১ম প্রকাশ, ২০২২
লবঙ্গ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | লবঙ্গ |
| Author | জান্নাতুল ইভা |
| Publisher | পাললিক সৌরভ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 120 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.26 Kg |
| ISBN | 9789849594840 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টিPriangka Ray Chaity , Jun 2, 2023
"বুক রিভিউ: বই: লবঙ্গ লেখক: জান্নাতুল ইভা প্রকাশনী: পাললিক সৌরভ ধরণ: সমকালীন উপন্যাস পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২০ প্রচ্ছদ: সাদিতউজজামান মূদ্রিত মূল্য: ৩০০৳ ব্যক্তিগত রেটিং- ৪/৫ অভিমানী লবঙ্গর ছোট ছোট রাগ, অভিমানগুলো রেহালকে কখনো ছুঁতে পারে না। কার ওপর রাগ করবে সে? যার কাছে এই রাগের কোনো মূল্যই নেই। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে লবঙ্গ রোদকে ঘুম পাড়িয়ে দিলো। ঝপঝপ করে বৃষ্টি হচ্ছে। গুটিগুটি পায়ে লবঙ্গ জানালার পাশের টেবিলে গিয়ে বসলো। পুরোনো ডায়রি আর কলমটা হাতে নিলো। কতদিন হলো সে কবিতা লেখে না। কিছুক্ষণ একপলকে ঝুম বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে রইলো। তারপর ডায়েরিতে কবিতা লিখতে শুরু করলো... [থাক এই কবিতা যারা নিজেরা বইটা কিনে পড়বেন তাদের জন্য তোলা রইলো, বুক রিভিউতে আর তা দিচ্ছি না] কাহিনী সংক্ষেপ: “লবঙ্গ” বইটি একজন ডিভোর্সি নারীর জীবন সংগ্রাম নিয়ে লেখা একটি উপন্যাস। ডিভোর্সি মেয়েদের এ সমাজে কতটা প্রতিকূলতার সাথে কাটাতে হয়, কাছের মানুষটার থেকে পাওয়া আঘাত থেকে কীভাবে নিজেকে সামলে নিয়ে নিজের বাঁচার লড়াই, নিজের অস্তিত্বের লড়াই করে যেতে হয় তারই এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি ফুঁটে উঠেছে এই উপন্যাসে। গল্পের শুরুটা খুব সাধারণ ভাবেই শুরু হয়। লবঙ্গের সাংসারিক কাহিনী নিয়ে৷ তবে লবঙ্গের জীবনটা আর পাঁচটা মেয়ের মতো ছিলো না। কারণ বিয়ে হচ্ছে পৃথিবীর সব থেকে সুন্দর জিনিসের একটা। প্রতিটা মেয়েই চায় বিয়ের পর তার স্বামী-সন্তান-পরিবার নিয়ে যেন সুখে সংসার করতে পারে। কিন্তু সবার কপালে কি আর সব সুখ থাকে? লবঙ্গরও ছিলো না। লবঙ্গের স্বামী অর্থাৎ রেহালের জীবনে আসে নতুন নারী- “পায়েল”। যেখান থেকে লবঙ্গের জীবনের সব এলোমেলো হয়ে যায়। লবঙ্গ তার ছেলে রোদকে নিয়ে দোটানায় পড়ে যায়। রেহালের সাথে পায়েলের সম্পর্কের জের ধরে প্রায়ই অশান্তি হতে থাকে লবঙ্গের সাথে এবং এই টানাপোড়েনের মাঝে শেষমেশ লবঙ্গের সাথে রেহালের ডিভোর্সটা হয়ে যায়। কিন্তু তারপর? কেমন ছিলো লবঙ্গের জীবন? লবঙ্গ কীভাবে পার করেছে ডিভোর্সের পরবর্তী সময়টা? লবঙ্গ কি আর পরবর্তী সময়ে নিজের জীবন নতুন করে শুরু করতে পেরেছে!? জানতে হলে পড়তে হবে “লবঙ্গ” বইটি। পাঠ প্রতিক্রিয়া: যেহেতু “লবঙ্গ” জান্নাতুল