১ম প্রকাশ, ২০২৩
মালিনী
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | মালিনী |
| Author | নূর নাফিসা |
| Publisher | নবকথন প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 208 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.4 Kg |
| ISBN | 9789849733171 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
9 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টিAdvocate Kamruzzaman Real , Mar 23, 2026
"attractive"
Sakib , Jul 8, 2023
"#মালিনী #পাঠ_অনুভূতি ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ মালিনী •লেখকঃ নূর নাফিসা •ধরনঃ রোমান্টিক •প্রকাশনীঃ নবকথন প্রকাশনী •প্রচ্ছদঃ সাদিতউজ্জামান •মুদ্রিত মূল্যঃ ৫২০ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২০৮ •প্রকাশকালঃ ৩০ এপ্রিল ২০২৩ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ বৃষ্টিভেজা সকালের সৌন্দর্যে ছাদের কোনায় বসে বসে পৃথিবীটাকে ভীষণ মায়ার মতো লাগে যেন । একনাগাড়ে তাকিয়ে থেকে বসে পড়ি খুব আলগোছে । আজকে দিনটা আমার কাছে খুব বিশেষ । ভবিষ্যত দিনগুলোও হয়তো কিছুটা অন্যরকম হবে । এরকমই কিছু কিছু বিশেষ দিনের মুহূর্তে আমি কিছু কিছু বিশেষ উপন্যাস পড়েছি । কখনও উপন্যাসের মায়ায় পড়ে ভেসে গিয়েছি এক নতুন রকমের সৌন্দর্যে । প্রকৃতির সাথে বৃষ্টি এমন একটা মেলবন্ধন, যেখানে একনাগাড়ে তাকিয়ে থাকলে বৃষ্টির সাথে কল্পনা ভেসে আসে । তাকিয়ে থাকতে থাকতে মন থেকে খুব দুর্বল লাগে । অনুভূতি নিয়ে ভাবতে থাকা আমার জন্য সকাল সকাল বৃষ্টিটা খুব কষ্ট আর সুখের মিশেলে অদ্ভুত এক মায়া নিয়ে আসে । ♦পারিপার্শ্বিক দিকঃ সামনের অনেকগুলো দিন হয়তো বই পড়া হবে না আমার । তাই এমনই একটা সময়ে মনে হলো আজকের রাতে এই বইটা পড়ে ফেলি । এই বইটা পড়া আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল । হঠাৎ করেই বই পড়তে হলো আমার । অথচ আমি ভেবেছিলাম আয়োজন করে বইটি পড়তে বসবো একদিন । সেদিনকার কিছু মুহূর্ত বেশ লাগবে আমার । যাহোক পড়তে চেয়েও যে সময়ে উপন্যাসটি পড়তে চেয়েছিলাম সেই সময়ে পড়তে পারিনি । শুরু করতে করতে সময়টা রাত ২টা ৩০ মিনিট হয়ে গিয়েছিল । আর যখন উপন্যাসটি পড়া শেষ হয়ে গেল, তখন সময়টা ভোর ৬টা ৩৫ মিনিট । বৃষ্টি যেন উপন্যাসটি পড়ার শেষেই চলে এলো, বরণ করে নিবে বলে । ♦নামকরণঃ ফুল কে না ভালোবাসে! ফুলকে জড়িয়ে ধরে রেখে তার সৌন্দর্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে আবেশিত হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে । নিজের মতো করে গড়ে উঠতে দেয়া ফুলগুলোকে বড় আলগোছে আদর করতে করতে ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করে যেন । পৃথিবীতে প্রতিটি ভালোবাসার গল্প আলাদা খুব । এরকমই এক ভালোবাসার গল্পে ফুল দেখাশোনা করার জন্য এক মালিনীকে প্রয়োজন হয় । যে মালিনী ফুলের বাগানের থেকেও মনের বাগানে রাজ করে বেড়ায় আর ছুটে চলে প্রতিটি অলিগলিতে । মন, তার চারপাশে ঘিরে রাখা আবেশ, ভালোবাসা এবং সত্যিকারের ফুল প্রতিটিকে ধরে রাখা এক আখ্যানের নাম মালিনী । ♦ফ্ল্যাপে লেখাঃ সারল্য প্রকৃতির মেয়েটির না আছে পরিস্থিতির বিরুদ্ধে কটাক্ষ হয়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতা, আর না আছে বহিঃপ্রকাশ্য তেজ । থাকার মধ্যে কেবল হৃদয়জুড়ে ছড়িয়ে আছে পরের তরে মায়া । আশেপাশের মানুষের অনুভূতিগুলো সহজে উপলব্ধি করতে পারলেও আপন অনুভূতির আত্মপ্রকাশ যেন হয়েই উঠে না ভুবন মাঝে । নিজ চাঞ্চল্যতাটুকু প্রকাশের সীমাবদ্ধতাও নিজের কাছেই । মনের আঙিনায় রঙবেরঙের স্বপ্ন বাঁধা সাধের হলেও স্বপ্নরা দিতে চায় না হাতছানি । বেঁচে যায় অমাবস্যা চাঁদের ন্যায়! বারংবার দারিদ্রতার কাছে স্বপ্নের বলি দেওয়া মেয়েটির নাম মলি । যার জীবন অতিবাহিত হতে থাকে কেবলই পরিস্থিতির ডানায় ভর করে । স্বপ্ন ছাই করে পথে উড়িয়ে যখন নামল টানাপোড়েন নিয়ে ভাবতে, চুপিচুপি আমূল পরিবর্তন এসে যেন হাতছানি দিল তাকে । নীরবে, নিশ্চুপে অচেনা অজানা এক শৌখিন পুরুষ হঠাৎ করেই যেন চিরচেনা একজন হয়ে দাঁড়াল দুঃখপুরীর জীবন সম্মুখে । লুকায়িত অধিকারগুলো দিনের পর দিন ছিনিয়ে নিয়েছে ভিন্নভাবে । কী তার কারণ? হঠাৎ কেন-ই বা তার বিচরণ? ♦প্রচ্ছদঃ হঠাৎ করে একদিন ফেসবুকে এসে এই প্রচ্ছদটি দেখতে পেয়েছিলাম আমি । সবুজে ঘিরে ধরে রাখা প্রচ্ছদটি মায়া লেগে গেল । পৃথিবীতে ভালোবাসা এবং ভালোলাগার থেকেও মায়া অনুভূতিটা আমার কাছে কেমন একটা যেন । অদ্ভুত এক সুখ সুখ কষ্ট কিংবা দুঃখ দুঃখ আনন্দ দিয়ে যায় । প্রচ্ছদটিতে ঘিরে ধরে রাখা ফুল এবং তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শাড়ি পরিহিতা নারীর এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা চোখে ভীষণ ঘোর চলে আসে । এই প্রচ্ছদটি তাই দারুণ সুন্দর । ♦চরিত্র বিশ্লেষণঃ কয়েকটা চরিত্র নিয়ে আলোচনা করবো । •মলিঃ পরিবারকে ভালোবাসতে চাওয়া মেয়েটি পরিবারের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে । নরম কোমল স্বভাবের মেয়েটি তাই জানে নিজের সীমাবদ্ধতা কতটুকু । সাহায্য করার মানসিকতা নিয়ে থাকা মেয়েটি নিজেকে নিয়ে ছোট ছোট স্বপ্ন দেখতে দেখতে এগিয়ে চলে জীবনের পথে । •ফরহাদঃ চারিত্রিক ভাবে দ্বন্দ্বে ভুগতে থাকা একটি চরিত্র । কখনও হাসে কখনও গম্ভীর হয়ে পড়ে । সাহায্য করার মানসিকতা নিয়ে থাকা চরিত্রটি সবাইকে সম্মান করতে জানে । ভালোবাসা এবং তাকে ঘিরে থাকা অদ্ভুত কিছু মুহূর্ত নিয়ে সে আঁকড়ে ধরে । •ফাহিমাঃ বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাবের মিষ্টি, হাসি দিয়ে ঘিরে রাখা একজন নারী ফাহিমা । যিনি সংসারের প্রতি মূল্যবোধ কিংবা পরিবারের সদস্যদের প্রতি গুরুত্ব বেশ ভালোভাবে জানেন । •জেরিনঃ কারো সাথে মানিয়ে চলতে না পারা মানুষটি কিছু ভুল করে ফেলে । হয়তোবা কিছুটা দোষেরও । কিন্তু নিজের ভুলগুলো বুঝতে পেরে তাকে সরিয়ে দিয়ে এগিয়ে যেতে চায় সে । ♦টুকিটাকিঃ এই উপন্যাসে আছে এছাড়াও বেশ কিছু চরিত্র । যারা উপন্যাসে নিজেদের উপস্থিতি দিয়ে উপন্যাসে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে । উপন্যাসে আছে, ভাইকে ভালোবেসেও ভাইয়ের কিছু ভুলের কারণে তার পাশ থেকে সরে যাওয়া নেয়ামত উল্লাহ । যিনি ভাইকে ভালোবাসার জন্য অপেক্ষা করেন । আরো আছে জেনিফা নামক একটি চরিত্র, মানুষকে সম্মান না করার একটা চেষ্টা ফুটে উঠতে চায় তার মাঝে । আছে মমতাজ বেগম নামের একটি চরিত্র, যিনি কষ্টে থেকেও সংসারকে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে সবকিছুর সাথে । এছাড়াও উপন্যাসে আছে মুহিত নামের একটি চরিত্র, যিনি বাবাকে ভীষণ ভালোবেসে বাবার কষ্টকে অনুভব করার এক অনুভূতি নিয়ে আসে । উপন্যাসে আছে ফারদিন কিংবা নীলিমা নামক চরিত্ররাও । ♦প্রিয় চরিত্রঃ অনেক অনেক ভেবে উপন্যাসের প্রিয় চরিত্র হওয়ার মতো কাউকে পাচ্ছি না দেখে কেমন একটা লাগছে আমার । এই অনুভূতির জন্যেই অনুভূতি লিখতে লিখতে দুইবারের মতো ভাবনাচিন্তা হয়ে গেল আমার । তারপরে মনে হলো উপন্যাসে প্রিয় চরিত্র না থাকলেও ফাহিমা চরিত্রটিকে বেশ লাগে । প্রতিটি পরিস্থিতিতে পাশে থাকার মতো দারুণ একটি চরিত্র এটি । এছাড়াও মলি কিংবা ফরহাদ দুইটি চরিত্রকেও বেশ লাগে । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √আমি তখন ফেসবুকে গল্প পড়া বাদ দিয়ে দিয়েছি প্রায়ই । খুব একটা গল্পে চোখ বুলাই না । বইয়ের পাঠক হিসেবে থাকা এই আমি’কে উপন্যাসে যতটা মজে যেতে দেখি ততটা না দেখতে পাওয়া অনুভূতিতে তাই গল্প পড়া আর হয়ে উঠে না । এরকমই এক সময়ে ‘মালিনী’ নামে ফেসবুকে গল্প চলতো দেখতাম । পড়া হতো না । সেভাবে তাকিয়ে থাকাও হতো না । হয়তো ফেসবুকের গল্পের সাথে আমি আড়ি দিয়ে রেখেছিলাম কিংবা হয়তোবা সেই ফেসবুকে পড়িনি বলেই বই হিসেবে পড়ার মতো একটা অনুভূতি এলো আমার । √উপন্যাসটি পড়তে পড়তে মনে হলো, আমি উপন্যাসটি নিয়ে সেভাবে ভাবতেছি না হঠাৎ করে । পড়ে যাচ্ছি শুধু মন দিয়ে । শুধু মন আর অনুভূতির ফাঁকা জায়গায় নতুন কিছু ঢুকছে নিজেদের অধিকার নিয়ে । এই উপন্যাসের পটভূমি যেভাবে সাজানো তা বেশ অন্যরকম । বেশ মিশ্র একটা ধাঁচে উপন্যাসটির জীবনধারা বয়ে গিয়েছে । উপন্যাসের প্রতিটি ঘটনাপ্রবাহ তাই একেকটি একেক রকম । কিছু দৃশ্যপট তাই আলাদা । কিন্তু কোথাও একটা গিয়ে প্রতিটি ঘটনাপ্রবাহে বয়ে যাওয়া দৃশ্যপট এক সুতায় গাঁথা হয়ে আবদ্ধ হয়ে বসে থাকে । ধনী-গরিব ভেদাভেদ যেন এক মাত্রায় বয়ে গিয়েছে মুহূর্তে । উপন্যাসের আবহ ভালোভাবে এলেও উপন্যাসের কিছু জায়গায় নাটকীয়তার ধাঁচ এসেছে । নাটকীয়তার ছোঁয়া থাকা মুহূর্তগুলোতে উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহ বেশ হাস্যকর লেগেছে । রম্য এই মুহূর্তগুলো পড়ার সময়ে উপন্যাসটির প্রতি আমার দুইরকম অনুভূতি এসেছে কেনো যেন! এক, মনে হয়েছে অস্বস্তিকর একটা পরিস্থিতি । রম্য মুহূর্তে অস্বস্তিতে পড়ে যাওয়া বেশ অন্যরকম একটি ব্যাপার । আর অপরদিকে মনে হয়েছে, বাহ্ কিছুটা মন থেকে হাসি তো বেরিয়ে আসছে । রোমান্টিক ঘরানার উপন্যাসে রম্য ভাব তাই যেন সংযুক্ত হয়েছে । উপন্যাসের জলছাপে এছাড়া খানিকটা সময় কেটে যাওয়া মুহূর্তগুলো কিংবা কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত পটভূমি অনুসারে খুবই তাড়াতাড়ি এসেছে বলে আমার মনে হয়েছে । এখানে একটু কাহিনীতে গভীরতা থাকতে পারতো । √একটি উপন্যাসে চরিত্র গঠন কিংবা উপস্থিতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । উপন্যাসকে সাজিয়ে তুলতে সাহায্য করে । এই উপন্যাসে চরিত্র গঠন এবং উপস্থিতির ব্যাপারটিও তাই বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল । মলি চরিত্রটির গঠন এবং উপস্থিতি বেশ ভালো ছিল । উপন্যাসের কিছুটা সময়ে তার উপস্থিতিতে উপন্যাসের দৃশ্যপট যেন বয়ে গিয়েছে । সে কারণে তার গঠন এবং উপস্থিতি বেশ ভালো ছিল । তাকে যেভাবে সাজানো হয়েছে তা উপন্যাসের পটভূমি অনুসারে সুন্দর ছিল । ফরহাদ চরিত্রটি যেন খানিকটা মনের মাঝে কথা রেখে দেয়া একটি চরিত্র । তাই তার চরিত্র এর গঠন এবং উপস্থিতি সেভাবে আসলেও কিছু কিছু মুহূর্তে মনে হয়েছে খানিকটা ধোঁয়াশায় রেখে দেয়া একটি চরিত্র । সেই অনুযায়ীই গঠন এবং উপস্থিতি হয়েছে তার । তার চরিত্রগত পার্থক্য এবং কিছু সংলাপ তাই একসাথেই বয়ে গিয়েছে যে জন্য হঠাৎ হঠাৎ অবাক হয়েছি । এছাড়া ফাহিমা চরিত্রটির গঠন এবং উপস্থিতি বেশ ভালো । উপন্যাসের পটভূমি অনুসারে দারুণ ভাবে সাজানো হয়েছে । শেষের দিকে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বেশ ভালো লাগার মতো ছিল । জেরিন চরিত্রের গঠন উপন্যাসে ভারসাম্য দিয়েছে । তার উপস্থিতিতে তাকে বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে দারুণ ভাবে মানিয়েছে । ♦প্রিয় অংশঃ রম্য । কিছুটা হাসির মুহূর্ত । এই উপন্যাসের প্রথম প্রিয় অংশ হিসেবে যা মনে পড়ে তা হলো রম্য হিসেবে থেকে যাওয়া, গোসল । গোসল ব্যাপারটিকে এত অন্যরকম ভাবে হাসির আবহে, সংলাপে ফুটিয়ে তুলতে হয়েছে তা বেশ আনন্দ দিয়েছে আমাকে । এছাড়া উপন্যাসের মাঝে কিছু সংলাপ বেশ ভালো ছিল । উপন্যাসের আরেকটি প্রিয় অংশ হলো, কবিতা । বিশেষ করে শেষের দিকের কবিতাটা বেশ ভালো লেগেছে আমার । দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তুলে অনুভূতি প্রকাশ করা হয়েছে । মলি চরিত্রটির বর্ণনা দারুণ ভাবে করা হয়েছে । উপন্যাসের মাঝামাঝিতে উপন্যাসটি যেভাবে বয়ে গিয়েছে তার কিছু কিছু জায়গায় উপন্যাসটিকে বেশ লাগে যেন । ♦অন্যান্য বিষয়ঃ √প্রকাশনীঃ প্রকাশনী হিসেবে নবকথন প্রকাশনী এর বেশ কয়েকটি বই পড়া হয়ে গেল । নবকথন প্রকাশনী এর বই বাঁধাই বেশ ভালো হয় । বইটি ধরে রাখতে বেশ লাগে । এছাড়া তাদের বইয়ের প্রচ্ছদ দারুণভাবে ফুটে উঠে । এই বইটিও সেভাবে দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । বইটি তাই হাতে নিয়ে ধরতে বেশ লাগে । সবথেকে ভালো যে দিক তা হলো, টাইপিং মিস্টেক এর ব্যাপারটা খানিকটা কম । যদিও বেশ কয়েক জায়গায় দুইটি শব্দ একসাথে হয়ে গিয়েছে ফাঁকা জায়গা না রেখে । এছাড়া সেভাবে টাইপিং মিস্টেক ছিল না । যে কারণে বইটি পড়তে সেভাবে সমস্যা হয়নি । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ ‘মালিনী’ লেখক নূর নাফিসা এর তৃতীয় উপন্যাস । আমার পড়া হিসেবেও এটি তার তৃতীয় উপন্যাস । তার লিখনশৈলী বেশ ভালোভাবেই ভারসাম্য রেখে এগিয়ে চলেছে যেন । লেখকের প্রথম উপন্যাস ‘মাঝি ভাই’ এর মাঝে একটু শেষ করার জন্য তাড়াহুড়ো এসেছিল । সেদিক থেকে দ্বিতীয় উপন্যাস ‘মনকাননে বুনোফুল’ বেশ সুন্দর ভাবে শেষ হয়েছে । লেখকের উপন্যাসে সংলাপ বেশ ভালো ভাবে আসে । যা অবশ্যই একটা ভালো লাগার মতো বিষয় । সংলাপ উপন্যাসে অসাধারণ একটি আবেশ দেয় । ভারসাম্য এনে দেয়ার জন্য চেষ্টা করে । তবে, সংলাপে সমর্থন দেয়ার জন্য বর্ণনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি এর কিছুটা জায়গায় আবহ সৃষ্টি করার অনুভূতিতে কিছুটা মুহূর্ত নিয়ে কাজ করার একটা ব্যাপার এসে যায় । যা উপন্যাসের পটভূমিতে খানিকটা গভীরতা এনে দেয় । এই গভীরতা যেন হঠাৎ করে এসে পড়লে উপন্যাসকে দারুণ ভাবে বদলে দেয় । উপন্যাসের শেষের দিকে কিছু ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনামূলক আবহের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে । তা বেশ মুহূর্ত নিয়ে প্রকাশ করা হলে বেশ হতো । তবে সংলাপ ধারণ কিংবা সরল এবং সোজা ভাষার শব্দ এর মাধ্যমে উপন্যাসকে গড়ে তোলা বেশ লাগে । লেখকের কবিতা এর ব্যাপারটা বেশ দারুণ ভাবে এসেছে । একটা সময় পরে মানুষের একটা প্রত্যাশা এসে যায় । মানুষ যেমন অনুভব করে চায়, সেভাবেই লেখকের লিখনশৈলীর কাছে আমার পাঠক মনের অনুভূতি আরো যেন চায় । লেখকের জন্য শুভকামনা রইলো । ♦রেটিংঃ ৪.২/৫ ♦উপসংহারঃ পৃথিবীটা ভীষণ অদ্ভুত । কত বছর ধরে বই পড়তে থাকা আমি বই কেমন লেগেছে বললে, শুধু এক বাক্যে বলতাম ভালো লেগেছে । মনে হতো, এর বেশিই প্রকাশ করলে কত না জানা কি যেন উপন্যাসের থেকে আমি নিজেই বলে ফেলি । হঠাৎ করে আমার কি মনে হলো, একদিন অনুভূতি প্রকাশ করতে শুরু করলাম । সেই থেকে এখন প্রতিটা উপন্যাস পড়ার শেষে অনুভূতি না জানালে আমার কেমন একটা অস্বস্তি লাগে যেন । আমি লিখতে লিখতে আমার লেখাগুলোই মনে মনে পড়ে পড়ে একটা অদ্ভুত অবয়ব তৈরি করি । মনেই যেন এক আবছায়া আবেশ তৈরি হয় অনুভূতির । ওই যে লেখার সময়ের অনুভূতি । তা ওই সময়ের জন্যেই তোলা থাকে আমার । এরপর আমার আর আমার অনুভূতির দিকে তাকানো হয় না । কারণ অনুভূতি পাল্টাক বা না পাল্টাক, কিন্তু আমার মনে তখন অন্য কিছু অনুভূতির অপেক্ষায় বসে থাকতে প্রস্তুত হয়ে বসে ।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"মালিনী" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: