত্র সাতাত্তর পৃষ্ঠা। যদিও এতে সাহিত্যরস কিঞ্চিৎ কম বটে। তদুপরি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে বেশ দারুণ। ফজলে এলাহি, যিনি দীর্ঘ বর্ণাঢ্য জীবনযাত্রার শেষে হাসপাতালে শুয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। সেখানে তার একমাত্র সঙ্গী মাওলা বক্স। দুই স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি কেউ তার পাশে নেই। যদিও মাওলা বক্স স্বার্থের খাতিরেই তার সাথে আছে। তথাপি শেষবেলায় তাকেই ফজলে এলাহির আপনজন মনে হয়। মনে হয় আত্মার চেয়ে নিকটের কেউ। সম্পর্কের এই অনুভবও স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে নয়, বরং স্বার্থোদ্বারে-উন্মোত্ত এক ভয়াল জীবনের অধিকারীর আত্মপ্রসাদ লাভের উপকরণ বটে। ফজলে এলাহি তাকে ভাই মনে করে আপন অস্তিত্ব খুলে দিতে থাকেন। ইতিহাসের নানা গলি-ঘুপচিতে ঘোরাঘুরি করে বর্ণনা করেন কিছু বর্ণিল ছন্দ, রূঢ়তার বৃত্তান্ত। মাওলা বক্স তার গল্পে সায় দিয়ে যায় স্বভাবতই—একজন মৃত্যুপথযাত্রীর শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে। কিন্তু মানুষেরও ধৈর্যের সীমা আছে। আছে পাশবিকতারও মানদণ্ড। মাওলা বক্স হাঁপিয়ে ওঠে ফজলে এলাহির জীবনের কদর্যপূর্ণ পশুসম বীরত্বের কাহিনী শুনে। তাই তো আনমনেই ভাবে সে, “মানুষের নিষ্ঠুরতার কাহিনী শোনার চাইতে যন্ত্রণাদায়ক আর কিছু নেই।” আবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিচারের দায়ভার না নিতে। কিন্তু সেও তো মানুষ। তার ভেতরে জেগে ওঠে বিচারক সত্তা। সে ভাবে, “আমরা সকলেই জ্ঞাতসারে কি অজ্ঞাতসারে নিষ্ঠুর কাজকর্মের অনুষ্ঠান করে যাই। কিন্তু সেগুলো অন্য মানুষকে শুনতে বাধ্য করা নিষ্ঠুরতার চূড়ান্ত। কারো কথা ধৈর্য ধরে শুনলে নিজেকে বিচারকের আসনে দাঁড় করাতে হয়। মানুষের মনের মধ্যে এমন কিছু উপাদান আছে সততই বিচার করতে প্রবৃত্ত হয়।” এই অংশে দেখা যায় সমাজের বাস্তবতা—বিশেষত ক্ষমতাহীন শ্রেণীর বিচারের যে অভিপ্রায় আজকের সমাজবাস্তবতায় আমরা দেখি, তা স্বভাবসিদ্ধ ও প্রকৃতি নির্ভর—তা মাওলা বক্সের ভাবনা থেকে প্রকাশ পায়। অন্যদিকে সেক্যুলার সমাজের বাস্তবতাও ধরা দেয় ফজলে এলাহির কন্ঠে। বিবেক ও মাওলা বক্সের আদালতে দণ্ডায়মান প্রতাপশালী ফজলে এলাহি বিচারিক দাবিকে নাকচ করে বলেন, “কিন্তু জেনে রাখ, মানুষ মানুষের বিচারক হতে পারে না। যত অপরাধই মানুষ করুক, তার উদ্ধারের একটা পথ অবশ্যই আছে। তুমি তো ধর্মে-কর্মে আস্থা রাখ। নিজামুদ্দীন আউলিয়ার গল্পটা শুনেছ। নিরানব্বইটা খুন করেও সিদ্ধ পুরুষ হয়ে উঠতে পেরেছিলেন। আমি ধরে নিয়েছি ওটা একটা গল্প। তবু অন্তর্নিহিত সত্য আমার ভেতরের মানবসত্তাকে জাগিয়ে দিয়ে যায়। শেষ ঘণ্টা বাজার অধিক বিলম্ব নেই। তবু আমার এখনো মনে হচ্ছে, সবকিছু ফুরিয়ে যায়নি। আছে এখনো আশা আছে। আমার উদ্ধারের একটা উপায় অবশ্যই আছে।” এখানে সেক্যুলার-ধর্মীয় বাইনারি হিসেবে না দেখে ক্ষমতাবান-ক্ষমতাহীনের বাইনারিতে রিড করা সহজ ও যথোপযুক্ত সম্ভবত। ক্ষমতাবান সর্বদা তার দুষ্কর্মের দায় ইতিহাস ও সমাজকে দিতে চায়। ফজলে এলাহিও তার বাইরে নয়। সে একদিকে তার অতীতের কদর্যতা—সৎভাইকে বিষ খাইয়ে হত্যা, বিবাহিত নারীর পেটে বাচ্চা পয়দার পর বউটির আত্মহত্যা, কিংবা হেডমাস্টারমশাইয়ের ঘরে আগুন দেওয়া— এই ঘটনাগুলোকে সময়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলে দায়মুক্তি চায়। এতে করে ইতিহাসের নানা ঘটনাও বর্ণনা করে। ফজলে এলাহি দায়মুক্তি নিতে বলে, “বুঝলে মাওলা বক্স, আমরা সবাই অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রেট ক্যালকাটা কিলিংয়ে অংশ নিয়েছি। অনেক শিশু, অনেক বৃদ্ধ, নিরাপরাধ মানুষ মারা পড়েছে। অনেক নারীর সতীত্ব হরণ হয়েছে। এগুলো নিষ্ঠুর হৃদয়হীন কর্ম মনে হতে পারে। কিন্তু আমরা এগুলোকে তত খারাপ মনে করিনি। আমাদের লক্ষ্য ছিল পাকিস্তান আদায় করা। 'কান মে বিড়ি মুখে পান লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান।' এসব কর্মের অনুষ্ঠান না করলে পাকিস্তান দাবি সফল হত না। আমরা পাকিস্তান সম্ভব করেছিলাম বলে আজকে তোমাদের বাংলাদেশ হয়েছে। খুন, ধর্ষণ, জ্বালানো, পোড়ানো, মানুষকে কষ্ট দেওয়া এসব প্রাণ থেকে সমর্থন করিনে বটে, কিন্তু এসবের প্রয়োজনও অস্বীকার করতে পারিনে।” কিন্তু মাওলা বক্স বারবার তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। ফজলে এলাহিও মুক্তি চান। তাই তো অতীতের পাপরাশির মাঝে খুঁজতে থাকে একবিন্দু পূণ্য। সেই একটি ঘটনাকে বিবৃত করে দায়মুক্তি নিতে চায়। সে ভাবে না পরকালের কথা, স্বর্গ কিংবা নরক কোনোটাই পাওয়ার ইচ্ছা কিংমা শঙ্কা তার মধ্যে নেই। কিন্তু সে ভয় করে, তার অবর্তমানে তার চেয়েও নিকৃষ্টতর লোক তার নিন্দে করে সমাজে সাধুকথা বলবে। সে নিজেকে পশু মনে করে ঠিক। কিন্তু সেটা বাঘ হিসেবে। সে চায় না কোনো কোনো বেজি তাকে শিয়ালের সাথে তুলনা করুক। তাই সে সবকিছু খুলে বলতে চায় মাওলা বক্সকে। এই গেল একদিক। আবার উপন্যাসে ফুটে ওঠেছে তৎকালীন সমাজের নির্মম সত্য। ফজলে এলাহির মুখে ছফা সে সমাজকে চিত্রিত করেন এভাবে, “গ্রামে ডাক্তার কবিরাজরা ছিল হিন্দু, রোগীরা মুসলমান। উকিল-মোক্তার হিন্দু, মক্কেল মুসলমান। মহাজন হিন্দু, খাতক মুসলমান। জমিদার হিন্দু, প্রজা মুসলমান।” সমাজের এই করুণ বাস্তবতার সময় ফজলে এলাহি পড়তে যান ফাজিলপুর ইস্কুলে। যেই গ্রামে সংখ্যায় মুসলমানদের আধিক্য থাকলেও আর্থ-সামাজিক বিবেচনায় ছিল পিছিয়ে। তাই তো ইস্কুলের কুলদা বাবু মুসলমান ছেলে দেখলে ভ্রুকুটি দেন। ফজলে এলাহির জবানে,“আমাদের স্কুলে কুলদা শঙ্কর বিসিংগিরি নামে একজন সেকেন্ড মাস্টার ছিলেন। কুলদাবাবু সুযোগ পেলেই মুসলমান জাতটাকে কষে নিন্দে করতেন। কোন মুসলমান ছেলে লেখাপড়ায় খারাপ করলে মুখ ভ্যাংচে বলতেন, ব্যাটা মুসলমান লাঙল ঠেলা বাদ দিয়ে পড়াশোনার শখ কেন। আবার কোন মুসলমান ছাত্র লেখাপড়ায় আশাতীত ভাল করলে তারও চুল টেনে আদর করে বলতেন, ব্যাটা যবন নন্দন তোর বেশ লেখাপড়া হচ্ছে, নিশ্চয়ই পূর্ব জন্মে তুই হিন্দু ছিলি।” সমাজের নির্মম বাস্তবতার এই টানপোড়েনে মাঝেই সেসময় মুসলমান ছেলেপেলে পড়তে থাকে। কিন্তু জাতঘৃণা তাদের ভেতর গজিয়ে ওঠে ক্রমশ। প্রতিবাদস্বরূপ কুলদাবাবুকে ঘৃণা করতে থাকে। ফজলে এলাহির জবানে, “তারা (মুসলমান ছাত্ররা) স্কুলের পায়খানাটিতে শালা কুলদা, খানকিরপুত কুলদা, তোকে আচ্ছা করে গরুর মাংস খাওয়াব- এই জাতীয় ভাল ভাল কথা লিখে রেখেছিল। ওই ল্যাট্রিন সাহিত্যের সংবাদ কুলদাবাবুর কান পর্যন্ত পৌঁছেছিল কিনা আমি বলতে পারব না।” (মানে তখনও বাথরুমসাহিত্য ছিল। হাহাহা!) এই ক্ষোভ তাদের মাঝে আত্মসচেতনতা জাগিয়ে তুলে। ইস্কুলে স্বরসতী পূজা হলে মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠানও হতে হবে। এই আত্মসচেতনতায় তারা হেডমাস্টার বরাবর অনুলিপি দেয়। কিন্তু সেখানেও কুলদা বাগড়া দিয়ে মুসলমানদের নিন্দা করতে থাকেন। ফলত তাদের ভেতর ক্রমশ ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হতে থাকে। পরবর্তীতে দেখি মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠান হলেও ক্ষোভ শেষ হয়নি। তাই তো একদিন ফজলে এলাহি ও আবদুল বাকি কুলদা বাবুর মাথায় প্রস্রাব করে দেয়। কিন্তু এতে হিন্দু সমাজ ফুঁসে ওঠলেও মুসলিম চাষাভুষারা এই ঘটনাকে সেলিব্রেট করতে থাকে। আবার এই দ্বন্দ্বের শেষে পাকিস্তান আমলের ক্ষতও ওঠে এসেছে ছফা'র কলমে। ফজলে এলাহির জবানে,“গীতা বলে হিন্দুদের একটা ধর্মগ্রন্থ আছে। অমন আঁতকে উঠলে কেন? হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থে কি ভাল কথা থাকতে নেই। তেইশ বছর পাকিস্তানে বাস করে তোমাদের মনের আকাশ সঙ্কীর্ণ হয়ে গেছে।” মোটকথা, ‘মরণ বিলাস’ আহমদ ছফা'র এক দুর্দান্ত উপন্যাস। এতে সমাজের নানা টানপোড়েনের ইতিহাস ওঠে এসেছে এক মৃত্যুপথযাত্রীর জবানে। বইটি উৎসর্গ করেছেন আরেক সুসাহিত্যিক রশীদ করীমকে। প্রকাশ করেছে হাওলাদার প্রকাশনী। পড়তে পারেন।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

1 টি

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

Q

ভাই কত পৃষ্ঠা

Nazmol khan • 02 Aug, 2026
A
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা 75। ধন্যবাদ।
প্রগতি সাপোর্ট টিম • 02 Aug, 2026

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"মরণবিলাস" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
মরণবিলাস পাতা: 1 / 13
পাতা 2
মরণবিলাস পাতা: 2 / 13
পাতা 3
মরণবিলাস পাতা: 3 / 13
পাতা 4
মরণবিলাস পাতা: 4 / 13
পাতা 5
মরণবিলাস পাতা: 5 / 13
পাতা 6
মরণবিলাস পাতা: 6 / 13
পাতা 7
মরণবিলাস পাতা: 7 / 13
পাতা 8
মরণবিলাস পাতা: 8 / 13
পাতা 9
মরণবিলাস পাতা: 9 / 13
পাতা 10
মরণবিলাস পাতা: 10 / 13
পাতা 11
মরণবিলাস পাতা: 11 / 13
পাতা 12
মরণবিলাস পাতা: 12 / 13
পাতা 13
মরণবিলাস পাতা: 13 / 13
পাতা / 13
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।