ইভা আপুর প্রথম একক উপন্যাস। তাই আমি খুব বেশি বিশ্লেষণে যাবো না। তবে সত্যি করে বলতে গেলে সমকালীন উপন্যাস হিসেবে বইটি আসলে আমার ভালো লেগেছে। কিছু জায়গায় চমকেও গিয়েছি। কারণ বর্তমানের প্রেক্ষাপটে লবঙ্গ খুবই বাস্তবধর্মী একটি বই। ডিভোর্সি নারীরা যে কতটা কষ্ট সহ্য করে বেঁচে থাকে এই উপন্যাসে খুব ভালোভাবে লেখক সেইটা ফুঁটে তুলেছে। পৃথিবীটাই তো কঠিন হয়ে লড়াই করার জায়গা। এখানে দূর্বলের কোনো জায়গা নাই। আপনি দূর্বল মানে আপনাকে সবলেরা ছিঁড়ে ফেলে দুনিয়া থেকেই অস্তিত্ব বিলীন করে দেবে। এখানে যদি নিজের পায়ে না দাঁড়ানো একটা মানুষ হয় তাহলে তো আর কথাই নেই। আপনি নিজের ভরণপোষণ নিজে করতে না পারলে সমাজ আপনাকে জাস্ট ভ্যানিশ করে ফেলতে চাইবে। আর সমাজের কতিপয় মানুষের জিহবার যে ধার কতটা সেটা তো আমরা সবাই জানি। লবঙ্গের ডিভোর্সের পর যে জার্নিটা এইটা আপনাকে বোঝাবে ডিভোর্সের পর একটা নারীকে কীভাবে লোকে হেয় করে। সবাই খারাপ এমন না তবে বেশিরভাগ মানুষই আপনার বেঁচে থাকা মুশকিল করে দেবে। কিন্তু যদি আপনি দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করতে পারেন তবে দুনিয়া আপনার আর না পারলে দুনিয়া আপনাকে গুনবে না। আমাদের সমাজে ডিভোর্সের কথা আসলেই মানুষ ভেবে থাকে সেই দোষটা ঐ নারীরই। কিন্তু কখনো এটা ভেবে দেখে না যে আসলেই দোষটা কার? জাজমেন্টাল হওয়ার আগে নূন্যতম কমনসেন্স খাটিয়ে কথা বলে না। যাইহোক, আমি এই রিভিউতে চরিত্র বিশ্লেষণ করবো না। তার কারণ একটাই এখানে প্রতিটি ঘটনার সাথে একেকটা চরিত্র জড়িত। চরিত্র বিশ্লেষণ করতে গেলেই গল্পের এন্ডিংটা পাঠক বুঝেও ফেলতে পারে। তবে একজনের কথা না বলে থাকতেও পারবো না, সে হলো সাদিয়া। লবঙ্গের সব থেকে ভালো বান্ধবী। আমি প্রার্থনা করি এমন একজন বান্ধবী সবার জীবনে আসুক। সাদিয়া একজন স্পষ্ট ও বাস্তববাদী একজন মেয়ে। সে এই সমাজের দিকে ফিরেও তাকায় না। সমাজ কি বলে বলুক, নিজের আত্মার শান্তিটা সবার আগে। ডিভোর্সের পরবর্তী সময় বা আগে লবঙ্গের সাথে আঠার মতো লেগে ছিলো, তার খোঁজ খবর রেখেছিলো। তবে যতই সবাই পাশে থাকুক। কর্ম সহায় হলেও দিনশেষে ভাগ্যে আমাদের যা যা লেখা থাকে তাই-ই ঘটবে। প্রকাশনীর কথা যদি বলতে যাই, পেইজ কোয়ালিটি ভালো ছিলো। তবে বেশ কিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে। আশা করি, পরবর্তী মুদ্রণে ওনারা সেসব সংশোধন করে দেবেন। আমি বলবো, হাতে সময় থাকলে বইটি মানুষ হিসেবে পড়া উচিত। আপনাকে সমাজের অনেক কিছু সম্পর্কে ধারণা দেবে বইটি। রিভিউ লেখক: Priangka Ray Chaity 🖊️ [জীবনে এই প্রথমবার এভাবে রিভিউ লিখেছি। জানিনা কতটা গুছিয়ে লিখতে পেরেছি তবে চেষ্টা করেছি সর্বোচ্চটা দেবার। বইটা এ বছরের জানুয়ারির ১৪ তারিখে পড়ে শেষ করেছি দুদিনে। ১ দিনে পড়ে ফেলার মতো বই। কিন্তু ব্যস্ততার জন্য সময় নিয়েছি দুদিন। আর এই তো রিভিউ লিখতে সময়ে পার করে দিয়েছি অর্ধেক মাস। তবে এই তো শুরু করলাম রিভিউ লিখতে আর থামছি না। এবার থেকে বই শেষ করবো আর রিভিউ লিখবো। রিভিউতে ভুলত্রুটি মার্জনীয় ]"
Priya Rahman , Oct 8, 2022
"#লবঙ্গ "কখনো বৃষ্টি সুখের, কখনো বৃষ্টি দুঃখের কখনো উল্লাস কখনো বা বৃষ্টি বিলাস। কখনো বৃষ্টিতে ভেজা বারণ কখনো চোখের জল লুকোনোই, বৃষ্টিতে ভেজার কারণ।" ছাদের এক কোনায় দীঘল লম্বা চুল ছেড়ে বসে আছে লবঙ্গ। বিকেলের হালকা হাওয়া এসে চুলগুলোকে উড়িয়ে দিচ্ছে বারবার। গাছে গাছে নতুন পাতা গজিয়েছে। চারপাশ সবুজ হয়ে আছে। জীবনটা যদি এমন হতো! শুকনো পাতা ঝরার পর যেমন আবার নতুন পাতা গজায়, তেমনি যদি জীবনটা আবার নতুন করে শুরু করা যেত! এমনি কিছু ভাবনা চলছিলো লবঙ্গের মনে। চলে এলাম আবারও নতুন একটি সমসাময়িক উপন্যাস নিয়ে কথা বলতে। নবীন লেখক জান্নাতুল ইভা' র প্রথম একক উপন্যাস "লবঙ্গ"। ★কাহিনী সংক্ষেপে: কাহিনির শুরু খুব সাধারণ সাংসারিক একটি দৃশ্য দিয়ে। লাবু অর্থাৎ লবঙ্গ তার স্বামী রেহালের শার্ট আয়রণ করে দিচ্ছে।আমরা আমাদের ঘরে সবসময় যেমনটা দেখি। কিন্তু লবঙ্গের জীবনের কাহিনিটা আর দশটা সাধারণ গৃহীনির মতো নয়। তার সংসার জীবনে হঠাৎ করেই পায়েল নামক এক ঝড় উঠে যার তান্ডবে তছনছ হয়ে য়ায় রোদ আর তার মায়ের সুখের জীবন। কিন্তু লবঙ্গ হার মানে না সে তার সন্তানের জন্য প্রানপণ চেষ্টা করে ঘুরে দাঁড়াতে। তার এই সংগ্রমের পথে হাত বাড়ায় আসিফ। কিন্তু কতদিন? কতদিন লবঙ্গ অন্যের হাত ধরে এগিয়ে যাবে? সেকি পারবে নিজের চেষ্টায় কিছু করতে? নাকি এভাবেই সারাজীবন অন্যের করুণা নিয়ে তার বাঁচতে হবে। জানতে হলে পড়তে হবে পারিবারিক প্রেক্ষাপটের লেখা এই বইটি। ★কিছু চরিত্র : পারিবারিক আবহে লেখা এই উপন্যাসটিতে বহুল চরিত্রের সমাগম লক্ষ্য করা যায়নি। তবে কিছু চরিত্র অবশ্যই মনে দাগ কেটে দেবার মতো। *লবঙ্গ : উপন্যাসটির প্রধান ও কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে লবঙ্গ নামের একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে এবং রেহালের স্ত্রী। তিন বছরের পুত্র রোদের মা। স্বভাবে নম্র ভদ্র এবং সাংসারিক গুণবতী একটি মেয়ে। যার এই নম্রতাই তার জন্য কাল হয়ে যায়। সে কিন্তু একজন অসাধারণ মা হবার পাশাপাশি দারুণ নাচও করতে পারে। *রেহাল: সম্পর্কে লবঙ্গের স্বামী। হিসাব মতো গল্পের নায়ক হবার কথা থাকলেও নিজের চমৎকার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের জন্য সে সবার কাছে ভিলেন রূপে পরিচিত। রেহালের প্রশংসা যত কম করা যায় ততই বেশি মনে হয় আমার কাছে। *সাদিয়া: উপন্যাসের এই চরিত্রটি আমার বিশেষ পচ্ছন্দের। সম্পর্কে লাবুর বান্ধবী। প্রচন্ড বাস্তববাদী ও স্পষ্টভাষী একটা মেয়ে। বন্ধুর বিপদে সবসময় পাশে দেখা গেছে তাকে। মুখের উপর সত্য কথা বলতে যে দ্বিধা করে না। *আসিফ : উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। সম্পর্কে সাদিয়ার বড় ভাই। এই মানুষটাকে আমার ভিষণ ভালো লেগেছে। এই চরিত্রটি নিয়ে পাঠকের কৌতুহলও কম হবে না আশা করি। ★পচ্ছন্দের উক্তি : ১. বাঙালি মেয়েরা শ্বশুরবাড়ি এসে যতই সেক্রিফাইস করুক না কেন, তার দাম কখনো পাবে না। ২. সবার কাছে চোখের জল লুকানো যায, কিন্তু নিজের কাছে? আয়নায় তাকালেই নিজের মুখটা দেখলে মনে হয়, যাদের জন্য কষ্ট গুলো লুকিয়ে মুখে মিথ্যে হাসি নিয়ে ঘুরে বেড়াই, তারা কি কখনো আমাকে বুঝতে পারবে? ৩. ছেলেরা যদি ক'দিন ঘর সামলাতে তখন বুঝত, ঘরে-বাইরে সামলানো কোনটার চেয়ে কোনটা কম না। ৪. মেয়েদের জীবন এমন অদ্ভুত কেন! বিয়ের পর স্বামীর সংসারটাই সব। আর সেই স্বামী যদি অপমা, অবজ্ঞা, অবহেলা করে, তাহলে তার যাওয়ার জায়গা কই? বাপের বাড়িতেও তখন তাকে গলার কাঁটা হয়ে থাকতে হয়। ৫. তুমি সেইসব সুন্দর নারীদের মধ্যে একজন যাকে জানার জন্য গভীর অতলে ডুবে যেতে ইচ্ছে করে। কিন্তু যাওয়া যায়না কারন মাঝখানে একটা দেয়াল উঠে গেছে। যা,টপকে তোমার কাছে যাওয়া সম্ভব নয়। ৬. নিজেকে অখুশি রেখে অন্যকে ভালো রাখার মধ্যে কোন সার্থকতা নেই। বরং সবার আগে নিজেকে ভালো রাখার টা অনেক বেশি জরুরী। ৭. পুরুষ তো সবাই হয়। কিন্তু মনের মতো মানুষ সবাই হয়না। পুরুষ হওয়ার চেয়েও কারো মনের মত মানুষ হওয়া অনেক বেশি জরুরী। যার কাছে অনায়াসে, নির্ভয়ে নিজেকে মেলে ধরা যায়,যার কাছে নিজের শান্তি খুঁজে পাওয়া যায়। সেই-তো কাছের মানুষ। ৮. যার কাছে যার শান্তি মিলে প্রথম থেকে যদি তার সাথে জুড়ি লেখা থাকত, তাহলে মানুষকে এত কষ্ট পেতে হতো না। অথচ বেশীরভাগ সময়ই আমাদের দেখা হয় ভুল মানুষগুলোর সাথে। আমরা বাঁধাও পড়ে যাই তাদের সাথে। তারপর না শান্তি মিলে না মুক্তি মেলে। ★ভালো না লাগার দিক: উপন্যাসটি প্রথমে নাম পুরুষে শুরু হলেও মাঝে মাঝে কখনো উত্তম পুরুষ চলে এসছে। কখনো নাম পুরুষ কখনো উত্তম পুরুষ এই নিয়ে একটু গোজামিল হয়ে গেছে। পুরো উপন্যাসটির নাম পুরুষের লেখা হলেই আরো বেশি সুন্দর হতো। কাহিনীর শেষটা খুব চমৎকার হলেও একজনের জন্য মনের ভেতর খুঁতখুঁত রয়েই গেছে। দিনশেষে আসিফের জীবনটা কেন এমন হলো? ভালোবাসার শাস্তি কি এতটাই নির্মম। ছোট ছোট কিছু বানানের ভুল ও সর্বোপরি কিছু সংলাপ একটু বেশি সাদামাটা ছিল। ★এগুলো ছাড়া লেখক এর প্রথম উপন্যাস হিসেবে বইটি বেশ চমৎকার। এই বইটি চলন্তিকা সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ এর জন্য পাঠক জরিপে মনোনয়ন পেয়েছিল। বই: লবঙ্গ লেখক: জান্নাতুল ইভা প্রকাশনী: পাললিক সৌরভ প্রচ্ছদ: সাদিতউজজামান মুদ্রিত মূল্য: ৩০০ টাকা"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"লবঙ্গ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: