১ম প্রকাশ, ২০২৪
মনে মনে প্রধানমন্ত্রী (১ কপি)
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন- ১
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন - ২য় খণ্ড
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
কিতাব পরিচিতি প্রয়োজনীয়তা ও পদ্ধতি
মাওলানা আবদুল্লাহ নাজীব
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন - ৩য় খণ্ড (ইলমের দাওয়াত)
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
গবেষণা ৩৬০°
হাসিবুল হাসান
আদর্শ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা গাইড (১ম, ২য় ও ৩য় খণ্ড একত্রে)
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | মনে মনে প্রধানমন্ত্রী (১ কপি) |
| Author | আবিদ ইকবাল |
| Publisher | সত্যায়ন প্রকাশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 158 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | প্রবন্ধ |
| Weight | 0.11 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
66 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
Nayeema Islam , Jun 27, 2024
"আলহামদুলিল্লাহ অসাধারণ একটি বই। এই বইতে পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন ষড়যন্ত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে । পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বইটি সবার পড়া জরুরী।"
Rakibul Hasan Rafi , Jun 25, 2024
"চমৎকার একটি বই"
MD Nazimul Haque , May 23, 2024
"মুক্ত আকাশের নিচে অবস্থানকারী পাগলদেরকে আমরা প্রায় সবাই চিনি। তারা যখন যা মনে আসে বলে বেড়ায়, রাস্তায় অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিও করে। যদিও আমরা সবাই এইরম পাগল থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি। কিন্তু, অনেক বছর আগে এই একই মুক্ত আকাশের নিচে বসবাসকারী এক শিক্ষিত পাগলের আমদানি হয়েছিল। আবার সেই পাগলের হাত ধরে আজ পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেকটা অঞ্চলে-দেশে আরও নতুন নতুন শিক্ষিত পাগলের আমদানি হয়েছে, হচ্ছেও।এ শিক্ষিত পাগলেরা স্কুল-কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্তও ঘুরে বেড়ায়, আর বলে বেড়ায়, ❝কি! তোমার নিজেকে পুরুষ মনে হচ্ছে! তাহলে তুমি পুরুষই! আবার যুবতী বা ২/৪ সংখ্যক নবজাতকের বাবা কে বলে বেড়ায়, তুমার নিজেকে নারী মনে হয়, তাহলে তুমি নারীই!❞এ শিক্ষিত পাগলেরা এখানেই থেমে নেই!অবশ্য, এরকম পাগলদের সচরাচর দেখা-ও যায় না, এমনকি খালি মাঠে গোল দেয়ার অপেক্ষায় ভার্সিটিতে ভর্তি করা আপনার সন্তানকে লিঙ্গ কেটে মেয়েতে রূপান্তর বা মেয়ে থেকে স্থায়ীভাবে ছেলেতে রূপান্তর করার উদ্দেশ্যে ঘাপটি মেরে বসে আছে! তবে চিন্তার কারণ নেই, আমাদের ❝আবিদ ইকবাল❞ ভাই আমাদেরকে এমন একটি বই উপহার দিয়েছেন যা এ পাগলদের চালাকির নাড়ি-নক্ষত্র ঘেঁটে দেখাতে পরমাণুর ন্যায় একটু হলেও সহায়তা করবে।আগামী প্রজন্মকে বাচাতে হলে আপনাকেই পড়ে দেখতে হবে ❝মনে মনে প্রধানমন্ত্রী❞ বইটি......"
Mohammad Ali Sikder Ramim , May 22, 2024
"বর্তমানে যোগাযোগ ব্যাবস্থার অতিরিক্ত উন্নতিকে কাজে লাগিয়ে, সমাজে বিদ্যমান কিছু আচার আচরণকে পরিবর্তন করে ফেলার প্রচেষ্টা চলছে। এর পিছনে কাজ করছে বিশ্বের বড় বড় সব প্রভাবশালী গোষ্ঠী। কিন্তু কেন তারা এসব করছে? এর একমাত্র উত্তর হলো, এরা শয়তানের ধোঁকায় পড়ে এমন করছে। শয়তান আসলে সব মানুষকে পাপী বানাতে চায়। সে সবসময় মানুষকে ধোঁকায় ফেলে সংশয় সৃষ্টি করে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়ে জাহান্নামের পথে পরিচালিত করতে চায়। তাই সে সবসময় বিশাল পরিকল্পনা করে যে, কিভাবে মানুষের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যায়। বর্তমান সময়ে এসবের প্রবণত প্রচন্ড রকম বেড়ে গেছে, আর দিনকে দিন আরো বেড়েই চলছে। 'মনে মনে প্রধানমন্ত্রী' বইটা আপনাকে এসব বিষয়গুলোর পিছনে লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর সব সত্য জানতে সহায়তা করবে। উপন্যাসের ঢঙে লেখা এই বইটা পড়তে যেমন সুখপাঠ্য তেমনি চিন্তা জগতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী। আমি মনে করি এই বইটা বর্তমান সময়ে সবার পড়ে দেখা উচিত এবং শয়তানের ধোঁকা থেকে সবার সচেতন হওয়া উচিত।"
Mohammad Sanaullah , May 22, 2024
"মানুষের সহজাত লৈঙ্গিক পরিচয় বদলে ফেলা খুবই ঘৃণিত ও নিন্দনীয় একটি কাজ। সমাজের দর্পণে এটিকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে প্রতিবিম্বিত করার অপচেষ্টা চলছে। শব্দভ্রমে পড়ে একসময়ে আমি নিজেও ট্রান্সজেন্ডারকে হিজড়া বলেই জানতাম। সম্প্রতি ‘মনে মনে প্রধানমন্ত্রী’ বইটা পড়ে সেই ভ্রান্তি আমার কেটে গেছে। এর নির্বাক পাতায় উঠে এসেছে ট্রান্স পিপল নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি, জেন্ডার ও সেক্সের পার্থক্য এবং ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়ার তফাত। নারী-পুরুষের দৈহিক গঠন ও মনস্তত্ত্ব এক নয়। তাদের কাজকর্ম, পোশাক-আশাক, সাজসজ্জা ও দায়-দায়িত্বের মাঝেও আছে ভিন্নতা। কিন্তু একটি কুচক্রীমহল এই প্রভেদকে সমাজ থেকে মুছে দিতে চায়। সেলক্ষ্যে তারা দেশের আইনকানুন, সংবিধান ও শিক্ষাঙ্গণসহ সর্বত্র ছড়াচ্ছে এর পূতিগন্ধ। নিয়ন্ত্রণ করছে পাঠ্যপুস্তক রচনার রোডম্যাপ। সেখানে পরিবার ও সমাজকে তুলে ধরছে শত্রুরূপে⸺মানবাধিকার ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের নামে প্রচার করছে বেপর্দা, ফ্রি-মিক্সিং ও যৌনবিকৃতি। এর সূচনাবিন্দু কোথায়, কোন অ্যাজেন্ডা কাজ করছে তার পেছনে? বইটাতে গল্পে-জল্পে এসবকিছু পরিস্ফুট হয়েছে। গ্রন্থকার আবিদ ইকবাল বইয়ের প্লটকে আকর্ষণীয় করেছে তার দুর্দান্ত এক্সিকিউশন ও ডিটেইলিং দিয়ে। তার মার্জিত রসজ্ঞান ও বর্ণনকৌশল স্রেফ মুগ্ধ করেছে আমাকে। ফলে, রিডিং এক্সপেরিয়েন্স ছিল অসাধারণ। ‘মাতাল হাওয়া’ গল্পটা পড়ার আগে আমি জানতামই না, ট্রান্সজেন্ডারিজমের শিকড় কতটা বিস্তৃত, আর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের হতাশা প্রকাশ করা কতখানি ক্ষতিকর। নারী-শিশু, ছাত্র-ছাত্রীদের টার্গেট করে চলা চক্রান্তের কথা ভাবলে গা শিউরে ওঠে। এছাড়া নারীবাদ ও পশ্চিমা সংস্কৃতির দূষণ তো আছেই। মূলত, ইসলামি সমাজব্যবস্থা ধ্বংসের অভিসন্ধিতেই শয়তানের এতসব উদ্যোগ। মাত্র ছয় পর্বের একটি ‘স্মার্ট বুক’ যদি গল্পরূপে এতকিছু তুলে ধরে⸺তাহলে প্রকৃত অবস্থা কী বীভৎস, ভাবা যায়! এভাবে চলতে থাকলে, আগামী প্রজন্ম স্পষ্টত ছেলে আর মেয়ের পার্থক্য বুঝার বোধটুকুই হারিয়ে ফেলবে। তাই এই সংকট মোকাবেলায় প্রত্যেকেরই যথার্থ জ্ঞানার্জন করা জরুরি। আর ‘মনে মনে প্রধানমন্ত্রী’ সেই চাহিদা পূরণ করে, পাঠকের দৃষ্টিকোণ বদলে দিতে সক্ষম⸺সহজ-সরল ঢঙে লেখা বইটা সবার জন্যই পাঠোপযোগী। সমাজের প্রতিটি বিবেকবান ব্যক্তির নিঃসঙ্কোচে এই গ্রন্থটি পড়া উচিত। বলা তো যায় না, এরকম হাই-ভোল্টেজ বই পড়ে তারাও হয়তো ‘ছাড় নেই’ গল্পের তাহমীদ রেজার মতো সন্তানদের জন্য ‘হোমস্কুলিং’ এর কথাই ভাববে! ."
Rakibul Hasan , May 22, 2024
"পশ্চিমা মাতাল হাওয়া বেশ জোরেশোরেই বয়ে চলেছে আমাদের দেশে। সমকামিতা, ট্রান্সজেন্ডারের মতো জঘন্য মতবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বুদ্ধিজীবীর মুখোশে কৌশলে ভাড়ায় খাটছে কিছু মানুষ। কেউ টাকার লোভে, কেউ হুমকির কারণে। একেক ধরণের মানুষের জন্য তারা পেতে রেখেছে একেকরকম ফাঁদ। পর্যাপ্ত জ্ঞান এবং সচেতনতার অভাবে সেসব ফাঁদে পড়ে যাচ্ছে অনেকেই। তাদের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পায়নি প্রাইমারি স্কুলও! ইসলামবিদ্বেষীদের তৈরি পাঠ্যপুস্তকে শেখানো হচ্ছে যে কেউ মনে মনে চাইলেই ছেলে কিংবা মেয়ে হয়ে যেতে পারে! এসব মতবাদ প্রায় সবার কাছেই পাগলের প্রলাপ মনে হলেও যেসব শিশুদের ছোটো থেকে বছরের পর বছর এসব গেলানো হচ্ছে, তাদের মনে সংশয় তৈরি হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। পশ্চিমাদের বাণীতে প্রভাবিত হয়ে টাকা-পয়সা, উচ্চপদস্থ চাকরি, বাইরের দেশের ভিসা ইত্যাদির লোভে অনেক শিক্ষিতরাও এই ফাঁদে আটকে যাচ্ছে। তাই বর্তমানে এবিষয়ে সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" বইটি আমাদের সহযোগী হতে পারে। বইটিতে লেখক আবিদ ইকবাল সাহিত্যের ছোঁয়ায় সহজ ভাষায় গল্পের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডারবাদীদের ফাঁদগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। ৬টি অধ্যায়ে বিভক্ত ১৬০ পৃষ্ঠার বইটিতে জেন্ডার থিওরির ইতিহাস, পাঠ্যপুস্তকে ছড়িয়ে দেওয়া বিষ, হিজড়া এবং ট্রান্সজেন্ডারের পার্থক্য, অশ্লীলতার প্রচার ও প্রসারে মিডিয়ার অবদান ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হয়েছে। ভুয়া গবেষণা থেকে কীভাবে ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হলো, পাঠ্যপুস্তক কেন সেই মতবাদের আলোকে সাজানো হলো, কীভাবে স্কুলের বাচ্চাদের জেন্ডার রোল ভুলিয়ে লজ্জাহীন করে ফ্রি-মিক্সিংয়ে অভ্যস্ত করানো হচ্ছে, কিছু শিক্ষিত মানুষও কীভাবে বিকৃত মতবাদের পক্ষ নিচ্ছে ইত্যাদি প্রশ্নের জবাব বইটিতে পাওয়া যাবে। ছোট আকারের বইটিতে বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচিত না হলেও ততটুকু আলোচিত হয়েছে, যা একজনকে সচেতন করার জন্যে যথেষ্ট। বইটি গল্পাকারে লিখিত হলেও এতে ব্যবহৃত উদাহরণগুলো বাস্তব। মূল আলোচনার শেষে উল্লিখিত হয়েছে সেগুলোর তথ্যসূত্র। বর্তমান সময়ে ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকসহ সবার জন্যেই বইটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ট্রান্সজেন্ডারবাদীরা লুকিয়ে আছে আমাদের আশেপাশেই। চলমান এই অবক্ষয় থেকে জাতিকে রক্ষা করতে যার যার অবস্থান থেকে সাধ্যমত সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। একটি সামান্য পদক্ষেপের কারণে হয়তো আমাদের আপনজন ট্রান্সজেন্ডারবাদীদের ফাঁদ থেকে রক্ষা পাবে।"
Ruponti Shahrin , May 22, 2024
"মনে মনে প্রধানমন্ত্রীঃ বুদ্ধিজী'বীর মুখোশে চিকন চালাকির ব্যবচ্ছেদ মাথা ব্যথা হলে কি মাথা কে’টে ফেলবেন? – সমাজব্যবস্থা যদি আপনাকে সেই কথাই শেখায়, তাহলে? সাধারণত ক্রোমোজোম, ব্যক্তির প্রজনন অঙ্গ, হরমোনের ধরন প্রভৃতির ভিত্তিতে সে’ক্স নির্ধারিত হয়। স্ত্রী লিঙ্গের শরীরে জরায়ু, XX ক্রোমোজোম, উচ্চমাত্রায় এস্ট্রোজেন হরমোন এবং পুরুষ লিঙ্গের শরীরে জননাঙ্গ, XY ক্রোমোজোম, উচ্চমাত্রার টেস্টোস্টেরন হরমোন থাকে। যা দ্বারা সে'ক্স বা লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। তাহলে মনে মনে কীভাবে লিঙ্গ নির্ধারিত হবে? ব্যাকরণ বইয়ের মতো লিঙ্গ চার প্রকার, সেভাবে নাকি? নাকি ‘অ্যাজ নেচার মেইড হিম’-এর মনোবিজ্ঞানী জন মানি’র ‘জেন্ডার থিওরি’র মতো। এক ‘ফাইমোসিস’ রোগ থেকে একটি তত্ত্ব রুপ নিয়ে ফেলল। যার ফলশ্রুতিতে ট্রা’ন্স’জে’ন্ডার, হি’জ’ড়া, নন বাই’নারি, এল-জি-বি’টির মতো ইস্যুগুলোও ধীরে ধীরে বাসা বাধতে শুরু করলো। মজার কথা হলো, সে’ক্স ও জে’ন্ডারের পার্থক্যে, সমাজ ঠিক করে দেয় আমাদের জে’ন্ডার কী হবে। হাস্যকর হলেও, জেন্ডার বলতে বোঝায় ব্যক্তি নিজেকে মানসিকভাবে যে লিঙ্গের মাপকাঠিতে অনুভব করে তা। অর্থাৎ জে’ন্ডার লি’ঙ্গের বৈশিষ্ট্য দ্বারা নির্ধারিত না হয়ে মন-মানসিকতার ওপর নির্ভর করে। তাছাড়া জে’ন্ডার পরিচয় এবং যৌন অভিমুখিতা নিয়েও সমাজে বিভ্রান্তি রয়েছে। অর্থাৎ জন্মগত শারীরিক ও সামাজিকভাবে মানসিক পরিচয় ভিন্ন। এরপর শ্লীপদের উপর বিষফোঁড়ার মতো জুটেছে ট্রা’ন্স’জে’ন্ডার ও হিজ’ড়ার ইস্যু। সবকিছুকে ছাপিয়ে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে স্কুল-কলেজের বইগুলোতে এখন কিছু বিষয়কে স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। যাতে করে চক্ষু লজ্জা বলতে যা কিছু ছিল তাও উধাও হয়ে যায়। স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শাহবাগীদের মিলনায়তন, মিডিয়ার সাব-এডিটর ডেস্ক যদি সে পথে হেঁটে ছয় রঙের রঙধনু দেখিয়ে আপনাকে হিপনোটাইজড করে ফেলে। আপনিও বিশ্বাস করতে শুরু করলেন, আপনি শরীফ নন, আপনি শরীফা। লিঙ্গ নির্ধারিত হয় না দেহে,হয় মনে। কারণ, পাগলের সুখ মনে মনে। স্বল্প কলেবরে ৬টি শিরোনামে গল্পভাষ্যে বেরিয়ে এসেছে শয়’তানি চ’ক্রের আসল স্বরুপ, রঙ্গমঞ্চ, আড়ালের পুতুল নাচ। সবকিছু যতখানি জট পাকানো ছিল, সহজ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপনের জন্য মনে মনে অনেক পাগল যদি এখন প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে আসে, তবেই আমাদের আগামী প্রজন্ম একটি সুন্দর, লজ্জাশীল ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন জাতির মুখ দেখবে। উত্তর পেতে, অবশ্যপাঠ্য গ্রন্থ।"
মানবকল্যাণ বন্ধু ফাউন্ডেশন MBF , May 22, 2024
""মনে মনে প্রধানমন্ত্রী "এ এক অন্যরকম আয়না যা তুলে ধরে নতুন প্রজন্ম বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ( ষড়যন্ত্র অর্থে) । চিনিয়ে দেয় চোরাবালির ফাঁদ। ব্যর্থ করে দেয় মানব রুপি পশুদের প্রচেষ্টা যারা চায় নতুন প্রজন্মের কোমলমতি শিশুদের মস্তিষ্কে নাস্তিকতা আর পাশ্চাত্যের ইঞ্জেকশন পুষ করতে । দিশেহারা পথিকের দোদুল্যমান হৃদয়ে এ যে এক মুষলধারে বৃষ্টি যা জাগ্রত করে অবচেতন মনে চেতনার বার্তা । বইটির পরশে বিষাক্ত ধরণী মেতে উঠুক হাসনাহেনার সুবাসে। নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠুক আলোকিত পৃথ্বীর ( পৃথিবীর) রঙিলা আকাশে। সাল্লাল্লোহু আলান নাবিয়্যিল উম্মিয়ি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাহবিহি আজমাইন। আমিন , ইয়া রব্বাল আলামিন"
MUNTASIR MAMUN , May 20, 2024
"শত্রুরা আক্রমণের জন্য চারপাশ থেকে তীর নিয়ে প্রস্তুত, তারা একটার পর একটা ফেতনার তীর ছুরে যাচ্ছে। তীরের আঘাতে ঘায়েল প্রায় সময়ে এক আত্মরক্ষার ঢাল নিয়ে আসছে কতগুলো আলোর ফেরিওয়ালা, যারা চাচ্ছে আমাদের মুসলিম উম্মাকে এই ফেতনার তীর গুলো থেকে বাঁচাতে এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ উপহার দিতে। কাথা বলছিলাম সত্যয়ন প্রকাশনির '' মনে মনে প্রধানমন্ত্রী '' বইটির কথা। বইটি লিখেছেন আবিদ ইকবাল। বর্তমান সময়ের সব থেকে বড় ফেতনা নিয়ে লেখা এই বইটি সবার পড়া উচিত ছোট কিংবা বড় সবার। বইটিতে খুব বিস্তার ও সাবলিল ভাবে গল্পের মাধ্যমে বুঝানো হয়েছে। যা মনে কেরে নেবে যে কোনো পাঠকের। তাই তো প্রদীপের শিখা নিভে যাওয়ার আগেই আবার আমারা জেগে ওঠি আর সেই অপশক্তি গুলোকে রুখে দেই, যারা আমাদের অস্তিত্ব নাই করতে চাই। তাহলে আমরাও প্রস্তত হয় আমাদের ঢাল নিয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে।"
Alamgir Hossain , May 20, 2024
"বেশ কিছুদিন পর অসাধারণ একটি বই পড়লাম। বইটি যতই পড়ছিলাম ততই মুগ্ধ হচ্ছিলাম। যেন মনে হচ্ছিল যে বাবা-মা যেভাবে সন্তানদের উপদেশ দেয় এই কাজ করো না এটি মন্দ কাজ ঐ কাজ করো ঐ কাজ ভালো। তাছাড়া বর্তমান বিশ্বের সমসাময়িক সময়ে যে ভাইরাসগুলো আমাদের মধ্যে ছড়াচ্ছে সেই বিষয়ে খুব সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন আদ্যপান্ত। বইটির প্রতিটি অধ্যায় যেন রয়েছে নতুন নতুন থ্রিল। বিশেষ করে জেন্ডার থিওরি, ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামির মতন বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে কিভাবে এগুলো আমাদের সমাজে পুশ করা হচ্ছে আমাদের অগোচরে। প্রতিটি মানুষের কাছে এই বইটি থাকা চাই বিশেষ করে শিক্ষকদের কাছে। বর্তমান পাঠ দান সম্পর্কে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিশদ ও আলোচনা করা হয়েছে। প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে তিনটা বিষয় আমাদের খুব ভালোভাবে মাথায় রাখতে হবে। ১. ভুলের সাথে বসবাস করা যাবে না। ২. জাগতিক জ্ঞানের ভেলকি দেখে টলে যাওয়া যাবে না। ৩. সঠিক মাপকাঠি ছেড়ে দিয়ে দোলাচলে হাবুডুবু খাওয়া যাবে না।"
ali****com , May 19, 2024
"বর্তমান বাংলাদেশ সমাজে মুসলিম উম্মাহকে বিভিন্ন ধরনের ফিতনা দিয়ে গোমরাহ করছে বা করার চেষ্টা করছে পশ্চিমারা। এর মধ্যে আধুনিক ফিতনা হচ্ছে ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ ও সমকামিতা। এই ফিতনাগুলো সম্পর্কে জানা না থাকলে উম্মাতে মুহাম্মাদীর যেকোনো উম্মত জড়িয়ে পড়তে পারে এ ফিতনায়। তাই মুসলিম উম্মাহকে প্রয়োজন সচেতন করা। এই সচেতন করার মহান দায়িত্বটি নিজের কাধে তুলে নিয়েছেন আবিদ ইকবাল তার বই "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" প্রকাশের মাধ্যমে। এই বইটি তিনি প্রকাশ করছেন সমকালীন জেন্ডার সমস্যা নিয়ে। অর্থাৎ সমকামিতা ও ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ নিয়ে। এই বইটি পড়লে পাঠক বুঝতে পারবে কিভাবে আমাদেরকে জড়ানো হচ্ছে এসব ফিতনায়। কত সূক্ষ্মভাবে আমাদের জন্য জল বিছিয়ে রেখেছে পশ্চিমারা। কতটা ভয়াবহ পরিণতি বরণ করতে হয় এ জলে আটকে পড়লে। তাই পাঠক এই বইটি পড়লে বেঁচে যেতে পারেন এই জাল থেকে। একই সাথে তিনি পারবেন আর একজন মুসলিম উম্মাহকে সচেতন করতে। আমরা দেখতে পাচ্ছি কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে পশ্চিমা ফিতনা। এই ফিতনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে লেখক আবিদ ইকবাল এর বইটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বুক রিভিউ আলিফ মুস্তাকিম"
Khalid Mahmud , May 19, 2024
"• সময় বদলে যাচ্ছে। পরিবর্তনের ছোয়া লাগছে সবখানে। সত্যের সংজ্ঞায় গলিয়ে যাচ্ছে অসত্য। এমনি অসত্য, বিকৃত আর বিচ্ছিরি মতবাদ ট্রান্সজেন্ডার, সমকামীতা'র ইতিবৃত্ত বর্ণনার একমুঠো প্রয়াস❝ মনে মনে প্রধানমন্ত্রী❞। • পুরোটা বই সাজানো হয় ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে ছয়টি গল্পে।জোড়া খু'ন হলো শুরুর গল্প আর বইটি সমাপ্ত হয় মাতাল হাওয়া গল্প দিয়ে। দুটোর মাঝে রয়েছে—ফন্দি, ছাড় নেই, হিজরা চিনেন এবং নাচেরে মিডিয়া নাচে শিরোনামে আরও চারটি গল্প। গল্পগুলো গতানুগতিক ধারার নয়, গল্পচ্ছলে ওঠে এসেছে এই ধ্বংসাত্মক মতবাদের পূর্ব-ইতিহাস, উৎপত্তি এবং ক্ষতিকর দিকগুলো ।লেখক তুলে ধরেছেন এর পেছনে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক কারণগুলো। সুনিপুণভাবে বাতলে দিয়েছেন এর সম্ভাব্য ক্ষতিসমূহ কীভাবে এড়ানো যায়। সাথে যুক্ত করেছেন বিভিন্ন নিউজ রিপোর্ট ও পাঠ্যপুস্তক থেকে উদ্ধৃতি। বইজুড়ে লেখক সাহসী চরিত্রের ভুমিকায় চরিতার্থ করেছেন তুহিন, আইজা,জাভেদ, ফারিহা চরিত্রগুলোকে৷ তুহিনের ভাষায় তুলে ধরেছেন লোমহর্ষক জোড়া খুনের ঘটনা। যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জন মানির জেন্ডার তত্ত্ব। জাবেদ চরিত্রের মাধ্যমে করেছেন সমকামিতা,ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ক হলুদ মিডিয়াগুলোর মুখোশ ফাঁস।তাহমিদ রেজার মাধ্যমে অভিভাবকদের দেওয়া হয়েছে ‘হোম স্কুলিং' এর মতো একটি সুন্দর সিস্টেম । • গল্পচ্ছলে পাঠক জানবে— কোমলমতি শিশুদের সিলেবাসের যে বিকৃত অবস্থা, এবং একটা জাতী ধ্বংসের পিছনে আঁকা পরিকল্পিত সব নীল নকশা। ভয়াবহ সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পাঠক জানবে এতোসব পরিকল্পনার পিছনে কার হাত রয়েছে, আর কীইবা আছে তা থেকে বেরিয়ে আসার পথ।সাথেসাথে জাগ্রত হবে সচেতনতাবোধ। • প্রথমত বইটির নাম দেখায় ভেবেছিলাম হয়তো হাস্যরসাত্মক কিছু প্রবন্ধ হবে, কিন্তু নাহ; পাঠকালে বইটিকে আবিস্কার করলাম অকাট্য সত্যের দলীল হিসেবে যেখানে গল্পের আঙ্গিকে ট্রান্সজেন্ডার, সমকামী, জেন্ডারপার্থক্যের মতো সমাজের চলমান ব্যাধিগুলোর আলোচনা স্পষ্টভাবে বর্ণনা। প্রচ্ছদে ভাসমান নামই যেন উল্লেখিত বিষয়বস্তুর জানান দিয়েছিল খানিক। ভাষাশৈলী ছিল ঝলঝলে, প্রাঞ্জল।একনাগাড়ে পড়ে ফেলার মতো হলেও পাঠ এগিয়েছি ধীর গতিতে, আর অভিভূত হয়েছি তথ্যপূর্ণ কথামালায়। সর্বমহলের নিকট সুখপাঠ্য হবে বলে আমি আশাবাদী। বই— মনে মনে প্রধানমন্ত্রী লেখক— আবিদ ইকবাল সত্যায়ন প্রকাশন"
Muhammad Jony , May 19, 2024
"📜বইঃ মনে মনে প্রধানমন্ত্রী 🔺লেখকঃ Abid Iqbal 🔺প্রকাশনীঃ সত্যায়ন প্রকাশন ➡️ মনে মনে নিজেকে অনেক কিছুই ভাবা যায়, কোন সময় নিজেকে, নিজ দেশের বা আমে-রি-কার, প্রেসিডেন্টও ভাবা যায়। এই সামান্য দেশের ক্ষমতা, যা পরিবর্তন যোগ্য ব্যাপার, এটা যখন কেউ মেনে নিতে চাই না, কারন মন চাইলো নিজেকে দেশের প্রেসিডেন্ট দাবি করলাম, এটা পাগলামো সবাই বুঝে, সবাই আমাকে পাগল বলবে এটা শিউর। অন্যদিকে আমরা বর্তমানে একটা শ্রেণীর মানুষ দেখছি যারা, ছেলে হয়ে বড় হলেও হঠাৎ করে নিজেকে মেয়ে দাবি করছে, আবার মেয়ে মানুষ হঠাৎ করে ছেলে বলে দাবি করছে। এটা নাকি তাদের অধিকার, সুস্থ মস্তিকের কেউ এটা কি মেনে নিতে পারে? বর্তমান সমাজের হট টপিক হলো এই ট্রা-ন্স-জে-ন্ডার। ➡️ অবাধ্যতাঃ মানুষে পবিত্র ফিতরাতকে অস্বীকার করে ইবলিসের বিকৃত পথ অনুসরণ করার কি প্রয়োজন? দীর্ঘ দিন পুরুষ হয়ে জীবন যাপন করে কয়েক সন্তানের পিতা হবার পরে, হঠাৎ নিজেকে নারী দাবি করা, কিংবা কয়েক সন্তানের জননী হঠাৎ নিজেকে পুরুষ দাবী করছে৷ ভাবতেও ঘৃণা লাগে। নিজেদের ভবিষৎ প্রজন্মের জন্য কেমন সমাজ রেখে যাচ্ছি আমরা, মনে হলে গা শিউরে ওঠে নিজের আদরের সন্তানদের জন্য। ভয় হয় না জানি সেও নিজেকে বিকৃত উপস্থাপনের দাবি করে বসে আমাদের কাছে । বিকৃতদের জন্য অধিকারের খসড়া তৈরী হয়ে গেছে আমাদের দেশে, এখন শুধু আইন প্রণয়ন করার অপেক্ষায়৷ 📜 বইটি পড়ে যা জানবেনঃ বাংলাদেশ এই ট্রা-ন্স-জেন্ডার, বা যৌনবিকৃতির আমদানীতে অগ্রনী ভূমিকার স্বরুপ সন্ধান, তাদের কার্যাবলির ধরন, এদের সহযোগী সংগঠন, দেশী বিদেশী এনজিও অর্থপ্রদান প্রকল্প, বুদ্ধিজীবি মহল, সুশীল গোষ্ঠী, উগ্র নারীবাদ, এলিট শ্রেণীর অবদান। জেন্ডার থিওরি ও এর পেছনের ইতিহাস, বিজ্ঞানের নামে ভেলকিবাজি, আমাদের সন্তানদের নিয়ে দ্বীন ও ইমান ধ্বংসের গোপন এজেন্ডার প্রকাশ্যরুপ পরিস্কার হবে আমাদের সামনে। এই ধ্বংস থেকে আমাদের সন্তানদের বাঁচানোর জন্য আমাদের করণীয়, কিভাবে এই ট্রা-ন্স-জেন্ডার বা রংধনু সন্ত্রাস মোকাবেলা করা যেতে পারে, এই বিষ কিভাবে এই দেশে ক্রমাগত প্রবেশ করে আমাদের স্বাভাবিক, আমাদের আল্লাহ প্রদত্ত সৃষ্টির দিকে আঙ্গুল তোলার স্পর্ধা প্রদর্শন করছে, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদী জানবো আমরা, এবং ঠিক করতে পারবো আমাদের কর্মপদ্ধতি৷ বইটি আমাদের বর্তমান সকলের জন্য পড়া গুরুত্বপূর্ণ।"
Md Abdur Rahim , May 18, 2024
"মুহতারাম আবিদ ইকবাল কর্তৃক রচিত "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" বইটি লেখা হয়েছে ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুকে কেন্দ্র করে। লেখক গল্পের ছলে ট্রান্সজেন্ডার এর উৎপত্তি, উৎপত্তির পিছনে জমজ দুই ভাইয়ের বাস্তব ও করুণ কাহিনী তুলে ধরেছেন। ট্রান্সজেন্ডার কে আমাদের সমাজে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে বইয়ের পাতায় পাতায় বিভিন্ন গল্পের ছলে যেভাবে শিশুদের সামনে ছোট থেকেই ফ্রি মিক্সিং, ট্রান্সজেন্ডার সহজ করে তুলে ধরা হচ্ছে তা প্রমাণ সহকারে উঠে এসেছে। হিজড়া ও ট্রান্সজেন্ডার যে একই চরিত্র নয় এবং শুধুমাত্র নামের পরিবর্তন করে হিজড়াদের অধিকার আদায়ের নামে ট্রান্সজেন্ডার প্রমোট করা হচ্ছে তা লেখক উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করেছেন। মিডিয়া এবং বিদেশি এনজিও গুলো যে নিজের স্বার্থের জন্য বিকৃত মানব সমাজ বাস্তবায়নের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে তা বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের উদাহরণ দিয়ে তুলে ধরেছেন। ট্রান্সজেন্ডার প্রচার প্রসারের লক্ষ্যে ভার্সিটি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই কুচক্রের সদস্যদের এজেন্টরা কাজ করে যাচ্ছে তা গল্প আকারে প্রকাশ করা হয়েছে এবং এদের থেকে সাবধান করা হয়েছে। "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" বইটি লেখক গল্প মিশিয়ে ট্রান্সজেন্ডার এর বিভিন্ন দিক নিয়ে তথ্যবহুল আলোচনা করেছেন। গল্প আকারে হওয়ায় পাঠক পড়ে আনন্দ পাবেন এবং জানার তৃষ্ণা মেটাতে পারবেন। এই ইস্যুকে ঠেকানোর জন্য এটি এক ধারালো অস্ত্র।"
tah****com , May 16, 2024
"ট্রান্স*জেন্ডার, নারীবাদী, স*ম*কা*মি, বিবর্তনবাদ এগুলো যেনো এখন ভাইরাসের মতো ফেতনা ছড়াচ্ছে, এমন ফেতনা ছড়ানোর যুগে আপনাকে এ সমস্ত ফেতনা থেকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে- লেখক আবিদ ইকবালের লেখা "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" বইটি।"
liz****com , May 16, 2024
""বই হলো মানুষের অনুভূতির ঘরে প্রবেশ করার অন্যতম চাবি"- ফেরদৌসী মঞ্জিরা আমরা আমাদের চারপাশে যেসব কিছু থেকে যেমন বার্তা পাই তার একটা সূক্ষ্ম প্রভাব আমাদের জীবনে গভীর ছাপ রাখে।বর্তমান এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সঙ্কটময় একটা ইস্যু হচ্ছে জেন্ডার ইস্যু। নিজের পরিচয়ের অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার সঙ্কট। আমি ছোটবেলায় নিজেকে অদৃশ্য ভাবতে পছন্দ করতাম,এতে আমার মা ও সায় দিয়ে বলতেন আমাকে সত্যি দেখা যাচ্ছে না!সেই আমি যদি এখন বড় হয়ে বলি আমি মেয়ে থেকে রাতারাতি ছেলে হয়ে গিয়েছি আমার মা কি এখনো সায় দিবেন?বা দেওয়া কি যুক্তিসঙ্গত! এই খুব চমৎকার এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়েই কুটুমুটু একটা ছোট্ট বই " মনে মনে প্রধানমন্ত্রী"! আচ্ছা আমাদের মাথায় এটা আসলো কিভাবে যে আমি নিজেকে মনে (!) মনে(!) যা খুশি তাই ভাবতে পারবো বিবেক বুদ্ধি পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটার পরও! এসব কি চারপাশে একদিনের পরিবর্তনে হয়েছে?না তা ধীরে ধীরে সমাজে বিষের মতো ছেয়ে গেছে? গল্পে গল্পে সুন্দর সুন্দর কিছু বার্তা পাঠকের মনকে নাড়া দিবে বইটার মাধ্যমে। এসব টপিকে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জনের আগ্রহ ও আসবে এবং হয়ত নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পড়াশোনা এবং জানার পরিধি ও বাড়বে। মাত্র ছয়টা ছোট হাস্যরসাত্মক কথার ছলে গুরুত্বপূর্ণ লিখা যেকোনো ব্যস্ত হোক বা রিডিং ব্লকে থাকা পাঠক হোক সহজেই পড়ে ফেলতে পারবে। লেখার মান একটানা বিরতিহীন পড়ে যাওয়ার মতোই।যেহেতু খুবই ছোট একটা বই তাই আমি ভিতরের লেখার আভাস দিচ্ছি না কেবল টপিক বলে দিয়েছি। মাস্ট রিড না বললেও খুব চমৎকার একটা সময় কাটবে বইটার সাথে তা বলতেই পারি নির্দ্বিধায়। Happy Reading."
Marufa Akter Swarna , May 16, 2024
"‘মনে মনে প্রধানমন্ত্রী’ বইটার নাম শুনে ভেবেছিলাম সম্প্রতি মাথা চারা দিয়ে ওঠা 'মনে মনে' সম্প্রদায়ের বিষয়বস্তু নিয়ে কোন ব্যঙ্গ-বিদ্রুপাত্মক গল্পের সমাহার। কিন্তু পড়ার পর যেন শক খেলাম। খুবই সিরিয়াস একটি বই এবং বইটি প্রতিটি সচেতন মা-বাবা, ভাই-বোন, শিক্ষক, আলেম, সর্বোপরি একজন সচেতন নাগরিকের পড়া উচিত। বইটিতে রয়েছে মোট ৬ টি গল্প। প্রথমেই জোড়া খুন। যেখানে ‘জেন্ডার থিওরি’র শুরুর গল্পটা রয়েছে। ট্রান্সজেন্ডার শব্দটি জানা থাকলেও এর শুরুটা কীভাবে, কার হাত ধরে, এর ভয়াবহ পরিণত- এইসব কিছু খুব কম মানুষই জানে। এমনকী আমি নিজেও জানতাম না। এই গল্প পড়ার পর প্রথম জানতে পারি জেন্ডার থিওরির গোড়ার কথা। জেন্ডার আসলে নতুন একটি ধর্ম। এই ধর্মের লক্ষ্যই হল দেশে দেশে যৌনবিকৃতি ছড়িয়ে দেয়া। প্রজন্ম ধ্বংস করার একটা ভয়ংকর প্রজেক্ট এটি। অনেক নামধারী শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবী নতুন এই ধর্মের পক্ষে ভাড়ায় খাটছে। তাদের একটাই টার্গেট, ইসলামের বিপরীতে জেন্ডার ধর্ম প্রতিষ্ঠা করা। স্বয়ং ইবলিস এই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা। কুরআনের আয়াতে আমরা তার এই বিষয়ের প্রতিশ্রুতি পাই- "আর, মানুষেরা আমার আদেশে আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃত করবে।" (৪:১১৯) এই বইয়ের যে গল্পটি পড়ে সবচেয়ে বেশি শক খেয়েছি তা হল 'ছাড় নেই'। বর্তমানে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা, শিশুদের সিলেবাস, পাঠ্যপুস্তকে যে কী ভয়াবহ বিষয়বস্তু উঠে এসেছে তার নূন্যতম ধারণাও আমার ছিল না। কীভাবে শিশুদের কোমল মনে জেন্ডার থিওরি, প্রেম-ভালবাসা, সেক্সচুয়াল টার্ম, লজ্জাহীনতা প্রবেশ করানো হচ্ছে এগুলো পড়ে আমার রীতিমত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে শঙ্কা হচ্ছে। এই গল্পে কীভাবে একটা জাতি ধ্বংসের যে নীলনকশা করা হয়েছে এবং ক্রমান্বয়ে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সেগুলোই উঠে এসেছে। অনেকের ভাবনায় আসে, কীভাবে নিত্যদিনের স্বাভাবিক জীবনযাপন করা একজন সাধারণ নারী বা পুরুষ একদিন নিজেকে মনে মনে নারী বা পুরুষ ঘোষণা করে! এর পেছনেও কিন্তু আছে ষড়যন্ত্রের নীলনকশা। যে কাউকে কিন্তু মনে মনে নারী/ পুরুষ হওয়ার আহ্বান জানানো হয় না। সাধারনত কেউ নিজ থেকেই এই কাজে হয়তো আগ্রহীও হয় না। তো কাদের টার্গেট করা হয়, কীভাবে করা হয়, এসব নিয়ে গল্প 'মাতাল হাওয়া' বইয়ের বাকি তিনটি গল্প- ফন্দি, নাচেরে মিডিয়া নাচে, হিজড়া চেনেন। এই গল্পগুলোতে পশ্চিমা সংস্কৃতির কালো দিক, মিডিয়ার কারসাজি, ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়াদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বলা হয়েছে। বইটির সাইজ ছোট। ৪ বাই ৬ ইঞ্চির পেপারব্যাক বই। সুন্দর প্রচ্ছদ, মানও তুলনামূলক ভাল। ঝরঝরে লেখনি। কোথায় পড়তে গিয়ে বিরক্ত লাগেনি। অবশ্যই সবার জন্য রেকমেন্ড করব।"
Sumaita Rahman , May 15, 2024
"বইটি পড়াকালে আমার ’আম আঁটির ভেঁপু‘ এর অপু-দুর্গা আর ‘অপরাজিত‘ এর অপু-অপর্ণার সংসারের কথা খুব মনে পড়েছিল।আচ্ছা সেই ছয়-সাত বছর বয়সী অপুকে যখন তার বড় বোন দুর্গা তার নাকে নোলক পরিয়ে দিতে চেয়েছিল তখন অপু মনে মনে কেন এই ব্যাপারটাকে অপছন্দ করল?কেন অপুর ইচ্ছে হচ্ছিল যে বলে-‘নোলকে তাহার দরকার নাই‘।কে নারী আর কে পুরুষ এবং এর ফলে সে তার জীবনে কিরূপ আচরণ করবে তা ওই ছয়-সাত বছর বয়সী অপুও বুঝে।অপুর মতন বয়সী দুই ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয় ঘটেছে বইটিতে,তবে কাল্পনিক কোনো গল্পে নয়;এ এক কথায় চরম নির্মম ইতিহাসে।অপু যে বয়সে হালকা কোনো গাছের ডালকে অস্ত্ররূপে হাতে নিয়ে বীর বীর খেলায় মেতে উঠত;যে বয়সে সে ভাবত কিভাবে তার দিদির সকল কষ্ট সে ভুলিয়ে দিবে;যে বয়সে সে পাঠশালায় পৃথিবী ভ্রমণের রোমাঞ্চকর সব আলোচনায় আনন্দে শিহরিত হত;সে বয়সে এই দুই ভাইয়ের বেশিরভাগ সময় কাটত ল্যাবে,যেখানে তাদের শরীরে কাঁটাছেঁড়া করা হবে।অপু-অপর্ণার মিষ্টি সংসারের মতন সংসার পাবার সৌভাগ্য দুই ভাইয়ের কারোরই হয়নি।বর্তমানে আমাদের আশেপাশে নানান জটিল জটিল তত্ত্বের খেলা চলে।নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবার অজুহাত দেখিয়ে অনেকেই এই জটিল তত্ত্বগুলো বোঝার জন্যে মাথা ঘামাই না।কিন্তু একটু কষ্ট স্বীকার করে বর্তমান দুনিয়ার বাস্তব রূপটা না বোঝার ফলে এর বলি হচ্ছে আমাদের জান্নাতের প্রজাপতিরা।ওই তত্ত্ব-চেতনাবিদেরা যেমন ইতিহাসে দুই ভাইয়ের ব্যক্তহীন কষ্ট উহ্য রেখেছে;তেমনি আমাদের ছোট ছোট ভাই-বোন বা সন্তানদের কোনো মঙ্গলই এদের চিন্তার বিষয় না।সত্য ইতিহাস আমাদের চিন্তার মোড় কে ঘুরিয়ে দেয় সঠিক পথেই।দুপুরবেলার ভাতঘুম দেবার সময়টা বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার সময়টুকুন লাগবে শুধু বইটি শেষ করতে।তবে এই অল্প সময়টুকুনই ইনশাআল্লাহ কথার মারপ্যাঁচে ঘুরানো একটা জটিল তত্ত্ব আমাদের মাঝে ভাতের চাইতেও দ্রুত হজম হবে।"
gol****com , May 15, 2024
"A piggy Society is trying to establish a piggy ideology. একটি রিয়ো সমাজ একটা শুয়ো*রিয়ো আদর্শ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে আমাদেরই সমাজে আর এর নাম (মনে মনে নিজেকে ছেলে বা মেয়ে ভাবা) এবং এর মূল হোতা মনোবিজ্ঞানী জন মানি যার জেন্ডার থিওরি গবেষনার দরুন দুই জমজ ভাই প্রচন্ড ডিপ্রেসড অবস্হায় সুইসাইড করে।আর তারই সাপোর্টকারী বিভিন্ন শক্তিশালী মানুষ বা প্রতিষ্ঠান যাদের কাছে ডলারের লোভে পড়ে বিভিন্ন এনজিও সংস্হা ধীরে ধীরে আমাদের শিক্ষা পাঠ্যক্রমে স্টেপ বাই স্টেপ এই অসুস্থ চিন্তা ভাবনা ঢুকিয়ে দিচ্ছে যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে আমাদের কোমলমতি শিশু-কিশোরদের ওপর।কিভাবে তাদের কার্যক্রম এদেশে চলছে তারই ঘটনা জানা যাবে ছোট্টো অথচ প্রচুর তথ্যে ভরপুর "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী " বইয়ে।"
Ishtiak Mahfuz Abdullah , May 15, 2024
"বুক রিভিউ বইয়ের নাম: মনে মনে প্রধানমন্ত্রী! লেখক: আবিদ ইকবাল প্রকাশন: সত্যয়ন প্রকাশন রেটিং: ৯.৫/১০ বর্তমান সময়ের সবচেয়ে ভয়ংকর ইস্যুগুলোর একটি হলো ট্রান্সগণ্ডারবাদ। এই ধ্বংসাত্মক মতবাদের মূল কথা হলো মানুষ পুরুষ বা নারী হয়ে জন্ম নেয়াই মুখ্য কথা নয়। বরং সে ব্যক্তি নিজেকে কী মনে করে- তাই মুখ্য কথা। পশ্চিমাবিশ্বে মারাত্মকভাবে মতবাদটি বিস্তৃতি লাভ করেছে। প্রাচ্য দেশগুলোতেও এই মতবাদ সমর্থক ধ্বংসাত্মক লোকেরা তাদের মতবাদ বিস্তৃতির চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু আনন্দের সাথে বলতে হয়. সকল দেশেই মুসলিমরা এই ধ্বংসাত্মক মতবাদের বিরূদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের মুসলিমরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। তরুণ লেখক জনাব আবিদ ইকবাল এদেরই একজন। বাংলা ভাষার বিখ্যাত প্রবাদ- 'অসির চেয়ে মসির শক্তি বেশি'- কথাটিকে তিনি যেন সত্যে প্রকাশ করে দেখিয়েছেন। তার বই 'মনে মনে প্রধানমন্ত্রী!'-তে তিনি এই ধ্বংসাত্মক মতবাদের পূর্ব-ইতিহাস, উৎপত্তি কিংবা ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। সহজ-সরল ভাষায় তিনি ট্রান্সগণ্ডারবাদের ইতিহাস তুলে ধরেছেন। লিখেছেন এর পেছনে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক কারণগুলো। একই সাথে এই মতবাদের সম্ভাব্য ক্ষতিসমূহ কীভাবে এড়ানো যায়, তো নিয়েও লিখেছেন। বইটিতে কুরআন, হাদিস থেকে রেফারেন্সের সাহায্যে এই মতবাদের ধ্বংসাত্মক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ রিপোর্ট ও পাঠ্যপুস্তক থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণ করা হয়েছে। এভাবে বইটিতে ট্রান্সগন্ডার মতবাদের ধ্বংসাত্মক দিক যেমন বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে, তেমনি এই ধ্বংসাত্মক মতবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার উপায়ও আলোচনা করা হয়েছে। সহজ-সরল ভাষার ফলে বইটি সকল শ্রেণির মানুষের জন্য পাঠ্য একটি বইয়ে পরিণত হয়েছে। উদীয়মান কথাসাহিত্যিক আবিদ ইকবাল ও সত্যয়ন প্রকাশনসহ বইটির প্রকাশনা সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য রইল অনেক অনেক দু'আ ও শুভকামনা।"
Abdullah Al Maruf , May 15, 2024
"সত্য সবসময় সুন্দর না। সত্য বললে অনেক সময় পরিচিত দরজাগুলো বন্ধ হয়ে যায়। আসে জীবন ঝুঁকিও। তারপরেও উম্মাহকে বাঁচাতে একজনকে হলেও এগিয়ে আসতে হয়। সে কাজটিই করেছেন "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" বইয়ের লেখক আবিদ ইকবাল স্যার। বইটি সহজ ভাষায় গল্পকারে লিখা হয়েছে। কিন্তু উন্মোচন করে দিয়েছে জেন্ডার থিওরির ভয়ংকর রূপ। তিনি আলোচনা করেছেন ট্রান্সজেন্ডারের উৎপত্তি থেকে বর্তমানে কারা এর পিছনে কাজ করছে এবং তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে। সাথে সাথে এ মহামারি থেকে বাঁচার উপায়ও বলে দিয়েছেন। বইয়ের নামকরণ সার্থক হয়েছে। কেউ নাম পড়লে ভিতরে পড়তে বাধ্য হবে। বইয়ের ধরণ, প্রচ্ছদ, কাগজ, ভিতরের কারুকাজ সুন্দর। বুঝা যাচ্ছে সত্যায়ন প্রকাশনী আহ্লাদ করে অন্যান্য বই থেকে আলাদাভাবে তৈরি করেছে। বইটি আমার কাছে ভালো লেগেছে। এক বসাতেই পড়ে শেষ করে ফেলেছি। ১০ কপি অর্ডার করেছি বিতরণ করার জন্য। বইগুলো উপর হিসেবে তুলে দিচ্ছি মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল, লেকচারার, মোহতামিম আর সচেতন মানুষের হাতে। সকলকে একবার হলেও বইটা পড়া উচিত এবং বেশি বেশি বিতরণ করা উচিত। আমার মতে বইটি মিলিয়ন পাঠকের হাতে নয়, বরং বিলিয়ন পাঠকের হাতে হাতে পৌঁছুক। বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হয়ে বর্তমান জন মানিদের হাতে চলে যাক।"
Md Rejaul Sarkar Rony , May 15, 2024
"আমরা যখন পৃথিবীর একমাত্র শাশ্বত এবং নির্ভুল পথ-প্রদর্শক কুরআন-সুন্নাহকে বাদ দিয়ে পশ্চিমা মতবাদকে ভালো-মন্দের মাপকাঠি বানিয়ে ফেলেছি তখনই আমাদের মাঝে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। মানবহত্যার মাধ্যমে রচিত জেন্ডার তত্ত্বের মতো বিকৃত মতবাদ আমাদের কাছে হয়ে গিয়েছে বিজ্ঞানের উৎকর্ষতা! ট্রান্সজেন্ডার, নারীবাদ ও সমকামীতার মতো মানববিধ্বংসী মতবাদ আজ সমাজে প্রতিষ্ঠা হতে চলেছে। এমনকি এমন বিকৃত মতবাদের অধিকার আদায়েরও আন্দোলন চলছে! মিডিয়া, বিভিন্ন এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থা এইসব মতবাদকে স্বাভাবিকীকরণে আপ্রাণ চেষ্টা করছে। ব্যয় করছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যবইগুলোকে এমন কারিকুলামে আবদ্ধ করা হয়েছে যেখানে সরাসরি একজন শিশুকে ‘সেক্স ও জেন্ডার’ এর মতো আজগুবি মতবাদের মাধ্যমে নিজের আত্মপরিচয় নিয়ে সংশয়ে ফেলে দেওয়া, ফ্রি-মিক্সিং, সিমোন দ্য বোভায়ারের মতো চরিত্রহীন নারীবাদীর মতবাদ সংযোজন করা হয়েছে। এছাড়াও বিকৃত ট্রান্সজেন্ডারদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া, পুরুষ এবং নারীর ফিতরাত নষ্ট করার পাঁয়তারা করা হয়েছে। একজন কিশোরীর মাসিক অবস্থার অনুভূতি তার কিশোর বন্ধুর কাছে প্রকাশ করার উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। অর্থ্যাৎ গায়রতহীন করার চেষ্টা করা হয়েছে। ‘মনে মনে প্রধানমন্ত্রী’ বইয়ের লেখক ভাই আবিদ ইকবাল উপর্যুক্ত বিষয়গুলোকে খুবই মুন্সিয়ানার সাথে মাধ্যমিকের প্রতিটা পাঠ্যবইয়ে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। মানবহত্যায় রচিত জেন্ডার তত্ত্বের ইতিহাস ব্যাখ্যা করেছেন। ট্রান্সজেন্ডার, সমকামীতা, নারীবাদ প্রতিষ্ঠায় মিডিয়ার তৎপরতা নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা করেছেন। লেখকের লেখনশৈলী প্রশংসাযোগ্য! গল্পের মাধ্যমে এমন জটিল জটিল বিষয়গুলোকে খুবই সহজবোধ্য করে লিখেছেন। শব্দ ব্যবহারের মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন এবং পর্দার গুরুত্ব বুঝাতে অসাধারণ একটি চিত্র তুলে ধরেছেন যা যেকারোর চোখ খুলে দিতে পারে। পরিশেষে, বর্তমান এবং অনাগত প্রজন্মকে ধ্বংস করার জন্যে চারদিকে ষড়যন্ত্রের যে জাল ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তা বুঝতে বইটিতে যথেচ্ছ চিন্তার খোরাক রয়েছে। বই: মনে মনে প্রধানমন্ত্রী লেখক: আবিদ ইকবাল প্রকাশনী: সত্যায়ন প্রকাশন।"
880****599 , May 15, 2024
"আপনি কি জানেন আমাদের এই নিষ্পাপ প্রজন্ম ধ্বংসকারী ট্রান্সজেন্ডার শব্দটা কিভাবে বিষের মতো আমাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে?? কোথায় এর উৎপত্তি?? ইসলাম এ বিষয়ে কি বলে? কিভাবে নিষ্পাপ শিশুদের জীবনের বিনিময়ে কুৎসিত কিছু লোক এই জেন্ডার থিওরী প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্টা চালাচ্ছে বহুবছর ধরে সেটা হয়তো অনেকেরই অজানা। কিভাবে পাঠ্যপুস্তক এর মাধ্যমেই সুকৌশলে আমাদের কোমলমতি শিশুদের মস্তিষ্কে সমকামীতা,লজ্জাহীনতা, জেনা-ব্যাভিচারের মতো বিষয়গুলোকে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে সেটা হয়তো স্বাভাবিক ভাবে অনেকে বুঝতেও পারছে না। পর্দার আড়ালে থেকে যারা পুরুষকে নারী এবং নারীকে পুরুষে রূপান্তরিত হওয়ার মতো জঘন্য জিনিসকে প্রমোট করছে,অর্থায়ন দিচ্ছে তারা কিন্তু আমাদের আশেপাশেই আছে। এরা মূলত সমাজকে বিকৃত করার কারিগর। এছাড়াও এই যে শিক্ষক বাবার সমতূল্য, তার সামনে পর্দা করার প্রয়োজনীয়তা নেই; এসব কথার অন্তরালে লুকিয়ে আছে মূলত এক প্রকার হায়নাদের চোখ যারা আসলে আমাদের মা-বোনেদের দেখে লালসার চোখে অথচ মুখোশে ঢেকে রাখে নিজেদের প্রকৃত চেহারা। আর সাথে আমাদের দেশীয় মিডিয়া আর সংবাদপত্র গুলোর কথা আর কি বলবো? এরাও তো সেই সমাজ বিধ্বংসী রোল মডেল গুলোর ইশারাতেই নাচতে থাকে। ভুল করে অথচ অর্থের লোভে সেই ভুলের উপর অটল থেকেই সামাজিক বিকৃতিতে সামীল হচ্ছে। ঢালাও ভাবে সমাকামিতা,রংধনু পতাকা, জাস্ট ফ্রেন্ড, ট্রান্সজেন্ডার এগুলোকে অধিকার হিসেবে উপস্থাপন করার আদলে মূলত গোটা একটা প্রজন্ম ধ্বংসের দায়িত্ব নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে। গড়পাততা লেখনির বাইরে বেশ অনেকটা ভিন্নতা এনে দিছে "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী " বইটি। এতো সময় মূলত কথা বলছিলাম এই চমৎকার মাস্ট রিড বইটি নিয়ে। যেখানে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে এসকল ঘটতে থাকা অসংগতি, এসবের পিছনের কারন, উৎপত্তি, মুক্তির উপায় সবকিছু। এবং দারুন ভাবেই বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমেই সেগুলো আমাদের মধ্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই বইয়ের মাধ্যমে। "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী " বইটি মূলত ৬ টি গল্পের আদলে লেখা হয়েছে। ১.জোড়া খুন ২.ফন্দি ৩.ছাড় নেই ৪.হিজড়া চেনেন? ৫.নাচেরে মিডিয়া নাচে ৬.মাতাল হাওয়া। এই গল্প গুলো আমাদের বাস্তবিক জীবনে ঘটে যাওয়া প্রতিটি ঘটনার প্রতিচ্ছবির মতোই একদম জীবন্ত।"
880****162 , May 15, 2024
"বই রিভিউ:মনে মনে প্রধানমন্ত্রী লেখক:আবিদ ইকবাল প্রকাশক:সত্যায়ন প্রকাশন শৈশব থেকে স্কুল কলেজের পাঠ্যবই পড়ে আমরা জ্ঞানের জগতে হাঁটতে শুরু করি।জ্ঞানের আলোতে বিকশিত হবার হাতেখড়ি হয় এ পাঠ্যবই পাঠের মাধ্যমে।কিন্তু জ্ঞান বিকাশের এ স্তরটিতেই যদি ঘাপটি মেরে থাকে মানববিদ্ধংশী,ধর্মবিরুদ্ধ ও অবাস্তব সব মতবাদ,তাহলে তো জাতির বিনাশ অনিবার্য! বর্তমানে নতুন শিক্ষাক্রমে যেভাবে জেন্ডার সমতা নামধারী যিনা ও ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে, তাতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অচিরেই বিকৃত হতে বাধ্য। সভ্যতার এ সংকটকালীন মুহূর্তে লেখক আবিদ ইকবাল' মনে মনে প্রধানমন্ত্রী 'র মতো স্মার্ট একটা সিরিজ নিয়ে হাজির হয়েছেন।অসাধারণ ভঙ্গিমায় গল্পের ছলে সাজানো হয়েছে পুরো বইটি।পাঠকের জন্য এতে রয়েছে বিপুল তথ্যের সমাহার। এখানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া তুহিনের মাধ্যমে মনোবিজ্ঞানী জন মানির ভুয়া জেন্ডার থিওরির গোষ্ঠী উদ্ধার করেছেন। তাহমিদ রেজা, জাভেদ সাহেব ও ফারিহা চরিত্রের মাধ্যমে লেখক চলমান শিক্ষাক্রমের স্বেচ্ছাকৃত ভন্ডামিগুলোকে তুলে ধরেছেন অতি নিপুণ ভাবে। জেন্ডার সমতার নামে ফ্রি - মিক্সিং,পরিবার প্রথা ধ্বংস ও ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুকে লেখক তুলে ধরেছেন সকৌশলে।উঠে এসেছে পশ্চিমা শাসকদের দ্বারা তৈরীকৃত ইসলামি সমাজব্যবস্থা ধ্বংসের নীলনকশা। সভ্যতা বিনাশকারী এসব কর্মকাণ্ডের থেকে পরিত্রাণ পেতে হোম-স্কুলিংয়ের মতো শিক্ষা কার্যক্রমের কথাও উঠে এসেছে গল্পের ছলে।হাদিস অনুযায়ী জিবন পরিচালনার মাধ্যম দিকনির্দেশনা ও দিয়েছেন লেখক। এ সিরিজের মাধ্যমে সচেতন অভিভাবকদের চোখ খুলে যাবে।আন্তর্জাতিক সংস্থা গুলোর সাহায্যের নামে ধর্মবিরোধী এসব কর্মকাণ্ডের প্রতি সবার সজাগ দৃষ্টি জাগ্রত হবে।ইনশাআল্লাহ ....."
880****536 , May 15, 2024
""মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" বইটি আমি অনেক আগেই কিনেছি নিজের জন্য এবং আমার এক স্টুডেন্টকে উপহার দেবার জন্য। নিজের জন্য কেনা বইটি আমি না পড়েই আমার ছোট ভাই-বোনকে পড়তে দিয়েছিলাম। কারন বইটির সূচী দেখে এবং কিছুটা পিডিএফ পড়ে আমার বিশ্বাস ছিল এটি ওদের আগে পড়া উচিত। ওদের জেনারেশন এর জন্য এই বইটি এমন একটি হাত স্বরূপ যা আপনার চোখের উপর বেধে রাখা কাপড়টা খুলে আলো দেখাতে সাহায্য করবে। আমিও বইটি পড়েছি এবং সামনের জেনারেশনের অবস্থা কি হবে তা ভেবে সত্যিই চিন্তিত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন। লেখক-আবিদ ইকবাল ও সত্যয়ন প্রকাশন'কে মনের অন্তস্থ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এমন একটি বই আমাদের উপহার দেবার জন্য।"
fatema Jahan , May 15, 2024
"বঙ্গীয় মুসলিম সমাজে ইসলাম ও পাশ্চাত্যের সংঘাত যে বহুদূর পর্যন্ত চলে গিয়েছে তার চাক্ষুষ প্রমাণ হচ্ছে জেন্ডার থিউরির অভাবনীয় বিস্তৃতি। পার্লামেন্ট থেকে পাঠ্যবই— কোথায় নেই এই বিকৃত মতবাদের বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসন? জেন্ডার থিউরির বিকৃত মতবাদ থেকে সভ্যতা ও প্রজন্ম রক্ষার এক অন্যন্য চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ‘মনে মনে প্রধানমন্ত্রী’ বইটি। চায়ের কাপে শেষ করার মতো এই বই পড়ার পরের ভাবনা ব্যক্ত করতে হলে অবশ্যই তিনটা বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। লেখকের উদ্দেশ্য কী, লেখক তার উদ্দেশ্য পূরণে কতটুকু সক্ষম এবং জনরা অনুযায়ী বইটি আদর্শমান ধরে রাখতে পেরেছে কি না। লেখকের উদ্দেশ্য জেন্ডার থিউরির আতুরঘরে আগুন দেওয়া ও তাদের চালাকির নাড়ি-নক্ষত্র ঘেঁটে দেখা। লেখক তা পেরেছেন কি না এবার দেখার বিষয়। কৌতূহলোদ্দীপক আই ক্যাচিং শিরোনাম, সংক্ষিপ্ত অথচ যথাযথভাবে যুক্তি ও বিষয়বস্তু উপস্থাপনা বইটির বিশেষত্ব। গল্পে গল্পে জেন্ডার থিউরির উৎপত্তি, পাশ্চাত্যের নোংরামো ও তাদের ভাড়ায় খাটা দিনমজুরগুলোর কূটকৌশলের বিস্তারিত বিবরণ বইয়ের সাথে পাঠককে সংযোগ করবে। সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধরে ধরে বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকের বেহাল দশার বর্ণনা অবশ্যই অভিভাবকদের সচেতন করবে এবং এই শিক্ষাব্যবস্থার বিকল্প তৈরিতে সাহায্য হবে। তাই যুগের প্রয়োজন অনুযায়ী ‘বাঁচতে হলে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেকে বাঁচাতে হলে’ লেখকের এই প্রচেষ্টা ও উদ্দেশ্যকে সফল বলাই যায়। এবার আসি বইয়ের জনরা অনুযায়ী আদর্শমানের দিকে। লেখক ছোটগল্পের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার ও জেন্ডার থিউরির ব্যবচ্ছেদ করতে চেয়েছেন এবং তিনি তা পেরেছেনও বটে। তবে আদর্শ ছোটগল্পে ঘটনার যে বৈচিত্র থাকে, তা মোটেও ছিল না। পড়ার সময় মনে হয়েছে একটা মেসেজ দেওয়ার জন্য লেখক জোর করে একটা গল্প সাজিয়ে দিয়েছেন যে গল্পে কোনো বৈচিত্র্য নেই, মজা নেই। তাছাড়া বর্ণনা ও শব্দচয়ন ফেসবুকিয় স্টাইলে ছিল, যা ছোটগল্প কিংবা প্রবন্ধ সবখানেই বেমানান। এক্ষেত্রে জনরা অনুযায়ী বইটি তার আদর্শমান ধরে রাখতে পারেনি। সব মিলিয়ে বিষয়বস্তুর গভীরতা ও প্রজন্মের চাহিদা অনুযায়ী ‘মনে মনে প্রধানমন্ত্রী’ বইটি এখন সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়ার আবেদন রাখে। কালো হরফে আলো ছড়ানো এই বই মিলিয়ন পাঠক ছুঁয়ে ফেলুক সেই প্রত্যাশা।"
Adib Faisal , May 15, 2024
"এক এলাকায় ‘মজনু পাগলা’ নামে এক পাগল বসবাস করত।পাশ দিয়ে যাওয়া লোকজন সালাম না দিলেই সে তেড়ে আসত।কি মেম্বার, কি চেয়ারম্যান কাউকেই কোন তোয়াক্কা করত না।নিজেকে সে ভাবত এলাকার মাননীয় এমপি।তার এই উদ্ভট ভাবনার যাঁতাকলে পড়ে মানুষ তাকে এমপি-মন্ত্রীর মতই সম্মান দেয়া শুরু করে।কোন সভা হলে সেখানেও রাখা হত মজনু পাগলার জন্য বিশেষ আসন,সে রাস্তা পার হলে গাড়িগুলো তাকে সাইড দিয়ে দিত,দোকানে গেলে ইচ্ছেমত খাবার খেয়ে বিল না দিয়ে বেড়িয়ে পড়ত।এভাবে মজনু পাগলার ওপর লোকজন অতিষ্ঠ হলেও এটাকে নিয়তি ভেবেই তার এসব কর্মকান্ড মানুষ মেনে নিয়েছিল অবলীলায়! আজকের আধুনিক সমাজেও এমন মজনু পাগলাদের দেখতে পাওয়া যায়,যারা পুরুষ হয়ে জন্মালেও মনে মনে নিজেকে ভাবে নারী আবার নারী হয়ে জন্মেও মনে মনে নিজেকে পুরুষ ভেবে নেয়।শুধু নিজে নিজে ভেবে নিয়েই তারা ক্ষান্ত হয়না বরং সমাজকে বাধ্য করে স্বীকৃতি আদায়ের ধূর্ত চেষ্টা করে।কথায় আছে,"পাগলের সুখ মনে মনে"।এসব মজনু পাগলাদের পুরুষ হয়েও মনে মনে নারী ভেবে নেয়ার কর্মকান্ডে বিরক্ত হয়ে সমাজ আজ পুরুষকে নারী আর নারীকে পুরুষ স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হচ্ছে।লঙ্ঘন করছে প্রকৃতির চিরাচরিত বিধান,প্রত্যাখ্যাত হচ্ছে স্রষ্টার দেয়া সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্যের পরিচয় আর এভাবে মানবজাতি এগিয়ে যাচ্ছে চরম ধ্বংসলীলার মোক্ষম সময়ে। "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" বইয়ের লেখক আলাদা আলাদা ছয়টি গল্পে বইটি সাজিয়েছেন।এগুলো নিছক গল্প নয়।বরং, সমাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়কে গল্পের আকারে চোখে আঙ্গুল দিয়ে লেখক দেখিয়ে দিয়েছেন,ধরিয়ে দিয়েছেন শব্দ ব্যবহারের সূক্ষ্ম অসংগতি এবং শক্ত করাঘাতে ভাঙতে চেয়েছেন বিবেকের বদ্ধ দেয়াল। বইঃ মনে মনে প্রধানমন্ত্রী লেখক- আবিদ ইকবাল প্রকাশক- সত্যায়ন প্রকাশন"
Siraajam Binte Kamal , May 15, 2024
"‘মনে মনে নারী/ পুরুষ’ এই তিন শব্দে যখন অনলাইন, অফলাইন উত্তাল ঠিক তখনই নতুন একটি বই প্রকাশিত হয় ‘মনে মনে প্রধানমন্ত্রী’। যেহেতু মনে মনে পুরুষ নিজেকে নারী ভাবলেই তাকে নারী কিংবা নারীকে পুরুষ বলে স্বীকৃত দিতে হবে৷ তো কেউ মনে মনে নিজেকে প্রধানমন্ত্রী ভাবলেও তাকে স্বীকৃত দেওয়া উচিত। কিন্তু তা হবে না। ‘মনে মনে প্রধানমন্ত্রী’ বইটি ভেবেছিলাম হাস্যরসাত্মক কিছু গল্প/ প্রবন্ধ হবে হয়তো। যেখানে ‘মনে মনে’ অর্থাৎ ট্রান্সজেন্ডার টার্মের ব্যবচ্ছেদ থাকবে। ঠিক তাই হয়েছে বইটিতে৷ তবে ভারী আলাপে। তথ্য, তত্ত্ব সহযোগে। বইটিতে রয়েছে মোট ৬ টি গল্প। প্রথমেই জোড়া খুন। যেখানে ‘জেন্ডার থিওরি’র শুরুর গল্পটা রয়েছে। মনে মনে নারী/ পুরুষ টার্মটা আমরা জানলেও এর শুরু কার হাত ধরে, এর ভয়াবহ পরিণত কী ছিল তা আমাদের অজানা। বইটি থেকেই আমি জানতে পারি জেন্ডার থিওরির মূল ঘটনা৷ ছাড় নেই— গল্পটি নিয়ে না বললেই নয়। এই গল্পটিতে আমাদের দেশের কোমলমতি শিশুদের সিলেবাসের যে বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা, একটা জাতি ধ্বংসের যে নীলনকশা করা হয়েছে এবং ক্রমান্বয়ে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সেগুলোই উঠে এসেছে। গল্পটি পড়লে আপনার মনে হবে এটা আমার নয় বরং আমার আগে একজন অভিভাবক, একজন শিক্ষক-শিক্ষিকা, একজন আলেম, দাঈ, একজন সচেতন নাগরিকের পড়া উচিত। এবং এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা উচিত। এবং এতসব পরিকল্পনার পেছনে কার হাত আছে সেসবও কিন্তু আপনি জানতে পারবেন এই গল্পের মাধ্যমে। মাতাল হাওয়া— যে কাউকে কিন্তু মনে মনে নারী/ পুরুষ হওয়ার আহ্বান জানানো হয় না। কেউ নিজ থেকেই এই কাজে হয়তো আগ্রহীও হয় না। তো কাদের টার্গেট করা হয়, কেনো/ কীভাবে করা হয়, এসব জানবেন আপনি এই গল্পের মাধ্যমে। ফন্দি, নাচেরে মিডিয়া নাচে, হিজড়া চেনেন— বইয়ের অন্য তিনটি গল্প। লেখক আবিদ ইকবালের প্রশংসনীয় এবং যুগোপযোগী কাজ বলা যায় এটি। যতটা না ভালো ভেবেছিলাম তারও চেয়ে বেশি ভালো মনে হয়েছে বইটি। এবং সবাইকে ধরে ধরে পড়াতে ইচ্ছে হচ্ছে। বিশেষ করে ‘ছাড় নেই’ গল্পটি। সহজ সাবলীল উপস্থাপনায় বইটি সুখপাঠ্য ছিলো। কিছু বানান বিভ্রাট রয়ে গেছে। বইয়ের নামটাও দারুণ হয়েছে।"
Shahriar Rifat , May 15, 2024
"ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ। জন্মগত লিঙ্গ ছেড়ে স্রেফ অযথাই অন্য লিঙ্গে রুপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়া ও একে জনমনে স্বাভাবিকীকরণের প্রজেক্ট। পচে যাওয়া পশ্চিমা সমাজ থেকে বিভিন্ন বড় বড় সংস্থার কাঁধে ভর করে আমাদের আঙিনায় এসে দাঁড়িয়েছে সমাজ ধ্বংসের এই নতুন হাতিয়ার। উদাসীনতার ঘুম থেকে জেগে না উঠলে এর করাল থাবায় শীঘ্রই চোখের সামনে পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামো ভেঙে চুরমার হবার সম্ভাবনা প্রবল! এই ঘুমিয়ে থাকা আমাদের জাগিয়ে তোলার ক্ষুদ্র প্রয়াস 'মনে মনে প্রধানমন্ত্রী' বইটি। সাহিত্যের আশ্রয়ে লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন এই বিকৃত মতবাদের আদ্যোপান্ত ইতিহাস, বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ ভয়াবহতার বিস্তারিত। (৮৭-৩) বইটিতে গল্পাকারে মোট ৬টি শিরোনামের অধীনে লেখক গোটা বিষয়টা আলোচনা করেছেন। প্রথম অধ্যায়- 'জোড়া খুন'। এখানে দেখতে পাবেন ট্রান্সজেন্ডার এজেন্ডার খুঁটি - জেন্ডার থিওরির আড়ালে লুকিয়ে থাকা দুই নিষ্পাপ শিশুর আর্তনাদ, তাদের ওপর চালানো পাশবিক এক্সপেরিমেন্ট ও জোড়াতালি দিয়ে মিথ্যে এক তত্ত্ব দাঁড় করানোর ইতিহাস এরপরের অধ্যায় 'ফন্দি'। এসব শয়তানি কারবার দ্রুত বিস্তার ঘটানোর জন্য কাদেরকে গুটি হিসেবে ব্যবহার করা হয় তার সরল সমীকরণ ধরা দেবে পাঠকের সামনে 'ছাড় নেই' অধ্যায়ে জানতে পারবেন বৈদেশিক অর্থায়নে কীভাবে পাঠ্যপুস্তকে, এমনকি ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে খোলামেলাভাবে অবক্ষয়ের বিষবাষ্প ছড়ানো হচ্ছে শিশুদের মাঝে, ধাপে ধাপে। 'হিজড়া চেনেন?' অধ্যায়টা আমার দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ। ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ এদেশে এসেছেই হিজড়া পরিভাষার আড়ালে। তাই হিজড়া আর ট্রান্সের মধ্যকার বিরাট ফারাকটা সবারই জানা থাকা উচিত। 'নাচেরে মিডিয়া নাচে' পরবর্তী অধ্যায়। এখানে লেখক ব্যাখ্যা করেছেন কেন অনলাইন, প্রিন্ট মিডিয়া এত ঢাকঢোল পিটিয়ে, দেশ-জাতির মূল্যবোধের বিরুদ্ধে গিয়ে এর প্রচারণায় অংশ নিচ্ছে। সবশেষ অধ্যায় 'মাতাল হাওয়া' পড়ে বোঝা যাবে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠগুলোকে ব্যবহার করে কীভাবে ধীরে ধীরে এসব বস্তাপচা মতবাদ তৃণমূলে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বা স্বাভাবিকীকরণ করা হয় দেশটা আমাদের সবার। তাই আসুন সবাই সচেতন হই, অন্যকে সচেতন করি। পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায় অবধি জারি থাকুক আমাদের সচেতনতা ও প্রতিবাদ আন্দোলন। মনে রাখবেন, দাবানল ছড়িয়ে পড়লে কিন্তু আপনার ঘরটাও রক্ষা পাবে না। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুক, আমিন। বই: মনে মনে প্রধানমন্ত্রী! লেখক: আবিদ ইকবাল প্রকাশনী: সত্যায়ন প্রকাশন"
880****376 , May 15, 2024
"“শেষের কবিতা” বইটা যেমন কবিতার বই তা ভাবার সুযোগ নেই তেমনি “মনে মনে প্রধানমন্ত্রী” নাম শুনে রম্য গল্প ভাবলে আপনি ভুল করবেন। বর্তমান সময়ের একটা অন্যতম আলোচ্য বিষয়ের উপর লেখা বইটি। জেন্ডারবাদ তত্ত্ব, উঠতি শিক্ষার্থীদের বইয়ে খোলামেলা আলোচনা, এনজিও গুলোর ষড়যন্ত্র এবং দেশের সব বড় বড় মাথার দেওয়া সায়ে এখন এইগুলোর মাত্রা অনেক বেশি হয়ে গেছে। আরিফ আজাদের লেখা পড়েছেন কখনো? তার প্রকাশ হয় যে “প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ” বইটি দিয়ে, সেখানে যেমন একটা চরিত্রকে কেন্দ্র করে দারুণ সব রিপোর্ট, কুরআনের আয়াত, বিবেচ্য বিষয় দিয়ে সব কিছু নিয়ে আলোচনা করেছে। মনে মনে প্রধানমন্ত্রী বইটাও ওই জনরার মধ্যেই দেব আমি। গল্পের খেলের মাঝেই আলোচনা করেছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে যা বর্তমানে আমাদের সন্তানদের লাজ-লজ্জা, ইসলামী নীতি ইত্যাদি ধ্বংস করছে প্রতিনিয়ত। জোড়া খুন, ফন্দি, ছাড় নেই, হিজড়া চেনেন?, নাচে রে মিডিয়া নাচে, মাতাল হাওয়া নামক এই কয়েকটা গল্প দিয়ে বইটা সাজানো হয়েছে। গল্পগুলো আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করছি না কারণ কি নিয়ে লেখা তা উপরে বলেছি। এখন নাহয় কেমন লেগেছে তা বলি। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে সুন্দর প্লট সাজিয়েছে লেখক। লেখাগুলো সহজ- সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন, যা হয়তো সকল বয়সী পাঠকের জন্য উপযোগী হবে। যে সময়ে সমকামিতা নিয়ে বাড়াবাড়ি হচ্ছে তখনই সত্যায়ন প্রকাশন থেকে আসা এই বইটি নিঃসন্দেহে মানুষের অনেক ভুল কাটিয়ে উঠে নতুন কিছু জানতে সাহায্য করবে। বইটির বানান এবং সম্পাদনা ভালোভাবেই হয়েছে। বইটির সফট কপি পড়েছি তাই বাইন্ডিং নিয়ে বলতে পারছি না। সব মিলিয়ে বলতে গেলে এখন মানুষের মনে মনে পাল্টে যাওয়ার ব্যাপার নিয়ে জানতে চাইলে “মনে মনে প্রধানমন্ত্রী” বইটা অবশ্যই পড়তে পারেন।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"মনে মনে প্রধানমন্ত্রী (১ কপি)" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: