১ম প্রকাশ, ২০১২
মাথিনের কূপ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ব্যতিক্রমী আট : পুণ্যের ঘরে শূন্য দিয়ে
জয়নাল হোসেন
দ্রাবিড় আন্দোলনের জনক ও তামিল ভাষাসংগ্রামী : পেরিয়ার ই ভি রামাস্বামী
জয়নাল হোসেন
প্রেমিক ভ্যান গঘ
জয়নাল হোসেন
মানবপুত্র গৌতম-ধর্ম ও জীবনাচার
জয়নাল হোসেন
মানুষ যাঁদের অনুসারী তাঁদের শৈশব ও কৈশোর
জয়নাল হোসেন
বাঙালি হিরো বাঙলার হিরো
জয়নাল হোসেন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | মাথিনের কূপ |
| Author | জয়নাল হোসেন |
| Publisher | অ্যাডর্ন পাবলিকেশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 336 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ভ্রমণ ও প্রবাস |
| Weight | 0.33 Kg |
| ISBN | 9789842002175 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
6 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টিAhsan ahmad , Aug 1, 2021
"মাথিনের কূপ নামে একটি কূপের নাম শুনে বছর খানেক আগে অবাক মত হয়েছিলাম যে, কূপের আবার এ কেমন নাম! ভেবেছিলাম হয়তো কোনো উপজাতীয় পাড়া এর নামে কূপটি হবে, পরে গুগল অল্প কিছু মাথিনের কূপ নিয়ে বললেও, সব টাই জানার ইচ্ছা ছিল। যা হয় - কিছুদিন পরে ভুলেও গেলাম। কেনো জানি একটা জিনিস আমার টানে না সেটা হলঃ যে বই পড়লে, পড়ার পরে কষ্ট হয়, বুক ভার হয়ে যায়, সেগুলো আমি ইচ্ছা করে সব সময় এড়িয়ে যাই, কারণ এর রেশ মনের মধ্যে অনেক্ক্ষণ থাকে, এটা সন্দেহাতিত ভাবে বলা যায়, যে বই পড়ায় মনের এমন পরিবর্তন সম্ভব, ওই বই খুব ই ভালো বা ভালো হাতের লেখা কিন্তু আমি নিতে পারি না সব সময়, সেদিক থেকে দেখলে একটু ইতস্তত ছিলাম পরবো কিনা, কিন্তু আমার খুব ই ভালো লাগার জায়গা টেক নাফ এর কথাও জানা যাবে ভেবে পড়া। গল্পের পটভূমি ১৯৩০ এর কাছাকাছি, গোবেচারা সাধাসিধে এক পরিবার থেকে উঠে আসা আনাড়ী সুদর্শন এক যুবকের পুলিশ অফিসার থেকে প্রেমিক হয়ে ওঠার গল্প। সেখানে দেখানো হয়েছে, প্রায় শতবর্ষ আগেও বাংলাদেশের টেকনাফে এক টাকায় প্রায় ষোল-সতেরটা হাস পাওয়া যেত আর আধা পয়সায় একটা ছাগল, এটা শায়েস্তা খা এর আমলের ও প্রায় ৩০০ বছর পরের টেকনাফ উপকূলের অর্থনৈতিক অবস্থা। তখন চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফ যেতে সময় লাগতো ৩ দিন, ওই সময়ে একটা চিঠি টেকনাফ থেকে কলকাতা যেতে সময় লাগতো ১৫ দিন আর টেলিগ্রাম ৭ দিন। সেখানে প্রশাসন বলতে একটা থানা যেখানে একজন অফিসার ইনচার্জ সাথে ২ জন এস আই আর কিছু কন্সটেবল, মোটামুটিভাবে সমগ্র টেকনাফ এলাকার অপার সৌন্দর্য, সামাজিক অবস্থান, মগ আধিপত্য ও এর রাজনৈতিক অবস্থানের খুব সুন্দর এক আইডিয়া পাওয়া যেতে পারে, যেটা বই টা পড়ার পেছনে আমাকে অনেকখানি উৎসাহ দিয়েছে। ঠিক যেখানেই এর শেষ লেখক টেনে এনেছেন , তখন থেকেই খুব করুণ কোনো কিছুর ভয় আমার বই টা শেষ করা পর্যন্তই ছিল, এর পেছনে ছিল সুন্দরী মগ কন্যা মাথিন। কোথায় যেন শুনেছিলাম প্রেম আর ভালোবাসা এক ছাচে পড়ে না, এর দিকগত বৈশিষ্ট্যগত নাকি অনেক পার্থক্য, সেটা এস আই ধীরাজ ই জানে, ধীরাজ আর মাথিনের কোনো দিন কথা হয় নি, শুধুই ছিল চোখের চাহনি, তাই থেকেই ভালোবাসা যে ভালোবাসা কোনো ফলাফলে আসেনি শেষ পর্যন্ত, যখন ধীরাজ আর মাথিন তাদের কল্পনায় চলে যায় ঘর সংসার জীবন নিয়ে, তখন ই ধীরাজ এর টেলিগ্রাম আসে কলকাতা থেকে, কোনো একজন শুভাকাঙ্ক্ষী তার গোপন ইচ্ছার কথা গোপনে তার বাবাকে জানিয়েছে সে অন্য ধর্মের এক মগ কন্যাকে বিয়ে করতে চলেছে, বাবার আদেশ - এটাকে বাস্তবে রূপ দিলে সে যেন টেকনাফেই তার বাকি জীবন কাটায়, মাথিনের সমস্যা ছিল না। কিন্তু ধীরাজ রাতের আধারে টেকনাফ থেকে পালিয়ে আসে মাথিন কে বিয়ে করবে না বলে, বাবা- মা খুশি হয় ছেলেকে ফিরে পেয়ে, কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই টেকনাফে ছড়িয়ে পরে - মাথিনকে বিয়ে করার ভয়েই ধীরাজ পালিয়ে গেছে সে আর কোনোদিন মাথিন কে বিয়ে করবে না। রাগে অপমানে কষ্টে মাথিন নাওয়া খাওয়া বন্ধ করে শয্যা নেয়, গোটা টেকনাফের মানুষ বুঝিয়েও তাকে খাবার মুখে তোলাতে পারে নি, অবশেষে ধীরাজ কে মুক্ত করে দিয়ে সব সমস্যার ইতি টেনে মাথিন শেষ একবার ধীরাজ এর নাম নিয়ে অনন্ত্যযাত্রা করে, মাথিন ধীরাজের চলে যাওয়ার ১২ দিন পরে মারা যায়। আজ টেকনাফে মাথিনের নাম কে স্মরণীয় করে রাখতে যে কূপে মাথিন পানি নিয়ে আসত আর ধীরাজ বসে থেকে দেখত মাথিন কে সেই কূপের নাম করা হয়েছে মাথিনের কূপ। দর্শন কি বলে? ধীরাজ বিশ্বাসঘাতক না সু পুত্র? সবার আলাদা মত থাকতে পারে, যে কেও তাকে নিজের যুক্তি দিয়ে সু পুত্র বানাতেই পারে ; অথচ ধীরাজ কিন্তু তার বাকি জীবন টায় নিজেকে কাওয়ার্ড বা কাপুরুষ ই বলে গেছে। পরিনতি ঃ ধীরাজের বাবা মা ধীরাজকে এর পরে আর কখনো ধীরাজকে কোনো কাজে বাধা দেয় নি, ধীরাজ নিজের ইচ্ছাতেই বাকি জীবন কাটিয়েছে আর ভালো কিছুই করেছে তার ক্যারিয়ারে। কিন্তু তারা যদি এই ধারণটা আগেই রাখত অথবা ধীরাজ কে বাধা না দিত এক অকাল প্রয়াণ হয়তো হত না, ধীরাজ ও বেচে যেত কিন্তু ইতিহাস হত না।"
অভ্র আর্কাইভ তিয়াশ , Jul 4, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিও_প্রতিযোগিতা রিভিও__জুলাই/০৮ বই__মাথিনের কূপ লেখক__জয়নাল হোসেন প্রকাশক__অ্যাডার্ন পাবলিকেশনস প্রকাশকাল__ফেব্রুয়ারি ২০১২ মুল্য__২৫০(গায়ে লেখা) ২১৩(প্রগতি) বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকার অতি দর্শনীয় স্থানের একটি টেকনাফ। টেকনাফেরর প্রবাল দ্বীপ ছাড়াও আরেকটি দর্শনীয় ও টুরিস্টদের জন্য বিখ্যাত স্থান মাথিনের কুপ। কিন্তু এর ইতিহাস সম্পর্কে কতজন জ্ঞাত? কিই বা এর ইতিহাস? প্রেম না দ্বন্দ্ব? জানতে হলে জানতে হবে ধীরাজ ভট্টাচার্য আর মগকন্যা মাথিনকে, তাদের জীবনকে। কিভাবেই তাদের দেখা, কিই বা পরিণতি? গত শতকের ছেলে ধীরাজ। পড়ালেখায় ভাল। তিন্তু জীবনের কোনো এক পর্যায়ে সে অভিনয়ে ঝুঁকে পড়ে। সেসময় সেটাকে মানুষজন কিভাবে নিত তা বলা বোধকরি নিষ্প্রয়োজনীয়। যাহোক এই ধীরাজ নামক ছেলেটি সিনেমাহল ঠাঁয় পায় যদিওবা পরিবারের চাপে তা দিতে হয় বিসর্জন। তারপর শুরু হয় চাতুরিজীবন। বিভিন্ন অভিজ্ঞতার শেষে সে টেকনাফ থানার এস পি হয়ে জয়েন করে। সেখানে কিভাবে মগকন্যা মাথিন আর ধীরাজের পরিচয় আর শেষ পরিণতি.....বই আছে তো। প্রতিক্রিয়া ___ আমরা যেমন তাজমহলের রুপের চেয়ে শাহজাহানের প্রেমটাকেই গুরুত্ব দেই, যদিও দুটোই মহিমাময়ী। সেরুপ মাথিনের কুপ বহণ করে প্রেমের ইতিহাস। লেখকের লেখার ভঙাগিমা অনবদ্য। নানান ধরনের তথ্য গল্পের ছলে মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এক কথায় অনন্য নিরিক্ষাধর্মী বইটি। রেটিং___ ৪.৫/৫ প্রগতি লিঙ্ক___ https://www.progoty.com/book/12456/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%aa"
jami jahan , Jun 1, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বই-মাথিনের কূপ লেখক-জয়নাল হোসেন পৃষ্ঠা-১৬০ মূল্য-২৫০ প্রকাশ-২০১২ অ্যাডর্ণ প্রকাশনী প্রচ্ছদ -সাব্যসাচী হাজরা সমুদ্র সৈকতের খ্যাতিতে ভাস্বর বাংলাদেশের কক্সবাজার। কক্সবাজারের অন্যতম সমৃদ্ধ পর্যটন জনপদ টেকনাফ। নাফ নদীর এপারে দক্ষিণ চট্টগ্রাম আর ওপারে আরকান। নাফ নদীকে বলা হত 'নে -ম্রাই' অর্থাৎ দেবতার নদী। টেকনাফে আছে একটি দেবতার পাহাড়। এ পাহাড়কে আরকানি ভাষায় বলা হয় নে-টং। এখান থেকে এসেছে নাফটেক। নাফটেক পরবর্তিতে টেকনাফে রূপান্তরিত হয়েছে। ১৮৮৪ সালে কক্সবাজারকে চট্টগ্রাম জেলার একটি মহকুমায় উন্নীত করা হয়। তখন কক্সবাজার সদর, চকরিয়া, মহেশখালী এবং টেকনাফ থানা নিয়ে মহকুমাটি গঠন করা হয়। বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে সীমানা উপকূলীয় এলাকায় আবাস ছিলো আরকানি উদ্বাস্তুদের। উদ্বাস্তু এই মগ সম্প্রদায় আজ কক্সবাজার জেলার জনসংখ্যার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আরকান ছেড়ে নাফ নদী অতিক্রম করে প্রাণ হাতে করে কেন মগ বা রাখাইন সম্প্রদায়ের লোক জন কক্সবাজার তথা টেকনাফ এলাকায় বসতি স্থাপন করেছিলো তার পিছনে আছে বেদনা বিধূর এক করুণ ইতিহাস। তবে সব ছেড়ে এই অঞ্চলে এসে আশ্রয় নেবার অনেক কারণ ছিলো। যাই হোক, টেকনাফের প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন ছাড়াও, মানুষের মন কাড়ে এরকম একটি পর্যটন স্পট হলো "মাথিনের কূপ"। বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের সীমানা উপকূলীয় এলাকা টেকনাফে মিঠাপানি সংগ্রহের প্রয়োজনে থানা প্রাঙ্গণে এই পাতকুয়াটি খনন করা হয়েছিলো। থানার আশেপাশের উদ্বাস্তু রাখাইনদের মেয়েরা এই কুয়া থেকে খাবার পানি নিয়ে যেত। এতে থানার লোকজন কখনো বাধা সৃষ্টি করেনি। কিন্তু এই পাতকূয়াটি কি করে একটি পর্যটন স্পটে রূপান্তরিত হলো!! সে এক অমর প্রেমের স্মারক। আর তাই সেন্টমার্টিন ছাড়াও টেকনাফের এই পর্যটন স্পটটি আজও মানুষের মন না কেড়ে পারে না। কাদের সেই অমর প্রেম? আরকান থেকে উদ্বাস্তু হয়ে আসা রাখাইনদের মাঝে কেউ কেউ বেশ অবস্থাশালী ছিলেন। তাদের মধ্যের একজন হলেন ওয়াংথিন। এই অমর প্রেমের নায়িকা হলেন ওয়াংথিন কন্যা মাথিন। আর নায়ক? তিনি হলেন তখনকার সময়ের এক ভারতীয় পুলিশ কর্মকর্তা। নাম ধীরাজ ভট্টাচার্য। ১৯০৫ সালে ধীরাজের জন্ম হয় যশোরের পাঁজিয়া গ্রামে। বাবার কর্মসূত্রে কলকাতায় গমন । ভবানীপুর মিত্র ইনস্টিটিউশন থেকে ধীরাজ ১৯২৩ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন। যৌবনের শুরুতে অভিনয়ে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু মায়ের অন্নজল ত্যাগ করা অনশনের জন্য, ও পথ ছেড়ে ফিরে আসেন। তখন বাবাই তাকে পুলিশের চাকরিটা জোগার করে দেন। তারই কিছুদিন পর পোস্টিং হয়ে ধীরাজ এই টেকনাফে আসেন। কি করে ধীরাজ আর মাথিন একে অপরকে চিনেছিলো, তা নিয়ে ধীরাজ তার এক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ "যখন পুলিশ ছিলাম " তাতে লিখেছেন। মগ কন্যা মাথিন আর ধীরাজের প্রেমের একটা সাক্ষী হয়ে আছে এই মাথিন কূপ। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে টেকনাফের সাথে চট্টগ্রাম থেকেই যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব খারাপ ছিলো। পরে যোগাযোগ ব্যবস্থা ধীরে ধীরে উন্নয়নের সাথে সাথে পর্যটনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। জয়নাল হোসেন একজন কৃষিবিদ। তিনি ১৯৯৯ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংকস্থ মহিডোল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। কৃষি উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে 'ডিকেআই কৃষি পদক ২০০৮' -এ ভূষিত করা হয়।ইতিহাস ও ঐতিহ্য সন্ধানে ঘুরে বেড়ানো, নতুন কিছু লেখা তার নেশা। সেই সুত্র ধরেই, ঐতিহাসিক প্রেমের এই দুই নরনারীর প্রেমের কাহিনী গুলো চিত্রাকারে তুলে ধরেছেন পাঠকের চোখে। যদিও ধীরাজ বাবুর "যখন পুলিশ ছিলাম " গ্রন্থে প্রেমের সময় টুকু ধীরাজ নিজেই বেশ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে লিখে গেছেন। ভিন্ন ভাষার দুই নরনারীর প্রেমের কাহিনী। তার শুরুর মুহূর্ত। তখনকার সময় টেকনাফের অবস্থা। এমন কি পুলিশ চাকরির বেহাল অবস্থা। সব বর্ণনা করেছেন। তবে এই বইয়ে ধীরাজের প্রেম কাহিনী সহ, রাখাইনরা কেন বা কিভাবে এই টেকনাফে এসে আবাস গড়েছে। এখানে এসে তাদের অবস্থার কতটুকু পরিবর্তন হয়েছে। এমনকি মাথিন কূপ কেন নামকরণ হয়ে, এই পর্যটন স্পট হয়ে ধরা দিয়েছে। মাথিন কূপ নিয়ে রাখাইনদের মতামত এবং মাথিন কূপের বর্তমান অবস্থা। সব কিছু লেখক বেশ সুন্দর করে বর্ণনা করেছেন। টেকনাফের অন্য পর্যটন স্পট এই মাথিন কূপ বর্তমানে এক অমর প্রেমের সাক্ষী হয়ে ধরা পড়ে পর্যটকদের চোখে। ছোট একটা পকেট বুক সাইজের বই, দেখেই পছন্দ হয়ে যায় আমার। তার থেকেও বেশি ছিলো ভেতরের পাতা দেখার অতিব আকর্ষণ। আমার মতে, পাঠকদের এই মাথিন কূপের আগাগোড়া সব কিছু সম্পর্কে জানার আগ্রহ মিটাতে এই বই সর্বোপরি সাহায্য করবে। পাঠক কিছুটা আচঁ পাবে সত্যিকার প্রেমের তাপ! রেটিং-৫/৪.৫ প্রগতি লিংক -https://www.progoty.com/book/12456/মাথিনের-কূপ"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"মাথিনের কূপ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: