মধ্যাহ্ন অখণ্ড
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | মধ্যাহ্ন অখণ্ড |
| Author | হুমায়ূন আহমেদ |
| Publisher | অন্যপ্রকাশ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 408 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.74 Kg |
| ISBN | 9848684948 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
143 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টিUmme Habiba Urme , Jul 22, 2026
"ইতিহাসও কত সহজ ভাষায় লেখা যায়!"
Sharmin Chowdhury , Jul 9, 2026
"কাহিনিটা পড়তে বোরিং ফিল হয়নি,, এটা আমার থিসিসের পাঠ্য🤍"
S. M. Fazlay Rabby , Nov 18, 2025
"A beautifully written book that keeps you engaged from start to finish."
Syed Mehrar , Jun 13, 2025
"BOOM!!"
Monayem Golap , Mar 19, 2025
"ভাল।"
Musabbir Sakib , Dec 21, 2024
"মধ্যাহ্ন হুমায়ূন আহমেদের গুরুত্বপূর্ণ লেখা গুলোর মধ্যে অন্যতম।"
Ishtiaque Hasan Shilpo , Nov 16, 2024
"মধ্যাহ্ন এক দগদঅগে দুপুরের অনুভূতি তৈরী করবে পাঠকমনে। লেখক এমন মুন্সিয়ানার সাথে গল্পের চরিত্রগুলোর টাইমলাইনে ঐতিহাসিক মানুষদের জুড়ে দিয়েছেন যে পড়তে অসাধারণ লাগে। কখনো হতাশা, কখনো রাগ, কখনো সব ছুড়ে ফেলা বিরক্তি, কখনো একরাশ ভালোলাগা- সব মিলিয়েই মধ্যাহ্ন। হুমায়ূন আহমেদের ওয়ান অফ এ কাইন্ড বইটি। একটা সুন্দর গল্পের হাত ধরে হাটতে চাইলে পাঠক মধ্যাহ্ন হাতে তুলে নিতেই পারেন। আর প্রচ্ছদটা দেখলে মনে হয় না খেয়ে ফেলি?"
Shindhu , Oct 14, 2024
"উপন্যাসটির লিখনি একদম সহজ ভাষায়, যেখানে ইতিহাসের সাথে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের অনুভূতির সংমিশ্রণ খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।"
8801762052664 , Apr 19, 2024
"সকল পাঠকদের এই বইটি পড়া উচিত। এক কথায় বলতে গেলে অসাধারণ।"
Rifat Sarker , Feb 3, 2024
"হুমায়ূন আহমেদ স্যার ছাড়া এমন সহজ সরল ভাবে কেউ এমন ঐতিহাসিক উপন্যাস লিখতে পারেন না। স্যারের লেখা যেকোনো ইতিহাস মনে হবে আমার সামানেই ঘটনা ঘটে গেলো। স্যার আপনাকে ধন্যবাদ এমন উপন্যাস লেখার জন্য। স্যার বেঁচে থাকলে হয়তো এমন আরো অনেক মাস্টারপিস বই আমরা পড়তে পেতাম। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে ওপারে ভালো রাখুক।"
Rianul hoque tajrian , Nov 7, 2023
"উপন্যাস হিসাবে বরাবরের মতই অসাধারন।এই নিয়া বেশি কিছু বলার মত নাই। সব ঠিক আছে প্রিন্টিং কোয়ালিটো ভাল কিন্তু এই সুতাটা আর ২ ইঞ্চি বড় দিলে প্রকাশকের খুব বেশি লস হতে যাইত বলে আমার মনে হয় না।এখন যে পজিশনে আছে তাতে এইটা থাকা আর না থাকায় কিছু আসে যায় না। আর বাইন্ডিং এর সময় মিস্টেক এর কারনে লেখার পুরা ফন্ট অই বাকা লাগে।"
মুহা. জুয়েল রানা , Oct 27, 2023
"হুমায়ুন আহমেদের সেরা উপন্যাস এটাই।"
Sadika Binte Iftekhar , Sep 1, 2023
"One of my 4 most loved books of Humayun Ahmed. It basically explains the pre liberation story in a multidimensional way. Absolutely genius!"
marjiya , Jul 14, 2023
"ভাল লাগে নাই, ওভাররেটেড একটা বই।"
Sakib , Jan 16, 2023
"#মধ্যাহ্ন_অখণ্ড #পাঠ_অনূভূতি ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ মধ্যাহ্ন অখণ্ড •লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ •ধরনঃ ঐতিহাসিক, সামাজিক •প্রকাশনীঃ অন্যপ্রকাশ •প্রচ্ছদঃ মাসুম রহমান •মুদ্রিত মূল্যঃ ৭০০ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪০৮ •প্রকাশকালঃ একুশে বইমেলা ২০০৮ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ আজকে সকালে হঠাৎ করে চোখটা মেলে ঘুমটা ভেঙে গেল । কেনো ভেঙে গেল তা জানি না, তবে আর ঘুম আসতেও চাইল না । হঠাৎই মনে হলো এই শীতের ভোরে ঘুম না আসা বেলা আমাকে অদ্ভুত কিছু মুহূর্তের সাক্ষী দিবে বলেই বোধহয় আমার আজকে এই সময়ে ঘুম চোখ থেকে চলে গেল । সেটাই হলো আমার জীবনে । বলা চলে আমার পাঠক জীবনে । আমার পাঠক জীবনে, এই প্রথম । এত সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটা উপন্যাস পড়তে বসেছি । এই বিষয়টা অদ্ভুত না! যেন মনে হচ্ছে সময়টাই নতুন করে আমাকে অনুভূতি দিতে চেয়েছে । হঠাৎ করেই সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে পড়তে শুরু করেছিলাম সেই উপন্যাসটি । যে উপন্যাসটির নাম, ‘মধ্যাহ্ন’ । যা আমার একনাগাড়ে পড়ার স্বভাবেই একনাগাড়ে পড়া হয়েছে সারাদিন ধরে । যখন উপন্যাসটি পড়া শেষ তখন সময়টা বিকাল ৪টা । ♦নামকরণঃ পৃথিবীতে মধ্যাহ্ন হলো দিনের মধ্যভাগ । এই মধ্যভাগে দিনের অর্ধেক জীবনের আলো যেন এসে পড়ে । সে আলোতে পৃথিবীতে অদ্ভুত নীরবতা এসে পড়ে । কখনোবা বিচ্ছিন্নতা সমাজকে আরো গম্ভীর করে তোলে । জীবনের সাথে সাথে জড়িত করে তোলে যেন । মধ্যাহ্ন পৃথিবীতে মানুষের অনুভূতিকে যেন পাল্টে দিতে সাহায্য করে । এই মধ্যাহ্ন রূপক অর্থে মানুষের জীবনের মধ্যগগনকে বোঝানো হয়েছে । যে মধ্য গগনে মানুষের জীবনে সব কাজেরই ভালো দিক এবং খারাপ দিকের ভালো এবং মন্দ দুইটা দিকই আছে ধরা পড়ে । ♦ফ্ল্যাপে লেখাঃ তুমি জ্যোতির জ্যোতি, আমি অন্ধ আঁধারে তুমি মুগ্ধ মহীয়ান, আমি মগ্ন পাথারে । তুমি অন্তহীন, আমি ক্ষুদ্র দীন, কী অপূর্ব মিলন তোমায় আমায় । –রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ♦প্রচ্ছদঃ উপন্যাসের প্রচ্ছদটা আমার বেশ পছন্দনীয় কেনো জানি না । বারবার মনে হয় যেন দেখতেই থাকি । হয়তো উপন্যাসের নামের সাথে অত্যাধিক সাদৃশ্য আছে বলে । মধ্যাহ্ন এর সাথে দুপুরের মিলে যাওয়া রঙের সাথে যে হলুদের সরাসরি যোগসূত্র আছে তার জন্যেই বোধহয় প্রচ্ছদটা দেখতে এত মায়াকাড়া । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √উপন্যাসের পটভূমির আবহ শুরু ১৯০৫ সাল থেকে । সেই যে বঙ্গভঙ্গ শুরু হয়েছিল । তা থেকে ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগের প্রাক্কালে উপন্যাসের গণ্ডি । এই উপন্যাসে যুদ্ধবিগ্রহ আছে । শান্তি আছে । ভালোবাসার অপূর্ব নিশ্চুপতা আছে । উপন্যাসের কিছু কিছু ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ এর পাশাপাশি সময়ের সাথে সাথে বয়ে চলা তৎকালীন সামাজিক প্রেক্ষাপট উপন্যাসকে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ করে তুলে ধরা হয়েছে । ইতিহাসের পাতা থেকে চলে আসা মানুষজন সেই সময়ে যেভাবে চলে এসেছেন তার পাশাপাশি সময়ে দাঁড়িয়ে অসাধারণ সুন্দর ভাবে প্রেক্ষাপটকে সামাজিক দৃষ্টিকোণে তুলে ধরা হয়েছে । এই উপন্যাসে তাই ঐতিহাসিক এবং সামাজিক দুইটি ঘরানা একসাথে থাকায় তা সংযোগ স্থাপন করলেও পটভূমিতে থাকা জীবনধারা বেশ অসাধারণ এবং সুন্দর । তৎকালীন সময়ের বিভিন্ন ধর্মের বিভিন্ন ধাপ, মুসলমান-হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝের ঝগড়া বিভেদ উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে আরো আবহ এনেছে । সেই আবহে বিশ্বযুদ্ধ, খেলাফত আন্দোলন থেকে ফরায়েজী আন্দোলন উপন্যাসে মুগ্ধতা এনেছে । √এই উপন্যাসের সবচেয়ে যেটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, তা হলো চরিত্র গঠন এবং উপস্থিতি । যেভাবে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব এর পাশাপাশি যেভাবে পরিবেশ এবং সময়ের সাথে খাপ খাইয়ে একের পর এক চরিত্র সেই সময়ানুযায়ী গঠন করে তাদের উপস্থিতি দেয়া হয়েছে তা বেশ অসাধারণ ছিল । বিশেষ করে হিটলার, মহাত্মা গান্ধী, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে এসেছেন, সেভাবে লাবুস, মাওলানা ইদরিস, ধনু শেখ, জুলেখা, হরিচরণ সাহা এদের চরিত্র গঠন কিংবা উপস্থিতি অসাধারণ সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । এছাড়াও অন্যান্য যে চরিত্রগুলো, প্রতিটি চরিত্রের উপস্থিতি আমার কাছে যথাযথ লেগেছে । ♦প্রকাশনীঃ অন্যপ্রকাশ সবসময়ই আমার প্রিয় প্রকাশনী হয়ে আছে । আরো বিশেষ এবং প্রিয় লাগে তাদের বই বাঁধাই কিংবা প্রচ্ছদ এত সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলার জন্য । এত সুন্দর করে এত বড় আকৃতির বইগুলো বাঁধাই করতে দেখলে পাঠক মন আবেগে ভেসে যায় । যে আবেগে ভালোবাসা থাকে, ভালোলাগা থাকে । অসাধারণ ভাবে এই বইটির বাঁধাই হয়েছে । তেমন কোনো টাইপিং মিস্টেক আমার চোখে পড়েনি । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ লেখক হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা উপন্যাস আমার খুব কমই পড়া হয়েছে । তাই হঠাৎ করেই এতবড় একটা উপন্যাস পড়ে ফেলা বেশ ভালো লাগার মতো । পড়তে পড়তে আমার মনে হয়েছে তার বেশ কিছু উপন্যাস আমার অবশ্যই ভবিষ্যতে পড়া উচিত । তার সহজ ভাষায় অসাধারণ শব্দপ্রয়োগ করে মনের কাছে নিয়ে লেখা বাক্যালাপ বেশ মুগ্ধকর করে তোলে পাঠকমন । যা বেশ ভালো লেগেছে । সহজ ভাষায় ঝরঝরে শব্দ ব্যবহার করে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে সামাজিক জীবনধারায় ভারসাম্য বজায় রেখে উপন্যাস তৈরি করা বেশ কঠিন । যা তিনি অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন । ♦রেটিংঃ ৪.৮/৫ ♦উপসংহারঃ হয়তো আবারও কোনো এক শীতের সকালে, কুয়াশা ভেজা মুহূর্তে শিশির এর ফোটা ফোটা পানির ফোঁটা জানালার গ্লাসে লাগতে থাকা দেখতে দেখতে আবারও একটি উপন্যাস পড়বো । শীতের সেই মুহূর্তটি পাঠকদের কাছে অসাধারণ মনে হবে । যেন মনে হবে পাঠকদের যে রাজ্য যেখানে চরিত্ররা খেলাধুলা করে সেখানের রাজ্যটি ফুলের ফুলের গন্ধে ছড়িয়ে ছিটিয়ে গিয়েছে । এতদিনের পাঠকমনে রাতের মুগ্ধতা কখনও কখনও আমার সকালেও ভোর করুক । শীতের সকালে অদ্ভুত মুগ্ধতা পাওয়া যে উপন্যাসটি আমার পাঠক মনকে বিস্তৃত করবে সেই উপন্যাসটি আলোড়ন তুলুক ।"
Roseline Tuly , Aug 11, 2022
"Thanks for the nice books"
Imran Mahmud , Jul 19, 2022
"বাস্তবতার নিরিখে ফুটিয়ে তোলা ইতিহাস💚"
Md. Utba Bin Rashid , Jul 8, 2022
"অসাধারণ।"
Audity Roy , Jun 22, 2022
"Excellent"
Zaiq Pavel , Feb 22, 2022
"One of the best Humayun Ahmed book"
Melufar Yesmin , Feb 5, 2022
"Strangely wonderful plot"
tanim , Jan 24, 2022
"khub valo boi"
salim akter , Dec 25, 2021
"সত্য বলতে আরো খন্ড থাকলে ভালো লাগত। অসম্ভব সুন্দর উপস্থাপনা, দক্ষতার সাথে প্লট নির্বাচন।"
Ishmam Abedin , Nov 26, 2021
"অসাধারণ একটা বই"
Mohammad Maruf Ali , Oct 11, 2021
"এক কথায় অসাধারন কিছু যদি থেকে থাকে তাহলে বলবো এই বইয়ের লিখা!!! ইতিহাসের অনেক ঘটনার সাথে মিলিয়ে মিলিয়ে লেখক এতো সুন্দর একটা বই লিখেছেন যা বলার মতোনা। যারা পড়তে চান, দ্বিতীয় বার চিন্তা করা ছাড়া পড়ে ফেলুন। বইয়ের শেষে চমক আছে ........."
Saifur Rahman , Sep 15, 2021
"‘আমাকে খুঁজবে প্রভাতের প্রথম সূর্যকিরণে।যদি না পাও,খুঁজবে সন্ধায়,যখন সূর্য ডুবি ডুবি করেও ডুবছে না।সাবধান!মধ্যাহ্নে আমাকে কখনো অনুসন্ধান করবে না।’ এইরকম লিখনি কি আর আসবে ? এর কি পাবো সাবলীল ভাষায় এক ছন্দের সাহিত্য, হরিচরণ বাবু আরো কত জন ... পড়তে পড়তে মনে হতো আমি যেন দেখতে পাচ্ছি সেই সময় কে, দেখতে পারছি প্ৰত্যেকটি চরিত্র কে, ১০/১০"
TARIQUL ISLAM , Sep 14, 2021
"oshadharon!"
ahsanul hasan taukir , Aug 23, 2021
"nice"
Nazia Shamim Disha , Aug 9, 2021
"মধ্যাহ্ন: দীর্ঘ ৪২ বছরের ইতিহাস আশ্রিত একটি উপন্যাস হুমায়ূন আহমেদের লেখা মধ্যাহ্ন ( অন্যপ্রকাশ ,২০০৭ ও ২০০৮ ) উপন্যাসটি বাংলাদেশের সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান উপন্যাস | আমার পড়া হুমায়ূন আহমেদের লেখা সবচেয়ে প্রিয় উপন্যাসের তালিকাতে মধ্যাহ্ন উপন্যাসটিকেও স্থান দিয়েছি | আর ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাসটিকে কেন আমি এত ভালো বলছি টা আপনি এই বইটি পড়লেই বুঝতে পারবেন |মধ্যাহ্ন উপন্যাসটি শুরু হয়েছে ১৯০৫ সালে এবং পরিসমাপ্তি ঘটেছে ১৯৪৭ এর ভারতবিভাগের মাধ্যমে | এই উপন্যাস ছাড়া আর কোনো উপন্যাসে এই দীর্ঘ ৪২ বছরের ইতিহাস আমি ধারাবাহিকভাবে পড়িনি | উপন্যাসটি যে সম্পূর্ণ ইতিহাস দিয়ে পরিপূর্ণ তা কিন্তু নয় বরং কল্পকাহিনীকেও উপন্যাসে সম্বনিত করা হয়েছে | হুমায়ূন আহমেদ বলেছেন যে, “ মধ্যাহ্নে ইতিহাস আছে ঐতিহাসিকতা নেই |” মধ্যাহ্ন একটি বহুকেন্দ্রিক বই, যা দ্বারা লেখক কয়েকটি সমসাময়িক ঘটনার উপর বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছেন | ঐতিহাসিক পটভূমিটি নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার বান্ধবপুর নামের একটি হিন্দু গ্রামে | পুরো উপন্যাস জুড়েই রয়েছে কিছু কাল্পনিক এবং সত্য চরিত্র | চরিত্র গুলোর মধ্যে আছে - সৎ,ন্যায়পরায়ণ ,ধনী এবং অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী হরিচরণ , মসজিদের তিনজন ইমাম- ইদ্রিস, করিম ও নিয়ামত , উপন্যাসে আরো আছে লোভী ও ঠক ধনু শেখ , মনিশঙ্কর ও তার পুত্র শিবশঙ্কর , কাঠমিস্ত্রী সুলেমান, রুপবতী জুলেখা, জুলেখার পুত্র জহির ওরফে লাবুস , লাবুসের বোন মীরা, ইমাম করিমের স্ত্রী শরিফা , ধনু শেখের কন্যা আতর , জমিদার শশাঙ্ক পাল, যমুনা ও তার স্বামী সুরেনসহ আরো অনেকে | এছাড়াও হরিচরণের কন্যা শিউলী, যে অনুপস্থিত থেকেও উপন্যাসে রেখেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা | এসব চরিত্রের দৈনন্দিন জীবনের মাধ্যমেই লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন ১৯০৫ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত তৎকালীন সমাজের নানারকম কুসংস্কার , কুপ্রথা, অজ্ঞতা, ধর্মান্ধতা , সংস্কৃতি , রাজনীতি, সামাজিক সমস্যা, মানুষের মানসিকতা ইত্যাদি| যেমনঃ হরিচরণ মুসলিম একটি শিশুকে আদর করায় এবং ঠাকুরঘরে নিয়ে যাওয়ায় সমাজ চ্যুত হয়েছেন, যা কুসংস্কার এবং ধর্ম বিষয়ে অজ্ঞতা প্রকাশ করে |দরিদ্র অথচ চতুর ও কুটিল বুদ্ধিসম্পন্ন ধনু শেখ হঠাৎ করে ক্ষমতাবান হয়ে ক্ষমতার অপব্যাবহার করে এবং বিভিন্ন খারাপ কাজ করে | যেমনঃ বিপ্লবী জীবনলাল কে ছদ্মবেশে বান্ধবপুর গ্রামে লুকাতে এলে সে পুলিশকে তার খোঁজ দিয়ে দেয় এবং পরে ধনু শেখ ব্রিটিশ রাজের কাছ থেকে 'খান সাহেব' টাইটেল পায় | তারপর হরিচরণ মারা যাওয়ার আগে তার সকল সম্পত্তি একজনকে দিয়ে গেলেও ধনু শেখ সে সম্পত্তি দখল করে রাখে ইত্যাদি আরো অনেক কাজ করে যা পড়লে পাঠকরা ধনু শেখ নামক চরিত্রটাকে ঘৃণা করবে আর মনে হবে যে, মানুষ কীভাবে এত খারাপ হতে পারে? তারপর জুলেখার তার স্বামীর সাথে তালাক হওয়ার পর রঙিলা নটিবাড়িতে ( বেশ্যাপল্লীতে) স্থান নেয়, বাপের বাড়ি না যেয়ে | যা মানুষের জটিল ও রহস্যময়ী মানসিকতাকে নির্দেশ করে | সেসময়কার হিন্দু ও মুসলিমের ভিতরে নানারকম কুসংস্কার ছিলো, যেমনঃ তৎকালীন হিন্দুরা মুসলিমদের দেখতে পারতো না আর তাদের মতে জাতভেদে ব্রাহ্মণ এর অবস্থান সবার উপরে আর শূদ্রের স্থান সবার নিচে এবং মুসলিমের স্থান তো শূদ্রের ও নিচে | কোনো মুসলিম যদি কোনো হিন্দু মানুষের মিষ্টির দোকানে যায় আর মিষ্টি যদি স্পর্শ ও না করে তাও সব মিষ্টি ফেলে দিবে এবং নতুন করে মিষ্টি বানানো শুরু করবে | মুসলিমদের বিয়ের সময় কনের বাড়ি থেকে একজন দাসী পাঠানো হতো | কনের স্বামী সে দাসীর ও সঙ্গভোগ করতে পারতো এবং দাসীর গর্ভের সন্তান কোনো সম্পত্তির ভাগ পাবে না, সেই সন্তানকেও দাস / দাসী হয়ে থাকতে হবে | উপন্যাসের বিভিন্ন জায়গায় ইতিহাসের অনেক ব্যাক্তির বিভিন্ন কাজ বা অবদান তুলে ধরা হয়েছে | কাজী নজরুল ইসলাম থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর , শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, হিটলার, মহাত্মা গান্ধী, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক, নেতাজী সুভাশচন্দ্র বোস, কিরণ গোস্বামী ,আইন্সটাইন, মাদাম কুরি সহ আরো অনেকে | তিনি এসকল মানুষকে এক সুতোয় গেঁথেছেন , যা আমার মনে হয় না যে অন্য কোনো লেখক এখন পর্যন্ত করতে পেরেছেন | মধ্যাহ্ন বইটি প্রথমে দুইটি খণ্ড আকারে বের হয়েছিল এবং পরে এই দুইটি খণ্ড একত্র করে মধ্যাহ্ন অখণ্ড নামে আবার প্রকাশিত হয় | মোট ৪৭৯ পৃষ্ঠা জুড়ে উপন্যাসটিতে ফুটে উঠেছে ঔপনিবেশিক শাসনামলের বাঙ্গালির ইতিহাস- ঐতিহ্য , শিল্প- সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতির বর্ণনা আছে বঙ্গভঙ্গ , হিন্দু-মুসলিমের দাঙ্গা, অসহযোগ আন্দোলন , খিলাফত, কংগ্রেস , ১ম ও ২য় বিশ্বযুদ্ধ আর ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের সময়কালে মানুষের জীবনযাত্রা বানধবপুর গ্রামের কিছু মানুষের জীবনের মাধ্যমে লেখক তুলে ধরেছেন | ধর্মীয় গোড়ামির বিষয়ে অসাধারণ কিছু যুক্তিও লেখক তার চরিত্রগুলোর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন | কেউ আবার ভাববেন না যে এটি ইতিহাসের বই | হুমায়ূন আহমেদ বলেছেন, “আমি ঐতিহাসিক না, গল্পকার | আমার প্রথম ও শেষ ঝোঁক গল্প বলার দিকে, তবে ইতিহাস থেকে যতটুকু না আনলেই নয় তা এনেছি |” সুতরাং বইটি পড়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করলাম | আর ইতিহাসের যে অংশগুলো বইয়ে লেখক তুলে ধরেছেন তার রেফারেন্স ও দেয়া আছে , চাইলে দেখে নিতে পারবেন | যদি আপনি এমন একটি বই খুঁজছেন যেখানে ভারত বিভাগের পূর্ব পর্যন্ত সমস্ত তথ্য থাকে, তবে এই বইটি আপনার জন্য উপযুক্ত কারণ এতে ১৯০৫-১৯৪৭ এর সমস্ত তথ্য এবং সেই সঙ্গে একটি কাল্পনিক গল্প ও আছে তাই বইটি পড়ার সময় আপনার কোনো বিরক্ত লাগবে না কারণ বইটিতে সকল তথ্য সহজ ভাষায় লেখা আছে সমাজ সাবজেক্টের মতো বিরক্তিকরভাবে লেখা নেই"
Tahmid Rafat Chowdhury , Aug 9, 2021
"good"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
6 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
এই বইটি আবার কবে থেকে পাওয়া যাবে?
বইটা কি এখন স্টোকে আছে?
Total page number?
এই বইটা আর প্রিন্ট হবে না?
বই টা কি আর পাওয়া যাবে না?
আলাদা আলাদা পাওয়া যাবে?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"মধ্যাহ্ন অখণ্ড" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: